Tag: বাজেট

  • বাজেটে কৃষিখাতকে গুরুত্ব দিয়ে প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

    বাজেটে কৃষিখাতকে গুরুত্ব দিয়ে প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ জুলাই, ২০২৪: বাজেটে কৃষিখাতকে গুরুত্ব দিয়ে প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুস শহীদ। তিনি বলেন, “কৃষিখাতের উন্নয়নের জন্য যা করা প্রয়োজন তা আমরা করছি, প্রয়োজনে আরও করব। কৃষক ও কৃষির উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। এবারের বাজেটে কৃষিখাতকে গুরুত্ব দিয়ে প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভর্তুকির পরিমাণও ব্যাপক। ৫৪ টাকার সার ২২ টাকায় কৃষকের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।”

    আজ রবিবার (৭ জুলাই) ওসমানী মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত কৃষি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে সম্মাননা শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    কৃষিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু তার সময়ে খাদ্য উৎপাদনের দিকে জোর দিতে বলেছিলেন, যাতে কেউ ভুখা না থাকে। আজকের দিনে এসে এ কথাটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমাদের খাদ্য উৎপাদনে ৩০ শতাংশের মতো একটা লস হয়। এ লসটা কমিয়ে আনতে কৃষি বিজ্ঞানীদের কাজ করতে হবে।

    এবারে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এগ্রিকালচারাল ইম্পর্ট্যান্ট পারসন- এআইপি) সম্মাননা পেয়েছেন ২২ জন।

    স্বীকৃত বা সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত কৃষি সংগঠন শ্রেণিতে তিনজনকে এআইপি করা হয়েছে এবার। তারা হলেন— কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাইখ সিরাজ, পরিবেশ বিষয়ক সংগঠক হিসেবে চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠন তিলোত্তমার প্রতিষ্ঠাতা সাহেলা আবেদীন ও সমবায় উদ্যোক্তা হিসেবে সাতক্ষীরার ধানদিয়া সিআইজি মহিলা সমবায় সমিতির সভাপতি শিখা রানী চক্রবর্তী।

    জাত বা প্রযুক্তি উদ্ভাবন শ্রেণিতে পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— এসিআই অ্যাগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট এ কে এম ফারায়েজুল হক আনসারী, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিষমুক্ত নিরাপদ সবজির কৃষি উদ্যোক্তা এম এ মতিন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণের জন্য চুয়াডাঙ্গার জনতা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. ওলি উল্লাহ এবং জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের জন্য বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশ।

    কৃষি উৎপাদন, বাণিজ্যিক খামার স্থাপন ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প শ্রেণিতে ১০ জন এআইপি হয়েছেন। তারা হলেন— উন্নতজাতের ফল চাষের জন্য টাঙ্গাইল জেলার মধুপুরের কৃষি উদ্যোক্তা মো. ছানোয়ার হোসেন, পেঁয়াজ বীজ চাষের জন্য ফরিদপুরের খান বীজ ভাণ্ডারের স্বত্বাধিকারী শাহীদা বেগম, সাথী ফসল উৎপাদন করে জমির সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য খুলনার ডুমুরিয়ার কৃষি উদ্যোক্তা সুরেশ্বর মল্লিক, ফলচাষের জন্য চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের গ্রিন প্ল্যানেট অ্যাগ্রোর স্বত্বাধিকারী মো. রুহুল আমীন, জলাবদ্ধতা নিরসণে কাজ করায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার অ্যাগ্রো বেইজড সোশিও ইকোনমিক্যাল ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেসের চেয়ারম্যান মো. সাখাওয়াত হোসেন, দুগ্ধ উৎপাদনে পাবনার ঈশ্বরদীর তন্ময় ডেইরি খামারের স্বত্বাধিকারী মো. আমিরুল ইসলাম। মাছ চাষে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আল বারাকা মৎস্য খামার অ্যান্ড হ্যাচারির স্বত্বাধিকারী মাছুদুল হক চৌধুরী, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মৌচাষী কৃষি উদ্যোক্তা মো. রফিকুল ইসলাম, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের ফলচাষী সিরাজ বহুমুখী খামারের স্বত্বাধিকারী মো. সিরাজুল ইসলাম ও শেরপুর সদর উপজেলার ফলচাষী মা-বাবার দোয়া ফ্রুট গার্ডেন নার্সারি অ্যান্ড অ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী মো. হযরত আলী।

    রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্য উৎপাদন শ্রেণিতে দুজন এআইপির হয়েছেন। বৃক্ষরোপণ ও বনসাই নার্সারীর জন্য গাজীপুর সদর উপজেলার লিভিং আর্ট গার্ডেনের পরিচালক কে এম সবুজ ও বারোমাসি আমচাষি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের কৃষি উদ্যোক্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

    বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কারে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শ্রেণিতে তিনজনকে এআইপি করা হয়েছে। জৈবসার ও কেঁচোসার উৎপাদক নীলফামারীর ডোমার উপজেলার অন্নপূর্ণা অ্যাগ্রো সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী রাম নিবাস আগরওয়ালা, বাণিজ্যিক কৃষি খামারি হিসেবে ঢাকার নবাবগঞ্জের অমিত ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মায়া রানী বাউল ও সফল বীজ উৎপাদনকারী পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা মো. আবদুল খালেক।

    উল্লেখ্য, এআইপি নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর মোট ৫টি বিভাগে এআইপি সম্মাননা প্রদান করা হয়ে থাকে। এআইপি কার্ডের মেয়াদকাল হচ্ছে এক বছর। এআইপিগণ সিআইপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা পান। এর মধ্যে রয়েছে মন্ত্রণালয় হতে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাস, বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ; বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার পরিচালিত গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার; নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার পাবেন এবং বিমান বন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার সুবিধা।

  • সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য জাতীয় বাজেট পাস

    সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য জাতীয় বাজেট পাস

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩০ জুন, ২০২৪: বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা সফলভাবে মোকাবলা করে চলমান উন্নয়ন বজায় রাখা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য সামনে রেখে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট আজ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে।

    আজ রবিবার (৩০ জুন) স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এ বাজেট কণ্ঠভোটে পাস হয়, যা কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই থেকে। এর আগে রাষ্ট্রপতির সম্মতিসাপেক্ষে নির্দিষ্টকরণ আইন গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে। গতকাল শনিবার বিকেলে সংসদে অর্থ বিল উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং পরে সেটি সংসদে পাস হয়।

    অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী গত ৬ জুন জাতীয় সংসদে ‘টেকসই উন্নয়নের পরিক্রমায় স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রা’ স্লোগান সম্বলিত এ বাজেট পেশ করেন।

    আজ বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।

    এসব মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদলের ছয়জন সংসদ সদস্য মোট ২৫১টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় খাতে তিনটি মঞ্জুরি দাবিতে আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর স্বতন্ত্র ও বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়।

    ছাঁটাই প্রস্তাবে আলোচনা করেন জাতীয় পার্টির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, স্বতন্ত্র সদস্য হামিদুল হক খন্দকার, পংকজ নাথ, আবুল কালাম ও নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। এরপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৪ পাসের মাধ্যমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন।

    এর আগে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের ওপর বক্তব্য রাখেন। বাজেটের ওপর প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও অর্থমন্ত্রীসহ ২৩৬ এমপি বক্তব্য রাখেন। গত ১১ জুন থেকে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র এমপিরা।

    বাজেটে ব্যক্তির সর্বোচ্চ করহার ৩০ শতাংশ প্রস্তাব করা হলেও সংসদ তা গ্রহণ করেনি। এর পরিবর্তে সর্বোচ্চ কর বিদ্যমান ২৫ শতাংশই বহাল থাকছে। বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী করহারের ধাপে কিছুটা পরিবর্তন এনে সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছিলেন।

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এ বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। গত ৬ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আবুল হাসান মাহমুদ আলীর এটা প্রথম বাজেট।

    মূল্যস্ফীতি কমিয়ে বড় প্রবৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করে যে বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী অনুদান ছাড়া ঘাটতি ধরা হয় ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। অনুদানসহ সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এছাড়া ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

    এই ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হবে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এতে নিট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াবে ৯০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

    আর অভ্যন্তরীণ ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি, যার ৭২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং ৬৪ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা স্বল্পমেয়াদি ঋণ। ব্যাংকবহির্ভূত ঋণ নেওয়া হবে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

    বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক ঋণের সুদ ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    এবার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআরবহির্ভূত কর ধরা হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। আর কর ব্যতীত প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা।

    বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬ হাজার ৯৭১ কোটি টাকা। পরিচালন ব্যয়ের মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা। আর দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এবার মূলধন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা।

    বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে স্কিমে ব্যয় হবে ৫ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। এডিপিবহির্ভূত বিশেষ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। আর কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (এডিপিবহির্ভূত) ও স্থানান্তরে ২ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

  • উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এই বাজেট দিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

    উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এই বাজেট দিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ জুন, ২০২৪: উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এই বাজেট দিয়েছি, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “চ্যালেঞ্জ নিয়েছি বলেই (বড় বাজেট বাস্তবায়ন) সম্ভব হয়েছে। আমাদের ইচ্ছাটা কী? দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন। সেজন্যই তো উন্নয়নটা হয়। আমাদের উন্নয়নের ধারা যেন অব্যাহত থাকে সে লক্ষ্যেই আমরা এই বাজেট প্রণয়ন করেছি এবং উন্নয়ন বাজেট দিয়েছি। এখানে কমানোর কিছু নেই।”

    আজ শনিবার (২৯ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি মোটেই বাজেটকে উচ্চাভিলাষী মনে করি না। একটা লক্ষ্য আমরা স্থির করি। শতভাগ কখনো পূরণ হয় না। তারপরও আমাদের সুনির্দিষ্ট একটা লক্ষ্য থাকে যে এখানে আমরা যাবো। সেটা আমরা যেতে পেরেছি। কোথায় ৬২ হাজার কোটি টাকার বাজেট, আর কোথায় ৭ লাখ কোটি টাকার বাজেট! আমরা তো এই জায়গায় আসতে পেরেছি।”

    তিনি বলেন, “এই বাজেটের মধ্যে আগামী দিনে আমরা যে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করেছি ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল, সেটি বাস্তবায়নে সক্ষম হবো। সে ধারাবাহিকতা আমাদের আছে। আমরা একটা রাজনৈতিক দল করি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আমাদের কিন্ত নিজেদের ঘোষণাপত্র আছে, আমরা কিন্তু নির্বাচনের আগে ইশতেহার ঘোষণা করি। এই ইশতেহার আমরা কখনো ভুলে যাই না। জাতির কাছে যে ওয়াদা দিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমরা ক্ষমতায় এসেছি, তা পালন করি। এই বাজেট প্রণয়নকালীন আমাদের যে নির্বাচনী ইশতেহার, সেটির অগ্রাধিকার এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের যে দিক নির্দেশনা- সেটাও বাজেটে উঠে এসেছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাস সর্ববৃহৎ বাজেট আমরা দিয়েছি। বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। আমাদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বাজেটের ওপর এ পর্যন্ত বিরোধীদলীয় নেতাসহ ২৩৪ জন সংসদ সদস্য বক্তব্য রেখেছেন। তারা বাজেটের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন। এর বাইরে অনেকেই বাজেট নিয়ে আলোচনা করেছেন।”

    বাজেট নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা যে যাই করুন তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেউ কেউ বাজেটকে উচ্চাভিলাষী বলেছেন, কেউ বলেছেন ঘাটতি বাজেট। কিছুক্ষণ আগে বিরোধীদলীয় নেতা বললেন এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, আমাদের প্রবৃদ্ধির হার কমাতে হবে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কমাতে হবে… ইত্যাদি। এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মতো সক্ষমতা আছে কি না। চ্যালেঞ্জ নেওয়াটাই তো আমাদের কাজ। চ্যালেঞ্জ নিয়েই তো আমরা চলতে চাই, চ্যালেঞ্জ নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আজ বাংলাদেশ সারাবিশ্বে মর্যাদার আসনে আসতে পেরেছে। আজকের বাংলাদেশ হাত পেতে ভিক্ষা চাওয়ার বাংলাদেশ নয়। আমরা উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে তা বাস্তবায়ন করি এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করি।”

  • বাজেট না বুঝে মন্তব্য করবেন না: অর্থমন্ত্রী

    বাজেট না বুঝে মন্তব্য করবেন না: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ জুন, ২০২৪: বাজেট না বুঝে মন্তব্য করবেন না, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, “বাজেট দিলাম, এটা দেখেন। না বুঝে মন্তব্য করবেন না। এ ঈদে যেভাবে পশু কোরবানি হয়েছে এটা একটা ভালো ইন্ডিকেটর, সব পশু আমাদের দেশের।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাজেট সবেমাত্র দিয়েছি। বিশ্বব্যাংক বলেছে, বাংলাদেশ ভালো আছে। বিশ্বব্যাংক যা বলছে, আমাদের শুনতে হবে, কারণ তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা লাগবে। আপনি কি টাকা দেন? আপনি টাকা দেন, আপনার কথা শুনবো।”

    তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা সরকার জনবান্ধব।”

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এ বাজেট জনবান্ধব। কোনো কিছু থাকলে পুনর্বিবেচনা করার সম্ভাবনা আছে। বাজেট এখনো পাস হয়নি, এটা প্রস্তাবিত বাজেট।”

    সংসদ সদস্য সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিনিধি ড. জিয়াকুন শি, সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

  • ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ জুন, ২০২৪: ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর প্রস্তাবিত এ বাজেট বিকেলে জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হবে।

    দুপুর ১২টার পর জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক শুরু হয়। এতে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা অংশ নেন।

    ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’ এ প্রতিপাদ্য ধরে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বিকেলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এ বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবেন। এটি হবে তার প্রথম বাজেট ঘোষণা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের প্রথম বাজেট।

    এ বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা।

    বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় বাজেটের আকার ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

    বাজেটে বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

  • সংসদে বাজেট বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী

    সংসদে বাজেট বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৬ জুন, ২০২৪: অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন। তিনি আজ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন।

    অর্থমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ৩ টা থেকে ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’ শীর্ষক বাজেট বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন।

    অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর উত্থাপিত প্রস্তাবিত বাজেটের আকার সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্যে এ বাজেট বিদায়ী ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। টাকার অংকে ৩৫ হাজার ২১৫ কোটি টাকা বেশি। বিদায়ী অর্থবছরের বাজেটের আকার সাত লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।

    নতুন বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ধরা হয়েছে দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরে ছিল ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা। নতুন বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে দুই লাখ ৮৩ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরে ছিল পাঁচ লাখ কোটি টাকা।

    নতুন বাজেটে জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। টাকার অংকে ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে যা ছিল ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। পরে তা কমিয়ে সাড়ে ৬ শতাংশ করা হয়।

    এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৪তম বাজেট। এছাড়া বর্তমান সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের প্রথম বাজেট, টানা ১৬তম এবং আওয়ামী লীগ সরকারের ২১তম বাজেট এটি।

  • এবারের বাজেট সাধারণ মানুষের জীবযত্রাকে সহজ করবে: অর্থমন্ত্রী

    এবারের বাজেট সাধারণ মানুষের জীবযত্রাকে সহজ করবে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৬ জুন, ২০২৪: এবারের বাজেট সাধারণ মানুষের জীবযত্রাকে সহজ করবে, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, “যতটুকু সম্ভব ভালো করার চেষ্টা করছি। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করবে এবারের বাজেট”।

    আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বাজেট ঘোষণার জন্য সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডের সরকারি বাসভবন থেকে রওয়ানা দেন তিনি। এসময় সাংবাদিকদের সঙ্গে বাজেট প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি। সকাল পৌনে ১১টায় সংসদে পৌঁছান তিনি।

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি দেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী। আবুল হাসান মাহমুদ আলী অর্থমন্ত্রী হিসেবে এবারই প্রথম বাজেট পেশ করবেন। এটি দেশের ৫৩তম বাজেট।

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করতে সংসদে পৌঁছেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

    আজ বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের আকার বাড়লেও ঘাটতির পরিমাণ কমছে। চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি কম ধরা হচ্ছে ৫ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। অনুদান ছাড়া বাজেট ঘাটতি ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। তবে অনুদানসহ সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াবে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগামী অর্থবছর ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে।

    ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বৈদেশি ঋণ পরিশোধ করা হবে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এতে নিট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াবে ৯০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

    অভ্যন্তরীণ ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি, যার ৭২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং ৬৪ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা স্বল্পমেয়াদি। ব্যাংকবহির্ভূত ঋণ নেওয়া হবে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

  • দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ জুন, ২০২৪: আজ দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। আজ বুধবার (৫ জুন) বিকাল পাঁচটায় বসবে এই অধিবেশন। এই অধিবেশনেই পেশ করা হবে জাতীয় বাজেট। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে। এরআগে ১০ জুন সম্পূরক বাজেট পাস হবে বলে জানা গেছে।

    আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি কম ধরা হচ্ছে পাঁচ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।

    অধিবেশন শুরু হবার আগে  বিকাল ৪ টায় কার্য-উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক  অনুষ্ঠিত হবে।  এই বৈঠকেই  চলতি অধিবেশন কতো কার্যদিবস  চলবে তা নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী।

    তিনি বলেন, বাজেট অধিবেশন একটু লম্বা হয়। তাই কতদিন চলবে তা কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।

    সংসদ সচিবালয় থেকে জানা গেছে, অধিবেশনের প্রথমদিন কোনও শোক প্রস্তাব  আনা হচ্ছে না। সাধারণত চলতি সংসদের কোনও সদস্য মৃত্যুবরণ করলে মৃত্যুর পর অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করে রেওয়াজ অনুযায়ী অধিবেশন মুলতবি করা হয়। ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার সম্প্রতি কলকাতায় গিয়ে ‘খুন’ হন। তবে তার মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হওয়ায় বুধবার বৈঠকে তার জন্য শোক প্রস্তাব নেওয়া হচ্ছে না।সংসদের দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশ্নোত্তর রয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর পর্ব রয়েছে।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজায় ইসরায়েলি আক্রমণ, মধ্যপ্রাচ্য সমস্যা, আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবের ফলে বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা ভাব চলছে। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। এই সময় দেশের বাজেট পেশের বিষয়টি কতটা ইতিবাচক হয় সেটাই দেখার বিষয়।

  • জুনের ৬ তারিখে দেওয়া বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করব: প্রধানমন্ত্রী

    জুনের ৬ তারিখে দেওয়া বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করব: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৭ মে, ২০২৪: জুনের ৬ তারিখে দেওয়া বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করব, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমরা ৬ তারিখে বাজেট দেব। বাজেট আমরা ঠিক মতো দিতে পারব, বাস্তবায়নও করব। দেশি-বিদেশি নানা কারণে জিডিপি কিছুটা হয়তো কমবে, সেটা পরবর্তীতে উত্তরণ করতে পারব সে আত্মবিশ্বাস আছে।”

    আজ শুক্রবার (১৭ মে) রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির ২২তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গ্রামের অর্থনীতি পাল্টে গেছে। যারা একবেলা ভাত খেতে পারতেন না, তারা এখন চারবেলা খান। হাট-বারের বাইরে কিছু পাওয়া যেতো না, এখন সুপার মার্কেট হয়েছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “২০০৮-এর নির্বাচনি ইশতেহার ‘দিন বদলের সনদ’-এ আমরা ‘রূপকল্প ২০২১’ এর ঘোষণা দিই। জনগণ আওয়ামী লীগকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে। ২০০৯ সালে সরকার গঠন করে আমরা ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করি। সবসময়ই বিশ্বাস করি, অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে প্রয়োজন সবার অংশগ্রহণ। ১৯৭৫ সালের ১৫ জুন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভায় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার মাটির সঙ্গে, আমার মানুষের সঙ্গে, আমার কালচারের সঙ্গে, আমার ব্যাকগ্রাউন্ডের সঙ্গে, আমার ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত করেই আমার ইকোনমিক সিস্টেম গড়তে হবে’। তাই আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা এমনভাবে বাস্তবায়ন শুরু করি যাতে সমাজের কেউ বাদ না পড়ে। এসব বিষয় মাথায় রেখে সেসময় আমি ‘জনগণের ক্ষমতায়ন, উন্নয়ন ও শান্তির মডেল’ নামে একটি মডেল তৈরি করি। ২০১১ সালে এই মডেলটি জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে।”

    তিনি বলেন, “২০১৪ সালের নির্বাচনি ইশতেহার ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহার ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ এর প্রতিও জনগণ বিপুল রায় দেয়। ধারাবাহিকভাবে সরকার পরিচালনার ফলে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক চিত্র বদলে যায়। বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে পরিচিতি পায় ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে। ২০২৪ সালের নির্বাচনি ইশতেহারের শিরোনাম দিয়েছি, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ। উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’। এই স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিগত এবং উদ্ভাবনশীল। যাতে রয়েছে চারটি স্তম্ভ- স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সরকার ও স্মার্ট সমাজ।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের গ্রামের বাজার পাটগাতি থেকে ঈদের আগে ২০০ ফ্রিজ বিক্রি হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতি যত বেশি মজবুত হচ্ছে, শিল্প কলকারখানা বাড়ছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আজ অর্থনীতি সমিতির প্রোগ্রামে আসছি। এখানে অনেকের অনেক বড় বড় ডিগ্রি আছে। আমার কিন্তু তা নেই। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেছি। অর্থনীতির সুক্ষ ও জটিল বিষয়াদি আপনাদের মতো আমি বুঝি না। এতটুকু বুঝি কীভাবে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়। কীভাবে মানুষের উপকার হবে। আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান থেকেই আমি এটা শেখেছি। তিনি তো বেশিরভাগ সময়ই জেলে থাকতেন। যতক্ষণ বাইরে থাকতেন। আমাদের সঙ্গে গল্প করতেন- কীভাবে তিনি দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান, কীভাবে গ্রামগুলোকে সাজাবেন।”

  • আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন

    আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৬ মে, ২০২৪: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) আগামী অর্থবছরের (২০২৪-২৫) জন্য দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করেছে ।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এনইসি চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার। এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম ও প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।

    সত্যজিৎ কর্মকার জানান, সভায় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কর্পোরেশনের প্রায় ১৩ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার টাকা এডিপিও অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থায়ন ১১ হাজার ৬৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়ন ১ হাজার ৫৮৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। সুতরাং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা কর্পোরেশনের প্রকল্পের বরাদ্দসহ এডিপির সর্বমোট আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপির আওতায় প্রকল্পের সংখ্যা ১৩২১টি।

    বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্যে কৃষি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, বিদ্যুৎ খাত, শ্রম-শক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাসকরণ সংক্রান্ত প্রকল্পে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

    অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের গতিশীলতা বজায় রাখা, কর্মসৃজনের আওতা সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য বিমোচনে লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণের যে নীতি-কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের এডিপি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

    এডিপিতে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত ১০টি খাত:

    ১. পরিবহন ও যোগাযোগ: ৭০ হাজার ৬৮৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা (২৬.৬৭%)।

    ২. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: ৪০ হাজার ৭৫১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা (১৫.৩৮%)।

    ৩. শিক্ষা: ৩১ হাজার ৫২৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা (১১.৩৬%)।

    ৪. গৃহায়ণ ও কমিউনিটি সুবিধাবলি: ২৪ হাজার ৮৬৮ কোটি ৩ লাখ টাকা (৯.৩৮%)।

    ৫. স্বাস্থ্য: ২০ হাজার ৬৮২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা (৭.৮০%)।

    ৬. স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন: ১৭ হাজার ৯৮৬ কোটি ২১ লাখ টাকা (৬.৭৯%)।

    ৭. কৃষি: ১৩ হাজার ২১৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা (৪,৯৯%)।

    ৮. পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ: ১১ হাজার ৮৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা (৪.১৮%)।

    ৯. শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা: ৬ হাজার ৪৯২ কোটি ১৮ লাখ টাকা (২.৪৫%)।

    ১০. বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি: ৪ হাজার ৭৮৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা (১.২৫%)।

    সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত ১০টি মন্ত্রণালয়:

    ১. স্থানীয় সরকার বিভাগ: ৩৮ হাজার ৮০৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা (১৫.০০%)।

    ২. সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ: ৩২ হাজার ৪২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা (১২.৩৯%)।

    ৩. বিদ্যুৎ বিভাগ: ২৯ হাজার ১৭৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা (১১.২৮%)।

    ৪. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়: ১৬ হাজার ১৩৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা (৬.২৪%)।

    ৫. স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ: ১৩ হাজার ৭৪১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা (৫.৩১%)।

    ৬. রেলপথ মন্ত্রণালয়: ১৩ হাজার ৭২৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা (৫.৩১%)।

    ৭. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: ১২ হাজার ৮৮৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা (৪.৯৮%)।

    ৮. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ: ১১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা (৪.৪০%)।

    ৯. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়: ১০ হাজার ৩৭৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা (৪.০১%)।

    ১০. পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়: ৮ হাজার ৬৮৭ কোটি ৯ লাখ টাকা (৩.৩৬%)।