Category: বাংলাদেশ

  • নিয়ম মানা না হলে প্রতিষ্ঠান কেন বন্ধ করা হয়নি: হেলাল উদ্দিন

    নিয়ম মানা না হলে প্রতিষ্ঠান কেন বন্ধ করা হয়নি: হেলাল উদ্দিন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মার্চ, ২০২৪: নিয়ম মানা না হলে প্রতিষ্ঠান কেন বন্ধ করা হয়নি, বলে জানতে চেয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, “যারা রেগুলেটরি বোর্ডে আছে তাদের কোনো শাস্তি হয় না, তারা শুধু নোটিশ দেন। নোটিশ বড় কোনো ব্যবস্থা না, আপনারা কেন সেই প্রতিষ্ঠান বন্ধ করলেন না, সেটা হচ্ছে প্রশ্ন।”

    আজ শনিবার (২ মার্চ) বেইলি রোডে পুড়ে যাওয়া ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন প্রশ্ন তোলেন।

    হেলাল উদ্দিন বলেন, “যেসব রেগুলেটরি বোর্ড এ ভবনে ব্যবসার অনুমতি দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিক। এ ধরনের ঘটনা আবার ঘটুক এটা আমরা চাই না। যার ত্রুটি থাকবে তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। সেটা যদি কোনো ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হয় তবে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, আর যদি কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে হয় তবে সেটা সংস্থার বিরুদ্ধে।”

    তিনি আরও বলেন, “আপনারা সবকিছু বাণিজ্যিকিকরণ করবেন আর সেটার মাধ্যমে মানুষের জীবন চলে যাবে, এটা হতে পারে না। যে রেগুলেটরি বোর্ডের সমস্যা, সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।”

    তিনি বলেন, “এখানে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়েছে, কাস্টমারদেরও ক্ষতি হয়েছে। তাদের জীবন চলে গেছে। আমাদের শত কোটি টাকা এখানে নষ্ট হয়েছে। আমরা বিডা এবং এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডাররা বিভিন্ন মার্কেটগুলো পরিদর্শন করলাম। সেখানে আমরা দেখলাম কোথাও বিদ্যুতে সমস্যা, কোথাও ফায়ার সেফটির সমস্যা। সমস্যা যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, এখন ফায়ার সেফটিতে যারা কাজ করেন তারা একসময় ফায়ার সার্ভিসে কাজ করতেন। তারা এখন ফার্ম খুলেছে, এখন একেক মার্কেটে গিয়ে বলছেন ৩/৪/৫ কোটি টাকা লাগবে ফায়ার সেফটির জন্য।”

    হেলাল উদ্দিন বলেন, “এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এত বৃহৎ টাকা আমরা কোথায় পাব? সরকার বলেছে ফায়ার সেফটির জন্য বিদেশ থেকে যত মালামাল আসবে সেগুলো ট্যাক্স ফ্রি থাকবে। এটা দেশের মানুষের জন্য করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা যখন বিভিন্ন সংস্থার কাছে যাচ্ছি, তখন তারা সেই কাজটি করছে না।”

    গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতরা হাসপাতলে আছেন। মৃত্যুর ঘটনয় পুলিশ মানলা করেছে।

  • গণতান্ত্রিক সংস্কার পার্টির আত্মপ্রকাশ

    গণতান্ত্রিক সংস্কার পার্টির আত্মপ্রকাশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মার্চ, ২০২৪: শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিদ দল গণতান্ত্রিক সংস্কার পার্টি।

    আজ শনিবার (২ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ রাজনৈতিক দলটি আত্মপ্রকাশ করে। দলটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শাহেদা ওবায়েদ ও মহাসমন্বয়ক মেজর (অব.) আমীন আহমেদ আফসারী। আগামী ৩০ মার্চ গণতান্ত্রিক সংস্কার পার্টির গঠনতন্ত্র প্রকাশ ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে

    আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণতান্ত্রিক সংস্কার পার্টির ঘোষণাপত্র পাঠ করেন দলটির মহাসমন্বয়ক মেজর (অব.) আমীন আহমেদ আফসারী।

    তিনি বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক সমস্যা উত্তরণের নিরিখে, একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক, সংস্কারমুখী, আধুনিক, সময়োপযোগী ও গতানুগতিক রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনা ও প্রথাকে অতিক্রম করে, ভিন্ন মাত্রার একটি রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দিলাম। আমরা অঙ্গীকার করছি যে, যে সব মহান আদর্শ (মুক্তিযুদ্ধের চেতনা) আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদে প্রাণোৎসর্গ করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল, সেই সব আদর্শ এ দলের মূলনীতি হবে।”

    তিনি আরও বলেন, আমাদের দলের মূল লক্ষ্য হবে- গণতান্ত্রিক সংস্কার পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে সব নাগরিকের জন্য আইনের সেবার নিশ্চয়তা, সম্প্রসারিত মৌলিক চাহিদা (মানবতা, বস্ত্র, খাদ্য, নিরাপত্তা, বাসস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, বিনোদন ও যোগাযোগ) মানবাধিকার, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।”

    আমীন আহমেদ আফসারী বলেন, “আমরা যাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করতে পারি এবং দেশের জনগণ ও সমগ্র মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সঙ্গতি রক্ষা করে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারি, সেই লক্ষ্য সামনে রেখে এ দলের গঠনতন্ত্র তৈরি করা হবে এবং এর রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করা হবে আমাদের সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য।”

    ঘোষণাপত্র পাঠ শেষে দলটির মহাসমন্বয়ক বলেন, “সাধারণত সবাই নির্বাচনের আগে দল গঠন করে, আমরা করছি একটি জাতীয় নির্বাচনের পর। প্রায় সবাই দল তৈরি করে আমন্ত্রণ জানায়, আমরা দল গঠনের আগে গঠন প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণের জন্য ‘দেশের মালিক’ জনগণকে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। রেষারেষি, মারামারি, কাটাকাটি ও দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে স্বাধীন দেশের স্বাধীন মুক্ত মেধার রাজনীতি প্রচলনে আমরা সচেষ্ট থাকবো।”

    তিনি বলেন, “শাসন নয় সেবা’ এই মূল মন্ত্রে দলের সব নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মোটিভেট করা এবং প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দল ও সরকারকে পৃথক সত্তা হিসেবে, পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে। রাজনৈতিক দল লিমিটেড কোম্পানি বা পৈতৃক সম্পত্তি নয়, এ সত্য স্বীকার করে দলকে জনগণের সম্পদে পরিণত করা হবে। দলটিকে ব্যক্তি, পরিবার, গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ মুক্ত রাখা হবে। ‘কারো সঙ্গে শত্রুতা নয়, সবার সাথে বন্ধুত্ব’ এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে, সব দল ও ভিন্নমতের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও আচরণ অব্যাহত রাখতে, এ দল সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।”

    গণতান্ত্রিক সংস্কার পার্টির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শাহেদা ওবায়েদ বলেন, “দেশে একটা রাজনৈতিক শূন্যতা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক শূন্যতা হলে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক শূন্যতার সৃষ্টি হয়। ফলে মানুষের মধ্যে দুঃখ-কষ্ট নেমে আসে। দেশে বর্তমানে বৈষম্য, ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হয়েছে। এ ভারসাম্য যদি ঠিক করা না যায় তাহলে দেশে বিরাট সমস্যার সৃষ্টি হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “মার্চ মাস থেকে আমরা আমাদের দলের যাত্রা শুরু করার পরিকল্পনা করেছি। আমরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির কারো সঙ্গে নেই। আমরা দেশপ্রেমিক এবং অবিতর্কিত লোকদের নিয়ে দল গঠন করতে চাই।”

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গণতান্ত্রিক পার্টির কর্মী শিক্ষিকা নাদিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আসাদুল হক, কমান্ডার সাব্বির, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. জয়নাল, মো. জাহাঙ্গীর, মিজান প্রমুখ।

  • অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থার কথা কেউ মানে না: প্রধানমন্ত্রী

    অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থার কথা কেউ মানে না: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মার্চ, ২০২৪: অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থার কথা কেউ মানে না, বলে জানয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “বেইলী রোডে একটি বহুতল ভবন হলেও সেখানে কোন অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না। ভবন বা স্থাপনা তৈরির সময় তিনি সবসময় স্থাপত্যবিদদের অনুরোধ করেন যেন খোলা বারান্দা বা ভেন্টিলেশন এবং অগ্নি নির্বাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়। কিন্তু স্থাপত্যবিদরা সেভাবে নকশা করেন না আবার মালিকরা এক ইঞ্চি জায়গাও ছাড়তে চায়না। ৪৬ জন মানুষ মারা গেছে। এরচেয়ে দু:খ ও কষ্টের আর কী হতে পারে। অথচ আমরা ফায়ার এক্সটিংগুইসার লাগানোসহ অগ্নি নির্বাপন পথের ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ বার বার দিচ্ছি। সেটা কিন্তু তারা মানে না।’

    শেখ হাসিনা আজ শুক্রবার (১ মার্চ) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় বীমা দিবস-২০২৪’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র ভাষণে একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের ব্যবস্থা করেছি, তবুও মানুষ এতটা সচেতন নয়। আপনি একটি বহুতল ভবনে আগুন দেখেছেন যার কোনো অগ্নি নির্গমন পথ ব্যবস্থা নেই।”

    তিনি আরও বলে, “দেখা যাবে এখানে কোন বীমাও করা ছিল না। কাজেই বিনিময়ে কিছু পাবেও না। এইসব ক্ষেত্রে সচেতনতা আসলে খুব বেশি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আরো ব্যাপকভাবে যাতে মানুষ সচেতন হয় সেই জন্য আপনারা (বীমা সংশ্লিষ্ট মহল) চেষ্টা করবেন, আমাদের তরফ থেকে আমরা করে যাচ্ছি।”

    তিনি বলেন, “আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ যাতে আরও বীমার দিকে এগিয়ে আসে সে বিষয়ে আপনারা আরো যত্নবান হবেন যাতে বীমা দাবিগুলো মানুষ সহজে পেতে পারে।”

    সরকার প্রধান বলেন, “যারা অসদুপায় অবলম্বনকারি তাদের কথা আমি বলছি না। প্রকৃত পক্ষে যাদের প্রাপ্য তারা যেন সহজে পেতে পারে। এদিকে একটু দৃষ্টি দিতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবাইকে সচেতন করতে ‘বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন ও বীমা নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আইডিআরএ’কে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার জন্য আমি আহবান জানাচ্ছি।”

    অনুষ্ঠানে ব্যাংকের মাধ্যমে বীমা, অর্থাৎ ব্যাংকের গ্রাহকরা প্রয়োজনানুযায়ী ব্যাংক থেকেই বীমা পলিসি যাতে নিতে পারেন সেইজন্য প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ‘ব্যাংকাস্যুরেন্স’ এর  উদ্বোধন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে জাতীয় বীমা দিবস-২০২৪ উপলক্ষে বীমা দাবি পরিশোধের ভিত্তিতে চারটি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

    তিনি দিবসটি উপলক্ষে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যেও পুরস্কার বিতরণ করেন।

    অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি শেখ কবির হোসেন ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

    অনুষ্ঠানে বীমা শিল্পের ওপর এবং ‘ব্যাংকাস্যুরেন্স’ এর ওপর নির্মিত পৃথক দু’টি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির এই অঞ্চলের প্রধান হিসেবে যোগ দেন। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা রাজনীতি নিষিদ্ধ করলে সেই সময় বঙ্গবন্ধু এখান থেকেই দেশব্যাপী সংগঠন গোছানোর সুযোগ পান এবং বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফাও এখানে বসেই প্রণয়ন করেন। তাঁর এই যোগদানের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে সরকার। এটি এখন ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়েছে। দিবসটি সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে উদযাপিত দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘করবো বীমা গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ।’

    প্রধানমন্ত্রী বীমার দাবি মেটানোর ক্ষেত্রে সচেতন হবার পরামর্শ দিয়ে কোন একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে ঘন ঘন আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি ভয়াবহ চিত্র দেখতে পান বলে জানান। যেখানে প্রায় একটি পরিত্যক্ত জায়গায় কিছু মালপত্র, বর্জ্য রেখে ঐ কোম্পানির এক শ্রমিককে ২০ হাজার টাকা দিয়ে সেখানে আগুন লাগিয়ে ৪০ কোটি টাকা বীমা দাবি করা হয়েছিল। এই ক্ষেত্রে অনেক সময় বীমা কোম্পানির লোকজন যারা তদন্তে যান তাদেরকেও ম্যানেজ করার অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি যথাযথ তদন্তপূর্বক অর্থ ছাড় করারও পরামর্শ দেন।

    তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা বীমার সাথে জড়িত অবশ্যই তারা এই বিষয়টাতে গুরুত্ব দিবেন। আর এই ধরনের ঘটনা যেন কেউ আর ঘটাতে না পারে।’

    শেখ হাসিনা বলেন, “মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মাসে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। এই মাসেই (১৭ মার্চ) জাতির পিতা জন্ম গ্রহণ করেছেন। তাঁর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতিকে মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল। যা আজ বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামান্য দলিলে মানুষকে উজ্জীবিতকারি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।”

  • শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

    শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মার্চ, ২০২৪: শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীসভার সদস্য সংখ্যা বেড়েছে আরও ৭ জন। মন্ত্রিসভার নতুন শপথ নেওয়া সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার (১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বঙ্গভবনে নতুন প্রতিমন্ত্রীদের শপথ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

    কে কোন দায়িত্ব পেলেন:

    নওগাঁ-২ আসনের এমপি শহীদুজ্জামান সরকারকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদকে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম চৌধুরীকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক বেগম রোকেয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক বেগম শামসুন নাহারকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও পরিকল্পনা অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বেগম ওয়াসিকা আয়শা খানকে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ও শহীদ কর্নেল নাজমুল হুদার মেয়ে বেগম নাহিদ ইজাহার খানকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

    এর আগে শুক্রবার বিকেলে মন্ত্রিসভায় নতুন সাতজন প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    এতে জানানো হয়, সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি শুক্রবার সাতজনকে সরকারের প্রতিমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়েছেন।

    গত ১১ জানুয়ারি বঙ্গভবনে শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার ৩৭ সদস্য। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ৩৬ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। আজ নতুন করে ৭ জন যুক্ত হওয়ায় মন্ত্রিসভার আকার দাড়াল ৪৪ জনে। এর মধ্যে পূর্ণ মন্ত্রী ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১৮ জন।

  • বেইলি রোডের বহুতল ভবনের আগুনে ৪৬ জন মারা গেছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    বেইলি রোডের বহুতল ভবনের আগুনে ৪৬ জন মারা গেছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মার্চ, ২০২৪: রাজধানীর বেইলি রোডের বহুতল ভবনের আগুনে ৪৬ জন মারা গেছেন, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন।তিনি বলেন, “গতকাল রাতে বেইলি রোডে একটি ভবনের রেস্টুরেন্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে, যা মোটেই কাম্য ছিল না। ওই দুর্ঘটনার পরে আমাদের এখানে (শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট) বেশ কিছু রোগী আসেন। আমাদের জানা মতে, এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪৬ মারা গেছেন।”

    আজ শুক্রবার (১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢামেক হাসপাতাল ও শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি আহতদের অবস্থা পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “যারা মারা গেছেন, তারা কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়ার ফলে মারা গেছেন। যখন বদ্ধ ঘরে কেউ বের হতে পারেন না, তখন শ্বাসনালীতে ওই ধোঁয়া চলে যায়। প্রত্যেকেরই তা হয়েছে। যাদের বেশি হয়েছে, তারা বাঁচতে পারেননি। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এখনো যারা হাসপাতালে ভর্তি আছে, তারা কেউ শঙ্কামুক্ত নন।

    তিনি আরও বলেন, “আমরা আহতদের সকাল থেকে চিকিৎসা দিচ্ছি। এখন আবার আমি আমাদের চিকিৎসকদের সঙ্গে বসব। বসে পরিকল্পনা করব, কীভাবে কী করা যায়। সবার কাছে অনুরোধ কেউ যেন হাসপাতালে ভিড় না করেন।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ সকাল পৌনে ৭টার সময় প্রধানমন্ত্রী আমাকে কল করেছিলেন। তিনি বলেছেন, তুমি যাও। যা যা করার, করবা। আমি সমস্ত রোগীদের দায়িত্ব নিলাম। রোগীদের চিকিৎসার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সবকিছু করা হবে।”

    তিনি বলেন, “এ সময় ৪৬টি মরদেহের মধ্যে ৩৮টি মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে, এখনো আটটি মরদেহ হস্তান্তর করা হয়নি।”

    তিনি আরও জানান, “শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০ জন এবং ঢামেক হাসপাতালে দুইজন রোগী ভর্তি আছেন। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জিারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। কেউই শঙ্কামুক্ত নন।

    এদিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন বলেছেন, রুটিন মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে এরআগে এই ভবন মালিককে তিনবার নোটিশ দিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস।তাছাড়া রাজধানীর বেইলি রোডের ওই ভবনটিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে, এর আগে রাজধানীতে বড় তিনটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ২০১০ সালের ৩ জুন রাতে পুরান ঢাকার নিমতলীতে রাসায়নিকের গুদাম থেকে ছড়ানো আগুনে ১২৪ জনের মৃত্যু হয়।২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি চকবাজারের চুড়িহাট্টায় রাসায়নিক গুদামে আগুনে প্রাণ হারান ৭১ জন এবং ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুনে ২৭ জনের মুত্যু হয়।

    এর আগে আগুনের ঘটনা ঘটলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়।পরবর্তিতে যেন এই ধরণের ঘটনা না ঘটে সেভাবে সরকারের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।বাস্তবে তার কিছুই হয়না বলেই বার বার আগুনের ঘটনা ঘটছে এবং অসহায় মানুষের মৃত্যু ঘটছে।আবারও তদন্ত কমিটি হয়েছে। কয়েকদিন আলোচনা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হবে। তারপর আবার শুরু হবে এই ধরণের অনিয়ম।পূর্বের তিনিট ঘটনার পর আবার বেইলি রোডের আগুন সেটাই প্রমান করে।কিন্তু সাধারণ মানুষ এর থেকে পরিত্রাণ চায়।

  • বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় ৩ জন আটক

    বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় ৩ জন আটক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মার্চ, ২০২৪: রাজধানীর বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।উক্ত বহুতল ভবনের নিচতলার চা-চুমুক রেস্টুরেন্টের দুজন মালিক ও কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ম্যানেজারকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

    আজ শুক্রবার (১ মার্চ) রাতে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ‘বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সার্বিক পরিস্থিতি সংক্রান্তে মিডিয়া ব্রিফিং’ এ এসব কথা জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন।

    আটকরা হলেন- চা-চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান রিমন এবং কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার জয়নুদ্দিন জিসান।

    ড. খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, “নিচতলায় দুটি খাবারের রেস্টুরেন্ট ছিল। পেছনের দিকে বড় এবং সামনের দিকে ছিল হালকা খাবার চা-কফির ছোট রেস্টুরেন্ট। ছোট রেস্টুরেন্ট থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। সেই ভিডিও ফুটেজও সবার কাছে রয়েছে। আগুনের ঘটনায় অবহেলা জনিতকারণে মৃত্যু অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করবেন। ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ মামলা করতে চাইলে মামলা করতে পারবেন। এ ঘটনায় এরই মধ্যে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”

    ভবনের মালিকের দায়িত্বের কোনো অবহেলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‌“ভবন মালিক থেকে শুরু করে আগুনের ঘটনায় যাদের দায় পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আগুনে ২০ জন পুরুষ ১৮ জন নারী ও আটজন শিশু মারা গেছেন‌। নিহতদের মধ্যে ৪০ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। এদের ৩৮ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুইজনের লাশ মর্গের ফ্রিজে রাখা হয়েছে। বাকি ছয়জনের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।”

    পুলিশ কমিশনার বলেন, “আগুনের ঘটনায় ডিএমপি ও সিআইডি ঘটনার আলামত সংগ্রহ করেছে। গতকালের ঘটনার পরপর ঘটনাস্থলে আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়।”

    যাদের এ ধরনের ব্যবসা কিংবা রেস্টুরেন্ট রয়েছে তাদের উদ্দেশে ড. মহিদ উদ্দিন বলেন, “শুধু ব্যবসার কথা চিন্তা করবেন না। যদি জীবনের নিরাপত্তার কথা আগে চিন্তা করবেন। বাইরের দেশগুলোতে দেখেছেন জরুরি বের হওয়ার জন্য আলাদা সিঁড়ি রয়েছে।”

  • গণমাধ্যমকে আরও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করানো হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    গণমাধ্যমকে আরও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করানো হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মার্চ, ২০২৪: গণমাধ্যমকে আরও শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করানো হবে, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যম শিল্পকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর জন্য আমরা চেষ্টা করতে পারি। গণমাধ্যম কীভাবে সরকার বা কর্তৃপক্ষের জন্য সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে জবাবদিহি আনতে পারে, এমনকি সমালোচনা করতে পারে, সে কাজগুলোও আমরা করতে পারি।

    আজ শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে প্রেসক্লাবের ২০২৪ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

    চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শান্তর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও টিভি টুডে-এর প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল, চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওচমান গণি পাটোয়ারী, চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বশির আহমেদ, ঢাকা পোস্টের সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল প্রমুখ।

    আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীববিজ্ঞানী ড. সেঁজুতি সাহা, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকার কবির বকুলকে অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

    এ সময় তথ্যপ্রতিমন্ত্রী বলেন, “গণমাধ্যম এখন শিল্প। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিকাশ ছাড়া গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না। এরকম বাস্তবতায় সরকার গণমাধ্যমকে পূর্ণাঙ্গভাবে সকল সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছে। গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী অবস্থায় মজবুতভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার প্রস্তুত। সে ক্ষেত্রে সরকার সাংবাদিকদের কাছ থেকে একই ধরণের সহযোগিতা চায়।”

    তিনি আরও বলেন, “পেশাদার সাংবাদিকদের মধ্যে সাংবাদিকতায় শৃঙ্খলা আনার একটি দাবি রয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সাংবাদিকতাকে এভাবে উন্মুক্ত ও অবারিত করেছেন, এমনভাবে স্বাধীনতা দিয়েছেন সেটা নিয়ন্ত্রণের কথা এখন সাংবাদিকরাই বলছেন। সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না। তবে যে কোনো পেশায় কিছু অপেশাদার মানুষ চলে আসে। সেসব ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই কিছু না কিছু শৃঙ্খলা আনার প্রয়োজন আছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গণমাধ্যমের সামাজিক দায়বদ্ধতার পাশাপাশি বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক দিক আছে।  বাণিজ্যিক দিক থেকে লাভবান করা না গেলে গণমাধ্যম অস্তিত্ব সংকটে পড়ে। এজন্য কোন গণমাধ্যমকে আমরা যদি সরকারি বিজ্ঞাপন বা ক্রোড়পত্রের উপর নির্ভরশীল করতে চাই, তাহলে সেটি দীর্ঘ মেয়াদে টিকে থাকা মুশকিল হবে।”

    তথ্যপ্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “সাংবাদিকদের সাথে নিয়েই সরকার গুজব ও অপতথ্যকে মোকাবিলা করতে চায়। গণতন্ত্রকে সফল করার জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা জরুরি। তবে অপতথ্য ও গুজবের বিস্তার গণতন্ত্রকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করবে, তেমনি গণমাধ্যম ও পেশাদার সাংবাদিকতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।”

  • নতুন মাত্রায় অপরাধ মোকাবিলায় আমাদের পুলিশ বাহিনী প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী

    নতুন মাত্রায় অপরাধ মোকাবিলায় আমাদের পুলিশ বাহিনী প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষতা যত বৃদ্ধি পাচ্ছে অপরাধও কিন্তু ভিন্ন ভিন্নভাবে হচ্ছে। নতুন নতুন মাত্রায় অপরাধ দেখা দিচ্ছে। সেগুলো যথাযথভাবে মোকাবিলা করার জন্য আমাদের পুলিশ বাহিনী যেন প্রস্তুত থাকে। এ বিষয়ে আমরা যথেষ্ট যত্নবান এবং নজর দিচ্ছি। কারণ, ক্রাইমের সঙ্গে সঙ্গে সেটাকে মোকাবিলা করার সিস্টেমটা যদি না চলে তাহলে কিন্তু যথাযথভাবে সেটা (মোকাবিলা) করা যায় না।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, যে কোনো কর্মস্থলে নারী-পুরুষ-শিশু যারাই থাকুক তাদের আপনজন বিবেচনা করে তাদের প্রতি দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের সেবা করবেন, এটাই সবাই চাই।

    পুলিশকে ‘জনগণের বন্ধু’ উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের পুলিশ বাহিনী এখন মানুষের বন্ধু হিসেবে কাজ করছে। আজকাল মানুষ আগের মতো পুলিশকে ভয় না, মানুষ এখন পুলিশের ওপর আস্থা ফিরে পেয়েছে। সাধারণ মানুষ এখন পুলিশকে বন্ধু ভাবে, আস্থার জায়গা হিসেবে বিবেচনা করে।

    শেখ হাসিনা বলেন, এই যে আগুন দেওয়া, পুলিশকে মারা, পুলিশকে আগুনের মধ্যে ফেলে দেওয়া, এই ঘটনাগুলোর মামলাগুলো কিন্তু যথাযথভাবে চলে না। আমি মনে করি যারা এ ধরনের ক্রাইম করে তাদের মামলা এবং সাজাটা যদি দ্রুত হয়ে যায় তাহলে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন সাহস পাবে না।

    তিনি বলেন, আগামীতে কেউ যেন আর এভাবে আক্রমণ করতে না পারে, পুলিশের ওপর হামলা করতে না পারে, রাজনীতির নামে, সন্ত্রাসের নামে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে না পারে, মানুষের জানমালের ক্ষতি করতে না পারে, জাতীয় সম্পদের ক্ষতি করতে না পারে, এসব ব্যাপারে পুলিশকে অবিচল থাকতে হবে। যখনই যেটা দরকার যথাযথ ভূমিকা পালন করতে হবে।

    দেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটানা পনের বছর ক্ষমতায় থেকে আজকে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশকে কেউ আর ওই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের চোখে দেখে না। বাংলাদেশ সারা বিশ্বে এখন নিজের একটা স্থান করে নিতে পেরেছে। এখন সবাই বাংলাদেশকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে দেখে।

    তিনি বলেন, এটাকে ধরে রেখে আমাদের সামনে এগোতে হবে। সেজন্য আমাদের যে কোনো কাজ বা প্রকল্প বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে যে কোনো অপরাধ মোকাবিলা এবং সাজা নিশ্চিতে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। এটা সবার কর্তব্য। কাজেই সেভাবে আপনারা সবাই কাজ করে যাবেন।

    টানা চারবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর আমরা জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছি। কাজেই জনগণের শান্তি-শৃঙ্খলা, জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন এটাই আমাদের লক্ষ্য এবং সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাই। সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা দেই এবং প্রতি মেয়াদে নির্বাচনে ইশতেহার বাস্তবায়নে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেই।

    তিনি বলেন, যেহেতু ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে আমরা এ পর্যন্ত সরকারে আছি। একটা স্থিতিশীল পরিবেশ গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আজকের বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে।

    ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ফিলিস্তিনের ওপর যে হামলা এবং গণহত্যা চলছে বাংলাদেশ তা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমি প্রতিটি জায়গায় এর প্রতিবাদ করেছি। যেভাবে ফিলিস্তিনি শিশু-নারীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার এবং গণহত্যা, শুধু তাই না তাদের খাদ্য, চিকিৎসা, হাসপাতাল সবকিছুর ওপর আক্রমণ করে, এমনকি যেখানে ত্রাণ বিতরণ করা হয় সেখানেও আক্রমণ করা হচ্ছে, এর থেকে জঘন্য মানবতাবিরোধী কাজ আর হতে পারে না। এর প্রভাবটা সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে পড়ছে। আমাদের ওপরেও সেই ধাক্কাটা আসছে। যদিও আমাদের চেষ্টা হচ্ছে কীভাবে আমরা এটা মোকাবিলা করব।

  • দেশের জনগণের সমৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাবো: সেতুমন্ত্রী

    দেশের জনগণের সমৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাবো: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: দেশের জনগণের সমৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাবো, বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । তিনে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশের জনগণ যে কোনো সময়ের তুলনায় স্বস্তিতে বসবাস করছে। যে কোনো মূল্যে দেশের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাবো।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “সন্ত্রাসী রাজনীতির প্রতিভূ এবং জঙ্গিবাদ-উগ্রবাদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলাটা ভূতের মুখে রাম নাম ছাড়া কিছু নয়। একুশে আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় নির্বিচারে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের যারা হত্যা করেছিল; যাদের পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিগোষ্ঠী ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছিল, যারা দশ ট্রাক অস্ত্র আমদানি করেছিল, যারা অগ্নিসন্ত্রাস সৃষ্টি করে শত শত নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, সেই খুনিদের দল যখন জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বলে তখন জনগণ আরও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।”

    বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশ ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে তৎপর বিএনপি। দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনের প্রতি তাদের কোনো আস্থা নেই। সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে সেনা ছাউনিতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিল। সূচনা লগ্ন থেকেই বিএনপি অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পথ রুদ্ধ করে রাজনীতি করে আসছে। সুতরাং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে গণতন্ত্র ও সুশাসনের কথা বেমানান।”

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বিচারে কাউকে গ্রেপ্তার করে হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন। আন্তর্জাতিক আদালতে স্বীকৃত সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপির যেসব সন্ত্রাসী ও ক্যাডাররা অগ্নিসন্ত্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তার করাটা কোনোভাবেই হয়রানিমূলক হতে পারে না। সন্ত্রাসীদের আইন ও বিচারের মুখোমুখি করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য। একথা আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ও প্রমাণিত যে, সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”

  • সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১৫৭ বিদেশি বন্দীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

    সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১৫৭ বিদেশি বন্দীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: হাইকোর্ট এক নির্দেশে জানিয়েছে সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাংলাদেশের কারাগারে থাকা ১৫৭ বিদেশি বন্দীকে মুক্তি দিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে।

    বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি  এটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

    গত ২১ জানুয়ারির প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশের কারাগারগুলোতে বিভিন্ন অপরাধের সাজা শেষে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় থাকা ১৫৭ জন বিদেশি কারাবন্দি রয়েছেন। এর মধ্যে ১৫০ জন ভারতের, পাঁচজন মিয়ানমারের ও একজন করে পাকিস্তান ও নেপালের নাগরিক রয়েছেন। ১৫৭ জনের মধ্যে ১৯ জনের মতো নারী। উচ্চ আদালতের আদেশের পর কারা অধিদপ্তরের পাঠানো এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। পরবর্তী শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদনটি হলফনামা করে দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল দিয়ে অনুপ্রবেশের দায়ে ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর থানার বাসিন্দা গোবিন্দ উড়িয়াকে (২৬) গ্রেফতার আটক করে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা। ওই দিনই আটক ব্যক্তিকে শ্রীমঙ্গল থানায় সোপর্দ করে তার নামে মামলা করে বিজিবি। তদন্তের পর একই বছর ৪ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৪২ ধারা ও দি কন্ট্রোল অব এন্ট্রি অ্যাক্ট, ১৯৫২ আইনের ৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।  বিচার শেষে মৌলভীবাজারের চতুর্থ বিচারিক হাকিম এম মিজবাহ উর রহমান দোষ স্বীকার ও অতীতে অনুপ্রবেশের অভিযোগ না থাকায় আদালত গোবিন্দ উড়িয়াকে ২ মাস ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদ- দেন। এ রায়ের পর দুই বছর কেটে গেলেও প্রত্যাবাসন হয়নি গোবিন্দ উড়িয়ার। তাই তার প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে মৌলভীবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপারকে নির্দেশ দেন আদালত।

    এ নিয়ে গনমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে গত ১১ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী বিভূতি তরফদার। সাজা ভোগ করা কারাবন্দি গোবিন্দ উড়িয়ার কারামুক্তি ও তার প্রত্যাবাসনে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করা হয় রিট পিটিশনে। গত ১৫ জানুয়ারি এ রিটে প্রাথমিক শুনানির পর রুলসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট। আদেশে গোবিন্দ উড়িয়াকে কারামুক্তির নির্দেশ দেয়া হয়। আর দণ্ড বা সাজাভোগ করার পরও প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা না করে কারাবন্দি রাখা হয়েছে, এমন বিদেশি নাগরিকদের তালিকা দিতে বলেন উচ্চ আদালত। কারা মহাপরিদর্শককে এ নির্দেশ দিয়ে আগামী ১০ মার্চ পরবর্তী আদেশের তারিখ রাখা হয়। এরপর আদালতে দাখিলের জন্য এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠায় কারা অধিদপ্তর।

    সূত্র: বাসস