Category: লিড নিউজ

  • ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার করে শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মুসলিম জাহানের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী ও বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানান।

    তিনি বলেন, ‘ঈদ শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা দেয়। হিংসা-বিদ্বেষ ও হানাহানি ভুলে মানুষ সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ঈদ ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলের জীবনে আনন্দের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে। ঈদের আনন্দ আমাদের সবার।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক-এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা। হাসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। বিশ্বের সকল মানুষের সুখ-শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি হোক আজকের দিনে আমি মহান আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি।’

    তিনি বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই দিনে আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম উম্মার উত্তরোত্তর উন্নতি, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত শান্তি কামনা করছি।’
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন।

  • প্রধানমন্ত্রীর উপহার ২শ’টি মডেল মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে

    প্রধানমন্ত্রীর উপহার ২শ’টি মডেল মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ২শ’টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে এ বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

    দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে সারাদেশে নির্মাণাধীন ৫৬৪টি মডেল মসজিদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ৪ দফায় ২শ’টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করেছেন। মডেল মসজিদসমূহে এবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামায়াত আয়োজন করা হবে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী ৯ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫৬৪টি মসজিদের মধ্যে চার দফায় ২শ’টির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। অবশিষ্ট মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণ কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। (বাসস)

  • ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার পূর্বে যা করতে বললেন আইজিপি

    ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার পূর্বে যা করতে বললেন আইজিপি

    ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আগে মূল্যবান স্বর্ণালংকার ও টাকা-পয়সা আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে রেখে যেতে নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

    বুধবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘরে ফেরা মানুষের ঈদযাত্রা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অনুরোধ জানান।

    ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হয়েছে আজ বুধবার। অনেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে রাজধানীতে থাকেন কাজের প্রয়োজনে। ঈদের ছুটিতে তারা গ্রামের বাড়িতে যান। তবে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে যাওয়ার আগে তাদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    বুধবার দুপুর ১টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ঢাকায় বাসা ছেড়ে যাওয়ার আগে সবাই যেন তাদের নগদ অর্থ, গহনা ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে যান অথবা আত্মীয়দের কাছে রেখে যান।

    তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে লোকজন গ্রামে চলে গেলে ঢাকা ফাঁকা হয়ে যাবে। এ সময় ফাঁকা বাসায় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার রেখে যান অনেকে, কিন্তু সেটি না করে মূল্যবান জিনিসপত্র ও নগদ অর্থ নিকট আত্নীয়ের বাসায় অথবা সম্ভব হলে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ভালো।

    তিনি আরও বলেন, ঈদে বিপুল সংখ্যক মানুষ গ্রামে চলে গেলে রাজধানীর অনেক এলাকায় চুরি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এ ব্যাপারে লোকজনকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    বাড়ি যাওয়ার পথে অপরিচিত যাত্রী বা সহযাত্রীর দেওয়া খাবার না খাওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

     

  • ঈদের ছুটিতে নেতাকর্মীদের এলাকায় গিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঈদের ছুটিতে নেতাকর্মীদের এলাকায় গিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে জনসংযোগ করার পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের উপকারভোগীদের খোঁজখবর নিতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

    আজ সকালে ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের যৌথসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সভায় উপস্থিত নেতারা জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়, দুস্থ এবং গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন।

    একই সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাস সম্পর্কে দেশবাসীকে সচেতন করাসহ সারা দেশের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়াও দলীয় নেতাদের কর্মীদের বৃক্ষ রোপণ করতেও নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

    প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ উপস্থিতি নেতাদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করে এই নির্দেশনা দেন।

    এ সময় প্রায় ১০ মিনিট ভিডিও কলে কথা বলেন এবং উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়সহ সবার নিরাপদ যাত্রার জন্য শুভ কামনা করেন শেখ হাসিনা।

    এর আগে ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    সরকারের অসংখ্য প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধসহ সব পর্যায়ের জনগণকে নানা ধরনের ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। এই ভাতাগুলো উপকারভোগীদের কাছে সরাসরি যাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজখবর নিতে বলেছেন তিনি।

    আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদেও কোনো ধরনের সমস্যা হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও সরেজমিনে খোঁজখবর নিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

    সূত্র : বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী ৯ কোটি টাকা দিলেন বঙ্গবাজারের ক্ষতিগ্রস্তদের

    প্রধানমন্ত্রী ৯ কোটি টাকা দিলেন বঙ্গবাজারের ক্ষতিগ্রস্তদের

    বঙ্গবাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান কর্মচারী, ব্যবসায়ী ও মালিকদের জন্য ঈদের উপহার হিসেবে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    ইতোমধ্যে তাদের মোবাইলে টাকা পৌঁছে গেছে। আজ মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

    গত ৪ এপ্রিল সকালে বঙ্গবাজারে (বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স, গুলিস্তান ইউনিট, মহানগর ইউনিট ও আদর্শ ইউনিট) আগুন লাগে। সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বঙ্গবাজারের পাশের এনেক্সকো টাওয়ার মার্কেট, মহানগর শপিং কমপ্লেক্স, বঙ্গ ইসলামিয়া মার্কেট ও বঙ্গ হোমিও মার্কেটে।

    এ ঘটনায় ওই দিনই ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মেরীনা নাজনীনকে আহ্বায়ক ও প্রধান সমাজকল্যাণ এবং বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা আকন্দ মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দীনকে সদস্য সচিব করে আট সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে ডিএসসিসি।

    ঘটনার এক সপ্তাহ পর ১১ এপ্রিল ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি। প্রতিবেদনে তিন হাজার ৮৪৫ জন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর নামের তালিকাসহ বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডের সময় চৈত্রের খরতাপ ও বাতাসের প্রবাহ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও ডিএসসিসির মালিকানাধীন টিন, কাঠ ও লোহার কাঠামো দ্বারা তৈরি বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের চারটি মার্কেট ও মহানগর শপিং কমপ্লেক্স সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। সাততলা বিশিষ্ট এনেক্সকো টাওয়ারের বহু দোকান এবং একই সঙ্গে রাস্তার পশ্চিম পাশের বঙ্গ ইসলামিয়া সুপার মার্কেট ও বঙ্গ হোমিও কমপ্লেক্সের বহু দোকান পুড়ে যায়।

  • আগামীকাল থেকে কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা, হতে পারে ভারী বর্ষণ

    আগামীকাল থেকে কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা, হতে পারে ভারী বর্ষণ

    টানা ১৬ দিনের দাবদাহের পর আগামীকাল থেকে দেশের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।  তবে ২৩ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিসহ হাওড় অঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এর আগে কবে এত প্রচণ্ড গরম পড়েছিল সেটা অনেকে মনে করতে পারছে না। বৃষ্টির জন্য দেশজুড়ে হাহাকার চলছে। এর মধ্যে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ সোমবার (১৭ এপ্রিল) দেশের তিনটি বিভাগের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্য দিয়ে কমবে তাপমাত্রা। পাশাপাশি আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিসহ হাওরাঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান বলেন, আগামীকাল ১৮ এপ্রিল থেকে সারাদেশে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। ১৯ এপ্রিল থেকে ঢাকার তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। ১৯-২০ এপ্রিলের দিকে দেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। তবে ২৩ এপ্রিল থেকে সিলেট সুনামগঞ্জসহ হাওড় এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ২৩ এপ্রিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, চাঁদপুর অঞ্চলের কোনো কোনো এলাকার ওপর দিয়ে বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আজিজুর রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই বাংলাদেশে চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া বিরাজ করছে। তাই দীর্ঘ তাপদাহের পর আবার ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    ঢাকা শহরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত যানবাহন, ঘরে ঘরে এয়ারকন্ডিশনিংয়ের তাপ এবং নির্মাণকাজের ফলে সৃষ্ট তাপ অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করেন এই আবহাওয়াবিদ। তিনি বলেন, এ কারণে হয়তো ঢাকার পাশের মানিকগঞ্জে জেলাতেই তাপমাত্রা ঢাকার চেয়ে ২-৩ ডিগ্রি কম।

    আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা আজ বিকেল ৩টার আবহাওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী বলেন, আজ এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ইশ্বরদীতে। বিকেল ৩টায় ইশ্বরদীর তাপমাত্রা ছিল ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    এই আবহাওয়াবিদ জানান, আজ বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোনো কোনো এলাকায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঢাকার অবস্থা এখনো অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রংপুর বিভাগের রাজারহাটে ২১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে চলে যাওয়ায় প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রাও ৪১ ডিগ্রির উপরে চলে যায়, যা ৫৮ বছরের রেকর্ড ভাঙে। বৃষ্টির জন্য নগরবাসী হাহাকার করছে। বৃষ্টি চেয়ে নামাজও আদায় করা হয়েছে রাজধানীতে। সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করছে চুয়াডাঙ্গায়। সেখানে প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

  • মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    তিনি আজ সকালে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
    আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পরে দলীয় প্রধান হিসেবে তাঁর দলের সিনিয়র সদস্যদের সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেক দফা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়ার জন্যে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন উপলক্ষে আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হচ্ছে।

    এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বনানী কবরস্থানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ ও এম মনসুর আলীর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    সুত্র-বাসস

  • তাপমাত্রা না কমলে পরিবেশ মন্ত্রণালয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেবে

    তাপমাত্রা না কমলে পরিবেশ মন্ত্রণালয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেবে

    সারা দেশে মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোকে মৃত্যুর খবরও পাওয়া যাচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন বয়স্ক ও শিশুরা।  এক সপ্তাহ ধরে টানা বেড়েই চলছে তাপমাত্রা। ৫৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ঢাকায়। ৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছে চুয়াডাঙ্গায়। এখনও তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। আজ রাতে আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। এই অবস্থায় আরও কয়েকদিন তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা চিন্তা করছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

    চিকিৎসকরা বলছেন, চলমান দাবদাহে অসুস্থ হয়ে পড়া বয়স্ক, শিশু ও কোমরবিডিটি (বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত) সম্পন্নদের তাৎক্ষণিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে বড় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।

    দেশে গত শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছে ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘তাপমাত্রা প্রতিদিনই বাড়ছে। আমরাও তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করছি। আগামী আরও কয়েকদিন এই তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করবো। এরপরও যদি তাপমাত্রা না কমে, তাহলে পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা অধিদফতরের সঙ্গে বসে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা করছি। তবে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব নয়। আমরা আপাতত পর্যবেক্ষণ করছি তাপমাত্রার অবস্থা।’

    এর আগে ১৯৬৫ সালে রাজধানীতে ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১৪ সালে সর্বোচ্চ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছিল। এমন পরিস্থিতিকে জাতীয় দূর্যোগ ঘোষণা দিয়ে বিষেশজ্ঞরা এটি মোকাবিলায় এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন।

    এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইভাবে ঢাকার তাপমাত্রা ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি থেকে আরও কিছুটা বেড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইভাবে রাজশাহীর তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৫ থেকে বেড়ে আজ ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে, রংপুরে ৩৬ দশমিক ৭ থেকে বেড়ে ৩৬ দশমিক ৮ এবং খুলনায় ৩৯ দশমিক ৭ থেকে বেড়ে ৪১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

    জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বহির্বিভাগের মেডিসিন বিভাগের প্রধান আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) শাইখ আব্দুল্লাহ বলেন, গত কয়েক দিন ধরে গরমে হাঁসফাঁস করছে সারা দেশের মানুষ। তীব্র আকার ধারণ করেছে তাপপ্রবাহ।

    এর আগে ২০১৪ সালে এপ্রিলে ঢাকায় তাপমাত্রার পারদ উঠেছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এদিকে ২০১৪ সালে যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরও আগে ঢাকায় ১৯৬৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।  আর ১৯৬০ সালে ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    বেশ কয়েক দিন হলো সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হওয়া রোগী আসছে। ঢাকাসহ আশপাশের অনেকেই বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়, ৩৮ ডিগ্রি হলে বলা হয় মাঝারি তাপপ্রবাহ আর ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে বলা হয় তীব্র তাপপ্রবাহ। সেই হিসাবে দেশের ৭ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। আর ১৬ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বইছে মাঝারি থেকে তীব্রতার কাছাকাছি তাপপ্রবাহ।

    তাদের অনেকে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ, বমি, মাথাব্যথা, হিটস্ট্রোক, ডায়রিয়া, বমি, অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের কথা বলছেন। অনেকে গলাব্যথা, কাশি, সর্দি ও ঘুমের সমস্যা বেড়ে যওয়ার কথা বলছেন।

    তাপ প্রবাহের বিষয়ে বলা হয়, ঢাকা, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, পাবনা, বাগেরহাট, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের ওপর দিয়ে তীব্র তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং দেশের অন্যত্র মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

  • প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রমকে সময়োপযোগী করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রমকে সময়োপযোগী করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করতে প্রশিক্ষিত জনসংখ্যার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বজায় রেখে প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রমকে যুগোপযোগী এবং সময়োপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘একটি জাতির উন্নয়নের জন্য শুধুমাত্র প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। বিশ্ব পরিবর্তনশীল। এই সময়টি প্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে মোকাবিলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

    গণভবনে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রশিক্ষণ কাউন্সিলের (এনসিটি) অষ্টম সভায় আজ যোগ দিয়ে তিনি বলেন, তাঁর সরকার রূপকল্প ২০৪১-এর সাথে সঙ্গতি রেখে দেশকে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

    স্মার্ট বাংলাদেশ কী তা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা একটি স্মার্ট জনসংখ্যা গড়ে তুলব। আমাদের অর্থনীতি হবে প্রযুক্তিভিত্তিক স্মার্ট অর্থনীতি। এমনকি আমাদের স্বাস্থ্য ও কৃষিও হবে প্রযুক্তিনির্ভর এবং যান্ত্রিক। আমরা এই সব জিনিসে স্মার্ট হতে চাই।’

    তিনি বলেন, তাঁরা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও সরকারকে স্মার্ট হিসেবে গড়ে তুলতে চান।
    শেখ হাসিনা বলেন, এনসিটিকে প্রশিক্ষণ নীতিমালা প্রণয়নের পাশাপাশি পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন এবং সময় উপযোগী করে তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের পর্যায়ক্রমে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সমগ্র জনসংখ্যাকে সম্পৃক্ত করে উন্নতি করতে চাই। কেউ পিছিয়ে থাকবে না এবং আমরা সবাইকে নিয়ে সমৃদ্ধির দিকে পা বাড়াব।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন বাংলাদেশ অদম্য গতিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হবে।

    তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সত্ত্বেও বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। আমরা দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ এবং হার্ডকোর দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশে কোনো চরম দারিদ্র্য থাকবে না।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশ একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে কারণ, বিশ্ব বর্তমানে বাংলাদেশকে সম্মান দেখাচ্ছে। এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন।

    তিনি বলেন, তাঁর সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশ পরিচালনা করায় বাংলাদেশ এত মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ অনেকটাই বাস্তবায়ন করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই রাজনৈতিক নেতারা ক্ষমতায় ছিলেন বাংলাদেশ ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির মতো প্রতিটি খাতে অলৌকিক উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছে।

    তিনি বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনা ছাড়া কোনো দেশই উন্নতি করতে পারে না।

    বাংলাদেশ কখনোই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সামরিক স্বৈরশাসনের অধীনে এমন অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করেনি, তিনি বলেন, ‘দেশবাসীর এটা উপলব্ধি করা উচিত।’

    তিনি বলেন, ‘আমি দাবি করতে পারি যে ২০০৯-২০২৩ সাল পর্যন্ত অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হয়েছে।’

    সূত্র: বাসস

  • বাঙালির সর্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখ: সজীব ওয়াজেদ জয়

    বাঙালির সর্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখ: সজীব ওয়াজেদ জয়

    বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখকে বাঙালির সার্বজনীন উৎসব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

    ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজে দেওয়া এক পোস্টে শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ফেসবুক পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, পৃথিবীর সব ভাষাভিত্তিক জাতির নিজস্ব সর্বজনীন উৎসব-পার্বণ রয়েছে। চীনাদের ‘চীনা নববর্ষ’, ইরান থেকে মধ্য এশিয়া পর্যন্ত ‘নওরোজ’, ইংরেজি ভাষাভাষীদের ‘ইংরেজি নববর্ষ’, ঠিক তেমনই পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব।

    পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, নতুন বাংলা বছর বয়ে আনুক সুখ ও সমৃদ্ধি, দেশ-বিদেশে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে শুভ নববর্ষ, ১৪৩০।