Tag: উদ্বোধন

  • টুঙ্গিপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    টুঙ্গিপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ জুলাই, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ উদ্বোধন করেছেন ।

    আজ শনিবার (০৬ জুলাই) সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি এই মুজিব কর্নার উদ্বোধন করেন।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি’ শীর্ষক অ্যালবামেরও মোড়ক উন্মোচন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে মুজিব কর্নার ঘুরে দেখেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও ছবি তোলেন। তিনি শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণও বিতরণ করেন। গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত স্কুল।

    ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত স্কুল।

    এরআগে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অধ্যয়নকৃত বিদ্যালয়ে পৌঁছালে শিক্ষার্থীরা তাঁকে স্বাগত জানায়।

    পরে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া মাল্টিপারপাস পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করেন।

    এর আগে, এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন।

    শুক্রবার (০৫ জুলাই) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়ায় পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আসেন। আজ (শনিবার) বিকেলে ঢাকায় ফিরবেন তিনি।

  • বিদেশ ফেরত যাত্রীদের জন্য শাটল বাস সার্ভিস উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

    বিদেশ ফেরত যাত্রীদের জন্য শাটল বাস সার্ভিস উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ জুন, ২০২৪: প্রবাসীসহ বিমানবন্দরে ফেরত যাত্রীদের যাতায়াতের সময় অনেক ধরনের প্রতারণা ও বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হয়। তাই বিদেশ ফেরত যাত্রীদের সুবিধার্থে শাটল বাস সার্ভিস চালু করল বিআরটিসি। আপাতত দুইটি বাস দিয়ে এই সার্ভিস চালু হলেও পরবর্তীতে বাড়ানো হবে ।

    আজ বুধবার (২৬ জুন) সকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এই সাভিসের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান এবং বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম।

    বিআরটিসির কতৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রবাসী, রেমিটেন্স যোদ্ধা, দেশি ও বিদেশি পর্যটক ও সাধারণ যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাতায়াত ও লাগেজ সামগ্রী পরিবহনের সুবিধার্থে বিআরটিসি বিমানবন্দরে শাটল বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এই পরিসেবার মাধ্যমে বিমানবন্দরের যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে পারবে। এই বাসটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, রয়েছে যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত লাগেজ পরিবহনের সুবিধা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ফ্রি ওয়াই-ফাই এবং প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের বাসে উঠা নামার বিশেষ ব্যবস্থাও রয়েছে।

    গাজীপুরস্থ সমন্বিত কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানায় বিআরটিসি নিজস্ব কারিগরি দক্ষতায় প্রাথমিকভাবে ০২টি বিশেষ শাটল বাস দিয়ে রুটটি চালু করা হল।

    প্রাথমিকভাবে বাস দুটি বিমানবন্দর টার্মিনাল-২ থেকে যাত্রা শুরু করে বিমানবন্দর গোলচত্বর থেকে উত্তরা জসীমউদ্দীন রোড হয়ে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন হয়ে বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩ হয়ে বিমানবন্দর গোলচত্বর দিয়ে আবারো বিমানবন্দর টার্মিনাল-২ পর্যন্ত আসবে।

  • বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মে, ২০২৪: পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজারের স্থানে ১০তলা বঙ্গবাজার পাইকারি মার্কেট, শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানের আধুনিকায়নসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ (শনিবার) সকাল ১০টার দিকে প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করেন তিনি।

    এই সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্ধিত ঢাকার জনগণ যেন যথাযথ সেবা পেতে পারে সেজন্য নগরীকে তিনি উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এই দুটি অংশে ভাগ করেন। যে গুলো ইউনিয়ন ছিল সেগুলোকেও সিটি কর্পোরেশনের আওতায় নিয়ে এসে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঠিকানাবিহীন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসন সমস্যা দূরীকরণে তাঁর সরকার আবাসিক ফ্ল্যাট ও সম্মানজনক পদবীর ব্যবস্থা করে দিয়েছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “ঢাকা শহরের পূর্ব-পশ্চিমে রাস্তাই ছিল না। তাঁর সরকার সে সব রাস্তা, ওভারপাস, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, বাঁধের ওপর রাস্তা, বুড়িগঙ্গা বেড়িবাঁধ করে দিয়েছে এবং বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। যে গুলো বাস্তবায়ন হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো উন্নত হবে।”

    তিনি বলেন, “আন্তঃজেলা যোগাযোগ সহজ করতে আমরা ঢাকায় একটি রিং রোড নির্মাণ করতে চাই।”

    সরকার প্রধান বলেন, “ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগার এখান থেকে সরিয়ে কেরানীগঞ্জ নেওয়া হয়েছে। পুরাতন কেন্দ্রিয় কারগারে যেখানে জাতির পিতা দীর্ঘদিন বিভিন্ন সময় বন্দি ছিছেন, যেখানে জাতীয় চারনেতাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ফাঁসির মঞ্চ যেখানে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখলের পর হাজার হাজার সেনাবাহিনীর অফিসার সৈনিক, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ফাঁসি দিয়েছিল। আর ব্রিটিশ আমল থেকেই অনেক দেশপ্রেমিককে সেখানে ফাঁসি দেওয়া হয় সেই জায়াগাটিসহ সকল স্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে স্কুল এবং পার্ক করে সৌন্দর্যবর্ধন এবং বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “ঠিক একইভাবেই এই এলাকার মানুষ যাতে ভালভাবে থাকতে পারে সেই ব্যবস্থাও করেছি।’

    শেখ হাসিনা বঙ্গবাজার পুনর্নিমাণের পর ব্যবসা চালু রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বলেন, এরআগে তিনি মোবাইল লেনদেনের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বঙ্গবাজার বাজারের ব্যবসায়ীদের অনুদান দিয়েছিলেন।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন উন্নয়ন প্রকল্পের পর একটি ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ও দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

    ১০তলা বিশিষ্ট বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণিবিতানে পাঁচটি সাধারণ সিঁড়ি ও ছয়টি অগ্নিপ্রস্থান সিঁড়িসহ পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বিপণিবিতানের প্রতিটি ব্লকের জন্য আলাদা বাহির ও প্রবেশদ্বার থাকবে। ভবনে বৈদ্যুতিক যান্ত্রিক কক্ষ এবং প্রতিটি ব্লকের প্রতি তলায় চারটি করে শৌচাগার থাকবে। এছাড়া ভবনের ভূমিতলে ১৬৯টি গাড়ি ও ১০৯টি মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের সুবিধা থাকবে।

    পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে রায়েরবাজার স্লুইসগেট গেট পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের আট লেনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মণি সরণির নির্মাণকাজেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ৯৭৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের আওতায় ১০ কিলোমিটার নর্দমা (ড্রেন), ১০ কিলোমিটার পথচারী হাঁটার পথ (ফুটপাত), ৩টি উড়াল সেতু (ভেহিকেল ওভারপাস), ৩টি পথচারী পারাপার সেতু (ওভারব্রিজ), দুই কিলোমিটার সংরক্ষণকারী দেওয়াল (রিটেইনিং ওয়াল), তিনটি মসজিদ, ছয়টি যানবাহন বিরতির স্থান (বাস-বে) ও ছয়টি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হবে। এতে ঢাকা শহরের ভেতরে বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ কমার পাশাপাশি বহুলাংশে যানজট নিরসন হবে।

    নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে ধানমন্ডি হ্রদে নজরুল সরোবর নির্মাণ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি।

    এছাড়া শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানের আধুনিকীকরণ কাজেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় ৬০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এই শিশু উদ্যানের আধুনিকায়ন করা হবে।

  • চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু ব্যাটারি কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু ব্যাটারি কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ এপ্রিল, ২০২৪: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম গোলন্দাজ বাহিনী মুজিব ব্যাটারির স্মরণে চট্টগ্রামে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ব্যাটারি কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধন শেষে কমপ্লেক্সটি ঘুরে দেখেন সরকার প্রধান।

    আজ রবিবার ২১ এপ্রিল উদ্বোধনের পর সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দরবার নেন প্রধানমন্ত্রী, যেখানে বাহিনীটির সদস্যদের দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।

    এ সময় তিনি জাদুঘরে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অতি বাস্তব প্রতিকৃতি, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে মুজিব ব্যাটারির প্রথম গোলাবর্ষণকারী ঐতিহাসিক ৩.৭ ইঞ্চি হাউইটজার, আর্টিলারি রেজিমেন্টে ব্যবহৃত গোলাবারুদ ও সব কামানের প্রতিরূপ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে গোলন্দাজ বাহিনীর উল্লেখযোগ্য অপারেশনসমূহের গৌরবময় ইতিহাস অবলোকন করেন।

    অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনী প্রধান, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তি, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন পদবির অফিসার, জেসিও, অন্যান্য পদবির সেনা সদস্য এবং মিডিয়া ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে মুজিব ব্যাটারির ওপর নির্মিত একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।

  • সশস্ত্র বাহিনীর সমরাস্ত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    সশস্ত্র বাহিনীর সমরাস্ত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মার্চ, ২০২৪: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উদ্‌যাপন উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী সশস্ত্র বাহিনীর সমরাস্ত্র প্রদর্শনী।

    আজ রবিবার (মার্চ ২৪) রাজধানীর তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ফিতা কেটে বেলুন উড়িয়ে সমরাস্ত্র সশস্ত্র বাহিনীর এই সমরাস্ত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এই সময় হেলিকপ্টার থেকে সেনাবাহিনীর প্যারাট্রুপারদের অবতরণ অনুষ্ঠানটিকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।

    প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখেন। তিনি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সৈন্যদের ব্যবহৃত বিভিন্ন হালকা ও ভারী অস্ত্র প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে  সমরাস্ত্র সম্পর্কে ব্রিফ করেন।

    প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য অতিথিরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের পরিবেশিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তাদের সাথে একটি ফটো সেশনে যোগ দেন।

    আইএসপিআর জানায়, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর এই যৌথ সমরাস্ত্র প্রদর্শনী-২০২৪ আগামী ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০ মার্চ প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

    সমরাস্ত্র প্রদর্শনী এলাকায় কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র অথবা বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য বহন করা যাবে না।

    এর আগে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান।

    অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, সচিব, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশাল জিপিও ভবন উদ্বোধন করলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী

    বরিশাল জিপিও ভবন উদ্বোধন করলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ মার্চ, ২০২৪: বরিশাল জিপিও ভবনের উদ্বোধনী অনুষানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “ইতোমধ্যে খুলনার কয়রায় স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্ট চালু করা হয়েছে। এ মাসে আরও চারটি এবং আগামী মাসে আরও ৫০০টি ডাকঘরকে স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্টে রূপান্তরিত করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশে সাড়ে আট হাজার ডাকঘরকে স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্টে রূপান্তরিত করা হবে।”

    জুনাইদ আহমেদ পলক আজ শুক্রবার (২২ মার্চ) ‘স্মার্ট প্লাটফর্মে’ বরিশালে ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বরিশাল জিপিও ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট  ডাকঘর অপরিহার্য উল্লেখ করে বলেন, “ডাকঘরের বিস্তীর্ণ নেটওয়ার্ক, বিশাল অবকাঠামো ও জনবল ব্যবহার করে প্রত্যন্ত এলাকাসহ দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায়  স্মার্ট ডাক সেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। আজকের ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে প্রতিটি মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ব্যবস্থাও ডাক অধিদফতর করতে পারে। এই প্রতিষ্ঠান দেশের প্রতিটি প্রান্তের প্রতিটি মানুষকে চেনে।”

    তিনি বলেন, “জি-টু-জি ডাক সেবা এবং ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব প্রদানের পাশপাশি  স্মার্ট সক্ষমতা তৈরির মানসিকতা ও বিদ্যমান ধ্যান ধারণার পরিবর্তন, স্মার্ট প্রযুক্তি গ্রহণ এবং স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।”

    পলক বলেন, “২০০৯ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা বিশিষ্ট কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়ের দিক-নির্দেশনায় দেশে ২০২১ সালে তথ্য-প্রযুক্তির সফল বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার অভিযাত্রা শুরু হয়েছে। জ্ঞানভিত্তিক একটি স্মার্ট সাম্য সমাজ প্রতিষ্ঠায় ডাক অধিদপ্তরের  ভূমিকা অপরিসীম বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।”

    জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “ডিজিটাইজেশনের প্রভাবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে চিঠি আদান-প্রদানের যুগ শেষ হয়ে গেলেও পণ্য পরিবহনে ডাকঘর হবে সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য সেবা প্রতিষ্ঠান। ডাকঘরকে মেইল ডেলিভারি সেবা থেকে সার্ভিস ডেলিভারি সেবায় রূপান্তরিত করতে পারলে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখতে সক্ষম হবে। তিনি বরিশালে রাত্রিকালীন ডাকঘরের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।”

    বরিশাল জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তরুণ কান্তি সিকদার, দক্ষিণাঞ্চল খুলনার পোস্ট মাস্টার জেনারেল শামসুল আলম বক্তৃতা করেন।

  • ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে উইন্টার স্কুলের উদ্বোধন

    ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে উইন্টার স্কুলের উদ্বোধন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ ও জার্মানির ওস্টবাইরেস টেকনিশে হোশুলা (ওটিএইচ) এর উইডেন বিজনেস স্কুল যৌথভাবে প্রথমবারের মতো উইন্টার স্কুলের আয়োজন করছে। গতকাল রাজধানীর গ্রীন রোডস্থ ইউএপি অডিটরিয়ামে উইন্টার স্কুলের উদ্বোধন হয়।

    ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি)-বাংলাদেশের সভাপতি জনাব মাহবুবুর রহমান।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানির রাষ্ট্রদূত জনাব আখিম ট্রোস্টার, ইউএপি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান স্থপতি মাহবুবা হক ও উইডেন বিজনেস স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. বার্নট মায়ার।

    ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানির রাষ্ট্রদূত জনাব আখিম ট্রোস্টার বলেন, প্রথমবারের মতো উইন্টার স্কুল আয়োজনের জন্য ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিককে ধন্যবাদ জানাই। এট দারুণ উদ্যোগ।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি চমৎকার জায়গা। এই দেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যেমন ছিল, তারচেয়ে এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এই দেশে অনেক দারুণ, অভিভূত হওয়ার মতো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হচ্ছে। বাংলাদেশে সঠিক পথেই আছে। জার্মান বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী। দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

    আইসিসিবি সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত আইসিসি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিধি-বিধান, ব্যাংকিং, শিপিং ইত্যাদি রেগুলেশন তৈরি করে। যা জাতিসংঘ কর্তৃক অনুমোদিত হয়।

    তিনি আরো বলেন, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক ও ওটিএইচ, জার্মানির উইন্টার স্কুল উভয় বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য গুণগত শিক্ষা গ্রহণে সহায়ক হবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বের প্রথম সারির শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে আইসিসিবি সভাপতি দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণের প্রতি আহবান জানান।

    ওটিএইচ এর অ্যামবার্গ-ওয়েডেন স্কুল অফ বিজনেস এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল এসময় ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সাথে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করবে। এছাড়াও তারা একাডেমিক এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে অংশ হিসেবে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থান পরিদর্শন করবে।

    উল্লেখ্য, দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে আসন্ন উইন্টার স্কুল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই প্রোগ্রামটি দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একাডেমিক এবং গবেষণার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী পরিবেশ তৈরীতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।