Category: লিড নিউজ

  • রাজধানীর বাংলামোটরে শব্দ দূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি

    রাজধানীর বাংলামোটরে শব্দ দূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ৪ মার্চ, ২০২৪: শব্দ এমন এক শক্তি যা মানুষের শরিরে সরাসরি আঘাত করে ফলে, শব্দদুষণ আমাদেরকে নানা ধরণের স্বাস্থ্যগত ঝুকিতে ফেলে। আর রাজধানী ঢাকা যেহেতু যানজট সব সময় লেগে থাকে তাই এখানে শব্দদূষণ সবচেয়ে বেশি। তবে ঢাকায় এলাকা ভেদে শব্দের দূষণের মাত্রা বিভিন্ন ধরনের।

    রাজধানীতে দিনে সবচেয়ে বেশি শব্দদূষণ হয় বাংলামোটরে এবং রাতে সবচেয়ে বেশি লালবাগে। বাংলামোটর এলাকায় দিবাকালীন (সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা) সবচেয়ে বেশি শব্দ থাকে।

    এই সময়ে এই এলাকায় শব্দের মাত্রা ১০৩.৮ ডেসিবেল। অন্যদিকে রাত্রিকালীন (রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা) সময়ে শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি লালবাগে, যা ১০১.৫ ডেসিবেল।

    আজ সোমবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে ‘ঢাকা মহানগরীতে শব্দদূষণের বর্তমান চিত্র ও করণীয়’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য তুলে ধরেন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন আন্দোলনের (পরিজা) সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান।

    তিনি জানান, গত দুই মাসে ঢাকা মহানগরীর ৪৫টি এলাকায় দিবা ও রাত্রীকালীন শব্দের মাত্রা পরিমাপ করা হয়েছে। জরিপকৃত এলাকাগুলোকে নীরব, আবাসিক, মিশ্র ও বাণিজ্যিক এলাকায় ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।

    জরিপের ফল তুলে ধরে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক ও পরিজা’র সভাপতি আবদুস সোবহান বলেন, নীরব এলাকায় দিবাকালীন শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি সচিবালয় এলাকায়, যা ১০১.৭ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি ধানমন্ডি ল্যাবএইড এলাকায়, যা ১০১.৫ ডেসিবেল। মিশ্র এলাকায় দিবাকালীন শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি বাংলামোটরে, যা ১০৩.৮ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি লালবাগ সেকশনে, যা ১০১.৫ ডেসিবেল।

    তিনি আরও জানান, নীরব এলাকায় দিবাকালীন শব্দের মাত্রা ৮৪.৫ থেকে ১০১.৭ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন ৯৬.৪ থেকে ১০১.৫ ডেসিবেল। আবাসিক এলাকায় দিবাকালীন ৮২.০ থেকে ৯১.০ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন ৮৩.০ থেকে ৯১.৬ ডেসিবেল। মিশ্র এলাকায় দিবাকালীন ৯১.০ থেকে ১০১.৫ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন ৮৯.০ থেকে ১০৩.৮ ডেসিবেল। বাণিজ্যিক এলাকায় দিবাকালীন শব্দের মাত্রা ৯২.০ থেকে ৯৭.০ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন ৯১.০ থেকে ৯৯.০ ডেসিবেল।

    আবদুস সোবহান বলেন, বাংলামোটরে শব্দের মাত্রা ১০৩.৮ ডেসিবেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শব্দের মাত্রা ৮৬.০০ থেকে ৯৪.০০ ডেসিবেল। সচিবালয় এলাকায় শব্দের মাত্রা ৯৬.০০ থেকে ১০১.৭ ডেসিবেল।

    সভায় জনস্বাস্থ্য বিষেষজ্ঞ ও ডাকসুর সাবেক জিএস ডা. মোশতাক হোসেন বলেন, শব্দ সরাসরি স্বাস্থ্যকে আঘাত করছে। এটা আমাদের বোধশক্তি নষ্ট করে দিচ্ছে। শব্দের মাত্রা যদি অনেক বেশি হয়, তাহলে শুধু শ্রবণের ক্ষতি না, উচ্চরক্তচাপ থেকে শুরু করে হৃদরোগের ঝুঁকি পর্যন্ত তৈরি হতে পারে। মানুষ বা যেকোন প্রাণী যখন ক্রমাগত স্ট্রেসে থাকে তখন তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

    রাজধানী ঢাকা বর্তমানে বাসযোগ্য অযোগ্য নগরে পরিণত হয়েছে জানিয়ে নগর গবেষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই নগর কেন এতটা অবসবাসযোগ্য আমার বোধগম্য হয় না। মিরপুরে রাত ২-৩টা পর্যন্ত ট্রাক থেকে অবকাঠামো নির্মাণসামগ্রী রাস্তায় প্রচণ্ড শব্দে ফেলা হয়।

    পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন আন্দোলনের (পরিজা) সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বলের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি ক্যামেলিয়া চৌধুরী, আমির হাসান প্রমুখ।

     

    রাজধানীতে শব্দদূষণের উৎসসমূহ:

    যানবাহনের জোরালো হর্ণ ও ইঞ্জিনের শব্দ, যানবাহন চলাচলের শব্দ, রেলগাড়ী চলাচলের শব্দ, বিভিন্ন নির্মাণ কাজের শব্দ, মেশিনে ইট ও পাথর ভাঙ্গার শব্দ, ইমারত ভাঙ্গার শব্দ, কলকারখানার যন্ত্রপাতির শব্দ, গ্রীলের দোকানে হাতুড়ী পেটানোর শব্দ, জেনারেটরের শব্দ, লাউড স্পিকারের শব্দ, অডিও ক্যাসেটের দোকানে উচ্চ শব্দে গান বাজানোর শব্দ, উড়োজাহাজের শব্দ, ডিজে গান বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে । শহর এলাকায় শব্দ দূষণের প্রকোপ গ্রামাঞ্চলের চেয়ে অনেক বেশী। ঘরের বাহিরে, রাস্তায় বা কর্মস্থলেই নয়, ঘরে ব্যবহৃত আধুনিক যন্ত্রপাতি যেমন ভ্যকুয়াম ক্লিনার, ফুড ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার, পাখা থেকেও বিরক্তিকর শব্দ বের হয় ।

  • আমাদের সবগুলো সূচকই-তো বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

    আমাদের সবগুলো সূচকই-তো বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ মার্চ, ২০২৪: আমাদের সবগুলো সূচকই-তো বাড়ছে, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা আজ সর্বোচ্চ স্থানে এসে দাঁড়িয়েছি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। আমাদের যে সূচকগুলো আছে উন্নয়নের, সেগুলো বাড়ছে। ফেব্রুয়ারি মাসের রেমিট্যান্স ২১৬ মিলিয়ন ডলার। আমাদের সবগুলো সূচকই-তো বাড়ছে। কাজেই আমদের এখানে অনিশ্চয়তার কিছু নেই, হতাশারও কিছু নেই। এগুলো নিয়ে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। এটা চলছেই, যে কিছু হয়নি। যেমন বিএনপির যিনি মহাসচিব, তিনি তার জায়গা থেকে বলেছেন যে তিনি কোনো উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছেন না। ওরা তো এসব কথাই বলে “

    আজ সোমবার (৪ মার্চ) দুপুর সোয়া ১২টায় ওসমানী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির যিনি প্রধানমন্ত্রী (সাবেক) ছিলেন বেগম জিয়া, তিনি বলেছেন এ ব্রিজ (পদ্মা সেতু) ভেঙে পড়বে। এসব কথাবার্তা সিরিয়াস কোনো কিউরিসিজম না। এটা কীভাবে বলেন, উনি সিরিয়াসলি বলেছেন, এ ব্রিজ আওয়ামী লীগ বানিয়েছে, এটা ভেঙে পড়তে পারে। কাজেই আপনারা উঠবেন না পদ্মা সেতুতে। এগুলো থেকে সত্যিকার যেটা আসল চিত্র, সেটি তুলে ধরার জন্য ডিসিদের আহ্বান করা হয়েছ। তাহলেই মানুষ বুঝতে পারবে কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ উন্নয়নের ধারায় এসে দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ স্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। আজ শেখ হাসিনার যে ডেল্টা প্ল্যান ২১০০, সেটি ধরে বাংলাদেশ এগুচ্ছে। বাংলাদেশের যে অব্যাহত উন্নতি মানুষের মধ্যে যে আশার সঞ্চার হয়েছে সেটি আপনি রাস্তায় ঘুরলেই দেখতে পাবেন। মেট্রোরেলে চড়লেই বুঝতে পারবেন মানুষ কতটা খুশি হয়েছে, আশ্বস্ত হয়েছে। নারীরা কীভাবে একা চলতে পারেন মেট্রোতে, তারা সন্তুষ্ট।”

    মূল্যস্ফীতির ব্যাপারে ডিসিদের কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, “খালি ইনফ্লেশনটাই কনসার্ন হয়ে গেলো! আর কিছু না? এক কোটি লোককে কার্ড দেওয়া হয়েছে, তারা সস্তা দামে পাচ্ছে।”

    আয়কর আদায়ে ডিসিদের নির্দেশনা দিয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, “হ্যাঁ দিয়েছি। তারা সহায়তা করবেন। তারা যেটা করছেন সেটা করবেন। আরও ভালো করে করবেন, মন দিয়ে করবেন।”

  • মুকেশ আম্বানীর ছেলের বিয়েতে নাচলেন সালমান, শাহরুখ এবং আমির

    মুকেশ আম্বানীর ছেলের বিয়েতে নাচলেন সালমান, শাহরুখ এবং আমির

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৪ মার্চ, ২০২৪: রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি ভারতের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।  তার নিট সম্পদের পরিমাণ ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি রুপি। ভারতীয় এই ধনকুবের কনিষ্ঠ ছেলে অনন্ত আম্বানীর বিয়েতে জাঁকজমকের পাশাপাশি ঘটেছিলো তারকা সামবেশ।  ১ মার্চ থেকে গুজরাতের জামনগরে শুরু হয়েছে অনুষ্ঠান। দেশ-বিদেশের তারকা থেকে শুরু করে বিশ্বের নামী শিল্পপতি সবাই আছেন অতিথি তালিকায়! মার্ক জাকারবার্গ থেকে ইভাঙ্কা ট্রাম্প, বিল গেটস থেকে পপ গায়িকা রিহানা উপস্থিত সেখানে। এ ছাড়াও, অম্বানীদের তিন দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে গোটা বলিউড। সেখানেই দেখা গেল সালমান, শাহরুখ ও আমির খানকে। তিন খান নেচে গেয়ে মাতিয়ে দিলেন উপস্থিত সবাইকে। তাছাড়া তিন খানকে এত ঘনিষ্ঠেভাবে দেখার সুযোগ করে দিলেন মুকেশ আম্বানি। এর আগে তিন খানকে একত্রে দেখা গেলেও অনন্তের বিয়েতে দেখা গেছে অন্তরঙ্গ ভাবে। যা আগে কখনও দেখা যায়নি।

    অনন্ত-রাধিকার প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠানে এক সূত্রে বাঁধা পড়ল হলিউড, বলিউড এবং দক্ষিণী সিনেমাজগৎ। অনুষ্ঠানে রাজমৌলির ‘আরআরআর’ ছবির ‘নাটু নাটু’ গানে নাচলেন শাহরুখ-সালমান-আমিরেরা। তিন জনের পরনেই ছিল আফগানি কুর্তা-পাজামা, গলায় রুপোলি উত্তরীয়। শাহরুখের ‘ছাইয়া ছাইয়া’, সালমানের ‘জিনে কি হ্যায় চার দিন’ আর আমিরের ‘মস্তি কি পাঠশালা’ গানের স্টেপেও মঞ্চ মাতান এই তিন সুপারস্টার। তিন জনের নাচের এই ভিডিয়ো এখন ভাইরাল সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে।

    অনুষ্ঠান শেষে মঞ্চে এসে শাহরুখ সকলের উদ্দেশে বলেন, “সৃষ্টিকর্তা সকলের মঙ্গল করুন।’’ তিনি আরও বলেন, “আপনারা নাচের পারফরম্যান্স দেখেছেন। ভাই, বোন, শ্বশুর, শাশুড়ি, নায়ক-নায়িকা সকলের নাচ দেখেছেন। তবে, এই এত কিছু বড়দের আশীর্বাদ ছাড়া সম্ভব হত না।”

    তার পরই অম্বানী পরিবারের তিন স্তম্ভের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন শাহরুখ। অভিনেতা বলেন, ‘‘এ বার আপনাদের সামনে পরিচয় করিয়ে দেব অম্বানী পরিবারের পাওয়ারপাফ মেয়েদের, পরিবারের তিন দেবী— সরস্বতী, লক্ষ্মী এবং পার্বতী। তাঁদের প্রার্থনা এবং আর্শীবাদ এই পরিবারটিকে ধরে রেখেছে।’’

    এর পর শাহরুখ মঞ্চে নিয়ে আসেন কোকিলাবেন অম্বানী, পূর্ণিমা দলাল, দেবযানী খিমজিকে। সাবই যেন শাহরুখের এই উপস্থাপনা খুভ উপভোগ করেছে। যেমন উপভোগ করেছিলো তিন খানের নাচের অনুষ্ঠান।

    সূত্র : আনন্দবাজার প্রত্রিকা 

  • বুরকিনা ফাসোর তিন গ্রামে হামলা চালিয়ে ১৭০ জনকে হত্যা

    বুরকিনা ফাসোর তিন গ্রামে হামলা চালিয়ে ১৭০ জনকে হত্যা

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৪ মার্চ, ২০২৪: বুরকিনা ফাসোর উত্তরাঞ্চলীয় তিন গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ১৭০ জনকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এক সপ্তাহ আগে এ হামলা হলেও গত রোববার (৩ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

    সহিংসতায় বিধ্বস্ত পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে হামলায় নিহতদের মধ্যে বহুসংখ্যক নারী ও শিশুও রয়েছে। দেশটির একজন পাবলিক প্রসিকিউটর একথা জানিয়েছেন। হামলার পেছনে কোন গোষ্ঠী জড়িত তা জানা যায়নি।

    কমসিলগা, নর্ডিন এবং সোরো নামে তিনটি গ্রামে হামলা হয়। হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে সাহায্য করার জন্য ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছেন প্রসিকিউটর অ্যালি বেঞ্জামিন কুলিবালি। আলাদাভাবে বুরকিনা ফাসোর সেনাবাহিনী ‘শহুরে কেন্দ্রগুলোতে আক্রমণসহ’ উগ্রপন্থিদের হামলার  মারাত্মক ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী ২০২২ সালে ক্ষমতা দখল করে।

    সম্প্রতি দেশটির একটি গির্জার পাশাপাশি একটি মসজিদ এবং সেনা ঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে শুক্রবার দেশটির সেনাপ্রধান জঙ্গিদের আত্মঘাতী হামলার ঝুঁকি বাড়ার কারণে সৈন্যদের সতর্ক থাকার জন্য বলেছিলেন। তিনি বলেন, শহরগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘বড় আকারের সিরিজের আক্রমণের শঙ্কা’ রয়েছে।

    মানবিক কর্মীরা বলছেন, বুরকিনা ফাসোতে যে সংকট চলছে তা বিশ্বের অন্যতম অবহেলিত সংকট। বছরের পর বছর ধরে ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতার কারণে ২০ লাখেরও বেশি লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত মানুষে পরিণত হতে বাধ্য হয়েছেন। জাতিসংঘের ধারণা, দেশটিতে পাঁচ বছরের কম বয়সী সকল শিশুর এক-চতুর্থাংশ ক্ষুধার কারণে বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

  • রমজানে মানুষ তাজা সবজি পাবে কৃষিপণ্যের বাজারে: কৃষিমন্ত্রী

    রমজানে মানুষ তাজা সবজি পাবে কৃষিপণ্যের বাজারে: কৃষিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ মার্চ, ২০২৪: রমজানে মানুষ তাজা সবজি পাবে কৃষিপণ্যের বাজারে, বলে জানিয়েছন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ। তিনি বলেন, রমজান মাসকে সামনে রেখে ঢাকা শহরে কৃষিপণ্যের বাজার খোলা হয়েছে, যাতে মানুষ তাজা সবজি পায়।

    আজ সোমবার (৪ মার্চ) সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশনে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্য অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী।

    জেলা প্রশাসকদের কী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “কৃষকের ব্যাপারে আমরা অত্যন্ত সজাগ। বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ। আমার জিডিপিও কৃষির ওপর অনেকটা নির্ভরশীল। যে সমস্ত বীজে অঙ্কুরোদগম হয় না, সেসব বীজ যিনি বা যারা বাজারে সরবরাহ করবেন, তার শাস্তি কী আমরা বলে দিয়েছি। চরম শাস্তি হবে। সেজন্য কোনো বীজ যদি অঙ্কুরোদগম না হয়, তাহলে তার শাস্তি পেতেই হবে। এ সব বিষয়ে আজকে ডিসিদের বলা হয়েছে। আমি মনে করি, আপনাদের (সাংবাদিক) যেসমস্ত জানার চাহিদা, আপনারা যেভাবে দেখছেন, এর বাইরে কোনো কিছুই করছি না।”

    তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে ঢাকা শহরে কৃষিপণ্যের বাজার খোলা হয়েছে। এই রমজান মাসকে সামনে রেখে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও অন্যান্য জায়গায় ঘর পেলেই আমরা দোকান খুলে দিচ্ছি। যাতে তাজা সবজি মানুষ নিতে পারে। এবং ন্যায্যমূল্যে ঠিক বলব না, প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে, কম দামে যাতে পাওয়া যায়। কারণ পার ক্যাপিটা ইনকাম বেড়েছে,….  ইকোনোমিক্সের ক্যাপাসিটি বেড়েছে। আমরা যেহেতু এই সমস্ত কিছু অর্জন করেছি, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে এগুলো হয়েছে। আমরা এলডিসিতে গিয়েছিলাম, সেখানেও দেখেছি, তারা বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে।”

    বাজারে দ্রব্যমূল্য কমানোর বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাছবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা আমাদের কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করে আসছি। বাংলাদেশে কোনো অনাবাদি জমি আমরা খালি রাখতে চাই না। যার জন্য ইতোমধ্যে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয় একজন কৃষি বিজ্ঞানীও। তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি নিজে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে অনাবাদি জমি যেখানে দেখে এসেছি, বলে এসেছি, এগুলো অনাবাদি রাখা যাবে না। পানি সেচের জন্য বিআরডিসির যে ব্যবস্থা আছে, সেটিকে আরও জোরদার করার পদক্ষেপ নিয়েছি। বিআরডিসির চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে সেসব এলাকা মনিটর করে কাজ করে যাচ্ছেন।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের দেশের মানুষকে বাঁচাবার জন্য বিশেষ করে খাদ্যে যাতে কোনো ধরনের ঝামেলা না হয়, সেজন্য কৃষিপণ্য যেটা উৎপাদন হয়, সেখানে ভেজাল জাতীয় কোনো পণ্য যাতে বাজারে না আসে, তার জন্য বিভিন্ন মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছি। আগেও ছিল, এখনো আছে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা যারা আছেন, বিভাগে যারা আছেন এবং ডিজি মহোদয় যারা আছেন, তারা তাদের কাজকে আরও শক্তিশালী করেছেন। আমি নিজেও একজন কৃষক। আমি নিজে কৃষিপণ্য উৎপাদন করতে উপভোগ করি।”

     

    কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রায় ৪ হাজার কৃষি পরিবার ইতোমধ্যে সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। আর বাকি যেগুলো পাইপলাইনে আছে, সেগুলো ডিসিরা বাস্তবায়ন করছেন। আমি আমার বক্তব্যে জেলা প্রশাসকদের বলেছি, আপনারা প্রত্যেক মাসে একটি সমন্বয় সভা করেন। সেই সমন্বয় সভায় বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে যেসব কর্মকর্তারা আছেন, তাদের পরামর্শ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। আমার মন্ত্রণালয়ে পাঠালে, সেখানে বিলম্বের কোনো অবকাশ নেই। আমাদের মন্ত্রণালয় খুবই সজাগ।”

  • রমজানে ভোক্তাদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    রমজানে ভোক্তাদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ মার্চ, ২০২৪: রমজানে ভোক্তাদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “বাজার পরিস্থিতিরি দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। রমজান আসলে কিছু ব্যবসায়ী মজুত করে দাম বাড়িয়ে মুনাফা নিতে চায়। কোথাও যাতে ভোক্তাদের হয়রানিতে পড়তে না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। বিদেশনির্ভর না হয়ে নিজেদের উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, সেটি খেয়াল রাখতে হবে। খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার বিষয়টিও দেখতে হবে। রোজা আসলে এটা বেড়ে যায়।”

    আজ রবিবার (৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হল থেকে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৪’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের ধারাবাহিকতা না থাকলে উন্নয়ন টেকসই হয় না তা প্রমাণিত। দেশের উন্নয়নে কাজ করি বলেই মানুষ সুফলতা পাচ্ছে। জনগণ এবার ভোট দিতে পেরেছে, যার কৃতিত্ব সব প্রশাসনের। ”

    তিনি বলেন, “এখন সবেচেয়ে বড় কিছু সমস্যা আছে। এখন কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত দেখি। পড়ালেখা করা ছেলে-মেয়েরা কেন এসবে জড়াবে? এটা সবার দেখতে হবে। অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে। (কিশোরদের) গ্রেপ্তার করে লাভ নেই। গ্রেপ্তার করলে অপরাধীদের সঙ্গে মিশে আরও খারাপ হয়ে যাবে। গোড়া থেকে সমস্যার সমাধান করতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং কোভিড অতিমারির প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়েছে। পৃথিবীতে এখন এমন এমন দেশ রয়েছে যেখানে মুদ্রাস্ফীতি ৪০ শতাংশে রয়েছে। বাংলাদেশও এর থেকে দূরে নয়; যদিও বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি এখনো ১০ শতাংশের নিচে আছে। কিন্তু তারপরেও এটা একটা সমস্যা রয়ে গেছে।”

    তিনি বলেন, “২০২৩ সালে আমরা জেলা প্রশাসকদের নিয়ে সম্মেলন করেছিলাম। সেখানে অনেকগুলো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। আমি সব জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানাই, নির্বাচনের আগে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, আপনারা সঠিকভাবে সেটি পালন করেছেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, “এবারই প্রথম আমরা আইন তৈরি করে আইনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছি। নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা করেছে। একইসঙ্গে কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসকরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে নির্বাচনকে সাফল্যমণ্ডিত করেছেন। ১৯৭৫ সালের পর থেকে যতগুলো নির্বাচন আমি দেখেছি; অনেক নির্বাচনে অংশগ্রহণও করেছি, কীভাবে জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে আমি দেখেছি। কিন্তু এবারের নির্বাচন সবচেয়ে সুষ্ঠু এবং অবাধ, নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রকৃতপক্ষে অনেকেই নির্বাচন চায়নি। অনেকেই চেয়েছে দেশে অনির্বাচিত অস্বাভাবিক পরিস্থিতি আবার সৃষ্টি হোক। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে দীর্ঘ ২১ বছর এদেশের মানুষ যে কষ্ট ভোগ করেছে, আবার ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত; আবার সেই পরিস্থিতি যেন আসে। তাদের কাছে নির্বাচনটা পছন্দ নাও হতে পারে। কারণ নির্বাচন তাদের মন মতো হয়নি। কিন্তু নির্বাচনে সাধারণ মানুষ একদম গ্রাম পর্যায়ের মহিলা এবং তরুণ ভোটারদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি ছিল। তারা যে সঠিকভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পেরেছে এর সব কৃতিত্ব আপনাদেরই (ডিসি)।”

    সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। আরও বক্তব্য রাখেন- জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম, গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান।

  • আবাসিক স্থাপনায় রেস্টুরেন্ট বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    আবাসিক স্থাপনায় রেস্টুরেন্ট বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ মার্চ, ২০২৪: গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রিটে সরকারের গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আদালতে দাখিল করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

    আজ রবিবার (৩ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসরাত জাহান জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

    বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির অনুমতি নেওয়া হয়েছে।

    এদিকে রাজধানীর বেইলি রোডসহ সব আবাসিক স্থাপনায় রেস্টুরেন্ট বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একইসঙ্গে রিটে বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে প্রকৃত দায়ীদের গ্রেপ্তার ও আহত, নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

    এদিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

    গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

    বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

    জানা গেছে, ভবনের প্রথম তলায় ‘চায়ের চুমুক’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট ছিল। সেখান থেকেই ২৯ ফেব্রুয়ারি আগুনের সূত্রপাত। যা পরে পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র এক মাস আগে ভবনটির নিচ তলায় এ রেস্টুরেন্টটি যাত্রা শুরু করে। 

  • নতুন প্রতিমন্ত্রী পেয়েছি কাজের গতি বাড়বে: অর্থমন্ত্রী

    নতুন প্রতিমন্ত্রী পেয়েছি কাজের গতি বাড়বে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩ মার্চ, ২০২৪: নতুন প্রতিমন্ত্রী পেয়েছি কাজের গতি বাড়বে, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী । তিনি বলেন “নতুন একজন প্রতিমন্ত্রী পেয়ে ভালো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি আরও বাড়বে।”

    আজ রবিবার (৩ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাজারে জিনিসপত্রের দাম কমে আসছে, এটা আরও কমবে। ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসছে ভারত থেকে, এগুলো আসলে দাম আরও কমে যাবে।”

    অর্থনীতি কি ভালো অবস্থায় আছে, মানুষ কি ভালো আছে? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “দেশের মানুষকে জিজ্ঞেস করেন। আমি তো মনে করি ভালো আছে।”

    এসময় নতুন অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা বলেন, “অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আজকে আমি প্রথম আসলাম। স্বাধীনতার মাসে এই যে পবিত্র দায়িত্ব পালন করতে পারছি, এটা আমার জন্য অনেক গর্বের বিষয়। আর সৌভাগ্যের বিষয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেশ অনেক বছর ধরে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে আমাকে সুযোগ দিয়েছেন। সেটার পরে এখন এই দায়িত্ব। সব দায়িত্বই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থ মন্ত্রণালয় কাজ করার বিষয়টি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সবকিছুর সঙ্গেই অর্থ মন্ত্রণালয় জড়িত। সারা বিশ্বের সব কিছুর সঙ্গে অর্থ জড়িত।”

  • ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এখন ১৪৮২ টাকা

    ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এখন ১৪৮২ টাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩ মার্চ, ২০২৪: আবার বেড়েছে গ্যাসের দাম। ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এখন ১ হাজার ৪৮২ টাকা। আগে এর দাম ছিলো ১ হাজার ৪৭৪ টাকা।

    আজ রবিবার (৩ মার্চ) বিকেল ৩টায় এলপিজির নতুন এ দর ঘোষণা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন এ দাম আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

    এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে বোতলজাত এলপিজির ৫.৫ কেজির দাম ৬৭৬ থেকে বেড়ে ৬৭৯ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি ১ হাজার ৫৩৬ থেকে বেড়ে ১ হাজার ৫৪৪ টাকা, ১৫ কেজি ১ হাজার ৮৪৩ থেকে বেড়ে ১ হাজার ৮৫৩ টাকা, ১৬ কেজি ১ হাজার ৯৬৬ থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৭৬, ১৮ কেজি ২ হাজার ২১১ থেকে বেড়ে ২ হাজার ২২৩ টাকা, ২০ কেজি ২ হাজার ৪৫৭ থেকে বেড়ে ২ হাজার ৪৭০ টাকা, ২২ কেজি ২ হাজার ৭০৩ থেকে বেড়ে ২ হাজার ৭১৭ টাকা, ২৫ কেজি ৩ হাজার ৭২ থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৮৮ টাকা, ৩০ কেজি ৩ হাজার ৬৮৬ থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৭০৬ টাকা, ৩৩ কেজি ৪ হাজার ৫৪ থেকে বেড়ে ৪ হাজার ৭৬ টাকা, ৩৫ কেজি ৪ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ৪ হাজার ৩২৩ ও ৪৫ কেজির এলপিজির দাম ৫ হাজার ৫২৯ থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৫৫৮ টাকা হয়েছে।

    বিইআরসির ঘোষণায় বলা হয়, রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১৯ দশমিক ৬৯ টাকায় এবং গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি লিটার ০.২৬৬০ টাকায় বা প্রতি ঘনমিটার ২৬৬ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ মূল্য প্রতি লিটার ৬৮ দশমিক শূন্য ৫ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে।

    বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন বলেন, ডলারের দাম না বাড়লেও জাহাজ ভাড়া বাড়ার কারণে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে।

    গত ফেব্রুয়ারিতে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ৪১ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

  • তরুণদের মধ্যে অডিও বুক জনপ্রিয় হচ্ছে

    তরুণদের মধ্যে অডিও বুক জনপ্রিয় হচ্ছে

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ৩ মার্চ, ২০২৪: বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সৃজনশীলতার জন্ম নেয়। শুধু সৃজন নয় মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ তৈরি করে। আমাদের জ্ঞানকে প্রসারিত করে। সমাজে ভালো মন্দ সম্পর্কে জানতে শেখায়। যে যত বই পড়ে তার মধ্যে সামাজিক বন্ধনের বিষয়টি প্রখর হয়। যে যত বই পড়ে সে ততই পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে সাফল্য লাভ করে। পৃথিবীর মধ্যে বই এমন একটি সম্পদ যার সঙ্গে অন্য কোনো পার্থিব সম্পদের তুলনা হয় না। একদিন হয়তো পৃথিবীতে বিদ্যমান সবকিছু বিনষ্ট হয়ে যাবে; কিন্তু একটি ভালো বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞানের আয়ু কখনোই ফুরাবে না।

    তবে একসময় লাইব্রেরি চর্চার মাধ্যমে বই পড়া এবং বন্ধুদের কাছ থেকে বই নিয়ে পড়ার যে প্রবণতা তা সামাজিক বন্ধনকে দৃড় করতো। নিজেদের মধ্যে দায়িত্ববোধের জন্ম নিতো। কিন্তু আধুনিক জীবনযাত্রায় কাগজের বইর গুরুত্ব কমে যাচ্ছে এবং সেই জায়গা দখন করছে  প্রযুক্তিনির্ভর অডিওবুক বা ই-বুক।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন থাকায় মানুষের হাতে ধৈর্য ধরে বই পড়ার সময় খুবই কম। এছাড়া, ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে মনোযোগ ধরে রাখাটাও বেশ কঠিন।

    যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০২১ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, গবেষণায় অংশ নেয়া প্রায় ৪০ শতাংশ আমেরিকান তরুণ গত এক বছর, অর্থাৎ ২০২০ সালে কোনও বই পড়েননি। এর আগে ২০১৪ সালে পিউ রিসার্চ সেন্টার ছয় হাজার মানুষের ওপর গবেষণা করেছিলো। সেখানেও উঠে এসেছিলো যে ৩০ বছরের নীচে যাদের বয়স, তাদের ৮৮ শতাংশ তরুণ বছরে মাত্র একটি বই পড়েছে। তবে তরুণদের মাঝে যারা সত্যিকারের বইপ্রেমী, তারা অবশ্য এখনও বই পড়ছেন। পার্থক্য হলো, তাদের অনেকেই এখন ধীরে ধীরে বইয়ের ডিজিটাল ভার্শনের দিকে ঝুঁকছেন।

     

    অডিওবুক জনপ্রিয়তার কারণ:

    অডিওবুক হলো এমন বই, যা শোনা যায়। আগে যেমন মানুষ টেপ বা সিডিতে গান শুনতো, এটা ঠিক তেমনই। এই অডিওবুকের ধারণা বাংলাদেশে কিছুটা নতুন মনে হলেও সারাবিশ্বের প্রেক্ষাপটে বেশ পুরনোই। তবে বাংলাদেশের পাঠকরাও এখন অডিওবুকের সাথে পরিচিত হচ্ছে এবং তারা এটিকে গ্রহণও করছে। অডিওবুক শোনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটা শুনতে শুনতে অন্য কাজ করা যায়। যেমন, একজন পাঠক কোনও দীর্ঘ ভ্রমণে যাচ্ছেন; যাত্রাপথে সে তার হেডফোনে অডিওবুক শুনতে পারেন। আবার, ঘরের কোনও কাজ করার সময় প্লেয়ারে অডিওবুক ছেড়ে দিয়ে নির্বিঘ্নে দুই কাজ একসাথে করা যায়। এছাড়া, যাদের দীর্ঘক্ষণ বইয়ের পাতার দিকে তাকিয়ে থাকতে সমস্যা হয়, তাদের জন্য অডিওবুক আশীর্বাদস্বরূপ।

    বাংলাদেশের বইমেলায় গত দুই বছর ধরে অডিওবুকের স্টল থাকলেও এবারই প্রথম একসাথে চারটি অডিওবুকের স্টল দেয়া হয়েছে। সেগুলো হলো: কাহিনীক, কাব্যিক, শুনবই ও বইঘর।

    অডিওবুকের এমন উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তরুণদের পাশাপাশি যারা বয়স্ক, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ এবং প্রবাসী বাঙালী, তারাও অডিওবুকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।

     

    অ্যাপে কতগুলো বই আছে:

    অডিওবুকের কথা এলেই ‘অডিবল’ এর নাম চলে আসে, এটি মার্কিন কোম্পানি অ্যামাজনের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। অ্যামাজন অডিবল অ্যাপে বা ওয়েবে অডিওবুকের পাশাপাশি পডকাস্টও শোনা যায়। তবে এটার জন্য পাঠককে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ সাবসক্রিপশন ফি দিতে হবে। বাংলাদেশে যে চারটি অডিওবুক প্রকাশনা তাদের যাত্রা শুরু করেছে, তাদেরও অ্যাপ আছে। একশো থেকে আড়াই হাজার পর্যন্ত বইয়ের সংগ্রহ আছে এসব অ্যাপে। কাহিনীকে অ্যাপে বর্তমানে ১১৬টি অডিওবই রয়েছে, বইঘরে আছে ২০০টি। এছাড়া, শুনবই এবং কাব্যিক অ্যাপে অডিওবইয়ের সংখ্যা আবার হাজারের বেশি।

    এসব প্রকাশনা জানিয়েছে, তারা আরও বইকে অডিওবইয়ে রূপান্তরের জন্য কাজ করছে এবং কোনও কোনও অ্যাপের পেইড ইউজার কয়েক হাজার পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। তবে যেগুলো কালজয়ী বই, অর্থাৎ যেসব বইকে অডিওবইয়ে রূপান্তর করার জন্য মেধাসত্ব লাগে না, এসব অ্যাপে সেসব বইয়ের সংখ্যাই এখনও বেশি। যেমন, রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস।

    যদিও প্রকাশকরা জানিয়েছেন যে তারা নতুন লেখকদের বইগুলোকেও অডিওবুকে রূপান্তরের চেষ্টা করছেন। তবে নতুন লেখকদের বইয়ের ক্ষেত্রে ঐ বইয়ের প্রকাশকদের সঙ্গে তাদেরকে চুক্তি করতে হয়।

     

    অডিওবুকে যিনি বই পাঠ করেন তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ:

    অডিওবুকের ক্ষেত্রে, যিনি গল্পটি পাঠ করেন, তার ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। একট ভালো স্টুডিও, টেকনিশিয়ান এবং ন্যারেটর; এই তিনের সমন্বয়ে শ্রুতিমধুর একটি অডিওবুক তৈরি করা সম্ভব। ন্যারেটর ভালো না হলে মানুষ গল্প শুনবে না।

    কিন্তু তবুও কোনও কোনও পাঠক গল্প অ্যাপগুলোতে পাওয়া বইয়ের গল্প বলার ধরণকে পছন্দ করছেন না।

    অনুভূতিশূন্য হয়ে গল্প পড়ে গেলে সেটা শুনতে ভালো লাগে না। অডিওবুককে পাঠকের কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার জন্য ন্যারেটরের কণ্ঠে প্রয়োজন অনুযায়ী, প্রেম, ভালোবাসা, হাসি, কান্না, ঠাট্টা-তামাশা, অভিমান ইত্যাদি সব ধরনের মানবীয় অনুভূতি উপস্থিত থাকতে হবে।

     

    কপিরাইট ইস্যুর ঝুকিতে পড়তে পারে:

    অডিওবুকের ক্ষেত্রে একটা প্রধান শঙ্কার জায়গা হলো বইয়ের ‘কপিরাইট ইস্যু’। কারণ বর্তমানে এমন কিছু নাই, যা পাইরেসি হচ্ছে না। গান থেকে শুরু করে সিনেমা, সবকিছুই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে। অনলাইনে অবৈধভাবে ছড়িয়ে পড়ার কারণেই বাংলাদেশে এখনও ই-বুক সেভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। বাংলাদেশের কপিরাইট আইন অনুযায়ী, লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর না হওয়া পর্যন্ত তার বই অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়ার অনুমতি নেই। কিন্তু বাস্তবে সেই আইন মানুষ মানছে না। অনলাইনে তাদের অনেক বইয়ের পিডিএফ পাওয়া যাচ্ছে।

    তবে অডিওবুকের ক্ষেত্রে বইয়ের পাইরেটেড কপি ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম বলে জানায় প্রকাশকরা।

     

    অডিওবুক টিকে থাকার নিশ্চয়তা কতটা:

    প্রকাশকরা বলছেন, মানুষ চিরাচরিতভাবেই গল্প শুনতে পছন্দ করে এবং অডিওবুকের ক্ষেত্রে কপিরাইটও ই-বুকের চাইতে অনেকটা নিরাপদ বলে বাংলাদেশি পাঠকদের কাছে অডিওবুক টিকে যাবে।

    এবারের বইমেলায় যেসব অডিওবুকের প্রকাশনা স্টল বরাদ্দ পেয়েছে, তাদের মাঝে শুধুমাত্র বইঘরেরই অডিওবুকের পাশাপাশি ই-বুক আছে। এর বাইরে ই-বুকের স্টল বলতে ছিলো শুধুমাত্র রকমরারি ডটকম।

    বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় যে অস্থিরতা তার থেকে মুক্তি লাভ হতে পারে বই পড়ার মাধ্যমে। বই মানুষকে বুদ্ধিদীপ্ত করে তুলে। তার মধ্যে দেশপ্রেম বাড়ায়। আর একজন দেশপ্রেমিক মানুষ সহজে দুর্নীতিগ্রস্ত হয় না। হতে পারে সেটা কাগজের বই কিংবা অডিও বুক।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা