সৌদি আরবের ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রী নিহত হওয়ার খবর জানা গেছে। এ ঘটনায় ১৭ বাংলাদেশিকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।
গত সোমবার (২৭ মার্চ) ওমরাহ পালন করতে পবিত্র মক্কা নগরী যাওয়ার পথে ওমরাহ যাত্রী বহনকারী বাসটি ব্রিজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে আগুন ধরে যায়। সোমবার আসির প্রদেশ ও আভা শহরের সঙ্গে সংযোগকারী সড়কে বাসটির ব্রেক ফেল হওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
সৌদি আরবে আসির প্রদেশে বাস উল্টে নিহত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জন। বুধবার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। নিহত ১৩ বাংলাদেশির পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন-
১। শহিদুল ইসলাম পিতাঃ মোঃ শরিয়ত উল্লাহ, সেনবাগ, নোয়াখালী।
২। মামুন মিয়া পিতাঃ আব্দুল আওয়াল, মুরাদনগর, কুমিল্লা।
৩। মোহাম্মদ হেলাল, নোয়াখালী।
৪। সবুজ হোসাইন, লক্ষ্মীপুর।
৫। রাসেল মোল্লা, মুরাদনগর কুমিল্লা।
৬। মোঃ আসিফ, মহেশখালী কক্সবাজার।
৭। মোঃ ইমাম হোসাইন রনি পিতাঃ আব্দুল লতিফ, টঙ্গী, গাজীপুর।
৮। রুক মিয়া পিতাঃ কালু মিয়া, চাঁদপুর।
৯। সিফাত উল্লাহ, মহেশখালী, কক্সবাজার।
১০। গিয়াস হামিদ, দেবীদ্দার, কুমিল্লা।
১১। মোহাম্মদ নাজমুল পিতাঃ কাওসার মিয়া, কোতোয়ালি যশোর।
১২। রনি, পিতাঃ ইস্কান্দার, যশোর।
১৩। মোহাম্মদ হোসেন, কক্সবাজার।
নিহত ১৩ জন ছাড়াও এখনও পর্যন্ত আরও ৫ জন বাংলাদেশী নিখোঁজ রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে তারা সবাই মৃত কিন্তু তাদের লাশ পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা যাচ্ছে না।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন জানিয়েছেন, সৌদি আরবে যে বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই বাসে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩৫ জন। বাস দুর্ঘটনায় ১৮ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এছাড়া বাসে ভিন্নদেশি ১২ জন যাত্রীদের মধ্যে ৫ জনকে মৃত এবং ৭ জনকে আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।










