www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কেন্টাবারির অ্যাসবার্টন লেক অঞ্চলে। যা ক্রাইস্টচার্চ থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে আঘাত হানে এই ভূমিকম্পটি। আর ভূমিকম্পটির তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, সুদূর ক্রাইস্টচার্চ এবং উৎপত্তিস্থল থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরের ডানেডিনে এটির কম্পন অনুভব করেন কয়েক হাজার মানুষ।
নিউজিল্যান্ড সরকারের জিওনেট ওয়েবসাইটে বলা হয়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ক্রাইস্টচার্চের ১২৪ কিলোমিটার পশ্চিমে ভূ-পৃষ্ঠের ১১ কিলোমিটার গভীরে।
ওয়েবসাইটে বলা হয়, প্রায় ১৫ হাজার মানুষ ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি অনুভব করে।
নিউজিল্যান্ডের অবস্থান প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আগুনের বৃত্তের উপর হওয়ায় দেশটিতে প্রায় ভূমিকম্প আঘাত হানতে এবং অগ্ন্যুৎপাত ঘটতে দেখা যায়। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আগুনের বৃত্তের সাথে টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষ হওয়ার ফলে নিউজিল্যান্ডে প্রায়ই ঘন ঘন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং ভূমিকম্প হয়ে থাকে।
এদিকে ২০১১ সালে ক্রাইস্টচার্চে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্পই আঘাত হেনেছিল। ওই ভূমিকম্পে ১৮৫ জন মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই ভয়াবহ ভূমিকম্পের কথা এখনো অনেক মানুষ ভুলতে পারেননি। ফলে যখনই দেশটিতে কোনো ভূমিকম্প সংঘটিত হয় তখনই সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে প্রাথমিক অবস্থায় বলা হয়েছিল, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৮। পরবর্তীতে এই তথ্য পরিবর্তন করে বলা হয়, এটি ছিল ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প। কিন্তু ভূমিকম্প বিষয়ক পর্যবেক্ষক সংস্থা জিউনেট কিছুক্ষণ পর জানায়, বুধবার আঘাত হানা ভূমিকম্পটি ছিল ৬ দশমিক ২ মাত্রার।










