Tag: প্রধানমন্ত্রী

  • চীনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    চীনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ জানুয়ারি, ২০২৪: চীনের আন্তর্জাতিক বিভাগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপমন্ত্রী মিস. সুন হাইয়ানের নেতৃত্বে চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে গণভবনে গিয়ে প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে মসৃণ করতে অতীতের চেয়ে চীন আরও বেশি সহযোগিতা করতে পারে।”

    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচরাইটার এম. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।

    সান হাইয়ান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে তার দেশের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের অভিনন্দন জানান।

    তিনি বলেন, “দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনের সংগ্রাম এবং বাংলাদেশি জনগণের প্রতি ভালোবাসা ও মমতার কারণে শি জিংপিং প্রধানমন্ত্রীর পুনর্নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন।”

    সান হাইয়ান আরো বলেন, “শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে শি নিশ্চিত ছিলেন, কারণ দেশ ও জনগণের প্রতি তাঁর দেশপ্রেম এবং তিনি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন।”

    চীনের ভাইস মিনিস্টার চীন সরকার ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান।

    এছাড়া সান হাইয়ান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র কন্যা সায়মা ওয়াজেদকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    তিনি আশা করেন, “সায়মা ওয়াজেদ বিশ্বব্যাপী অটিজম নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।”

    সান সাইয়ান আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং দেশকে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে রূপান্তরিত করার কাজ দ্রুত গতিতে চলবে।

     

     

     

    এ প্রেক্ষিতে চীনের উপমন্ত্রী ১৯৯১ সাল থেকে তার একাধিক বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, “এ সময় আমি বাংলাদেশের অভূতপূর্ব ও অবিশ্বাস্য উন্নয়ন এবং দেশবাসীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের প্রচেষ্টা প্রত্যক্ষ করেছি।”

    জবাবে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে কারণ, তিনি সফলভাবে দেশবাসীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়েছেন যে ‘আমরা করতে পারি।”

    প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ সময়ের জন্য সরকারের ধারাবাহিকতাকেও কৃতিত্ব দিয়ে বলেছেন সরকারের ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে।

    শেখ হাসিনা সান হাইয়ানকে বাংলাদেশের “প্রকৃত পরিবর্তন’ দেখতে গ্রামীণ এলাকা ঘুরে দেখার পরামর্শ দেন।”

    চীনের ভাইস মিনিস্টার চীন এবং বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।

    বৈঠকেকালে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে এবং দেশবাসীকে উন্নত জীবন দিয়ে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের এখনই সময়।”

    এ জন্যে তিনি চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন।

    চীনের ভাইস মিনিস্টার ক্রমবর্ধমান কর্মসূচিগুলো আরো বাড়ানোর মাধ্যমে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ এম. জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এম. তোফাজ্জেল হোসেন এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষের লাভের কথা ভাবতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষের লাভের কথা ভাবতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষের লাভের কথা ভাবতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অযথা দেরি করা যাবে না। নতুন প্রকল্প গ্রহণের সময় বিবেচনা করতে হবে, তা থেকে মানুষ লাভবান হবে কি না। কতোটা লাভবান হবে। অর্থনীতিতে কী যুক্ত হবে।

    আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    বৈঠকে কমিশনের বিকল্প চেয়ারপারসন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, ভাইস চেয়ারপারসন পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা এবং গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি পরিকল্পনা কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    বৈদেশিক ঋণনির্ভর প্রকল্প যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেজন্য মুখ্য সচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি দুই মাস পর রিভিউ করবে। বৈদেশিক ঋণ বা অনুদানের প্রকল্পগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, সঠিকভাবে টাকা ছাড় হচ্ছে কি না, এসব বিষয় দেখভাল করবে এ কমিটি।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কিছু অনুশাসন দিয়ে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে বিশেষ নজর দিতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অর্থাৎ প্রকল্প পরিচালকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের কারণে যে সময় ব্যয় হয়েছে তা মেটাতে আরও বেশি কাজ করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। এজন্য সর্বক্ষেত্রে ডিজিটাল সিস্টেম আরও কার্যকরভাবে চালু করতে হবে। বৈদেশিক ঋণ বা অনুদান যেন দ্রুত ছাড় পাওয়া যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগের দিকে অধিকতর নজর দিতে হবে।”

    সরকারপ্রধান বলেন, “দেশের ভেতরে সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখতে হবে। জমি অনাবাদি রাখা যাবে না। উৎপাদন বাড়াতে হবে। গবেষণা বাড়াতে হবে। পরনির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আত্মমর্যাদা নিয়ে চলতে হবে। প্রকল্প পরিচালক প্যানেল করে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া যায়। এ বিষয়ে একটি গাইড লাইন করা যায়। এর নাম ‘বিশেষজ্ঞ প্যানেল’ হতে পারে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে খুব বেশি আউট সোর্সিংয়ের ওপর নির্ভর করা যাবে না। পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, আইসিটি, ডিজিটাল ডিভাইস ইত্যাদিতে নজর দিতে হবে। পানি ও নৌ-পরিবহন খাতে নজর দিতে হবে।

    বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম বলেন, “এটা প্রথম সভা। এটা অনেকের জন্য নতুন সভা। ৯ বছর আগে সবশেষ এ সভা হয়েছিল। প্রথম সভায় এজেন্ডা দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী কথাবার্তা বলেছেন। শেখ মুজিবের আদর্শ বাস্তবায়ন ও নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনকে উন্নয়নের মেরুদণ্ড বলা হয়। উন্নয়ন ধরে রাখতে হবে। এগুলো তথ্য পর্যায়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের কিছু বিষয়ে বার্তা দিয়েছে, আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করবো।”

    প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “দেশের জন্য প্রয়োজন এমন পরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রকল্প নিতে হবে। অহেতুক নতুন প্রকল্প নেওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষ কতটুকু লাভবান হবে সেটা দেখতে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।”

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইসি’র প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইসি’র প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: ইউরোপীয় কাউন্সিলের (ইসি) প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ।

    শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি লিখেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সম্প্রতি আপনি পুন-নিয়োগ পাওয়ায় আমি আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।”

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের একটি নির্ভরযোগ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদী অংশীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সাথে টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন এবং অন্যান্য সকল অভিন্ন স্বার্থের বিষয়ে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    মিশেল বলেন, “আমাদের সহযোগিতাকে বিস্তৃত এবং আধুনিকীকরণের উদ্দেশে একটি অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির আলোচনা শিগগির শুরু হবে।”

    তিনি আরো বলেছেন, “এই চুক্তি আগামী বছরগুলোতে আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি শক্ত কাঠামো তৈরি করবে।”

    তিনি আরও বলেছেন, “বাংলাদেশের সাথে আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী অংশীদারিত্বের কাঠামোর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের অংশীদারিত্বকে সমুন্নত রাখতে এবং অগ্রসর করতে এই সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করে যাবে।”

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সাফল্য কামনা করে তিনি চিঠিটি শেষ করেছেন এই বলে, “প্রিয় প্রধানমন্ত্রী দয়া করে আমার সর্বোচ্চ বিবেচনার আশ্বাস গ্রহণ করুন।”

    সূত্র: বাসস

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীর – ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৪) সকালে গণভবনে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপুই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    রাষ্ট্রদূত আবারো নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ৭ জানুয়ারি (রবিবার) সম্পন্ন হয়। এর পর গত ১০ জানুয়ারি (বুধবার) নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর ১১ জানুয়ারি ( বৃহস্পতিবার) নতুন মন্ত্রি ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। ২১ জানুয়ারি (রবিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।

  • বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২১ জানুয়ারি, ২০২৪: ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার (ডিআইটিএফ) পর্দা উঠলো। আজ রবিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে মাসব্যাপী এ মেলার ২৮তম আসরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে সকাল ১০টায় ৩৫ মিনিটে মেলাপ্রাঙ্গণে উপস্থিত হন তিনি।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হতে পেরেছি। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটের মাধ্যমে আমাদের আবার ক্ষমতা বা সেবা করার সুযোগ দিয়েছে।”
    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের কূটনীতি হবে অর্থনৈতিক। আমাদের প্রত্যেকটা কূটনৈতিক মিশনে এই মেসেজ দিয়েছি। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার কীভাবে আমরা ঘটাবো, সেটার ওপর আমাদের কূটনৈতিক মিশনগুলো কাজ করছে, কাজ করবে। সেটাই আমরা চাচ্ছি।”
    তিনি বলেন, “৯৬ সাল থেকে যখন সরকার গঠন করেছি সেখান থেকে একটা প্রচেষ্টা, আর্থসামাজিকভাবে বাংলাদেশকে উন্নত করা। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। বাংলাদেশের মানুষ যেন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলতে পারে, সে পদক্ষেপ নেওয়া।”
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্যবসা-বাণিজ্যের যদি প্রসার না ঘটে, কোনো দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে না। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা দিয়েছিলাম, আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট একোয়া আমরা উৎক্ষেপণ করেছি। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা। আমরা প্রমাণ করেছি, বাংলাদেশের জনগণকে কেউ চ্যালেঞ্জ দিয়ে দাবায় রাখতে পারবে না।”
    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস-চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান।
    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুব আলম।
    উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী মেলায় বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
    এবারও ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মূল আকর্ষণ বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন। বঙ্গবন্ধু টানেলের আদলে নির্মিত মেলার প্রবেশ পথ দিয়ে মূল প্রদর্শনী কেন্দ্রে ঢুকতেই চোখে পড়বে দৃষ্টিনন্দন বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধুর বাড়ির আদলে নির্মাণ করা হয়েছে এ প্যাভিলিয়ন।
    বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নের ভেতরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মভিত্তিক বিভিন্ন আলোকচিত্র প্রদর্শন ছাড়াও তার সম্পর্কিত পুস্তকাদি এবং তার জীবন ও কর্মভিত্তিক ডকুমেন্টারি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
    ইপিবি (রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো) জানায়, এবারের বাণিজ্য মেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্যাভিলিয়ন, রেস্তোরাঁ ও স্টলের মোট সংখ্যা ৩৫১টি। অত্যাধুনিক সুযোগ- সুবিধা সংবলিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এক্সিবিশন সেন্টারের ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩০০ বর্গফুট আয়তনের দুটি হলে (এ ও বি) ১৭৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
    সেন্টারের প্রধান ফটকের পূর্বপাশে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্যাভিলিয়নসহ প্রিমিয়ার ও সংরক্ষিত ক্যাটাগরির স্টল রয়েছে ৬২টি। হলের পেছনে ফরেন ক্যাটাগরির প্যাভিলিয়ন এবং প্রিমিয়ার ক্যাটাগরির প্যাভিলিয়নসহ প্রিমিয়ার ও সংরক্ষিত ক্যাটাগরির স্টল রয়েছে ৫৩টি।
    সেন্টারের মূল কম্পাউন্ডের বাইরে ৬ একর জমির একাংশে ফুড জোন (৩২টি রেস্তোরাঁ ও মিনি রেস্তোরাঁ) এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত ক্যাটাগরির স্টল রয়েছে ৬২টি।
    জানা গেছে, এবারের বাণিজ্য মেলায় দেশীয় পণ্যের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান, হংকং ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশ অংশ নিয়েছে।
    মেলায় এসব দেশের বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিক্স অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসামগ্রী, চামড়া/আর্টিফিসিয়াল চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ফাস্টফুড, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকরসহ বিভিন্ন পণ্য মেলায় প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে।
    এবারের মেলায় প্রবেশের টিকিট মূল্য ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের টিকিটের মূল্য ৩০ টাকা। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। তবে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
    প্রতি বছরের শুরুতে (১ জানুয়ারি) বাণিজ্যমেলা শুরু হলেও এবার নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে যায়।
    আগের মতো মেলা চলবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। আর সাপ্তাহিক ছুটির দিন চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত। মেলায় প্রবেশ ফি ধরা হয়েছে বড়দের জন্য ৫০ টাকা, শিশুদের জন্য ২৫ টাকা।

  • ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪: ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে গণভবনে গিয়ে সরকারপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।

    বৈঠকের পর চার্লস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স বার্তায় বলেন, বৈশ্বিক ও দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মধ্যে।

    হোয়াইটলি’র উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো.নুরেলাহি মিনা বলেন, “গ্লোবাল গেটওয়ে সুবিধার আওতায় পরিবেশ, সুশাসন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ বিদ্যমান যে সুবিধা পাচ্ছে তা আগামী দিনে আরও জোরদার হবে।”

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সম্প্রতি বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম সম্মেলনে ইইউ বাংলাদেশকে ৪০৭ মিলিয়ন ইউরো দিয়েছে।”

    ইইউ রাষ্ট্রদূত অস্ত্র ছাড়া সবকিছু (ইবিএ) সুবিধার আওতায় বাংলাদেশকে দেওয়া সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

    তিনি বাংলাদেশকে জিএসপি প্লাস সুবিধা দেওয়ার ও অঙ্গীকার করেন।

    ইইউ রাষ্ট্রদূত প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকারের গৃহীত উদ্যোগেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী গত ৫০ বছরে তাঁর দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার এই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী ইবিএ’র অধীনে অব্যাহত সমর্থনের জন্য ইইউকে ধন্যবাদ জানান এবং গ্লোবাল গেটওয়ে কর্মসূচির আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে আরো সহযোগিতা কামনা করেন।

    অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    অন্যদিকে, গতকাল বুধবার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি। পরে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    সেখানে হুইটলি বলেন, “বৈঠকে ইইউ-বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে আমাদের মধ্যে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, আমাদের অনেকগুলো এজেন্ডা রয়েছে। শিগগির নতুন পার্টনারশিপ কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্টে (পিসিএ) সই করতে যাচ্ছি আমরা। এটি অনেক ব্যাপক ও নতুন প্রজন্মের চুক্তি।”

    ইইউ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন-রাশিয়ার সংঘাতসহ বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও আমাদের কথা হয়েছে। এ বিষয়গুলোকে আমরা অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটও উঠে এসেছে। এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে। আগামীতেও বহু বছর ধরে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।”

    হুইটলি বলেন, “আমাদের বৈঠক ছিল খুবই ফলপ্রসূ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ইইউ-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে আমি প্রত্যাশা করছি।”

    টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিভিন্ন দেশের সরকার, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।

  • স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “সরকার পরিচালনার স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি আয় ব্যয় এবং ক্রয় এসব বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে এবং স্বচ্ছতা জবাবদিহিতার সঙ্গে করতে হবে। এখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি-অনিয়ম বরদাস্ত করব না।”

    আজ সোমবার (১৫ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গঠিত নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

    টানা চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “দুর্নীতি দেশের জন্য ভালো না। আমাদের যতটুকু সম্পদ আমরা যথাযথভাবে কাজে লাগাবো। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে আমরা এগোবো।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের সীমিত সম্পদ জনসংখ্যা বেশি। আমাদের সীমিত সম্পদ দিয়েই জনগণের কল্যাণ করতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বয়স্ক ভাতা ও সামাজিক সুরক্ষা ভাতা সঠিক লোক যথাযথভাবে যেন পায় সেদিকেও দৃষ্টি দিতে হবে।”

    মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। মূল্য কেনো বাড়ছে, তা নিরূপণ করে মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে মানুষকে স্বস্তি দিতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় শেখ হাসিনা আরো বলেন, “একটা পক্ষ সরকারের প্রতি মানুষকে বিক্ষুব্ধ করতে বাজার নিয়ে চক্রান্ত করতে পারে। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন, মজুদ, সরবরাহ, আমদানিসহ সার্বিক তথ্য জানার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বেচাকেনা হলে, দ্রব্যমূল্য নিয়ে যেকোনো ভোক্তা বা সাধারণ মানুষ একটি নির্ধারিত টেলিফোন নাম্বারে সরাসরি ফোন করে অভিযোগ করার সঙ্গে সঙ্গে, প্রশাসন দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এ ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হবে।”

    মাদক নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে বলেন দেশের পঞ্চম বারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • আমাদের প্রধানমন্ত্রী হৃদয় দিয়ে দেশকে ভালোবাসেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আমাদের প্রধানমন্ত্রী হৃদয় দিয়ে দেশকে ভালোবাসেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ জানুয়ারি, ২০২৪: আমাদের প্রধানমন্ত্রী হৃদয় দিয়ে দেশকে ভালোবাসেন, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন অত্যন্ত দক্ষ, বিচক্ষণ, দূরদর্শী নেতা। তিনি মাথানত করে কারও সঙ্গে কথা বলেন না, তিনি মাথাউঁচু করে থাকেন এবং হৃদয় দিয়ে বাংলাদেশকে ভালোবাসেন বলেই এই সমস্ত চাপ তার কাছে কোনো চাপ নয়। তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে তার দক্ষতা ও প্রজ্ঞা দিয়ে এসব মোকাবিলা করে যাচ্ছেন।”

    ফের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম দিন রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তবে কাদের উদ্দেশ্য করে এ বক্তব্য দিয়েছেন সেটি স্পষ্ট করেননি মন্ত্রী।

    সেতুমন্ত্রী বলেছেন দেশি-বিদেশি চাপ এখনো রয়েছে। ষড়যন্ত্র চলছে। বিএনপি পুনরায় নির্বাচনের দাবি তুলেছে। এ পরিস্থিতিতে সামনে আপনার কী চ্যালেঞ্জ- এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সড়ক পরিবহন মন্ত্রী যেটা বলেছেন যথার্থই বলেছেন। অনেক বৈদেশিক চাপ আমরা পেয়েছি।”

    তিনি বলেন, “দু-চারদিন ধরে আবার আমরা এটাও লক্ষ্য করছি। যারা অনেক ধরনের কথা বলেছে, তাদের সুর আবার পাল্টেও যাচ্ছে। একটু একটু করে তারা আবার ভিন্ন সুরেও কথা বলছে। এসবই হলো আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দক্ষতা ও বিচক্ষণতা। তার যে দূরদর্শী সিদ্ধান্তগুলো এগুলো তার মূল কারণ।”

    আসাদুজ্জামান খান আরও বলেন, “আমাদের মন্ত্রী মহোদয় যেটা বলেছেন সঠিকও বলেছেন এগুলো তো আছেই। যারা সবসময় একটা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চাইতেন। ২০১৪-১৫ দুটি বছর তারা অগ্নিসন্ত্রাস যারা দেশকে একটা অকার্যকর দেশে পরিণত করতে চেয়েছিল। বৈদেশিক চাপ সবসময়ই থাকে। অনেক হিসাব-নিকাশ সেখানে থাকে। প্রধানমন্ত্রী সেগুলো যথাযথভাবে মোকাবিলা করে একটা সুন্দর নির্বাচন আমাদের উপহার দিয়েছেন। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। আপনারা এমন কোনো জায়গা পাননি, যেখানে একটা অনিয়ম হয়েছে। অনিয়ম যেখানে হয়েছে সেখানে আমাদের নির্বাচন কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ আমরা মনে করি, একটা সুন্দর নির্বাচন হয়েছে। এই নির্বাচনকে বিদেশিরা সবাই স্বাগত জানিয়েছে, আমাদের সরকারকে স্বাগত জানাচ্ছেন। এই চাপ কিংবা রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড আগেও ছিল এখনো চলবে, এগুলো আমাদের জন্য কোনো ব্যাপার না।”

  • বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা যে বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা যে বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা। এবারের মন্ত্রিসভায় বেশ কিছু নতুন মুখ রয়েছে। তাদের অনেকেই প্রথমবারের মতো মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিয়েছেন।

    বাংলাদেশে একজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর বেতন ভাতা কেমন? এর বাইরে তারা কি কি সুযোগ সুবিধা পান? এখানে সেটা তুলে ধরা হয়েছে।

     

    প্রধানমন্ত্রীর বেতন ভাতা:

    • দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স (রেমুনারেশেন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বেতন মাসে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া তিনি মাসিক বাড়ি ভাড়া পান এক লাখ টাকা, দৈনিক ভাতা পান তিন হাজার টাকা।

     

    মন্ত্রীর বেতন ভাতা:

    • দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, একজন মন্ত্রী বেতন পান মাসিক এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলীয় নেতা এবং চিফ হুইপরাও সমান বেতন পান।
    • মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী কাউকেই তাদের বেতনের জন্য কোন কর দিতে হয় না।

     

    এছাড়া একজন মন্ত্রী আরো যেসব সুবিধা পান:

    • দৈনিক ভাতা: দুই হাজার টাকা
    • নিয়ামক ভাতা: মাসিক ১০ হাজার টাকা
    • স্বেচ্ছাধীন তহবিল: ১০ লাখ টাকা
    • মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা
    • সরকারি খরচে সার্বক্ষণিক গাড়ি। ঢাকার বাইরে অফিসিয়াল ট্যুরের জন্য অতিরিক্ত একটি জিপ গাড়ি পাবেন, যার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে।
    • সরকারি খরচে রেল ভ্রমণ ও বিদেশ ভ্রমণ
    • বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে
    • আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র
    • সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৮০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরণের সেবা খাতের বিল
    • বিমান ভ্রমণের জন্য বীমা সুবিধা আট লাখ টাকা
    • সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরী
    • বাসস্থান থেকে অফিস বা অফিস থেকে বাসস্থানে যাতায়াতের খরচ পাবেন। নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণ খরচও তিনি পাবেন। এছাড়া অন্তত দুইজন গৃহকর্মীর ভ্রমণের খরচ পাবেন।
    • উপ-সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুইজন কর্মকর্তা।
    • আরো পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুইজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।

     

    প্রতিমন্ত্রীর বেতন ভাতা

    • প্রতিমন্ত্রীদের বেতন প্রতি মাসে ৯২ হাজার টাকা। এই আয়ের ওপর কোন কর নেই। এছাড়া তিনি আরো পাবেন:
    • দৈনিক ভাতা: দেড় হাজার টাকা
    • প্রতিমন্ত্রীর নিয়ামক ভাতা: ৭ হাজার ৫০০ টাকা
    • স্বেচ্ছাধীন তহবিল: সাড়ে ৭ লাখ টাকা
    • মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা
    • বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে
    • আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র
    • সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ সব ধরণের সেবা খাতের বিল ও বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ
    • উপ-সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুইজন কর্মকর্তা।
    • আরো পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুইজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।

     

    উপমন্ত্রীর বেতন ভাতা:

    • একজন উপমন্ত্রী বেতন পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। তাকেও বেতন ভাতার জন্য কোন কর দিতে হবে না।
    • দৈনিক ভাতা: দেড় হাজার টাকা
    • নিয়ামক ভাতা: পাঁচ হাজার টাকা
    • স্বেচ্ছাধীন তহবিল: সাড়ে ৫ লাখ টাকা
    • মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা
    • বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে
    • আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্রসরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরণের সেবা খাতের বিল
    • সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। এছাড়া একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, একজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।

     

    মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যারা সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে, তারা আরো কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন।

     

    বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য যেসব সুযোগ-সুবিধা পান সেগুলো হচ্ছে:

    ১. সংসদ সদস্যদের মাসিক বেতন ৫৫,০০০ টাকা

    ২. নির্বাচনী এলাকার ভাতা প্রতিমাসে ১২,৫০০ টাকা

    ৩. সম্মানী ভাতা প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা

    ৪. শুল্কমুক্তভাবে গাড়ি আমদানির সুবিধা

    ৫. মাসিক পরিবহন ভাতা ৭০,০০০ টাকা

    ৬. নির্বাচনী এলাকায় অফিস খরচের জন্য প্রতিমাসে ১৫,০০০ টাকা

    ৭. প্রতিমাসে লন্ড্রি ভাতা ১,৫০০ টাকা

    ৮. মাসিক ক্রোকারিজ, টয়লেট্রিজ কেনার জন্য ভাতা ৬,০০০ টাকা

    ৯. দেশের অভ্যন্তরে বার্ষিক ভ্রমণ খরচ ১২০,০০০ টাকা

    ১০. স্বেচ্ছাধীন তহবিল বার্ষিক পাঁচ লাখ টাকা

    ১১. বাসায় টেলিফোন ভাতা বাবদ প্রতিমাসে ৭,৮০০ টাকা

    ১২. সংসদ সদস্যদের জন্য সংসদ ভবন এলাকায় এমপি হোস্টেল আছে।

     

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ জানুয়ারি, ২০২৪: সরকার গঠনের শপথ নেওয়ার একদিন পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। রেকর্ড পঞ্চম এবং টানা চতুর্থবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা প্রথমে সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পরে, মন্ত্রিসভার নতুন সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।

    পরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে এর আগে সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

    গত ৭ জানুয়ারি, ২০২৪-এ অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৯৮টির মধ্যে ২২২টি সংসদীয় আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের চার দিন পর শেখ হাসিনা পঞ্চম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে শেখ হাসিনা ও তাঁর নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন।

    সূত্র: বাসস