Category: লিড নিউজ

  • এশিয়া কাপের ফাইনালে টস জিতে ব্যাটিং করছে শ্রীলঙ্কা

    এশিয়া কাপের ফাইনালে টস জিতে ব্যাটিং করছে শ্রীলঙ্কা

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: এশিয়া কাপের ফাইনালে আজ টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। যদিও এর আগে শ্রীলঙ্কা ছয়বার ও ভারত সাতবার এশিয়া কাপ জিতেছে।যদিও শক্তির বিচারে ভারত অনেক এগিয়ে। কিন্তু যেহেতু দেশের মাটিতে খেলা তাই শ্রীলঙ্কার সম্ভবনা উইড়য়ে দেওয়া যায় না। কে জিতবে এশিয়া কাপ এই পরিক্ষায় দুই দল এখন নেমেছে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ।

    শিরোপার লড়াইয়ে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

    ফাইনালের আগেই অবশ্য ধাক্কা খেয়েছে দুই দল। ইনজুরির কারণে মাহিশ থিকশানাকে পাচ্ছে না শ্রীলঙ্কা। অন্যদিকে ভারত হারিয়েছে স্পিন অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেলকে। তাই অনুমিতভাবেই পরিবর্তন এসেছে একাদশে। লঙ্কান একাদশে থিকশানার পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন দুশান হেমন্ত। বাংলাদেশের বিপক্ষে বিশ্রামের পর ভারতের একাদশে ফিরেছেন বিরাট কোহলি, জাসপ্রিত বুমরাহ, হার্দিক পান্ডিয়া, মোহাম্মদ সিরাজ, কুলদীপ যাদব। অক্ষরের পরিবর্তে খেলবেন ওয়াশিংটন সুন্দর।

    এনিয়ে অষ্টমবার এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-শ্রীলঙ্কা। আগের সাতবারের দেখায় তিনবার শ্রীলঙ্কা ও চারবার শিরোপা নিয়েছে ভারত।

    শ্রীলঙ্কা একাদশ: দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), কুশল মেন্ডিস, কুশল পেরেরা, পাথুম নিসাঙ্কা, চারিথ আসালাঙ্কা, মাথিশা পাথিরানা, দুনিথ ওয়ালালাগে, সাদিরা সামারাবিক্রমা, প্রমোদ মাদুশান, দুশান হেমন্ত, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা।

    ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, ইশান কিশান, রবীন্দ্র জাদেজা, জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ, কুলদীপ যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, ওয়াশিংটন  সুন্দর।

  • শিল্পকলায় চলছে ইসমাইল চৌধুরীর ‘প্রকৃতির ছন্দ’ শীর্ষক প্রদর্শনী

    শিল্পকলায় চলছে ইসমাইল চৌধুরীর ‘প্রকৃতির ছন্দ’ শীর্ষক প্রদর্শনী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় এবং পৃষ্টপোষকতার মাধ্যমে চারুশিল্পীদের উৎসাহিত করতে প্রতিবছরই জাতীয় পর্যায়ে ভাস্কর্য প্রদর্শনী, জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী, নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দ্বিবার্ষিক এশিয় চারুকলা প্রদর্শনী, আর্টক্যাম্পসহ নানা আয়োজন করে থাকে।

    একইসাথে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে প্রতিবছরই বিশিষ্ট চারুশিল্পীদের পৃষ্টপোষকতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে একক প্রদর্শনীর আয়োজন করে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় চিত্রশিল্পী ইসমাইল চৌধুরীর একক চিত্রকর্ম প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । বাংলাদেশ, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, নেপাল, ভূটানসহ বিভিন্ন দেশে প্রায় অর্ধশতাধিক একক ও যৌথ চিত্র প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন চিত্রশিল্পী ইসমাইল চৌধুরী। দেশের বরেণ্য ও গুণী চারুশিল্পীরাও চিত্রশিল্পী ইসমাইল চৌধুরীকে নিয়ে বলেছেন-“ তাঁর শিল্পকর্মের সামনে দাড়িয়েঁ প্রতিটি দর্শকই নিজের অজানা জগতকে খুজেঁ পান, বেঁচে থাকার ও নিজেকে আলোকিত করার সার্থকতা বুঝতে পারেন”।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় চিত্রশিল্পী ইসমাইল চৌধুরীর “প্রকৃতির ছন্দ” শীর্ষক ৫০তম একক চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬:৩০ টায়, একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। শুরুতেই বক্তব্য উপস্থাপন করেন চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী বলেন, “নিরীক্ষাধর্মী শিল্প সৃজনে যে কজন শিল্পী নিয়োজিত, ইসমাইল চৌধুরীর কাজ তাদের মধ্যে অন্যতম। বিষয়বস্তুর সহজ উপস্থাপন আর চমকপ্রদ রঙ বিন্যাসের দক্ষতায় তাঁর চিত্রকে স্বতন্ত্র ও অভিনব করেছে”।

    দেশবরেণ্য চিত্রশিল্পী এবং এমিরিটাস অধ্যাপক হাশেম খান বলেন,“শিল্পী ইসমাইল চৌধুরী একজন শিল্পীর প্রখর দৃষ্টি ভঙ্গি, অনুভব, জগতের সর্বক্ষেত্রেই যে সব সুন্দর-অসুন্দর বিষয় আছে তা নিজের উপলব্দিতে এনে নিজের শিল্পসৃষ্টির প্রেরনা আবিস্কার করেন-ক্যানভাসকে নানান উপদানে বিধৃত করেন। শিল্পী ইসমাইল অত্যন্ত নিষ্ঠা ও বিশ্বাস নিয়ে তাঁর আবিস্কৃত ফসল নিয়ে প্রদর্শনী করে শিল্পবোদ্ধা, শিল্প রসিক এমন কি সাধারণ দর্শককেও মোহিত করতে পারেন”।

    এরপর শিল্পী ইসমাইল চৌধুরী নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন- “আমি অনেক খুশি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এ ধরনের একটি আয়োজন করেছে। ইচ্ছে ছিল বাংলাদেশেই শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এই ৫০ তম প্রদর্শনী হোক”।

    এই বছরেই আরো তিনটি প্রদর্শনী জাপানে অনুষ্ঠিত হবে বলেও উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমার প্রথম একটি চিত্রকর্মের প্রদর্শনী হয় সীতাকুণ্ডে, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের লতাপাতা দেখে সেই আবহ আমাকে বিমোহিত ও উৎসাহিত করেছিলো। ২০০২ সালে আমার প্রথম একক প্রদর্শনী হয় জাতীয় জাদুঘরে।” পরে একাডেমির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট শিল্প সমালোচক মইনুদ্দিন খালেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    দেশবরেণ্য চিত্রশিল্পী এমিরিটাস অধ্যাপক হাশেম খান প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

    ১৫ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সপ্তাহব্যাপী জাতীয় চিত্রশালার ৩নং গ্যালারিতে এই প্রদর্শনী চলবে।

    প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন প্রধামন্ত্রী

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন প্রধামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

    প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাবে।

    লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে চার ঘন্টা যাত্রা বিরতির পর ফ্লাইটি ১৭ সেপ্টেম্বর (নিউ ইয়র্ক সময়) রাত ১০টা ৫০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

    জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবদুল মুহিত এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।

    ১৭-২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অবস্থানকালে ১৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দফতরের সাধারণ পরিষদ হলে ৭৮তম সাধারন পরিষদের অধিবেশনের উচ্চ-পর্যারের সাধারণ প্রথম দিনের বিতর্কে যোগ দেবেন এবং ২২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় দুপুর ১টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে তিনি ভাষণ দেবেন।

    ১৯ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আয়োজিত নৈশভোজেও প্রধানমন্ত্রী যোগ দিবেন।

    সাধারন পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), সার্বজনীন স্বাস্থ্য ও অর্থসহ বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় ও সৌজন্যমূলক বৈঠকে অংশ নেবেন।

    বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘সাধারণ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য উন্নয়ন অগ্রগতি, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও স্বাস্থ্য খাতে সাফল্যের পাশাপাশি বিশ্ব-শান্তি, নিরাপত্তা, নিরাপদ অভিবাসন, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু ও ন্যায়বিচার মতো বিষয়গুলো তুলে ধরবেন।’

    বিশ্ব নেতারা ৭৮তম ইউএনজিএ অধিবেশনে যোগদানের জন্য নিউইয়র্কে জমায়েত হবেন। আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘বিশ্বাস পুনর্গঠন ও বিশ্ব সংহতির পুনরুদ্ধার : ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে ত্বরান্বিত পদক্ষেপ, টেকসই উন্নয়ন লক্ষে শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং সবার জন্য স্থায়িত্বের দিকে। ’

    ১৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের রকফেলার সেন্টারে ইউএনআইডিও ও ডেলয়েট দ্বারা আয়োজিত ‘খাদ্যের জন্য চিন্তা- খাদ্য সরবরাহ চেইন উদ্ভাবনের জন্য এসডিজিকে ত্বরান্বিত করার জন্য সহযোগিতা’ শীর্ষক একটি উচ্চ-পর্যায়ের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মূল বক্তব্য দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    একই দিনে তিনি ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারে ‘এসডিজি সামিট-লিডার্স’ ডায়ালগ ৪ (এসডিজি অর্জনের জন্য সমন্বিত নীতি ও পাবলিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা) শীর্ষক আরেকটি সম্মেলনেও ভাষণ দেবেন।

    সন্ধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূত ও বিশ্ব স্বাস্থ্য অর্থায়নের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রাষ্ট্রদূত গর্ডন ব্রাউন ও নিউইয়র্কের লেক্সিংটন ভেন্যুতে গ্লোবাল বিজনেস কোয়ালিশন ফর এডুকেশনের এক্সিকিউটিভ চেয়ার সারাহ ব্রাউন আয়োজিত জাতিসংঘের ২০২৩ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে একটি উচ্চ-পর্যায়ের ব্যক্তিগত নৈশভোজে যোগ দিতে পারেন।

    ১৯ সেপ্টেম্বর, প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সদর দফতরের সিআর-১৬-এ স্পেনের প্রধানমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় কাউন্সিল ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এর সভাপতি কর্তৃক ‘টুওয়ার্ডস এ ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল আর্কিটেকচার’ শীর্ষক একটি উচ্চ-পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকেও ভাষণ দেবেন।

    একই দিন শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সদর দফতরে সিআর-১১ এ বাংলাদেশ, অ্যান্টিগুয়া এবং বারবুডা, ভুটান, চীন, মালয়েশিয়া, চ্যাথাম হাউস এবং সুচনা ফাউন্ডেশনের সহ-আয়োজিত চিকিৎসা পরিষেবা ভিত্তিক কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি উচ্চ-পর্যায়ের সাইড ইভেন্টেও যোগ দেবেন।

    ২০ সেপ্টেম্বর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সাথে ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য আন্তর্জাতিক পাবলিক ফাইন্যান্সিং বৃদ্ধি এবং দক্ষতা নিশ্চিতকরণ’ শিরোনামে উন্নয়নের জন্য অর্থায়ন (এফএফডি) বিষয়ে ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারে একটি উচ্চ-পর্যায়ের বিতর্কে প্রধান বক্তা হিসেবে ভাষণ দেবেন।

    একই দিনে তিনি মহাসচিবের ক্লাইমেট অ্যামবিশন সামিট, যোগ দেবেন, মহামারী প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক, নারী নেতাদের ইউএনজিএ প্লাটফর্মের বার্ষিক সভা, ক্লাইমেট অ্যামবিশন উচ্চস্তরের জলবায়ু উচ্চ-স্তরের বিষয় ভিত্তিক সম্মেলনের পাশাপাশি  ন্যাশনাল জুরিসডিকশনের বাইরের এলাকার সামুদ্রিক জীব বৈচিত্র্য আইনের উপর জাতিসংঘের কনভেনশনে যোগ দেবেন।

    ২১শে সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ, কানাডা, গাম্বিয়া, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে একটি উচ্চ-পর্যায়ের সাইড ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রীর যোগদানের পাশাপাশি ‘সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সৃষ্ট হুমকি মোকাবেলা’ শীর্ষক ব্রেকফাস্ট সামিটে এবং ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের সভায় যোগ দেবেন।

    সফরকালে জাতিসংঘ মহাসচিব, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘ মহাসচিবের জেনোসাইড উপদেষ্টা, নবনির্বাচিত ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) মহাপরিচালক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহের সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দফতরের দ্বিপাক্ষিক বুথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

    অনুষ্ঠানে যোগদানের পর, তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টায় (নিউ ইয়র্ক সময়) ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশে নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন যেখানে তিনি ২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর থাকবেন।

    তারপর, তিনি ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (বিএ-২৯২) রাত ১০.৪৫ টায় (ওয়াশিংটন সময়) লন্ডনের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করবেন এবং ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।

    বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম।

    প্রধানমন্ত্রী ৪ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১২টায় (বাংলাদেশ সময়) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।

    সূত্র: বাসস

  • কানাডা সিনেটর সালমা আতাউল্লাজান; শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন

    কানাডা সিনেটর সালমা আতাউল্লাজান; শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: কানাডা সফররত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ টরেন্টোর স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেলে হোটেল হলিডে ইনে কানাডার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের মানবাধিকার কমিটির চেয়ার সালমা আতাউল্লাজানের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। এসময় তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিশেষ করে নারী ক্ষমতায়ন হয়েছে।

    এ সময় সিনেটর তার বাংলাদেশ সফরগুলোর কথা উল্লেখ করে বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিশেষ করে নারী ক্ষমতায়ন, জনসংখ্যাবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ দমন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অর্জনে যে সাফল্য দেখিয়েছে তা অনন্য।

    প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দানের জন্যও তিনি শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন এবং শরণার্থীদেরকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে একমত পোষণ করেন তিনি।

    আতাউল্লাজানের কাছে বাংলাদেশের এই উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন তথ্যমন্ত্রী।

    আগামী বছরের প্রথমভাগেই তার আবার বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা রয়েছে বলে মন্ত্রীকে জানান সিনেটর আতাউল্লাজান।

    এর আগে কানাডা পার্লামেন্টের ইমিগ্রেশন এবং নাগরিকত্ব বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারপার্সন সালমা জাহিদ এমপির (Salma Zahid) সাথে বৈঠক করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

    টরেন্টোর স্কেয়ারবরো এলাকায় তার আবাসিক অফিসে এ বৈঠকে মন্ত্রী বাংলাদেশিদের জন্য কানাডার ভিসা অফিস ঢাকায় স্থানান্তর এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডার স্টুডেন্ট ডিরেক্ট স্ট্রিমে (এসডিএস) অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন। এমপি সালমা জাহিদ এ বিষয়ে তার উদ্যোগের কথা জানিয়ে বলেন, তিনি ইতোমধ্যেই কানাডার ইমিগ্রেশন মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

    এ সময় দুদেশের বাণিজ্য বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ ও পাশাপাশি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য ‘ফরেন ইনভেস্টমেন্ট প্রোটেকশন অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষরের বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।

    এ সময় কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার খলিলুর রহমান বৈঠক দুটিতে উপস্থিত ছিলেন।

  • ২০৩০ সালের মধ্যে মানবতার উন্নতির মূল লক্ষ্যগুলো পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করা হবে

    ২০৩০ সালের মধ্যে মানবতার উন্নতির মূল লক্ষ্যগুলো পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করা হবে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: বিশ্বে ক্ষুধা, দারিদ্র্য এবং অন্যান্য সংকট অব্যাহত থাকায় আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে বিশ্ব নেতাদের বৈঠকে ২০৩০ সালের মধ্যে মানবতার উন্নতির মূল লক্ষ্যগুলো পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করা হবে। এই পরিকল্পনাগুলোর লক্ষ্য অর্জনের আশা এখন ম্লান এবং সন্দেহের মধ্যে রয়েছে।

    ২০১৫ সালে জাতিসংঘের সদস্য-রাষ্ট্রগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করার জন্য ১৭টি বিস্তৃত উন্নয়ন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর করা, পানীয় জলের সুবিধা প্রদান, সকলের জন্য লিঙ্গ সমতা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।

    জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রধান আচিম স্টেইনার এএফপি’কে বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীতে অর্থনৈতিকভাবে উন্নতির জন্য আপনি আর প্রকৃতির ওপর বা পিছিয়ে থাকা লোকদের ওপর নির্ভর করার চেষ্টা করতে পারবেন না।’

    জাতিসংঘের মতে, ২০৩০ সালের এজেন্ডা সমস্যায় পড়েছে।

    জুলাই মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘ বলেছে, ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বিপদের মধ্যে রয়েছে।’

    এই লক্ষ্যগুলো পূরণের জন্য সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একত্রিত হওয়া সরকার গুলোকে খসড়া ঘোষণা অনুসারে ‘মানুষ, এই গ্রহ, সমৃদ্ধি, শান্তি এবং অংশীদারিত্বের জন্য কাউকে পিছিয়ে না রাখার প্রতিশ্রুতি পূরণে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।’

    দারিদ্র্য এবং ক্ষুধা: কিছু ক্ষেত্রে, পরিস্থিতি এখন ২০১৫ সালের তুলনায় আরও খারাপ।

    কভিড-১৯ মহামারী চরম দারিদ্র্য (২.১৫ ডলারের এর কম আয়ে জীবনযাপন) মোকাবিলায় অগ্রগতি স্থগিত করেছে।

    দারিদ্র্য নির্মূলের প্রত্যাশিত লক্ষ্য থেকে বিশ্ব অনেক পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমান হারে ৫৭৫ মিলিয়ন মানুষ ২০৩০ সালে এই ধরনের দারিদ্রের পরিস্থিতিতে বসবাস করবে। যাদের বেশিরভাগই সাব-সাহারান আফ্রিকায় এবং বিশ্বকে ২০০৫ সালের থেকে এমন ক্ষুধার মাত্রায় ফিরে আসতে দেখা যায়নি।

    অধিকন্তু, ১.১ বিলিয়ন মানুষ শহরাঞ্চলে বস্তির মতো অবস্থায় বাস করে। দুই বিলিয়নেরও বেশি এখনও পানীয় জলের সুবিধা পায় না। এক হাজার শিশুর মধ্যে ৩৮ জন তাদের পঞ্চম জন্মদিনের আগেই মারা যায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলো ক্রমবর্ধমান ধ্বংসাত্মক।

    কভিড-১৯ থেকে শুরু করে ইউক্রেনের যুদ্ধ পর্যন্ত বিভিন্ন সংকটে বিশ্ব আজ পঙ্গু। অনেক দেশ তাদের ঋণের ভারে ভেঙে পড়েছে এবং পথ পরিবর্তন করার উপায় নেই। স্টেইনার বলেন, ‘দেশগুলো এখনই যে উন্নয়ন চায় তা অনুসরণ করতে সক্ষম নয়, তবে তারা শুধুমাত্র প্রবৃদ্ধি ফিরে পেতে একটি পুনরুদ্ধারের পথ বেছে নিতে পারে।’ যদিও এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ পথ।

    তিনি বলেন, ‘এই বৃদ্ধি আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানী নির্ভরতা এবং বৃহত্তর অসমতার দিকে নিয়ে যায়। অবিকল যে জিনিসগুলো আমাদের রাস্তায় অনেক উত্তেজনা, বিক্ষোভের দিকে পরিচালিত করেছে।’

    এ কারণে সোমবার যে খসড়া ঘোষণার বিষয়ে আলোচনা করা হবে তাতে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। যার ওপর জাতিসংঘের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

    জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য পূরণের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর অতিরিক্ত ৫০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক জি-২০ সম্মেলনে তার পরিকল্পনা সমর্থন পেয়েছে।

    দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসা, শিক্ষা, পানীয় জল বা ক্লিন এনার্জির সুবিধা, সুস্বাস্থ্য এবং শান্তিতে বসবাস – এই সমস্ত উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো মূলত পরস্পর নির্ভরশীল।

    স্টেইনার বলেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিং এবং চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো বেশিরভাগ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোকে ক্ষুন্ন করে। কারণ, তারা ফসল, অবকাঠামো এবং জীবিকার ব্যবস্থা ধ্বংস করে। সেজন্য পরিবর্তন অবশ্যই ব্যাপক হতে হবে।

    তিনি বলেন, ‘আপনি যদি দারিদ্র্যকে মোকাবেলা করতে চান তাহলে বিদ্যুৎ সুবিধাও নিশ্চিত করতে হবে, একটি অপরটির পরিপূরক।’ ‘আপনি যদি বিদ্যুতের অ্যাক্সেসের দিকে নজর দেন এবং এটিকে ডিকার্বনাইজেশনের উদ্দেশ্যের সাথে একত্রিত করেন তবে আপনি দারিদ্র্য হ্রাস উভয়ই অর্জন করতে পারেন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করতে পারেন।’

    সূত্র: বাসস

  • আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

    আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহাম্মদ আবদুল হামিদ জমাদ্দার সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.)সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে বলা হয়, বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রবিবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

    সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মহাঃ বশিরুল আলম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুঃ আঃ আউয়াল হাওলাদার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোঃ আবদুল জলিল, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মহাম্মদ আসাদুর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ উদ্দিন, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের সহকারী প্রশাসক মোঃ শাহরিয়ার হক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মোঃ জুলফিকার রহমান কোরাইশী, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার আল-কুরআন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বসস

  • বাংলাদেশের জয় ভারতকে হারিয়ে

    বাংলাদেশের জয় ভারতকে হারিয়ে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: বাংলেদেশকে সাদামাঠা দল হিসেবে ভেবে ভারকে দুরুণ খেসারত দিতে হয়েছে। কোহলি, বুমরা আর সিরাজসহ বেশ কয়েকজন বোলারকে বিশ্রামে রেখে ভারত খেলতে নামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের শেষ ম্যাচ ।বিশ্রামে রাখে স্পিনার কুলদ্বীপ যাদবকে।এই স্পিনর পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ব্যাটিং লাইনে ধস নামায়। বাংলাদেশের মুশফিক অবশ্য আগেই জানিয়েছিলো খেলবেনা।নবাগত খেলায়াড় হিসেবেমাঠে নামে তানজিম। আর অভিষিক্ত পেসার তানজিমের তোপের মুখে পড়ে ভারত।বাংলাদেশের ২৬৬ রান ভারতের জন্য খুব একটা কঠিন কিছু ছিলোনা। কিন্তু প্রথমেরই তানজিমের তোপের মুখে পড়ে ভারত। শুন্য রানেই ফেরান রোহিতকে। তাপর প্রতিটি বোলার যেন অনবদ্য বোলিং করেছে। তার সুবাদে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ভারতকে ৬ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তবে অনেক আগেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে পারত ভারত। কার্যত তাদের লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন শুভমান গিল। তবে তার বিদায়ও বাংলাদেশের জয়ের পথের বাধা দূর করতে পারেনি। এরপর অক্ষর প্যাটেল ও শার্দুল ঠাকুর চোখ রাঙাতে থাকেন। সেই চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের লাগাম পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছেন মুস্তাফিজ-সাকিবরা। দারুণ একটা জয় দিয়ে এশিয়া কাপ মিশন করে ভারত। শেষ ১২ বলে ভারতের দরকার ছিল মাত্র ১৭ রান। ডেথ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানের কার্যকারিতা সবারই জানা। ৪৮তম ওভারে আক্রমণে এসেই মুস্তাফিজ শার্দুলকে ফেরান।

    এরপর শেষ ওভারে টাইগারদের প্রয়োজন ছিল এক উইকেট, আর ভারতের সামনে সমীকরণ ৬ বলে ১২ রানের। আগেই দুই উইকেট নিয়ে অভিষেক রাঙানো তানজিম হাসান সাকিব প্রথম তিন বলই ডট দেন। এরপর চতুর্থ বলে মোহাম্মদ শামি চার হাঁকানোয় ম্যাচ প্রায় ফসকে যেতে বসে। এরপর চাপের মুহূর্তে ঝুঁকিপূর্ণ দুই রান নিতে গিয়ে রান আউট শামি। আর সেটাই শেষ হাসি এনে দিয়েছে সাকিব আল হাসানের দলের।

    এশিয়া কাপে বাংলাদেশের আর তেমন কিছুই হারানোর ছিল না। কিন্তু আগেই বিদায় নিশ্চিত করা চোট জর্জরিত টাইগারদের জন্য একটি জয় কিছুটা হলেও ওষুধের কাজ দিতো। সাকিব ও তাওহীদ হৃদয়ের পর সেই কাজটা দলের টেল-এন্ডাররা ব্যাট হাতে সুগম করে দিয়েছেন। সেই ধারা বজায় ছিল বোলিংয়েও। শুরুতেই অভিষিক্ত পেসার তানজিম সাকিব উইকেটের সূচনা করেন। নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরুটা রোহিত শর্মার উইকেট দিয়ে করেন তিনি। এরপর ইনিংসে তৃতীয় ওভারেই আবারও তার দাপট। সেইসঙ্গে দারুণ নিয়ন্ত্রিত বল করতে থাকেন এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা মুস্তাফিজ।

    পুরো আসর জুড়েই টপ অর্ডার ব্যর্থতায় ভুগেছে বাংলাদেশ। ব্যাতিক্রম কিছু হয়নি শেষ ম্যাচেও। লিটন-তামিমদের বাজে শুরুর পর অবশ্য দলের হাল ধরেন মিডল অর্ডার ব্যাটাররা। বিশেষ করে সাকিব-হৃদয়। এই দুই জনের ফিফটিতে ভারতের বিপক্ষে লড়াই করার পুঁজি পেল বাংলাদেশ। ২৬৬ রানের লড়াকু পুঁজির জবাবে ভারতকে শুরু থেকে তারা প্রচন্ড চাপের মুখে ফেলে।

    অভিষিক্ত তানজিম সাকিবের হাতে প্রথম ওভারেই বল তুলে দেন অধিনায়ক সাকিব। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বল হাতে সাকিবের শুরুটা হল ওয়াইড দিয়ে। তবে ফিরতে খব বেশি সময় নেননি। ওভারের দ্বিতীয় বৈধ ডেলিভারিতেই উইকেটের দেখা পেলেন ২০ বছর বয়সী এই পেসার। রোহিত শর্মা কভার ড্রাইভ করতে গিয়ে পয়েন্টে ধরা পড়েন। ভারত অধিনায়ককে ফিরিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উইকেটের খাতা খুলেছেন তানজিম সাকিব। এরপর সেই সাকিবের শিকার তিলক ভার্মা। এর আগে সর্বশেষ অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে তাকে আউট করেছিলেন সাকিব। ২০২০ সালের পর এবারও তার বলে অকৃতকার্য তিলক।

    এরপর উইকেটে আসা লোকেশ রাহুল শুরু থেকেই ভুগছিলেন। রাহুল থামেন ৩৯ বলে ১৯ রানে। তার মতোই উইকেটে এসেই হাস-ফাঁস করছিলেন ইশান কিষাণও। বাউন্ডারির জন্য মিরাজকে রিভার্স সুইপের অপশন বেছে নিয়েছিলেন তিনি। আর তাতেই এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়েন। ১০০ রান তোলার আগেই টপ অর্ডারের চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত।

    সেই চাপ সামলে সূর্যকুমারের সঙ্গে জুটি বাঁধেন গিল। সূর্য উইকেট নেন সাকিব। ২৬ রান (৩৪ বল) করা ডানহাতি এই ব্যাটারের স্টাম্প উড়ে যায়। এরপর ক্রিজে নেমে মুস্তার বলে স্টাম্প হারান জাদেজা। তবে এরই মধ্যে গিল ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি তুলে নেন। এরপর আগ্রাসী হতে থাকা এই ব্যাটারকে ফেরান শেখ মেহেদী। শেষদিকে মুস্তাফিজ, মেহেদী ও তানজিম সাকিবরা আর ভারতীয়দের ম্যাচটি ছিনিয়ে নিতে চাননি।

    বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। চোট ও ফর্মহীন মুস্তার জন্য এটি অবশ্যই স্বস্তির। এছাড়া শেখ মেহেদী ও তানজিম সাকিব দুটি করে উইকেট নেন। সাকিব ও মিরাজের শিকার একটি করে।

    এর আগে টস হেরে বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। জ্বর থেকে সেরে ওঠে তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছেন লিটন দাস। কিন্তু এখনো স্বরূপে ফিরতে পারেননি। আগের দুই ম্যাচে ব্যর্থতার পর আজ তার সামনে সুযোগ ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর। কিন্তু সেটা খানিকটা পায়ে ঠেললেন এই ওপেনার। শামির ইন সুইংয়ে বোকা বনে বোল্ড হয়েছেন। খুলতে পারেননি রানের খাতা।

    অভিষেকে গোল্ডেন ডাকের দুঃস্মৃতি ভুলে শুরুটা ভালোই পেয়েছিলেন তানজিদ তামিম। শার্দুল ঠাকুরের পরপর দুই বলে দারুণ দুটি চেক শটে কাভার ও মিড অফের মাঝ দিয়ে দুটি চার মেরেছিলেন। কিন্তু পরের ওভারে বোল্ড তিনি। ক্রস সিম ডেলিভারি ছিল। যতটা ভেবেছিলেন, ততটা গতি ছিল না। পুল শটে ইনসাইড-এজে বোল্ড হয়েছেন তামিম। সাজঘরে ফেরার আগে ১২ বলে করেছেন ১৩ রান।

    দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে সুযোগ হয়েছিল একাদশেও। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি বিজয়। ১১ বলে ৪ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। ফলে ২৮ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।এর পর অল্প সময়ের মধ্যে উইকেট হারায় মিরাজ।

    টপ অর্ডারের চার ব্যাটারের দ্রুত বিদায়ের পর সেখান থেকে টেনে তুললেন সাকিব। যাকে বলে, সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া। উইকেটে এসে দেখে-শুনে ঠান্ডা মাথায় ইনিংস গড়েছেন। তুলে নিয়েছেন ব্যাক্তিগত অর্ধশতক। এই মাইলফলকে পৌঁছাতে খেলেছেন ৬৫ বল।

    ব্যাক্তিগত ফিফটি তুলে পঞ্চম উইকেটে হৃদয়কে নিয়ে বড় সংগ্রহের পথেই এগোচ্ছিলেন সাকিব। জুটিতে শরান পেরিয়ে ব্যাক্তিগত সেঞ্চুরির পথে হাঁটছিলেন তিনি। তবে ৮০ রানে বাংলাদেশ অধিনায়ককে থামান শার্দুল ঠাকুর। এই পেসারের বলে বোল্ড হয়েছেন সাকিব। এর আগে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৮৫ বলে করেছেন ৮০ রান।

    সাকিব ফেরার পর শামিম উইকেটে আসেন। বলা যায়, এলেন আর গেলেন। মাঝের সময়টুকুতে ৫ বল খেলে করেছেন ১ রান। জাদেজার ফ্লাইট মিস করে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়া এই ব্যাটার আছেন বাজে ফর্মের মধ্যে। আজ সুযোগ ছিল আরও একবার ফেরার। তবে পারেননি। উল্টো ভুল সময়ে আউট হয়ে দলকে অলআউটের শঙ্কায় ফেলেছিলেন।

    সেই শঙ্কার মেঘ কেটেছে হৃদয়ের ব্যাটে। আসরের শুরুটা ভালো হয়নি তার। টানা তিন ম্যাচে ছিলেন ব্যর্থ। তবে শেষটা রানে রাঙাচ্ছেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। গত ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলের হয়ে একাই লড়াই করেছিলেন। হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন। এবার আরও একবার এই মাইলফলক ছুঁলেন তিনি। তাতে খরচ করেছেন ৭৭ বল। অবশ্য ফিফটির পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৪২তম ওভারে শামিকে পুল করতে গিয়ে বাউন্ডারির কাছে ক্যাচ দিয়েছেন হৃদয়। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৮১ বলে ৫৪ রান।

    আজ দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। বিশেষ করে নাসুম আহমেদ। তবে তার দুরন্ত ইনিংসের শেষটা হয়েছে হতাশাময়। প্রসিধ কৃষ্ণাকে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন, তবে সে লেংথে ছিল না ঠিক বলটি। ইনসাইড-এজে লেগে মাটিতে পড়ার পর গিয়ে লেগ স্টাম্পে আঘাত করেছে বল। ৪৫ রানেই শেষ হয় নাসুমের লড়াই।

    এরপর শেষদিকে তানজিম সাকিবকে সঙ্গে নিয়ে ভালোই ফিনিশিং দিয়েছে শেখ মেহেদি। তাতে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান তুলে বাংলাদেশ।খাদের কিনার থেতে দলকে তুলেছেণ সাকিব আর হৃদয়। সেই সুবাদে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হয়েছেন সাকিব আল হাসান। এই জয়ের সুবাদে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অনুপ্রেরণা পাবে।আর দলে যদি ফেরে তামিম ও মাহমদুল্লাহ তাহলে দল অনেক শক্তিশালি হবে।

  • দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ

    দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: এশিয়া কাপের প্রথম পর্বে আফগানিস্তানকে পরাজিদ করে। তারপর মাঝখানে কিছু হতাশা জনক পরাজয়। তারপর সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে ভারতকে ৬ রানে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে দলের মনোবল কিছুটা বেড়েছে। তাই কিছুটা ফুরফুরে মেজাজে আজ দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল।

    এশিয়া কাপের দল গঠনের আগে তামিমের উনজুরি ও মাহমুদুল্লাহর দলে সুযোগ না পাওয়ার বিষয়টি ভাবিয়েছে বাংলাদেশকে। তাপপর অনেক দিন ধরেই ফের্মে নেই সুপার স্টার লিটন। তাই এশিয়া কাপে দলের ব্যাটিং বিপর্যয় দেখে ধারণা হয়েছিল এবার হয়তো শূন্য হাতেই এশিয়া কাপ থেকে ফিরতে হবে বাংলাদেশ দলকে। তবে সুপার ফোরে নিজেদের শেষ ম্যাচে গতকাল (শুক্রবার) ভারতের বিপক্ষে টিম টাইগার্স দারুণ এক জয় পেয়েছে। যা কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরিয়েছে চোট জর্জরিত দলের মাঝে। সান্ত্বনার সেই জয়ের আনন্দ নিয়ে দেশে ফিরেছেন টাইগার ক্রিকেটাররা।

    নিয়মরক্ষার ম্যাচটিতে ভারতকে হারালেও আগেই এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল সাকিব আল হাসানদের। সে কারণে আজ (শনিবার) দুপুর ১২টায় শ্রীলঙ্কা থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল।

    গতকাল কলম্বোয় খেলতে নেমেছিল দু’দল। তবে ম্যাচটি বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস ফেরানোর জন্য অনুষ্ঠিত হওয়ার দরকারই ছিল। শেষ পর্যন্ত মেঘ-বৃষ্টির শঙ্কা ছাপিয়ে পুরো ম্যাচই গড়িয়েছিল মাঠে। যেখানে শেষ কয়েক ওভারের নাটকীয়তায় সাকিবের দল ৬ রানে জয় পেয়েছে।

    এদিন আগে ব্যাট করে সাকিবের ৮০, তাওহীদ হৃদয়ের ৫৪ এবং নাসুম আহমেদের ৪৫ রানের সুবাদে বাংলাদেশ ২৬৫ রানের লড়াকু পুঁজি পায়। এরপর বোলিংয়ে অভিষিক্ত তানজিম সাকিব থেকে শুরু করে মুস্তাফিজুর রহমান ও শেখ মেহেদীরা নিয়ন্ত্রিত ডেলিভারি করেছেন। বিপরীতে ওপেনার শুভমান গিল সেঞ্চুরি করলেও হার ঠেকাতে পারেনি ভারতীয়রা।

    আর এই কারণেই আজ বাংলাদেশ দল একটা শ্বস্তি নিয়ে দেশে ফিরেছে। অনেকে মনে করছে এই ধারা ধরে রাখতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে ভালো করবে।

    সূত্র : বসস

  • শনিবার দেশে ফিরবেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

    শনিবার দেশে ফিরবেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: ইন্দোনেশিয়ায় ৪৩তম ‘আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন’, ১৮তম ‘ইস্ট এশিয়া শীর্ষ সম্মেলন’ এবং পাশাপাশি কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সিঙ্গাপুরে তিনি স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আগামীকাল শনিবার দেশে ফিরছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। দেশ দুটিতে তিনি মোট ১৩ দিনের সফর করেন।

    বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট রাষ্ট্রপতি, তাঁর স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা এবং অন্যান্য সফরসঙ্গীদের নিয়ে আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র প্রধান ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে সিঙ্গাপুরে যান।

    তিনি ইন্দোনেশিয়ায় ৪৩তম ‘আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন’, ১৮তম ‘ইস্ট এশিয়া শীর্ষ সম্মেলন’ এবং পাশাপাশি কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কর্মসূচিতে যোগ দেন।

    ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় তিনদিন ব্যাপী ‘আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন’ চলে।

    ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট – আসিয়ান- এর ২০২৩ সালের সভাপতি জোকো উইদোদো (জোকোই) এর আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ৪ সেপ্টেম্বর জাকার্তার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

    রাষ্ট্রপতি ইন্দোনেশিয়ায় তাঁর পাঁচদিনের সফর শেষ করে ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে সিঙ্গাপুরে পৌঁছেন। সিঙ্গাপুরে তিনি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান।

    আগামীকাল সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।

    সূত্র: বাসস

  • জনগণের কল্যাণে কাজ করা সকলের দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

    জনগণের কল্যাণে কাজ করা সকলের দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: সারাদেশের স্থানীয় সরকারের ৫টি স্তরের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আপনারা তৃণমূলের মানুষ জনগণের ভোটে নির্বাচিত, জনগণের সেবক। জনগণের কল্যাণে কাজ করা আপনার আমার সকলের দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে মানুষের সেবা করে এবং মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে আপনারা এগিয়ে যাবেন।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ তাঁর সরকারী বাসভবন গণভবনে প্রথমবারের মত আয়োজিত ‘জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস ২০২৩’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

    গণভবনে জনপ্রতিনিধিদের বিশাল মিলনমেলায় তিনি বলেন, “মানুষ একবার যখন আপনাদের ভোট দিয়েছে তারা আবারও যেন আপনাকে ভোট দিতে পারে আপনাদের জনগণের সেই আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “আজকের যে উন্নয়ন সেটা দীর্ঘদিনের কষ্টের ফসল। এটা যেন কেউ আর নষ্ট করতে না পারে। কারণ ’৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যতটুকু এগিয়ে ছিলাম বিএনপি জামায়াত জোট আবার সেটা পিছিয়ে দিয়েছিল।”

    তিনি বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আপনাদের দাঁড়াতে হবে। কেউ যেন এই মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত না হয় সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মসজিদ, মন্দির, গীর্জা বা প্যাগোডা যেটার যেখানে যা প্রয়োজন আমরা তা করে দেব। আমাদের যারা অন্যান্য সম্প্রদায় তাদের সাথে এক হয়ে চলবো, কেননা একই সাথে আমরা যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছি।

    বিএনপি’র অগ্নিসন্ত্রাস ও উপাসনালয়ে আগুন দেওয়ার মত ঘটনার উল্লেখ করে জনপ্রতিনিধিদের তিনি এই বিষয়গুলো ভালভাবে দেখার আহবান জানিয়ে বলেন, এই দেশ সকলে মিলে স্বাধীন করেছি। এই দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ এবং সেভাবেই এগিয়ে যাবে।

    বিদেশগামীরা যাতে তাঁর সরকারের করে দেয়া প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রদত্ত সুবিধা নিয়ে বিদেশে যেতে পারেন এবং দালালের খপ্পড়ে পড়ে সর্বস্বান্ত না হন সেদিকেও লক্ষ্য রাখার আহবান জানান।

    সারাদেশের তাঁর সরকারের প্রতিষ্ঠিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর রাখার জন্য জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি ।

    তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে বলেন, তাঁর সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নয়ন করেছে আর আগামীবার ক্ষমতায় আসতে পারলে আর কোন গ্রামে কোন রাস্তা যেগুলো কাঁচা রয়েছে সেগুলো আর কাঁচা থাকবে না।

    তিনি বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালে বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রা এটা যেন অব্যাহত থাকে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলে জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্বদরবারে আরো উচ্চ আসনে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব বলেও এ সময় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ব্যর্থ হয় নাই, আমরা ব্যর্থ হতে দেব না। আমাদের বাংলাদেশ, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি এগিয়ে যাবে।

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম স্বাগত বক্তৃতা করেন।

    আরো বক্তৃতা করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, রাজশাহী সিটি কর্পোারেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী সহ স্থানীয় সরকারের ৫টি স্তরের বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।

    সরকার প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ‘সেবা ও উন্নতির দক্ষ রূপকার, উন্নয়নে-উদ্ভাবনে স্থানীয় সরকার’- এই স্লোগান নিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা, কর্মতৎপরতা, গুরুত্ব ও সর্বোপরি জনসচেতনতা তৈরি এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে দিবসটি উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বছর প্রথম বর্ষ হিসেবে এ কর্মসূচি ১৪ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলের সচেতনতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

    ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং এর প্রেক্ষপটে সৃষ্ট বিশ্বমন্দার প্রসংগ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের মানুষের যাতে কোনো কষ্ট না হয়- সেজন্য আমাদের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু আছে, যার উপকারভোগী ৫১ লাখ মানুষ । বর্গাচাষিদের আমরা কৃষি ঋণ দিচ্ছি বিনা জামানতে। বিনা জামানতে বর্গাচাষিরা কখনো কৃষি ঋণ পেত না।

    প্রধানমন্ত্রী দেশে ১৬ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে বলে জানিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহবান পুণর্ব্যক্ত করেন । তিনি বলেন, যে টাকা খরচ হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে তার তুলনায় অল্প টাকা ধরা হয়, ভর্তুকি দেওয়া হয়। এখানে বড়লোকরাই সুবিধা ভোগ করে। সেই কারণে তিনি সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ ব্যবহারে একটি সুরক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছি, আমাদের সাধারণ মানুষ যেভাবে ব্যবহার করে তাদের জন্য একটা সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। আর যারা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে একটা লেভেলে উঠে গেলে তার দামও বাড়বে। সেই ব্যাপারটা আমরা আস্তে আস্তে করে ফেলব। তাহলে যারা অল্প খরচ করে তাদের সুরক্ষা দিতে পারব। যারা বেশি ব্যবহার করে তারা বেশি টাকা দেবে ।

    তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ’৯৬ সালে ১৬০০ মেগাওয়াট ছিল। আমরা ৪ হাজার তিনশ করে যাই। পরে বিএনপির আমলে সেটা কমে যায়। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর এখন ২৫ হাজার মেগাওয়ার্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার সক্ষমতা অর্জন করেছি। শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বই, বৃত্তি, উপবৃত্তি দিচ্ছি। ডিজিটাল সেন্টার করে দিয়েছি। ইনকিউবেটর, হাইটেক পার্ক করে দিয়েছি। হাতে হাতে মোবাইল ফোন।

    প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ করে বলেন, ঘরে বসে চাকরির আবেদনসহ যাবতীয় সেবার কাজ করতে পারছে মানুষ। অনলাইনে কেনা-বেচাসহ সব কিছু হচ্ছে। আমরা তরুণ-তরুণীদের ফ্রিল্যান্সিং শিখাচ্ছি। সে এই ট্রেনিং নিয়ে বিদেশেও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সুফল বাংলাদেশের প্রতি ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তাঁর সরকার ইতোমধ্যে সর্বজনিন পেনশন স্কিম চালু করেছে। যেটা তাঁর সরকারের নির্বাচনী ওয়াদাও ছিল।

    শেখ হাসিনা বলেন, জাতির জনক আদর্শ নিয়ে সংবিধানে বর্ণিত পন্থায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, পৌর ও সিটি করপোরেশন আইন করে তাঁর সরকার স্থানীয় সরকারকে যথেষ্ট অর্থ বরাদ্দ দিয়ে একদম তৃণমুল পর্যন্ত যেন উন্নয়ন হয় সেই ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি বলেন, ২০০৬ সালে বিএনপি আমলে স্থানীয় সরকারের জন্য বরাদ্দ ছিল ৫ হাজার ৭শ’ ৯৯ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা। আর আওয়ামী লীগ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার বিভাগের জন্য ৪৬ হাজার ৭০৩ দশমিক ৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা দিয়ে গেছেন জাতির পিতা। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষকে ক্ষমতায়ন করে দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন। তখনই এল আঘাত। জাতির পিতাকে সপরিবারে শাহাদতবরণ করতে হয়। হারিয়েছিলাম বাবা-মা ভাইবোন। পেয়েছি বিশাল জনগোষ্ঠী। বাংলাদেশের মানুষই আমার পরিবার, আমার আপনজন। তারাই আমার সব শক্তি।

    শেখ হাসিনা সারাদেশ থেকে আসা জনপ্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান।

    সূত্র: বাসস