Category: বাংলাদেশ

  • বোরো সংগ্রহের সময় কৃষকরা হয়রানির শিকার হবে না: খাদ্যমন্ত্রী

    বোরো সংগ্রহের সময় কৃষকরা হয়রানির শিকার হবে না: খাদ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৭ মে, ২০২৪: বোরো সংগ্রহের সময় কৃষকরা হয়রানির শিকার হবে না, বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, “সঠিক সময়ে বোরো সংগ্রহ করতে হবে। জুন মাসের মধ্যে ৭০ শতাংশ বোরো সংগ্রহ করা যাবে। হাওড়কে প্রাধান্য দিয়ে সেখানে ধানের বরাদ্দ বেশি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষক যাতে হয়রানির শিকার না হয়, প্রতিটি ইউনিয়নে তিনজন করে কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আছেন, যাদের ব্লোক সুপারভাইজার বলা হতো। তাদের কাছে একটি করে ময়েশ্চার মিটার দেওয়া আছে।”

    আজ মঙ্গলবার (০৭ মে) সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ অফিস কক্ষে বোরো সংগ্রহ অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “হাওড়ের ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। শুকিয়ে তা ঘরে তুলে রাখা হয়েছে। শিলাবৃষ্টিতে তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি।”

    তিনি বলেন, “যারা অ্যাপসে আবেদন করেছেন কিংবা কৃষি দপ্তরে কৃষক ধান দেবেন বলে আবেদন করেছেন বা তালিকা পাঠিয়েছেন, তাদের বাড়িতে গিয়ে ময়েশ্চার মিটার দিয়ে ধান পরীক্ষা করা হবে আর্দ্রতা ১৪ শতাংশ কী-না। যদি এর বেশি হয়, তাহলে তাদেরকে বলবেন আরও একটু শুকিয়ে ১৪ শতাংশে নিয়ে আসতে।”

    তিনি আরও বলেন, “কোনো কৃষক যদি গোডাউনে ধান নিয়ে আসেন, যার আর্দ্রতা ১৫ বা ১৬ শতাংশ আছে, তাহলে সেই ধান শুকাতে কৃষককে হয়রানি হতে হবে। এজন্য কৃষি দপ্তরের কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তারা আর্দ্রতার যন্ত্র দিয়ে ধান পরীক্ষা করে আসবেন।”

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “যারা শ্রমিক সরবরাহ করেন, সেই ঠিকাদারদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। কোনো কৃষক যাতে কোনোভাবে অপমানিত না হয়, এ জন্য আমরা সচেষ্ট থাকব। কেউ কৃষকদের হয়রানি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • প্রধানমন্ত্রী গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে বলেছেন: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে বলেছেন: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মে, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে বলেছেন, বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, যত দ্রুত পারা যায় গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন। মন্ত্রিসভায় তিনি (প্রধানমন্ত্রী) লোড শেডিংয়ের বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ।”

    আজ সোমবার (০৬ মে) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    লোডশেডিং নিয়ে সারা দেশের মানুষ কষ্ট পাচ্ছে- এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সারা বাংলাদেশে কিছু কিছু অঞ্চলে আমাদের কিছুটা লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে অনেক জায়গাতে। এটা আমরা গত এক মাস যাবৎ পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের বেশ কিছু পাওয়ার প্ল্যান্ট, বিশেষ করে ওয়েল বেইজড পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো বন্ধ আছে। সেগুলো আমরা ধীরে ধীরে চালু করছি। তেলের স্বল্পতা ছিল, আর্থিক স্বল্পতা ছিল- এ বিষয়গুলোকে নজরদারি করে আমরা এখন একটা ভালো পরিস্থিতিতে আছি। এ বিষয়গুলো সংসদে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়গুলো সার্বিকভাবে সবাই, যারা সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীও এটা ওয়াকিবহাল রয়েছেন। তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন যাতে গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা করতে। আমরা সেটাই ব্যবস্থা করে এখন একটা ভালো অবস্থায় আছি।”

    এর ফলে কি শহরে লোডশেডিং বাড়বে? এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না। কোথাও লোডশেডিং করে আরেক জায়গায় দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ”

    গ্রামে তো প্রচুর লোডশেডিং হচ্ছে- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এখন (লোডশেডিং) কমে গেছে। কারণ, আমি তো প্রতিদিন নিউজ পাচ্ছি। আজকে যদি দেখেন জিরো লোডশেডিং। ”

    তেলের যে সমস্যা ছিল সেটি কেটেছে কিনা- প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের নিজেদের কাছ থেকে তেল দেওয়ার। বিপিসি থেকে তেল দেওয়ার। এখন সেটাই ব্যবস্থা চলছে।”

    গতকাল সংসদে সংসদ সদস্যরা এলাকার লোড শেডিং নিয়ে কথা বলেছেন- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “যারা সংসদ সদস্যদের রাইট আছে নিজেদের এলাকার প্রবলেমটা বলার, তারা সেগুলো প্রকাশ করেছেন। সেটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। ”

    অর্থ মন্ত্রণালয় কিছু টাকা ছাড় করেছে, সেটা কি পাওয়া শুরু করেছেন-“ প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা কিছু কিছু করে পাচ্ছি। সেটা দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছি।”

    উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ডের পরও লোডশেডিং- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ড আবার সর্বোচ্চ চাহিদাও আছে। সেটার মধ্যে তো একটা পার্থক্য আছে। কারণ এবার আপনারা দেখেছেন বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। সেই তাপমাত্রার জন্য তো আমরা কেউ প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা যতটুকু প্রস্তুত ছিলাম সে পর্যন্ত আমরা গেছি। তার ওপরে যাওয়ার জন্য আমাদের চেষ্টা ছিল। আমরা করতে পারতাম। কিন্তু মুশকিলটা হলো অর্থ এবং তেলের সংস্থাপন। তবে সার্বিকভাবে এখন পরিস্থিতি আগের থেকে ভালো।”

    প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশনা ছিল কিনা- প্রশ্নে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তো এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। তিনি সব সময় নির্দেশনা দিয়ে গেছেন পুরো দেশই লোডশেডিং মুক্ত রাখতে হবে।”

  • টাঙ্গাইল শাড়ির ‘জিআই’ স্বত্ব রক্ষায় ভারতে ল’ ফার্ম নিয়োগের সুপারিশ

    টাঙ্গাইল শাড়ির ‘জিআই’ স্বত্ব রক্ষায় ভারতে ল’ ফার্ম নিয়োগের সুপারিশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মে, ২০২৪: টাঙ্গাইল শাড়ির জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক স্বত্ব রক্ষার জন্য আইনি লড়াই করতে ভারতে ল’ ফার্ম নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। শতাধিক জিআই পণ্যের তালিকা হাইকোর্টে জমা দিয়ে সোমবার এ তথ্য জানায় শিল্প মন্ত্রণালয়।

    আজ সোমবার (০৬ মে) এ তথ্য উপস্থাপন করার পর বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ দুই সপ্তাহ শুনানি মুলতবি করেন। একইসঙ্গে প্রতিবেদনটি হলফনামা আকারে দাখিল করতে বলেছেন।

    আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা। তার করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ১৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করে আদেশ দেন।

    আদেশে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে রেজিস্ট্রেশন যোগ্য জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের তালিকা করতে নিদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জিআই পণ্যে হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করা পণ্যের তালিকা দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

    রুলে জিআই পণ্যের তালিকা তৈরি ও রেজিস্ট্রেশনে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত। বাণিজ্য সচিব, কৃষি সচিব, সংস্কৃতি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা জানান, টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের জিআই পণ্য হওয়ার যোগ্যতা রাখে। কিন্তু সেই পণ্যটিকে ভারত তাদের পণ্য হিসেবে রেজিস্ট্রি করে প্রকাশ করেছে। এর প্রেক্ষিতে একটি রিট করেছি। ওই রিটে রুল জারি করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ওই আদেশের পর সরকারের কাছ থেকে ইতিবাচক তথ্য পেয়েছি। সুপ্রিম কোর্টের কাছে একটি তালিকা পেশ করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে নিয়ে শতাধিক জিআই পণ্যের তালিকা করা হয়েছে। এই তালিকা ক্রমবর্ধমান হারে চলবে। আর জিআই যোগ্য পণ্যের তালিকাও দাখিল করা হয়েছে।

    শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক নথির ভাষ্যমতে, টাঙ্গাইল শাড়ির জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক স্বত্ব রক্ষার জন্য আইনি লড়াই করতে ভারতে ল’ ফার্ম ম্যাসন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। তবে দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রয়োজন মনে করলে নেগোসিয়েশন করে অন্য ফার্মকে নিয়োগ করতে পারবে।

  • তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইপি-টিভি ওনার্স এসোসিয়েশনের নেতাদের মতবিনিময়

    তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইপি-টিভি ওনার্স এসোসিয়েশনের নেতাদের মতবিনিময়

    তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত আইপি-টিভি মালিকদের সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন অব আইপি-টিভি ওনার্স অব বাংলাদেশ (আইটো)’ নেতৃবৃন্দ। আজ সোমবার দুপুরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়ের সভাকক্ষে তারা সাক্ষাৎ করেন। প্রায় ঘন্টাখানেক প্রতিমন্ত্রী ও আইটো নেতাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়। সাক্ষাৎ পর্বে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিপলু রহমান খান (এসআরকে টিভি), মিরাজ উদ্দিন খান (এমই টিভি), এফ. এম. শাহীন (জাগরন টিভি), মোঃ আব্দুস শুকুর ইমন (রাজধানী টিভি), শাহীন আলম স্বপন (জাগরণী টিভি), দুলাল মিজি (নিউজ২১ বাংলা টিভি), গোলাম মুক্তাদির (মুভি বাংলা টিভি) এবং এম. জি. কিবরিয়া চৌধুরী (জেএ টিভি)।

    মতবিনিময়ে আইপি-টিভি নেতৃবৃন্দ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদার তথ্যনীতির কল্যাণে বাংলাদেশে আজ এক বিপ্লব শুরু হয়েছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিনোদন এবং মৌলিক চেতনা বিকাশে গণমাধ্যমগুলো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে সব বাংলাদেশীদের প্রাণের বাংলাদেশের সঙ্গে বেঁধে রাখছে সবসময়। সেই আলোকে এবং বর্তমান বিশ্বের চাহিদা অনুধাবন করে, বাংলাদেশের প্রথম ১৪টি আইপি টিভির অনুমোদন দেয়া হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশের যে স্বপ্ন বুনেছেন সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং গুজব ও অপপ্রচার রোধে নিউ মিডিয়া হিসেবে আইপি-টিভি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

    তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত আইপি-টিভি মাধ্যমকে স্বাগত জানান এবং নিউ মিডিয়া হিসেবে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি সুস্থ এবং মানসম্পন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচারে আইপি-টিভিগুলোকে উৎসাহিত করেন।

  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মে, ২০২৪: রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে বঙ্গভবনে আজ সোমবার (৬ মে) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    এই সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা বিস্তারের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা খুবই জরুরী। দেশব্যাপী উচ্চশিক্ষা বিস্তারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সার্বিক তত্ত্বাবধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

    বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের জানান, ‘বৈঠকে প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমসহ নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।’

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদলে ছিলেন-বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য স্থপতি অধ্যাপক ড. নিজামউদ্দিন আহমেদ, ট্রেজারার অধ্যাপক আবদুস সালাম হাওলাদার এবং রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন।

    প্রেস সচিব জানান প্রতিনিধিদল,রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    রাষ্ট প্রধান বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারে সেই লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। এছাড়া শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি দক্ষতা-ভিত্তিক কর্মসূচি চালু করার ও পরামর্শ দেন।

    এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • ঢাকাকে আবর্জনামুক্ত করতে মেয়র আতিকের নতুন উদ্যোগ

    ঢাকাকে আবর্জনামুক্ত করতে মেয়র আতিকের নতুন উদ্যোগ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মে, ২০২৪: ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম ঢাকাকে আবর্জনামুক্ত করতে নতুন উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। এখন তিনি নিজেই সড়কে নেমেছেন, হ্যান্ডমাইক মাধ্যমে বলছেন,   “এই ডাবের খোসা ২ টাকা, চিপসের প্যাকেট ১ টাকা, দইয়ের পাত্র ২ টাকা।”

    এতে সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে । মেয়র আতিকের এই উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।

    আজ সোমবার (৬ মে) সকাল সাড়ে ১১ টার পরে রাজধানীর কুড়িল প্রগতি সরণিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও মশক নিধন অভিযানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা শেষে মেয়র এই মাইকিং  কার্যক্রম শুরু করেন। সেসময় উপস্থিত ছিলেন আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কাউন্সিলর।

    এ সময় আশপাশে অনেকেই আগে থেকে বস্তা ভরে চিপসের প্যাকেট, ডাবের খোসা নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন। মেয়র যখন হ্যান্ডমাইকে বলছিলেন তখনই তারা এসব বিক্রি করতে এগিয়ে এলেন। মেয়রের হাতে ধরিয়ে দিলেন বস্তা।

    মেয়রও শুনে নিলেন কত পিস আছে, প্রথমে ৪০০ পিস পরিত্যক্ত চিপসের প্যাকেট নগদ  ৪০০ টাকায় কিনে নিলেন তিনি। পরে আরও কয়েক বস্তা চিপসের প্যাকেট, টায়ারসহ অন্যান্য পরিত্যক্ত পণ্য নগদ টাকায় কিনে নেন তিনি।

    এসময় ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। সবাই যেন সচেতন হন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের। কারণ, সবাই সচেতন না হলে সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এসব পরিত্যক্ত টায়ার, দইয়ের পাত্র, ডাবের খোসা, চিপসের প্যাকেটে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশা জন্মায়। আর এসবে যেন পানি জমে না থাকতে পারে, সে কারণে আমরা এসব কিনে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। আশা করছি এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সচেতন হবেন। ডিএনসিসির প্রতিটি কাউন্সিলরের কার্যালয়ে গিয়ে আপনারা এসব জমা দিয়ে নগদ অর্থ নিয়ে যাবেন।”

    জানা গেছে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শহরজুড়ে যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এডিস মশার প্রজনন স্থল এবং পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ পরিত্যক্ত পলিথিন, চিপসের প্যাকেট, আইসক্রিমের কাপ, ডাবের খোসা, অব্যবহৃত টায়ার, কমোড ও অন্যান্য পরিত্যক্ত দ্রব্যাদি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কিনে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন  (ডিএনসিসি)।

    প্রতিটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে গিয়ে যে কেউ এসব পরিত্যক্ত দ্রব্যাদি জমা দিয়ে নগদ অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে। প্রতিটি ওয়ার্ডের কেনা পরিত্যক্ত দ্রব্যাদি প্রতিদিন নিয়মিত সংগ্রহ করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিকটবর্তী এসটিএস (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন) -এ অপসারণ করবে। জনগণকে সম্পৃক্ত করে প্রতিটি ওয়ার্ডকে পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সংস্থাটি।

    কোন পরিত্যক্ত দ্রব্য কত টাকা পর্যন্ত দেবে সে বিষয় বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চিপসের প্যাকেট বা সমজাতীয় প্যাকেট প্রতি ১০০টির জন্য ১০০ টাকা করে মূল্য দেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। একইভাবে আইসক্রিমের কাপ, ডিসপোজেবলব গ্লাস, কাপ ১০০টির জন্য ১০০ টাকা, অব্যবহৃত পলিথিন প্রতি কেজি ৫০ টাকা, প্রতি ডাবের খোসা ২ টাকা, মাটি, প্লাস্টিক, মেলামাইন, সিরামিক ইত্যাদির পাত্র প্রতিটির জন্য ৩ টাকা করে দেবে ডিএনসিসি।

    এছাড়া পরিত্যক্ত টায়ার প্রতিটি ৫০ টাকা, পরিত্যক্ত কমোড, বেসিন ইত্যাদি প্রতিটির জন্য ১০০ টাকা, পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের দ্রব্যাদি প্রতি কেজি ১০ টাকায় কিনে নেওয়া হবে।

  • সুন্দরবনের আগুন এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

    সুন্দরবনের আগুন এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মে, ২০২৪: সুন্দরবনে আগুন লাগে আজ থেকে তিন দিন আগে। তবে আগুন এখনও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে আগুন খুব শীঘ্রই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। আজ সোমবার (৬ মে) ভোর হতেই আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়েছে।

    ভোর থেকে অগ্নিকাণ্ডের এলাকা সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জিউধারা স্টেশনের আমোরবুনিয়া টহল ফাঁড়ির লতিফের ছিলায় পানি ছেটানো শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগ।

    স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের পাশাপাশি তাদের সহযোগিতা করছে নৌ বাহিনী ও কোস্টগার্ড।

    বনের লতিফের ছিলা ও ড্রেনের ছিলার মাঝামাঝি এলাকায় আগুন লাগার বিষয়টি গত শনিবার নজরের আসার পর থেকেই নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে বন বিভাগ, কমিউনিটি প্যাট্রলিং গ্রুপ (সিপিজি), ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিমের (ভিটিআরটি), টাইগার টিমসহ স্থানীয় সেচ্ছাসেবী ও বনজীবীরা।

    তবে ঘটনাস্থল থেকে পানির উৎস দূরে হওয়াতে এবং দুর্গম পথের কারণে প্রথম দিনে সেখানে পানি ছেটানো সম্ভব হয়নি।

    গতকাল রোববার ভোর থেকে সমন্বিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু হয়। সন্ধ্যা নামায় এবং নদীতে ভাটার কারণে গতকাল বিকেলে পানি দেওয়া বন্ধ করে বন থেকে বেরিয়ে আসেন সবাই। অন্ধকার এবং বনের মধ্যে ঝুঁকি বিবেচনায় রাতে কাজ বন্ধ থাকার পর ভোর থেকেই আবার সবাই মিলে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করেছেন।

    অগ্নিকাণ্ডে  সুন্দরবনের ৫ একর বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান বন সংরক্ষক (সিসিএফ) ।

  • সারা দেশে গাছ কাটা বন্ধে আদালতে রিট আবেদন

    সারা দেশে গাছ কাটা বন্ধে আদালতে রিট আবেদন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ মে, ২০২৪: ঢাকাসহ সারা দেশে গাছ কাটা বন্ধে হাইকোর্টে রিট  আদেন দাখিন করেছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

    বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের আদালতে রিট আবেদন দাখিল করেন তিনি।

    সম্প্রতিকালে তাপমাত্রা অত্যধিক বৃদ্ধি ও জনজীবন অতিষ্ঠ হওয়ার মধ্যেও বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে মর্মে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এ রিট করা হয়।

    আগামী সোমবার (৬ মে) রিট পিটিশনটি শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

    রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য ঢাকা শহরে যে পরিমাণ গাছপালা থাকা দরকার তা দিন দিন কমছে এবং সম্প্রতিকালে তাপমাত্রা বাড়ার কারণে মানুষের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠছে, যার কারণে সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। অন্যদিকে সামাজিক বনায়ন চুক্তিতে সারা দেশে লাগানো গাছগুলো কেটে ফেলার কারণে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হচ্ছে, যা বন্ধ না হলে বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে ও মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    এইচআরপিবির পক্ষে রিট পিটিশনার হলেন- আইনজীবী মো. ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী, মো. এখলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া ও রিপন বাড়ৈই।

    বিবাদীরা হলেন- কেবিনেট বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকার দুই সিটি মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রমুখ।

  • সুন্দরবনের আগুনে হেলিকপ্টার দিয়ে পানি ছিটানো হচ্ছে

    সুন্দরবনের আগুনে হেলিকপ্টার দিয়ে পানি ছিটানো হচ্ছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ মে, ২০২৪: সুন্দরবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এখন হেলিকপ্টার দিয়ে পানি ছিটানো হচ্ছে। পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জিউধারা স্টেশনের আমুরবুনিয়া টহল ফাঁড়ির এলাকায় লাগা আগুন দ্বিতীয় দিনের মতো জ্বলছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি দল।

    আজ রবিবার (৫ মে) দুপুর থেকে আগুন লাগা স্থানে পানি দেওয়া শুরু করে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারটি।

    এছাড়া সকাল থেকে আগুন নির্বাপণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর একটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করছে। বনবিভাগ ও প্রশিক্ষিত ফায়ার ফাইটারদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও বন সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবকরাও অংশ নিয়েছেন।

    বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহা. খালিদ হোসেন, পুলিশ সুপার আবুল হাসনাথ খান, মোরেলগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম তারেক সুলতানসহ ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন।

    বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ভোলা নদী থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার দূরে আগুনের উৎসে সকাল থেকে পানি ছিটানো হচ্ছে। ফায়ার লাইন (অগভীর নালা) কাটা হয়েছে যাতে আগুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে না পারে।

    ধারণা করা হচ্ছে এখন বনের মধ্যে বড় ধরনের আগুন নেই।

  • আমাদের সেনাবাহিনী জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী

    আমাদের সেনাবাহিনী জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ মে, ২০২৪: আমাদের সেনাবাহিনী জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী আজকে জনগণের পাশে দাঁড়ায়, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরে সেনাবাহিনীর ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস সাধারণ মানুষ কিন্তু হারিয়ে ফেলেছিল।

    আজ রবিবার (০৫ মে) ঢাকা সেনানিবাসে নবনির্মিত আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি (এএফআইপি) ভবন এবং আর্মি সেন্ট্রাল অডিটোরিয়াম সেনাপ্রাঙ্গণের উদ্বোধন শেষে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দরবারে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা-বিশ্বাস থাকে না তারা কখনো কোনো রণাঙ্গণে বিজয় অর্জন করতে পারে না।

    শেখ হাসিনা বলেন, “যেকোন দুঃসময় দেখা দিলে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে আছে এবং জনগণের একটা ভরসাস্থল হিসেবে সেই আস্থা আজকে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।”

    শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যে অবদান রাখে প্রতিটি দেশ, প্রত্যেকেই ভূয়সী প্রশংসা করে। সেটাকে আরও উন্নত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

    সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সশস্ত্র বাহিনীর জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭৪ সালে যে প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন তারই ভিত্তিতে ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে আমরা তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।”

    তিনি বলেন, “ফোর্সেস গোল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা চাচ্ছি আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আধুনিক জ্ঞানসম্পন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে, সেই সাথে যেহেতু ২০০৮ এর নির্বাচনে আমাদের লক্ষ্য ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা, কাজেই আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন আমাদের সশস্ত্র বাহিনী গড়ে উঠবে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য, সেভাবেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

    রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গসহ জনসাধারণের উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি (এএফআইপি) বিভাগের জন্য নতুন  ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

     

    এ ছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভা, সেমিনার, সামাজিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি আয়োজনের লক্ষ্যে আর্মি সেন্ট্রাল অডিটোরিয়াম সেনাপ্রাঙ্গণের নির্মাণ করা হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বাহিনী প্রধানগণ, ঢাকা সেনানিবাসের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।