Author: Hello Bangla News

  • ভারতের রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার নিলেন বন্যা

    ভারতের রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার নিলেন বন্যা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৩ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক ‘পদ্মশ্রী’ পদক গ্রহণ করেছেন।রবীন্দ্র সঙ্গীতের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে এ সম্মাননা দিয়েছে ভারত সরকার। গতকাল সোমবার (২২ এপ্রিল) রাতে দিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেন তিনি।

    ভারত ছাড়া অন্য দেশের আরও ৮ জন এই পুরস্কার পেয়েছেন তাদের মধ্যে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা একজন।

    পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

    গত ২৫ জানুয়ারি ভারত সরকার ২০২৪ সালের পুরস্কারপ্রাপ্তদের নামের তালিকা প্রকাশ করে। সোমবার বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব সম্মাননা সমাজের নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    ১৯৫৭ সালে রংপুর জেলায় বন্যার জন্ম। চাচা আব্দুল আলীর কাছ থেকে তার প্রাথমিক গানের পাঠ নেন। পরবর্তীকালে এই সংগীত চর্চা সনজিদা খাতুন এবং আতিকুল হকের তত্ত্বাবধানে ঢাকার ছায়ানট এবং বুলবুল একাডেমি অফ ফাইন আর্টস (বাফা) এ অব্যাহত থাকে।

    পরে তিনি ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস’ (আইসসিআর) থেকে শান্তি নিকেতনের সঙ্গীত ভবনে পড়ার জন্য বৃত্তি পান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

    তিনি বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীলিমা সেন, শৈলজারঞ্জন মজুমদার, শান্তিদেব ঘোষ, গোরা সর্বাধিকারি, মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শিক্ষা নেন।

    বিশ্বভারতী থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের কয়েক বছর পর তিনি কণিকা ব্যানার্জির অধীনে বর্ধিত সময়ের জন্য ব্যক্তিগত সেশনে প্রশিক্ষণ নেন। ২০২১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্র সঙ্গীতের ওপর তার গবেষণা সম্পন্ন করেন এবং এর জন্য পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

    বন্যা বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্য বিভাগের অধ্যাপক ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। এর আগে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

    রবীন্দ্র সঙ্গীতের প্রচার ও প্রসারে বন্যা একজন প্রবর্তকের ভূমিকা পালন করেন। এ লক্ষ্যে ১৯৯২ সালে ঢাকার একটি মর্যাদাপূর্ণ সঙ্গীত বিদ্যালয় ‘সুরের ধারা’ প্রতিষ্ঠা করেন।

    রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা রবীন্দ্রসঙ্গীত ছাড়াও ধ্রুপদী, টপ্পা ও কীর্তন গানের ওপর শিক্ষা লাভ করেছেন। ২০২২ সালে বাংলাদেশ সরকার আত্মজীবনী ও ফটোগ্রাফ সম্বলিত বন্যার পাঁচ হাজার গান সংরক্ষণ করে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে।

    রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পদক পান। অন্য পুরস্কারগুলোর মধ্যে রয়েছে- সেরা নারী রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী হওয়ার জন্য আনন্দ সঙ্গীত পুরস্কার (২০০২), গানে গানে গুণীজন সংবর্ধনা (২০১১), ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে ২০১৩ সালে সঙ্গীত সম্মান পুরস্কার, বঙ্গ ভূষণ (২০১৭), ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক (২০১৭), পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক সঙ্গীত মহা সম্মান (২০১৭), এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (২০১৯) থেকে অনারারি ডক্টরেট অফ আর্টস সম্মাননা উল্লেখযোগ্য।

  • আইপিএলে মাঠে বাউন্ডারির সীমানা বাড়ান পরামর্শ গাভাস্কারের

    আইপিএলে মাঠে বাউন্ডারির সীমানা বাড়ান পরামর্শ গাভাস্কারের

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৩ এপ্রিল, ২০২৪: ভারত ক্রিকেটের কিংবদন্তি ওপেনার সুনিল গাভাস্কার। কখনও টি-টোযেনিট খেলার সুযোগ না হলেও এখন আইপিএলে ধারাভাষ্য দিচ্ছেন। আইপিএলের চলতি আসরে নিয়মিতই দেখা যাচ্ছে রান উৎসব।তাই তিনি মাঠে বাউন্ডারি সীমানা বাড়ানর পরামর্শ দিলেন।

    আইপিএলে গত শনিবার পর্যন্ত হওয়া ৩৫ ম্যাচে ২০০-পেরোন স্কোর দেখা গেছে ১৫ বার। আড়াইশর বেশি স্কোর হয়েছে পাঁচবার। এমন রান উৎসবের মাঝে বোলারদের ত্রাহি মধুসুদন অবস্থা। আইপিএল যেন একতরফাভাবে ব্যাটারদের হয়ে গেছে।

    চার-ছক্কার ঝড়ে দর্শকরা আনন্দ পেলেও ব্যাটিং ও বোলিংয়ের মধ্যের লড়াইয়ের সমতা আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভারতের কিংবদন্তি ওপেনার সুনিল গাভাস্কার। আইপিএল যাতে শুধুই ব্যাটসম্যানদের খেলায় পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে তিনি বিসিসিআইকে পরামর্শও দিয়েছেন।

    সম্প্রচারকারী চ্যানেলে আলোচনায় ভারতীয় কিংবদন্তি বলেন, আমি ব্যাটের আকার বদলাতে বলবো না। ওটা নিয়মের মধ্যেই আছে। আমি যেটা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি, প্রতিটি মাঠে বাউন্ডারির সীমানা বাড়ান। আজকের এই মাঠেই তাকান। এখানে বাউন্ডারি দড়ি আরও কয়েক মিটার পেছানো যায়। বাউন্ডারি একটু বাড়ালে ক্যাচ এবং ছক্কার পার্থক্য বোঝা যায়।

    সীমানা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে গাভাস্কার আরও বলেছেন, এলইডি কিংবা বিজ্ঞাপন বোর্ড পিছিয়ে ২-৩ মিটার বাউন্ডারি বাড়ানো যেতেই পারে। যেটা পার্থক্য গড়ে দেবে। নয়তো বোলাররা ভোগান্তির মধ্যেই থাকবে।

  • কাতারের আমিরের সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক শুরু

    কাতারের আমিরের সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক শুরু

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ এপ্রিল, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সফররত কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।

    আজ মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

    এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় রাজধানীর তেঁজগাওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে টাইগার গেটে তাকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শিমুল হলে একান্ত বৈঠকে বসেন দুই নেতা। একান্ত বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গ্লোব হলে ফটোসেশনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কাতারের আমির শেখ তামিম।

    এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে দুদেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আমির।

    দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে দুদেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা।

    গতকাল সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে দুদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দিয়ে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠনের পর মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ থেকে এটিই প্রথম উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় সফর।

    গত দুই দশকের মধ্যে এটি কাতারের কোনো আমিরের প্রথম বাংলাদেশ সফর। এর আগে ২০০৫ সালে কাতারের তখনকার আমির হামাদ বিন খলিফা আল থানি বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।

    এই সফরে দুই দেশের মধ্যে ছয়টি চুক্তি এবং পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হবে বলে জানা গেছে।

    চুক্তিগুলো হলো, দ্বৈত কর ও কর ফাঁকি পরিহার, আইনি বিষয়ে সহযোগিতা, সমুদ্র পরিবহন, পারস্পরিক বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সুরক্ষা, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের স্থানান্তর এবং একটি যৌথ ব্যবসায়িক পরিষদ প্রতিষ্ঠা। এর বাইরে শ্রমশক্তি, উচ্চশিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং কূটনৈতিক প্রশিক্ষণে সহযোগিতাসহ পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হওয়ারও কথা রয়েছে।

  • তাইওয়ানে কয়েক দফা ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

    তাইওয়ানে কয়েক দফা ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৩ এপ্রিল, ২০২৪: কয়েক দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে তাইওয়ান। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলীয় হুয়ালিয়েন কাউন্টিতে প্রায় ৫০ টির অধিক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে এসব ভূমিকম্প থেকে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    তাইওয়ানের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এর মধ্য সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনটি ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল পূর্বাঞ্চলের হুয়ালিয়েনের প্রত্যন্ত এলাকায়। ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী তাইপেতেও।

    দুই সপ্তাহ আগে দেশটিতে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর সোম এবং মঙ্গলবার দফায় দফায় আফটার শক অনুভূত হয়েছে।

    দেশটির অল্প জনবসতিপূর্ণ হুয়ালিয়েন শহরে গত ৩ এপ্রিল ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়। সে সময়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত তাইওয়ানে এক হাজারের বেশি আফটার শক অনুভূত হয়েছে।

    গত ৩ এপ্রিল তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূল এবং রাজধানী তাইপেই ছাড়াও জাপানের দক্ষিণাঞ্চল, চীনের পূর্বাঞ্চল এবং ফিলিপাইনে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের কারণে এসব দেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।পরবর্তীতে সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।

    মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল তাইওয়ানের হুয়ালিয়েন শহরের ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে। এর গভীরতা ছিল ৩৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার।

    দেশটির ভূমিকম্পবিষয়ক সংস্থার তথ্যমতে, তাইওয়ানে গত ২৫ বছরের মধ্যে এটাই ছিল সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প। এর আগে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাইওয়ানে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। সে সময় ২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রায় পাঁচশর মতো ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

  • মালয়েশিয়ায় নৌবাহিনীর দুইটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ১০ জন নিহত

    মালয়েশিয়ায় নৌবাহিনীর দুইটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ১০ জন নিহত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৩ এপ্রিল, ২০২৪: মালয়েশিয়ায় নৌবাহিনীর দুইটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। জানা গেছে নৌবাহিনীর কুচকাওয়াজের জন্য মহড়া চলাকালে মাঝ আকাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    আজ মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৭টা) দেশটির লুমুতে শহরে নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    মহড়া দেওয়ার সময় মাঝ আকাশে একটি হেলিকপ্টার অন্যটির সঙ্গে সংঘর্ষ হওয়ার পর বিধ্বস্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়ার একটি ভিডিও স্থানীয় মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। হেলিকপ্টার দুইটিতে মোট ১০ জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউই আর বেঁচে নেই।

    রাজকীয় মালয়েশিয়ান নৌবাহিনী জানিয়েছে, এ ঘটনায় দুই হেলিকপ্টারে থাকা সবাই ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মরদেহগুলো (লুমুত) সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

    হেলিকপ্টার দুইটির মধ্যে একটিতে সাতজন ক্রু ছিলেন। সংঘর্ষের পরে সেটি চলমান ট্র্যাকে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর অন্যটিতে তিনজন ক্রু ছিলেন। সংঘর্ষের পর সেটি কাছাকাছি একটি সুইমিং পুলে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়।

    এর আগে এ বছরের মার্চ মাসে মালয়েশিয়ান কোস্ট গার্ডের একটি হেলিকপ্টার প্রশিক্ষণ ফ্লাইটের সময় দেশটির আংসা দ্বীপের কাছে সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছিল। ওই ঘটনায় পাইলট, কো-পাইলট এবং জাহাজে থাকা দুই যাত্রীকে জেলেরা উদ্ধার করেছিলেন।

  • রান্না: তাওয়া চিকেন

    রান্না: তাওয়া চিকেন

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৩ এপ্রিল, ২০২৪: রন্ধন শিল্পীরা বিভিন্ন ধরণের মজাদার খাবার তৈরি করছে। আজকের রান্নাটি ভাত, রুটি, পরোটা বা পোলাওর এর সাথে খেতে পারেন। বা শুধু সালাদ দিয়েও খাওয়া যায়। আজ দেওয়া হলো ‘তাওয়া চিকেন’ এর রেসিপি। যা ঘরে বসে আপনি সহজে তৈরি করতে পারেন।

    Culinary artist-Umme Salma
    Culinary artist-Umme Salma

    উপকরণ:

    মুরগি ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নেয়া-৩ কাপ, পিঁয়াজ বাটা-হাফ কাপ, রসুন বাটা-১ টেবিল চামচ, আদা বাটা-১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়ো-৪ টেবিল চামচ, জিরে গুঁড়ো-১ চা চামচ, সয়া সস ৩ টেবিল চামচ, টমেটো সস ৩ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ৩ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, টক দই ৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।

     

    প্রস্তুত প্রণালীঃ

    এবার সব উপকরণ মাংসের সাথে মাখিয়ে নিব। নিয়ে আধা ঘণ্টা মেরিনেট করে রেখে দিব। এবার একটা তাওয়া চুলায় দিয়ে হাফ কাপ পরিমাণ তেল দিয়ে দিব। তেল গরম হলে মেরিনেট করা মাংস তাওয়ার মধ্যে দিয়ে দিব। এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়ে মিডিয়াম আঁচে রান্না করবো। শুকনো হয়ে আসলে উপরে কিছুটা পেয়াজ কুঁচি  কাঁচা মরিচ কুঁচি ও টমেটো সস দিয়ে একটু নেড়েচেড়ে নামিয়ে ফেলবো।রেডি হয়ে গেল তাওয়া চিকেন।এবার প্লেটে সুন্দর করে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করব। এটা পরোটা, রুটি ,ভাত এবং পোলাও এর সাথে ও খাওয়া যাবে।

    রেসিপি দিয়েছেন: উম্মে সালমা

  • প্রধানমন্ত্রী পাঁচ দিনের সফরে বুধবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী পাঁচ দিনের সফরে বুধবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ এপ্রিল, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী পাঁচ দিনের সফরে বুধবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাঁচ দিনের সফরে  বুধবার (২৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ড যাচ্ছেন। সফরকালে দুই দেশের মধ্যে  একটি চুক্তি, ৩ সমঝোতা স্মারক ও একটা লেটার অফ ইনটেন্ট সই হওয়ার কথা আছে।”

    আজ সোমবার (২২ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর থাইল্যান্ড সফরে রোহিঙ্গা ফেরাতে সহযোগিতা চাওয়া হবে।”

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সফরের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আমদানি-রফতানি বৃদ্ধির জন্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পর্যালোচনার পাশাপাশি অন্যান্য অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়; বিশেষত বিনিয়োগ, পর্যটন, জ্বালানি, স্থল ও সমুদ্র সংযোগ, উন্নয়ন প্রভৃতি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।”

    বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন, বৌদ্ধ সার্কিট পর্যটন প্রচারণা, পর্যটন অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগ প্রভৃতি ক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সুবিধা অর্জন করতে পারবে। পর্যটন শিল্পে এই সহযোগিতার ফলে উভয় দেশে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    এছাড়া বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি করা হলে উভয় দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ সহজতর হবে এবং বিভিন্ন সভা-সেমিনার ও প্রশিক্ষণে সরকারী কর্মকর্তারা সময়মতো যোগদান করতে পারবেন বলে তিনি জানান।

    দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর বাংলাদেশের কোনো প্রধানমন্ত্রীর থাইল্যান্ডে এটা প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর। ১৯৭২ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল থাইল্যান্ড।

    ২৬ এপ্রিল ব্যাংককের গভর্নমেন্ট হাউসে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী শ্রেথা থাভিসিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শীর্ষ বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি সহযোগিতা, পর্যটন খাতে সহযোগিতা, শুল্কসংক্রান্ত পারস্পরিক সহযোগিতা-বিষয়ক সমঝোতা স্মারক, সরকারি পাসপোর্টধারীদের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি ও মুক্তবাণিজ্যসংক্রান্ত সম্মতিপত্র সইয়ের কথা রয়েছে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শেখ হাসিনা থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন; পাশাপাশি তিনি জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনএসকাপ) অধিবেশনে যোগ দেবেন। এই সফরে থাইল্যান্ডের রাজপ্রাসাদে দেশটির রাজা ভাজিরালংকর্ন ও রানি সুথিদার সঙ্গেও সাক্ষাৎ হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

    থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী শ্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে দ্বিপক্ষীয় এই সফরে ব্যাংককে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই শীর্ষ নেতার বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউএনএসকাপের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দেবেন। ২৫ এপ্রিল ইউএনএসকাপের অধিবেশনে বক্তৃতা দেবেন তিনি।

    ২৫ এপ্রিল জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি এবং এসকাপের নির্বাহী সচিব আরমিডা সালসিয়াহ আলিশাবানা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলামের থাইল্যান্ড যাওয়ার কথা রয়েছে।

  • ঢাবিতে ‘মুক্তিযুদ্ধ, মুজিবনগর সরকার ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঢাবিতে ‘মুক্তিযুদ্ধ, মুজিবনগর সরকার ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ এপ্রিল, ২০২৪: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কথা এলেই চলে আসে মুজিবনগর সরকারের কথা। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতেই এই সরকার মুক্তিযুদ্ধের দিকনির্দেশনা দেয়।সৃষ্টি হয় সম্প্রীতির বাংলাদেশের। এই আলোকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘মুক্তিযুদ্ধ, মুজিবনগর সরকার ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ’শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ সোমবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় সম্প্রীতির বাংলাদেশ ঢাবি শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভার সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের ঢাবি শাখার সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার। প্রধান আলোচক হিসেবে ‘সম্প্রীতির বাংলাদেশ’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক পীযূষ বন্দোপধ্যায় ও আলোচক হিসেবে ঢাবির ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

    সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক বিমান চন্দ্র বড়ুয়া বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ, মুজিবনগর সরকার বা সম্প্রতির বাংলাদেশের কথা বলতে গেলে বঙ্গবন্ধুর নাম সবার সামনে আসে। ইতিহাসের রাজনৈতিক প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্বদের মধ্যে নির্যাতিত, নিপীড়িত ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধু ছাড়া পৃথিবীতে অন্য কেউ নেই। তার আদর্শের দিকে তাকিয়েই আমরা পথচলার শক্তি খুঁজে পাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।”

    এ সময় তিনি মুজিবনগর সরকার ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আলোকপাত করেন এবং এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

    প্রধান আলোচকের বক্তব্যে পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ছয় দফা ও মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসের যা নিয়েই কথা হোক… ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বটতলার কথা উঠে আসে। এগুলোর সাথে মানুষের আবেগ নয়, বরং মানুষের আকাঙ্ক্ষা জড়িত রয়েছে। আমাদের জীবনে এপ্রিল না এলে ডিসেম্বর আসতো না। মুজিবনগর সরকার গঠিত না হলে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় সহজ ছিল না। অথচ আজকের দিকে এপ্রিল মাস অনেকটাই অবহেলিত রয়েছে।”

    তিনি বলেন, “এই মুজিবনগর সরকার গঠনের মাধ্যমেই বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ নামক একটি দেশের পরিচিতি লাভ করে। এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সবার মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।”

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, “বাংলাদেশ শান্তি ও সম্প্রীতির দেশ। এই সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি তৎপর রয়েছে।”

    এই অপশক্তিকে মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে আসার জন্য তরুণ প্রজন্মসহ সবার প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

    আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম সৌমেত ভারতীয়া ও প্রফেসর ড. রীতা চৌধুরী। এ সময় বিভিন্ন বিভাগ ও ইন্সটিটিউটের শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কার্বন নিঃসরণের নেতিবাচক প্রভাব আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য হুমকি: প্রধানমন্ত্রী

    কার্বন নিঃসরণের নেতিবাচক প্রভাব আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য হুমকি: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ এপ্রিল, ২০২৪: কার্ব নিঃসরণের নেতিবাচক প্রভাব আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য হুমকি, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবস্থান ০.৪৮ শতাংশের কম হলেও, এর নেতিবাচক প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের মধ্যে আমরা অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তনের এ বিরূপ প্রভাব আমাদের সম্ভাব্য উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে।”

    আজ সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) এক্সপো’ এবং ‘বাংলাদেশ জলবায়ু উন্নয়ন অংশীদারিত্বের (বিসিডিপি)’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উন্নত দেশগুলো ব্যাপক কার্বন নিঃসরণের মাধ্যমে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখে চলেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে রক্ষা করা তাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

    আগামী ২৭ বছরে ন্যাপের গৃহীত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রায় ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এজন্য সুনির্দিষ্ট তহবিল ও অতিরিক্ত আর্থিক সংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণে ধনী দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাই।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতি থাকাকালে অভিযোজন এবং প্রশমন কার্যক্রমে উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুত প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার প্রদানের বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য বার বার আহ্বান জানিয়েছি। আমার প্রত্যাশা, উন্নত দেশসমূহ তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশসহ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের হুমকিতে থাকা অন্যান্য দেশগুলো যাতে অব্যাহতভাবে আর্থিক, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পায় সেজন্য আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

    তিনি বলেন, “আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলতে চাই। এজন্য প্রয়োজন অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, সহিষ্ণুতা শক্তিশালী করা এবং ঝুঁকি হ্রাসে সমন্বিতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করা।

    এসময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন। সেগুলো হলো- কার্বন-নির্গমনকারী দেশগুলোকে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখতে তাদের নির্গমন হ্রাস করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। উন্নত দেশগুলোর দ্বারা জলবায়ু তহবিলে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। অভিযোজন এবং প্রশমনের মধ্যে তা সমানভাবে বণ্টন করতে হবে। উন্নত দেশগুলোকে উন্নয়নশীল দেশে প্রযুক্তি স্থানান্তরের পাশাপাশি সবচেয়ে কার্যকর জ্বালানি সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের সময়, সংশ্লিষ্ট দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার তাদের ক্ষতি অনুসারে বিবেচনা করা উচিত।

    সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদী-ভাঙন, বন্যা এবং খরার কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষদের পুনর্বাসনের দায়িত্ব সবে দেশকে ভাগ করে নিতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলেই মামলা ও জরিমানা হবে: মেয়র আতিক

    এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলেই মামলা ও জরিমানা হবে: মেয়র আতিক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ এপ্রিল, ২০২৪: এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলেই মামলা ও জরিমানা হবে, বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আগামী ২৭ তারিখ থেকে যার বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া যাবে সঙ্গে সঙ্গেই মামলা, জরিমানা করা হবে। সরকারি অফিস ও সিটি করপোরেশনের অফিসও ছাড় পাবে না। টাকার পরিমাণ আগের চেয়ে আরও বাড়বে। আমাদের কেউ বাধ্য করবেন না।”

    আজ সোমবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর রুপনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসিসির মাসব্যাপী সচেতনতামূলক প্রচার অভিযানে গিয়ে তিনি একথা বলেন।

    মেয়র আতিক বলেন, “বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় দুই বাড়ির মাঝখানে ময়লা আর ময়লা, সবাই বলে আমি করি নাই, তাহলে কে করেন? কারা করেন? এডিস মশার জন্ম আমার আপনার বাড়িতেও স্বচ্ছ পানিতে হচ্ছে, তাই আমাদের প্রতিজ্ঞা করতে হবে নিজের ঘরবাড়ি নিজেরাই পরিষ্কার করা৷”

    এ সময় তিনি উপস্থিত এলাকাবাসীদের সঙ্গে স্লোগান ধরেন-তিন দিনে একদিন জমা পানি ফেলে দিন।

    ঢাকা ১৪ আসনের সংসদ সদস্য মাইনুল হোসেন নিখিল বলেন, “সিটি কর্পোরেশনকে অভিনন্দন জানাই ঢাকা ১৪ আসন থেকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করেছেন। জনগণ আমাদের কথা শুনুক বা না শুনুক আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাবো। মশার ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে সাহসী উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা সামাজিকভাবে চেষ্টা করবো বিগত বছরগুলো থেকে এবার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ডেঙ্গু মুক্ত থাকতে।”

    সিটি কর্পোরেশনের কিছু অবহেলা তুলে ধরে নিখিল বলেন, “ওয়ার্ডের অলিতে গলিতে যত্রতত্র ময়লা পড়ে থাকে, সিটি কর্পোরেশনে ফোন দিলে তারা নানা অজুহাত দেখায়, গাড়ী নেই, লোক নেই, আর এসব অজুহাত শুনতে চাই না। তিনি বলেন, মেয়র খালে নেমে, ড্রেনে নেমে পরিষ্কার অভিযান চালান, কিন্তু তিনি যে নির্দেশনা দিয়ে আসেন তা সংশ্লিষ্টরা পালন করেন না। এ বিষয়ে নজর দেয়া জরুরী।”

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস বলেন, “জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কখনোই সম্ভব নয়। জনগণ সচেতন হলে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে সহজেই ডেঙ্গু নিধন কার্যক্রম সফল করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, নগরের প্রতিটি ওয়ার্ডের হটস্পটে ট্যাক বসানো হয়েছে, কর্পোরেশনে কল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে যাতে জনগণ নিজেরা সরাসরি ডেঙ্গু বিষয়ক যে কোনো তথ্য সিটি কর্পোরেশনকে জানাতে পারেন এবং যে কোনো সুবিধা অসুবিধার বিষয়ে সরাসরি মেয়রের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।”

     

    জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, “এডিশ মশা নিয়ন্ত্রণে জনগণ ধোঁয়া দিয়ে ঔষধ প্রয়োগ পছন্দ করে, কিন্তু ধোঁয়ার চেয়ে ট্যাবলেট দিয়ে মশা বেশি মরে। তিনি বলেন, নগরবাসীকে আহ্বান জানাবো, আমার বাড়ি, আমার আঙ্গিনা ডেঙ্গু মশার প্রজনন হতে দেবো না। আমরা ‘সার্চ এন্ড ডেস্ট্রয়’ নীতি নিয়ে ডেঙ্গু নিধন কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাবো। এ বছরে সবাই মিলে ডেঙ্গু মুক্ত হবো।”