Category: লিড নিউজ

  • তাসনিয়া ফারিণ ইরান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার জিতলেন

    তাসনিয়া ফারিণ ইরান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার জিতলেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ইরানের ঐতিহ্যবাহী ফজর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ক্রিস্টাল সিমোর্গ অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার লাভ করেছেন। ‘ফাতিমা’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ আউটস্ট্যান্ডিং আর্টিস্টিক কন্ট্রিবিউশন ক্যাটাগরিতে তিনি এ পুরস্কার পেয়েছেন।

    আজ সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে ফারিণ নিজেরই এ সংবাদ তার ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন।

    তবে পুরস্কার প্রদানের সময় ফারিণ উপস্থিত ছিলেন না। তার পক্ষে এ পুরস্কার গ্রহণ করেছেন সিনেমার পরিচালক ধ্রুব হাসান। এ কথা বর্ণনা করে ফারিণ লেখেন, ‘আমার ফিল্ম ফাতিমার জন্য ইস্টার্ন ভিস্তা বিভাগে আমাকে ক্রিস্টাল সিমোর্গ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করার জন্য ৪২তম ফজর চলচ্চিত্র উৎসবকে ধন্যবাদ। ইচ্ছে ছিল আরও একদিন থেকে নিজের হাতে পুরস্কার গ্রহণের, কিন্তু থাকতে পারলাম না।’

    পুরস্কার হিসেবে ফারিণকে একটি ক্রিস্টাল পদক ও একটি সনদ দেওয়া হয়েছে।

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। সাবলীল অভিনয় দিয়ে অল্প সময়েই হয়েছেন দর্শকপ্রিয়। নিয়মিত নাটকে কাজ করছেন তিনি। একাধিক ওয়েবফিল্মেও তাকে দেখা গেছে। কাজ করেছেন কলকাতার সিনেমাতে।

    অভিনয় জীবনের শুরুতে ফারিণ কাজ করেছিলেন এই ‘ফাতিমা’ নামের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে । সিনেমার গল্পটি আবর্তিত হয়েছে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় একজন নারীর চ্যালেঞ্জকে ঘিরে।আর এই ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য পুরস্কার পাওয়াতে তিনি বেশ আনন্দিত। এদিকে কলকাতায় অতুনু ঘোষ নির্দেশনায় ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন ফারিণ।

    তাসনিয়া ফারিণ এসআরকে স্টুডিওস’ এ কোরিয়ান সিরিজ ‘লিজেন্ড দ্যা ব্লু সির’ এর ডাবিংকৃত ‘জলপরীতে’ অনবদ্য কন্ঠাভিনয় করেছেন। সিরিজটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়।

  • রমজানের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আসবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    রমজানের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আসবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রমজানের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আসবে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “রমজানের আগে তারা ইতোমধ্যে আমাদের দেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমি সেটাকে বর্ধিত করে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১ লাখ মেট্রিক টন চিনিতে উন্নীত করার কথা বলেছি। তিনি (ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী) সেটা ভালোভাবে নিয়েছেন।”

    দিল্লি সফর শেষে আজ সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা অনেক ভোগ্যপণ্যের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে, পেঁয়াজ, চিনি, ডাল এবং মসলা জাতীয় কিছু পণ্য। আমরা অনেক কিছুর জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।”

    হাছান মাহমুদ বলেন, “আমি তাকে বলেছি, এসব ভোগ্য পণ্যে যেন বিশেষ কোটা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। যাতে আমরা তাদের থেকে এসব সঠিক মূল্যে এবং আমাদের প্রয়োজনে ইমপোর্ট করতে পারি। কমপক্ষে এটুকু সুবিধা যেন তাদের থেকে নিতে পারি।”

    মিয়ানমার প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  “বাংলাদেশ ও ভারত – উভয় দেশেরই মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। মিয়ানমারে যদি কোনও কিছুর উদ্রেক ঘটে, তাহলে সেটি আমাদের যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করে, উদ্বিগ্ন করে, তাদেরও উদ্বিগ্ন করে। দুই দেশের উদ্বেগ তাদের প্রতিবেশী নিয়ে। সুতরাং আমাদের একসঙ্গে কাজ করার অনেক বিষয় আছে। আমরা ওই বিষয়গুলো নিয়ে কাজের বিষয়ে আলোচনা করেছি।”

    রাখাইনে সংঘাতের কারণে সীমান্তে কিছুটা নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের অভ্যন্তরে তাদের শেল এসে পড়েছে এবং দুই জন মানুষ নিহত হয়েছে। এটি অগ্রহণযোগ্য।”

    মিয়ানমারে চলমান সংঘাত নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে আমাদের বক্তব্য জানানো হয়েছে। সুতরাং তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে এখানে কোনও কিছু বিঘ্নিত হোক, এটা আমরা চাই না বলেও তিনি জানান।

    মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য যারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে, তাদের সবাইকে মিয়ানমার ফিরিয়ে নিয়ে যাবে এবং এটি খুব সহসা হবে বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান।

  • সংকট কাটিয়ে ধীরে ধীরে আমরা উন্নতি করছি: অর্থমন্ত্রী

    সংকট কাটিয়ে ধীরে ধীরে আমরা উন্নতি করছি: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: সংকট কাটিয়ে ধীরে ধীরে আমরা উন্নতি করছি, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন,“ সংকট আছে। কিন্তু আমরা ওভারকাম করছি। ধীরে ধীরে আমরা উন্নতি করছি। নতুন মন্ত্রিসভা হলো, কালই সব ঠিক হয়ে যাবে, এ রকম হবে না।”

    আজ সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রতিনিধি, ফ্রান্স সরকারের জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিফেন ক্রোজা ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফডি) কান্ট্রি ডিরেক্টর আর্নড হেমলিয়ারসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফডি) কার্যক্রম চালু আছে। তারা নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে আসছে, সেগুলো নিয়েই আলোচনা হয়েছে।”

    নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সেরকম কিছু নেই। প্রতি বছরই আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়। এ বছর ইনোভেশন (উদ্ভাবন) বিষয়ে বাংলাদেশসহ অন্য সবার সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে।”

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশে এখন অনেক ধরনের সমস্যা আছে। এর মধ্যে মার্কেটিং একটি সমস্যা। কৃষকের কাছ থেকে পণ্য ঢাকায় আসতে আসতে এটা মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে চলে যায়। এটি একটা বড় সমস্যা। আমরা চিন্তাভাবনা করছি কীভাবে এটিকে পরিবর্তন করা যায়।”

    তিনি বলেন, “আমরা কোনো নিদিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল নই। কিন্তু আমরা সবার সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করি, আইডিয়া নিই, বড় করি। আর্থিকভাবে বিভিন্ন পার্টনার আমাদের সহায়তা করে।”

    বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ তো এখন ভালো করছে। তবে আমরা সমস্যা থেকে একেবারে বের হয়ে গেছি, তা কিন্তু নয়।”

    এডিবি নতুন কমিটমেন্ট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “নিশ্চয়ই করেছে, তারা তো বাংলাদেশকে সাহায্য করছে। তা চলতে থাকবে। একটি কথা অনেকেই বলে, বাংলাদেশ দেউলিয়া হয়ে গেলো। না বাংলাদেশ কোথায় দেউলিয়া? এতো বড় একটি দেশ দেউলিয়া হতে পারে না। আমাদের রিজার্ভ উন্নতি করছে।”

    আমরা ট্র্যাকে ফিরলাম কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “হ্যাঁ আমরা ট্র্যাকে ফিরলাম। অবশ্যই, আমি এটি আগেও বলেছি। বাংলাদেশ এখন ঊর্ধ্বমুখী, সম্ভাবনার বাংলাদেশ, সেই ট্র্যাকেই আমরা ফিরে এসেছি।”

  • আনসার বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    আনসার বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আনসার বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক থেকে সমাজকে রক্ষায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বাহিনী স্মার্ট ও আধুনিক হয়ে গড়ে উঠবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।”

    আজ সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুরের শফিপুর বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৪তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৪ -এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গ্রাম উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করেছে সরকার। সহযোগিতা করছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো সক্ষমতা আছে বাংলাদেশর। জননিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো অশুভ তৎপরতা মোকাবিলায় সতর্ক থাকতে হবে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে।”

    এসময় আনসার বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি প্রতিহত করে জাতীয় সম্পদ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তারা।”

    এসময় এই বাহিনীর জন্য একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন সরকারপ্রধান।

    এদিন সকাল ১০টার কিছু পরে গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ গ্রাম প্রতিরক্ষা ও আনসার ভিডিপির ৪৪তম সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন তিনি। ঘুরে দেখেন বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের জমায়েত।

    প্রধানমন্ত্রীকে প্যারেডের মাধ্যমে সালাম জানায় আনসারের বিভিন্ন ইউনিট। এ সময় বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ১৮০ জনকে আনসার পদক পরিয়ে দেন সরকারপ্রধান।

    সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল এ কে এম আমিনুল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন, আনসার ও ভিডিপি অ্যাকাডেমির কমান্ড্যান্ট মো. নূরুল হাসান ফরিদী, বাহিনীর উপমহাপরিচালক, অন্যান্য কর্মকর্তা ও আনসার- ভিডিপির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা, সংসদ সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধান, সিনিয়র সচিবসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

     

     

  • ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘কৃষিই বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতির প্রাণ’।

    তিনি ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।

    আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কৃষিবিদ দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সকল কৃষিবিদকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষিই বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতির প্রাণ। মানব সভ্যতার সৃষ্টি থেকেই মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে স্বাধীনোত্তরকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি শিক্ষা, গবেষণা, সম্প্রসারণ ও কৃষির উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সরকারি চাকুরিতে কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও কৃষির উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীন দেশের প্রথম বাজেটে কৃষিখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছিলেন। জাতির পিতার প্রদর্শিত পথেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষির সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন। ফলশ্রুতিতে ‘আমরা এখন দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ’। পাশাপাশি শাকসবজি ও ফলমূলসহ মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ইত্যাদির ব্যাপক উৎপাদন জাতীয় পর্যায়ে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফলে দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করেও কৃষিজাত পণ্য বৈদেশিক বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে।

    জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মাথাপিছু জমির পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে উল্লেখ করে মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, এই চাহিদা পূরণে কৃষি বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন প্রযুক্তি এবং অধিক উৎপাদনশীল জাতের বীজ উদ্ভাবন, উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ মাছ, মাংস, ডিম, দুধ উৎপাদনে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়া, কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষক ও খামারিসহ সকলকে সচেতন হতে হবে। কৃষি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক যন্ত্রপাতি তথা কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এবং লাভজনক কৃষিতে রূপান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিতে হবে।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, কৃষিবিদরা তাদের জ্ঞান, মেধা ও শ্রম দিয়ে ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে কার্যকর অবদান রাখবেন।

    রাষ্ট্রপতি ‘কৃষিবিদ দিবস-২০২৪’ উপলক্ষ্যে গৃহীত অনুষ্ঠানমালার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

    সূত্র: বাসস

     

  • টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

    টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: জিআই (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন্স) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া টাঙ্গাইলের শাড়ি, নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লার জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আজ রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রী পরিষদের সভার শুরুতে এই তিনটি পণ্যের জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন শিল্প মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ও সচিব জাকিয়া সুলতানা।

    এর আগে টাঙ্গাইল শাড়িকে ভারতের জিআই পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।  ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’ বাংলাদেশের একটি জেলার দীঘদিন ধরে উৎপাদন হচ্ছে এবং সেই জেলার নামানুসারে শাড়িটির নামকরণ হওয়া সত্বেও ভারত দাবি করে “টাঙ্গাইল শাড়ি’ তাদের নিজম্ব পণ্য। ভারত সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টে টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের বহিঃপ্রকাশ।

    ওই পোস্টের নিচে অনেক বাংলাদেশি ব্যবহারকারীকে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়। তাদের বক্তব্য টাঙ্গাইল বাংলাদেশের একটি জেলার নাম এবং ওই শাড়িটির উৎপত্তি এই জেলায়। কিন্তু এই বিতর্কের প্রেক্ষাপট রচিত হয়েছে আরো এক মাস আগে। চলতি বছরের জানুয়ারির দুই তারিখে টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক নির্দেশকপণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

    ভারতের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, ডিজাইন অ্যান্ড ট্রেড মার্কস বিভাগের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সুন্দরবনের মধুও এই রাজ্যটির নিজস্ব পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন রেজিস্ট্রি’র তথ্য বলছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হস্তশিল্প বিভাগ এর জন্য আবেদন করেছিলো ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে।

    টাঙ্গাইল শাড়িকে ধরা হয় নদীয়া ও পূর্ববর্ধমানের পণ্য হিসেবে। একইসাথে মুর্শিদাবাদের গরদ ও করিয়াল নামে আরো দুটি শাড়িও যুক্ত হয় জিআই নিবন্ধিত তালিকায়।

    বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবশ্য জিআই’র তালিকায় টাঙ্গাইল শাড়ির উপস্থিতির কথা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

    এই ধরনের একটি খবর প্রকাশের প্রর বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি পর্যায়ে প্রতিবাদ আসতে থাকে। এদিকে আটই ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্টস, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক বিভাগ (ডিপিডিটি) টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি জার্নাল প্রকাশ করে।

    কোনও পণ্যের জিআই সনদ পেতে হলে কোনও একটা সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানকে ডিপিডিটি বরাবর আবেদন করতে হয়। তাই, টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি পেতে গত ছয়ই ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম ডিপিডিটি’র কাছে আবেদন করেছিলেন।

    তার আবেদনে সাড়া দিয়েই ডিপিডিটি টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। এই শাড়ির ইতিহাস, ঐতিহ্য, বুনন পদ্ধতি ও নিজস্বতা তুলে ধরে প্রকাশ করে জার্নাল নং ৩২।

     

    জেলা প্রশাসকের করা আবেদনপত্রে বলা হয়েছে যে টাঙ্গাইল শাড়ি মূলত চার প্রকার এবং এখানে এই শাড়ির বৈশিষ্ট্যকে মোট ছয়টি ভাগে ভাগ ধরা হয়েছে।

    সেগুলো হলো:

    • টাঙ্গাইল শাড়ি সম্পূর্ণ হাতে বোনা হয়। তবে বর্তমানে মেশিন তাঁতেও বুনন করা হয়ে থাকে।
    • টাঙ্গাইল জেলা যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এখানকার জলবায়ু শাড়ি বোনার উপযোগী।
    • নদীর পানির বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য সুতার প্রক্রিয়াজাতকরণ (যেমন- সুতা রঙ করা, মাড় দেওয়া) ভালো হয় এবং রঙের স্থায়িত্বের পাশাপাশি কাপড়ের স্থায়িত্ব ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়।
    • শাড়ির পাড়ের নকশায় বৈচিত্র্য রয়েছে। পুরো বুননের পর পাড়ের ও জমিনের কিছু কিছু নকশা আলাদাভাবে হাতে বুনন করা হয়।
    • আরামদায়ক একটি পরিধেয় বস্ত্র, যা যেকোনও ঋতুতে পরার উপযোগী।
    • টাঙ্গাইল শাড়ি মার্জিত, রুচিশীল ও আভিজাত্যপূর্ণ।

    টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য ও শাড়ির বর্ণনা দেয়ার জন্য এই আবেদনপত্রে ঐ অঞ্চলে প্রচলিত বিভিন্ন প্রবাদও উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, ‘নদী চর খাল-বিল গজারির বন; টাঙ্গাইল শাড়ি তার গরবের ধন’ বা, ‘চমচম, টমটম, তাঁতের শাড়ি; এই তিনে মিলে টাঙ্গাইলের বাড়ি’।

    এখানে প্রশ্ন থেকেই যায়, দু’টো দেশ থেকে একই পণ্য জিআই সনদ পেতে পারে কি-না।

    কিংবা, ভারত যদি এখন ডিপিডিটি থেকে প্রকাশিত এই জার্নালের বিরোধিতা করে, তাহলে কী হবে? অথবা, টাঙ্গাইল শাড়ি’র জিআই ফিরে পেতে বাংলাদেশের করণীয় কী হবে?

    এই আশা নিরাশার মধ্যে সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে আজ রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি), জিআই (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন্স) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া টাঙ্গাইলের শাড়িসহ তিনটি পণ্যের সনদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। বিষয়টি অবশ্যই আনন্দের ও তাৎপর্যপূণ। দেশের মানুষ এতে স্বস্তি পাবে।

     

     

     

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি পণ্যের উৎপাদনও বহুমুখী করতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ রবিবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) নেতৃবৃন্দ গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, রপ্তানি বাড়াতে পণ্যের বহুমুখীকরণের পাশাপাশি বাজার সম্প্রসারণ করতে হবে।

    এ সময় উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের বিশেষ মনোযোগ দেওয়ারও আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম শাখাওয়াত মুন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বৈঠকে বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবসা-বাণিজ্য, রপ্তানি ও সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

    তারা বৈশ্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট কিছু সমস্যার কথা উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন ও যত দ্রুত সম্ভব তা সমাধানের আশ্বাস দেন।

    প্রতিনিধি দলে ছিলেন-বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, সাবেক সভাপতি ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি, সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শিদী, শফিউল ইসলাম ও সিদ্দিকুর রহমানসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    সূত্র: বাসস

  • আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব

    আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: গাজীপুরের টঙ্গীতে আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি, কল্যাণ কামনা করা হয়েছে। এ সময় লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত হয় আমিন-আমিন।

    আজ রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ১৭ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয় এবং ১১টা ৪৩ মিনিটে সময় শেষ হয়। ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলবীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ আখেরি মোনাজাত শুরু করেন। চোখের পানিতে বুক ভাসিয়ে মুসল্লিরা আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানিয়েছেন, মুসলিম বিশ্বে সুখ শান্তি কামনা করেছেন।

    আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন নিজামুদ্দিনের অনুসারী ভারতের মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ কান্ধলভী। মোনাজাত শেষ হয় ১১টা ৪৩ মিনিটে।

    এ সময় আমিন আমিন ধ্বনিতে কম্পিত হয় পুরো ইজতেমা ময়দান। তুরাগ তীরে সমবেত হয়ে অশ্রুভেজা চোখে লাখ লাখ মুসল্লি দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আল্লাহর দরবারে দুই হাত তুলে প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা চেয়ে কান্নার বুক ভাসায় দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লি। গোটা দুনিয়ায় পথভ্রষ্ট মুসলমানের সঠিক পথে চলা এবং তাবলীগের কাজে সবাইকে নিয়োজিত হওয়ার তাওফিক কামনা করে মহান আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত প্রার্থনা করা হয়। ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ কামনায় দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি স্রষ্টার দরবারে কান্নাকাটি করেন। লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত হয় আমিন-আমিন।

  • এশিয়া কাপে জর্ডানকে হারিয়ে কাতার আবারও চ্যাম্পিয়ন

    এশিয়া কাপে জর্ডানকে হারিয়ে কাতার আবারও চ্যাম্পিয়ন

     

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: গতবারের এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো কাতার। মাঝখানে বিশ্বকাপ খেলে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তাতে আবারও এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখাটা কাতারের জন্য স্বাভাবিক ছিল । ঘরের মাঠে জর্ডানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে এশিয়ান কাপে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো তারা।

    লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে কাতারের পক্ষে তিনটি গোল করে আকরাম আফিফ। তার আগে কেউই এশিয়ান কাপের ফাইনালে হ্যাটট্রিকের নজির গড়তে পারেনি। ম্যাচের ২২তম মিনিটে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন তিনি। ডি বক্সের মধ্যে তাকে ফাউল করে বসেন জর্ডান ডিফেন্ডার আব্দাল্লাহ নাসিব। রেফারিও পেনাল্টির বাঁশি বাজান সঙ্গে সঙ্গে। বল হাওয়ায় না ভাসিয়ে কোনাকুনি শটে জালের দেখা পান আফিফ।

    প্রথমবারের মতো আসরের ফাইনালে খেলা জর্ডান সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কাতারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়াই করে তারা। পিছিয়ে থেকে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে সমতা আনে খেলায়। ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে ইহসান হাদ্দাদের পাস থেকে গোলটি করেন ইয়াজান আল নাইমাত।

    সমতায় ফিরে অবশ্য খুব একটা লাভ হয়নি জর্ডানের। কেননা ছয় মিনিটের ব্যবধানে ফের কাতারকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেয় তারা। বক্সের মধ্যে ইসমাইলকে বাধা দেন আল মারদি। কাতার পেনাল্টির আবেদন করলে ভিএআর চেকের পর রেফারি ঠিকই সেই সিদ্ধান্ত নেন। এবারও গোল করতে কোনো ভুল করেননি আফিফ। ম্যাচের যোগ করা সময়ে জর্ডানের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকেন তিনি। বক্সের মধ্যে তাকে ফেলে দেন জর্ডান গোলরক্ষক। নিয়তি আবারও সেই পেনাল্টি। ৮ গোল নিয়ে আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা তো বটেই সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটিও বাগিয়ে নেন আফিফ।

  • মিয়ানমারে প্রাপ্তবয়স্কদের সেনাবাহিনীতে যোগদান এখন বাধ্যতামূলক

    মিয়ানমারে প্রাপ্তবয়স্কদের সেনাবাহিনীতে যোগদান এখন বাধ্যতামূলক

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মিয়ানমারে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের জন্য সামরিক বাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে দেশটির জান্তা সরকার। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে এমন এক সময় এই ঘোষণা দেওয়া হলো যখন বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সাথে দেশটির সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।

    ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারকে হটিয়ে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী। কিন্তু গত মাস থেকে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং অভ্যুত্থানবিরোধী যোদ্ধাদের সাথে একের পর এক যুদ্ধে তাদেরকে পরাজিত হতে দেখা যাচ্ছে।  এই অবস্থায় সরকার ঘোষণা করেছে, এখন থেকে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সকল পুরুষকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়ে অন্তত দুই বছর কাজ করতে হবে।

    আর নারীদের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ থেকে ২৭ বছরেরে মধ্যে, তাদেরকেও একই মেয়াদে সামরিক বাহিনীতে চাকরি করতে হবে। এর বিষয়ে আর কোন বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি জান্তা সরকার। তবে এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে যে, দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে “প্রয়োজনীয় উপবিধি, প্রক্রিয়া, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি এবং নির্দেশাবলী প্রকাশ করবে”।

     

    আইন না মানলে জেল:

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর কাছে একের পর এক অপমানজনক পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। ২০২৩ সালের শেষের দিকে মিয়ানমারের তিনটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিলে হামলা চালিয়ে শান রাজ্যের সীমান্ত ক্রসিং এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো দখল করে নেয়। অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই রাজ্যটি মিয়ানমারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দিয়েই সড়কপথে চীনের সাথে বেশির ভাগ বাণিজ্য সংঘঠিত হয়ে থাকে।

    গত মাসে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) জানিয়েছে যে, তারা মিয়ানমারের চিন রাজ্যের পালেতোয়া এবং মিওয়াতে পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত শেষ সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এর আগে, মিয়ানমারের জান্তা সরকারের প্রেসিডেন্ট মিন্ট সোয়ে সতর্ক করেছিলেন যে, বিদ্রোহীদের সাথে যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে দেশটি ভেঙে যেতে পারে।

    দেশের সামরিক বাহিনীতে নাগরিকদের বাধ্যতামূলক যোগদানের বিধান রেখে ২০১০ সালে মিয়ানমারে একটি আইন চালু করা হয়েছিল। কিন্তু এতদিন সেটি কার্যকর করা হয়নি। আইনটিতে দুই বছরের জন্য নাগরিকদের সামরিক বাহিনীতে চাকরি করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে আইনে এটাও বলা হয়েছে যে, জরুরি অবস্থায় সামরিক বাহিনীতে চাকরির এই মেয়াদ পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে নাগরিকদের কেউ এই আইন না মেনে চাইলে একই মেয়াদে জেল খাটতে পারে বলেও আইনে বলা হয়েছে।

    ২০২১ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিল জান্তা সরকার। সম্প্রতি সেই জরুরি অবস্থা আরও ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে। ২০১১ সালের গণতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়ার আগে মিয়ানমার প্রায় ৫০ বছর নিপীড়নমূলক সামরিক শাসনের অধীনে ছিল। এরপর একটি গণতান্ত্রিক সরকার দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করেছিল।

    কিন্তু ২০২১ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি একটি সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির সামরিক বাহিনী পুনরায় ক্ষমতা দখল করে নেয়। এরপর থেকেই মিয়ানমারে যুদ্ধ ও সহিংসতায় চলে আসছে। এতে দেশটির হাজার হাজার নাগরিক প্রাণ হারিয়েছে এবং দল লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

     

    কী হচ্ছে মিয়ানমারে:

    স্বাধীনতার পর থেকে সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সাথে সামরিক বাহিনীর সংঘাত চলমান থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে সেই সংকট সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে দেশটির জান্তা বা সামরিক শাসকরা। অক্টোবরে হামলা শুরু হবার পর থেকে হাজার হাজার সৈন্য তাদের অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিদ্রোহী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। মিয়ানমারের সামরিক জান্তার দখলে থাকা অনেক শহর ও এলাকা বিদ্রোহীরা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। মিয়ানমারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের একটি দল যারা ‘স্পেশাল অ্যাডভাইসরি কাউন্সিল ফর মিয়ানমার’ নামে পরিচিত, তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির জান্তা সরকারের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে মাত্র ১৭ শতাংশ ভূখণ্ডের উপর, ২৩ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের দখলে রয়েছে ৫২ শতাংশের মতো ভূখণ্ড।

    থাইল্যান্ড ভিত্তিক মিয়ানমারের সংবাদ মাধ্যম ইরাবতীতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সামরিক বাহিনী জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে বিভিন্ন প্রদেশে ৩৩টি শহরের দখল হারিয়েছে। এর মধ্যে চিন, সাকাই, কিয়াং প্রদেশ এবং উত্তরাঞ্চলের শান এবং শিন রাজ্য উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য আরাকান আর্মিরা দখলে নিয়েছে বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। জানুয়ারির শেষ দিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন ও আরাকান রাজ্যেও যুদ্ধ-পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। দু’পক্ষের সংঘাত এতটাই তীব্র আকার নেয় যে চলতি বছরের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করে। এর আগে শত শত সৈন্য সীমান্ত দিয়ে চীন ও ভারতে পালিয়েছে। যুদ্ধ না করেই হাজার হাজার সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছে।

    অভ্যুত্থানের পর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত জান্তা সরকার ত্রিশ হাজারের মতো সেনা হারিয়েছে। যেখানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীতে সেনার সংখ্যা মাত্র দেড় লাখ। সামরিক বাহিনী প্রতিদিনই পরাজয়ের মুখে পড়ছে এবং তারা দখল হয়ে যাওয়া ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতেও ব্যর্থ হচ্ছে। এমন অবস্থায় সামরিক বাহিনী দ্রুত জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা হারাচ্ছে। এই অবস্থায় মিয়ানমার সরকারের পক্ষে নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজটি বেশ কঠিন।

     

    এই বিদ্রোহীরা কারা:

    মিয়ানমারের জান্তা সরকার সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার তিন বছর পর ধারণা করা হচ্ছে যে, এই মুহূর্তে তারা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি পার করছে। এতটা কোণঠাসা পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীকে এর আগে আর পড়তে দেখা যায়নি। প্রথম আড়াই বছর সামরিক বাহিনী দমন-পীড়নের মাধ্যমে যতটা সহজে তাদের ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছিল পরে পরিস্থিতি উল্টে যায়।

    ২০২১ সালের এপ্রিলেই ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেতৃত্বে নির্বাচনে জয়ী সদস্যরা জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করে, যাকে সংক্ষেপে বলা হয় এনইউজি। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সদস্যরাও এতে যোগ দেয়।

    সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা বিদ্রোহী বাহিনীর সঙ্গে মিলে তারা প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করে এবং সব গোষ্ঠীর সমন্বয়ে তৈরি করে ‘পিপল ডিফেন্স ফোর্স’।

    সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ নতুন মাত্রা পায় উত্তরাঞ্চলের তিনটি বিদ্রোহী বাহিনী এক হয়ে আক্রমণ শুরুর পর। ২০২৩ সালের অক্টোবরের শেষের দিকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর একজোট হয়ে সুসংগঠিতভাবে হামলা চালায় দেশটির উত্তরের শান রাজ্যের জাতিগতভাবে সংখ্যালঘু তিনটি বিদ্রোহী বাহিনী, যাদের একসঙ্গে ডাকা হচ্ছে ‘থ্রি গ্রুপ অ্যালায়েন্স’ নামে। ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ), তায়াং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং আরাকান আর্মি (এএ) নিয়ে এই জোট গঠন করা হয়েছে। তারা একে নাম দেয় ‘অপারেশন ১০২৭’।

    এছাড়াও শত শত সাধারণ মানুষও এই জাতিগত বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দেয়। সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে তারা প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে সামরিক টহল চৌকি, অস্ত্রাগার ও বেশ কিছু শহরের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে বিদ্রোহীদের হাতে। সামরিক বাহিনীকে এই মুহূর্তে সারা দেশ জুড়েই হামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

     

    সেনাবাহিনী ভাবছে তারা পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে:

    বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই উত্তেজনা চলতে থাকলেও এতোটা কোনঠাসা পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীকে এর আগে আর পড়তে হয়নি। গত অক্টোবরে জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে সামরিক টহল চৌকি, অস্ত্রাগার ও বেশ কিছু শহরের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে বিদ্রোহীদের হাতে। সবশেষ ঘুমধুম সীমান্তে বিদ্রোহীদের আক্রমণের মুখে মিয়ানমারের ৯৫জন সীমান্তরক্ষী বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে, যাদের অনেকেই আহত।

    শুধু বাংলাদেশ নয়, প্রতিবেশী আরো দুটি দেশ চীন ও ভারতেও মিয়ানমারের সেনারা এর আগে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এ ধরনের জয় বিদ্রোহী অন্য গোষ্ঠীগুলোকেও সামরিক বাহিনীর উপর আক্রমণে উৎসাহিত করেছে। মিয়ানমার ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যালায়েন্স-এমএনডিএএ, আরাকান আর্মি এবং তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি- যারা যৌথভাবে থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স নামে পরিচিত, তারা জানুয়ারিতে উত্তরাঞ্চলের শান রাজ্য থেকে সামরিক বাহিনীকে বিতাড়িত করেছে।

    ধারণা করা হয়েছিল যে, এর পাল্টা অভিযান চালানো হবে। কিন্তু সেটি এখনো হয়নি। এই রাজ্যে বেশ কয়েকজন জেনারেল-সহ সেনারা আত্মসমর্পণ করেছে এবং বর্তমানে একটি ভঙ্গুর অস্ত্রবিরতি চলছে।

    আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সামরিক বাহিনীর জন্য এটা শুধু এখন একটি পরাজয় নয়, বরং এটা ইঙ্গিত যে, জনপ্রিয়তা হারিয়ে সামরিক বাহিনীর দিন ফুরিয়ে আসছে।

    থাইল্যান্ডের চুলালংকর্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষক থিটিনান পংসুধিরাক বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, “মিয়ানমারের এই গৃহযুদ্ধ মিয়ানমারের জান্তা সরকারের জন্য জেতা অসম্ভব হয়ে পড়েছে এবং এতে পরাজয় এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র।”

    তিনি বলেন, “সংখ্যার দিক থেকে দেখতে গেলেও এটা বোঝা যায়। তারা প্রতিদিন সেনা হারাচ্ছে, কিন্তু নতুন সেনা ভর্তি হচ্ছে না, শক্তিবৃদ্ধি করা হচ্ছে না, রসদ পুনঃসরবরাহ করা হচ্ছে না, কোনও সেনা আর টহল দিতেও ইচ্ছুক নয় এবং প্রতিনিয়ত তারা আক্রমণের মুখে পড়ছে।”

    যুদ্ধে টিকে থাকতে তারা বিমান হামলার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এখনি সেনাবাহিনীর পরাজয় সম্পর্কে বলা যাচ্ছে না। কারণ শান রাজ্যে সমস্যার মুখে পড়লেও অন্যান্য স্থানে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সামরিক বাহিনী।

    মানবাধিকার সংস্থা ফ্রি বার্মা রেঞ্জার্স গত সপ্তাহে কারেন রাজ্যের যে চিত্র তুলে এনেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, বিদ্রোহীদের সেখানে সামরিক বাহিনীর কাছে মূল্য দিতে হচ্ছে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা