Category: রাজনীতি

  • আমরা সন্ত্রাসের নয়, শান্তির রাজনীতি করি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

    আমরা সন্ত্রাসের নয়, শান্তির রাজনীতি করি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৬ জুলাই, ২০২৪: আমরা সন্ত্রাসের নয়, শান্তির রাজনীতি করি, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, আমরা ধ্বংসের রাজনীতি করি না, আমরা সৃষ্টির রাজনীতি করি। আমরা সন্ত্রাসের নয়, শান্তির রাজনীতি করি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সৃষ্টির রাজনীতি ও শান্তির পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

    আজ শনিবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টায় চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা শাখা আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, “বিএনপি রাজনীতির নামে অপরাজনীতি করে। হত্যা, ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে তাদের জন্ম হয়েছে। একজন অবৈধ দখলদার সেনা শাসকের পকেট থেকে একটা সংগঠন কায়েম হয়েছে। তখন বিভিন্ন ধরনের লোকজন দিয়ে একটি দল তৈরি হয়েছে, তার নাম বিএনপি।”

    তনি বলেন, “সেই দলটা (বিএনপি) বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী। কিন্তু তারা বলতে চায় তারাও স্বাধীনতার পক্ষের লোক। যদি তাই হয়, তাহলে তারা কেন স্বাধীনতার বিপক্ষের লোকজন নিয়ে ঘোরে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কেন বন্ধ করতে চায়। বিএনপি কেন আমাদের শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া লাল-সবুজের পতাকা তাদের গাড়িতে তুলে দেয় এবং মন্ত্রী বানায়। কাজেই এই বিএনপি-জামায়াতকে যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে।”

    মন্ত্রী আরও বলেন, “যখন দেশে বিএনপি-জামায়াত কর্তৃক নারীদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন চলছিল তখনই এই যুব মহিলা লীগ নামে সংগঠটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। তখন থেকেই এই সংগঠন আন্দোলন সংগ্রামে জোরালো ভূমিকা পালন করেছে এবং সকল ধরনের নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। তারা রাজপথে একটি নজির স্থাপন করেছেন।”

    তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি (যুব কহিলা লীগ) আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছে। বিভিন্ন অত্যাচার নির্যাতনের পরও তারা দমে জাননি। জাতীয় নির্বাচনের সময় তারা প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিজয় নিশ্চিত করেছেন। দেশের অর্ধেক ভোটার নারী। তাদের পেছনে ফেলে সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না। শেখ হাসিনার কল্যাণে আজকে সকল পেশায় নারীরা এগিয়ে আছে। নারীরা তাদের যোগ্যতার মাধ্যমে প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছে। নারীদের শ্রম ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।”

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান, চাঁদপুর জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রনজিত রায় চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আলম মিল্টন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপিকা মাসুদা নূর খান, যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জহির মিজি, সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হায়দার সংগ্রাম,জেলা যুব মহিলা  সভাপতি ফরিদা ইলিয়াছ প্রমুখ। আলোচনা শেষে মন্ত্রী অতিথিদের নিয়ে যুব মহিলা লীগের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন।

  • মিথ্যাচার ও অপপ্রচার বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার: সেতুমন্ত্রী

    মিথ্যাচার ও অপপ্রচার বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৪ জুলাই, ২০২৪: মিথ্যাচার ও অপপ্রচার বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “মিথ্যাচার ও অপপ্রচার বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। এগুলো জনগণের সামনে প্রকাশিত হওয়ায় বিএনপি বার বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়েও তারা মিথ্যাচার করছে। তিনি চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে গেছেন। তার মুক্তি কোনো রাজনৈতিক বিষয় না বরং আইনগত বিষয়। এ বিষয়ে বিএনপি আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবিলা না করে রাজনৈতিক ইস্যু বানানোর অপচেষ্টা করছে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে একথা বলেন তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিগত কয়েক বছর ধরে বিএনপি খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন করছে। কিন্তু সেই আন্দোলনে জনগণের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বিএনপি জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুকে প্রাধান্য না দিয়ে একটি অরাজনৈতিক বিষয়কে রাজনৈতিক ইস্যু করার অপচেষ্টা করছে। আর বিএনপি যখনই তাদের তথাকথিত আন্দোলন নিয়ে মাঠে নামে তখন তারা তাদের সন্ত্রাসী ও ক্যাডারবাহিনীকে সক্রিয় করে। বিএনপি আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী ও ক্যাডারবাহিনীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অপচেষ্টা করে। আর এ সকল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বিএনপি নেতৃবৃন্দ মিথ্যাচার-অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ায়।”

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আওয়ামী লীগ কখনো অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় যায়নি। আওয়ামী লীগ সবসময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য বিএনপি এবং তার দোসররা সর্বদা তৎপর থেকেছে। এটা বিএনপির জন্মগত রাজনৈতিক লিগ্যাসি। কারণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী সামরিক স্বৈরাচারের হাতে প্রতিষ্ঠিত দল কখনো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে পারে না।”

    বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, “বিএনপি যদি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আন্দোলন করতে সক্ষম হতো বা তাদের আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করতে পারতো তাহলে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সৎ সাহস দেখাতে পারত। সেটা না থাকার কারণে বরাবরই বিএনপি সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, যারা গণতান্ত্রিক পন্থার ব্যত্যয় ঘটাতে সন্ত্রাস-সহিংসতাকে উস্কে দেওয়ার পাঁয়তারা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

  • বিএনপি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৩০ জুন, ২০২৪: বিএনপি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে, বলে জানিয়েছেন  আওয়ামী লীগ সাধারণ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বিএনপি খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ‘রাজনীতি’ এবং তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।”

    রবিবার (৩০ জুন) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আন্দোলনের নামে বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি জনগণ বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বিএনপি আজ একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। এখন তাদের তথাকথিত আন্দোলনের বিষয় দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত অসুস্থ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।”

    তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার পরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে নিজ বাসায় থেকে দেশের সর্বাধুনিক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন। সেখানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত কোনও ব্যক্তির মুক্তভাবে এভাবে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের কোনও নজির নেই। কিন্তু বিএনপি কয়েক বছর ধরে আইনি পদ্ধতি ব্যতিরেকে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি করছে।”

    বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, “খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সংবিধান ও আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির মুক্তির দাবি ধৃষ্টতা ছাড়া কিছু নয়। আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কোনও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির দেশ ত্যাগ করার কোনও বিধান নেই। মানবিক কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাহী ক্ষমতাবলে সাজা স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন।”

    তিনি বলেন, “বিএনপি এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে, উচ্চ আদালতে না গিয়ে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপি কখনও আইনের শাসনে বিশ্বাস করে না এবং চিরাচরিতভাবে আইন, বিচারব্যবস্থা, সংবিধান ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়।”

    আওয়ামী লীগ দেশে সংবিধান ও আইনের শাসন বজায় রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ উল্লেখ করে সাধারণ সম্পাদক বলেন, “কোনও প্রকার বেআইনি, অযাচিত ও অযৌক্তিক দাবি কোনও গণতান্ত্রিক সরকার মানতে পারে না। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অতীতের মতো আন্দোলনের নামে যেকোনও সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।”

  • আমরা অস্ত্র উঁচিয়ে শেষ রাতে ক্ষমতা দখলকারী দল নই: সেতুমন্ত্রী

    আমরা অস্ত্র উঁচিয়ে শেষ রাতে ক্ষমতা দখলকারী দল নই: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২৯ জুন, ২০২৪: আমরা অস্ত্র উঁচিয়ে শেষ রাতে ক্ষমতা দখলকারী দল নই, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “আমরা মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে জীবনের জয় গান গাই। আমরা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে সৃষ্টির পতাকা উড়ায়। আমাদের শিকড় বাংলাদেশের মাটির অনেক গভীরে। আমাদের জন্ম জনতার মাঝ থেকে। আমরা অস্ত্র উঁচিয়ে শেষ রাতে ক্ষমতা দখলকারী দল নই। জনগণের মাঝে জনগণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে।”

    আজ শনিবার (২০ জুন) দুপুরে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আমরা বলেছিলাম বছরব্যাপী উদযাপন করবো। সেখানে খবর হয় আমরা নাকি পাল্টাপাল্টি করছি। গতকাল আমরা সাইকেল র‍্যালি করেছি, বিএনপির কি কিছু ছিল? তাহলে কেন এই অপবাদ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দিচ্ছেন? আমরা সারা বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবো। আমাদের কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করা হবে। আগস্ট মাসের পরে জেলা পর্যায়ে সমাবেশ হবে। সে সমাবেশে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখবেন।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপি বড় বড় কথা বলে। তাদের আন্দোলন ভুয়া। বিএনপিতে এখন আতঙ্কের নাম তারেক রহমান। মধ্যরাতে টেমস নদীর পার থেকে ফরমান আসে। একজন গেল, আরেকজন এলো, মধ্যরাতের ফরমান। তারেক রহমানের এ ফরমানে ফখরুল ইসলাম, গয়েশ্বর বাবু কোথায় যান? কেউ জানে না।”

    তিনি আরও বলেন, “লন্ডনের বসে কর্মসূচি দেয় মেইড ইন লন্ডন। নতুন নেতৃত্ব পাঠায় ফরমান আকারে। লন্ডনে বসে নেতা বানায়, কর্মসূচি দেয়। এই মেইড ইন লন্ডন কর্মসূচি মানে কী? খেলা কিন্তু হবে, ছেড়ে দেওয়া হবে না।”

    সভায় উপস্থিত ছিলেন— আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজি, সাঈদ খোকন প্রমুখ।

  • ভালোমতো পড়াশোনা না করে বিএনপির নেতারা বক্তব্য দেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ভালোমতো পড়াশোনা না করে বিএনপির নেতারা বক্তব্য দেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২৬ জুন, ২০২৪: ভালোমতো পড়াশোনা না করে বিএনপির নেতারা বক্তব্য দেন, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা চুক্তি আর সমঝোতা স্মারকের মধ্যে পার্থক্য বোঝেন না। ভারত সফরে কোনো চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি। মির্জা ফখরুলকে বলব, ভালোমতো পড়াশোনা করে গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দিতে। যে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হয়েছে, সবগুলো বাংলাদেশের স্বার্থে।”

    আজ বুধবার (২৬ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমাদের ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বিএনপি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক ধরে রাখতে পারেনি। ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে ভারতের ভূমির ওপর দিয়ে নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করার বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, “ইউরোপে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ট্রেন যায়, তাতে কী তাদের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হয়? বাংলাদেশ-ভারতের রেলযোগাযোগ রয়েছে, সেটি আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা চলছে।”

    তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে বিরোধ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী  বলেন, “এটা তাদের রাজ্য এবং কেন্দ্রের বিষয়, এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমাদের সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতা স্মারক করে বা চুক্তি করে। ঐকমত্য হয়, দ্বিমত হয়; সেটা তাদের একান্তই অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। আমি মনে করি, এ প্রশ্নটা ভারত সরকারকে করলে ভালো হয়। তারাই এটার সঠিক উত্তর দিতে পারবে। কারণ, এটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।”

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতে নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম সরকারপ্রধান হিসেবে দ্বিপক্ষীয় সফরে আমন্ত্রণ জানায়। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় ভারত বাংলাদেশকে কত গুরুত্ব দেয়।”

    হাছান মাহমুদ বলেন, গঙ্গার “পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন না হলেও পানি পাবে বাংলাদেশ। তবে এই চুক্তি নবায়নের জন্য আমরা কথা বলেছি।”

    এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সুইডেনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দ্রা বার্গ ভন লিন্ডে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন।

  • মির্জা ফখরুলের কান্নার পেছনে অনেক কারণ আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    মির্জা ফখরুলের কান্নার পেছনে অনেক কারণ আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২৪ জুন, ২০২৪: মির্জা ফখরুলের কান্নার পেছনে অনেক কারণ আছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “দেখা যায় মধ্যরাতে বিএনপির কমিটি বাতিল আবার ভোররাতে আরেকজনের সুপারিশে বহাল। এটি বিএনপির মধ্যে এখন রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে দলের মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা নাই তারা আবার গণতন্ত্রের কথা বলে কীভাবে। মির্জা ফখরুল সাহেবের কান্না তো এমনিতেই আসে না, এর পেছনে অনেক কারণ আছে।”

    আজ সোমবার (২৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কর্তৃক আয়োজিত আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তদন্তের আগে গণমাধ্যমের সামনে কাউকে দুর্নীতিবাজ বলাও সমীচীন নয়। অবশ্যই দুর্নীতির সংবাদ আসবে এবং সেটি দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন প্রয়োজন। কোন নিরপরাধ মানুষ যাতে ভিকটিম না হয়। কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রয়াস হিসেবে যেন কোনো সংবাদ পরিবেশন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।”

    তিনি বলেন, “গত নির্বাচনের আগে অনেক ষড়যন্ত্র ছিল। প্রথমে নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। সেই ষড়যন্ত্র বানচাল হওয়ার পর ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল সরকার যেন বিশ্ব দরবারে সমাদৃত না হয়। ৮০টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চিঠি লিখে সরকারের সঙ্গে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। ৩২টি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এরপর বিএনপির বেলুন শেষ হয়ে গিয়েছে।”

    হাছান মাহমুদ বলেন, “কয়েকদিন আগে পত্রিকায় একটি শিরোনাম দেখলাম ‘মহাসচিবের খোঁজে বিএনপি’৷ একটি দল আট থেকে নয় বছর কোন সম্মেলন হয় না। আবার দেখলাম কয়েক ডজন পদ কোনো সম্মেলন ছাড়াই তারা পূরণ করে দিয়েছে। মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটররা যেভাবে কলমের খোঁচায় কাউকে বরখাস্ত করতো এবং দলে অন্তর্ভুক্ত করতো ঠিক একই কায়দায় দেশের অভ্যন্তরে নয় দেশের বাইরে থেকে কে কোন পদ পাবে সেটি তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঠিক করে দিচ্ছে। যাদের নিজেদের দলেই কোনো গণতন্ত্র নেই। তার আবার মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে।”

    তিনি বলেন, “মহাসচিবের খোঁজে বিএনপি’ পত্রিকায় এই শিরোনাম দেখার দুইদিন পর দেখলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কাঁদছেন। পত্রিকায় এসেছে খালেদা জিয়া অসুস্থ বিধায় তিনি কেঁদেছেন। খালেদা জিয়ার তো বহুদিন ধরে অসুস্থ। এতদিন তো কান্না দেখিনি। শিরোনামে মহাসচিব খোঁজার সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কান্নার ছবি দুইটার মধ্যে সংযোগ আছে কি না এটা খুঁজে দেখার বিষয়। আওয়ামী লীগের থেকে তাদের শেখার আছে। আওয়ামী লীগের প্রতি তিন বছর অন্তর সম্মেলন হয়। কলমের খোঁচায় আওয়ামী লীগ থেকে কাউকে অব্যাহতি দেওয়া হয় না, দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। শেখ হাসিনাকে সমস্ত ক্ষমতা প্রদান করা হলেও তিনি সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করেন না। আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেন।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যখন আওয়ামী লীগ সংকটময় মুহূর্তে পড়তে যাচ্ছিল তখন দলের ঐক্যের প্রতীক হয়ে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তাকে ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে তিনি তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে তিনি মায়ের মমতায়, বোনের স্নেহে কর্মীদের আগলে রেখে সংগঠিত করেছেন।”

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে বারবার গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে। গণতন্ত্রকে শেকল বন্দি করা হয়েছে। সেই শেকল বন্দি গণতন্ত্র বারবার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তি লাভ করেছে। আজকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ বছরের পথ চলার ৪৩ বছরই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। আওয়ামী লীগের সৌন্দর্য হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতার দল নয়, আওয়ামী লীগ কর্মীদের দল। আওয়ামী লীগের সঙ্গে অন্যান্য দলের পার্থক্য হচ্ছে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা আছে। বিএনপিসহ অন্যান্য দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা নেই।

    পৃথিবী জুড়ে সংকটময় পরিস্থিতি চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “সংকটময় পরিস্থিতিতে পৃথিবী আজ টালমাটাল। এমন পরিস্থিতিতে আমরা আমাদের উচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি, দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত আছে। করোনা এবং করোনা পরবর্তী সময়ে অনেক দেশেই দেখা দিয়েছে কিন্তু আমাদের কোনো সংকট হয়নি। এটি শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হয়েছে।

    শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডা. অরুপ রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সহসভাপতি মোবারক আলী শিকদারসহ আরও অনেকে।

  • আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়: সেতুমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২১ জুন, ২০২৪: আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়, ব্যক্তি অপরাধ করলে দুদক স্বাধীন, বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিচার করার সৎ সাহস আছে শেখ হাসিনার। আজকে যে চক্রান্ত চলছে এটা আওয়ামী লীগকে হটানোর জন্য কি না এটা ভেবে দেখতে হবে। আজকে আন্দোলনের নামে যদি আবার আগুন নিয়ে মাঠে নামে, খুনের রাজনীতি করেন, আওয়ামী লীগ তার জবাব দিতে প্রস্তুত আছে।”

    আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার (২১ জুন) বিকেলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধনী দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আন্দোলন করবেন, ২৮ অক্টোবরের মতো পালিয়ে যাবেন না তো? বিএনপির আন্দোলন ভুয়া। বিএনপির নেতৃত্ব, দফা ভুয়া। এই ভুয়া দলের ভুয়া আন্দোলনে জনগণ নেই। আগেও ছিল না ভবিষ্যতেও থাকবে না। যে আন্দোলনে জনগণ নেই সেই আন্দোলন, আন্দোলন নয়।”

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “সাবধানে থাকবেন, সতর্ক থাকবেন। ফখরুলরা আজ গুজব ছড়াচ্ছে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে গুজব ছড়াচ্ছে। পুলিশের ওপর আক্রমণ করছে৷ সেনাবাহিনীর প্রতিও তাদের সেই মতলব আছে। তারা আজকে গুজব ছড়িয়ে আওয়ামী লীগকে দুর্নীতিবাজ দল বানানোর চক্রান্ত চলছে।”

    আওয়ামী লীগ বিরোধী অপপ্রচারে গণমাধ্যমও জড়িত দাবি করে তিনি বলেন, “কিছু কিছু মিডিয়া সেই অপপ্রচারে নেমেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তি নিয়ে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আছে। আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়।”

    ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে নানান কর্মসূচি দিয়েছে দলটি। এরমধ্যে যানজট এড়াতে ছুটির দিন শুক্রবার শোভাযাত্রাটি করছে তারা। শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শাখা থেকে নেতাকর্মীরা নানান সাজে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করে। দুপুর নাগাদ রমনা ও আশপাশের এলাকা চলে যায় আওয়ামী লীগের দখলে। বিকেল ৩টায় শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

    এতে অংশ নেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।

    এছাড়া যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশসহ সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর ও জেলার সভাপতি-সম্পাদকরা নেতাকর্মীদের নিয়ে অংশ নেন।

    দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রাটি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়। এটি শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড ও মিরপুর রোড হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত বাসভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

  • খালেদা জিয়া ভারতে গিয়ে গঙ্গার পানিচুক্তির কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলেন: সেতুমন্ত্রী

    খালেদা জিয়া ভারতে গিয়ে গঙ্গার পানিচুক্তির কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলেন: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২০ জুন, ২০২৪: খালেদা জিয়া ভারতে গিয়ে গঙ্গার পানিচুক্তির কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “পৃথিবীর কোথাও কখনো শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়নি। কিন্তু আমাদের দেশে তা শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে, কারণ আমরা সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ থাকলে আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান করা যায়। অথচ জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ভারতের সঙ্গে বৈরিতাপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন। খালেদা জিয়া তো ভারতে গিয়ে গঙ্গার পানিচুক্তির কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রদ্বয়ের যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক করে বিএনপি বাংলাদেশের ক্ষতি করেছে। আমরা বৈরিতা চাই না। বন্ধুত্বপূর্ণ, ভারসাম্যমূলক ও সম্মানজনক পারস্পরিক কূটনীতি চাই। সম্পর্ক ভালো রাখতে চাই। সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হলে আলোচনার টেবিলে সমস্যার সম্মানজনক সমাধান সম্ভব। ভারতের সঙ্গে কম্প্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ করছি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থেই। জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে কারও সঙ্গে সম্পর্ক করবো না।”

    তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান, এরশাদ ও খালেদা জিয়ার আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বৈরী ছিল। তারা পারস্পরিক সম্পর্কে সংশয় ও অবিশ্বাসের দেওয়াল সৃষ্টি করেছিলেন। খালেদা জিয়া ভারতের সঙ্গে বৈরিতা করে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন।”

    সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, “সিলেট অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। বহু মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিত বন্যা পরিস্থিতির খোঁজ নিচ্ছেন। দলের নেতাকর্মীদের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করছেন। ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।”

    সভা থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এর মধ্যে রয়েছে আগামীকাল শুক্রবার বিকেল ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর পর্যন্ত শোভাযাত্রা, ২৩ জুন সকাল ৭টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল সাড়ে ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বেলা আড়াইটায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ, ২২ জুন রবীন্দ্রসরোবর ও ২৪ জুন হাতিরঝিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যানার, পোস্টার, ক্রোড়পত্র ও ভিডিও প্রকাশ করা হবে। সারাদেশে সবুজ ধরিত্রী নামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে।

    যৌথ সভায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, ডা. দীপু মনি, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

  • সমালোচনা করে বিএনপি দেশটাকে শ্রীলঙ্কা বানাতে চায়: সেতুমন্ত্রী

    সমালোচনা করে বিএনপি দেশটাকে শ্রীলঙ্কা বানাতে চায়: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৮ জুন, ২০২৪: সমালোচনা করে বিএনপি দেশটাকে শ্রীলঙ্কা বানাতে চায়, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “সমালোচনা করে বিএনপিসহ তাদের সমর্থকরা দেশটাকে শ্রীলঙ্কা বানিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে।”

    আজ মঙ্গলবার (জুন ১৮) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “এবার এক কোটি ৪০ লাখের বেশি কোরবানি হয়েছে। যা গতবারের তুলনায় বেশি। মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদ ব্যাহত হয়েছে, বিএনপির এ তথ্য ঠিক নয়।”

    তিনি বলেন, “মূল্যস্ফীতি আছে, তবে এটা কমাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”

    ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির অপপ্রচার বন্ধ থাকেনি অভিযোগ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।”

    মিয়ানমার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুলকে চ্যালেঞ্জ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “সার্বভৌমত্বে কোথায় আঘাত হানা হচ্ছে? অনুপ্রবেশকারীরা চলে গেছে, জাহাজও সরে গেছে।”

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা, তিনি দুদককেও স্বাধীন করেছেন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদরে বলেন, “যতই প্রভাবশালী হোক দুর্নীতি করলে কারো ছাড় নেই। বিএনপির শাসন আমলে এমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।”

  • জনগণের সম্পৃক্ততা না থাকলে গণঅভ্যুত্থান হতে পারে না: সেতুমন্ত্রী

    জনগণের সম্পৃক্ততা না থাকলে গণঅভ্যুত্থান হতে পারে না: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৫ জুন, ২০২৪: জনগণের সম্পৃক্ততা না থাকলে গণঅভ্যুত্থান হতে পারে না, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “সরকার পরিবর্তনের জন্য গণঅভ্যুত্থান বা নির্বাচন করতে হবে। আমাদের দেশের সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমটা নির্বাচন। জনগণের ভোটে সরকার পরিবর্তিত হয়। ২০২৪ সালের ৭ই জানুয়ারি নির্বাচন হয়ে গেছে। এখন প্রসঙ্গ হলো গণঅভ্যুত্থান। তারা তো বলে কয়েকদিনের মধ্যেই সরকারের পতন ঘটবে। এটা হাস্যকর। তাদের নেতা-কর্মীরা তো এখন আন্দোলন করছেন না। তাদের পার্টির নেতাকর্মীদের আন্দোলনের মানসিকতা নেই। জনগণ যে আন্দোলনের সম্পৃক্ত থাকবে না, সেটা কোনদিন গণঅভ্যুত্থান হতে পারে না।”

    আজ শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “এদেশের ৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, এরপর কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি। ’৯০ এর আন্দোলনকে আমি গণআন্দোলন বলব, এরশাদ সরকারকে যে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে হয়।”

    মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টার শেল ও ভারী গোলার বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে কক্সবাজারের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।

    এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেবো না। তবে আমরা আক্রমণ করব না, কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি আছে।”

    রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, “রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে এদেশ প্রশংসিত হলেও বিশ্ব সংকটের কারণে রোহিঙ্গাদের বিষয়টি এ দেশের জন্য বাড়তি চাপ। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে সরকার।”

    পশুবাহী গাড়ি ও সড়কের পাশে পশুর হাটের কারণে সড়কে কিছুটা চাপ ও যানজট আছে তবে ভোগান্তিবিহীন ঈদ যাত্রায় মাঠে আছে সরকার।

    বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশে সংকট আছে তবুও অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ ভালো আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম উপস্থিত ছিলেন।