আধুনিক জীবনযাপনের সঙ্গী মাইক্রোওয়েভ। এই বৈদ্যুতিক যন্ত্র ছাড়া রান্নাঘর যেন অচল। দ্রুত খাবার গরম করা ছাড়াও অনেকে রান্নার কাজেও মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করেন। কিন্তু কিছু খাবার রয়েছে যা মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করে খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা করেছে। কারণ সে খাবারগুলোতে স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে কিছু উদাহরণ দেয়া হলো:
প্রক্রিয়াজাত খাবার ও রান্না মাংস
খাদ্য নিয়ন্ত্রণে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, একটি মাইক্রোওয়েভে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও মাংস পুনরায় গরম করলে কোলেস্টেরল জারণ হয়। এই যৌগ শরীরে গেলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে এসব খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয়।
ভাত
অনেকেরই মাইক্রোওয়েভে ভাত গরম করে খাওয়ার অভ্যাস আছে। এই অভ্যাস মোটেও ভালো নয়। কারন এতে করে ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া বৃদ্ধি পায় যা খাদ্যে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। রান্না ভাত মাইক্রোওয়েভে গরম করলে তাতে ব্যাসিলাস ‘সেরেসাস’ নামক ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে গিয়ে টক্সিন উৎপন্ন করে। এর ফলে ডায়ারিয়া, পেটের সমস্যা হতে পারে।
বেবি ফুড বা বুকের দুধ
বেবিফুড থেকে তৈরি দুধ কখনওই মাইক্রোওভেনে গরম করবেন না। অনেক কর্মরত নারী ব্রেস্ট ফিড সংরক্ষণ করেন বাচ্চার জন্য। মায়ের অনুপস্থিতিতে সেটা শিশুকে পান করানো হয়। সেটাও মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করবেন না।
হট মরিচ
যখন কোনও মাইক্রোওয়েভে উত্তপ্ত হয়, তখন গরম মরিচগুলিতে ক্যাপসাইসিন (মরিচ থেকে উৎপন্ন ব্যাকটেরিয়া ক্যামিকেল কম্পাউন্ড) বৃদ্ধি পেতে পারে এবং এতে করে কিছু লোকের হাচি,কাশি,এলার্জি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
সিদ্ধ ডিম
আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখা খোসাসহ ডিম কোনওভাবেই ওভেনে গরম করা ঠিক নয়। এতে ডিমের খোসা ফেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে ওভেনের ভিতর। সিদ্ধ ডিম গরম করতে চাইলে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। তাহলে সমস্যা হবে না।
ব্যবহৃত পদ্ধতি নির্বিশেষে খাবার রান্না বা পুনরায় গরম করার সময় যথাযথ খাদ্য সুরক্ষা নির্দেশিকাগুলি অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। সন্দেহ হলে, কোনও খাদ্য সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ বা নির্দিষ্ট খাদ্য আইটেমগুলির জন্য প্রস্তুতকারকের নির্দেশাবলীর সাথে পরামর্শ করা উত্তম সিদ্ধান্ত গ্রহনে সাহায্য করবে।
তথ্য সূত্রঃ টেস্টঅফহোম, এনডিটিভি










