দৈনন্দিন ভোরের তাজা বাতাসে হাঁটা বা জগিং করা একটা সেরা অভ্যাস। কারন, এতে নিজের শরীরের বাড়তি ওজন ঝেরে ফেলা যায় আর শরীর ও মন দুটাই চাঙ্গা থা কে। তাছাড়া হাঁটাহাঁটির তো কোনও বিকল্প নেই। নিয়মিত হাঁটলে শুধু ওজন নয়, নানারকম রোগবালাইয়েরও ঝুঁকি কমে।
তবে হাঁটতে যাওয়ারও কিন্তু কিছু প্রস্তুতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে জুতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রোজ যে জুতা পরে অফিস কিংবা দোকানবাজারে যান, সেই একই জুতা পরে হাঁটতে গেলে চলবে না। সকালে হাঁটতে যাওয়ার জুতা হতে হবে আলাদা। হাঁটতে যাওয়ার জুতা কেনার আগে কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন?
- পিছনটা একটু উঁচু আছে এমন ধরনের জুতা বাছুন। তাতে গোড়ালিতে আরাম হবে। নিশ্চিত করুন যে জুতাগুলি ভালভাবে ফিট করেছে এবং খুব বেশি টাইট বা ঢিলা হয়নি। এতে করে পায়ে ক্লান্তি বা ঘা হওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য উপকার পাবেন।
- হালকা ওজনের এক জোড়া জুতা বেছে নিন, যাতে হাঁটার সময় আপনার ওজন বেশি মনে না হয়, এতে লম্বাসময় হাঁটার স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন।
- বায়ু চলাচল যোগ্য, জালের মতো মেটারিয়াল ব্যবহার করে এমন জুতা পছন্দ করুন। আপনার পা ঠান্ডা এবং শুষ্ক রাখতে সাহায্য করতে পারে।
- জুতার তলায় খাঁজকাটা থাকলে পা পিছলে যাওয়া বা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। এমন রেখাযুক্ত ভালো সোল দিয়ে তৈরি জুতা নির্বাচন করুন।
- আপনার জুতার তলার মাঝের অংশটি নরম হওয়া দরকার। তাই কেনার আগে হাত দিয়ে যাচাই করে দেখে নিন, সেটি নরম কি না। কারণ এতে হাঁটার সময়ে পায়ের তলায় আঘাত লাগার আশঙ্কা কমে।
গবেষণায় জানা যায়, সুস্থতা বজায় রাখতে একটি মানুষকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। আর সুস্থতাই তো জীবনকে উপভোগ্য করে তোলে।
তথ্যসূত্রঃ এবিপি










