Category: বাংলাদেশ

  • কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে র্যাবকে আরও সক্রিয় হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে র্যাবকে আরও সক্রিয় হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মার্চ, ২০২৪: কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে র‌্যাবকে আরও সক্রিয় হতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিান। তিনি বলেন, “কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিস্তার রোধে র‌্যাবকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। রমজানে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ঈদে কালো টাকা রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

    আজ বুধবার (৬ মার্চ) কুর্মিটোলায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সদরদপ্তরে সংস্থাটির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই, আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে। আমাদের দেশকে আরও উন্নত করতে হবে। দেশের সম্পদ কাজে লাগিয়ে আর্থসামাজিক উন্নতি করতে হবে।

    সুন্দরবন জলদস্যুমুক্ত করার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, “জলদস্যুরা যেন আবারও বিপথে না যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তাদের জীবনের প্রয়োজনে যা দরকার সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাদের জীবিকার পথ আরও ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।”

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পেরেছে সেজন্য সব বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “এবারের নির্বাচন অবাধ, শান্তিপূর্ণ হয়েছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পেরেছে। কিন্তু যারা চায়নি নির্বাচন হোক, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক, শুধু তারা এই নির্বাচনে খুশি হতে পারেনি। কিন্তু মানুষ খুশি হয়েছে। এই নির্বাচনকে অনেকেই অভিনন্দন জানিয়েছে।”

    বর্তমানে বাহিনীর মহাপরিচালকের (ডিজি) দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন। প্রতিষ্ঠার পর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ছাড়াও স্ব-স্ব এলাকায় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ শুরু করে র‍‍্যাব।

    র‍‍্যাব কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জীবনবাজি রেখে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ফেরাতে অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে সংস্থাটি। র‍‍্যাব দেশে জঙ্গিবাদ নির্মূলে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। ২০০৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ টানা ৩৩ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) আমির শায়খ আব্দুর রহমানকে সিলেটের শাপলাবাগ থেকে গ্রেফতার করে র‍‍্যাব। প্রতিষ্ঠার পর এটিই ছিল র‍‍্যাবের সবচেয়ে আলোচিত অভিযান ও সবচেয়ে বড় সাফল্য।

    ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা চালিয়ে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি তাদের শক্তি জানান দেওয়ার পরপরই মাঠে নামেন র‍‍্যাব গোয়েন্দারা। এরপর গ্রেফতার করা হয় সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই, সামরিক শাখার প্রধান আতাউর রহমান সানিসহ শত শত জঙ্গিকে।

  • মশা নিধনে সারাদেশে ৪০ কোটি টাকার ওষুধ কেনা হবে

    মশা নিধনে সারাদেশে ৪০ কোটি টাকার ওষুধ কেনা হবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মার্চ, ২০২৪: মশার নিধনে সারাদেশে ৪০ কোটি এবাং ঢাকা সিটি করপোরেশনের জন্য ৫ কোটি টাকার ওষুধ কেনার অনুমোদন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন  স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। একই সঙ্গে জেলায় মশা নিধনে জনসচেতনতা বাড়াতে ও প্রচারণায় কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    আজ বুধবার (০৬ মার্চ) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় ও শেষ অধিবেশনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়নও সমবায় মন্ত্রণালয়ের কার্য অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

    মন্ত্রী বলেন, “পুরো পৃথিবী অনুধাবন করছে যে এডিস মশা মোকাবিলা করতে হলে সবচেয়ে বেশি দরকার ৯০ শতাংশ সচেতনতা। আর বাকি ১০ শতাংশ টেকনিক্যাল বা ওষুধ। তিন দিনে একদিন জমা পানি ফেলে দিন৷ এটা যদি সম্ভব হয় তাহলে এডিস মশার প্রজননটা আমরা রোধ করতে পারবো। আগে যদি আমরা ঢাকার বাইরে এক পারসেন্ট এডিস মশার প্রকোপ দেখতাম, বাকি ৯৯ শতাংশই কিন্তু দেখা যেত ঢাকা শহরে। গত বছর এডিস মশার প্রকোপ ঢাকায় কমে নেমেছে ২০ শতাংশের নিচে। কিন্তু ঢাকার বাইরে হয়েছে ৮০ শতাংশ।”

    তিনি বলেন, “প্রতিদিন আগে যে পরিমাণ আমাদের সন্তান বা মানুষ ঢাকায় আক্রান্ত হতো। এখন তা হচ্ছে ঢাকার বাইরে অর্থাৎ ঢাকার মানুষ এখন অনেক সচেতন হয়েছে। এডিস মশাকে মোকাবিলা করার জন্য আমরা যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য টিভিসি প্রচার করেছি, মানুষ সেটা দেখে দায়িত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছে।”

    ডিসিরা এই বিষয়ে কী বলেছেন জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “আমরা এই অবস্থাটা জানিয়েছি। তাদেরকে বলা হয়েছে এ ব্যাপারে এখনই ইনিশিয়েটিভ নেওয়ার জন্য। তারা জনসচেতনতার জন্য লিফলেট বিতরণ করছেন। তাছাড়া মন্ত্রণালয় থেকে যেসব সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন টেলিভিশনে প্রচার করা হচ্ছে তাতেও গ্রামাঞ্চলের মানুষও সচেতন হচ্ছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি সঠিকভাবে দেখভাল করা হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে ডিসিদের মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। ”

    তাজুল ইসলাম বলেন, “ডিসিরা তো তদারকি করবেন। আর রিপোর্ট করবেন। আর কার কি দায়িত্ব সেটা তো বণ্টন করে দেওয়াই আছে। আমরা কিন্তু গত জানুয়ারিতেই সভা করেছি। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত এলাকা ধরে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। গত বুধবারে সভা করে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য পাঁচ কোটি টাকার ওষুধ কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর সারা দেশের জন্য ৪০ কোটি টাকার ওষুধ কেনার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তুতিগুলো চলমান। মন্ত্রণালয় তথা সরকারের পক্ষ থেকে যে সমস্ত পদক্ষেপ, জনসচেতনতায় প্রচারণা দরকার তা করা হচ্ছে।”

    সমবায়ভিত্তিক কৃষিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুত্ব দিয়েছেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তাজুল ইসলাম বলেন, “সমবায়ভিত্তিক কৃষি, সমবায় ভিত্তিক ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। সমবায়ের ব্যাপারে আমরা কাজ করার কথা বলেছি। সমবায় ব্যবস্থাপনাকে আরো বেশি গতিশীল ও শক্তিশালী করার ব্যাপারে বলেছি।”

    স্থানীয় জলাশয় ও পানি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও জানান মন্ত্রী। 

  • ভূমি সেবা নিশ্চিতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে আছে: ভূমিমন্ত্রী

    ভূমি সেবা নিশ্চিতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে আছে: ভূমিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মার্চ, ২০২৪: ভূমি সেবা নিশ্চিতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে আছে, বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। তিনি বলেন, “ভূমি সেবা নিশ্চিত করতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে আছে। ভূমির বিষয়ে আমাদের সবচেয়ে বেশি নির্ভর করতে হয় জেলা প্রশাসকদের ওপর। ভূমি কমিশনারদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এসিল্যান্ড পর্যন্ত বিসিএস ক্যাডার, তাই আশা করছি স্বচ্ছতা বাস্তবায়ন করতে পারবো। ভূমিসেবায় স্বচ্ছতা আনতে ভূমিসেবা কার্যক্রম আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।”

    আজ বুধবার (০৬ মার্চ) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের চতুর্থ দিনের প্রথম অধিবেশনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কার্য অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

    খাস জমির স্বচ্ছতা বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা ডিসিদের এমন প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই স্বচ্ছতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নজরদারি কীভাবে থাকবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রণালয় নজরদারি করবে। এছাড়া ডিসি, এসিল্যান্ড ও ইউএনও আছে। আমরা স্থানীয়ভাবে সরাসরি পরিদর্শন করছি। জনগণের কাছ থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আপনাদের নির্দেশনা কি ছিল জানতে চাইলে ভূমিমন্ত্রী বলেন, “আমরা যে পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করছি সেগুলো তাদের জানানো হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা ফিরিয়ে আনতে হবে। এছাড়া তারা খাস জমি নিয়ে কতগুলো সুপারিশ করেছে, আমরা সেগুলো উত্তর দিয়েছি। যে-সব বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি সেসব বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তাদের সহযোগিতা করা হবে, যাতে তারা সহজভাবে কাজ করতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “ভূমি অপরাধ আইন হলে বিধির দরকার হয়। বিধির জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এই আইন হলে জনগণ উপকৃত হবেন। ফলে কেউ দখলে থাকলে তিনি সুবিধা পাবেন না। কাগজই হবে শেষ কথা।”

    ভূমি মন্ত্রী বলেন, “অর্পিত সম্পত্তি সংক্রান্ত অনেক আইন চলমান। ওগুলো তো আমরা নিষ্পত্তি করতে পারবো না। তবে এর বাইরে যেগুলো আছে সেগুলো যা যা করার দরকার সেসব আমরা করছি। একটি পরিপত্র ইতোমধ্যে জারি হয়েছে। স্পষ্ট করে যদি বলি, একটা খতিয়ান থেকে কেউ হয়ত বের হয়ে গেছে, ওই খতিয়ান ধরে অনেকে খাজনা দিতে পারছেন না। যারা বের হয়ে গেছে তাদেরটা আলাদা করে যারা বের হয়নি তাদের পৃথক খতিয়ান করে খাজনা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। যারা বের হয়ে গেছেন, তাদের খাস খতিয়ানে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। একটা পর্যায়ে খ তফসিল থাকবে না।

    ভূমির ডিজিটালাইজেশন, প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “রেকর্ড ডিজিটালাইজেশন হলে অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে। যখন ডিজিটালাইজড হয়ে যাচ্ছে তখন তো প্রত্যেকটা খতিয়ান পৃথক ব্যক্তি নামে হচ্ছে। সেই পৃথক খতিয়ান অনুযায়ী ম্যাপিং হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে চললে সাব রেজিস্ট্রার যখন রেজিস্ট্রি করবেন তা অনলাইনে চলে যাবে এসিল্যান্ডের কাছে। এসিল্যান্ড অফিসে কিন্তু সমস্ত ছবি আসছে ম্যাপসহ। কখন আর নোটিশ হবে না, অটোমেটিক নামপত্র হয়ে তার কাছে চলে যাবে। এখন আমরা যদি ভুল ম্যাপ দেই অথবা ম্যাপ যদি ডিজিটালাইজড করতে না পারি তাহলে নোটিসটা পৃথক নামেই থেকে যাবে।”

    এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে থাকছে ৩৫৬ প্রস্তাব। প্রস্তাবগুলোর জনসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ হ্রাস করা, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনেন বিকাশ, আইন- কানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২২টি প্রস্তাব পড়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে। সম্মেলনে সর্বমোট অধিবেশন ৩০টি। এর মধ্যে কার্য-অধিবেশন ২৫টি (একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, একটি স্পীকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময় এবং একটি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সদয় নির্দেশনা গ্রহণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা দুইটি। এছাড়া অংশগ্রহণকারী কার্যালয়: একটি (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)।

  • জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চলবে ১১ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত

    জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চলবে ১১ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মার্চ, ২০২৪: দেশে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে আগামী ১১ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৪ পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রহমান।

    আজ বুধবার (৬ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের  সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন তথ্য জানান।

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, “আগামী ১১ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৪ পালন করা হবে। এ জন্য সাতদিনব্যাপী কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ে অর্থাৎ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। আগামী ১১ মার্চ চাঁদপুরের সদর উপজেলার মোলহেড প্রাঙ্গণে এ বছরের জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের উদ্বোধন করা হবে।”

    তিনি বলেন, “এ দিন মেঘনা নদীতে নৌ র‌্যালি করা হবে। বর্তমান সরকার জাটকা রক্ষায় কেবল আইন প্রয়োগ করছে না বরং এই মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের জন্য ভিজিএফ খাদ্য সহায়তার পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে।

    মন্ত্রী বলেন, “২০০৯ সাল থেকে প্রতি মৎস্যজীবী পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ভিজিএফের পরিমাণ ১০ কেজি থেকে চল্লিশ কেজিতে উন্নীত করেছেন।”

    ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২০ জেলায় ৯৭ উপজেলায় জাটকা আহরণে বিরত ৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৭১টি জেলে পরিবারকে মাসিক ৪০ কেজি হারে ৪ মাসে ৫৭ হাজার ৭৭১ মে.টন ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    ইলিশ সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের মানুষের হাতের নাগালে ইলিশ মাছ পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারের কথা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “একইসাথে দেশের চাহিদা পূরণের পর বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে চাই। এ লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ, নৌপুলিশ, র‍্যাব, আনসার-ভিডিপি ও বিজিবি সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।”

    সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম উদ্দিন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. আলমগীর, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. জুলফিকার আলী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন

  • তিনি দিন ধরে জ্বলছে চট্রগ্রামের চিনিকলের আগুন

    তিনি দিন ধরে জ্বলছে চট্রগ্রামের চিনিকলের আগুন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ মার্চ, ২০২৪: চট্টগ্রামে কর্ণফুলী এলাকায় এস আলম সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আগুন তিন দিন ধরে জ্বলছে । আগুনে পুড়ে আগ্নেয়গিরির লাভার মতো বেরিয়ে আসছে চিনির কাঁচামাল। এই কাঁচামাল আবার ফেলা হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। এতে বিষক্রিয়ায় মারা যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী।

    আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখনও কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট।

    আজ বুধবার (৬ মার্চ) দুপুরেও মিলের ভেতরে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।

    ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আগুন ও কাঁচামালের কারণে মিলের ভেতরে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। বাইরের থেকে পানি দিতে হচ্ছে। ওপর থেকে পানি ছিটানো গেলে আগুন দ্রুত নির্বাপণ করা যেত। কিন্তু চিনিকলের উচ্চতা ৫-৬ তলা ভবনের সমান। উচ্চতার কারণে ওপর থেকে পানি দেওয়া যাচ্ছে না।

    মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে জেলা প্রশাসন গঠিত কমিটির সদস্যরা। এসময় তারা কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথেও কথা বলেন।

    এদিকে কবে নাগাদ আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা যাবে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। তাদের দাবি অপরিশোধিত চিনি দাহ্য হওয়ায় আগুন নেভাতে সময় লাগছে। পুড়ে যাওয়া চিনি ও কাঁচামাল গিয়ে পড়ছে পাশের কর্ণফুলী নদীতে।

    জানা গেছে, চিনির মিলের ছয়টি গোডাউনের মধ্যে একটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। সেখানে আমদানি করা ১ লাখ টন অপরিশোধিত চিনি রাখা ছিল।

    উল্লেখ্য, সোমবার বিকেল ৪টার দিকে কর্ণফুলীর ইছাপুর এলাকার একটি মিলে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমদিকে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি স্টেশনের ১৪টি ইউনিট। পরে তাদের সঙ্গে আগুন নেভাতে যোগ দেয় বাংলাদেশ বিমান, নৌ ও সেনাবাহিনীর দলও।

    মিলটির গোডাউনে রাখা অপরিশোধিত চিনিগুলো জ্বললেও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিসিদের কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিসিদের কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ মার্চ, ২০২৪: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিসিদের কাজ করতে হবে, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, “দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ আমাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে গিয়েছে। ডিসিদের অনুরোধ করা হয়েছে তারা যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে। বিশেষ করে রোজার আগে তারা যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহযোগিতা করে।”

    আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিনের একটি  কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রতি বছরের মতো জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনটি হচ্ছে। সম্মেলনে মন্ত্রী ও সচিবরা তাদের মুখোমুখি হন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আজকে ডিসিদের একটি সভা হয়েছে।  সভায় ডিসিরা আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে কিছু বলেননি। উনারা ছোট ছোট কিছু পয়েন্ট সভায় তুলেছেন। ”

    তিনি বলেন, “ডিসিরা জানতে চেয়েছেন করোনার সময়ের মতো ভার্চুয়াল কোর্টের ব্যবস্থা করা যায় কি না। তারা বলেছেন বিশেষ করে জঙ্গিদের আদালতে আনা নেওয়া করায় কিছুটা ঝুঁকি থাকে। তাই ভার্চুয়াল কোর্টের কথা বলেছেন ডিসিরা। আমরা সেটা যাচাই-বাছাই ও পরীক্ষা করে দেখব এইটা করা যায় কি না। সারা বাংলাদেশে ভার্চুয়াল কোর্ট করা যায় কি না আমরা সেটা পরীক্ষা করে দেখব।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “ডিসিদের সভায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা যেন প্রতি মাসে তারা করেন। যাতে করে সবার সঙ্গে সবার একটা বোঝাপড়া থাকে। যেন কোনো অসুবিধা হলে সেটা দ্রুত সমাধান করা যায়। সভায় ডিসিদের আরও নির্দেশ দেওয়া হয় যেন তারা ইয়াবা ও এলএসডির মতো মাদকের বিরুদ্ধে সামজিক সচেতনতা গড়ে তোলেন। আমরা ধূমপানের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। এখন দেখা যায় প্রকাশ্যে কেউ ধূমপান করে না। কেউ ধূমপান করলে তা আড়ালে করে। ”

    নদীপথে যেন যত্রতত্র বালু উত্তোলন না করা হয় সে জন্য ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের অনুরোধ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

  • বাজার ব্যবস্থা নিয়ে কারসাজি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

    বাজার ব্যবস্থা নিয়ে কারসাজি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ মার্চ, ২০২৪: বাজার ব্যবস্থা নিয়ে কারসাজি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, “বাজারে বাজার ব্যবস্থায় যদি কেউ অস্থিতিশীল করেলে তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।”

    আজ মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

    আইনমন্ত্রী বলেন, “কৃত্তিমভাবে মূল্য বৃদ্ধি ও অবৈধ মজুতদারি করে বাজারে অস্থিরতা তৈরী করা হলে বিশেষ ক্ষমতা আইনে (স্পেশাল এ্যাক্ট) ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    মামলায় জট প্রসঙ্গে আনিসুল হক বলে, “আমি আমার বক্তব্যে প্রথমে ডিসিদের কাছে মামলা জটের বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছি। মামলা জট নিরসনের জন্য তারা যেন সহযোগিতা করে। দ্বিতীয় কথা যেটা বলেছি সেটা হলো, সকলের কাছে বিশেষ করে ডিসিদের জন্য একটা ইস্যু, সেটা হলো মোবাইল কোর্ট অ্যাক্টের বিরুদ্ধে একটা মামলা আছে। সেটা নিষ্পত্তি করার জন্য আমরা তড়িৎ পদক্ষেপ নিবো এবং একটা বিষয়ে স্পষ্টিকরণ করা হয়েছে, সেটা হলো অনেক সময় হাইকোর্ট বিভাগে কেউ যদি মামলা করে তখন হাইকোর্ট আবেদন নিষ্পত্তির জন্য একটা আদেশ দেন। সে ক্ষেত্রে অনেক সময় জটিলতা দেখা দেয়, যে হাইকোর্টের আদেশ না বুঝে অনেক দেরি করা হয়। সে বিষয়ে স্পষ্টিকরণ করে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞ অ্যাটর্নি জেনারেল, আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং আমি বলেছি আবেদনটি ডিসপোজ করা বা সম্ভব হলে গ্রহণ করা। আর যদি সম্ভব না হয় তাহলে একটা জবাব দিয়ে এ ব্যাপারটা নিষ্পত্তি করে দেওয়া। সে বিষয়ে স্পষ্ট করা হয়েছে। ”

    তিনে আরও বলেন, “মোবাইল কোর্টে হওয়া মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সারাদেশে মামলার জট কমাতে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ডিসিদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।”

    এ সময় বেইলি রোডে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত শেষে মামলা হলে তা দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিতে প্রসিকিউশনকে নির্দেশ দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

  • দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ মার্চ, ২০২৪: দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে হবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “উপজেলা হাসপাতালে যদি ডাক্তার থাকতে না চায় তাহলে গ্রামের মানুষ কোথা থেকে ভালো চিকিৎসা পাবে। আমি বারবার বলেছি; চিকিৎসা খাতে সুনাম ফিরিয়ে আনতে হলে আমাদেরকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রুট লেভেল পর্যন্ত ভালো চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে হবে।”

    আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগ এলাকার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশান হলে ১০ম জাতীয় নিউরোলজি কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, “প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসকদের কিছু অসুবিধা আছে আমি জানি। এসব অসুবিধা নোট করছি। প্রত্যন্ত অঞ্চলে যারা চিকিৎসা সেবা দিতে যাবে তাদের জন্য কী কী ইনসেনটিভ রাখা যায়, সেগুলো নিয়ে আমি কাজ শুরু করেছি। আমি চিকিৎসকদের সুবিধা যেমন দেব, চিকিৎসকদেরকেও রোগীদেরকে সেবা বুঝিয়ে দিতে হবে। চিকিৎসকরা গ্রামে গিয়ে মানুষকে শুধু সেবা দিক, আমি তাদের সব সুবিধা বাড়িয়ে দেব।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউরো হাসপাতালকে ৩০০ বেড থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ বেডে নিয়ে এসেছেন। নিউরো হাসপাতালের সক্ষমতা এখন বিশ্বের যে কোনো উন্নত দেশের সঙ্গে তুলনার যোগ্য করে তুলেছেন। দিন দিন নিউরো রোগীদের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে পাওয়া যাচ্ছে। ঐসব রোগীদের যেন কষ্ট করে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে আসতে না হয় সেজন্য আমরা বিভাগীয় পর্যায়ে নিউরো চিকিৎসা পৌঁছে দিতে কাজ শুরু করছি।”

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা.রোকেয়া সুলতানা বলেন, “চিকিৎসকদের উন্নত সেবা দিতে হলে ভালো মানের চিকিৎসা বিজ্ঞানের বই পড়তে হবে। চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধিতে চিকিৎসকদের আরো কাজ করতে হবে, নতুন নতুন চিকিৎসা গবেষণায় মন দিতে হবে।”

    সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক মো. বদরুল আলমের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাচিপের সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, স্বাচিপ মহাসচিব ডা. কামরুল হাসান মিলন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়াসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন সোসাইটি অব নিরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর আবু নাসির রিজভী।

  • দেশে চলাচলকারী ১৮.৯ শতাংশ বাসের নিবন্ধন নেই: টিআইবি

    দেশে চলাচলকারী ১৮.৯ শতাংশ বাসের নিবন্ধন নেই: টিআইবি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ মার্চ, ২০২৪: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এক গেবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে দেশে চলাচলকারী ১৮.৯ শতাংশ বাসের নিবন্ধন, ২৪ শতাংশ বাসের ফিটনেস, ১৮.৫ শতাংশ বাসের ট্যাক্স টোকেন ও ২২ শতাংশ বাসের রুট পারমিট নেই।

    আজ মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) সকালে ধানমন্ডির টিআইবি কার্যালয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসায় শুদ্ধাচার শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

    টিআইবির গবেষক মুহা. নূরুজ্জামান ফারহাদ, ফারহানা রহমান ও মোহাম্মদ নূরে আলম গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

    প্রতেবেদনে জানানো হয়েছে, সড়কে বাণিজ্যিকভাবে চলাচলকারী প্রত্যেকটি বাসের জন্য নিবন্ধন ও তিন ধরনের সনদ বাধ্যতামূলক। কিন্তু ৪০.৯ শতাংশ বাসকর্মী ও শ্রমিকদের মতে, সংশ্লিষ্ট কোম্পানির এক বা একাধিক বাসের নিবন্ধনসহ কোনো না কোনো সনদের ঘাটতি আছে ।

    গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাস শ্রমিকদের প্রতিদিন প্রায় ১১ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। আর তাদের মধ্যে ৮২ শতাংশের কোনো নিয়োগপত্র নেই, ৬৯.৩  শতাংশের নেই নির্ধারিত মজুরি।

    যাত্রী সেবা প্রসঙ্গে সংস্থাটির দাবি, জরিপে অংশগ্রহণকারী ৭৫.৮ শতাংশ যাত্রী, ৪৮ শতাংশ শ্রমিক এবং ৫১.৮ শতাংশ মালিক বাসের মাত্রাতিরিক্ত গতিকে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    ২২.২ শতাংশ কর্মী/শ্রমিকদের মতে, মদ্যপান বা নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে চালক গাড়ি চালান এবং কন্ডাক্টর/হেলপার/সুপারভাইজার বাসে দায়িত্ব পালন করেন। সিটি সার্ভিসের ক্ষেত্রে এ হার ৪৫.৯ এবং আন্তঃজেলার ক্ষেত্রে ১৯.২ শতাংশ বলে জানায় সংস্থাটি।

    নির্দেশনার যথাযথ প্রয়োগের অভাবে চলন্ত বাসে চালকরা ফোন ব্যবহার করেন। এর ফলে অনেকসময় প্রাণহানিসহ দুর্ঘটনা ঘটে বলেও জানানো হয়।

    বিআরটিএ এর তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫ হাজার ২৪ জন এবং যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্যানুযায়ী এ সংখ্যা ৭ হাজার ৯০২ জন।

  • সিলিন্ডার জব্দ এবং স্টাফদের গ্রেফতার কোন সমাধান নয়: ইমরান হাসান

    সিলিন্ডার জব্দ এবং স্টাফদের গ্রেফতার কোন সমাধান নয়: ইমরান হাসান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ মার্চ, ২০২৪: সিলিন্ডার জব্দ এবং স্টাফদের গ্রেফতার কোন সমাধান নয়, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান। তিনি বলেন, “বেইলি রোডের গ্রীন কোজি কটেজের অগ্নিকাণ্ডের দায় কেউ এড়াতে পারেন না। পুরো ভবনটাই ছিল অনিয়মে ভরা, ভবনটির অনুমোদন দিয়েছে রাজউক, রেস্তোরাঁ সেক্টরটি তদারকি করেন- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন, কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর, সংযুক্ত আছেন জেলা প্রশাসক প্রশাসনসহ অনেক অধিদপ্তর ও সংস্থা। ৪৬ জনের প্রাণহানির পর রাজউক ও সিভিল ডিফেন্সের টনক নড়েছে। ঘটনার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঢাকা শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল জব্দ করছে এবং স্টাফদের গ্রেফতার করছে। এটি সমস্যার সমাধান নয়।”

    আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) বেলা ১১টায় রাজধানীর বিজয়নগরে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে রেস্তোরাঁ শিল্পের সংকটের উত্তরণের উপায় এবং আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা বজায় রেখে রেস্তোরাঁ ব্যবসা করা নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠিত অগ্নিকাণ্ডের জন্য সৃষ্ট সংকট থেকে উত্তোরণ শীর্ষক আলোচনা করে এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে যে, রেস্টুরেন্ট করার পূর্বেই যথাযথ কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে রেস্টুরেন্টের অনুমোদন দেবেন।”

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “তিতাস গ্যাসের পর্যাপ্ততা নেই। আবার লাইন সংযোগ থাকলেও লাইনে গ্যাস নেই। এখন বিকল্প ব্যবস্থা গ্যাস সিলেন্ডার ব্যবহার বা লাকড়ি ব্যবহার, লাকড়ি ব্যবহার করলে কিচেনসহ পুরো রেস্টুরেন্ট কালো হয়ে যায়, পরিবেশ ঠিক থাকে না। পুরো বিষয়টি নিয়ে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাচ্ছি এবং ভবিষতের জন্য নির্দিষ্ট একটি গাইডলাইন তৈরি করতে হবে যাতে ব্যাঙের ছাতার মতো রেস্তোরাঁ গজিয়ে উঠতে না পারে।”

    ইমরান হাসানা আরও বলেন, “আসন্ন রমজানে পবিত্রতা বজায় রেখে রেস্তোরাঁ ব্যবসা করতে চান বলেও মন্তব্য করেন তিনি।”

    অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করে আগামী বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) প্রতিটি রেস্তোরাঁয় কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।