Tag: স্বাস্থ্য

  • কাঁচা আম খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পার্শ্বপতিক্রিয়া

    কাঁচা আম খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পার্শ্বপতিক্রিয়া

    কাঁচা আম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ। কাঁচা আমে ক্যালোরি কম এবং এতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা হজমে সহায়তা করতে পারে এবং অন্ত্রের গতিবিধি উন্নত করতে পারে। ডঃ স্মিতা বারোদি (বি এ এম এস, এম এস) জানিয়েছেন, কাঁচা আমে এনজাইম থাকে যা প্রোটিনকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে, এবং হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

    কাঁচা আমের অন্যান্য কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলির মধ্যে রয়েছে:

    রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়: কাঁচা আম উচ্চ ফাইবার সামগ্রী এবং ম্যাঙ্গিফেরিন এবং গ্যালিক অ্যাসিডের মতো যৌগগুলির উপস্থিতির কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: কাঁচা আম ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

    ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে: কাঁচা আমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি, ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এবং আমের ভিটামিন এ উন্নত ত্বক পেতে সাহায্য করে।

    হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক: কাঁচা আমে পটাসিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হার্টের স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে।

    কাঁচা আম খাওয়ার সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

    অতিরিক্ত কোনোকিছুই ভালো নয়। তেমনি কাঁচা আম অতিরিক্ত খেলে হতে পারে- ডায়রিয়া, বদহজম এবং পেটে ব্যথার মতো গ্যাস্ট্রিক সমস্যা।

    আম খাওয়ার পর কারও গলা ব্যথা বা অ্যালার্জিজনিত সমস্যাও হতে পারে।

    সুতরাং, যদি আপনি কাঁচা আম খাওয়ার জন্য কোন প্রতিকূল পরিস্থিতি অনুভব করেন, তাহলে এটি খাওয়া বন্ধ করুন এবং অবিলম্বে একজন ডাক্তার বা আয়ুর্বেদিক চিকিত্সকের সাথে যোগাযোগ করুন। তারা আপনার উপসর্গগুলির জন্য যথাযথভাবে আপনাকে গাইড করতে সক্ষম হবে। তথ্যসূত্রঃ ফার্মইজি

  • কোভিড মহামারির জরুরি অবস্থা আর থাকছে না

    কোভিড মহামারির জরুরি অবস্থা আর থাকছে না

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, কোভিড-১৯ এখন আর বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা থাকছে না। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারির পর্ব শেষ হলো।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বিবিসি।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা জারি করে।

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। চীনে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি।

    এক বিবৃতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ২০২১ সালে প্রতি সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১ লাখ মানুষ মারা যেত। সে হার ২৪ এপ্রিল ৩ হাজার ৫০০ জনে নেমে এসেছে।

    ডব্লিউএইচও’র প্রধান ড. তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস বলেন, আশার বিষয় হচ্ছে আমি কোভিড-১৯ কে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা নয় বলে ঘোষণা করেছি। তার মানে এই নয় যে, করোনা বিশ্বব্যাপী আর স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকছে না।

    তিনি বলেন, গতকাল জরুরি কমিটি ১৫তম বারের মতো বৈঠক করেছে। তারা আমাকে সুপারিশ করেছে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার অবসান ঘটানোর ঘোষণা দিতে। আমি সেই পরামর্শটি গ্রহণ করেছি।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান জানান, করোনা মহামারিতে বিশ্বে ৭০ লাখ মানুষ মারা গেছে। তবে তিনি বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা ২ কোটির কাছাকাছি।

  • জীবনের প্রতিটি ধাপেই বায়ু দূষণের প্রভাবঃ গবেষণা

    জীবনের প্রতিটি ধাপেই বায়ু দূষণের প্রভাবঃ গবেষণা

    মানবজীবনের প্রতিটি ধাপই বায়ুদূষণের দ্বারা প্রভাবিত। গবেষণার তথ্যমতে, এটি মায়ের গর্ভে থাকা ভ্রূণ থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের জ্ঞান বিকাশ ও প্রাপ্ত বয়স্কদের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। সোমবার (১৭ এপ্রিল) লন্ডন থেকে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। সূত্র : আল-জাজিরা।

    মানবজীবনে বায়ুদূষণের প্রভাব শীর্ষক এ গবেষণাটি পরিচালনা করেছে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের পরিবেশ গবেষণা দল। দীর্ঘ এক দশক ধরে ৩৫ হাজার গবেষণার ওপর জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন তারা।

    ইম্পেরিয়াল কলেজের পরিবেশ গবেষণা দলটি কাজ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), দ্য ইউকে কমিটি অন দ্য মেডিকেল ইফেক্টস অফ এয়ার পলিউশন, দ্য রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস, দ্য হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট, দ্য ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারসহ ৩৫ হাজার গবেষণার ওপর।

    প্রাপ্ত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষের মস্তিষ্ক ও স্বাস্থ্যের ওপর চরমভাবে প্রভাব ফেলে বায়ুদূষণ। এমনকি গর্ভাবস্থায় থাকা মানব ভ্রূণের ওপরও প্রভাব ফেলে এটি। আর গর্ভাবস্থার প্রভাব থাকে জীবনভর।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বায়ুদূষণ নবজাতকের স্বাস্থ্য, ওজন, গর্ভপাত ও মৃতপ্রসবের জন্য অনেকটা দায়ী। গর্ভবতী মা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে দূষিত বাতাস নেওয়ার ফলে গর্ভে থাকা ভ্রূণ দুর্বল হতে পারে। এটি শিশুর বিকাশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। দূষিত বাতাসের সঙ্গে থাকা রাসায়নিকগুলো গর্ভবতী নারীর রক্তে প্রবেশ করে এর প্রবাহকে পরিবর্তন করতে পারে, যা ভ্রূণের বৃদ্ধিকে কমিয়ে দিতে পারে।

    ডব্লিউএইচও’র তথ্য মতে, প্রতি বছর ২ কোটি শিশু কম ওজন নিয়ে পৃথিবীতে আসে। আর দেড় কোটি শিশু উপযুক্ত সময়ের আগে জন্ম নেয়।

    বায়ুদূষণ শুধুমাত্র মায়ের ক্ষতিই করে না, এটি পুরুষের বীর্যেও এর প্রভাব অনেক। দূষিত বাতাসে থাকা পুরুষদের বীর্যের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কমে যায়।

    গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বায়ুদূষণ শিশুদের ফুসফুসের বৃদ্ধিকে কমিয়ে দেয়। এতে করে উচ্চ রক্তচাপে ভুগে তারা। এমনকি এটি তাদের জ্ঞান বৃদ্ধির গতি হ্রাস করে ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে।

    গবেষক দলটি বলছে, ৮ থেকে ৯ বছর বয়সী দুই হাজার শিশুকে তারা পেয়েছে, যাদের কি না তুলনামূলকভাবে ফুসফুসের বৃদ্ধি পাঁচ শতাংশ কম হয়েছে। এর মূলে রয়েছে ডিজেল থেকে উৎপন্ন হওয়া নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড।

    দূষিত বায়ুর ফলে অনেক মানুষ হাঁপানিতে ভুগছে। ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত লন্ডনের দূষিত বায়ুর কারণে হাঁপানি ও ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুস নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে এক হাজার ৭০০ এর বেশি রোগীকে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সাত শতাংশই ছিল শিশু।

    এ ছাড়া বায়ুদূষণের জন্য শিশুদের হৃদরোগে মৃত্যুর ঘটনাসহ স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে এবং পরবর্তী জীবনে শিশুরা কার্ডিওভাসকুলার রোগে ভুগতে পারে।

  • ওমিক্রম ও ডেল্টা মোকাবিলায় ১১ লাখ বাইভেলেন্ট ভ্যাক্সিন পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ওমিক্রম ও ডেল্টা মোকাবিলায় ১১ লাখ বাইভেলেন্ট ভ্যাক্সিন পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের পাশাপাশি ওমিক্রম ও ডেল্টা ভাইরাস মোকাবিলার জন্য সম্প্রতি আরো ১১ লাখ বাইভেলেন্ট ভ্যাক্সিন হাতে এসেছে।

    তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ১১ লাখ ভ্যাক্সিন বাংলাদেশ সরকারকে দিয়েছে। খুব শীঘ্রই আরো ২০ লাখ বাইভেলেন্ট ভ্যাক্সিন দেবে বলেও জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শীঘ্রই এই ভ্যাক্সিনগুলো বুস্টার ডোজ হিসেবে দেয়া শুরু করা হবে।’

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের পথ পরিক্রমায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অদম্য যাত্রায় “জাতীয় স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবস-২০২৩” উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা জানান।

    বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, বর্তমানে দেশের ৫১টি সরকারি হাসপাতালে রোগীরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। এই সেবায় আমরা লক্ষ্য করেছি, দেশের মানুষ খুশি হয়েছে। চিকিৎসকরাও খুশি মনে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। এজন্য এই সেবার আরও পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আরও ১০০ হাসপাতালে এ সেবা চালু করা হবে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠালগ্নের কথা বলতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২ মে ১৯৭১ সালের তৎকালীন কোলকাতার থিয়েটার রোডে প্রথম যাত্রা শুরু হয় আজকের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। একারণেই ২ মে জাতীয় স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবস-২০২৩ পালন করা হচ্ছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকান্ড তুলে ধরতে গিয়ে তিনি জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জন্মলগ্ন থেকে ৫২ বছর হয়ে গেছে। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৬০ হাজার বেড, ৪৫ হাজার নার্স, ৩৩ হাজার চিকিৎসক রয়েছে। এছাড়া, সারা দেশে ১৮ হাজার ক্লিনিক সুবিধা রয়েছে, যার মধ্যে ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক।

    জাহিদ মালেক বলেন, সব ওষুধ বর্তমানে দেশেই উৎপাদন হচ্ছে। সরকারি ৩৭টি ও বেসরকারি ৭২টি মেডিকেল কলেজ হয়েছে। স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট করা হয়েছে ১৫টি। সব মিলিয়ে গত ৫২ বছরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অর্জন বলে শেষ করা যাবে না।

    স্বাস্থ্য অধিপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মোঃ আজিজুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু এনডিসি, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ টিটো মিঞা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • শিশুদের খাওয়ার সময় স্ক্রীনটাইম নয়

    শিশুদের খাওয়ার সময় স্ক্রীনটাইম নয়

    সাধারণত শিশু বা ছোট বাচ্চাদের খাওয়ার সময় টিভি বা মোবাইল ডিভাইসে ভিডিও দেখাকে নিরুতসাহিত করেন গবেষকরা। এতে করে নানারকম মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির কারন দেখা দেয়। বাবা-মা’র সচেতন হতে হবে তার শিশুকে সুন্দরভাবে বেড়ে তোলবার জন্য। যেসব ক্ষতির কারন হতে পারে তা হলো-

    > যেসব শিশু টিভি বা মোবাইল দেখে খাবার খায় তারা আগ্রহহীনভাবে খেতে থাকে। কি খাচ্ছে, কি চিবোচ্ছে সে সম্পর্কে অবগত থাকে না। এবং শরীরের প্রয়োজন মিটে গেছে কিনা সেটাও বুঝতে পারে না। এর ফলে স্থুলতা বা ক্ষুধামন্দার মতো রোগ দেখা দিতে পারে।

    > অনেক শিশু খাবার মুখে নিয়ে বসে থাকে অথবা না চিবিয়ে সরাসরি গিলে ফেলে। কারন সে জানেই না কিভাবে খাবার খেতে হয় বা খাবারকে উপভোগ করতে হয়। এতে বদহজমের মত সমস্যাও হতে পারে।

    > ২০১৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায় ৫-৬ বছরের যেসব শিশু স্ক্রিনে বেশি সময় দেয় তারা শাকসবজি ফলমূল কম খায়, আর চকলেট, চিপস, জাঙ্ক ফুড খেতে বেশি পছন্দ করে।

    > দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ সবচাইতে বেশি হয়। এ সময় ডিভাইসের ব্যবহার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ করে।

    > খাওয়ার সময় ডিজিটাল স্ক্রিন দেখার অভ্যাস হয়ে গেলে, এটি তাদের দীর্ঘস্থায়ী অভ্যাসে পরিণত হবে। ফলে এই অভ্যাস সহজে ছাড়ানো সম্ভব হবে না। যখন থেকেই শিশু নিজ হাতে খেতে সক্ষম হয়ে ওঠে তখন থেকেই তাদের নিজে খাওয়ার জন্য উৎসাহ দিন এবং খাওয়ার জন্য কখনোই জোর করবেন না। খিদে পেলে সে নিজেই খাওয়া শিখে নেবে।

    উপরের মূল্যবান পরামর্শগুলো আজ থেকেই আপনার শিশুর জন্য কাজে লাগান। এতে করে একটি সুন্দর জীবন গড়ে তুলতে সহজ হবে।

    তথ্যসূত্রঃ চাইল্ড হেলথ কেয়ার

  • তীব্র গরমে শরীর সতেজ রাখবে তরমুজ

    তীব্র গরমে শরীর সতেজ রাখবে তরমুজ

    গরমে শরীর সতেজ রাখতে রসালো ফলমূল আর ঠান্ডা পানীয়ের দিকে ঝোঁকেন সবাই। এ সময়ে অনেকেরই প্রথম পছন্দ তরমুজ। এই ফল শরীর ঠান্ডাও করে, আবার শরীরে জলের চাহিদাও মেটায়। তরমুজে ৯২ শতাংশই জল, যা সহজেই গরমকালে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা মেটাতে পারে। গরমে ঘেমে নেয়ে লাল টকটকে কয়েক ফালি তরমুজ কিংবা তরমুজের রস খেলেই চাঙ্গা হয়ে যায় শরীর। কিন্তু শুধুই কি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য এই ফল খাওয়া হয়? তা কিন্তু নয়। এই ফল খাওয়ার আরও অনেক কারণ রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, এই রসালো ফলের উপকারিতা এবং তরমুজ খাওয়ার বিভিন্ন উপায় –

    তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা

    শরীর হাইড্রেট রাখে – তরমুজ শরীর ঠান্ডা করে এবং শরীরকে হাইড্রেট রাখতেও সাহায্য করে। এই ফলের বেশিরভাগটাই জল। এতে পটাশিয়ামের মতো ইলেক্ট্রোলাইটও রয়েছে। যে কারণে তরমুজ খেলে শরীরে জলের অভাব দূর হয়।

    হজমে সাহায্য করে – তরমুজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা ভালো হজম এবং নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে। তাছাড়া, ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, যে কারণে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

    ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ – এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে। ভিটামিন এ, বি ৬, সি রয়েছে ভরপুর। আর এই সব গুণই ত্বক ও চোখ সুস্থ রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। তরমুজ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

    ক্যালোরি খুব কম – তরমুজে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম। যে কারণে এই ফল প্রায় সকলের জন্যই স্বাস্থ্যকর। বিশেষত, যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য খুবই উপকারী তরমুজ।

    হার্ট ভালো রাখে – তরমুজে থাকা লাইকোপিন হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তরমুজে সাইট্রুলিনও রয়েছে, এটি এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

    ক্যান্সার প্রতিরোধ করে – তরমুজে উপস্থিত সব অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কোষের ক্ষয় আটকায় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

    তথ্যসূত্রঃ বোল্ডস্কাই

  • প্রাণঘাতী, মহামারী এবং সংক্রামক ভাইরাস মারবার্গ ভাইরাস নিয়ে সতর্কতা

    প্রাণঘাতী, মহামারী এবং সংক্রামক ভাইরাস মারবার্গ ভাইরাস নিয়ে সতর্কতা

    আফ্রিকায় মহামারী মতো ছড়িয়ে পড়েছে ইবোলার মতো মারাত্মক সংক্রমক মারবার্গ ভাইরাস। মারবার্গ ভাইরাস ডিজিজ একটি মারাত্মক রোগ যা আক্রান্তের দেহে রক্তক্ষরণজনিত জ্বরের সৃষ্টি করে। এই ভাইরাসে মৃত্যুর সম্ভাবনা ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত। এটি ফিলোভাইরাস পরিবারের একটি অংশ, এই পরিবারে আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ইবোলা ভাইরাসও অন্তর্ভুক্ত আছে। ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) সম্প্রতি গিনি এবং তানজানিয়ার উদ্দেশ্যে যাওয়া সমস্ত ভ্রমণকারীদের প্রাণঘাতী এই ভাইরাস এড়াতে প্রতিরোধ ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়াও ভাইরাসের বিস্তার রোধে সহায়তা করার জন্য সেখানে কর্মী পাঠাচ্ছে তারা।

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুসারে, মারবার্গ ভাইরাস একটি প্রাণঘাতী মহামারী এবং সংক্রামক ভাইরাস। তারা এই ভাইরাস সংক্রান্ত ২০টি কেস রেকর্ড করেছে এবং প্রতিটি কেসেই আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।

    ডব্লিউএইচও’র মতে, মারবার্গ ভাইরাস ডিজিজ একটি মারাত্মক রোগ যা আক্রান্তের দেহে রক্তক্ষরণজনিত জ্বরের সৃষ্টি করে। এই ভাইরাসে মৃত্যুর সম্ভাবনা ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত। এটি ফিলোভাইরাস পরিবারের একটি অংশ, এই পরিবারে আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ইবোলা ভাইরাসও অন্তর্ভুক্ত আছে।

    মারবার্গ ভাইরাসের প্রাকৃতিক বাহক হল আফ্রিকান বিভিন্নও ফল খাওয়া বাদুড়, যা ভাইরাস বহন করে কিন্তু এর থেকে অসুস্থ হয় না। বাদুড় ছাড়াও অন্যান্য সংক্রমিত প্রাণী মারবার্গ ভাইরাস বহন করতে পারে। অতিরিক্ত জ্বর, শরীরের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক অংশে রক্তপাত এবং তীব্র মাথাব্যথা হল এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ।

    মারবার্গ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে অন্য যে কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত উপকরণের সংস্পর্শে এসে যে কেউই আক্রান্ত হতে পারে। মারবার্গ ভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনো নিরাময় বা ভ্যাকসিন নেই, তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রাথমিক পর্যায়ের ভ্যাকসিন আবিস্কারের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

  • দৈনিক কতোটুকু পানি পান করবেন?

    দৈনিক কতোটুকু পানি পান করবেন?

    রোজা চলছে, গরমও বাড়ছে, ভাবছেন কতোটুকু পানি পান করবেন? এ বিষয়ে পরিষ্কার ও সংক্ষিপ্ত পরামর্শ দিচ্ছেন প্রফেসর ডঃ এস এম জি কিবরিয়া বলেন, পুরোটাই নির্ভর করে আপনার শরীরের ওজনের উপর। প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ মিলি প্রতি কেজিতে আপনার পানির প্রয়োজন। অর্থাৎ, আপনার ওজন যদি ৫০ কেজি হয়, তাহলে আপনার প্রায় ১৮০০ মিলি পানি লাগবে। এই চাহিদার ২০% আসবে খাবার থেকে আর বাকিটা আসবে পানি থেকে। পানিটা যে শুধু পানিই হতে হবে এমন নয় বিষয়টা। সেটা যেকোনো পানীয়ও হতে পারে। রসালো ফলমূল প্রায় পুরোটাই পানি। অর্থাৎ, আপনি যদি স্বাভাবিক খাবার খান সেখান থেকে ৪০০ মিলি পানি পাবেন। ৫ গ্লাস পানি খান আর ২ টি ছোট কাপ চা খান তাহলেই কিন্তু ১৮০০ মিলি হয়ে যায়। আর আপনার যদি তৃষ্ণা না পায় এবং পস্রাব ঘন না হয় তাহলে বুঝবেন- আপনার পানি শূন্যতা নেই। যারা শরীর চর্চা করছেন বা ব্রেস্ট ফিডিং করছেন তাদের একটু বেশি পানি লাগবে। আর যারা কিডনী ও হার্টের রোগী তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পানি খেতে হবে।

  • সুন্দর জীবনচর্চার মাধ্যমে অনিদ্রা দূর করুন

    সুন্দর জীবনচর্চার মাধ্যমে অনিদ্রা দূর করুন

    ফিলিপস গ্লোবাল স্লিপ জরিপে দেখা গেছে যে বিশ্বজুড়ে ৬২% প্রাপ্তবয়স্করা বলে যে তারা তাদের পছন্দ মতো ঘুমায় না এবং প্রায় ৬৭% প্রাপ্তবয়স্করা প্রতি রাতে কমপক্ষে একবার ঘুমের ব্যাঘাতের কথা জানায়। আরও জানা যায় বিশ্বে বিলিয়ন মানুষের অনিদ্রাজনিত সমস্যা রয়েছে। ২৫%-৫০% বিভিন্ন বয়সী শিশু কিশোরদের ঘুমের সমস্যা দেখা যায়। ৮ থেকে ৮০ বিভিন্ন বয়েসী মানুষের ৭-১০ ঘন্টা ঘুম গুরুত্বপূর্ণ হলেও এদের অনেকেই অনিদ্রায় ভুগছে। এর জন্যে তৈরি হচ্ছে নানারকম স্লিপিং পিল খাওয়ার অভ্যস্থতা এবং নানারকম শারীরিক ও মানসিক জটিলতা।

    অনিদ্রা দূর করতে এবং স্বাভাবিক ঘুমের জন্য গবেষকরা স্লিপিং পিল খাওয়ার পরিবর্তে, কিছু নিয়ম মাফিক সুন্দর জীবনযাপনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যেমন-

    • নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমের জন্য বিছানায় যাওয়া এবং প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে উঠার চর্চা।
    • ঘুমানোর আগে ফোন, ট্যাবলেট এবং কম্পিউটারের মতো স্ক্রিন এড়িয়ে চলুন।
    • আপনার বেডরুম ঠান্ডা এবং অন্ধকার রাখুন এবং আরামদায়ক বিছানা ব্যবহার করুন।
    • অ্যালকোহল এবং ক্যাফিন সেবন সীমিত করুন বা বাদ দিন।
    • নিয়মিত ব্যায়াম করুন, তবে শোবার সময় কাছাকাছি তীব্র ওয়ার্কআউট এড়িয়ে চলুন।
    • মেডিটেশন অনুশীলন করুন, যোগব্যায়াম ও গভীর শ্বাস নেওয়ার মাধ্যমে শিথিলায়ন করুন।

    এরপরেও আপনার ঘুমের সমস্যা অব্যাহত থাকলে একজন যোগ্যতাসম্পন্ন ঘুম বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়ার কথা বিবেচনা করুন। মনে রাখবেন যে, প্রত্যেকের ঘুমের চাহিদা আলাদা। তাই আপনার জন্য কোনটি সবচেয়ে ভাল কাজ করে তা খুঁজে বের করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন কৌশল নিয়ে পরীক্ষা করতে হতে পারে।

    তথ্য সূত্রঃ ওয়ান মেডিকেল

  • রমজান মাসে সুস্থ থাকতে যা খাবেন

    রমজান মাসে সুস্থ থাকতে যা খাবেন

    সুস্থ থাকতে হলে সতর্ক হতে হবে খাবার নির্বাচনে। রমজানের সময় এমনিতেই আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন আসে। অনেকে পানিশূন্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিডিটি, বুক-পেটে ব্যাথা, বদহজমসহ নানা জটিলতায় ভোগেন। তবে খাবার গ্রহণে কিছুটা সতর্কতা ও নিয়ম মেনে চললে এসব সমস্যার বেশিরভাগই এড়ানো সম্ভব।

    রোজায় সেহরি, ইফতার ও রাতের খাবার খাওয়ার বিষয়ে কিছু নিয়ম মানতে হবে। আসুন জেনে নেই রোজায় কি ধরনের খাবার খাবেন?

    সেহরি

    সেহেরি সময় শেষ হওয়ার ৩০ মিনিট আগে থেকে খাওয়া ‍শুরু করুন। এই সময়ের খাবারে জটিল শর্করা যেমন- লাল চাল, লাল আটা, ওটস, বার্লি, শস্য দানা খেলে অনেক সময় পর্যন্ত শক্তি পাওয়া যায়। কেননা এই জাতীয় খাবার ধীরে হজম হয় এবং সময় নিয়ে রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ করে।

    সেহরিতে প্রোটিন জাতীয় খাবার অবশ্যই রাখতে হবে। মাছ, মুরগির মাংস বা ডিম যেকোনো একটি খেতে পারেন। রোজায় ডাল জাতীয় খাবার পরিমাণে বেশি খাওয়া হয় বলে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের দিকে একটু খেয়াল রাখতে হবে।

    এছাড়া রঙিন ও পানি জাতীয় সবজি যেমন-লাউ, পটল, পেঁপে, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, টমেটো, চালকুমড়া, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি খেতে পারেন। যেগুলো পাকস্থলীতে উত্তেজনা কমায় এবং সহজে হজম হয়।

    ইফতার

    ১. ইফতারে খেতে পারেন পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুর। এটি নিমেষেই দেহে শক্তি যোগায়। ইফতার শুরু করুন পানি ও ২টি খেজুর দিয়ে। তবে ডায়াবেটিক রোগীরা ১টি খেজুর খেতে পারেন।

    ২. সময় নিয়ে ভালো করে চিবিয়ে এবং ধীরে ধীরে ইফতার করুন। সব খাবার একবারে খাওয়া চলবে না। এতে করে খাবার পরিপাকে সমস্যা হবে না, সেই সঙ্গে তৃপ্তি সহকারে খাওয়া যাবে।

    ৩. শরবতে চিনির পরিবর্তে গুড় বা মধু ব্যবহার করুন। এছাড়া ডাবের পানি, চিনি ছাড়া ফলের রস, লাচ্ছি, স্মুদি, বিভিন্ন ফ্রুট শেইক, লেবু পানি বা স্যালাইনও রাখতে পারেন। ডায়বেটিক রোগীর খাবারে বাড়তি চিনি যোগ করা যাবে না।

    ৪. ভাজা-পোড়া খাবার খেতে হবে একটু হিসেব করে। অতিরিক্ত ভাজা খাবার শরীরে এসিডিটি, তৃষ্ণা, বদহজম, অস্বস্তি তৈরি করে। পিয়াজু, বেগুনি, আলু, মাংস ও সবজির চপ, বিভিন্ন পাকোড়া সপ্তাহের দিন হিসেবে ভাগ করে নিন।

    ৫. অল্প তেল, মসলায় রান্না করা ছোলার সঙ্গে শসা, টমেটো, লেবু, কাঁচা মরিচ, পুদিনা বা ধনে পাতার সালাদ খেলে ভিটামিন-সি’সহ অন্যান্য ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যাবে। অনেকে কাঁচা ছোলা বা অঙ্কুরিত ছোলা খেতে পছন্দ করেন। যা খুবই স্বাস্থ্যকর। এই ছোলা মুখে ঘা সারাতে সাহায্য করে।

    ৬. ইফতারে খেতে পারেন মৌসুমি ফল। এসময় পেঁপে, তরমুজ, বাঙ্গি, কলা, মাল্টা, আপেল, আনারস, কমলা, পেয়ারা, আম পাওয়া যায়। ফ্রুট সালাদ করে খেলেও অনেক ধরনের ভিটামিন ও মিনারেলস পাওয়া যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।

    ৭. এক কাপ দুধ বা দুধের তৈরি খাবার পুডিং, পায়েস, ছানা, সেমাই, ফ্রুট কাস্টার্ড আপনার প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করবে। দুধের সঙ্গে কাঠবাদাম যুক্ত করে খেতে পারেন।

    ৮. যারা এসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন তারা মুড়ি ভালো করে চিবিয়ে খেলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। কাঁচা পেঁপেও এক্ষেত্রে সাহায্য করে।

    ৯. চাল, ডাল, সবজি ও ডিম দিয়ে তৈরি নরম খিচুড়ি ইফতারের জন্য একটি ভালো খাবার। যদি কেউ নুডুলস খেতে চান তাহলে অল্প তেল, সবজি ও মাংস যুক্ত করে খেতে পারেন। তবে অবশ্যই অন্য খাবারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খেতে হবে।

    ১০. যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তারা ইসুবগুল, তোকমা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন।

    রাতের খাবার
    রাতে অল্প পরিমাণে পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার প্রয়োজনীয় ক্যালরি চাহিদা পূরণ করবে। অল্প পরিমাণে ভাত, রুটির সঙ্গে মিক্সড সবজি, মাছ অথবা মাংস, সামান্য ডাল রাখতে পারেন।

    নিউট্রিশনিস্ট অ্যান্ড ডায়েট কনসালটেন্ট, জে বি ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স, খুলনা