Category: লিড নিউজ

  • বিএনপি হত্যার রাজনীতি করে আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছে: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপি হত্যার রাজনীতি করে আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বিএনপি হত্যার রাজনীতি করে আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “আমরা নাকি হত্যার ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছি, বিএনপি আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছে। আমাদের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে তারা ক্ষমতা থাকাকালে হত্যা করেছে।”

    আজ শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “সংকটময় বিশ্বে যারা বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “আওয়ামী লীগ বেফাঁস কথা বলে না, বিএনপিই বলে। বেপরোয়া গাড়ির চালকের মতো বেপরোয়া রাজনীতির চালক মির্জা ফখরুল। রাজনীতিতে বিএনপি দুর্ঘটনা ঘটাতে চায়। অতীতে তাদের এই ইতিহাস আছে। এই দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি তারা বারবার ঘটাতে চায়। এছাড়া রাজনীতিতে টিকে থাকার তাদের আর কোনো রসদ নেই।”

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বাংলাদেশের রাজনীতিতে যাদের হাতে রক্তের দাগ, যারা এদেশে হত্যা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছিল, মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত হত্যাকাণ্ড ৭৫-এর ১৫ আগস্ট ঘটিয়েছিল তার মাস্টারমাইন্ড ছিল খন্দকার মোশতাক ও জেনারেল জিয়াউর রহমান। ৩ নভেম্বর জেলহত্যায় জাতীয় ৪ নেতা, একুশে আগস্ট সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলায় ২৩ জনের প্রাণ ঝরে গেছে। এসব হত্যাকাণ্ড বিএনপির আমলে সংঘটিত করেছিল। এরপর মির্জা ফখরুল হঠাৎ এক বিবৃতিতে কোথা থেকে পেলেন আওয়ামী লীগ নাকি হত্যা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছে?  উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাচ্ছেন তিনি “

    তিনি বলেন, “বিএনপি নিজেরাই নিজেদের নেতাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগের উপর দায় চাপিয়েছিল নির্বাচনকে সামনে রেখে। একুশে আগস্ট জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছিল তারা। এমন নাটক তারা বারবার সাজিয়েছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার জন্য। নিজেদের কৃতকর্মের দায় অন্যের উপর চাপাতে তাদের অপকর্ম এখনো অব্যাহত আছে। জেল থেকে বের হয়ে মির্জা ফখরুল যা বলছেন তা এসব নাটকেরই প্রতিধ্বনি।”

    বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি কোথায় ঘুরে দাঁড়াবে সেটা আমাদের জানা নেই। এ কথা আগেও শুনেছি। কোন বছর ঘুরে দাঁড়াবে?  আন্দোলনের চৌকস কথার ফুলঝুরি অনেক শুনেছি। সে কথা বারে বারে বলতে গিয়ে বিএনপি নেতারা জনগণের কাছে নিজেদেরকেই খাটো করছেন। দেশে আন্দোলনের কোনো বস্তুগত ইস্যু নেই। তারা গায়ে পড়ে ইস্যু খুঁজে বেড়ায়। জনগণ জেনেশুনে শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়েছে। বাস্তবে হতাশা নিরাশা থেকে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে দলটির নেতারা এসব বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।”

    মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি নিয়ে তিনি বলেন, “ওখানে এখন যেটা দরকার তা হলো ইন্টেলিজেন্স ডিপ্লোম্যাসি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। সবপক্ষের গতিবিধি লক্ষ্য করে যুদ্ধকে পরিহার করে শান্তির জন্য ইন্টেলিজেন্স ডিপ্লোমেসি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।”

    সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, পারভীন জামান কল্পনা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, সাবেক সদস্য রিয়াজুল কাউসার, সাবেক ছাত্রনেতা ইসহাক আলী খান পান্নাসহ অন্যান্যরা।

  • মানুষ ভালো না হলে চেষ্টা করেও কিছু করা যায় না: রেলমন্ত্রী

    মানুষ ভালো না হলে চেষ্টা করেও কিছু করা যায় না: রেলমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মানুষ ভালো না হলে চেষ্টা করেও কিছু করা যায় না, বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম। তিনি বলেন, “আমরা চাচ্ছি রেলকে স্বাবলম্বী করার জন্য। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে রেলকে স্বাবলম্বী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর আমাদের মানুষগুলোকে ভালো হতে হবে। মানুষ ভালো না হলে চেষ্টা করেও কিছু করা যায় না। প্রত্যেক জায়গা থেকে চুরিচামারি বন্ধ করতে হবে। চুরিচামারি যারা করে তাদেরকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।”

    আজ শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    রেলমন্ত্রী বলেন, “সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ২৮৫৯ জনবলের বিপরীতে বর্তমানে ৮৬০ জন কর্মরত রয়েছেন। ২৮০০ জনের কাজ তো ৮০০ জন করতে পারে না। একটা কারখানা সম্পূর্ণভাবে সচল রাখা সম্ভব না। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের যে যন্ত্রপাতি আছে আরও কিছু আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে লোকবল নিয়োগ দিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে রেলকে উন্নতির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার। এটা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও চান। সৈয়দপুর রেলওয়ে সেতু কারখানায় অতীতে রেল সেতুর গার্ডার তৈরি হতো। এছাড়াও পাহাড়তলীতে হতো। এখন অল্প কিছু হয় বাকিটা আমদানী করতে হয় এই দক্ষ জনশক্তির অভাবে “

    তিনি বলেন, “আমি ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। উনি অতি দ্রুত লোকবল নিয়োগের ব্যাপারে বলেছেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হবে। আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছি সমস্যাগুলো সমাধানের। এক দিনে তো সম্ভব হবে না। একটু সময় লাগবে আমাদেরকে একটু সময় দিতে হবে। আমরা সবাই মিলে রেলের একটা পরিবার। এই রেলওয়ে কারখানাকে স্মার্ট করতে চাইলে আমাদেরকে স্মার্ট হতে হবে। আধুনিক কারখানা করতে গেলে সেই ধরনের মেশিন আমদানি করতে হবে। সেটা চালানোর লোক লাগবে। আমরা চেষ্টা করছি আপনারা সহযোগিতা করবেন।”

    রেলমন্ত্রী আরও বলেন, “যারা রেলের জমি দখল করে আছেন তারা জানেন যে কাজটা অন্যায়। তাদের বিবেকের দংশনে তাদের দংশিত হওয়া উচিত। একটা অন্যায় জিনিস আমরা করতে যাচ্ছি। দখল করে মসজিদ বানালে সে মসজিদে নামাজ হয় না। কিন্তু রেলের জমি দখল করে যে বসবাস করে সে কি খুব শান্তিতে বসবাস করতেছে, আমার মনে হয় না। এক ধরনের দুর্বৃত্ত আছে তারা এ কাজ করতেছে। আমরা চেষ্টা করবো আমাদের রেলের জন্য যতটুকু প্রয়োজন এগুলা আমরা উচ্ছেদ করব। এগুলো সহ্য করা হবে না। এছাড়াও এক জমি তিনজনকে লিজ দেওয়ায় রেলের অনেক জমি বেহাত হয়ে গেছে। দুর্বৃত্তরা ভুয়া কাগজ তৈরি করে রেকর্ড করে নিয়েছে। এগুলা আমরা ইতোমধ্যে তালিকা করে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছি।”

    এর আগে মন্ত্রী কারখানার ২৯টি শপ (উপ-কারখানা) ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন। বর্তমান সরকারের রেলপথ মন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন। তিনি রেলওয়ে কারখানায় এসে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) সাদেকুর রহমান, জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ ও পুলিশ সুপার গোলাম সবুর। এরপর মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে কারখানায় স্থাপিত অদম্য স্বাধীনতায় শহীদদের স্মরণে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

    এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, মহাপরিচালক (ডিজি) কামরুল হাসান, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার, প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী (সিএমই, পশ্চিম) মুহম্মদ কুদরত-ই খুদা, সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও শ্রমিক লীগ নেতা মোখছেদুল মোমিন প্রমুখ।

  • মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং এর ৩৬ সদস্য গ্রেফতার

    মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং এর ৩৬ সদস্য গ্রেফতার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর, হারীবাগ এলাকার কিশোর গ্যাং এর বিভিন্ন গ্রুপের ছিনতাই, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন সন্ত্রসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। জানা গেছে গ্রেফতাকৃতরা দিনের বেলা কেউ বাসের হেলপার, কেউ ড্রাইভার, কেউ দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক,  কেউবা পুরাতন মালামাল ক্রেতা, রাজমিস্ত্রী ও সবজি বিক্রেতা। তবে ভিন্ন পেশা হলেও সন্ধ্যা নামতেই বদলে যায় তাদের পেশা ও পরিচয়। বেরিয়ে আসে ভয়ঙ্কর রূপ। ভিন্ন পেশার আড়ালে মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় তারা ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে জড়িত। প্রত্যেকের নামে রয়েছে একাধিক মামলা। প্রত্যেকেই জেল খেটেছেন। বেরিয়ে আবারও জড়িয়েছেন গ্যাং কালচারে।

    যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা কিশোর গ্যাং ‘পাটালি গ্রুপের অন্যতম মূলহোতা সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজিব এবং ‘লেভেল হাই’ এর অন্যতম মূলহোতা মো. শরিফ ওরফে মোহন ও ‘চাঁন গ্রুপ’, ‘মাউরা ইমরান গ্রুপ’সহ বিভিন্ন গ্রুপের সদস্য। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র।

    আজ শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোহাম্মদপুরের বসিলায় র‌্যাব-২ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অধিনায়ক (সিও) ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন খান।

    তিনি বলেন, “সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়। এসব ঘটনায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি ও মামলা হয়েছে। অতি সম্প্রতি মোহাম্মদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ ও তার আশেপাশের এলাকায় বেশ কয়েকটি ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য পেয়ে র‌্যাব টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করে। শুক্রবার রাতে র‌্যাবের একাধিক দল মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করে।”

    জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতাকৃতদের মধ্যে ৫ জন পাটালি গ্রুপের, ৬ জন ‘লেভেল হাই’, ৬ জন ‘চাঁন গ্রুপ’, ৫ জন ‘লও ঠ্যালা গ্রুপ’ এবং ৭ জন ‘ মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। বাকি ৭ জন অন্য গ্রুপের সদস্য। এদের গ্রুপে প্রায় ২০-২৫ জন সদস্য থাকে।

    র‌্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, “পাটালি গ্রুপটি সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজিবের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন যাবত পরিচালিত হয়ে আসছে। নিজেদের মধ্যে অন্তঃকোন্দলের কারণে তারা ২/৩টি গ্রুপে বিভক্ত হয়। লেভেল হাই গ্রুপটি শরিফের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন পরিচালিত হয়ে আসছে। গ্রেপ্তাররা মোহাম্মদপুর, আদাবর, বেড়িবাধ ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো।

    তিনি আরও বলেন, “তারা একাকী পথচারীদের আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, আদাবর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতো। মাদক সেবনসহ মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত তারা।”

  • একুশের সাংস্কৃতিক উৎসব দেখে মুগ্ধ দর্শকরা

    একুশের সাংস্কৃতিক উৎসব দেখে মুগ্ধ দর্শকরা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের যৌথ আয়োজনে শুরু হয়েছে ৮ দিনব্যাপী আয়োজন ‘একুশের সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৪’। ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪.০০ টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। প্রথম দিনের অনুষ্ঠান দেখে মুদ্ধ দর্শকরা।

    ‘একুশের সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৪’। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত মঞ্চসারধি জনাব আতাউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন এর সেক্রেটারী চন্দন রেজা এবং সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    একুশের সাংস্কৃতিক উৎসব - বিনোদন - ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ (২)_1
    একুশের সাংস্কৃতিক উৎসব – বিনোদন – ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ (২)_1

    শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন “ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের মাস, আসুন আমরা সংস্কৃতির এই আন্দোলনে একাত্ম হয়ে বিশ্বের প্রত্যেক দেশে শহীদ মিনার করি। শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের প্রত্যেকটা দেশে যেন শহীদ মিনার রয়েছে ইতোমধ্যেই অনেক দেশে হয়েছে।”

    ১ম দিনের আয়োজনে অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গান পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল শিশু-কিশোর সংগীত দল। এরপর লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায় ‘বীর পুরষ’ নৃত্য পরিবেশন করেন একাডেমির শিশু নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনা করেন সোমা গিরি। এরপর ‘ইতিহাস জানো তুমি আমারা’ নৃত্য পরিবেশন করে ধৃতি নর্তনালয়, নৃত্য পরিচালনা করেছেন নৃত্য পরিচালক ওয়ার্দা রিহাব। এরপর লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনা এবং জয়দীপ পালিত এর পরিচালনায় পরিবেশিত হয় শিশু নৃত্য ‘চলো বাংলাদেশ’। পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশুনৃত্যদল। এরপর নৃত্যলোক নৃত্যদল পরিবেশন করে ‘একুশ জাগরণ’। নৃত্য পরিচালনা করেছেন নৃত্য পরিচালক কবিরুল ইসলাম রতন। এরপর ধুতি নর্তনালয় নৃত্যদল ২য় পরিবেশন করে ‘বাংলা হিন্দু, বাংলার বৌদ্ধ’। নৃত্য পরিচালনা করেন ওয়ার্দা রিহাব। এরপর নৃত্যলোক নৃত্যদল পরিবেশন করে ‘ও পৃথিবী এবার এসো’। নৃত্য পরিচালনা করেছেন নৃত্য পরিচালক কবিরুল ইলাম রতন। এরপর আবার নৃত্য ‘ধন ধান্য পুষ্পভরা’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল শিশু-কিশোর সংগীত দল।

    এরপর কবি কন্ঠে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি মিনার মনসুর ও আসলাম সানি। এরপর পরিবেশিত হয় একক সংগীত। একক সংগীত ‘অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে’ ও ‘মাগো ভাবনা কেনো’ পরিবেশন করেন সোহানুর রহমান। হিমাদ্রি রায় পরিবেশন করেন একক সংগীত ‘মাগো ধন্য হলো জীবন’ ও ‘ভেবনা গো মা’। এরপর ধারাবাহিক আয়োজনে পরিবেশিত হয় নৃত্য ‘বাংলার ধ্রুবতারা’। ভাবনা ও পরিকল্পনা লিয়াকত আলী লাকী এবং পরিচালনা করেছেন নৃত্য পরিচালক স্নাতা শাহরীন। নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল নৃত্যদল। এরপর পরিবেশিত হয় সংগীত। একক সংগীত ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো’ ও এই শিকল পড়া ছল’ পরিবেশন করেন বর্ণালী সরকার এবং অন্তরা পরিবেশন করেন একক সংগীত ‘সূয্যেদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি’ ও ‘সেই রেল লাইনের ধারে’। এরপর লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায় ‘ আজ যত যুদ্ধবাজ’ নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনা করেন মেহরাজ হক তুষার। সহযোগীতায় ছিলেন এস কে জাহিদ।

    সবশেষ পরিবেশিত হয় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পালা `উথুলা সুন্দরী’। পরিবেশন করেন পালাকার ইসলাম উদ্দিন।

    বইমেলায় আগত দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে পালার দর্শক গ্যালারী। গ্রাম বাংলার বহু পুরোনো পালা শিল্পীর ভাষ্যমতে ১শ থেকে দেড়শ বছরের পুরোনো পালা উতুলা সুন্দরী মুলত প্রেমের কাহিনী। কাল্পনিক এ পালায় এক সুন্দরী রমনীর গল্প তুলে ধরেন পালাকার।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আব্দুল্লাহ বিপ্লব ও তামান্না তিথি।

  • কয়েকটি দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

    কয়েকটি দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: কয়েকটি দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়, বলে জানিয়েছে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছে এবং আরও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা টার্মিনাল অপারেশনের জন্য সৌদি আরব বিনিয়োগ করেছে। আরও কয়েকটি দেশ বিনিয়োগের জন্য পাইপলাইনে আছে। এসব বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো বেশি শক্তিশালী হবে। বন্দরের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।”

    আজ শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম বন্দরের ৪ নম্বর গেট সংলগ্ন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সংযোজিত রপ্তানিমুখী পণ্যবাহী কন্টেইনার স্ক্যানার স্থাপন ও হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আইএসপিএস কোড কমপ্লায়েন্স চট্টগ্রাম বন্দরের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখার জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। আন্তর্জাতিক মহলে নিরাপদ হিসেবে আখ্যায়িত করার জন্য আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জামাদি চট্টগ্রাম বন্দরে স্থাপন করা হচ্ছে। এছাড়া মোংলা, পায়রা এবং অন্যান্য স্থল বন্দর ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে। সেখানেও স্ক্যানার বসানো হবে।”

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের গৃহীত ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা বহরে যুক্ত হয়েছে রপ্তানিমুখী কন্টেইনার স্ক্যানার। এটি রপ্তানি পণ্যের জাহাজীকরণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে, বন্দরের কন্টেইনার জট হ্রাস করবে, বৈধ বাণিজ্য সহজতর করবে, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের রপ্তানি নিবৃত্ত করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বন্দর নিরাপত্তা সংস্থা এবং রপ্তানি সহযোগী দেশের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ও কার্যকর ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালনে সহায়তা করবে।”

    চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম সোহায়েল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল, প্রকল্প পরিচালক ও চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তফা আরিফুর রহমান খান।

    জাান গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার অভ্যন্তরে ৪ নম্বর ও সিপিএআর গেট সংলগ্ন এলাকায় এ স্ক্যানার দুইটি স্থাপন করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ২টি রপ্তানিমুখী গেটে ২টি কন্টেইনার স্ক্যানার, ২ সেট রেডিও একটিভ পোর্টাল মনিটর, স্ক্যান্ড ইমেজ মনিটরিং সেন্টার, রিয়েল টাইম সিসিটিভি ও ইমেজ মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে কার্গো রপ্তানির ক্ষেত্রে কার্যকর প্রয়োগ ও স্বেচ্ছা পরিপালনের মাধ্যমে বিদ্যমান কার্গো পরীক্ষা পদ্ধতিতে প্রচলিত ব্যক্তি কর্তৃক হস্তক্ষেপ প্রতিহত করা সম্ভব হবে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, বাণিজ্যিক ব্যয় হ্রাস করাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত মনিটরিং ব্যবস্থা চালু হবে। বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    স্ক্যানার দুটি স্থাপনের ব্যয় হয়েছে ৮৬ কোটি টাকা। প্রতিটি স্ক্যানার দিয়ে ঘণ্টায় ১৫০টি কন্টেইনার স্ক্যান করা যাবে। এগুলো অপারেশনাল কার্যক্রমে ভূমিকা রাখবে। পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল ইতোমধ্যেই চালু করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতের গ্রিন পোর্ট বে টার্মিনালের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এটি চালু হলে ১২ মিটার গভীরতা ও ৬ হাজার কন্টেইনার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ২৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজ অতিসহজেই বার্থিং করতে পারবে। ফলে সময় ও আর্থিক সাশ্রয় হবে এবং জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইমও কমে আসবে।

  • পাকিস্তানের পার্লামেন্টে বিরোধী দলের আসনে বসছে পিটিআই

    পাকিস্তানের পার্লামেন্টে বিরোধী দলের আসনে বসছে পিটিআই

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে কেউ ১৩৩ টি আসনে জয়লাভ করতে পারেনি। এদিকে পিএমএলএন জয়ী হয়েছে মোট ৭৯টি আসনে এবং ৫৪টি আসন পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে পেয়েছে পিপিপি। এই দুই দল মিলে সরকার গঠন করে। তাই ১৬ তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসনে জয়ী রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) পার্লামেন্টে বিরোধী দলের আসনে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবার দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ও মুখপাত্র ব্যারিস্টার মুহম্মদ আলী খান আসিফ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

    এই দিন রাজধানী ইসলামাবাদে অপর রাজনৈতিক দল কওমি ওয়াতান পার্টির সঙ্গে বৈঠক শেষে ব্যারিস্টার আসিফ বলেন, ‘রাজনীতিবিদরা ক্ষমতালোভী— এমন অভিযোগ অনেকেই করেন। এবারের নির্বাচনে আমরা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (কেন্দ্রীয় পার্লামেন্ট) ও পাঞ্জাব আইনসভায় যত আসন পেয়েছি, তাতে চাইলে আমরা কেন্দ্রে সরকার গঠন করতে পারতাম।’

    তিনি আরও জানান, পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খান বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মেনেই শুক্রবার কওমি ওয়াতান পার্টির সঙ্গে বৈঠক করেছে পিটিআই।

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় পার্লামেন্ট ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির মোট আসন ২৬৬টি। এসব আসনের একটি ব্যতীত বাকি ২৬৫টি আসনে নির্বাচন হয়েছে গত ৮ ফেব্রুয়ারি। এটি ছিলো পাকিস্তানের ১৬তম পার্লামেন্ট নির্বাচন।

    সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী, পাকিস্তানে কোনো দল বা জোট যদি সরকার গঠন করতে চায়— তাহলে সেই দল বা জোটকে অবশ্যই ১৩৩টি আসনে জয়ী হতে হবে। তবে ৮ তারিখের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, পিটিআই, পাকিস্তান মুসলিম লীগ-এন (পিএমএলএন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)— দেশটির প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে পিটিআই। মোট ৯২টি আসনে জয়ী হয়েছেন পিটিআই প্রার্থীরা।

    দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা পিএমএলএন জয়ী হয়েছে মোট ৭৯টি আসনে এবং ৫৪টি আসন পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পিপিপি। অর্থাৎ সরকার গঠনের জন্য ন্যুনতম যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, তা পায়নি কোনো দলই।

    ফলে এক অনিশ্চয়তা দেখা দেয় পাকিস্তানের রাজনীতিতে। এই সংকট কাটানোর সবচেয়ে উপযুক্ত সমাধান ছিল যে কোনো দু’টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জোট সরকার গঠন করা, কিন্তু কোন দুই দল জোট গঠন করবে— তা নিয়ে গত ৯ দিন ধরে পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ব্যাপক নাটকীয়তা পরিলক্ষিত হয়েছে। এমনকি এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে নেবে— এমন গুঞ্জনও শুরু হয়েছিল। কিন্তু ইরান খানের দল পিটিআইয়ের পার্লামেন্টে বিরোধী দল হওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যত সেই অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়ার প্রথম ধাপ। তার পরেও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যদি পিএমএলএন ও পিপিপি’র জোট কোন কারণে ভেঙ্গে যায় তাহলে আবার একটি রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দিবে।

  • পুরো রমজান মাস স্কুল বন্ধ রাখার দাবি সচেতন অভিভাবক মহলের

    পুরো রমজান মাস স্কুল বন্ধ রাখার দাবি সচেতন অভিভাবক মহলের

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: সরকার ঘোষিত স্কুলের বার্ষিক ছুটির তালিকায় পরিবর্তন এনে রমজাকের প্রথম দুই সপ্তাহ স্কুল খেলা রাখার সিদ্ধোন্তেরে প্রতিবাদ জানিয়েছে সচেতন অভিভাবক মহল। অভিভাবকরা চায় পুরো রমজান মাসই স্কুল বন্ধ রাখার হোক।

    আজ শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)  সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‌’সচেতন অভিভাবক মহল’ এই ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

    অভিভাবকরা জানিয়েছেন, বছরের শুরুতে স্কুল ছুটির তালিকায় পুরো রমজান মাসকে ছুটি আওতায় রাখা হয়েছিল। বিষয়টিতে আমরা খুবই আশ্বস্ত হয়েছিলাম যে, আমাদের সন্তানরা রমজান মাসে ঠিক মতো সিয়াম সাধনা করতে পারবে। কিন্তু কিছুদিন আগে, হঠাৎ করে ছুটি বাতিল করে বলা হলো, রমজানে স্কুল খোলা থাকবে। সিয়াম সাধনার মাসে এ ধরনের সিদ্ধান্ত অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মারাত্মক হতাশ করেছে।

    মানববন্ধনে অভিভাবকরা বলেন, “ আমার সন্তানকে ছোট বেলা থেকেই রোজা রাখতে উৎসাহিত করি। কারণ রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষের মাঝে নৈতিক গুণাবলি তৈরি হয়। বর্তমান ডিজিটাল যুগে সন্তানদের চরিত্র গঠন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ সময় সন্তানদের নৈতিকতা চর্চার সুযোগ করে দেওয়া খুব দরকার। তাই সন্তাদের নৈতিকতা চর্চার বিষয়টি প্রভাবিত করতে রমজানে স্কুল বন্ধ রাখা উচিৎ। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা চর্চায় বাধা দেওয়া অসুস্থ প্রজন্ম তৈরির মূল কারণ। “

  • বিএনপিকে আন্দোলন নয় পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপিকে আন্দোলন নয় পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: বিএনপিকে আন্দোলন নয় পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব জেল থেকে বের হয়ে আবার দিবাস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়েছেন। পরবর্তী আন্দোলনের কথা না ভেবে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন।

    আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে আন্দোলনের বস্তুগত পরিস্থিতি খুঁজে পাওয়া যায় না। জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশে ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনের যে ইস্যু খুঁজে পাওয়া যায় না, বিএনপির সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া উচিত।”

    জার্মানিতে নিরাপত্তা সম্মেলনে বাংলাদেশের উপস্থিতির বিষয়ে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জন্য বিরাট সম্মান বয়ে এনেছেন। আজকে গণতান্ত্রিক বিশ্ব বাংলাদেশের গুরুত্ব নিঃসঙ্কোচে মেনে নিয়েছে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থানটা আমাদের শত্রুতার জন্য অনেকের উর্বর ক্ষেত্র। বঙ্গোপসাগর, সেন্টমার্টিনের প্রতি লোভাতুর দৃষ্টি অনেকে বাজপাখির রয়েছে। তবে শেখ হাসিনার সরকার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি সাফল্যের দিকে নিয়ে গেছেন।”

    তিনি আরও বলেন, “মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন শাখার সম্মেলন, সহযোগী সংগঠনের প্রত্যেকের অসমাপ্ত সম্মেলন, কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় বিলম্বসহ সাংগঠনিক সমস্যার সমাধান করা জরুরি। বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্তরা সব শাখাগুলোকে ঢাকায় ডেকে বসতে পারেন। সমস্যা ও বিরোধ থাকলে তা সমাধানে অনতিবিলম্বে কাজ শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।”

    যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডাক্তার মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।

  • রমজানে কোন পণ্যের সংকট হবে না: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    রমজানে কোন পণ্যের সংকট হবে না: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

     www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: রমজানে কোন পণ্যের সংকট হবে না, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।তিনি বলেন “আগামী রমজানে কোনো পণ্যের সংকট হবে না। এর মধ্যে মন্ত্রীর নির্দেশে চারটি পণ্যের আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।এ সপ্তাহেই আমদানিকারক ও প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে বসে তেলের দাম ঠিক করে দেওয়া হবে৷ সেই সঙ্গে খেজুরের শুল্কও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

    আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ভারত আমাদের কাছে পেঁয়াজ ও চিনি রপ্তানি করতে রাজি হয়েছে৷ ভারতসহ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশ থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে কাজ করব। খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, চালের কোনো সংকট নেই৷ আমাদের প্রায় ১৭ লাখ টনের বেশি চাল মজুদ রয়েছে। কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, আমনের আবাদ ভালো হয়েছে।”

    তনি আরও বলেন, “খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা আমাকে বলেছেন, আগে বিভিন্ন জাহাজ আসত, তখন তাদের পণ্যটি সরাসরি তারা সারা বাংলাদেশে সরবরাহ করতে পারতেন৷ কিন্ত এখন যারা জাহাজের মালিক, তারাই মিলের মালিক, তারাই সরবরাহকারী৷ জাহাজ ও মিলের মালিক দুই-চারজন আছেন৷ তারা যেন এককভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ না করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করবে তারা। খাতুনগঞ্জ, মৌলভীবাজার, বাদামতলীসহ হোলসেল মার্কেটগুলোতে তারাও (সাধারণ ব্যবসায়ী) যেন পণ্য আমদানি করে সরবরাহ ঠিক রাখতে পারেন, সে ব্যবস্থা করব৷ দুই, চার, ১০টা কোম্পানির কাছে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা যেন জিম্মি হয়ে না থাকে৷ আমাদের টিসিবি একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে।”

    দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল হকের সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় আর বক্তব্য দেন সহ-সভাপতি এস প্রতাপ মুকুল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল ইসলাম মারুফসহ অনেকে।

  • দুর্নীতি কমানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    দুর্নীতি কমানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: দুর্নীতি কমানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “ম্যাক্রো লেভেলে যে ধরনের দুর্নীতি হয় সেটা খুবই খারাপ। দুর্নীতির জন্য আমি নিজেও অনেক কাজ করতে পারি না। দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি সুখি হতে পারে না। বর্তমানে যে মাত্রার দুর্নীতি হচ্ছে তা কমানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। দুর্নীতি প্রতিরোধে সবাইকে শপথ গ্রহণ করতে হবে। তবে আগে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ সামাজিক সুরক্ষা খাতের সুবিধাভোগী নির্বাচনে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অনিয়মের যে অভিযোগ ছিল তা এখন অনেক কমে এসেছে।”

    মন্ত্রী আজ তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত “স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মান সম্ভব” শীর্ষক এক পাবলিক পার্লামেন্ট বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    মো. তাজুল ইসলাম এ সময় স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা এবং তাদের কাজের মূল্যায়নের উপরও জোর দেন। তিনি বলেন, “ঢালাওভাবে জনপ্রতিনিধিদের খারাপ বলা উচিত নয় তেমনি অনেক জনপ্রতিনিধি নানা ধরনের ভালো কাজ করছেন তাদের সে ভালো কাজের মূল্যায়নও সমাজে প্রয়োজন। শিক্ষিত তরুণ সমাজের রাজনীতিতে আসার প্রয়োজন রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, তা না হলে অযোগ্য লোক সমাজকে নেতৃত্ব দিবে।”

    আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় নানা ধরনের দুর্নীতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সাধারণত দুর্নীতি বলতে আমরা আর্থিক দুর্নীতিটাকেই বেশি বুঝে থাকি কিন্তু নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করাও অনেক বড় দুর্নীতি। স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি করতে গেলে স্মার্ট জনপ্রতিনিধি এবং স্মার্ট জনগণ দুটোই লাগবে। জনপ্রতিনিধি ও জনগণ তাদের নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই দুর্নীতিমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি করা সম্ভব।”

    মন্ত্রী উন্নত বিশ্বের উদাহরণ দিয়ে বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার ও স্থানীয় সরকার কেউ কারো প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। আইন দ্বারা এই দুই ব্যবস্থার কাজের পরিধি সুনির্দিষ্ট ভাবে ভাগ করা রয়েছে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে স্থানীয় সরকার তাদের নিজেদের কাজ সঠিকভাবে করছে কিনা, তাদের রাজস্ব আয়ের নানা ধরনের উপায় সৃষ্টি করতে পারছে কিনা এবং স্থানীয় মানুষকে তাদের সমস্যার অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধানের দিকে নিয়ে যেতে পারছে কিনা। স্থানীয় সরকার কিংবা কেন্দ্রীয় সরকার সবাই মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করবে।”

    দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোন সমস্যা নেই। দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচন করার সুযোগ পাবে। তবে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘাত ও সংঘর্ষ তৈরি হতে পারে।”

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ সময় অবকাঠামো রাতারাতি তৈরি করা সম্ভব হলেও মানুষের চিন্তা চেতনার জগতে রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয় উল্লেখ করে বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের চিন্তা-ভাবনাও স্মার্ট হতে হবে।

    স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণে এই ছায়া সংসদে সরকারি দল হিসেবে বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি ও বিরোধী দল হিসেবে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করেন।

    সূত্র: বাসস