Tag: প্রধানমন্ত্রী

  • এই বিজয় জনগণের বিজয় এবং গণতন্ত্রেরও বিজয়: প্রধানমন্ত্রী

    এই বিজয় জনগণের বিজয় এবং গণতন্ত্রেরও বিজয়: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ জানুয়ারি, ২০২৪: এই বিজয় জনগণের বিজয় এবং গণতন্ত্রেরও বিজয়, বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এ সময় তিনি আরও অঙ্গীকার করেছেন, ‘আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির পথে বাংলাদেশের যাত্রা অব্যাহত থাকবে।’

    আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তার নতুন মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইতে স্বাক্ষর করার সময় এ কথা লিখেছেন।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ গড়ার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি আরও লিখেছেন, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছে।

    রেকর্ড পঞ্চম মেয়াদে এবং পরপর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠনের শপথ নেওয়ার একদিন পর আজ বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা।

    ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২২২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের চার দিন পর শেখ হাসিনা পঞ্চম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে শেখ হাসিনা ও তার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ১১ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

  • দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

    দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ জানুয়ারি, ২০২৪: দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলেছিলেন, বলে জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ বুধবার (১০ জানুয়ারি) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়ে শেখ হাসিনা এই মন্তব্য করেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটাই শেখ হাসিনার প্রথম জনসভা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ফিরে এসেছিলেন এই বাংলাদেশে। সবার আগে ছুটে এসেছিলেন এই ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। যেখানে তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তার জীবনটা উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশের জনগণের জন্য। এ দেশে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষার কোনো কিছু ছিল না। প্রায় ৮০ থেকে ৯০ ভাগ মানুষই দারিদ্র্য সীমার নিচের বাস করত। একবেলা খাবার পেত না, দিনের পর দিন না খেয়ে তাদের জীবন কাটাতে হয়েছে। সেই মানুষদের মুক্তির জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেতে হয়েছিল তাকে।”

    তিনি বলেন, “এ দেশে মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য, কী কী কাজ করা দরকার, একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশকে কীভাবে তিনি গড়ে তুলবেন সেই সব বিষয়ে তিনি ভাষণেই উল্লেখ করেছিলেন। যে ভাষণ তিনি এ জায়গায় দিয়েছিলেন। এই ভাষণ যখন শুনি আমি মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যাই। দীর্ঘ ৯ মাস কারাগারে বন্দি ছিলেন। সেখানে তাকে ঠিকমতো খাবারও দেওয়া হতো না। সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নভাবে রাখা হয়েছিল তাকে। এমনকি একটি পত্রিকাও তার জন্য রাখা হয়নি। তার ফাঁসির হুকুম হয়ে গিয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে লন্ডন হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছেছিলেন তিনি। দেশে পা রেখেই ছুটে যান বাংলার জনগণের সামনে। ১০ জানুয়ারি এখানেই তিনি ভাষণ দেন। সেই ভাষণে একটি দেশের ভবিষ্যৎ, উন্নয়ন, সব পরিকল্পনা, দুঃখী মানুষের হাসি ফোটানোর পরিকল্পনা, মহান মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শ, সেটাই তিনি তুলে ধরেছিলেন।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার অবাক লাগে সামরিক একনায়করা যখন ভোট কারচুরি করে ক্ষমতায় আসে সেই নির্বাচন নিয়ে কেউ কথা বলতো না। যখন নির্বাচন মানে ছিল ১০টা হোন্ডা ২০টা গোণ্ডা নির্বাচন ঠান্ডা। আমরা যখন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছি তখনই আমাদের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ অনেকের অনেকরকম স্বপ্ন ছিল। অনেকে নির্বাচন ব্যর্থ করতে চেয়েছিল, কিন্তু তাদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। মানুষ যেন ভোট দিতে না পারে সেই চেষ্টা করা হয়েছিল।”

    জনসভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, “এখন খেলা হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে, লুটপাটের বিরুদ্ধে। খেলা হবে অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। আজ ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি। যত দিন লাল সবুজের পতাকা উড়বে, যত দিন বাংলার পাখিরা গান গাইবে তত দিন বঙ্গবন্ধু তুমিও থাকবে।”

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বঙ্গবন্ধুকন্যাকে পঞ্চমবারের মতো আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি পার্টি লিডার অব দ্য হাউস করেছে। আগামীকাল তিনি শপথ নেবেন। তিনি আমাদের সাহসের সোনালি ঠিকানা।”

    এর আগে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যানার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে আসেন জনসভায়। ঢাকার বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিটের নেতারাও ব্যানার-প্ল্যাকার্ড ও পতাকা নিয়ে যোগ দেন।

    ছবির হাটের গেট, টিএসসি সংলগ্ন গেট, রমনা কালিমন্দিরের গেট, তিন নেতার মাজার গেট দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করছেন নেতাকর্মীরা। রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের গেট দিয়ে ভিআইপিরা প্রবেশ করবেন জনসভায়।

    ঢাকা ও তার আশপাশের জেলা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আসেন দুপুর দেড়টার দিকে।

  • ঐক্যবদ্ধ থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    ঐক্যবদ্ধ থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ জানুয়ারি, ২০২৪: ঐক্যবদ্ধ থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “এ নির্বাচনে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে, জনগণের বিজয় হয়েছে। ষড়যন্ত্র ছিল, ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। এসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।”

    আজ বুধবার (১০ জানুয়ারি) বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের প্রথম সভায় শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানান।

    জাতীয় সংসদের নবম তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, “আপনারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, জনগণের প্রতি আপনাদের দায়বদ্ধতা আছে। জনগণের প্রতি যে দায়িত্ব রয়েছে, তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে। প্রত্যেকের নিজ নিজ এলাকার জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রেখে কাজ করতে হবে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো অব্যাহত রেখে চলমান উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “জনগনের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা সর্বোচ্চ।  আপনারা এলাকায় যাবেন। এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন। এলাকার কাজ করতে হবে যাতে সুষম উন্নয়ন হয়।”

    সংসদনেতা বলেন, “সকলকে পার্লামেন্টে প্র্যাকটিসের ওপর জোর দিতে। লেখাপড়া করতে হবে।যাতে পার্লামেন্টে প্র্যাকটিস জোরদার হয়।”

    এ সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ও জাতীয় সংসদের নেতা নির্বাচিত হন।

  • বীমা দিবসে বীমা কোম্পানিগুলোকে ইচ্ছাকৃত ক্ষতির বিপরীতে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    বীমা দিবসে বীমা কোম্পানিগুলোকে ইচ্ছাকৃত ক্ষতির বিপরীতে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বীমা দিবস-২০২৩-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ‘কারো চাপের কাছে আপনারা মাথা নত করবেন না। আমিই বলেন বা আমাদের মন্ত্রি পরিষদের সদস্যদের কাছে নানা ধরনের লোক আসে, তদবিরও করতে পারে সেক্ষেত্রেও আপনাদের দেখতে হবে প্রকৃত ক্ষতি কতটুকু। দাবিদার দাবি করবে বড় একটা কিন্তু তার প্রকৃত ক্ষতি যাচাই-বাছাই করেই আপনারা অর্থ পরিশোধ করবেন।’
    যে কোনো স্থানের বা প্রভাবশালীদের চাপের মুখে অগ্নিকান্ডে কোনো সম্পত্তির ক্ষতির জন্য যথাযথ তদন্ত না করে বীমার অর্থ ছাড় না করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা।

    বীমা কোম্পানিগুলোকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বীমার অর্থ দাবির ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে স্বার্থান্বেষী মহলের অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়েও বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি আগে থেকেই ভেবে রেখেছিলেন আজকে এ কথা বলবেন, কারণ তিনি যেহেতু এই পরিবারেরই একজন সদস্য (জাতির পিতাও বীমা কোম্পানিতে চাকরি করেছিলেন) তাই এর বদনাম হোক তা তিনি চান না।’
    সরকার প্রধান বলেন, ‘ঘন ঘন একটা জায়গায় আগুন লাগবে কেন? ইন্সুরেন্সের দাবিদার হয়ে যায়- টাকা পায়। সেক্ষেত্রে আমার অনুরোধ থাকবে বিভিন্ন ইন্সুরেন্স কোম্পানি এবং যে কর্তৃপক্ষ করে দিয়েছি তাদের এ ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকা দরকার। কতটুকু ক্ষতি হলো তার যথাযথভাবে তদন্ত হওয়া দরকার।’
    তিনি উল্লেখ করেন তৈরি পোষাক কারখানাগুলোতে এক সময় ঘন ঘন অগ্নিকান্ড ঘটার প্রসঙ্গ টেনে তদন্ত করে তিনি বীমার মোটা অংকের মিথ্যা অর্থ দাবির প্রমাণ পেয়েছেন। তিনি আরও, কোন একটি কোম্পানির এক নারী কর্মীকে দিয়ে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে অগ্নিকান্ড ঘটানো হয় বলেও তদন্তে বেরিয়েছে।

    তিনি উদাহারণ দিয়ে বলেন, একটি ফ্ল্যাটে আগুন লাগার ক্ষেত্রে ৪০ কোটি টাকার বীমা দাবিরও তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে আছে। একটি ফ্লাটে ৪০ কোটি টাকার কী সম্পদ থাকতে পারে, সে প্রশ্ন তুলে এর তদন্ত করাবেন বলেও জানান শেখ হাসিনা।
    ১৯৬০ সালের ১ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। তাই সরকার প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং গত বছর একে ‘ক’ ক্যাটাগরি ভুক্ত দিবস হিসেবে উন্নীত করে।

  • প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছেন মিঠামইনে সুধী সমাবেশে

    প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছেন মিঠামইনে সুধী সমাবেশে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আয়োজিত এক জনসভায় বলেন: মহান মুক্তিযুদ্ধে এই অঞ্চলের মানুষের অনেক অবদান ছিল। এই অঞ্চলের উন্নয়ন হাওরবাসীদের প্রাপ্য। উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।
    তিনি আরও বলেন: এই হাওরাঞ্চল সবসময় অবহেলিত ছিল। গত ১৪ বছরে আমরা বিরাট পরিবর্তন করছি। এরই মধ্যে মিঠামইন-মরিচখালি উড়াল সেতু অনুমোদন দিয়েছি। এখন থেকে এখানে যত সড়ক হবে, সব উড়াল সেতু হবে। সারা বছরই যেন মানুষ চলাফেরা করে সেই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বলেই দেশের মানুষ সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারছে।
    হাওরাঞ্চলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাস ছাড়া কিছুই বোঝে না। যারা ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসতে চায়, যারা বিদেশে অর্থ পাচার করে তারা অন্তত দেশবাসীর ভাল করতে পারে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণে আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল।

  • নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ চায় আওয়ামী লীগ

    নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ চায় আওয়ামী লীগ

    রোববার দুপুরে মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে আগত দেশি-বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইলেকশন মনিটরিং ফোরামে’র প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, “আমরা চাই বিএনপিসহ সমস্ত রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিক এবং জনগণ উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ভোট দিয়ে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আগামীর সরকার নির্বাচিত করুক। সরকারের পক্ষ থেকে যদি কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন থাকে সেটি অবশ্যই আমরা করবো।’’

     

  • জনগণের সেবক হতে হবে নবীন কর্মকর্তাদের : প্রধানমন্ত্রী

    জনগণের সেবক হতে হবে নবীন কর্মকর্তাদের : প্রধানমন্ত্রী

    নবীন কর্মকর্তাদের ঔপনিবেশিক ধ্যান-ধারণা থেকে বের হয়ে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘তথ্য-প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে সবাইকে চলতে হবে। প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হতে হবে।’

    সোমবার বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি)৭৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স এর সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

    নবীন কর্মকতারাই দু’হাজার ৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার সৈনিক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের নতুন নতুন চিন্তাভাবনা থাকতে হবে।’