Category: বাংলাদেশ

  • নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ গুরুত্ব দিচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ গুরুত্ব দিচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ গুরুত্ব দিচ্ছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।তিনি বলেন, “পরিচ্ছন্ন শক্তি আহরণ ও নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিশেষ জোর দিয়েছে।”

    আজ শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে তৃতীয় ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মিনিস্টেরিয়াল ফোরামে ‘সবুজ রূপান্তর-টেকসই ভবিষ্যতের জন্য অংশীদারত্ব’ শীর্ষক গোলটেবিলে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিবেশবান্ধব পাট এবং সবুজ হাইড্রোজেন ব্যবহার এগিয়ে নিতে এ সংক্রান্ত গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগ সহায়তার আহ্বান জানান ।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাহী ভাইস-প্রেসিডেন্ট মারোস শেফকোভিচ এবং পূর্ব তিমুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেন্দিতো ফ্রেইতাসের পরিচালনায় আলোচনায় ভিয়েতনাম ও স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বক্তারা অংশ নেন।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ এবং আফ্রিকার পূর্ব এবং দক্ষিণ উপকূল থেকে আরব উপদ্বীপ এবং এশিয়া হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো পর্যন্ত বিস্তৃত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের অর্ধশতাধিক দেশের এই ফোরামে প্রায় শতাধিক প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন।

  • আজ থেকে প্রথম পর্বের তিনদিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা শুরু

    আজ থেকে প্রথম পর্বের তিনদিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা শুরু

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: আজ থেকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ এবং ভাবগাম্ভীর পরিবেশে শুরু হয়েছে প্রথম পর্বের তিনদিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা।

    আজ শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসল্লি বৃহত্তম জুম্মার নামাজ আদায় করেছেন।আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে টঙ্গীর তুরাগ তীর।

    এ পর্বে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা। জুমার নামাজের আগেই ময়দান পরিণত হয় জনসমুদ্রে।

    শুক্রবার বাদ ফজর নামাজের পর বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা আহমদ বাট। সকাল ১০টা থেকে তালিম করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক।

    আজ দুপুর পৌনে ২টায় জুমার নামাজ শুরু হয়। নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা জুবায়ের। জুমার নামাজে খুতবা পাঠ শুরু হয় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। ইজতেমার ময়দানের মুসল্লি ছাড়াও জুমার নামাজে অংশ নিতে ঢাকা-গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকার হাজার হাজার মুসল্লি ইজতেমাস্থলে এসে হাজির হন।

    শীত উপেক্ষা করে ভোর থেকেই বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে হাজার হাজার মুসল্লি জড়ো হন।

    শুকনো খাবার, পানি, বিছানাসহ বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে মুসল্লিরা সারিবদ্ধভাবে ছুটতে থাকেন টঙ্গীর তুরাগ তীরের ইজতেমা ময়দানের দিকে। ওই সময় ইজতেমার ময়দান ছাপিয়ে আশপাশের সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়েন মুসল্লিরা। ইজতেমা ময়দানে স্থান না পেয়ে অনেকে বিভিন্ন ভবনের ছাদে নামাজ আদায় করেন।

    জুমার নামাজের সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশের পক্ষ থেকেও সড়কটি নামাজের সময় বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়। নামাজের পর পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়। তবে মুসল্লিদের ভিড়ের কারণে খুবই ধীর গতিতে চলছে বাস-ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন।

    আজ বিশ্ব ইজতেমায় একজন পুলিশ সদস্যসহ সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ইজতেমা ময়দানে চারজন, ময়দানে আসার পথে একজন পুলিশ সদস্যসহ তিনজন নিয়ে মোট সাতজন মারা গেছেন। আজ শুক্রবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

    বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মারা যাওয়া চার মুসল্লি হলেন, নেত্রকোনার থানার কুমারী বাজার গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আবদুস সাত্তার (৭০), একই জেলার বুড়িঝুড়ি গ্রামের স্বল্পদুগিয়া গ্রামের আব্দুস ছোবাহানের ছেলে এখলাস মিয়া (৬৮), ভোলা জেলার ভোল্লা গ্রামের নজির আহমেদের ছেলে শাহ আলম (৬০), জামালপুর জেলার তুলশীপুর এলাকার পাকুল্লা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে মতিউর রহমান (৬০)।

    ময়দানে আসার সময় মারা যাওয়া তিনজন হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া (৬০)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার চৌহদ্দী টোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০) ও ইজতেমায় আসার পথে বাসচাপায় পুলিশ সদস্য হাসান উজ্জামান (৩০) মারা যান।

    বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান মৃত্যুর সংবাদগুলো নিশ্চিত করেন।

    এদিকে টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা। ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ইজতেমা ময়দানের উত্তর পাশে এসব ফ্রি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • এই বাংলা একাডেমি অনেক আন্দোলন ও সংগ্রামের সাক্ষী: প্রধানমন্ত্রী

    এই বাংলা একাডেমি অনেক আন্দোলন ও সংগ্রামের সাক্ষী: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: এই বাংলা একাডেমি অনেক আন্দোলন ও সংগ্রামের সাক্ষী, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “বইমেলা আমাদের প্রাণের মেলা। শুধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যে এসেছি, তা নয়। স্কুলজীবন থেকেই আমরা মেলায় আসি। এই বাংলা একাডেমি অনেক আন্দোলন সংগ্রামের সাক্ষী। যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম, আমি ও আমার বন্ধু বেবী মওদুদ বাংলা একাডেমির লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করতাম।”

    আজ বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বইমেলার জায়গাটা অনেক ছোট। প্রচুর মানুষ মেলায় আসতে চায়। আরো বড়ো পরিসরে আয়োজন করার বিষয়টি আমি ভেবে দেখার অনুরোধ জানাবো।”

    তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি যখন আমরা পেলাম, তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই— এখানে একটা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলব। ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করি। আমার সঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান ছিলেন। কাজ শুরু করি, ২০০১ এ ক্ষমতায় আসতে পারিনি, তখন খালেদা জিয়া সেই কাজটি বন্ধ করে দিয়েছিল।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রক্ত দিয়ে আমরা যে ভাষার অধিকার আদায় করেছি সেটা এখন সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি ধন্যবাদ জানাই তাকে (খালেদা), বন্ধ করে দিয়েছিলেন, ভালো হয়েছিল। কারণ, দ্বিতীয়বার যখন আমি সরকারে আসি সেটা প্রতিষ্ঠা করি। এখন সারা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষা নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। সেটা যেন আরো সমৃদ্ধ হয়, সেটা আমি চাই।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “ফেব্রুয়ারি মাস আমাদের ভাষা আন্দোলনের মাস। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির সত্তা জাগ্রত হয়। এই পথ বেয়েই আমরা পেয়েছি আমাদের স্বাধীনতা। আমারা বাঙালি বাংলা ভাষায় কথা বলি, মায়ের ভাষায় কথা বলি। এই অধিকারটাও আমাদের রক্ত দিয়ে অর্জন করতে হয়েছে। বাংলা একাডেমী আমাদের অনেক আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার। বইমেলা আমাদের প্রাণের মেলা।”

    বাংলা একাডেমীর সভাপতি সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. আরিফ হোসেন ছোটন।

    বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য এ বছরের পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-: শামীম আজাদ (কবিতা), ঔপন্যাসিক নুরুদ্দিন জাহাঙ্গীর ও সালমা বাণী (যৌথভাবে কথাসাহিত্যে), জুলফিকার মতিন (প্রবন্ধ/গবেষণা), সালেহা চৌধুরী (অনুবাদ), নাট্যকার মৃত্তিকা চাকমা ও মাসুদ পথিক (যৌথভাবে নাটক), তপঙ্কর চক্রবর্তী (শিশু সাহিত্য), আফরোজা পারভিন এবং আসাদুজ্জামান আসাদ (মুক্তিযুদ্ধের উপর গবেষণা), সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল এবং মো. মজিবুর রহমান (বঙ্গবন্ধুর উপর গবেষণা), পক্ষীবিদ ইনাম আল হক (পরিবেশ/বিজ্ঞান ক্ষেত্র), ইসহাক খান (জীবনী) এবং তপন বাগচী ও সুমন কুমার দাস (যৌথভাবে লোক কাহিনী)।

    বইমেলার উদ্বোধনের আগে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগৃহীত রচনা: দ্বিতীয় খণ্ড’ এবং আরো কয়েকটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন শেখ হাসিনা।

    বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয়েছে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলার। এবারের বইমেলার প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘পড়ো বই, গড়ো দেশ: বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’।

    বইমেলায় ৬৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯৩৭টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমি মাঠে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৬৪টি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি রয়েছে ৩৭টি প্যাভিলিয়ন।

    মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মাসব্যাপী সেমিনারের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের জন্য ছবি আঁকা, সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা থাকবে।

    এবারও মেলার মূল মঞ্চ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও ‘লেখক বলছি’ মঞ্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে থাকছে।

    রমনা কালী মন্দিরের পাশে সাধুসঙ্গ এলাকায় ‘শিশু চত্বর’ স্থাপন করা হয়েছে।

    [প্রতি কর্মদিবসে বইমেলা বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং সরকারি ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং দুপুরের খাবার ও নামাজের জন্য এক ঘণ্টা বিরতি থাকবে।

  • ট্রাফিকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে দুই সিটি করপোরেশনকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    ট্রাফিকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে দুই সিটি করপোরেশনকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, রাস্তায় ট্রাফিক সার্জেন্টরদের একটু বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ।

    আজ বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ডিএমপির ৪৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সুধী সমাবেশ ও আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

    সুধী সমাবেশ ও আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, “ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ৫০ টি থানা, ৩৪ হাজার জনবল নিয়ে ঢাকায় বসবাস করা নগরবাসীর নিরাপত্তার  জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ পুলিশের মোট জনবল দুই লাখ ১০ হাজারের বেশি।প্রতিটি পুলিশ ৮২৫ জন মানুষকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। ডিএমপির  যতগুলি ইউনিট আছে সবগুলি খুব সুন্দর কাজ করছে।”

    তিনি বলেন, “জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছিলো সেজন্য আমরা কাউন্টার টেররিজম ইউনিট গঠন করেছিলাম।আমরা সাইবার ইউনিট তৈরি করেছিলাম,ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টার গড়ে তুলেছিলাম,আমরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রের জন্য ট্রাফিক ইউনিট করেছি যা ডিএমপির কমিশনারের অধীনে কাজ করে যাচ্ছে।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই জায়গায় এসে মনে পড়ে যায় সেই দিনের (২৫ মার্চ) কথা। বঙ্গবন্ধুর  ৭ই মার্চে যে ডাক দিয়েছিলেন। সেই ডাকে পুলিশ বাহিনী নিজের জীবন বাজী রেখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলো। অনেক পুলিশ সদস্য সেদিন শহীদ হয়েছিলেন। তারা জানতেন তারা এই যুদ্ধে জয়ী হবেন না কিন্তু তারা নৈতিকতা ও স্বাধীনতার জন্য প্রথম যে কাজটা করেছিলেন সেটা আমাদের রাষ্ট্র… আমাদের উদাহারণ হয়ে আছে।”

    তিনি বলেন, “আজকে কিন্তু পুলিশের ওপর আস্থা, বিশ্বাস রাখছে, কোন প্রয়োজন হলে মানুষ পুলিশের কাছে যাচ্ছে। কোভিডের সময় আপনারা দেখেছেন মায়ের মরদেহ সন্তান ফেলে রেখে গেছে। পুলিশই তাদের শেষ কার্যটি করেছে। কাজেই পুলিশ এমনই একটি আস্থার জায়গায় এসেছে,আমরা মনে করি বিপদে, আপদে সব সময় আমাদের পাশে আছে। ডিএমপিও সেই কাজটিই করছে ঢাকা নগরীর জন্য।”

    ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়রদের কাছে দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,“তাদের কাছে জোর দাবি জানাবো, আমাদের ট্রাফিক আমাদের সার্জেন্টরা ভয়ানক অসুবিধায় থাকে। তাদের জন্য যদি মাঝে মাঝে বিশ্রামের জন্য যদি একটু করে দেন। এই আহবানটি রাখছি। ডিএমপি আরোও এগিয়ে যাবে, তাদের সেবার পরিধি বাড়াবে। আরোও দক্ষতার সব কিছু মোকাবিলা করবে এই আস্থা ও বিশ্বাস রাখি।”

  • ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিনে সব আদেশ হবে বাংলায়

    ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিনে সব আদেশ হবে বাংলায়

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: ভাষার মাসের প্রথম দিনে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এক বেঞ্চ বাংলায় আদেশ দিচ্ছেন। ভাষাশহীদদের প্রতি সম্মান জানাতেই এই সিন্ধান্ত বলে জানিয়েছেন উক্ত বেঞ্চ।

    আজ বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) শুনানির শুরুতেই বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আজ ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিন। আজ আমরা বাংলায় দেবো সব আদেশ “

    গত বছরের এদিনেও সুপ্রিম কোর্টে অন্তত ১৪৮টি রায় ও আদেশ বাংলায় দিয়েছেন।

    ওই বছর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ১৪৫টি আদেশ বাংলায় দিয়েছেন। আর হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি নাইমা হায়দার একটি রায়, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম ইসলাম তালুকদার একটি রায় এবং বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ একটি আদেশ বাংলায় দিয়েছেন।

    উচ্চ আদালতে নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলায় রায় ও আদেশ দেওয়া শুরু হয়। বিচারপতি এ আর এম আমীরুল ইসলাম চৌধুরী বাংলায় আদেশ দেওয়া শুরু করেন। এরপর সাবেক বিচারপতিদের মধ্যে বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, বিচারপতি হামিদুল হক, বিচারপতি আবদুল কুদ্দুছ, সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী বাংলায় বেশ কয়েকটি রায় দেন।

    বর্তমান প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম হাইকোর্টে থাকাকালীন বেশ কয়েকটি মামলার রায় বাংলায় দিয়েছেন।

  • বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়: রাষ্ট্রপতি

    বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়, বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বাংলাদেশে নবনিযুক্ত সাতটি দেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ পরিচয়পত্র পেশ করলে তিনি একথা বলেন।

    আজ বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বঙ্গভবনে নিজ নিজ পরিচয়পত্র পেশ করেছেন নবনিযুক্ত অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ।

    নতুন হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতগণ হলেন: বোতসোয়ানার হাইকমিশনার গিলবার্ট শিম্যান ম্যাগল, কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রদূত কৈ কুয়াং, চেক প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত ড. ইলিস্কা জিগোভা, গাম্বিয়ার হাইকমিশনার মুস্তাফা জাওয়ারা, হাঙ্গেরির রাষ্ট্রদূত ইস্তভান সাবো, জ্যামাইকার হাইকমিশনার জেসন কে. হল এবং লুক্সেমবার্গের পেগী ফ্রান্টজেন।

    বিগত দেড় দশকে বিভিন্ন খাতে প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশের বাণিজ্য-বিনিয়োগ পরিস্থিতি খুবই সম্ভাবনাময়।”

    রাষ্ট্র প্রধান আশা করেন, “নতুন দুতগণ দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ নিজ দেশের উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং বাণিজ্য বিনিয়োগসহ পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কাজ করবেন।

    সাক্ষাৎকালে নতুন দূতগণ দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

    বাংলাদেশের সাথে নিজ নিজ দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

    পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    এরআগে দূতগণ সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছলে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) এর অশ্বারোহীর একটি চৌকস দল তাদের ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।

  • সৌদি আরব ও বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে আগ্রহী

    সৌদি আরব ও বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে আগ্রহী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিতে সম্মত এবং আগ্রহ প্রকাশ করেছে দুই দেশ।

    সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের সভাপতি শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল শেখ আজ বুধবার (৩১ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের এই বিষয়ে ব্রিফ করেন।

    মুন বলেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বন্ধনের মূলে রয়েছে সমৃদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহাসিক বন্ধন।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশি মুসলমানদের জন্য ইসলামের জন্ম সৌদি আরব এবং দু’টি পবিত্র স্থান মক্কা ও মদিনার আমাদের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান রয়েছে।”

    তিনি আরো বলেন, “হাজার হাজার বাংলাদেশি পবিত্র হজ ও ওমরাহ পালন করেন।”

    প্রধানমন্ত্রী দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং প্রধানমন্ত্রী ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বৈশ্বিক ইস্যূতে সৌদি আরবের সাম্প্রতিক উন্নয়নমূলক কর্মকণ্ড সংস্কার এবং উদীয়মান ভূমিকার জন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    শেখ ড. আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল শেখ প্রধানমন্ত্রী পদে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানান।

    তিনি বলেন, “সৌদি আরব সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে ছিল এবং ঢাকার সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক রয়েছে।”

    তিনি শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের নজিরবিহীন উন্নয়নের জন্য ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    মুন সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের সভাপতির উদ্ধৃত দিয়ে বলেন, “তিনি বলেছেন ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব দৃষ্টান্তমূলক ও অনুকরণীয়।”

    তিনি প্রধানমন্ত্রীকে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের শুভেচ্ছাও জানান।

    সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের শুভেচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে শেখ হাসিনাও যুবরাজকে শুভেচ্ছা জানান।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং মুখ্য সচিব মো.তোফাজ্জল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • বইমেলা উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

    বইমেলা উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪: বইমেলা উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। তিনে বলেন, “অমর একুশে বইমেলা বাঙালির বড় ঐতিহ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল বিকেল ৩টায় বইমেলা উদ্বোধন করবেন। এজন্য মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

    আজ বুধবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে বইমেলা-২০২৪ উপলক্ষে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    বইমেলাকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, “বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশেপাশে তল্লাশি দল থাকবে, সন্দেহভাজন কিছু দেখলে তারা তল্লাশি করবেন। মূল মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশের আগে প্রতিটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। এছাড়া, কাউকে সন্দেহ হলে তাকে পৃথক কক্ষে নিয়ে তল্লাশি করা হবে। মেলা প্রাঙ্গণসহ আশেপাশের এলাকার প্রতিটি ইঞ্চি সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক পোশাকধারী সদস্য মোতায়েন থাকবেন। মেলার আশেপাশে মোটরসাইকেল ও গাড়ি টহল থাকবে “

    তিনি আরও বলেন, “সিটিটিসি, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ক্রাইম সিন ভ্যান, সিটি এসবি ও ডগ স্কোয়াড সদস্যরা দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন” ।

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, “মেলায় নিশ্ছিদ্র পুলিশি নিরাপত্তার বাইরেও পুলিশের ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার থাকবে, ব্লাড ব্যাংক থাকবে, বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা ও শিশু হারিয়ে গেলে তাকে খুঁজে দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে মেলায়।”

    তিনি আরও বলেন, “মেলায় আইনশৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন কোনো বই প্রকাশিত হলে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বিভিন্ন সময় বেশ কিছু বইয়ের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ। বইয়ের বিষয়টি বাংলা একাডেমি করে থাকে। তবে এমন কোনো লেখা বা বিষয় যদি পাঠকের নজরে আসে বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং সেটি নিয়ে যদি কোনো সমালোচনা হয় তখন পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।”

    এবার মেট্রোরেলের জন্য মেলায় দর্শনার্থী বাড়বে বলে মন্তব্য করে হাবিবুর রহমান আরও বলেন, “এবারের মেলায় বিশেষ একটি সুবিধা যুক্ত হয়েছে। মেট্রোরেলের একটি স্টেশন মেলার গাঁ ঘেঁষে। তাই দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা বাড়বে। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিটিউট গেট খুলে দেওয়া হচ্ছে। এতে দর্শনার্থীদের মেলায় প্রবেশ সহজ হবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মোট পাঁচটি গেট থাকবে। প্রত্যেকটি গেট থেকেই মেলায় প্রবেশ এবং বের হওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া নারী-পুরুষের জন্য আলাদা গেটের ব্যবস্থা থাকবে।”

    এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, “বই মেলা অসাম্প্রদায়িক আয়োজন। এই আয়োজনকে বিভিন্ন সময় হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। এখানে নাশকতা ও জঙ্গি তৎপরতার অতীত ঘটনা রয়েছে। এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে মাথায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।”

    সংবাদ সম্মেলন শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্টলগুলো পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

  • মেট্রোরেলে বাড়ানো হচ্ছে কোচ

    মেট্রোরেলে বাড়ানো হচ্ছে কোচ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪: যাত্রী চাপের করণে মেট্রোরেলে কোচ ও সময় বাড়ছে বলে জানয়েছে ঢাক ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি মিলিটেড (ডিএমটিসিএল) কতৃপক্ষ । উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চলাচলকারি মেট্রোরেলে কোচের সংখ্যা ছয়টি থেকে বাড়িয়ে আটটি করা হচ্ছে। এছাড়া পিক ও অফ পিক আওয়ারে ট্রেন চলাচলের সময়ও কমিয়ে আনার চেষ্টাসহ রাত পৌনে ৯টার বদলে ১১টা পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতিও নেয়া হচ্ছে । সংস্থাটি মনে করছে, এসব উদ্যোগে যাত্রীদের ট্রেনে ওঠা নামার সমস্যা কমবে। ভিড়ের কারণে এখনও যারা মেট্রো এড়িয়ে চলছেন, তারাও মেট্রোমুখী হবেন। এতে সড়কে চাপ আরো কমবে। এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

    বর্তমানে সকাল ৭টা ১০মিনিট থেকে সাড়ে ১১টা এবং বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পিক আওয়ারে ট্রেন চলছে ১০ মিনিট পর পর। মাঝে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অফ পিক আওয়ারে ট্রেন আসছে ১২ মিনিট পরপর। এছাড়া বর্তমানে যে ছয়টি কোচ থাকে, তার একটি নারীদের জন্য সংরক্ষিত। প্রতিটি কোচে উঠতে পারে সর্বোচ্চ ৩৯০ জন। তবে দুই দিকে ইঞ্জিন থাকায় দুটিতে যাত্রী ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ ৩৭৪ জন। এই হিসেবে একটি ট্রেনে একসঙ্গে উঠতে পারে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩০০ জনের মতো। দুটি কোচ বাড়ানো হলো সেটি ছাড়িয়ে যাবে তিন হাজার।

    তিনি বলেন, প্রকল্পের প্রস্তাবনায় যেসব লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছিল তাতে যেমন প্রতি ৫ মিনিট পর পর ট্রেন ছাড়া, আটটি কোচের সমন্বয়ে একেকটি ট্রেনসেট করা এবং রাত ১১টা পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন, তার সবই করা হবে। কোচের সংখ্যা বাড়ানো ছাড়া অন্য দুটি লক্ষ্য পূরণে কয়েক মাস সময় লাগবে। এমআরটি-৬ এর জন্য এখন ৬ কোচের ২৪ সেট ট্রেন রয়েছে। কোচের সংখ্যা আটটি করা হলে সেটের সংখ্যা নেমে আসবে ১৮টিতে।

    এক রুটে ৯টি করে সেটের মধ্যে একটি হাতে রাখা হয় জরুরি অবস্থার জন্য। বাকি আটটি সেট দিয়ে পাঁচ মিনিট অন্তর ট্রেন চালানো যাবে কি না, এ নিয়েও ভাবতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

  • দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দিলেন রাষ্ট্রপতি

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দিলেন রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশষ আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) শরু হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন। এর আগে সংসদ ভবনে অবস্থিত রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে নতুন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি ।

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “নির্বাচন কমিশনের সফলভাবে নির্বাচন পরিচালনার মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক শক্তি আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় হয়েছে দেশের জনগণের, জয় হয়েছে গণতন্ত্রের।”

    তিনি বলেন, “জনগণের রায় মেনে নিয়ে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গণতন্ত্রের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন অত্যন্ত যুগান্তকারী ঘটনা, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় হয়েছে দেশের জনগণের, জয় হয়েছে গণতন্ত্রের।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “নির্বাচন ঘিরে একটি মহল সহিংসতা ও সংঘাত সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের শান্ত-স্নিগ্ধ যাত্রাপথে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছিল। তাদের গণতন্ত্র বিরোধী ও সহিংস কর্মকাণ্ড সাময়িকভাবে জনগণকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রাখলেও ভোটারদের ভোটদান থেকে বিরত রাখতে পারেনি। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্যই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সব পদক্ষেপ সার্থক হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে। আমি আশা করি— ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সহিংসতা ও নৈরাজ্যের পথ পরিহার করে সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণ ও গণতন্ত্রের কল্যাণে অহিংস পন্থায় গঠনমূলক কর্মসূচি পালন করবে। সরকারও এক্ষেত্রে সংযত আচরণ করবে- এটাই সবার প্রত্যাশা।”

    ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের বর্বর হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবারের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন।

    মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী দেশে যে নৃশংস সহিংসতা হয়েছিল তা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। এর মাধ্যমে আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচনসহ পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত সকল নির্বাচনে সহিংসতার পুনরাবৃত্তি থেকে মুক্তি পেয়েছি।”

    গণতন্ত্র ও উন্নয়নের নিষ্কণ্টক পথচলার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো উদার ও গঠনমূলক মনোভাব নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়াবে এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।