Category: শিক্ষা

  • দেশের ৮টি সিটি করপোরেশন এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ

    দেশের ৮টি সিটি করপোরেশন এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ

    www.HelloBangla.News – শিক্ষা – ১৭ জুলাই, ২০২৪: দেশের ৮টি সিটি করপোরেশন এলাকার মধ্যে অবস্থিত সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথারীতি ক্লাস চলবে।

    আজ বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা সোয়া ১১টার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোমলমতি শিশুদের নিরাপত্তা বিবেচনায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ৮টি বিভাগীয় শহরের সিটি করপোরেশনের এলাকাভুক্ত সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো পরিচালিত লার্নিং সেন্টারসমূহের শ্রেণিকার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

    এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সব মাধ্যমিক (স্কুল), উচ্চমাধ্যমিক (কলেজ) পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদরাসা ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    এছাড়া চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য সব বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। তাছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের সব অনার্স কলেজও বন্ধের ঘোষণা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    সবশেষ বিশ্ববিদ্যালয় রাত ১১টার দিকে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সরকারের এ সিদ্ধান্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায় ইউজিসি।

  • দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মন্তব্য দেওয়া সম্ভব নয়: শিক্ষামন্ত্রী

    দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মন্তব্য দেওয়া সম্ভব নয়: শিক্ষামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – শিক্ষা – ৭ জুলাই, ২০২৪: দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মন্তব্য দেওয়া সম্ভব নয়, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন, “যেহেতু আমরা সরকারে আছি, আইনের শাসনের প্রতি আমাদের অবশ্যই শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে এবং এটি (সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের বিষয়টি) যেহেতু উচ্চ আদালতে এখনো বিচারাধীন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো রায় আমাদের সর্বোচ্চ আদালত থেকে না এলে, এ নিয়ে মন্তব্য করা আদালত অবমাননার শামিল হবে। যেকোনো ব্যক্তি এ বিষয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে হয়তো মন্তব্য করতে পারেন, কিন্তু দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে আদালতের জন্য অবমাননাকর কোনো বক্তব্য দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”

    আজ রবিবার (৭ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এসএসসি-এইচএসসি ২০২৩ ও ২০২৪ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। এসবিএসি ব্যাংকের সহযোগিতায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডিআরইউ।

    কোটা বিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “অনেকেই দেশের বাইরে অপপ্রচার করেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বা সংগঠন করতে দেওয়া হয় না। এ আন্দোলন কি প্রমাণ করে না যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক অধিকারের প্রশ্নে, বাকস্বাধীনতা চর্চার প্রশ্নে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার কারো ওপরই কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করে না?”

    তিনি আরও বলেন, “আমি এ বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বলতে চাই, অনেক সময় জনপ্রিয় অনেক বিষয়কে পুঁজি করে ষড়যন্ত্রকারীরা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। সেই ফাঁদে যেন আমরা পা না দিই। প্রথমত এটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। আদালতের সিদ্ধান্তের পর নির্বাহী বিভাগের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই ফ্লেক্সিবিলিটি থাকে। সেটির জন্য অবশ্যই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।”

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “যে বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন, তা সমাধান না হওয়ার আগেই হঠাৎ করে আমি রাস্তায় নেমে এলাম, রাস্তাঘাট সব ব্লক করে দিলাম, স্বাভাবিকভাবেই আমাদের প্রশ্ন থাকতে পারে, এর পেছনে কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে কি না। কারণ স্থিতিশীলতাকে বিনষ্ট করার জন্য অনেকেই অনেকভাবে অনেক জায়গায় উসকানি দেয়। আমরা দেখেছি, ৭৫ পরবর্তী সময় থেকে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের স্থিতিশীলতাকে বিনষ্ট করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, প্রগতিশীল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বারংবার এমন অবস্থার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়, যেখানে প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীরা বারবার এগিয়ে যায়। সে ধরনের কোনো প্রচেষ্টা হচ্ছে কি না, তা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।”

    ডিআরইউ সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভর সভাপতিত্বে ও কল্যাণ সম্পাদক তানভীর আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসবিএসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য এ জেড এম শফিউদ্দিন শামীম। ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিনের স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এসবিএসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) নুরুল আজিম।

    অনুষ্ঠানে এসএসসি-এইচএসসি ২০২৩ ও ২০২৪ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তারা ডিআরইউর সদস্যদের সন্তান। পাশাপাশি ডিআরইউর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের হাতেও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

  • বৃষ্টির দিন এইচএসসি পরীক্ষার সময় বাড়ানোর নির্দেশ

    বৃষ্টির দিন এইচএসসি পরীক্ষার সময় বাড়ানোর নির্দেশ

    www.HelloBangla.News – শিক্ষা – ৩০ জুন, ২০২৪: ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, এইচএসসি পরীক্ষার দিনগুলোতে বৃষ্টি থাকলে পরিস্থিতি বিবেচনায় আধা ঘণ্টা কিংবা এক ঘণ্টা সময় সমন্বয় করে পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছে। শুধু তাই নয় প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কেন্দ্রের মূল ফটক খুলে দিতে বলা হয়েছে।

    এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর দিন রবিবার (৩০ জুন) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

     

    এতে বলা হয়, আজ ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েকদিন প্রচুর বৃষ্টিপাতের আভাস রয়েছে। পরীক্ষার দিনগুলোতে বৃষ্টি থাকলে প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কেন্দ্রের মূল ফটক খুলে দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে।

    এতে আরও বলা হয়, অনিবার্য কারণে কোনো কেন্দ্রের পরীক্ষা শুরু করতে আধাঘণ্টা কিংবা একঘণ্টা দেরি হলে জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় ওই আধাঘণ্টা কিংবা এক ঘণ্টা সময় সমন্বয় করে পরীক্ষা শেষ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    এদিকে বন্যার কারণে সিলেট বোর্ডে পরীক্ষা শুরু হয়নি। অন্যান্য বোর্ডে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ৮ জুলাই পর্যন্ত সিলেট বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। ৯ জুলাই থেকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    আজ সকাল থেকেই বৃষ্টির কারণে রাজধানী ঢাকায় জলাবদ্ধতা ও যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে পরীক্ষার্থীদের নিদিষ্ট সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি হয়। তার পরেই ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে এই নির্দেশনা এসেছে।

  • আজ থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে

    আজ থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে

    www.HelloBangla.News – শিক্ষা – ৩০ জুন, ২০২৪: আজ রবিবার (৩০ জুন) থেকে সারা দেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তবে বন্যার কারণে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। ৯ জুলাই থেকে আগের রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা চলবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    এবার পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। গতবারের চেয়ে পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৯১ হাজার ৪৪৮ জন।

    প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে না গিয়ে বিকেল ৫টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবমুক্ত ও নকলমুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৪-এর সকল পরীক্ষার্থী (নিয়মিত, অনিয়মিত, মানোন্নয়ন) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ কর্তৃক প্রণীত ২০২৪ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সকল বিষয়ে পূর্ণনম্বর ও পূর্ণসময়ে অংশগ্রহণ করবে।

    সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসমূহে তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৩০ জুন থেকে শুরু হয়ে ১১ আগস্ট শেষ হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২১ আগস্ট শেষ হবে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৩০ জুন থেকে শুরু হয়ে ১১ আগস্ট শেষ হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২১ আগস্ট শেষ হবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৩০ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৮ জুলাই শেষ হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৯ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ৪ আগস্ট শেষ হবে।

    ৯ হাজার ৪৬৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার ৭২৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে পরীক্ষার্থীরা। গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট অংশ নিয়েছিল ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ জন। সেই সিসেবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৯১ হাজার ৪৪৮ জন। মোট প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২০৪টি আর মোট কেন্দ্র বেড়েছে ৬৭টি।

    নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডর অধীনে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৩৩ হাজার জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৬০১ জন জন। এসব পরীক্ষার্থীরা ৪ হাজার ৮৭০টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার ৭২৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসবে।

    মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডর অধীনে আলীম পরীক্ষায় পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ৮৮ হাজার ৭৬ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৪৭ হাজার ৫৯২ জন এবং ছাত্রী ৪৪ হাজার ৪৮৪ জন। এসব পরীক্ষার্থী ২ হাজার ৬৮৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেবে ৪৫২টি কেন্দ্রে।

    কারিগরি শিক্ষা বোর্ডর অধীনে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল, ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯ জন এবং ছাত্রী ৬৫ হাজার ৪২৪ জন। এসব পরীক্ষার্থী মোট ১ হাজার ৯০৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭০৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা বসবে।

    প্রথম দিন সকালে রাজধানিতে বৃষ্টি থাকার কারণে রাস্তায় যানজট ও পানি জমে থাকার কারণে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

  • প্রাথমিক শিক্ষা পদক পাচ্ছেন ১২৬ জন

    প্রাথমিক শিক্ষা পদক পাচ্ছেন ১২৬ জন

    www.HelloBangla.News – শিক্ষা – ২৫ জুন, ২০২৪: প্রাথমিক শিক্ষায় অবদান রাখার জন্য সর্বমোট পদক পাচ্ছেন ১২৬ জন। এদের মধ্যে ৫৪ জন আগামী বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পদক গ্রহণ করবেন।

    আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক- ২০২৩ প্রদান ও জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ- ২০২৪ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহম্মদ এ কথা জানান।

    এবারের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শিশুবান্ধব প্রাথমিক শিক্ষা, স্মার্ট বাংলাদেশের দীক্ষা’।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহম্মদ বলেন, “২৭ জুন সকাল ১০টায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান এবং জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধন করা হবে। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে সম্মতি দিয়েছেন।”

    তিনি বলেন, “জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদেরও পুরস্কৃত করা হয়। সেই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক নৈপুণ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য পদক ও সনদ প্রদানের মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়। এবার ৩ ক্ষেত্রে ১৮ ক্যাটাগরিতে ১২৬ জন পদক পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ৫৪ জন পদক গ্রহণ করবেন। বাকিদের পদক পৌঁছে দেওয়া হবে।”

    সচিব বলেন, “জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ পালনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো বিদ্যালয়, ক্লাস্টার ও উপজেলা/থানা পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী, শিক্ষক, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, কর্মচারী এবং কর্মকর্তাকে পদক ও সনদ প্রদানের মাধ্যমে তাদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া।”

    সচিব জানান, “১৯৮৩ সালে বোর্ড অব গভর্নরসের সর্বাধিক পদ্ধতি প্রয়োগে শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদানের জন্য দক্ষ শিক্ষকদের পুরস্কার প্রথা অনুমোদন হয়ে পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন কার্যক্রম শুরু হয়। ২০২২ সালে প্রাথমিক শিক্ষা পদক নীতিমালায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কয়েকটি নতুন পদক সংযোজন করে মোট ১৮ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে নিজ সংস্কৃতির উন্নয়ন, আত্ম উন্নয়ন, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন এবং দেশ ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজ দেশের সংস্কৃতি উন্মোচন করা।”

  • এ মুহূর্তে আরও ১৫৪ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি চালু করতে পারি: ফরিদ আহাম্মদ

    এ মুহূর্তে আরও ১৫৪ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি চালু করতে পারি: ফরিদ আহাম্মদ

    www.HelloBangla.News – শিক্ষা – ২৫ জুন, ২০২৪: এ মুহূর্তে আরও ১৫৪ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি চালু করতে পারি, বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। তিনে বলেন, “আমরা মাঠ পর্যায় থেকে যে তথ্য উপাত্ত পেয়েছি, তাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইলে আমরা এ মুহূর্তে আরও ১৫৪ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি চালু করতে পারি। পাশাপাশি আগামী তিন বছরে আরও এক হাজার স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করার মতো অবকাঠামো আছে। এটা একটি ধারাবাহিক এবং নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়া।”

    জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুস সালামসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, “২০১০ সালের শিক্ষানীতিতে বলা আছে, প্রাথমিক শিক্ষা হবে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। এটি পর্যায়ক্রমে হবে। এটি আসলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়। এখানে নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের সিদ্ধান্তে আমরা ৬৯৫টি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি চালু করেছি। আমরা সাত শতাধিক চালু করেছিলাম। এক সময় সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগার কারণে নতুন স্কুল অন্তর্ভুক্ত করিনি।”

    প্রাথমিক শিক্ষা সচিব জানান, “সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভায় ধারাবাহিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত এবং শতভাগ অবৈতনিক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা হিসাব করে দেখেছি, ৬৫ হাজার ৫৬৬ স্কুলের মধ্যে পাঁচ হাজারের কাছাকাছি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করতে পারি। মাধ্যমিকে ২৩ হাজারের কাছাকাছি, নিম্ন মাধ্যমিক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে। এসব স্কুল যদি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করতে পারে, তাহলে সরকারের এ সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

    তিনি বলেন, “এটি বাস্তবায়ন করতে হলে তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে- অবকাঠামো, শিক্ষক নিয়োগ ও পদ সৃজন এবং তাদের প্রশিক্ষণ। কারণ আমরা আমাদের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিই পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত।”

    ফরিদ আহাম্মদ বলেন, “আমরা ‘স্মার্ট প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-৫’ এর দিকে যাচ্ছি। সেখানেও এ বিষয়ে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি, যাতে অবকাঠামো সুবিধা বাড়ানো যায় এবং ষষ্ঠ-সপ্তম-অষ্টমের শিক্ষক-কর্মচারীদের পদ সৃজন এবং প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়। আমাদের পিডিপি-৫ এর কাজ শুরু হলে এ কাজ আরও তরান্বিত হবে।”

    কবে নাগাদ সব স্কুলে পুরোপুরি অষ্টম শ্রেণি চালু হবে হবে- জানতে চাইলে সচিব বলেন, “এটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এর সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িত। অবকাঠামো, শিক্ষক নিয়োগ ও পদ সৃজন এবং তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয় রয়েছে। এসব কাজ আমরা শুরু করেছি। আগামী তিন বছরের একটি টার্গেট নিয়ে কাজ করছি।”

  • ৩ জুলাই এর পরিবর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ২৬ জুন

    ৩ জুলাই এর পরিবর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ২৬ জুন

    www.HelloBangla.News – শিক্ষা – ২০ জুন, ২০২৪: ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিসহ আগামী ৩ জুলাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ছিল। কিন্তু তা কমিয়ে আগামী ২৬ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ২৫ জুন পর্যন্ত স্কুল-কলেজ ছুটি থাকছে। এখন থেকে স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবার দুদিনই বহাল থাকবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ছুটি সংক্ষিপ্ত করার পরিকল্পনার কারণ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো, পাঠদানের কর্মদিবস সারা বছরব্যাপী কমেছে। এ ছাড়া শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল রাখার কারণে কর্মদিবস কমে যাবে। তাই গ্রীষ্মের ছুটির এক সপ্তাহ কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • বন্যার কারণে সিলেট বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

    বন্যার কারণে সিলেট বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

    www.HelloBangla.News – শিক্ষা – ২০ জুন, ২০২৪: বন্যার কারণে সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তপন কুমার বলেন, “সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতি চলছে। সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার মতো পরিস্থিতিতেও নেই শিক্ষার্থীরা। সার্বিক দিক বিবেচনায় ৮ জুলাই পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।”

    শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, ৮ জুলাই পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত থাকায় সিলেট বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র ও দ্বিতীয়পত্র এবং ইংরেজি প্রথমপত্র ও দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা আপাতত হবে না। পরবর্তী সময়ে এ চারটি বিষয়ের পরীক্ষার নতুন সময়সূচি জানিয়ে দেবে শিক্ষা বোর্ড।

    চলতি বছর সিলেট বোর্ডে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৩০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ৮২ হাজার ৪১৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এ বোর্ডের অধীনে কেন্দ্রের সংখ্যা ৮৭টি।

    এদিকে প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী- আগামী ৩০ জুন থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এদিন বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা দিয়ে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। অন্যদিকে কুরআন মাজিদ পরীক্ষা দিয়ে আলিম পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা। আর কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসির (বিএম/বিএমটি) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

  • এবার কোন দেশে রোজার সময় বেশি, কোন দেশে কম

    এবার কোন দেশে রোজার সময় বেশি, কোন দেশে কম

    প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাস প্রায় ১০ দিন করে এগিয়ে আসে। সাধারণত, গ্রীষ্মকালে দিন অনেক বড় হয় এবং শীতকালের দিকে যত এগোয়, দিনের ব্যপ্তি তত কমতে থাকে। পৃথিবীর প্রায় অর্ধেকের বেশি অংশে তীব্র গরমে রোজা শুরু হয় এবং শেষ দিকে অনেকটা শীতল আবহাওয়া বিরাজ করে। এবারের রমজান মাসে ১০০ কোটিরও বেশি মুসলিম রোজা রাখবেন। এবারের রোজায় সবচেয়ে বড় ও ছোট দিন কোন দেশগুলোতে-

     যে দেশে রোজা সব চেয়ে দীর্ঘ

    নরডিক দেশ আইসল্যান্ডে এবার সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রোজা থাকবেন রোজাদাররা। দেশটিতে গড়ে প্রায় ১৬ ঘণ্টা ৫০ মিনিট রোজা রাখতে হবে তাদের। তিউনিসিয়ার মুসলিমরা রোজা রাখবেন প্রায় ১৫ ঘণ্টা।

    এছাড়া মধ্য প্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা রোজা রাখতে হবে।

    যে দেশগুলোতে সবচেয়ে কম সময় রোজা

    এবারের রমজানে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলিতে সবচেয়ে কম সময় রোজা রাখতে হবে। চিলির মুসলিমরা গড়ে প্রতিদিন সাড়ে ১১ ঘণ্টা রোজা রাখবেন।

    এছাড়া মানচিত্রের দক্ষিণের দেশগুলো, যেমন- নিউ জিল্যান্ড, আর্জেন্টিনা ও দক্ষিণ আফ্রিকাতেও রোজার সময় কম। দেশগুলোতে গড়ে প্রতিদিন ১১ থেকে ১২ ঘণ্টা রোজা রাখতে হবে।

    যেসব দেশে রাতই হয় না, তারা কীভাবে রোজা রাখেন?

    পৃথিবীর কিছু দেশের দিন ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় হয়ে থাকে। তবে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তো রোজা রাখা সম্ভব না। তাহলে এক্ষেত্রে কী করেন তারা?  ফতোয়ার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেসব দেশে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের ব্যবধান ৩ ঘণ্টার চেয়ে কম, তারা অন্য কোনও শহরের ইফতার ও সেহরির সময় অনুসরণ করতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা মক্কা শহরের সময়সূচী অনুসরণ করে রোজা পালন করে থাকেন।

    এমন দেশের একটি হলো গ্রিনল্যান্ড। এখানকার মুসলিমরা সৌদি আরবের মক্কার সময় অনুসরণ করে সেহরি ও ইফতার করেন।

    সূত্র: দ্য ন্যাশনাল  

  • বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো পিএইচডি করানোর সুযোগ পাচ্ছে

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো পিএইচডি করানোর সুযোগ পাচ্ছে

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কয়েকটির পিএইচডি দিতে পারার, গবেষণা করার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কাজেই আমরা ইউজিসির সঙ্গে কথা বলবো। যে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সক্ষমতা তৈরি হয়েছে এবং কার কোন বিশেষ বিষয়ে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে বিবেচনা করেই কাজটি শুরু করা উচিত। খুব শিগরিই ইউজিসির সঙ্গে কথা বলবো।

    রবিবার (১৯ মার্চ) ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের ২৩তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    দেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল-পিএইডি ডিগ্রি দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এসব বিশ্ববিদ্যালয় এবং যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও বিশেষ বিষয়ে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এমফিল-পিএইচডি করাতে পারবে বলে জানান তিনি।

    সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এডুকেশন সায়েন্স টেকনোলজি অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট-এর ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস সালমা করিম, আইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল হাই সরকার, , আইইউবির উপাচার্য তানভীর হাসান। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। এতে আইইউবির ট্রাস্টি, অভিভাবক এবং আইইউবির শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার সকল পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চাই। শিক্ষার মান বৃদ্ধি করার কোনও বিকল্প নেই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোগত মান উন্নয়নের কাজ চলছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। দেশের উন্নয়নে আমাদের দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা অত্যাবশ্যক। সে কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। উচ্চশিক্ষায় সরকারের ব্যাপক উদ্যোগ রয়েছে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সক্ষমতা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছি, বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল গঠন করেছি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকশেন ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন করেছি, ব্লান্ডেড এডুকেশন মাস্টার প্লান তৈরি করা হয়েছে, শিক্ষা নিয়োগের ন্যূনতম যোগ্যতা নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে, বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অ্যাকাডেমিক মাস্টার প্লান প্রণয়ন করা, গবেষণাকে উৎসাহ প্রদানে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার ও উদ্ভাবনী ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লাইব্রেরি সুবিধা বিস্তৃতকরণ ও আবাসিক সুবিধা বৃদ্ধি, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ আসন সংখ্যা নির্দিষ্ট করা, ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিয়া সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্ম জগতের চাহিদা অনুযায়ী কোর্স কারিকুলাম প্রণয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ইনস্টিটিউট প্রণয়নসহ উচ্চশিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।’