Category: লিড নিউজ

  • যুক্তরাষ্ট্রের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    যুক্তরাষ্ট্রের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ অক্টোবর, ২০২৩: যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) প্রাক-নির্বাচন মূল্যায়ন মিশন (পিইএএম)-এর ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি এবং গণতন্ত্র অর্জন করেছি। আমরা গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’

    উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে।

    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আদর্শ গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখা এবং আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে যাচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাস সম্পর্কে সংক্ষেপে প্রতিনিধিদলকে  অবহিত করেন। তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার পর সামরিক শাসকরা অস্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে এবং বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল গঠন করে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৭-২০০৮ সালের সেনাবাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরতে বাধা দেয়া হয়েছিল। দেশে ফিরলে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু মৃত্যুর হুমকি উপেক্ষা করে দেশে ফিরেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ন্যায় মানুষের মৌলিক অধিকার- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিশ্চিত করাই তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য।

    তিনি বলেন, তাঁরা চরম দারিদ্র্যের হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশে নামিয়ে এনেছে।

    বৈঠকে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বদানকারী ইউএসএআইডির সাবেক ডেপুটি এ্যাডমিনিস্ট্রেটর বনি গ্লিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে  বিস্ময়কর অর্থনৈতিক উন্নয়ন  সাধিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, তাঁরা কূটনীতিকসহ সকল  অংশীজনের  সাথে কথা বলেছে এবং তাদের লক্ষ্য হল সকল অংশীজনের কথা শোনা।

    বনি গ্লিক বলেন, তারা মার্কিন সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন না, তারা তাদের ব্যক্তিগত ক্ষমতাবলে এখানে এসেছে।

    তিনি আরো বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর চায়।

    দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ল এফ ইন্ডারফার্থ বলেন, গণতন্ত্রের কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যা আছে এবং  এমনকি সমস্যাগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও রয়েছে।

    ব্যস্ততার মধ্যেও সময় দেয়ার জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

    এ সময় সৌজন্য সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি, মোহাম্মদ আলী আরাফাত এমপি, পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ ।

    সূত্র: বাসস

  • বাংলাদেশের বিপক্ষে কঠিন ম্যাচ হবে: জার্গেনসন

    বাংলাদেশের বিপক্ষে কঠিন ম্যাচ হবে: জার্গেনসন

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১২ অক্টোবর, ২০২৩: বাংলাদেশের বিপক্ষে কঠিন ম্যাচ হবে বলে জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের বোলিং কোচ শেন জার্গেনসন। যদিও বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ১৩৭ রানের হারের সুবাদে নেট রানরেটেও এখন অনেকটাই পিছিয়ে বাংলাদেশ। বিপরীতে ফুরফুরে মেজাজে আছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপে টানা দুইবারের রানারআপ দলটি এবারের বিশ্বকাপে পেয়েছে উড়ন্ত সূচনা। ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৯ উইকেটের জয়ের পর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও জয় এসেছে ৯৯ রানের ব্যবধানে। অপরদিকে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে অতি সহজে হারালেও দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে গিয়ে অনেটাই পিছিয়ে পড়েছে। আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের তৃতীয় ম্যাচ।  অবশ্য বাংলাদেশকে হালাকা ভাবে নিচ্ছেনা নিউজিল্যান্ড।

    ২০১৫ এবং ২০১৯ বিশ্বকাপে এই দলটির সঙ্গেই বেশ শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা উপহার দিয়েছিল তারা। যদিও ছোটখাটো ভুলের কারণে শেষ পর্যন্ত জয় হয়েছিল কিউইদের। আর ঘরের মাঠে সবশেষ সিরিজে হারলেও বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকবারই ভুগিয়েছে নিউজিল্যান্ডকে।

    বিষয়টিকে মাথায় নিয়েই বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামতে চান নিউজিল্যান্ডের বোলিং কোচ শেন জার্গেনসন। ম্যাচভেন্যু চেন্নাইতে গতকাল (বুধবার) সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলোতে নিজেদেরকে বেশ ভালোভাবে প্রমাণ করেছে। আমরা দলগতভাবে তাদেরকে বেশ সম্মান করি।

    টাইগারদের অতীত পারফর্ম্যান্সের কথাও টেনে এনেছেন কিউই কোচ, ‘পূর্বে ঘরের মাঠে এবং নিউজিল্যান্ডে তারা আমাদের বিপক্ষে ভালো করেছে। কোনো সন্দেহ নেই এই ম্যাচটাও কঠিন ম্যাচ হতে যাচ্ছে। কারণ ভারতের মাটিতে টুর্নামেন্টে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মনোযোগ এবং ভালো করার তাড়না বেড়ে যায়। এটা বিশ্বকাপের একটি চরিত্র। বলার অপেক্ষা নেই কঠিন ম্যাচ হবে।’

    বাংলাদেশের কোনো ম্যাচ দেখেছেন কিনা জার্গেনসনের উত্তর, ‘আমি ম্যাচগুলো খুব একটা দেখিনি। এজন্য কমেন্ট করতে পারছি না। বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচই ভিন্ন। এভাবেই আমরা মূল্যায়ন করি। তিনটি ম্যাচ খেলেছি মানে একটি একটি করে ম্যাচে এগিয়েছি। আশা করছি বাংলাদেশও ভালো করবে। ’

    চেন্নাইয়ে সাধারণত সাহায্য পান স্পিনাররা। এ নিয়ে জানতে চাইলে জার্গেনসন বলেন, ‘স্পিনারদের পাশাপাশি বাংলাদেশের পেসাররা এখন বোলিং আক্রমণে যেভাবে ভূমিকা রাখছে সেটা দারুণ। গভীরভাবে তাদের শেষ কয়েক বছর নজরে রেখে কথাটা বলছি। ’

    আগামীকাল শুক্রবার (১৩ অক্টোবর)দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ বানাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি।বাংলাদেশের জন্য সুসংবাদ যে লিটন দাস ফর্মে ফিরেছে। দলে আছে সাকিব ও মিরাজের মতো পরিক্ষিত অলরাউন্ডার।আর ডোনান্ড বোলিং কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের প্রতিটি ফাস্ট বোলারা দুরুন বোলিং করছে। আর সব মিলিয়ে ভারতের কন্ডিশন বাংলাদেশের পক্ষে।

  • আমার দলের মানুষ মানব ঢাল তৈরি করে আমাকে রক্ষা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

    আমার দলের মানুষ মানব ঢাল তৈরি করে আমাকে রক্ষা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ১১ অক্টোবর, ২০২৩ : আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যখন আঘাত এসেছে, আমার দলের মানুষ মানব ঢাল তৈরি করে আমাকে রক্ষা করেছে।

    আজ বুধবার (অক্টোবর ১১) টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমি মনে করি, আল্লাহ মানুষকে একটা কাজ দেন, সেই কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আল্লাহই রক্ষা করেন। ওপরে আল্লাহ নিচে আমার দলের লোক। যখনই আঘাত এসেছে আমার দলের মানুষ আমাকে রক্ষা করেছে। মানব ঢাল তৈরি করে তাদের জীবন দিয়ে আমাকে রক্ষা করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে নির্বাচন আছে তবে আমার চিন্তা নাই, জনগণের ভোট আমাদের আছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র সব সময় থাকে। আমি ওটা নিয়ে ভয় করি না। গুলি বোমা সব মোকাবিলা করে এ পর্যন্ত এসেছি।

    তিনি আরও বলেন, আমরাও কিন্তু মুদ্রাস্ফীতি, অর্থনৈতিক মন্দার বাইরে না। আমাদের ওপরও এসব ধাক্কা আসে। আর সব জিনিসই তো আমরা তৈরি বা উৎপাদন করতে পারি না। এ কারণেই আমি সকলকে আহ্বান করেছিলাম কোথাও যেন এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি না থাকে। যে যা পারেন উৎপাদন করবেন। আমাদের খাদ্য আমরা নিজেরাই উৎপাদন করবো।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি চেষ্টা করি তাহলে নিজেদের খাবার উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করতে পারব। ইতোমধ্যে বিদেশে কিছুটা যাচ্ছে। এই খাদ্য কীভাবে আমরা সংরক্ষণ করতে পারি সে ব্যাপারেও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আর আমরা এভাবেই দেশের উন্নয়নের নিশ্চয়তা দিচ্ছি। তাছাড়া শিক্ষাদীক্ষা সবদিক থেকেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। কমিউনিটি ক্লিনিকসহ ফ্রিতে ওষুধ দিচ্ছি। মানুষের কল্যাণে যা যা করার সবই করছি।

    তিনি তাঁর টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া আসনের জনগণকে বারবার ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করার জন্য ধন্যবাদ জানান, যদিও তিনি তাদের পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন নি কারণ, তাঁকে সারা দেশের কল্যাণ দেখতে হবে।

    তিনি বলেন, ‘আমি আমার আপনজনদের হারানোর পরে দেশের মানুষ এবং আমার দলের নেতা-কর্মীরাই আমার স্বজন।’

    তিনি বলেন, ‘কাছের মানুষগুলো আমার পাশে না থাকলে সফল হওয়া সম্ভব হতো না।’

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছি সেটাই সবচেয়ে বড় কথা।

    মতবিনিময় সভা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে সরকারপ্রধানের। এদিন বেলা ১১টার দিকে টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে প্রটোকল ভেঙে আধা কিলোমিটার হেঁটে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছানোর পর স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নেন।

  • টিকা উৎপাদনে ৩৩৮ মিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা দিতে চায় এডিবি: পরিকল্পনামন্ত্রী

    টিকা উৎপাদনে ৩৩৮ মিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা দিতে চায় এডিবি: পরিকল্পনামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি –  ১১ অক্টোবর, ২০২৩ : পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের টিকা উৎপাদনে ৩৩৮ মিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা দিতে চায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।

    আজ বুধবার (১১ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ের পরিকল্পনা মন্ত্রীর দপ্তরে, সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

    মন্ত্রী বলেন, আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা বাড়াতে দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন চায় এডিবি। বর্তমানে প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি অনুমোদন না হলে স্বল্প সুদের ঋণ পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হবে।

    তিনি বলেন, আগামীতে আরও নানা ধরনের ভাইরাস আসতে পারে। সেজন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি দরকার। সরকার সেজন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সেখানে এডিবি ৩৩৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে। এর মধ্যে অর্ধেক স্বল্প সুদে এবং অর্ধেক বাজারের দরের কাছাকাছি সুদ থাকবে। প্রকল্পটি যাতে দ্রুত অনুমোদন করিয়ে দেওয়া হয় সেজন্য এডিবি অনুরোধ করেছে।

    তিনি আরও বলেন, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেছেন, গত অর্থবছর বাংলাদেশে তার সবচেয়ে ভালো সময় কেটেছে। কাজের পরিবেশ, অর্থছাড়, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঋণ অনুমোদন সব ক্ষেত্রেই ভালো সময় পার করেছেন এডিমন গিন্টিং।

    এ সময় এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং বলেন, গত অর্থবছর বাংলাদেশের জন্য সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুই বিলিয়ন ডলার স্বল্প সুদে এবং দেড় বিলিয়ন ডলার বাজার দরের কিছু কম সুদের ঋণ।

    তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণের পরবর্তী পর্যায়ে আগামী ২০২৬ সালের পর বাংলাদেশ আর স্বল্প দামে টিকা কিনতে পারবে না। তখন আন্তর্জাতিক বাজার দর অনুযায়ীই টিকা কিনতে হবে।  তাই এখন থেকে  যেন বাংলাদেশে টিকা তৈরি হয় সেজন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

  • ফায়ার সার্ভিস একটি বিশ্বমানের সেবা বাহিনীতে পরিণত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ফায়ার সার্ভিস একটি বিশ্বমানের সেবা বাহিনীতে পরিণত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ১১ অক্টোবর, ২০২৩ : ফায়ার সার্ভিস একটি বিশ্বমানের সেবা বাহিনীতে পরিণত হবে, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল । আজ ইআরসিসির অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘দেশে অগ্নিদুর্ঘটনা মোকাবিলায় সব সক্ষমতা সম্পন্ন একটি বিশ্বমানের সেবা বাহিনীতে পরিণত হবে ফায়ার সার্ভিস। আগামীর উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশে এটি শেখ হাসিনার স্বপ্ন।’

    আজ বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টায় ইমার্জেন্সি রেসপন্স কন্ট্রোল সেন্টার (ইআরসিসি) প্রজেক্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ফায়ার সার্ভিসকেও ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস আজকে আগের সেই দমকল বাহিনী নয়। ফায়ার সার্ভিস বিশেষ করে ইআরসিসি প্রজেক্টের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ফায়ার সার্ভিস মানুষের আর আস্থার বাহিনীতে পরিণত হবে।

    আসাদুজ্জামান খান বলেন, বিপদগ্রস্ত মানুষকে সেবা প্রদানের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিস অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। ২০০৯ সালে সংসদে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন প্রত্যেকটি উপজেলায় নূন্যতম একটি করে ফায়ার স্টেশন চালু করা হবে। এখন দেশে ৫০৩টি ফায়ার স্টেশন। আরও ৪৩টি উদ্বোধনের অপেক্ষায়। প্রধানমন্ত্রী যে কোনো সময় এই ফায়ার স্টেশনগুলোর উদ্বোধন করবেন।

    মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগে প্রথম রেসপন্স করে ফায়ার সার্ভিস। বর্তমানে অগ্নি দুর্ঘটনা, দুর্যোগ, ভূমিকম্পসহ যেকোনো দুর্যোগে সবার আগে ফায়ার সার্ভিস। শুধু আমাদের দেশে নয়, বিভিন্ন দেশে ডর কোনো দুর্যোগে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস। আমরা সেভাবেই ফায়ার সার্ভিসকে সক্ষম করে গড়ে তুলছি। টার্ন টেবল লেডার (টিটিএল) যুক্ত হয়েছে। বহুতল ভবনে অগ্নি দুর্ঘটনায় কাজ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফায়ার সার্ভিস এর জনবল বৃদ্ধিতে আমরা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। ২০০৯ সালে ফায়ার সার্ভিসের জনবল ছিল ৬ হাজারের সামান্য বেশি। বর্তমানে জনবল ১৪৬৬৮ জন। এই জনবল বেড়ে হবে ১৬০০০। আগামীতে ৩০ হাজার জনবল করার অর্গানোগ্রাম করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, উন্নত দেশের মতো আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এতে একদিকে প্রতিষ্ঠানটির সেবার মান উন্নত হয়েছে, অপরদিকে প্রতিষ্ঠানটির সেবার ক্ষেত্রও বৃদ্ধি পেয়েছে।  ২০০৯ সালে মাত্র ৫০টি অ্যাম্বুলেন্স ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১৯৫টি। প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী প্রতিটি ফায়ার স্টেশনে পর্যায়ক্রমে ন্যূনতম একটি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার লক্ষ্যে ৩৫৭টি নতুন অ্যাম্বুলেন্স ক্রয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    তিনি আরও  বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ সুবিধা আধুনিক করার লক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ফায়ার একাডেমি’ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুবিধা বৃদ্ধির জন্যও বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    আমি আশা করবো, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন আগামীর উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশের পরিপূর্ণ অগ্নি নিরাপত্তা ও দুর্যোগ-দুর্ঘটনা মোকাবিলায় সক্ষমতা সম্পন্ন একটি বিশ্বমানের সেবা বাহিনীতে পরিণত হবে।

    স্ট্রেংথেনিং অ্যাবিলিটি অব ফায়ার ইমার্জেন্সি রেসপন্স (এসএএফইআর) এর অধীন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর এবং কেওআইসিএ এর যৌথ অর্থায়নে স্থাপিত ইআরসিসি প্রজেক্টের উদ্বোধন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়াং সিক, কইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিম তাইইয়াং ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (ফায়ার উইং) শাহানারা খাতুন।

    অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা  দিয়েছিলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি করে ফায়ার স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এর ধারাবাহিকতায় বর্তমানে সারা দেশে চালু ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ৫০৩টি, যা ২০০৯ সালের আগে ছিল মাত্র ২০৪টি।

    ফায়ার সার্ভিসকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৩ এবং আজীবন রেশন প্রদান ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান তিনি।

  • ভারতে ইলিশ রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৩৯ হাজার কোটি টাকা: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

    ভারতে ইলিশ রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৩৯ হাজার কোটি টাকা: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি –  ১১ অক্টোবর, ২০২৩ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছর পর্যন্ত চার বছরে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পাঁচ হাজার ৫৪১ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০১৯-২০ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ হাজার ৫৪১ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হয়েছে, যা মোট ইলিশ উৎপাদনের মাত্র দশমিক পাঁচ ভাগেরও কম। এতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৩৯ হাজার কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তিন হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির জন্য অনুমোদন দিয়েছে, তার মধ্যে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ৬০৯ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে, যা থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৬২ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৮ কোটি ২০ লাখ টাকা)।

    বুধবার (১১ অক্টোবর) প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৩’ বাস্তবায়ন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    মন্ত্রী বলেন, সর্বশেষ ২০২২ সালে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের আওতায় দুই হাজার ৬২টি মোবাইল কোর্ট, ১০ হাজার ৮২১টি অভিযানের মাধ্যমে ৩১.৪১ মেট্রিক টন ইলিশ, ৯১৯.৮৫ লাখ মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ এবং দুই হাজার ৯০৮টি মামলা দায়েরের মাধ্যমে দুই হাজার ১০৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল ও ৪৭.৩২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত মালামাল নিলামে বিক্রয় করে ২২.১১ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

    তিনি জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফলভাবে বাস্তবায়ন হওয়ায় বিগত বছর ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ করার ২২ দিনে প্রায় ৫২ শতাংশ মা ইলিশ ডিম ছাড়তে পেরেছে। ফলে গত বছর প্রায় চার লাখ পাঁচ হাজার ৫১৫ কেজি ডিম উৎপাদিত হয়েছে, যা থেকে প্রায় ৪০ হাজার ২৭৬ কোটি জাটকা ইলিশ যুক্ত হয়েছে।

  • টস জিতে ভারতের বিপক্ষে ব্যাটিং করছে আফগানিস্তান

    টস জিতে ভারতের বিপক্ষে ব্যাটিং করছে আফগানিস্তান

     www.HelloBangla.News –  খেলাধুলা –  ১১ অক্টোবর, ২০২৩ : আফগানিস্তান তাদের প্রথম ম্যাচে হেরে যায় বাংলাদেশের কাছে। আর ভারত অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে জিতে ছয় উইকেটে। আজ বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হয়েছে আফগানিস্তান। দিল্লির অরুণ জেটলির ব্যাটিং পিচে শুরুতেই ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আফগান অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শহিদি।

    ভারতের বিপক্ষে এই ম্যাচে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই নামছে আফগানিস্তান। বিপরীতে ভারত দলে আছে এক পরিবর্তন। অভিজ্ঞ স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পরিবর্তে দলে এসেছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার শার্দুল ঠাকুর।

    এবারের বিশ্বকাপে অরুণ জেটলির এই পিচে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং শ্রীলঙ্কার ম্যাচে প্রায় সাড়ে সাতশ রান হয়েছে। পিচ রিপোর্ট বলছে, আজকের ম্যাচেও তেমন রানের উৎসব হতে পারে। ছোট বাউন্ডারির সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে, বড় স্কোর করা সম্ভব এই মাঠে।

    ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), ইশান কিষাণ, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল (উইকেটরক্ষক), হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, শার্দুল ঠাকুর, কুলদ্বীপ যাদব, জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ।

    আফগানিস্তান একাদশ: রহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শহীদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নবী, নজিবুল্লাহ জাদরান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, রশিদ খান, মুজিব-উর-রহমান, নাভিন-উল-হক ও ফজলহক ফারুকি।

  • ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণে গাজার ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

    ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণে গাজার ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

    www.HelloBangla.News –  আন্তর্জাতিক –  ১১ অক্টোবর, ২০২৩ : জাতিসংঘ জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনীর ভারী বোমাবর্ষণের কারণে গাজা উপত্যকায় ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

    শনিবার হামাসের হামলার জবাবে ইসরায়েলের পাল্টা বোমা হামলার পর থেকে ভয়ঙ্কর লড়াইয়ে উভয় পক্ষের হাজার হাজার লোক নিহত হয়েছে।

    জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওসিএইচএ মঙ্গলবার সর্বশেষ খবরে বলেছে, ‘গাজায় ২ লাখ ৬৩ হাজার ৯৩৪ জনেরও বেশি লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, ‘এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে’।

    ইসরায়েলের ৭৫ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হামলায় দেশটির ১,০০০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে। এদিকে গাজার কর্মকর্তারা বলেছে, বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় ৯০০ জন নিহত হয়েছেন।

    ওসিএইচএ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলেছে, বোমা হামলায় ১,০০০ টিরও বেশি আবাসন ইউনিট ধ্বংস হয়েছে এবং এর মধ্যে ৫৬০টি এতটাই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে তারা বসবাসের অযোগ্য।

    ইসরায়েল ইতোমধ্যে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ‘সম্পূর্ণ অবরোধ’ আরোপ করেছে, খাদ্য, পানি, জ্বালানী এবং বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিয়েছে। এই পদক্ষেপের ব্যাপারে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এটি ইতিমধ্যেই ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবে।

    ইউএনআরডব্লিউএ বলেছে, ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের সমর্থনকারী জাতিসংঘ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ পরিচালিত ৮৮টি স্কুলে বাস্তুচ্যুদের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫০০ জন আশ্রয় চেয়েছিল।

    অন্য ১৪,৫০০ জনেরও বেশি ১২টি সরকারি স্কুলে পালিয়ে গিয়েছিল, ৭৪,০০০ এর কাছাকাছি লোক আত্মীয় এবং প্রতিবেশীদের সাথে বা গির্জা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলিতে আশ্রয় খুঁজছিল বলে অনুমান করা হয়।

    সূত্র: বাসস

  • বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

    বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ অক্টোবর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। এসময় তিনি আরও বলেন, এই দেশ আমাদের, আমরা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা এনেছি। কাজেই জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে বিশ্বে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

    ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, স্মার্ট জনগোষ্ঠী, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভমেন্ট, স্মার্ট সোসাইটি-এই আমরা গড়ে তুলবো। এটাই আমাদের লক্ষ্য।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার সকালে মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজংয়ের মাওয়া রেলওয়ে স্টেশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশের উদ্বোধনকালে দেওয়া প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাঙালি জাতিকে আমি আহ্বান জানাই- জাতির ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে।’

    তিনি বলেন, আজকে যারা ভোটের কথা বলে, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলে-আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই এদেশে অবাদ নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়। আর যারা নির্বাচনের ধোঁয়া তুলে আমাদের প্রতিদিন ক্ষমতা থেকে হটায় তারা কখনো অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় না।কারণ তাদের প্রতিষ্ঠাই হয়েছে একজন অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর হাত দিয়ে ।

    যে কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামাত নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ৩ শ’ আসনে মাত্র ২৯টি আসন পেয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, তারপর থেকে তারা নির্বিাচন বয়কট আর নির্বাচন নিয়ে খেলা, অগ্নিসন্ত্রাস, মানুষ হত্যা, মানুষের জীবন নিয়ে খেলা- এই ধ্বংসযজ্ঞেই মেতে আছে।

    ‘পদ্মা নদী রেলে করে পাড়ি দেয়া, আজকে দিনকে সেই স্বপ্ন পূরণের দিন’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি চলমান বিশ্বমন্দা প্রেক্ষাপটে দেশের সকল অনাবাদি জমিকে চাষের আওতায় আনার মাধ্যমে সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোয় আহ্বন জানান।

    তিনি বলেন, কারো কাছে হাত পেতে বা মাথা নিচু করে নয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের বাংলাদেশে প্রতিটি মানুষ বিশ্ব দরবারে সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলবে এটাই আমাদের লক্ষ্য।

    রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য (মুন্সিগঞ্জ-২) সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বক্তৃতা করেন। সংশ্লিস্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর স্বাগত বক্তৃতা করেন।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা ও যশোরের মধ্যে রেল যোগাযোগের ওপর একটি ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান ও প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে একটি মানুষও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না। এলক্ষ্যে তাঁর সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ইতোমধ্যে ৮ লাখ ৪০ হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীনকে ভূমি ও গৃহ দিয়েছে। সব জেলা উপজেলায় মডেল মসজিদ করে দিয়েছে ।

    তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য দেশকে আরও উন্নত করা। ছাত্র ছাত্রীদের বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। আড়াই কোটি শিক্ষার্থী বৃত্তি-উপবৃত্তি পাচ্ছে। যাতে দেশটা এগিয়ে যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, এখন আমাদের লক্ষ্য, স্মার্ট বাংলাদেশ। প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি। ল্যাব করে দিয়ে কম্পিউটার শিক্ষা দিচ্ছি। লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং কর্মসূচির মাধ্যমে ৬ লক্ষ্য ফ্রিল্যান্সারকে প্রশিক্ষিত করেছি। ব্রডব্যান্ড সুবিধা প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়ায় তারা বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘরে বসে দেশ বিদেশের কাজ করে অর্থ উপার্জন করছে।

    শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, ‘দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। দায়িত্ব গ্রহণের পর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয় এবং বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেলপথ সংযোগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করি। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এসে রেল সঙ্কোচন শুরু করে। বন্ধ হয়ে যায় বহু রেল লাইন। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আমরা রেলওয়ে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যাপক পরিকল্পনা এবং কার্যক্রম গ্রহণ করি এবং ২০১১ সালে স্বতন্ত্র রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করি।

    তিনি বলেন, গত প্রায় ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার ৮৭৩ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মাণ করেছে। ২৮০ কিলোমিটার মিটারগেজ রেলপথকে ডুয়ালগেজে রূপান্তর করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৩৯১ কিলোমিটার লাইন পুনর্বাসন/পুনঃনির্মাণ করা হয়। এই সময়ে আমরা ১ হাজার ৩৭টি নতুন রেলসেতু নির্মাণ ও ৭৯৪টি রেলসেতু পুনর্বাসন/পুনঃনির্মাণ করেছি এবং ১৪৬টি নতুন স্টেশন ভবন নির্মাণ ও ২৩৭টি স্টেশন ভবন পুনঃনির্মাণ করি।

    দেশের রেল যোগাযোগ উন্নয়নে তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, রেলের সার্বিক উন্নয়নে ইতোমধ্যে ১১১টি লোকোমোটিভ, ৬৫৮টি যাত্রীবাহী ক্যারেজ, ৫১৬টি মালবাহী ওয়াগন, ৫০টি লাগেজ ভ্যান বাংলাদেশ রেলওয়েতে সংযুক্ত হয়েছে। বিভিন্ন রুটে মোট ১৪৩টি নতুন ট্রেন চালু করা হয়েছে। ১৩৪টি স্টেশনে সিগন্যালিং ব্যবস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, তাঁর সরকার অভ্যন্তরীন এবং আঞ্চলিক রেল যোগাযোগ বৃদ্ধির বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে এবং ডুয়েল গেজ এবং ব্রডগেজ দু’ধরনের রেল নেটওয়ার্কই নির্মাণ করে দিচ্ছে। যাতে পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের রেল আরো সক্ষমতা অর্জন করে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরও ৪৬টি নতুন ব্রডগেজ লোকোমোটিভ, ৪৬০টি নতুন ব্রডগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ, ২০০টি নতুন মিটারগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ, ১ হাজার ৩১০টি নতুন ওয়াগন সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা আশাকরি আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে রেলওয়ে যোগাযোগ আরো ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষের জীবনমান আরো উন্নত হবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, আজকের এই প্রকল্পটি যেটা ভাঙ্গা পর্যন্ত এখন করেছি সেটা ভাঙ্গা থেকে যশোরে সংযোগ হবে। আর যশোর থেকে মোংলা পোর্ট পর্যন্ত সংযুক্ত হবে। এমনকি বরিশাল, পটুয়াখালি থেকে পায়রা পর্যন্ত এই রেললইনকে যুক্ত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। যদিও সেখানে মাটি নরম থাকায় কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তবে এ ব্যাপারে সাম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা চরছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে বাংলাদেশকে সংযুক্ত করাই তাঁর সরকারের লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন।

    স্মার্ট বাংলাদেশে সবকিছু যাতে স্মার্ট হয় তা নিশ্চিত করাই তাঁর সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, এই প্রকল্পে রেললাইন ছাড়াও নির্মাণ করা হয়েছে সুপরিসর ওয়েটিং রুম, নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য পৃথক টয়লেট, যাত্রীদের উঠানামার সুবিধার্থে লিফ্ট, এক্সিলেটর, বেবি কেয়ার কর্নারসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ১৪টি নতুন স্টেশন। মানোন্নয়ন করা হচ্ছে ৬টি রেলওয়ে স্টেশনের। ইতোমধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে ৬০টি মেজর ব্রীজ, ১৪৪টি কালভার্ট, ১২৮টি আন্ডারপাস। ২০টি স্টেশনে স্থাপন করা হচ্ছে আধুনিক কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত সিগনালিং ব্যবস্থা। ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গাতে নির্মাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ও সুবিশাল ওভারহেড স্টেশন। ঢাকা হতে যশোর পর্যন্ত স্টেশন এলাকায় ও রেল লাইনের দু’পাশে রোপন করা হচ্ছে ১০ লক্ষাধিক ফলদ, বনজ ও ওষুধি প্রজাতির গাছ।

    তিনি বলেন, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৯টি জেলা – ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নড়াইল ও যশোরকে সংযুক্ত করবে। ১ম ধাপে ঢাকা হতে ভাঙ্গা অংশ সমাপ্তির মধ্য দিয়ে নতুন ৩টি জেলা- মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় এলো।

    সূত্র: বাসস

  • স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ অক্টোবর, ২০২৩: স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা-ভাঙ্গা রুটে নতুন ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় এক সুধী সমাবেশে নতুন রেল পথের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলে রেলের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। যার ফলে পণ্য আনা-নেওয়া সহজ হওয়ার পাশাপাশি প্রসার হবে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প কারখানার। যা অবদান রাখবে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে।

    এর আগে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সড়ক পথে গণভবন থেকে মাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মাওয়ায় পৌঁছান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা।

    বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গতিতে ঘণ্টায় প্রায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন ছুটবে ৮২ কিলোমিটারের এ পথে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ১১টায় মাওয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছান। এরপর প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য শেষে সকাল ১২টা ২৩ মিনিটে মাওয়া রেলওয়ে স্টেশন প্রান্ত থেকে বহুল কাঙ্ক্ষিত এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধনের পরে মাওয়া প্রান্ত থেকে ট্রেনে চড়ে ভাঙ্গা স্টেশনে পৌঁছান। সেখানে থেকে ভাঙ্গায় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেন তিনি।

    রেলের সর্ববৃহৎ এ প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত প্রত্যেকটি স্টেশনকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উদ্বোধনী ট্রেনটিও সাজানো হয়েছে রং-বেরঙের ফেস্টুন ও ফুলে।

    রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়া স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত যাবেন।

    ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা।

    রেল কর্মকর্তারা বলছেন, শুরুতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিনটি স্টেশন- মাওয়া, পদ্মা (জাজিরা) ও শিবচরে ট্রেন থামার ব্যবস্থা থাকছে।

    এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর পরীক্ষামূলক ট্রেন পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চালানো হয়। পরের দিন চালানো হয় মালবাহী ট্রেন। এরই মধ্যে ১২০ কিলোমিটার গতিতেও এ রুটে ট্রেন চালানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি।

    যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পদ্মা সেতুর হয়ে ঢাকা-যশোর রেলপথ নির্মাণের মাধ্যমে ঢাকার সাথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সরাসরি যুক্ত হবে। এ রেলপথের মাধ্যমে নতুন চারটি জেলা মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও নড়াইল রেল সংযোগ স্থাপিত হবে। একইসঙ্গে আন্তঃদেশীয় রেল যোগাযোগে ঘটবে বিপ্লব। ঢাকা থেকে সরাসরি কলকাতা যোগাযোগ নিশ্চিত হবে। আর আখাউড়া আগরতলা রেলপথের মাধ্যমে ভারতের দুই নগরী কলকাতা ও আগারতলার দূরত্ব কমে আসবে মাত্র ৫৫০ কিলোমিটারে।

     

    পদ্মা সেতু দিয়ে চলবে যে পাঁচ ট্রেন:

    প্রাথমিকভাবে শুরুতে পদ্মা সেতু দিয়ে পাঁচটি যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    রেলওয়ে সূত্র জানায়, এই পাঁচটি ট্রেনের মধ্যে- খুলনা-ঢাকা রুটের দুইটি আন্তঃনগর ট্রেন চিত্রা,  ঢাকা-বেনাপোল রুটের বেনাপোল এক্সপ্রেস বর্তমান রুট পরিবর্তন করে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় চলাচল করবে।

    এদিকে ঢাকা-কলকাতা রুটের আন্তর্জাতিক ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেসও রুট পরিবর্তন করে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় চলাচল করবে।

    প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়েছে, রাজশাহী থেকে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত চলাচল করা আন্তঃনগর ট্রেন মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনটিকেও রাজশাহী থেকে ভাঙ্গা হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা রুটে চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    এদিকে খুলনা থেকে গোয়ালন্দ রুটে চলাচলকারী মেইল ট্রেন নকশিকাঁথা এক্সপ্রেসকে ভাঙ্গা হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।