Tag: মারা গেছেন

  • মারা গেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

    মারা গেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৮ আগস্ট, ২০২৪: পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের দ্বিতীয় এবং শেষ মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

    তার ছেলে সুচেতন ভট্টাচার্যস্থানীয় জানান, আজ বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সকাল ৮ টা ২০ মিনিট নাগাদ নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন সাবেক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ।

    মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। ২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব।

    ২৯ জুলাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ভর্তি করানো হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বেশ কয়েক দিন তাকে ভেন্টিলেশন (ইনভেনসিভ) সাপোর্টে রাখেন চিকিৎসকেরা।

    বুদ্ধদেব নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। ফুসফুস এবং শ্বাসনালিতে মারাত্মক রকমের সংক্রমণ ধরা পড়ে। হাসপাতালে প্রথম কয়েক দিন মূলত আচ্ছন্ন অবস্থাতেই ছিলেন বুদ্ধদেব। তবে ক্রমশ তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেন। ১২ দিনের মাথায় ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে। বাড়িতে ফিরিয়েও অবশ্য কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে রাখা হয়েছিল তাকে।

    দীর্ঘ দিন ধরেই গুরুতর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় (সিওপিডি) ভুগছিলেন বুদ্ধদেব। অসুস্থতার কারণে শেষ কয়েক বছর কার্যত গৃহবন্দিই ছিলেন। আগেও একাধিক বার হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাকে।

    অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ৮.২০ মিনিটে কলকাতার বালিগঞ্জের পাম অ্যাভিনিউতে নিজের বাড়িতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

    ১৯৪৪ সালে উত্তর কলকাতায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন।

  • সংগীতশিল্পী জুয়েল মারা গেছেন

    সংগীতশিল্পী জুয়েল মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩০ জুলাই, ২০২৪: সংগীতশিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টা ৫৩ মিনিটে, রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

    ‘সেদিনের এক বিকেলে’-খ্যাত সংগীতশিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল লিভার ক্যানসার ধরা পড়ে ২০১১ সালে । এরপর ফুসফুস এবং হাড়েও সেটি ক্রমশ সংক্রমিত হয়। মাঝে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই শিল্পী ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন দেশ ও বিদেশের চিকিৎসা সহযোগিতায়। অবস্থার খুব অবনতি হলে চলতি মাসের ২৩ জুলাই রাত থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। আজ ৩০ জুলাই সকালে ক্যানসারের কাছে হার মানলেন এই শিল্পী।

    জুয়েলের এমন অকাল প্রস্থানে শোক নেমে এসেছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।

    ৯০ দশকের জমজমাট অডিও ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম চমক হিসেবে ধরা দিয়েছেন হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল। আইয়ুব বাচ্চুর সুরে প্রথম অ্যালবাম ‘কুয়াশা প্রহর’ প্রকাশ হয় ১৯৯৩ সালে। প্রথম অ্যালবামেই বাজিমাত করেন জুয়েল।

    এরপর একে একে প্রকাশিত হয় ‘এক বিকেলে’ (১৯৯৪), ‘আমার আছে অন্ধকার’ (১৯৯৫), ‘একটা মানুষ’ (১৯৯৬), ‘দেখা হবে না’ (১৯৯৭), ‘বেশি কিছু নয়’ (১৯৯৮), ‘বেদনা শুধুই বেদনা’ (১৯৯৯), ‘ফিরতি পথে’ (২০০৩), ‘দরজা খোলা বাড়ি’ (২০০৯) এবং ‘এমন কেন হলো’ (২০১৭)। এছাড়াও বেশ কিছু সিঙ্গেল ও মিশ্র অ্যালবামে গেয়েছেন জুয়েল।

    সংগীতশিল্পী হিসেবে তিনি সর্বাধিক পরিচিত হলেও তার আরও একটি বড় পরিচয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে। পাশাপাশি সঞ্চালনাও করেছেন অনেক অনুষ্ঠানে।তিনি ভালো একজন সংগঠকও। ২০২১ সালে গঠিত সংগীতের তিন সংগঠন নিয়ে ‘সংগীত ঐক্য’ বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

  • একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রাবন্ধিক ড. মাহবুবুল হক মারা গেছে

    একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রাবন্ধিক ড. মাহবুবুল হক মারা গেছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ জুলাই, ২০২৪: একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ, খ্যাতিমান ভাষাবিজ্ঞানী, প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হক মারা গেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।

    বুধবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ২টায় ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।

    গত ৭ জুলাই তাঁকে  হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    ড. মাহবুবুল হকের জীবন বহুবিধ ও বিচিত্র কর্মে আলোকিত। কৈশোর ও যৌবনে তিনি চট্টগ্রাম শহরে বাম রাজনীতির একজন অগ্রগণ্য কর্মী ও সংগঠক হিসেবে নিজের পরিচয়কে বিশেষভাবে তুলে ধরেছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি অধ্যাপনাকে কর্মজীবনের পাথেয় করেছেন। গবেষক হিসেবেও পেয়েছেন স্বীকৃতি। তাঁর পিএইচডি অভিসন্দর্ভের বিষয় ছিল- তিন কবি সমর সেন, সুভাষ মুখোপাধ্যায় ও সুকান্ত ভট্টাচার্য। পরম যত্নে মাহবুবুল হক তাদের কবিতার বৈশিষ্ট্য উদ্‌ঘাটন করার চেষ্টা করেছেন। মিষ্টভাষী এই মানুষটার মধ্যে নানা সুন্দর ও অপূর্ব গুণের সমন্বয় ঘটেছে। সৃজনে, মননে সবসময় তিনি ছিলেন ক্রিয়াশীল। ঝঞ্ঝাটমুক্ত ছিল তাঁর পথচলা।

    মাহবুবুল হক ১৯৪৮ সালের ৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। জন্মস্থান ফরিদপুর জেলার মধুখালিতে। তবে শৈশব থেকে বেড়ে ওঠেছেন চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৯ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৭০ সালে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৭ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

    শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন মাহবুবুল হক। বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকতা করেছেন রাঙ্গুনীয়া কলেজ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে। শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রায়োগিক বাংলা ও ফোকলোর চর্চা, গবেষণা, সম্পাদনা, অনুবাদ ও পাঠ্যবই রচনা করে পরিচিতি লাভ করেন ড. মাহবুবুল হক। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডসহ বিশেষজ্ঞ হিসেবে নানা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বেশ কয়েকটি বাংলা পাঠ্য বইয়েরও রচয়িতাও তিনি। আহ্বায়ক হিসেবে নতুন শিক্ষানীতি অনুযায়ী ২০১২ ও ২০১৩ শিক্ষাবর্ষের বাংলা শিক্ষাক্রম ও বাংলা পাঠ্যবই প্রণয়নে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়নে সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে তাঁর।

  • না ফেরার দেশে চলে গেলেন কবি অসীম সাহা

    না ফেরার দেশে চলে গেলেন কবি অসীম সাহা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ জুন, ২০২৪: একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি অসীম সাহা চলে গেলেন না ফেরার দেশে। আজ মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর পৌনে ২টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    চলতি বছরের শুরুর দিকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কবি অসীম সাহা। চিকিৎসকরা তখন জানিয়েছিলেন, বিষণ্ণতায় ভুগছেন কবি। এছাড়া পারকিনসন (হাত কাঁপা রোগ), কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিস রোগেও ভুগছিলেন তিনি।

    অসীম সাহা ১৯৪৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোণা জেলায় তার মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস মাদারীপুর। তার পিতা অখিল বন্ধু সাহা ছিলেন অধ্যাপক। অসীম সাহা ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক পাস করেন এবং ১৯৬৭ সালে মাদারীপুর নাজিমুদ্দিন মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৯ সালে স্নাতক পাস করে তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে অসহযোগ আন্দোলন এবং পরে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা পিছিয়ে যায় এবং তিনি ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

    সামগ্রিকভাবে সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। পরে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

  • নিরাপত্তা বিশ্লেষক আব্দুর রশীদ মারা গেছেন

    নিরাপত্তা বিশ্লেষক আব্দুর রশীদ মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ জুন, ২০২৪: নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আব্দুর রশীদ মারা গেছেন।

    আজ শুক্রবার (১৪ জুন) ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে ঢাকা সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গিয়েছেন।

    আজ বাদ জুমা মিরপুর ডিওএইচএস কেন্দ্রীয় মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং আর্মি কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

    পরিবারের সদস্যরা জানান,গত দুমাস ধরে সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন মেজর জেনারেল আব্দুর রশীদ। এর আগে তিনি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান। সেখান থেকে দেশে ফেরার পর তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।

    সেনাবাহিনীতে চাকরির সময় অতি মেধাবী অফিসার হিসেবে পরিচিত মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ। বিভিন্ন টকশোতে একজন স্পষ্টভাষী ও নির্ভীক বক্তা হিসেবে অংশ নেন এবং তার লেখা কলাম বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হয়।

  • মারা গেছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুনেত্রা

    মারা গেছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুনেত্রা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৪ জুন, ২০২৪: মরা গেছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুনেত্রা। আজ শুক্রবার (১৪ জুন) এক ফেসবুক পোস্টে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান। অনেকদিন বাংলাদেশ ছেড়ে কলকাতায় বসবাস করছিলেন তিনি।

    ভারতের কলকাতায় ১৯৭০ সালের ৭ জুলাইয়ে জন্ম। মূল নাম রীনা সুনেত্রা কুমার। তবে বাংলা চলচ্চিত্রে তিনি সুনেত্রা নামেই পরিচিত। ঢালিউড ও টালিউড দুই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই সুনামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন সুনেত্রা।

    বাংলাদেশি পরিচালক মমতাজ আলী তাকে ঢালিউডে আনেন। প্রথম সিনেমা ছিল তখনকার হার্টথ্রব নায়ক জাফর ইকবালের বিপরীতে ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘উসিলা।’ ১৯৯০ সালে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘পালকি’ সিনেমাটি সুনেত্রাকে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি দিয়েছিল। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল সিনেমায় তাকে দেখা গেছে।

    বাংলাদেশে তার উল্লেখযোগ্য ছবি : ‘পালকি, ভাইবন্ধু, বোনের মতো বোন, যোগাযোগ, ভুল বিচার, সাজানো বাগান, রাজা মিস্ত্রী, ঘর ভাঙ্গা ঘর, কুচবরণ কন্যা মেঘবরণ কেশ, শুকতারা, সুখের স্বপ্ন, রাজা জনি, বাদশা ভাই, ছোবল, ভাই আমার ভাই, দুঃখিনী মা, বন্ধু আমার, বিধান, নাচে নাগিন, সর্পরাণী, বিক্রম, উসিলা, লায়লা আমার লায়লা, শিমুল পারুল, ভাবীর সংসার, আমার সংসার, ধনরত্ন, নির্দয়, উচিত শিক্ষা, ঘরের সুখ, সাধনা, আলাল দুলাল।

    ঢালিউডের সেই সময়ের ব্যস্ত সব নায়ক জসিম, সোহেল রানা, ফারুক, জাফর ইকবাল, ইলিয়াস কাঞ্চন, মান্না সবার সাথেই সুনেত্রা ছবি করেছেন।

  • অভিনেত্রী সীমানা মারা গেছেন

    অভিনেত্রী সীমানা মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৪ জুন, ২০২৪: প্রায় ১৫ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে হেরে গেলেন মডেল-অভিনেত্রী রিশতা লাবনী সীমানা। আজ মঙ্গলবার (০৪ জুন) সকাল ৬টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    জানা গেছে, অভিনেত্রী সীমানা গত ২১ মে রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন । সেদিন রাত ১১টার দিকে তাকে দ্রুত ধানমন্ডির বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসকরা জানায় তার, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। পরদিন আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য সীমানাকে ধানমন্ডির আরেকটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। গত কয়েক দিন সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৫ মে এই হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়। গত বুধবার বিকেল থেকে সীমানার চিকিৎসা চলছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে আর সীমানার ফেরা হলোনা। আজ সকালে তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

    সীমানা লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার ২০০৬-আসরের সেরা দশের একজন। ২০১৪ সালে বিয়ের পর মিডিয়া থেকে একপ্রকার নিজেকে সরিয়ে নেন। পারভেজ ও সীমানার ঘরে একটি পুত্রসন্তান র‍য়েছে। পরে স্বামী সংগীতশিল্পী পারভেজ সাজ্জাদের সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

    অসংখ্য নাটক ও বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছেন সীমানা। তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘দারুচিনি দ্বীপ’তার প্রথম সিনেমা। এই সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় না করলেও তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন।

    ২০১৯ সালে দ্বিতীয় বিয়ের পর আবারো কাজে ফেরেন এই অভিনেত্রী। গেল বছর ‘রোশনী’ নামের একটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। এটি পরিচালনা করছেন বিপ্লব হায়দার।

    দুবার মা হওয়ার কারণে তাঁর এই দীর্ঘ বিরতি। বিরতি ভেঙে গত বছর আবার নাটকে অভিনয় শুরু করেন। সীমানার দুই সন্তান। বড় সন্তান শ্রেষ্ঠর বয়স আট, আর ছোট সন্তান স্বর্গ তিন বছর বয়সী।

    আজ দুপুর ১২ টা ১৫ মিনিটে রাজধানীতে বেসরকারি টিভি ‘চ্যানেল আই’ প্রাঙ্গণে অভিনেত্রী সীমানার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর তার মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ি বাড়ি শেরপুর জেলা নকলা উপজেলা বাজারদি গ্রাম উদ্দেশে রওনা করেছেন স্বজনরা।

    বাদ মাগরিব আরও একটি জানাজা শেষে পারাবিক কবর স্থানে সমাহিত করা হবে এ অভিনেত্রীকে।

  • সিপিবি’র উপদেষ্টা হায়দার আকবর খান মারা গেছেন

    সিপিবি’র উপদেষ্টা হায়দার আকবর খান মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১১ মে, ২০২৪: বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) উপদেষ্টা হায়দার আকবর খান রনো মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১০ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজধানীর পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রবীণ এই বামপন্থী নেতা।

    জানা যায়, রাজনীতিবিদ ও লেখক হায়দার আকবর খান রনো তীব্র শ্বাসতন্ত্রীয় অসুখ নিয়ে গত ৬ মে সন্ধ্যায় পান্থপথের হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে এর আগে জানান হাসপাতালটির পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী। অবস্থার অবনতি হওয়ায় হায়দার আকবর খান রনোকে হাসপাতালটির হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রেখে বিশেষ পদ্ধতিতে অক্সিজেন দিয়ে চিকিৎসা চলছিল।

    হায়দার আকবর খান রনো মার্ক্সবাদী এই তাত্ত্বিক পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

    তার জন্ম ১৯৪২ সালের ৩১ আগস্ট অবিভক্ত ভারতের কলকাতায়। তার পৈতৃক নিবাস নড়াইলের বরাশুলা গ্রামে।

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গে দীর্ঘদিন থাকলেও ২০১০ সালে মতভিন্নতার কারণে দলটি ছেড়ে সিপিবিতে যোগ দেন হায়দার আকবর খান। ২০১২ সালে তাকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়। এরপর সিপিবির উপদেষ্টা নির্বাচিত হন তিনি।

  • অভিনেতা অলিউল হক রুমি মারা গেছেন

    অভিনেতা অলিউল হক রুমি মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২২ এপ্রিল, ২০২৪: অভিনেতা অলিউল হক রুমি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ সোমবার (২২ এপ্রিল) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

    দীর্ঘদিন ধরে কোলন ক্যানসারে ভুগছিলেন এই অভিনেতা। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক চিকিৎসা করাতে অভিনেতাকে প্রথমে ভারতের চেন্নাই নেয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসা শেষে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন অভিনেতা।

    কর্তব্যরত চিকিৎসক বলছেন, অভিনেতা রুমির শারীরিক অবস্থা প্রথমে স্থিতিশীল ছিল। চিকিৎসাধীন হয়ে চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। তবে হঠাৎই অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে তার। শেষ পর্যন্ত আর বাঁচানো গেল না এই অভিনেতাকে।

    মৃত্যুর আগে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছিলেন অভিনেতা। ক্যানসার জয় করে আগের মতো আবারও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে ক্যানসারের কাছে হেরে গেলেন অভিনেতা।

    দীর্ঘদিন মঞ্চেও অভিনয় করেছেন রুমি। থিয়েটার বেইলি রোডের আলোচিত ‘এখনও ক্রীতদাস’ নাটকে অনবদ্য অভিনয় করেছেন তিনি। আলোচিত ধারাবাহিক ‘কোন কাননের ফুল’ নাটক দিয়ে তার শোবিজে অভিষেক।

    নাটকে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। ২০০৯ সালে  ‘দরিয়া পাড়ের দৌলতী’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে প্রথম বড় পর্দায় কাজ করেন।

    রুমি অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে‘ঢাকা টু বরিশাল’, ‘আমেরিকান সাহেব’, ‘জার্নি বাই বাস’, ‘বাকির নাম ফাঁকি’, ‘যমজ সিরিজ’, ‘কমেডি ৪২০’, ‘চৈতা পাগল’, ‘জীবনের অলিগলি’, ‘মেঘে ঢাকা শহর’ ইত্যাদি।

  • বাংলাদেশের প্রথম পতাকার নকশাকার শিব নারায়ণ মারা গেছেন

    বাংলাদেশের প্রথম পতাকার নকশাকার শিব নারায়ণ মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলাদেশের প্রথম পতাকার অন্যতম নকশাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা শিব নারায়ণ দাস (৭৮) মারা গেছেন। তিনি জাসদ রাজনীতির্ সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

    আজ শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ।

    এর আগে শিব নারায়ণ দাস রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত তাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়।

    শিব নারায়ণ দাশ প্রথম ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন। ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন অংশগ্রহণ করে কারাবরণ করেন।

    ১৯৭০ সালের ৭ জুন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত ছাত্রদের এক সামরিক কুচকাওয়াজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অংশগ্রহণের কথা ছিল। এই লক্ষ্যে ছাত্রদের নিয়ে একটি জয়বাংলা বাহিনী, মতান্তরে ‘ফেব্রুয়ারি ১৫ বাহিনী’ গঠন করা হয়। ছাত্রনেতারা এই বাহিনীর একটি পতাকা তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়।

    এই লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের (তৎকালীন ইকবাল হল) ১০৮ নম্বর কক্ষে ছাত্রলীগ নেতা আ স ম আবদুর রব, শাহজাহান সিরাজ, কাজী আরেফ আহমদ, মার্শাল মনিরুল ইসলাম পতাকার পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে বসেন। এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা স্বপন কুমার চৌধুরী, জগন্নাথ কলেজের ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা শিব নারায়ণ দাশ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সাধারণ সাধারণ সম্পাদক হাসানুল হক ইনু ও ছাত্রনেতা ইউসুফ সালাউদ্দিন।

    সভায় কাজী আরেফের প্রাথমিক প্রস্তাবনার ওপর ভিত্তি করে সবার আলোচনার শেষে সবুজ জমিনের ওপর লাল সূর্যের মাঝে হলুদ রঙের বাংলার মানচিত্র খচিত পতাকা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। কামরুল আলম খান (খসরু) তখন ঢাকা নিউ মার্কেটের এক বিহারী দর্জির দোকান থেকে বড় এক টুকরো সবুজ কাপড়ের মাঝে লাল একটি বৃত্ত সেলাই করে আনলেন; এরপর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কায়েদে আজম হলের (বর্তমানে তিতুমীর হল) ৩১২ নম্বর কক্ষের এনামুল হকের কাছ থেকে অ্যাটলাস নিয়ে ট্রেসিং পেপারে আঁকা হলো পূর্ব পাকিস্তানের মানচিত্র।

    শিব নারায়ণ দাশ সবারশেষে তার নিপুন হাতে মানচিত্রটি আঁকলেন লাল বৃত্তের মাঝে, এমনি করে রচিত হলো ‘ফেব্রুয়ারি ১৫ বাহিনী’র পতাকা, যা কিছুদিন পর স্বীকৃত হয় বাংলাদেশের প্রথম পতাকা হিসেবে।

    শিব নারায়ণ দাসের পিতা সতীশচন্দ্র দাস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সেনারা সতীশচন্দ্রকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। শিব নারায়ণ দাসের স্ত্রীর নাম গীতশ্রী চৌধুরী এবং তাদের সন্তান অর্ণব আদিত্য দাস।

    এক শোকবার্তায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুর হক ইনু এবং সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার জাসদ নেতা শিব নারায়ণ দাশের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।