Category: লিড নিউজ

  • সেপ্টেম্বরে সড়ক, নৌ ও রেলপথে ৪৬৭ দুর্ঘটনায় ৪৯৬ জনের প্রাণহানি

    সেপ্টেম্বরে সড়ক, নৌ ও রেলপথে ৪৬৭ দুর্ঘটনায় ৪৯৬ জনের প্রাণহানি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০৭ অক্টোবর, ২০২৩: বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পাঠানো এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক, নৌ ও রেলপথে ৪৬৭ দুর্ঘটনায় ৪৯৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আহত হয়েছেন ৬৮১ জন। এসময়ে ৪০২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৭ জন নিহত ও ৬৫১ জন আহত হন। এছাড়া রেলপথে ৪৯টি দুর্ঘটনায় ৫১ জন নিহত ও ২৬ জন আহত এবং নৌ-পথে ১৬টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত ও ৪ আহত ছাড়াও ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

    আজ শনিবার (৭ অক্টোবর) সকালে সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হকের পাঠানো এক দুর্ঘটনা প্রতিবদনে এ তথ্য জানা যায়।

    সংগঠনটি দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে বলে জানানো হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। ১৫৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭২ জন নিহত ও ১০৭ জন আহত হয়েছেন। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৮.০৫ শতাংশ, নিহতের ৪২.৭৮ শতাংশ ও আহতের ২৬.৬১ শতাংশ। এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে ঢাকা বিভাগে। সেখানে ১১৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৮ জন নিহত ও ১১২ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে সিলেট বিভাগে। সেখানে ২৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত ও ১০৬ জন আহত হয়েছেন।

    দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৩৭.০৬ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৭.৬১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২৯.১০ শতাংশ ফিডার রোডে হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫.৪৭ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৪৯ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.২৪ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

    দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সংগঠনের সুপারিশগুলো হচ্ছে— মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের মতো ছোট ছোট যানবাহন আমদানী ও নিবন্ধন বন্ধ করা; দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ, ডিজিটাল পদ্ধতিতে যানবাহনের ফিটনেস প্রদান; রাতের বেলায় বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেল চালকদের রিফ্লেক্টিং ভেস্ট পোশাক পরিধান বাধ্যতামূলক করা; সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা; রাতের বেলায় চলাচলের জন্য জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে পর্যাপ্ত আলোক সজ্জার ব্যবস্থা করা; চলতি বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তার মাঝে সৃষ্ট ছোট বড় গর্ত দ্রুত অপসারন করা; গণপরিবহন বিকশিত করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।

  • বাংলাদেশের সঙ্গে আকাশ পথে সংযুক্ত হতে আগ্রহী ১২টি দেশ

    বাংলাদেশের সঙ্গে আকাশ পথে সংযুক্ত হতে আগ্রহী ১২টি দেশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০৭ অক্টোবর, ২০২৩: বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে আকাশ পথে সংযুক্ত হতে আগ্রহী অন্তত ১২টি বিদেশি এয়ারলাইন্স। এর মধ্যে কিছু-কিছু এয়ারলাইনস বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে, কেউ-কেউ মৌখিকভাবে জানিয়ে রেখেছে।

    তবে, স্থান সংকটের জন্য নতুন করে কোনো এয়ারলাইন্সকে আপাতত ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেবে না ।

    বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন দেশের অন্তত ১২টি এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বেবিচকে যোগাযোগ করেছে। অতি সম্প্রতি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন চেয়ে আবেদন করা এয়ারলাইন্সগুলো হচ্ছে-শ্রীলঙ্কার ফিটস এয়ার, দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়ান এয়ার, আবুধাবিভিত্তিক উইজ এয়ার, ইন্দোনেশিয়ার গারুদা ইন্দোনেশিয়া, ইরাকের ইরাকি এয়ারওয়েজ, জর্দানের রয়াল জর্দানিয়ান, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স, এয়ার ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ।

    ইতোমধ্যে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে আফ্রিকাভিত্তিক উড়োজাহাজ সংস্থা  ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স। তারা ২০২২ সালে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি চেয়েছিল। চলতি বছরের অক্টোবরে তারা বাংলাদেশ থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দিতে পারে।

    এয়ারলাইন্সটি দক্ষিণ আফ্রিকাসহ আফ্রিকান দেশগুলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি যাত্রীদের ইথিওপিয়ায় ট্রানজিট দিয়ে অল্প সময়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে পৌঁছে দিতে চায়। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এয়ারলাইন্সগুলো এই রুটের যাত্রী বহন করছে।

    আবেদন করা এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে উইজ এয়ারকে বেবিচকের পক্ষ থেকে আপাতত ফ্লাইট পরিচালনার ‘অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না’ বলে জানিয়ে দিয়েছে বেবিচক। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছিল বেবিচক।

    উইজ এয়ার চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চেয়েছিল। ভবিষ্যতে বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়লে (তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে) তাদের ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

    বেবিচকের কাছে সর্বশেষ আবেদন করে শ্রীলঙ্কার ফিটস এয়ারের। ঢাকা থেকে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো রুটে সপ্তাহে ৩টি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি চেয়েছে এয়ারলাইন্সটি। তবে অ্যাপ্রোন এয়ারক্রাফট রাখার স্থান সংকট থাকায় আপাতত তাদের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

    এসব এয়ারলাইন্স ছাড়াও বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য মৌখিকভাবে জানিয়েছে আরও অন্তত ৪টি এয়ারলাইন্স। এগুলো হচ্ছে-পাকিস্তানের পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ), উজবেকিস্তানের উজবেকিস্তান এয়ারওয়েজ, সুইজারল্যান্ডের সুইস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স ও সৌদি আরবের রিয়াদ এয়ার।

    এদের মধ্যে পিআইএ ২০২২ সালে বেবিচককে ফ্লাইট পরিচালনার কথা জানায়। বেবিচক তাদের আবেদনের জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেয় বলে জানা গেছে।

    বাকি ৩টি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে নিযুক্ত তাদের রাষ্ট্রদূতদের দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রীর কাছে ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহের কথা জানায়।

    বেবিচক জানিয়েছে, থার্ড টার্মিনালের নির্মাণকাজ শেষ হলে একসঙ্গে মোট ৩৭টি প্লেন রাখার অ্যাপ্রোন (প্লেন পার্ক করার জায়গা) হয়ে যাবে। তখন একে একে অনুমতি পাবে সবাই। পৃথিবীর ১৭২টি দেশে অন্তত ১ কোটির বেশি বাংলাদেশি প্রবাসী ও শ্রমিক বৈধভাবে কাজ করছেন। সেসব শ্রমিকদের দেশে আনা-নেওয়া করার জন্য পর্যাপ্ত ফ্লাইট নেই বাংলাদেশের দুটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের। এর ফলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো।

    বর্তমানে বাংলাদেশে ২৮টি বিদেশি এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

  • আফগানিস্তানে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৫ জন নিহত

    আফগানিস্তানে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৫ জন নিহত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ০৭ অক্টোবর, ২০২৩: আফগানিস্তানে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৫ জন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়েছে।

    দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানা গেছে। আজ শনিবার (৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় ১১টার দিকে হেরাত প্রদেশের জিন্দা জান জেলায় ভূমিকম্পের ঘটনাটি ঘটেছে বলে দেশটির দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোল্লা জান সায়েক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎপত্তি প্রদেশটির বৃহত্তম শহর হেরাতের ৪০ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে ভূপৃষ্ঠের ১৪ কিলোমিটার গভীরে। মূল ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি পরাঘাতের ঘটনা ঘটেছে।

    ভূমিকম্পে অনেকগুলো ভবন ধসে পড়ায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে জানা গেছে।

    ইউএসজিএস জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর ৫ দশমিক ৫, ৪ দশমিক ৭, ৫ দশমিক ৯ ও ৪ দশমিক ৬ মাত্রার পরাঘাত হয়েছে। এসব পরাঘাত প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে চলে।

    আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ভূমিকম্প শুরু হওয়ার পর হেরাতে বাসিন্দারা তড়িঘড়ি বাড়ি ও ভবনগুলো ছেড়ে বের হয়ে আসতে শুরু করে, এ সময় অনেকে হতাহত হন।

    ভূমিকম্পে হেরাতের গ্রামীণ ও পার্বত্য এলাকাগুলোতে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে বলে মুখপাত্র জান সায়েক জানিয়েছেন।

    চলতি বছরের মার্চে আফগানিস্তানের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় জুর্মে ৬ দশমিক ৫ মাত্রার এক ভূমিকম্পে দেশটিতে ও প্রতিবেশী পাকিস্তানে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর আগে গত বছর জুনে আফগানিস্তানের পাকতিকা প্রদেশে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার এক ভূমিকম্পে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।

  • সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশন ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে আজ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

    সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশন ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে আজ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০৬ অক্টোবর, ২০২৩: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য আমি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ নিউইয়র্কে যাই। সেখানে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবস্থান করি। ২৩ হতে ৩০ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ও ৩০ সেপ্টেম্বর হতে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সফর শেষে গত বুধবার দেশে ফিরেছি।

    আমি ২২ সেপ্টেম্বর সাধারণ অধিবেশনের বিতর্ক পর্বে বক্তব্য প্রদান করি। এ বছর সাধারণ বিতর্কের প্রতিপাদ্য ছিল “আস্থার পুনঃনির্মাণ এবং বিশ্বব্যাপী সংহতির পুনরুজ্জীবন: সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০৩০ উন্নয়ন কর্মসূচি এবং এসডিজি অর্জনের মাধ্যমে শান্তি, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা”। আমি আমার বক্তব্যে যেসব বিষয়সমূহ তুলে ধরেছি সেগুলির মধ্যে ছিল: বিশ্ব শান্তি ও টেকসই সমৃদ্ধি অর্জন এবং অভিন্ন সঙ্কট মোকাবিলায় বিভাজন, সঙ্কীর্ণতা ও বিচ্ছিন্নতার পরিবর্তে একতা, সহমর্মিতা ও বহুপাক্ষিতার উপর গুরুত্বারোপ। জলবায়ু পরিবর্তন ও করোনা মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের ফলে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো এসডিজি বাস্তবায়নে পিছিয়ে পড়ছে। এমতাবস্থায়, স্বল্পোন্নত দেশসমূহের ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের পরেও প্রয়োজনীয় সময় পর্যন্ত ঐ ক্যাটাগরির জন্য প্রযোজ্য বিশেষ সুবিধাসমূহ অব্যাহত রাখার আহ্বান। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার করে উন্নয়নশীল দেশসমূহকে বিশেষ ছাড়ে, কম সুদে এবং ন্যূনতম শর্তে অর্থায়ন এবং সমস্ত ঋণ ব্যবস্থায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত বিশেষ বিধান অন্তর্ভূক্ত করার আহ্বান।খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কৃষিজাত পণ্য সংরক্ষণ খাতে বৈশ্বিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি আঞ্চলিক ‘খাদ্য ব্যাংক’ চালু করার প্রস্তাব।  আমার সরকারের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম ও সাফল্যের বিষয়ে আলোকপাত করেছি। এসবের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবিলায় গৃহীত কার্যক্রম, গৃহহীন মানুষদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী দামে চাল ও অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ, নারীর ক্ষমতায়ন এবং লিঙ্গ সমতা নিশ্চিতকরণে সরকারের নানামূখী কার্যক্রম, বিনামূল্যে বই বিতরণ ও বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিকের মত প্রকল্প অন্যতম। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কমিউনিটি ক্লিনিক মডেলকে “শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ” হিসেবে উল্লেখপূর্বক অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্য অনুসরণীয় হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জানাই।বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অপব্যবহার, বিদ্বেষ সৃষ্টি এবং উগ্রপন্থা বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরি। চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমার সরকারের “শূন্য সহনশীলতা” নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছি। বাংলাদেশে আশ্রিত বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমারে প্রত্যাবসানের মাধ্যমে এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি। মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টি যাতে উন্নয়নশীল দেশের উপর চাপ সৃষ্টির রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা না হয়, আমি সে দাবী জানিয়েছি। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেছি যে, আমার সরকার সংবিধানের আলোকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে যাচ্ছে ও করে যাবে।

    এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সামিট ও উচ্চ পর্যায়ের সভায় আমি যোগদান করি। এগুলির মধ্যে ছিল:  High Level Thematic Session of Climate Ambition Summit; High Level Meeting on Universal Health Coverage; High-level meeting on Pandemic Prevention, Preparedness and Response; High-level Roundtable `Towards a Fair International Financial Architecture; Annual Meeting of the UNGA Platform of the Women Leaders; High Level Thematic Session of Climate Ambition Summit.

    এসব উচ্চ-পর্যায়ের সভায় আমি বেশকিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরি। ভবিষ্যতে মহামারি মোকাবিলা করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কাঠামো তৈরি করার প্রস্তাব করেছি। সকলের জন্য বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্য পরিচয়পত্র সংবলিত ডাটাভিত্তিক ও আন্তঃপরিচালন যোগ্য একটি স্বাস্থ্য তথ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাব করেছি।

    ন্যায্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আলোচনায় আমি এসডিআর ঋণের সীমা কোটার পরিবর্তে প্রয়োজন ও ঝুঁকির ভিত্তিতে নির্ধারণ এবং সহজ ঋণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানিয়েছি। এছাড়া, ঋণদাতাদের মধ্যে সমন্বয় ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ন্যায্য ও কার্যকর ঋণ সহজীকরণে অগ্রাধিকার প্রদান করার উপর গুরুত্বারোপ করেছি।

    ৭৮তম জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশেনের সাইড লাইনে বাংলাদেশ এ বছর দুটি উচ্চ-পর্যায়ের সভা – High-level side event on community clinic based Medical Services Ges High Level Side event on Rohingya crisis আয়োজন করে। কমিউনিটি ক্লিনিক বিষয়ক উচ্চ-পর্যায়ের সভায় আমি পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অগ্রাধিকার তুলে ধরি-

    ১) কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কমানো;

    ২) কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ডিজিটাল ও আধুনিক ডায়াগনস্টিক সেবা প্রদান;

    ৩) জলবায়ু পরিবর্তনজনিত রোগ প্রতিরোধে সক্ষমতা বৃদ্ধি;

    ৪) কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদান; এবং

    ৫) কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রাইমারি ডেটাবেইজ হিসেব ব্যবহার করা।

    রোহিঙ্গা বিষয়ক উচ্চ-পর্যায়ের সভায় পূর্ব তিমুরের রাষ্ট্রপতিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ও বিভিন্ন দেশের উচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের উপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সুবিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতসহ অন্যান্য আদালতে চলমান মামলায় সমর্থন দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছি।

    নিউইয়র্ক অবস্থানকালে পাঁচটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে আমার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তাঁরা হলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট, পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী এবং ক্যাম্বডিয়ার প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও, জাতিসংঘ মহাসচিব, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক, নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও চ্যাথাম হাউজ কমিশন অন ইউনিভার্সেল হেলথ এর কো-চেয়ার Rt Hon Helen Clark, জাতিসংঘের গণহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা, Under Secretary-General Rabab Fatima এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের Under Secretary Uzra Zeya আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জনাব জো বাইডেনের আমন্ত্রণে একটি নৈশভোজে যোগদান করি।

    এবারের সম্মেলনে আমরা বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ও বহুপাক্ষিক উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছি। জাতিসংঘ মহাসচিবের ‍‍‌‌‌”Adaptation Accelerator Pipeline” ও “Early Warning for All” উদ্যোগ দুটির প্রতি বাংলাদেশ সমর্থন ব্যক্ত করেছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে একযোগে আমরা Coalition on Sea Level Rise and its Existential Treat (C-SET)-এর অন্যতম Champion country হিসেবে যোগ দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সম্মতি জানিয়েছি।

    আমরা জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত Loss and Damage Fund গঠনের বিষয়ে আমাদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছি। এবার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে গঠিত “Coalition to address synthetic drug threats” বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছে।

    আমরা জাতিসংঘ মহাসচিবের SDG Stimulus Package-এর মাধ্যমে প্রতি বছর অন্তত ৫০০ বিলিয়ন ডলার অর্থ যোগানের আহ্বানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-পরিবেষ্টিত দেশ বা অঞ্চলসমূহের জন্য সমগযুক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের বহুমুখী উদ্যোগের আলোকে আমরা Locked developing countries-এর জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছি।

    এ সফরকালে আমি জাতিসংঘের ‘গভীর সমুদ্র চুক্তি’ বা Agreement under the United Nations Convention on the Law of the Sea on the conservation and sustainable use of marine biological diversity of areas beyond national jurisdiction (BBNJ) স্বাক্ষর করি।

    এছাড়া, বাংলাদেশ এবং হাঙ্গেরির মধ্যে তিনটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক এবং বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী ব্যক্তিগণের ক্ষেত্রে ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    জাতিসংঘের অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী,  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা, অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ, মাননীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী,  সংসদ সদস্য এবং সচিববৃন্দ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভা এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

    এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়দানের উদারতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে আমাদের সূদৃঢ় নেতত্বে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছে। আমাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থানকে যেমন আরও সুদৃঢ় করেছে, তেমনি বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রকে আরও বিস্তৃত করবে বলে আমি আশাবাদী। সামগ্রিক বিবেচনায় এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অত্যন্ত সফল বলে আমি মনে করি।

     

    ওয়াশিংটন সফর:

    নিউইয়র্ক হতে ২৩ সেপ্টেম্বর আমি ওয়াশিংটন গমন করি এবং সেখানে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত অবস্থান করি।২৭ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শনকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেইক সুলিভান আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সভায় দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে জোরদার করার বিষয়ে আমরা ঐকমত্য পোষণ করি।

    জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় অর্থ ও প্রযুক্তি সহায়তার বিষয়ে আলোচনা হয়। আমি সবুজ জলবায়ু তহবিলে অর্থায়ন এবং “লস এন্ড ড্যামেজ” ফান্ডকে কার্যকর করার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রকে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই।

    জেইক সুলিভান নারী শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সন্ত্রাস দমনের মত  ক্ষেত্রগুলোতে আমাদের সরকারের অর্জনের প্রশংসা করেন। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য তিনি আবারও বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানাই। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েও কথা হয়। আমি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আমার সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছি। ঐদিন ভয়েস অব আমেরিকা আমার একটি সাক্ষাতকার নেয়। একইদিনে আমি ওয়াশিংটন, ভার্জিনিয়া ও মেরিল্যান্ডে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের আয়োজনে একটি নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেই।

     

    লন্ডন সফর:

    ৩০ সেপ্টেম্বর আমি লন্ডনে যাই। সেখানে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত অবস্থান করি। ২ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও জাতিসংঘ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লর্ড আহমেদ আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে বিপুল পরিবর্তন বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসারে অবদানের জন্য আমার সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে অধিকতর বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও Aviation Partnership-এর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    আমি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি ও বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগ প্রসার এবং রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথে যুক্তরাজ্যের জোরালো অবস্থানের জন্য যুক্তরাজ্যকে ধন্যবাদ জানাই। এছাড়া, আমরা আঞ্চলিক উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশে অব্যাহত গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করি।

    একই দিন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের সভাপতি, যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগ ও ক্ষুদ্রব্যবসা বিষয়ক ছায়ামন্ত্রী এবং বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য বিষয়ক দূত রুশনারা আলীর নেতৃত্বে ৬-সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। স্কটিশ সংসদের বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের আহ্বায়ক জনাব ফয়সল চৌধুরীও এই দলের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সমস্যা, জলাবায়ু পরিবর্তন, গ্লোবাল সাউথ, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, স্যাংশন-কাউন্টার স্যাংশন, বাংলাদেশের আসন্ন সংসদীয় নির্বাচন, বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য Aviation Partnership, নিয়মতান্ত্রিক অভিবাসন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

    একই দিনে ব্রিটিশ এশিয়ান ট্রাস্ট-এর সভাপতি লর্ড জিতেশ গাধিয়া এবং যুক্তরাজ্যের সংসদের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের সহ-সভাপতি, সংসদের Conservative Friends of India-এর পৃষ্ঠপোষক লর্ড রামি র‌্যাঞ্জার পৃথকভাবে আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    হিন্দুজা গ্রুপ (ইউরোপ)-এর চেয়ারম্যান জনাব প্রকাশ হিন্দুজার নেতৃত্বে হিন্দুজা গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। হিন্দুজা গ্রুপ বাংলাদেশের পরিবহন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও ফিনটেক খাতে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন। আমি তাদের এ আগ্রহকে স্বাগত জানাই এবং হিন্দুজা গ্রুপকে বাংলাদেশে মোটরযান উৎপাদনের আহ্বান জানাই।

    এছাড়া, একই দিন Omnia Strategy LLP-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ার এবং Asian University for Women-এর চ্যান্সেলর শেরী ব্লেয়ার এবং ITLOSI ICJ-তে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বাংলাদেশের কৌঁসুলী প্রফেসর প্রায়াম আখাভান পৃথকভাবে আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ২ অক্টোবর বিকেলে আমি যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের আয়োজনে একটি নাগরিক সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করি।

    সূত্র: বাসস

  • তথাকথিত এক দফার জন্য বিএনপি পুনরায় হাস্যকর আলটিমেটাম দিয়েছে: সেতুমন্ত্রী

    তথাকথিত এক দফার জন্য বিএনপি পুনরায় হাস্যকর আলটিমেটাম দিয়েছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ০৬ অক্টোবর, ২০২৩: বিএনপির আন্দোলনের হুমকি জনগণের কাছে উপহাসের বিষয়ে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    এসময় তিনি আরও বলেন, ‘একের পর এক ব্যর্থ আলটিমেটামের রেশ না কাটতেই তথাকথিত এক দফার জন্য বিএনপি পুনরায় হাস্যকর আলটিমেটাম দিয়েছে! জনগণ ভুলে যায়নি, তাদের এক দফা-দশ দফা’ একত্রিশ দফা চরম ব্যর্থতায় বিলীন হয়ে গেছে। তাদের ঈদের পর, পূজার পর, পরীক্ষার পর কঠোর আন্দোলনের হুমকি আজ জনগণের কাছে উপহাসের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।’

    ওবায়দুল কাদের আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। ব্যর্থতা ও হতাশায় নিমজ্জিত বিএনপি নেতৃবৃন্দের নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতেই এই বিবৃতি দেয়া হয়।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ তথাকথিত রোর্ড মার্চের নামে জনগণের কাছে মিথ্যা অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সারা বাংলাদেশের আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাড়কের নতুন নতুন ব্রীজ, ফ্লাইওভার এবং গড়ে ওঠা নতুন শিল্পাঞ্চল ও বদলে যাওয়া বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন দেখে তাদের চোখ, অন্তর, বিবেক ও মস্তিষ্ক দিশেহারা হয়ে পড়েছে।’

    তিনি বলেন, বিএনপির সব তর্জন গর্জন, হুংকার আষাঢ়ে গল্পের মতোই হাস্যকর। কারণ বাংলাদেশের জনগণ জানে, বিএনপির এই আন্দোলন দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া ও তার কুপুত্র তারেক রহমানকে হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মসনদে বসানোর আন্দোলন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, জন্মগতভাবেই বিএনপি একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক দল, সংবিধান ও গণতন্ত্র হত্যাকারী দল, ভোটাধিকার হরণকারী দল। বিএনপি দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া, এতিমের টাকা আত্মসাৎ, বিদেশে অর্থপাচার, বাংলাদেশকে উগ্র-সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করার মধ্য দিয়ে গণবিরোধী অবস্থান ছাড়া দেশ ও জনগণের কল্যাণে বিএনপির ন্যূনতম কোনো অবদান নেই।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা শুধু আওয়ামী লীগ নয়, দেশের বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বিষোদগার করছে। উস্কানির মাধ্যমে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগ দেশের শান্তিকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির যে কোনো ধরনের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সংকল্পবদ্ধ।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা কখনো খালি হাতে ফেরেন না। তিনি বাংলাদেশের জন্য সবসময় মর্যাদা, সমৃদ্ধি ও স্বীকৃতি নিয়ে আসেন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তাদের অর্জন ছিল দুর্নীতিতে টানা পাঁচবার বিশ^চ্যাম্পিয়ন, সারাবিশে^ বাংলাদেশ ছিল ক্ষুধা-দারিদ্র্য, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের অপর নাম।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যার হাত ধরে বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে, বিশ্বসভায় উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রস্তাবিত ‘শান্তি, ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের জন্য জনগণের ক্ষমতায়ন মডেল’ জাতিসংঘ অধিবেশনে রেজুলেশন আকারে গৃহীত হয়েছে।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালি বিশ্বসভায় আজ আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও খ্যাতিমান প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অসংখ্য স্বীকৃতি, পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশের জন্য তিনি বারবার গৌরব নিয়ে এসেছেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের জনগণ বিএনপি-জামাত অপশক্তির সেই অন্ধকার যুগে আর কখনো ফিরে যাবে না। জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালি জাতির এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

    সূত্র: বাসস

  • ইরানের কারাবন্দি নার্গিস মোহাম্মদী এবার শান্তিতে নোবেল পেলেন

    ইরানের কারাবন্দি নার্গিস মোহাম্মদী এবার শান্তিতে নোবেল পেলেন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ০৬ অক্টোবর, ২০২৩: ২০২৩ সলে শান্তিতে নোবেল পেলেন ইরানের কারাবন্দি মানবাধিকার কর্মী নার্গিস মোহাম্মদী। শুক্রবার (৭ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি এই পুরস্কারের জন্য তার নাম ঘোষণা করে।

    ইরানের কারাবন্দি মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবী নার্গিস মোহাম্মাদি নোবেল জয়কে দেশটির কট্টর ইসলামপন্থী শাসকগোষ্ঠীর জন্য ‘উপযুক্ত জবাব’ এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের প্রেরণা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকরা। ইরানের ক্ষমতাসীনরা যে তার নোবেলজয়ে বিন্দুমাত্র খুশি নয়, তা ও ইতোমধ্যে স্পষ্ট।

    নোবেল কমিটি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বলছে, নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সবার জন্য মানবাধিকার ও স্বাধীনতার প্রচারে লড়াইয়ের জন্য নার্গিস মোহাম্মদীকে ২০২৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এই বছরের শান্তি পুরস্কার সেই লাখো লোককেও স্বীকৃতি দেয়, যারা গত বছর নারীদের লক্ষ্যে পরিণত করা ইরানের ধর্মতান্ত্রিক শাসনের বৈষম্য ও নিপীড়নের নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। বিক্ষোভকারীদের বেছে নেওয়া আদর্শবাণী  ‘নারী-জীবন-স্বাধীনতা’ উপযুক্তভাবে নার্গিস মোহাম্মদীর উত্সর্গ এবং কাজকে প্রকাশ করে।

    নোবেল কমিটি আরও বলছে, নার্গিস মোহাম্মদী একজন নারী, একজন মানবাধিকার আইনজীবী, স্বাধীনতা যোদ্ধা। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার অধিকার আদায়ে সাহসী সংগ্রামের জন্য তাকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। সব মিলিয়ে ইরান সরকার তাকে ১৩ বার গ্রেপ্তার করেছে। পাঁচবার তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। তার সর্বমোট ৩১ বছরের জেল এবং ১৫৪টি বেত্রাঘাতের সাজা হয়েছে। নার্গিস মোহাম্মদী এখনো কারাগারে রয়েছেন।

    নার্গিস মোহাম্মদী ১৯৭২ সালের ২১ এপ্রিল ইরানে জন্মগ্রহণ করেন। অধিকার সংগঠন ফ্রন্টলাইন ডিফেন্ডার্সের বরাতে আল জাজিরা বলছে, তিনি তেহরানের এভিন কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের মধ্যে রাষ্ট্রে বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও রয়েছে।

    ১৯০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত শান্তিতে ১০৪টি নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ৭০টি পুরস্কার এককভাবে দেওয়া হয়েছে। শান্তিতে পাঁচ নোবেল বিজয়ী এই পুরস্কার ঘোষণার সময় কারাগারে ছিলেন। এ পর্যন্ত ১৯ নারী শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন। ২৭টি প্রতিষ্ঠান এই পুরস্কার পেয়েছেন।

  • নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার প্রক্রিয়া কখনো বিদেশিরাও সমর্থন করে না: তথ্যমন্ত্রী

    নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার প্রক্রিয়া কখনো বিদেশিরাও সমর্থন করে না: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০৬ অক্টোবর, ২০২৩: কেউ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালালে দেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে বলে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    এসময় তিনি আরও বলেছেন, যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একইভাবে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার প্রক্রিয়া কখনো বিদেশিরাও সমর্থন করে না।

    আজ শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে একুশে পত্রিকা’র সদ্যপ্রয়াত সম্পাদক আজাদ তালুকদার স্মরণে দোয়া মাহফিল ও শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব বলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে না, এতেই প্রমাণিত হয় তারা নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে।

    সরকারকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এ রকম আল্টিমেটাম তো বিএনপি গত ১৩-১৪ বছরে বহুবার দিয়েছে। গত ডিসেম্বরেও তাদের আল্টিমেটাম ছিল, তারপর খালেদা জিয়াকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিদেশ পাঠানোর আল্টিমেটামও ছিল। এখন ১৮ তারিখ আবার আল্টিমেটাম দিয়েছে।বিএনপির আল্টিমেটাম ফাঁকা বুলি ছাড়া অন্য কোনো কিছু নয়।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব চট্টগ্রামে রোডমার্চ শেষে বক্তব্য রাখার সময়ে সেখানে যে সংখ্যক মানুষ হয়েছে, চট্টগ্রামের লালদিঘির পাড়ে অনেক সময় যখন পাগল নাচে তখনও এর কাছাকাছি মানুষই হয়। সুতরাং কর্মসূচিতে লোক সমাগম সেভাবে না হওয়ায় তারা প্রচন্ড হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।’

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং জি-২০ সম্মেলনে জো বাইডেনসহ অন্যান্য বিশ্বনেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর যে শুভেচ্ছা বিনিময় ও বৈঠক হয়েছে, এতেও বিএনপি হতাশ হয়ে পড়েছে।’

    এর আগে শোকসভায় প্রয়াত একুশে পত্রিকা সম্পাদক আজাদ তালুকদারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি যেমন অকুতোভয় সাংবাদিক ছিলেন, একই সাথে তিনি একজন লড়াকু মানুষ ছিলেন। ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার পর তিনি জানতেন, ধীরে ধীরে তার জীবন প্রদীপ নিভে যাচ্ছে।  তিনি কিন্তু ক্ষান্ত হননি, দমে যাননি, অবিরত লড়াই করেছেন।

    একজন মেধাবী সাংবাদিক অল্প বয়সে চলে যাওয়া অত্যন্ত বেদনার উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজাদ তালুকদারের মৃত্যুর ক’দিন আগে আমি যখন হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যাই, তখন তিনি যেভাবে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং মৃত্যুর পর কি করতে হবে দু’একটি কথাও আমাকে বলেছেন, মৃত্যুপথযাত্রীর সেই চারিত্রিক দৃঢ়তা আমি তার মধ্যে দেখেছি।

    মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের অনেক বিষয় অনেকের চোখ এড়ালেও আজাদ তালুকদারের চোখ এড়ায়নি। অনেক ক্ষমতাধর ব্যক্তির বিরুদ্ধেও সঠিক রিপোর্টটি করেছেন, যেটি কেউ সাহস করে করেননি। অসংখ্য পত্রিকার ভিড়ে একটা পত্রিকা দাঁড় করানো খুব সহজ কাজ নয়। আবার সেটি পাঠকপ্রিয়তা পাওয়া আরো কঠিন কাজ। কিন্তু তিনি নিজে একা লড়াই করে কোনো বড় গ্রুপের কাছে বিক্রি না হয়ে একুশে পত্রিকা দাঁড় করিয়েছেন। আমরা তার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একুশে পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নজরুল কবির দীপু। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল করিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য কলিম সরওয়ার, বিএফইউজে’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কাজী মহসিন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুবেল খান, সাধারণ সম্পাদক ম শামসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক।

  • প্রযুক্তিতে আমরা আসক্ত হবো না, দক্ষ হবো: শিক্ষামন্ত্রী

    প্রযুক্তিতে আমরা আসক্ত হবো না, দক্ষ হবো: শিক্ষামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০৬ অক্টোবর, ২০২৩: প্রযুক্তিতে আমরা আসক্ত হবো না, দক্ষ হবো, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

    এসময় তিনি আরও বলেছেন, কেননা এখন বিশ্ব চলছে বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা জীবনমানের উন্নতি করব। আমরা নতুন নতুন উদ্ভাবন করব। আমরা এগিয়ে যাব এবং দেশটাকে এগিয়ে নেব।

    আজ শুক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ (বালক, অনূর্ধ্ব ১৭) ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ (বালিকা, অনূর্ধ্ব ১৭) এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

    শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, আমাদের দরকার বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তা-চেতনায় আধুনিক, প্রগতিশীল, মানবিক, অসাম্প্রদায়িক, সুস্থ, সবল, কর্মঠ প্রজন্ম। এটি গড়ার জন্য যেমন পড়ালেখায় মনোনিবেশ করতে হবে, উদ্ভাবনী কাজে অংশ নিতে হবে। একইসঙ্গে প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। ঠিক তেমনি তাদের খেলাধুলা করে সুস্থ, সবল ও কর্মঠ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

    তিনি বলেন, আমরা কিছুদিন আগে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ের খেলা দেখেছি। তারই ধারাবাহিকতায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-১৭ খেলা শুরু হচ্ছে। হয়তো এখান থেকেই অনেকে জাতীয় পর্যায়ে খেলবে।

    দীপু মনি বলেন, আমরা সবাই মিলে এই খেলোয়াড়দের সম্পূর্ণরূপে সহযোগিতা দেব। আমি তাদের শিক্ষক ও অভিভাবকদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। কারণ তাদের সহযোগিতা ছাড়া আমাদের এই খেলোয়াড়রা আজকের এই অবস্থানে আসতে পারত না। একইসঙ্গে সব উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই, তাদের সক্রিয় সহযোগিতা এর মধ্যে রয়েছে।

    তিনি বলেন, যাদের নামে এই ফুটবল টুর্নামেন্ট তাদের সম্পর্কেও শিক্ষার্থীদেরকে জানতে হবে। যেমন বঙ্গবন্ধু নিজে একজন দক্ষ ফুটবলার ছিলেন। তিনি বিভিন্ন লীগ ও টুর্নামেন্টে খেলেছেন। তিনি একজন ভালো হকি খেলোয়াড়ও ছিলেন। আমরা জানি, তার পুত্র শেখ কামাল একজন ভাল ক্রীড়া সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীন দেশ দিয়েছেন সারা জীবনের সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে। আজকে তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পাচ্ছি।

    তিনি আরও বলেন, আমরা আগামীতে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি, আজকের এই প্রজন্ম আধুনিক ও স্মার্ট বাংলাদেশে বসবাস করবে। উপস্থিত তোমরাই কিন্তু সেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বার কারিগর।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান।

    চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বশির আহমেদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বাবু, জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. তারিকুল ইসলামসহ আট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা, শিক্ষক ও অভিভাবকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন এম আর ইসলাম বাবু।

  • গত ২২ বছরের মধ্যে বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে অক্টোবরে

    গত ২২ বছরের মধ্যে বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে অক্টোবরে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০৬ অক্টোবর, ২০২৩: বিগত ২২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে অক্টোবরে। কিশোরগঞ্জের নিকলিতে এই বৃষ্টিপাত মত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে , শুক্রবার (০৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় নিকলিতে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪৭৬ মিলিমিটার। এরআগে, ২০০১ সালে সন্দ্বীপে ২৪ ঘণ্টায় ৫৯০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল। মধ্যে ২০১২ সালের ২৬ জুন চট্টগ্রামে হয়েছিল ৪৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত।

    সকাল ৬টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহে সর্বোচ্চ ৩৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়, এতে শহরে কোমর পর্যন্ত জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এরআগে, ১৯৭১ সালের ২ অক্টোবর ৩৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল এ শহরে।

    মৌসুমি বায়ু তথা বর্ষা বর্তমানে বিদায় নেওয়া প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এজন্য বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প রয়েছে। আর এর সঙ্গে মিশে যাচ্ছে পশ্চিমা লঘুচাপ। ফলে বৃষ্টিপাত বেশি হচ্ছে। প্রতি বছরই এই সময় কিছুটা বৃষ্টিপাত হয়। তবে এতো বেশি হয় না।

    এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

    মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পূর্ব উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

    শনিবার (০৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাবিবার (০৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার  সন্ধ্যা থেকে সোমবার (০৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাবে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ময়মনসিংহ ৩৪০ মিলিমিটার, নেত্রকোনায় ৩১১ মিলিমিটার, সিলেটে ১৩৬ মিলিমিটার, টাঙ্গাইলের ৮৮ মিলিমিটার, বগুড়ায় ৮৩ মিলিমিটার ও ঢাকায় ৮০ মিলিমিটার। এছাড়া অন্যান্য স্থানেও হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার দুপুর ১২ পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে অতিভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর সারাদেশেই বৃষ্টিপাত কমে আসবে।

  • ৯ উইকেটের বড় হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল ইংল্যান্ড

    ৯ উইকেটের বড় হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল ইংল্যান্ড

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ০৬ অক্টোবর, ২০২৩: ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছিলো ইংল্যান্ড।

    শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এবারও শক্তিশালী দলই গড়েছে তারা। কিন্তু প্রথম ম্যাচে সেই নিউজিল্যান্ডের কাছে কোনো পাত্তাই পেল না গতবারের চাম্পিয়নরা। আহমেদাবাদে ৯ উইকেটের বড় হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলো ইংল্যান্ড।

    ব্যাটিং, বোলিং কিংবা ফিল্ডিং- কোনো বিভাগেই নিজেদের ছাপ রাখতে পারেনি ইংল্যান্ড। বর্তমান যুগে ২৮২ রান খুব বেশি বড় সংগ্রহ নয়। তবে রাচিন রবীন্দ্র ও ডেভন কনওয়ের ব্যাটে সেটা আরও মামুলি হয়ে পড়ে। এমন বাজে পারফরম্যান্সের পর বাটলার জানালেন তারাও মানুষ রোবট নয়।

    ইংল্যান্ড অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা তো রোবট নই। মাঝে মাঝে আপনি যেভাবে চাইবেন, সেভাবে খেলতে পারবেন না। সবাই কঠোর পরিশ্রম করছে, সবার প্রস্তুতি ভালো। তবে আমরা একটু নিষ্প্রভ ছিলাম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যখন আপনি একটু পিছিয়ে থাকবেন আর প্রতিপক্ষ অনেক ভালো খেলবে, আপনি ম্যাচ হারবেন। আমাদের অনেক কাজ করার আছে, দীর্ঘ একটি টুর্নামেন্টে আরও ভালো করার সুযোগ আছে।’

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এমন হার হজম করা কঠিন বলে জানালেন বাটলার। তিনি বলেন,  ‘অনেক লম্বা টুর্নামেন্টের শুরুতে এটি কেবল একটি হার মাত্র। যা আমাদের সবাইকে মনে রাখতে উৎসাহিত করবে। এই হার মেনে নেওয়া কঠিন অবশ্যই। তবে জেতার পর আমরা খুব একটা উঁচুতে উঠি না একইভাবে হারের পর খুব একটা ভেঙেও পড়ি না। ‘

    ২৮৩ রানের লক্ষ্য নিউ জিল্যান্ড ছুঁয়ে ফেলে ৩৬.২ ওভারে। ওয়ানডে বিশ্বকাপে দ্রুততম ২৫০ বা এর বেশি রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় এটি। আগের রেকর্ডটি ছিল ভারতের। ২০১৫ আসরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ভারত ২৬০ রান তাড়া করে জিতেছিল ৩৬.৫ ওভারে।

    দ্বিতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ২৭৩ রানের জুটি গড়েন কনওয়ে ও রবীন্দ্র। বিশ্বকাপে যে কোনো উইকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ এবং নিউ জিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রানের জুটি এটি। ১৯৯৬ আসরে চতুর্থ উইকেটে লি জার্মন ও ক্রিস হ্যারিসের ১৬৮ রানের জুটি ছিল কিউইদের আগের রেকর্ড।