Category: রাজনীতি

  • আ.লীগ সরকারের পতন ঘটানো যাবে না আন্দোলন করে: হানিফ

    আ.লীগ সরকারের পতন ঘটানো যাবে না আন্দোলন করে: হানিফ

    মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে সরকারি অনুদানে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘মাইক’ এর বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠান শেষে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হবে- বিএনপি নেতা খন্দকার মোশরফ হোসেনের এমন বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘আ.লীগ সরকারের পতন ঘটানো যাবে না আন্দোলন করে’

    মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখন অনেক সচেতন। তারা ইতিহাস জানে। তারা জানে এই বিএনপি একাত্তরের পরাজিত শক্তি পাকিস্তানের দোসর হিসেবে কাজ করছে।

    এরা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করে না, দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির বিরুদ্ধে। আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান করে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। তারা সরকারের পতন ঘটানোর ক্ষমতা রাখে না।

    মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণই মূলত স্বাধীনতার ডাক বা ঘোষণা। কারণ ভাষণের পরই গোটা বাঙালি জাতি যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছিল। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল জাতি, দেশ সৃষ্টি করার ভাষণ। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অনুপেরণা। বিশ্বখ্যাত এ ভাষণের সঙ্গে অন্য ভাষণের তুলনা হতে পারে না।

    ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর একাত্তরের পরাজিত শক্তি জাতির পিতার সমস্ত স্মৃতি মুছে দেয়ার চেষ্টা করেছিল। জয় বাংলা নিষিদ্ধ ছিল, ৭ মার্চের ভাষণ ও বঙ্গবন্ধুর ছবি নিষিদ্ধ ছিল। আজকে তারাই সকাল-বিকাল গণতন্ত্রের কথা বলে, গণতন্ত্রের সবক দেয়।

    বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘মাইক’ সিনেমার প্রশংসা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, সিনেমাটি অসাধারণ হয়েছে। পঁচাত্তরের পরে ইতিহাসকে উল্টা পথে চলানোর চেষ্টা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর নাম নিশানা মুছে দেয়ার চেষ্টা হয়েছিল। যার কারণে প্রজন্ম ভুল ইতিহাস জানত, সঠিক ইতিহাস জানত না।

    হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দল। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ক্ষমতায় আছি। এই সরকারের পতন ঘটানোর শক্তি বিএনপি জামায়াত বা একাত্তরের পরাজিত শক্তি, তাদের দোসর কারো নেই। তাদের আন্দোলন আগেও বিফলে গেছে, আবারো বিফলে যাবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘মাইক’ সিনেমাটি এক কথায় অসাধারণ।

  • আবোল-তাবোল বকা শুরু করেছে ফখরুল সাহেবরা: তথ্যমন্ত্রী

    আবোল-তাবোল বকা শুরু করেছে ফখরুল সাহেবরা: তথ্যমন্ত্রী

    ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে দলীয় নেতাদের সঙ্গে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির তারা ২১ বছর ধরে ইতিহাসবিকৃতি করেছে। সেই বিকৃতি যখন ঠেকে গেছে, তখন তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে এবং সেই কারণে মির্জা ফখরুল সাহেবরা আবোল-তাবোল বকা শুরু করেছে।

    আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন এবং কেন্দ্রীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিএনপির নানা বক্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সরকার, যে সরকার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করেছিল এবং বাংলাদেশে স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিচালনা করেছিল, সেই সরকারের অধীনে জিয়াউর রহমান একজন চাকুরে ছিলেন।

    তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যদি কেউ একজন মুক্তিযোদ্ধাকে পানি খাইয়েছে বা একবেলা ভাত খাইয়েছে, সেই অপরাধে পাকিস্তানিরা তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে, তার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে, নির্যাতন করেছে। আর জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে আর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানিরা নতুন বউয়ের মতো আদর-যত্ন করে। এতেই তো প্রমাণিত হয় জিয়াউর রহমান আসলে মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন।

  • বিদেশিদের বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশিদের বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে: তথ্যমন্ত্রী

    ‘দ্রুত বর্ধিষ্ণু অর্থনীতির বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বিদেশিদের আগ্রহ বাড়ছে’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    সোমবার বিকেলে রাজধানীর কাওরানবাজারে একটি হোটেলে ‘ইনোভেটিভ বিজনেস অপরচুনিটিজ ফ্রম বেলজিয়াম’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। বেলজিয়ামের রপ্তানি উন্নয়ন সংগঠন ওলোনিয়া এক্সপোর্ট-ইনভেস্টমেন্ট এজেন্সি এবং ফ্ল্যান্ডার্স ইনভেস্টমেন্ট এন্ড ট্রেড যৌথভাবে এ সেমিনার আয়োজন করে।

    মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যে কোনো বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। আমাদের দেশের অর্থনীতির আকার যেভাবে বিস্তৃত হচ্ছে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে ও বাড়ছে, এ সব কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখনই উপযুক্ত সময়।

    বাংলাদেশে বিনিয়োগে বেলজিয়ামের স্বত:প্রণোদিত এই সেমিনারের বিশেষত্ব চিহ্নিত করে হাছান মাহমুদ বলেন, বিনিয়োগে বিদেশিদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য সাধারণত আমরাই বিদেশে গিয়ে সভা-সেমিনার করি, আর আজ বেলজিয়ামের কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে এসে এখানে সেমিনার করছে। কিন্তু রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা  যদি বিনষ্ট হয়, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না এবং কোনো দেশ এভাবে এসে সেমিনার করবে না, সতর্কবার্তা দেন তিনি।

    সম্প্রচারমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে একশত ইকনোমিক জোন তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ইকনোমিক জোন উৎপাদনে গেছে। দেশি, বিদেশি বিনিয়োগ এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা ভাবনায় রেখেই এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো তৈরি হচ্ছে। সে জন্য বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগ আমাদের জন্য ভালো।

    বেলজিয়ামের লিম্বুর্গ ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাম  থেকে পরিবেশ রসায়ন পিএইচডি অর্জনকারী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বেলজিয়াম একটি উন্নত দেশ। বেলজিয়াম ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্ট সেখানে বসে। সেই দেশ থেকে যদি আমাদের দেশে বিনিয়োগ আসে, বিশেষ করে হাইটেক শিল্প, যে খাতে আমরা এখনো সেভাবে পৌঁছায়নি, সে সব খাতে বিনিয়োগ  আমাদেরকেও সে সব ক্ষেত্রে পারদর্শী করে তুলতে পারবে। এই উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক সেমিনারে সে ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এতে করে নি:সন্দেহে বাংলাদেশ উপকৃত হবে।’

    এর আগে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী দেশের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে  বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ১৪ বছরে বাংলাদেশ বিশ্বে ৬০তম থেকে ৩৫তম অর্থনীতির দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। করোনা মহামারিতে যখন সারা বিশ্ব থমকে গিয়েছিল, তখন বিশ্বের যে মাত্র ২০টি দেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধ্বনাত্বক হয়েছে, আমাদের দেশ তার মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। জাপানের নিক্কি গবেষণা সমীক্ষায় করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম ও এশিয়ায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল সমীক্ষায় ২০২১ সালে মাথাপিছু আয়ে আমরা ভারতকে ছাড়িয়ে গেছি।’

    ঢাকায় নিযুক্ত বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূত দিদিয়ের ভ্যান্ডারহ্যাসেল্ট (Didier Vanderhasselt), ঢাকা চেম্বার অভ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট সামির সাত্তার এবং বাংলাদেশে বেলজিয়ামের কনসাল ড. আরিফ দৌলা সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

    বেলজিয়ান সংস্থা ফ্ল্যান্ডার্সের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনার বাবেটে ডেসফোসেজ (Babette Desfossez) এবং বেলজিয়ামের কৃষি, চিকিৎসা, নিত্যপণ্য, যানবাহন এবং নির্মাণ প্রযুক্তি বিষয়ক বাণিজ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা সেমিনারে বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগের বিষয়ে উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

    উল্লেখ্য সেমিনার আয়োজক বেলজিয়ান বাণিজ্য প্রতিনিধি দল ২৭ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন।

  • রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চাইছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

    রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চাইছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

    আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে বিএনপি রমজানের পবিত্রতাও নষ্ট করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।  শনিবার (২৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘অতীতে আমরা কখনোই পবিত্র রমজান মাসে আন্দোলনের ঘোষণা দেখিনি। কারণ সবাই রমজানের পবিত্রতা বজায় রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকে। রমজানে ইফতার পার্টি হয়, সেখানে কথাবার্তা হয় এবং অন্যান্য কর্মসূচি হয়। বিএনপির কর্মসূচি দেখে মনে হচ্ছে-তারা রমজানের পবিত্রতাটাও নষ্ট করতে চাইছে’

    এ সময় রমজানে দেশে পণ্যের যথেষ্ট মজুদ থাকার পরেও যারা দাম বাড়াচ্ছে, তাদেরকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য যে রমজান কিংবা কোনো উৎসব-পার্বণ এলে আমাদের দেশের কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করার জন্য পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়।’

    পবিত্র রমজান মাসে বিএনপির নানা রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণার বিষয় তুলে ধরলে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি রমজানেও মানুষকে স্বস্তি দিতে চায় না। রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায় এবং একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা তারা করছে, যেটি অনভিপ্রেত।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের খাদ্যনীতিতে বলা আছে, দেশে যদি ১০ লাখ টন খাদ্যপণ্য মজুদ থাকে, তাহলে সেটি নিরাপদ। কিন্তু বর্তমানে বিশ লাখ টনের চেয়ে বেশি খাদ্যশস্য চাল, গম এবং ভোগ্যপণ্যের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে, কোনো কোনো পণ্য রমজানের চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত মজুদ রয়েছে।’

  • আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শনিবার

    আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শনিবার

    আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের এক সভা আগামীকাল শনিবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত হবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ শুক্রবার (২৪ মার্চ) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, সভায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

  • বিএনপির মধ্যেই সংকট, দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট নেই: তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপির মধ্যেই সংকট, দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট নেই: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপির মধ্যেই সংকট, দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট নেই।’

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তথ্য অধিদফতর থেকে প্রকাশিত ‘বিজয়ের কথা বলবো’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়া ও অতিরিক্ত প্রধান তথ্য অফিসার মুন্সী জালাল উদ্দীন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    সাংবাদিকরা বিএনপি মহাসচিবের সাম্প্রতিক বক্তব্য ‘দেশ ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে’ নিয়ে প্রশ্ন করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব যদি কথাটা এভাবে বলতেন যে, বিএনপির মধ্যে ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকট চলছে -সেটি বাস্তব এবং ঠিক হতো। কারণ দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট নেই এবং বিএনপির অভ্যন্তরেই ভয়াবহ সংকট চলছে। বিএনপির চেয়ারপার্সন সাজাপ্রাপ্ত আসামী এবং তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন পলাতক। তাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ভারপ্রাপ্তকে চেয়ারম্যান হিসেবে মানতে নারাজ, আবার অনেকেই মির্জা ফখরুল সাহেবের নেতৃত্ব মানতে নারাজ। তাদের মধ্যে ভয়াবহ সংকট।’

    ‘বিএনপির সব অর্জন আওয়ামী লীগ ধ্বংস করছে’ এমন অভিযোগের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘বিএনপির অর্জন হচ্ছে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, পাঁচশ জায়গায় একযোগে বোমা হামলা। বিএনপির সৃষ্টি হচ্ছে শায়খ আব্দুর রহমান, বাংলা ভাই, সেগুলো এখন এ দেশে নাই। আমরা সেই সমস্ত অর্জন ধ্বংস করেছি। আর এ সবের বিপরীতে গত ১৪ বছরে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের ঈর্ষণীয় অগ্রগতি হয়েছে। এটি আজকে সমগ্র বিশ্ব স্বীকার করছে।’

    মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘পাকিস্তানের পার্লামেন্টে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বক্তব্য দেওয়া হয়। পাকিস্তানের টেলিভিশনে তাদের নিজেদের সমালোচনা আর জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের মহাসচিব সবাই আজকে বাংলাদেশের প্রশংসা করছে। পারছেনা শুধু বিএনপি আর বিএনপির মহাসচিবসহ নেতৃবৃন্দ।’

    ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচন থেকে আমরা বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলনের নমুনা দেখেছি। বিএনপি যখন আন্দোলনের কথা বলে, তখন মানুষের পেট্রোলবোমা, মানুষ পুড়িয়ে মহৌৎসবের কথা মনে পড়ে। বাংলাদেশের মানুষ তাদেরকে সেই কাজ আবার করতে দেবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কখনো ফিরে আসবে না।’

    উল্লেখ্য, পত্রপত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত তথ্য অধিদফতরের নিবন্ধের সংকলন ২৫০ পৃষ্ঠার ‘বিজয়ের কথা বলবো’ বইটিতে স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, দেশ গঠন ও উন্নয়ন-অগ্রগতি নিয়ে বিশিষ্ট রাজনীতিক, গবেষক ও ইতিহাসবিদদের ৫৩টি নিবন্ধ সংকলিত রয়েছে।

  • সরকারবিরোধী ও পক্ষপাতদুষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে একপেশে প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের: তথ্যমন্ত্রী

    সরকারবিরোধী ও পক্ষপাতদুষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে একপেশে প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের: তথ্যমন্ত্রী

    যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার প্রতিবেদনকে একপেশে উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকারবিরোধী ও পক্ষপাতদুষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এটি তৈরি করা হয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অফ নিউজপেপার প্রেস ওয়ার্কার্স ও বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, ‘একটি সূত্র থেকে নয়, সরকারবিরোধী ও পক্ষপাতদুষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে তারা তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছে। সুতরাং সেই প্রতিবেদন একপেশে। পুরো প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করছি না। কারণ সেখানে অনেক ভালো কথাও বলা আছে। তবে সার্বিকভাবে আমাদের মানবাধিকার, নির্বাচন, গণতন্ত্র সংক্রান্ত যেসব বিষয় ওই প্রতিবেদনে আছে সেগুলো পক্ষপাতদুষ্ট।’

    যুক্তরাষ্ট্র মাঝে-মধ্যেই বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে কথা বলে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের দিকে তাকালে দেখা যায় ২০১৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে সেখানে নিহত হয়েছে ৭ হাজার ৬৬৬ জন। এছাড়া ২০২০ সালে ৯৯৬ জন এবং ২০২১ ও ২০২২ সালে গড়ে প্রায় এক হাজার জন।

    ‘যে দেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১ হাজার মানুষ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়, তাদের অন্য দেশকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার নৈতিক অধিকার কতটুকু আছে, সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন। আমাদের দেশে যে কখনও এমন হয় না সেটি বলছি না। কিন্তু সেগুলোর তদন্ত হয় এবং তদন্তসাপেক্ষে শাস্তির বিধান করা হয়।

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়েও অনেক প্রশ্ন আছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প তো এখনও নির্বাচনে পরাজয় মেনে নেননি। সেটির পরিপ্রেক্ষিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যেভাবে ক্যাপিটল হিলে হামলা হয়েছে, সে ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা তো আমাদের দেশে কখনও ঘটেনি।

    ‘সুতরাং নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে তাদের নিজেদের নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে যে প্রশ্নগুলো আছে বা তাদের নির্বাচন হওয়ার পর ক্যাপিটল হিলে যে হামলা হয়েছে, সেই বিষয়গুলোর দিকে তাদের তাকানো প্রয়োজন।’

    ভবিষ্যতে অন্য কোনো বড় দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার কিংবা নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন দেয় কি না, সেটিও দেখার বিষয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

  • দুর্ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি: কাদের

    দুর্ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি: কাদের

    রাজনৈতিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে বলে জানয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সোমবার (২০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় মাদারীপুরে এক্সপ্রেসওয়ে দুর্ঘটনা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদও জানান সড়ক ও সেতুমন্ত্রী

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, নেতিবাচক রাজনীতি করতে করতে এবং মিথ্যা কথা বলতে বলতে বিএনপির অবস্থা এখন এমন হয়েছে যে, বজ্রপাতে মৃত্যু হলেও তার দায় সরকারের ওপর চাপানোর অপরাজনীতিতে তারা লিপ্ত হচ্ছে। অথচ বিএনপির শাসনামলেই সড়ক যোগাযোগ খাত ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর যোগাযোগ খাতকে অগ্রাধিকার দেয় এবং তার সুদক্ষ নেতৃত্বে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। এ সত্যটি স্বীকার করতেও বিএনপি লজ্জা পায়।

    সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি মৃত্যুই বেদনার। আমরা সড়কে একটি মৃত্যুও চাই না। মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কুতুবপুরে যে দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটা সড়কের জন্য নয়।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দুর্ঘটনা রোধে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালাও কার্যকর করা হয়েছে। দেশব্যাপী জাতীয় মহাসড়কগুলো পর্যায়ক্রমে সার্ভিস লেনসহ ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জাতীয় মহাসড়ক সার্ভিস লেনসহ ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ শেষ হয়েছে। একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্ঘটনাপ্রবণ স্পট ঝুঁকিমুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য স্পট ঝুঁকিমুক্ত করার কাজও হাতে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়কগুলো চিহ্নিত করে প্রকৌশলগত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থাপন করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় সাইন-সিগনাল। পণ্য পরিবহন চালকদের বিশ্রামের জন্য সিরাজগঞ্জের পাঁচিলায়, কুমিল্লার নিমসারে, হবিগঞ্জের জগদীশপুরে এবং মাগুরার লক্ষীকান্দরে ৪টি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কে চালক, পরিবহন শ্রমিক ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনা বৃদ্ধির জন্যও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। গৃহীত সব পদক্ষেপের জন্য সরকারকে সাধুবাদ না জানিয়ে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলে শুধু সমালোচনার জন্য সরকারের সমালোচনা করে যাচ্ছে বিএনপি।

  • চেয়ার দখলকারীদের বেরিয়ে যেতে বলেন ওবায়দুল কাদের

    চেয়ার দখলকারীদের বেরিয়ে যেতে বলেন ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ শাখা ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভা ছিল আজ বুধবার (১৫ মার্চ)। বিকাল ৪টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। মিছিল নিয়ে আসা নেতাকর্মীদের ভিড় এবং তাদের চেয়ার দখল করে থাকা নিয়ে হট্টগোল হয়।

    ফলে যৌথসভা শুরুর আগেই আমন্ত্রিত নেতাদের ছাড়া যারা ভিড় করেন এবং চেয়ার দখল করে বসেছিলেন, তাদের সভাস্থল ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। তাতে নেতাকর্মীরা কর্ণপাত না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এরা কারা, এদের তো চিনি না। আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়া সবাই হলরুম থেকে বেরিয়ে যান। না হয় তাদের বের করে দেওয়া হবে, সেটা ভালো হবে না।

    এসময় ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সুশৃঙ্খল কর্মী বাহিনী প্রয়োজন, সুশৃঙ্খল নেতৃত্ব প্রয়োজন। আপনারা সসম্মানে বেরিয়ে যান। পরে কিছু নেতাকর্মী সরে গেলেও অনেকে তখনও সরছিলেন না। এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া নেতাকর্মীদের উদ্দেশে একই ধরনের কথা বলেন। নেতাদের সতর্কবার্তা শুনে অনেকে হলরুম ছেড়ে বেরিয়ে যান।

    আগামী আলোচনা সভায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাদের নির্দেশনা দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় দল, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সেই তুলনায় ছোট। গত কয়েকটি অনুষ্ঠানে দেখেছি, জুনিয়ররা সামনের সারিতে বসে থাকে। আপনারা সিনিয়রদের বসার জায়গা করে দেবেন।

    যৌথসভার শেষ দিকে এসে জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শ্রমিক লীগের একজন বসে আছে এদিকে, আরেকজন বসে আছে সেদিকে। পাশাপাশি বসতে পারলেন না? আর যদি শুনি এই অফিসকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা হচ্ছে, এই কমিটি আমরা ভেঙে দেবো। এই কমিটি ভেঙে দেবো। যারা ভালো পারবে, তাদের দিয়ে কমিটি করবো।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, পার্টির জেনারেল সেক্রেটারির নামে ভুয়া সিগনেচার, কে করছে আমি বের করছি। তার খবর আছে।

  • বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছিল ২০০৮ সালে : তথ্যমন্ত্রী

    বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছিল ২০০৮ সালে : তথ্যমন্ত্রী

    আজ মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়নি। ২০০৮ সালে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে তারা নির্বাচন করলেও প্রথমে মাত্র ২৯টি আসন পেয়েছিল। পরে উপ-নির্বাচনে আরো দুটি আসন পায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তারা বিশাল জোট গঠন করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। এ নির্বাচনে তারা প্লেয়ারও হায়ার করেছিল। ওই নির্বাচনে হেভিওয়েট রাজনীতিক ড. কামাল হোসেনকে তারা হায়ার করেছিল। কিন্তু হায়ারে খেলতে গিয়ে তিনি ভালো খেলেননি। এ বিশাল জোট নিয়ে তারা মাত্র ৭টি আসন পেয়েছিল। বিএনপির জনপ্রিয়তা এর থেকেই স্পষ্ট। আমি আশা করব, আগামী নির্বাচনে তারা যেন ৩০টির বেশি আসন পায়।’

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০০৮ সালে বেশ কয়েকবার বলেছিলেন নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ৩০টির বেশি আসন পাবে না। ২০০৮ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল সেটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হয়েছিল। কিন্তু সে নির্বাচনে তারাই ৩০টির বেশি আসন পায়নি। খালেদা জিয়ার সেই ভবিষ্যদ্বাণী তার বেলাতেই কার্যকর হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের ভবিষ্যদ্বাণীও যদি তার বেলাতেই সত্য হয় তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। মির্জা ফখরুল যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন এ ধরনের অবান্তর কথা বলা সমীচীন নয়।’

    তিনি আরো বলেন, ‘দেশে ভোট হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সুতরাং তারা চাইলেও আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে আসতে পারবে না। যেহেতু কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে সেহেতু আশা করব তারা নির্বাচনে অংশ নেবে।’