Category: বাংলাদেশ

  • বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত

    বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ মে, ২০২৪: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানের দুই পাইলট অক্ষত রয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি ইয়াক-১৩০ (YAK 130) প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। পরে বিমানের দুজন পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে নৌ-বাহিনী ও পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তারা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রশিক্ষণ বিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরে এটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। একপর্যায়ে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এসময় বিমানে থাকা দুজন পাইলট প্যারাশুট দিয়ে নেমে যান। একপর্যায়ে বিমানটি কর্ণফুলী নদীতে বিধ্বস্ত হয়।

    দুর্ঘটনাস্থলের পাশেই সার্জেন্ট জহুরুল হক বিমান ঘাঁটির অবস্থান। দুর্ঘটনা কবলিত বিমানটি সেখান থেকে উড়াল দিয়েছিল বলে জানা গেছে।

    যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠা-নামার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলে জানা গেছে।

  • তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন সরকার নিশ্চিত করতে চায়: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন সরকার নিশ্চিত করতে চায়: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ মে, ২০২৪: তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন সরকার নিশ্চিত করতে চায়, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, “তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন সরকার নিশ্চিত করতে চায়। এই আইন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে পাশ করা হয়। সরকার নিজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য এই আইন করেছে। তবে যেকোনো একটি আইন সমাজে তৈরি হলে, সে আইন বাস্তবায়নে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। এই আইনে যারা তথ্য নেবেন বা যারা তথ্য দেবেন দুই পক্ষেরই কিছু বোঝাপড়ার অভাব থাকতে পারে। এ আইন শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী করেছে। কিন্তু সে অস্ত্রের ব্যবহার না অপব্যবহার হবে সেটা বোঝা এবং এ আইনে যাদের কাছে তথ্য চাওয়া হবে তাদের মধ্যে একটি সংস্কৃতিগত রূপান্তর দরকার। তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় জড়তা থাকে। যেগুলো জনসম্পৃক্ত তথ্য, জনগণের যেটা অধিকার সে তথ্য দেয়ার বিষয়টি সরকার নিশ্চিত করতে চায়। গণমাধ্যমের সাংবাদিকদেরও তথ্য চাওয়ার ক্ষেত্রে পেশাদার অ্যাপ্রোচ থাকা প্রয়োজন।”

    আজ বুধবার (০৮ মে) দুপুরে রাজধানীর দারুস সালামে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘তথ্য অধিকার আইন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “তথ্য অধিকার আইনের অধীন যে তথ্য চাওয়ার অধিকার আছে সে বিষয় নিয়ে অনেক সময় যারা তথ্য চাইবেন তাদের পক্ষ থেকেও কিছু ভুল বোঝাবুঝি থাকে। কোন তথ্য সর্বসাধারণের জন্য এবং কোন তথ্য গোপন তথ্য সেটার পার্থক্য করতে পারা জরুরি। কিছু তথ্য আছে স্পর্শকাতর যেগুলো গোপন আইনের অধীন রক্ষিত আছে, এগুলো সর্বসাধারণের জন্য নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, বিটিআরসিসহ এ ধরণের অন্যান্য স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হয়। এসব কৌশল বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত অনেক সময় গোপন রাখতে হয়। এগুলো প্রকাশ করলে অনেক সময় বৃহত্তর স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক্ষেত্রে সাংবাদিকতা, তথ্যের অবাধ প্রবাহ, তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং স্পর্শকাতর তথ্য এসবগুলোর মধ্যে ভারসাম্য করতে হয়। সেখানে প্রশিক্ষণ, যোগাযোগ ও মিথস্ক্রিয়া সকল পক্ষের করা প্রয়োজন।”

    তিনি আরও বলেন, “তথ্যের অবাধ প্রবাহ, জনগণের কাছে তথ্য পৌঁছানো ও অপতথ্য মোকাবিলা করতে হবে। তবে সর্বসাধারণের জন্য তথ্য এবং জাতীয় স্বার্থে যেগুলোক পৃথিবীর সকল দেশে স্পর্শকাতর ও গোপন তথ্য হিসেবে ধরা হয় সেগুলোর মধ্যে পার্থক্য নিরূপণের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। আমরা সরকার ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও  জবাবদিহি সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিতে চাই। এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অঙ্গীকার।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “তথ্য অধিকার আইনকে আমরা আরো প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমরা চাই, সাংবাদিকরা যেনো এই আইন ব্যবহার করে আরও ক্ষমতাপ্রাপ্ত হোন, এই আইনের পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারেন এবং তার উপযোগিতা আমরা সমাজে পাই। একইসাথে এই আইনের আমরা দায়িত্বশীল ব্যবহার দেখতে চাই। যাদের এই আইনের অধীনে তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে যেন তথ্য চাওয়া হলে সেটি দেওয়া হয়। জনগণের পক্ষ থেকে যখন গণমাধ্যম তথ্য চাইবে, সে তথ্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক তথ্য যত দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরবরাহ করা হবে, ততো গুজব বা অপপ্রচার হওয়ার সুযোগ কম হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “যে তথ্য জনগণের বলে তথ্য অধিকার আইন নিশ্চিত করছে, সেই তথ্য গণমাধ্যমকে দিতে হবে। এই তথ্যগুলো যত দ্রুততার সাথে সহজলভ্য করা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ এই ধরণের অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য ততো ভালো। আমাদের সবার এই মানসিকতা তৈরি করা দরকার যে, সঠিক তথ্য যত দ্রুত জনগণের কাছে চলে আসবে, এটা আমাদের জন্য মঙ্গল।”

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সরকার চায় তথ্য অধিকার আইনের আওতায় যারা তথ্য দেবেন না, তথ্য দেয়ার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেনো কোন ধরণের জড়তা বা মানসিক বাধা না থাকে। সরকার আরও চায় সরকারি প্রতিটি প্রতিষ্ঠান দ্রুততম সময়ের মধ্যে তথ্য সহজলভ্য করুক। আর যারা তথ্য চাইবেন আমরা চাই তথ্য অধিকার আইন তারা সঠিকভাবে ব্যবহার করবেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই আইন ব্যবহারের সক্ষমতা তৈরি হোক সেটাও আমরা চাই যাতে এই আইনের অপব্যবহার কেউ না করে।”

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য দেওয়া প্রসঙ্গ প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, “একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য সহজলভ্য করা হবে। অপসংবাদিকতা হলে তার সবচেয়ে বড় শিকার হয় পেশাদার সাংবাদিকরা। অপপ্রচার হলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সকল আইনেই কিছু অসৎ ব্যক্তি অপব্যবহারের সুযোগ নিতে চায়। সেটা আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। কিন্তু সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) ব্যবহার করে কোনো সাংবাদিকতার চর্চা আটকে দেওয়ার সুযোগ নেই। সিএসএ পেশাদার সাংবাদিকতাকে সুরক্ষা দেবে।”

    জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সুফী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার ডক্টর আবদুল মালেক ও  বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলম।

    তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী ফায়জুল হকসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের অর্থনীতি বিটের ৫০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

  • ৭ টি আন্তর্জাতিক কোম্পানি সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র কিনেছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

    ৭ টি আন্তর্জাতিক কোম্পানি সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র কিনেছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ মে, ২০২৪: ৭ টি আন্তর্জাতিক কোম্পানি সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র কিনেছে, বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তনি বলেন,  “দেশের সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে অংশ নিতে এখন পর্যন্ত সাতটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি দরপত্র কিনেছে”

    আজ বুধবার (৮ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে দরপত্র সংক্রান্ত এক সেমিনারের প্রথম সেশন শেষে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে গত মার্চে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। বাংলাদেশের সমুদ্রে কাজ করার জন্য অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আজকের সেমিনারেও ১৫টির বেশি আন্তর্জাতিক কোম্পানি অংশ নিয়েছে। এবারের দরপত্রে দেশের স্বার্থের পাশাপাশি বিনিয়োগকারী কোম্পানির স্বার্থও দেখা হয়েছে। ফলে এবারের দরপত্র নিয়ে বেশ আশাবাদী।”

    সেমিনারের প্রথম সেশন শেষে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, “আগের দরপত্রের তুলনায় নতুন দরপত্রে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এবার অনেক সুবিধা বেড়েছে। এবার দুই পক্ষের জন্যই বিষয়টি লাভজনক করা হচ্ছে।”

    জ্বালানি উপদেষ্টা আরও বলেন, “দক্ষিণ এশিয়া অনেক শান্তিপূর্ণ একটি এলাকা। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যারা দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করে, তারা এই বিষয়টি বিবেচনা করবে। তুলনামূলক এই এলাকায় বিনিয়োগ করা কম ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশের সমুদ্রের আশপাশেই গ্যাসের অনেক বড় বাজার আছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় মনে হচ্ছে, অনেকেই দরপত্রের প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে। শেভরন দেশে চার বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এটাই প্রমাণ করে বাংলাদেশ কতটা সম্ভাবনাময়।”

    তৌফিক-ই-ইলাহী বলেন, “শেভরন আমাদের দেশে চার বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এটাই প্রমাণ করে যে, আমাদের দেশ কতটা সম্ভাবনাময়।”

  • প্রধানমন্ত্রী হাজি ক্যাম্পে হজ কার্যক্রম এর উদ্বোধন করেছেন

    প্রধানমন্ত্রী হাজি ক্যাম্পে হজ কার্যক্রম এর উদ্বোধন করেছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ মে, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের হজ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন । আজ বুধবার (০৮ মে) দুপুরে রাজধানীর আশকোনায় হাজি ক্যাম্পে হজ কার্যক্রম-২০২৪ এর উদ্বোধন করেন তিনি।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী হজযাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবর নেন। হজযাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে পবিত্র হজ পালন শেষে আপনজনদের কাছে ফিরে আসতে পারেন সেই জন্য দোয়া করেন শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে হজ পালনকালে হজযাত্রীদের দেশ ও জনগণের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আজকের বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা পাচ্ছে জনগণ। তারা ঘরে বসেই সহজে হজ করতে যেতে পারছেন, কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই। তাছাড়া ডিজিটাল সেন্টারে বসেই নিবন্ধন করা যাচ্ছে। ”

    তিনি বলেন, “মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে সম্মান জানিয়ে সবাই যাতে তাদের নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারে, সেসব ব্যবস্থা করে গেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছেন।”

    শেখ হাসিনা বলেছন, “বিশ্বের সব মুসলিম দেশ একসঙ্গে কাজ করলে ফিলিস্তিনিসহ বিশ্ব মুসলিমের দাবি আদায় সহজ হতো। ইসলামের নামে কিছু লোক অপকর্ম করে, মুসলমানদের বদনাম দিয়ে যায়, এটি দুঃখজনক। আমি সবসময় এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছি।”

    হাজিদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা মুসলিম বিশ্বের জন্য দোয়া করবেন।”

    তিনি বলেন, “ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো হচ্ছে। নারী, পুরুষ ও শিশুদের কাউকেই রেহাই দেয়া হচ্ছে না। সবখানেই আমার কণ্ঠ সোচ্চার। সব জায়গাতেই আমি এর প্রতিবাদ করে যাচ্ছি। আরব ভূখণ্ডে ফিলিস্তিন তাদের জায়গা তারা পাবে। এটা তাদের অধিকার। মুসলিম বিশ্ব এক হলে ফিলিস্তিনির অধিকার আদায়ে আরও এগিয়ে যেতে পারতাম। ওআইসি ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আমি একমাত্র বোন। একমাত্র বোন হিসেবে আমি সব মুসলিম দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছি আপনারা এক হন।”

    তিনি আরও বলেন, “ইসলাম শান্তির ধর্ম। যেখানে সব ধর্মের মানুষের অধিকারের কথা বলা আছে। অথচ ধর্মের নামে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সৌদি বাদশার অতিথি হয়ে ওমরাহ করতে গিয়ে হজ ক্যাম্প ঘুরে দেখেছি। হাজিদের কষ্ট দেখেছি ধীরে ধীরে হজ ব্যবস্থাপনা সুন্দর হচ্ছে।”

     

    এ বছর  আগামীকাল বৃহস্পতিবার ( ৯ মে ) থেকে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের নিয়ে হজ ফ্লাইট চালু হওয়ার কথা রয়েছে।

    জানা গেছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রথম হজ ফ্লাইট বিজি-৩৩০১ বিমানটি ৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে সকাল ৭টা ২০ মিনিটে সৌদি আরবের জেদ্দার উদ্দেশে যাত্রা করবে। একই দিন দুপুর ১ টায় সৌদি আরবের ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বাংলাদেশি হজযাত্রীদের নিয়ে জেদ্দার উদ্দেশ্যে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

    ঢাকা হজ অফিসের আইটি ইনচার্জ কাজী মো. মুরাদ ই আলম গণমাধ্যমকে জানান, এ বছর মোট ৮৫ হাজার ২৫৭ বাংলাদেশি হজ পালন করতে পারবেন। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৫৬২ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বাকি ৮০ হাজার ৬৯৫ জন ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

    তিনি আরো জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে ইতোমধ্যে চার হাজার ৩১৪ হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে ৭৮ হাজার ৮৯৫ হজযাত্রী নিবন্ধিত হয়েছেন।

    আগামী ৯ মে থেকে ১০ জুন পর্যন্ত জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১১৭টি হজ পূর্ব ফ্লাইটে করে ৪৫ হাজার ৫২৫ জন এবং মে মাস থেকে ১২ জুনের মধ্যে সৌদি আরবে ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৪৩টি হজপূর্ব ফ্লাইটে করে বাকি হজযাত্রীদের হজ পালন করতে সৌদি আরবে নিয়ে যাবে।

    বাংলাদেশ বিমান ২০ জুন সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের নিয়ে ফিরতি ফ্লাইট শুরু করবে এবং সৌদি আরবের বিমান সংস্থা ফ্লাইনাস ২১ জুন থেকে হজ ফিরতি ফ্লাইট চালু করবে।

  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্ভের পর জানা যাবে অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্ভের পর জানা যাবে অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ মে, ২০২৪: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্ভের পর জানা যাবে অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।  স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে করোনার অ্যাস্ট্রোজেনেকা টিকার কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া আমরা পাই নাই। এটা জানার পর আমি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দিয়েছি। তারা সার্ভে করে আমাকে রিপোর্ট দেবে। আমি যতক্ষণ না জানবো এটার পার্শপ্রতিক্রিয়া কী, ততক্ষণ কিছুই বলতে পারবো না। তবে আমরা এই বিষয়ে সজাগ আছি। ”

    আজ বুধবার (৮ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করণে টিকাদান কর্মসূচিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

    অ্যাস্ট্রোজেনেকা তাদের টিকা উঠিয়ে নিতে বলছে। আমাদের দেশে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ওরা বলছে, কিন্তু আমরা প্রমাণ না পেলে কিভাবে উঠিয়ে নেব।”

    ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “ডেঙ্গু এমন একটা রোগ, ডেঙ্গুতে আমি আমার মাকে হারিয়েছি। আমি চাই না আর কারও মা যেন মারা যান। ডেঙ্গু শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়। আমরা যদি ডেঙ্গুর উৎস বন্ধ করতে না পারি, তাহলে নিয়ন্ত্রণ হবে না। ডেঙ্গুর চিকিৎসার সক্ষমতা আমাদের আছে। ডেঙ্গু চিকিৎসায় আমাদের চিকিৎসকরা অত্যান্ত দক্ষ। আমার অনুরোধ, জ্বর হলেই যেন পরীক্ষা করে সবাই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করেন। দেরি করলেই ডেঙ্গুর জটিলতায় রোগী মারা যেতে পারে। আমি আশা করি এবার স্যালাইনের কোনো সংকট হবে না। আমি কোম্পানিগুলোকেও বলেছি স্যালাইনের দাম যেন না বাড়ে।

    এর আগে সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অর্জন হয়েছে। বিশেষ করে মাতৃমৃত্যু, শিশু মৃত্যু এবং টিকাদান কার্যক্রমে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সব চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটা শিশুর জন্য টিকা প্রাপ্তিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। টিকা দানের সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে ভ্যাক্সিন হিরো উপাধি দেওয়া হয়েছে। সকলের সম্মিলিত কার্যক্রমে টিকা দান কর্মসূচি অনন্য সফলতার গল্প হয়ে উঠেছে।”

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং- এর সভাপতি সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ।

  • প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৭ মে, ২০২৪: প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “প্রকল্প গ্রহণের আগে তা জনগণের কল্যাণে কতটুকু কাজে লাগবে তা বিবেচনা করতে হবে।

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) গণভবনে স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১ বিনির্মাণে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কার্যক্রম রূপরেখা সংক্রান্ত উপস্থাপনা অবলোকনকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, “প্রত্যেকটা প্রকল্পের ক্ষেত্রে কতটুকু উন্নতি হবে, কতটুকু দেশের মানুষের কাজে লাগবে সেই বিবেচনাটা আগে করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “উন্নয়নটা যেন আমরা এমন ভাবে করি- আমাদের সক্ষমতাও বাড়বে, পরনির্ভরশীলতা কমবে, তার ফলাফলটা মানুষের মধ্যে পৌঁছাতে পারবো।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখন আমাদের সময় এসেছে যে ২০২১ থেকে ২০৪১। এটা মাথায় রেখে প্রত্যেকটা পরিকল্পনায় সবার আগে যে বিষয়টা আমাদের মাথায় নিতে হবে যে তাতে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কতটুকু গতিশীল হবে, স্থানীয় মানুষের কতটুকু উন্নতি হবে। এ যে এত টাকা খরচ করে করলাম তার ফলাফলটা কী হবে।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী।

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বন্যা

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বন্যা

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৭ মে, ২০২৪: ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী পদক পেয়েছেন বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) তিনি প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠকন্যা শেখ রেহানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

    রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মর্যাদাপূর্ণ এ পদক বাংলাদেশের জন্য গর্বের।

    পরে পদ্মশ্রী সনদ হাতে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার সাথে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ছবি তোলেন।

    গত ২২ এপ্রিল সন্ধ্যায় ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে পুরস্কারটি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার হাতে তুলে দেন দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

  • ডেঙ্গুতে কারো মা যেন না হারায় সেজন্য কাজ করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ডেঙ্গুতে কারো মা যেন না হারায় সেজন্য কাজ করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৭ মে, ২০২৪: ডেঙ্গুতে কারো মা যেন না হারায় সেজন্য কাজ করব, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ে আমার চিন্তা আছে। আমি কাজ করবো যাতে আর কারো মা এতে মারা না যায়।’

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে ) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ইউএইচসি ফোরাম ও ব্র্যাক ডেঙ্গু বিষয়ক  আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ কথা বলেন।

    ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যক্তি পর্যায়ে সবার সমন্বিত পদক্ষেপের বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন ইউএইচসি ফোরাম-ব্র্যাক সংলাপের বক্তারা।

    সেমিনারে বলা হয়, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ডেঙ্গু রোগের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের সম্মুখীন হয়েছিল। যেখানে ৩ লাখ ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ১ হাজার ৭০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এক সময় মৌসুমি হিসেবে বিবেচিত ডেঙ্গু এখন সারা বছরব্যাপী মহামারিতে পরিণত হয়েছে। ২০২৪ সালের মাত্র চার মাসে ২,১০০-এরও বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২০২৪-২০৩০ সালের জন্য একটি জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কৌশল প্রণয়ন করেছে বটে কিন্তু কৌশলটি বাস্তবায়নে মনিটরিং ব্যবস্থা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইউএইচসি ফোরামের আহ্বায়ক এবং ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

    সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগামের পরিচালক ডা. শেখ দাউদ আদনান, বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল অ্যান্ড মেজারমেন্টসের মহাপরিচালক ড. মালা খাতুন।

    সেমিনারে আরও আলোচনা করেন ব্র্যাকের হেলথ অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর মো. আকরামুল ইসলাম, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনস্বাস্থ্য পরামর্শক ড. শাবানা রোজ চৌধুরী (ভিডিওর মাধ্যমে) উপস্থিত ছিলেন।

    ইউএইচসি ফোরাম এবং ব্র্যাকের সহ-আয়োজকদের পক্ষ থেকে ড. আমিনুল হাসান এবং ড. ইমরান আহমেদ চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন।

    ডেঙ্গু ছড়ানো মশাদের আচরণ ও প্রজনন ধারায় পরিবর্তন সম্পর্কিত নতুন গবেষণালব্ধ ফলাফল তুলে ধরেন ড. কবিরুল বাশার। সেখানে উল্লেখ করা হয়, এই মশাগুলো কেবল পরিষ্কার পানিতে নয়, দূষিত নর্দমার পানিতে বেঁচে থাকতে সক্ষম। কৃত্রিম আলোর তীব্রতা বাড়ায়, রাতের বেলায়ও মারাত্মক সংক্রমণ  ঘটছে। এটি শুধু শহরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং গ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে। মহিলাদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি। এমন গবেষণালব্ধ ফলাফলগুলোকে আরও কার্যকর প্রতিরোধের জন্য বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

    দেশীয়ভাবে ডেঙ্গু টেস্টের কিট উন্নয়নে নিজের অভিনব উদ্ভাবনের তথ্য তুলে ধরেন ড. মালা খান। ঘরোয়া এবং সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে বড় ধরনের সম্ভাবনা রয়েছে এই কিটের।

    ডা. শেখ দাউদ আদনান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নির্দেশিকা ও কৌশলের ওপর আলোকপাত করেন।

    মো. আকরামুল ইসলাম ব্র্যাকের কমিউনিটি এনগেজমেন্ট কৌশলের কথা বলছেন, যা প্রতিরোধ মূলক পদক্ষেপ এবং তৃনমূল গোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবার চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।

    ডা. শাবানা রোজ চৌধুরী ভারতের কলকাতা শহরে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় তাদের অভিজ্ঞতা একটি অনলাইন প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন তার বক্তৃতায় ডেঙ্গু মোকাবিলায় সামাজিক অংশগ্রহণের আবশ্যিকতা তুলে ধরে বলেন, প্রতিরোধ সবসময় প্রতিকারের চেয়ে উত্তম। আমাদের অবশ্যই ডেঙ্গুকে পরবর্তী মহামারি হয়ে ওঠার আগেই মোকাবিলা করতে হবে।

    তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য এজেন্ডায় সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে কাজ করার সংকল্প ব্যক্ত করেন এবং ইউএইচসি ফোরাম ও  ব্র্যাককে অন্যান্য স্টেকহোল্ডার যেমন স্থানীয় সরকারের সাথে এই ধরনের আলোচনা করতে আহ্বান জানান।

    ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম শহরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর অভাব স্বীকার করেন এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণালব্ধ ফলাফল এবং দেশীয় কিট উদ্ভাবনের জন্য প্রশংসা করেন।

    সমাপণী বক্তব্যে অধিবেশনের সভাপতি ড. হোসেন জিল্লুর রহমান জোর দিয়ে বলেন যে, কাগজে-কলমের প্রস্তুতিকে সমন্বিত বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তরিত করতে হবে।

    তিনি জেলা, বিভাগীয় এবং শহর পর্যায়ে ডেঙ্গু হটস্পটগুলিতে বৃহত্তর স্টেকহোল্ডার সংলাপের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন এবং উদীয়মান সংকট প্রশমিত করতে এবং ভবিষ্যতের প্রাদুর্ভাব রোধ করার জন্য সমগ্র সমাজের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।

  • আইওএম এর মহাপরিচালকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    আইওএম এর মহাপরিচালকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মে, ২০২৪: আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপ এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেছেন।

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    পরে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    এ সময় আইওএম’র মহাপরিচালক অ্যামি পোপ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

    এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে ক্যাম্পগুলো অত্যধিক ঘনবসতিপূর্ণ। মিয়ানমারে সংঘাত চলছে, ক্যাম্পগুলোর ভেতরে নানান দল-উপদল আছে, গ্রুপিং আছে, তাদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্ধ-সংঘাত আছে। সেগুলোর কারণে তাদের মধ্যে অনেক সংর্ঘষ হয়।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সেখানে পর্যাথপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

    কক্সবাজারের পরিবেশের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, কক্সবাজারে এখন স্থানীয় জনগণই সংখ্যালঘু হয়ে গেছে। রোহিঙ্গারাই সংখ্যায় বেশি। সেখানে যে সীমিত সম্পদ আছে তা নিয়ে অনেক সময় দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হচ্ছে।

    ভাষাণচরে অধিকতর ভালো আবাসন ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ভাসানচরে সব ধরনের সুবিধা সম্বলিত অবকাঠামো তৈরি করেছি। সেখানে রোহিঙ্গাদের চিকিৎসা, বাচ্চাদের শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওখানে আরও মানুষের আবাসনের সুযোগ আছে। সেখানে এক লাখ মানুষের আবাসনের ব্যবস্থা আছে।

    প্রবাসী শ্রমিকরা দুই দেশের অর্থনীতি এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা যেহেতু দুই দেশেরই অর্থনীতি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে, উভয়েরই দায়িত্ব তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা।

    প্রবাসী শ্রমিকদের কল্যাণে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণের ব্যবস্থাসহ বাংলাদেশ সরকারের অনেকগুলো কর্মসূচি হাতে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

    আইওএম মহাপরিচালক অ্যামি পোপ অভিভাসী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন, ভাষা-সংস্কৃতি শিক্ষা এবং যে দেশে যাবে সেই দেশের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার বিদেশগামী কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তাদের দক্ষ করে বিদেশ পাঠানোর ব্যবস্থা নিয়েছে। এ লক্ষ্যে সারাদেশে প্রায় ১১২টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেখানে নানান ধরনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং ভাষাশিক্ষা দেওয়া হয়।

    জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। আমাদের নদীভাঙন, বন্যাসহ বিভিন্ন কারণে মাইগ্রেশন হয়। তবে আমরা আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের আবাসনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

    তিনি বলেন, উপকূল অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়প্রতিরোধী বাড়িঘর, বন্যাপ্রবণ এলাকায় ভাসমান বাড়িঘর করে দেওয়া হচ্ছে।

    জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য খুরুশকুলে বহুতল ভবন নির্মাণ করে প্রায় চার হাজার ক্ষতিগ্রস্তকে আবাসন করে দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

    দারিদ্র্যের সঙ্গে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যদি আমরা দারিদ্র্য কমাতে পারি তাহলে অভিভাসনের তীব্রতা কমে যাবে।

    দেশে দারিদ্র্য কমাতে সরকারের নানামুখী উদ্যোগের কথা তুলে ধরে টানা চারবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গত ১৫ বছরে দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে এনেছি। এখন অতিদারিদ্র্যের হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

    সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

     

    জানা গেছে, সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকা সফর করবেন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা। আইওএম মহাপরিচালক অ্যামি পোপকে দিয়ে শুরু হচ্ছে এ সফর।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আইওএম মহাপরিচালক ৫-৯ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবেন।

    ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর আইওএম মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান অ্যামি পোপ। সংস্থাটির ৭৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী মহাপরিচালক হন তিনি। অ্যামি আইওএমে যোগ দেওয়ার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অভিবাসন বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ছিলেন। এর আগে তি‌নি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ডেপুটি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।

    এর আগে ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তৎকালীন মহাপরিচালক উইলিয়াম ল্যাসি সুইং বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।

    গাত রবিবার (৫ মে) ঢাকায় এসেছেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপ।

  • উপজেলা নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে সেটাই বড় কথা: সিইসি

    উপজেলা নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে সেটাই বড় কথা: সিইসি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মে, ২০২৪: উপজেলা নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে সেটাই বড় কথা, বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, “উপজেলা নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে সেটাই বড় কথা। কোনো দল এলো কি এলো না, সেটা বড় কথা নয়। জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে এ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে। নির্বাচন যাতে প্রভাবিত না হয় সে ব্যাপারে কমিশন চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।”

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

    সিইসি বলেন, “ভোটে কেউ যাতে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে ব্যাপারে ইসির অবস্থান স্পষ্ট। প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা। ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশকারীরা যাতে ঢুকতে না পারে সে ব্যাপারে রিটার্নিং অফিসারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ইসি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। উৎসাহ-উদ্দীপনা থেকে ভোটের মাঠে যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা রয়েছে কমিশনের।”

    কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “ভোটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথভাবে মোতায়েন করা সম্ভব হবে। প্রার্থী ও প্রার্থীদের কর্মীদের নির্বাচনে সহযোগিতার আহ্বান জানান ‍তিনি।”

    সিইসি বলেন, “গণমাধ্যমের মাধ্যমেও শৃঙ্খলা ভঙ্গের চিত্র দেখা গেলে কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।”

    আগামীাকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) প্রথম ধাপে ১৪০টি উপজেলায় ভোট হবে। প্রথম ধাপে পাঁচটি উপজেলার প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছে বলে জানান সিইসি।