Category: বাংলাদেশ

  • সরকারি খরচায় আইনি সহায়তা পেয়েছেন ১৬৪৭৯৭ জন

    সরকারি খরচায় আইনি সহায়তা পেয়েছেন ১৬৪৭৯৭ জন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মে, ২০২৪: জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, সংস্থার নির্ধারিত হটলাইন কলসেন্টার ১৬৪৩০ নম্বরে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জনকে সরকারি খরচায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্ধারিত হটলাইনে কলসেন্টার ১৬৪৩০ নম্বরে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পেয়েছেন। জাতীয় হেল্পলাইন সৃষ্টির আগে হটলাইনের মাধ্যমে ১৭ হাজার ৩২৮ জনকে সরকারি খরচায় আইনি সেবা প্রদান করা হয়।

    প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত সরকারি খরচায় লিগ্যাল এইডে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা দেয়া হয়েছে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮৬ মামলায়। এরমধ্যে আইনি সহায়তার মাধ্যমে ১ লাখ ৯৪ হাজার ১২২ টি মামলা নিস্পত্তি হয়েছে। বিকল্প বিরোধ নিস্পত্তি সেবার মাধ্যমে লিগ্যাল এইডে মামলা নিস্পত্তি হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৯১৩টি। এডিআর এর জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৫৮ টি মামলায়। এ সময়ের মধ্যে আইনি পরামর্শ সেবা দেয়া হয়েছে ৪ লাখ ৫ হাজার ৯২ টি।

    প্রতিবেদন বলা হয়, এই সেবার মাধ্যমে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৫৮ জন সরকারি খরচায় আইনি সহায়তা পেয়েছেন। অসচ্ছল বিচার প্রার্থীদের ১৮৭ কোটি ৪৪ লাখ ৬১ হাজার ৬৮৭ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দিয়েছে জাতীয় আইনগত সতায়তা সংস্থা।

    প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, সেবা গ্রহণকারীদের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৪২৪ জন, দেশের ৬৪ টি জেলার লিগ্যার এইড অফিসের মাধ্যমে ৮ লাখ ২ হাজার ৪০৭ জন, ঢাকা ও চট্রগ্রাম শ্রমিক আইনি সহায়তা সেলের মাধ্যমে ২৮ হাজার ৩৩০ জন।

    সরকার ২০১৩ সালের ২৮ এপ্রিল তারিখকে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’ ঘোষণা করেন। সকল মানুষের বিচার অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারের আইনগত সহায়তা কার্যক্রম প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এই দিবসটি প্রতিবছর পালন করা হয়। এবার ১২তম বার এই দিবসটি পালিত হয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মে, ২০২৪: পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজারের স্থানে ১০তলা বঙ্গবাজার পাইকারি মার্কেট, শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানের আধুনিকায়নসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ (শনিবার) সকাল ১০টার দিকে প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করেন তিনি।

    এই সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্ধিত ঢাকার জনগণ যেন যথাযথ সেবা পেতে পারে সেজন্য নগরীকে তিনি উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এই দুটি অংশে ভাগ করেন। যে গুলো ইউনিয়ন ছিল সেগুলোকেও সিটি কর্পোরেশনের আওতায় নিয়ে এসে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঠিকানাবিহীন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসন সমস্যা দূরীকরণে তাঁর সরকার আবাসিক ফ্ল্যাট ও সম্মানজনক পদবীর ব্যবস্থা করে দিয়েছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “ঢাকা শহরের পূর্ব-পশ্চিমে রাস্তাই ছিল না। তাঁর সরকার সে সব রাস্তা, ওভারপাস, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, বাঁধের ওপর রাস্তা, বুড়িগঙ্গা বেড়িবাঁধ করে দিয়েছে এবং বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। যে গুলো বাস্তবায়ন হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো উন্নত হবে।”

    তিনি বলেন, “আন্তঃজেলা যোগাযোগ সহজ করতে আমরা ঢাকায় একটি রিং রোড নির্মাণ করতে চাই।”

    সরকার প্রধান বলেন, “ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগার এখান থেকে সরিয়ে কেরানীগঞ্জ নেওয়া হয়েছে। পুরাতন কেন্দ্রিয় কারগারে যেখানে জাতির পিতা দীর্ঘদিন বিভিন্ন সময় বন্দি ছিছেন, যেখানে জাতীয় চারনেতাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ফাঁসির মঞ্চ যেখানে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখলের পর হাজার হাজার সেনাবাহিনীর অফিসার সৈনিক, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ফাঁসি দিয়েছিল। আর ব্রিটিশ আমল থেকেই অনেক দেশপ্রেমিককে সেখানে ফাঁসি দেওয়া হয় সেই জায়াগাটিসহ সকল স্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে স্কুল এবং পার্ক করে সৌন্দর্যবর্ধন এবং বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “ঠিক একইভাবেই এই এলাকার মানুষ যাতে ভালভাবে থাকতে পারে সেই ব্যবস্থাও করেছি।’

    শেখ হাসিনা বঙ্গবাজার পুনর্নিমাণের পর ব্যবসা চালু রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বলেন, এরআগে তিনি মোবাইল লেনদেনের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বঙ্গবাজার বাজারের ব্যবসায়ীদের অনুদান দিয়েছিলেন।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন উন্নয়ন প্রকল্পের পর একটি ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ও দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

    ১০তলা বিশিষ্ট বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণিবিতানে পাঁচটি সাধারণ সিঁড়ি ও ছয়টি অগ্নিপ্রস্থান সিঁড়িসহ পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বিপণিবিতানের প্রতিটি ব্লকের জন্য আলাদা বাহির ও প্রবেশদ্বার থাকবে। ভবনে বৈদ্যুতিক যান্ত্রিক কক্ষ এবং প্রতিটি ব্লকের প্রতি তলায় চারটি করে শৌচাগার থাকবে। এছাড়া ভবনের ভূমিতলে ১৬৯টি গাড়ি ও ১০৯টি মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের সুবিধা থাকবে।

    পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে রায়েরবাজার স্লুইসগেট গেট পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের আট লেনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মণি সরণির নির্মাণকাজেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ৯৭৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের আওতায় ১০ কিলোমিটার নর্দমা (ড্রেন), ১০ কিলোমিটার পথচারী হাঁটার পথ (ফুটপাত), ৩টি উড়াল সেতু (ভেহিকেল ওভারপাস), ৩টি পথচারী পারাপার সেতু (ওভারব্রিজ), দুই কিলোমিটার সংরক্ষণকারী দেওয়াল (রিটেইনিং ওয়াল), তিনটি মসজিদ, ছয়টি যানবাহন বিরতির স্থান (বাস-বে) ও ছয়টি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হবে। এতে ঢাকা শহরের ভেতরে বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ কমার পাশাপাশি বহুলাংশে যানজট নিরসন হবে।

    নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে ধানমন্ডি হ্রদে নজরুল সরোবর নির্মাণ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি।

    এছাড়া শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানের আধুনিকীকরণ কাজেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় ৬০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এই শিশু উদ্যানের আধুনিকায়ন করা হবে।

  • কবি নজরুলের বলিষ্ঠ লেখনী আমাদের জাতীয় জীবনে এখনও প্রাসঙ্গিক: প্রধানমন্ত্রী

    কবি নজরুলের বলিষ্ঠ লেখনী আমাদের জাতীয় জীবনে এখনও প্রাসঙ্গিক: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মে, ২০২৪: কবি নজরুলের বলিষ্ঠ লেখনী আমাদের জাতীয় জীবনে এখনও প্রাসঙ্গিক, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “কবি নজরুল তার প্রত্যয়ী ও বলিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে মুক্তি সংগ্রামে অনুপ্রাণিত ও উদ্দীপ্ত করেছেন। নজরুল সাহিত্যের বিচিত্রমুখী সৃষ্টিশীলতা আমাদের জাতীয় জীবনে এখনও প্রাসঙ্গিক।

    আজ শনিবার (২৫ মে) ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

    বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঊনবিংশ শতাব্দীর বিদায় এবং বিংশ শতাব্দীর আগমন লগ্নে নজরুলের জন্ম। তখন বাংলাদেশসহ গোটা উপমহাদেশ পরাধীনতার শৃঙ্খলে বন্দি। একদিকে দারিদ্র্য অন্যদিকে দেশমাতার পরাধীনতা কবিকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় পাগলপ্রায় করে তুলেছিল। কবি অন্যায়, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নিজেকে উৎসর্গ করেন। রাজদ্রোহের অপরাধে কারাবরণ করেন। কবিতাকে বেছে নেন প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “কবি নজরুলের লেখনীতে ফুটে ওঠে আর্ত-পীড়িত, ব্যথিত ও উপেক্ষিত মানবমনের কথা। কবি নজরুলের আজীবন সাধনা ছিল সমাজের শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি এবং মানুষের সামাজিক মর্যাদার স্বীকৃতি অর্জন।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কবি নজরুল অন্যায়, অসত্য, নির্যাতন-নিপীড়ন, নানামাত্রিক অসাম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে যুগে যুগে মানুষকে প্রতিবাদ-প্রতিরোধে উচ্চকণ্ঠ হওয়ার প্রেরণা যুগিয়েছেন। তার কাছে ধর্ম, গোত্র, জাত-কুল, ধনী গরিব সব শ্রেণির মানুষ ছিল সমান। তার গানে প্রেম ও প্রকৃতি অপরূপ রূপে ধরা দিয়েছে। তাই কবি নজরুল একাধারে দ্রোহ ও মানবতার কবি; সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার কবি; সত্য, সুন্দর, কল্যাণ, প্রেম ও হৃদয়াবেগের কবি।”

    তিনি বলেন, “অসাম্প্রদায়িকতা ও জাতীয়তাবোধের মূর্ত প্রতীক, কালজয়ী প্রতিভার অধিকারী কবি নজরুল তার স্বল্পকালীন সৃষ্টিশীল জীবনে রচনা করেছেন প্রেম, প্রকৃতি, বিদ্রোহ ও মানবতার অনবদ্য সব কবিতা, গান, প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস ও নাটক। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং সঙ্গীত ও সংস্কৃতিতে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান স্বাতন্ত্র্য মহিমায় সমুজ্জ্বল। কবি নজরুলের সাহিত্য ও সঙ্গীত শোষণ, বঞ্চনা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে মুক্তির দীক্ষাস্বরূপ।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নজরুলের ক্ষুরধার লেখনীর স্ফুলিঙ্গ যেমন ব্রিটিশ শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল, তেমনি তার বাণী ও সুরের অমিয় ঝর্ণাধারা সিঞ্চিত করেছে বাঙালির হৃদয়কে। তিনিই প্রথম বাঙালি কবি যিনি ব্রিটিশ অধীনতা থেকে ভারতকে মুক্ত করার জন্য স্বরাজের পরিবর্তে পূর্ণ স্বাধীনতার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছিলেন। আজীবন তিনি মানবতার জয়গান গেয়েছেন, নারীর অধিকারকে করেছেন সমুন্নত।”

    তিনি বলেন, “কবি নজরুল যে অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন, তারই প্রতিফলন আমরা পাই জাতির পিতার সংগ্রাম ও কর্মে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় কবির জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের সরকার গত ১৫ বছরে বিভিন্নমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। আমরা নজরুলের সৃষ্টিসমূহের সংগ্রহ, সংকলন, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নজরুল জাদুঘর সংস্কার ও মেরামত, নজরুল অ্যালবাম প্রকাশ, নজরুল সঙ্গীতের সিডি প্রকাশ, শুদ্ধ সুর ও বাণীতে নজরুল সঙ্গীতের প্রশিক্ষক তৈরির বিশেষ কোর্স চালু এবং নজরুলের অপ্রচলিত গানের সুর সংগ্রহ, স্বরলিপি প্রণয়ন, সংরক্ষণ, প্রচার ও নবীন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধকরণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নজরুল সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া, কুমিল্লায় নজরুল ইনস্টিটিউট কেন্দ্র স্থাপন, ঢাকাস্থ নজরুল ইনস্টিটিউটের ১১তলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণ এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লায় বিদ্যমান ভবনের সংস্কার করেছি। আমাদের সরকারের এসব কার্যক্রম নজরুল-চর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে যা অসাম্প্রদায়িক, ন্যায়, সমতাভিত্তিক উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথকে প্রশস্ত করবে বলে আমি আশা করি।”

    তিনি বলেন, “মহান মানবতাবাদী কবি নজরুলের সংগ্রামশীল জীবন এবং তার অবিনাশী রচনাবলি বাঙালি জাতির জন্য অন্তহীন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের কর্ম, চিন্তা ও মননে কাজী নজরুল ইসলামের অবিনশ্বর উপস্থিতি সকল কূপম-কতা এবং প্রতিবন্ধকতা দূর করে একটি অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে।”

    প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

  • এমপি আনার হত্যার তদন্তে হারুনের নেতৃত্বে ডিবির টিম যাচ্ছে কলকাতায়

    এমপি আনার হত্যার তদন্তে হারুনের নেতৃত্বে ডিবির টিম যাচ্ছে কলকাতায়

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মে, ২০২৪: মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ড তদন্তে কলকাতা যাচ্ছে । ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এই দলের নেতৃত্বে থাকছেন।

    আজ শনিবার (২৫ মে) রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হারুন।

    ডিবিপ্রধান হারুন বলেন, “ভারতীয় পুলিশের একটি টিম ২-৩ তিন ধরে আমাদের এখানে আছে। তারা আমাদের হাতে থাকা গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। আজ-কালের মধ্যে আমিসহ ডিবির ২-৩ জন অফিসার তদন্তের কাজে কলকাতা যাব। আমাদের সরকারিভাবে জিও হয়েছে, আইজিপি নির্দেশ দিলেই আমরা যাব।”

    হত্যাকাণ্ডের মোটিভের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মোটিভ অনেকগুলো হতে পারে। পূর্ব শত্রুতার জেরে হতে পারে, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত হতে পারে, রাজনৈতিক বিষয়ও থাকতে পারে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এটি এখনই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব না।

    হারুন অর রশীদ বলেন, “হত্যার তদন্তে আমাদের পাশাপাশি কলকাতার টিমও কাজ করছে। তবে বাংলাদেশে যারা এসেছেন তাদের কাজ এখনও শেষ হয়নি। তাদের কাজ শেষ হলে আমরা রওনা হব। তারা আজ ৩টার দিকে ডিবিতে আবারও আসবেন। এরপর পুলিশ কমিশনারের সাথে কথা বলব, তারপর আমরা যাব। সেটি আজ রাতেও হতে পারে আগামীকাল ভোরের মধ্যেও হতে পারে।”

  • অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন শাস্তি তাকে পেতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন শাস্তি তাকে পেতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মে, ২০২৪: অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন শাস্তি তাকে পেতেই হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । তিনি বলেন, “কোনো ব্যক্তি যত প্রভাবশালী হোক অপরাধ অপকর্ম করতে পারে। এখানে প্রশ্ন থেকে যায়, তাদের অপরাধ-অপকর্মে শাস্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার সৎ সাহস দেখিয়েছে কিনা। শেখ হাসিনার সরকারের সেই সৎ সাহস আছে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৪ মে) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ওবায়দুল কাদের এসব মন্তব্য করেন ৷

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। বিচার বিভাগ স্বাধীন, দুর্নীতি দমন কমিশন -দুদক স্বাধীন। সেখানে যদি কেউ অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হয় আমরা কেন প্রটেকশন দেব?  হোক তিনি সাবেক আইজিপি কিংবা সাবেক সেনাপ্রধান। অপরাধ করলে দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তির মুখে সোপর্দ করা হবে।”

    ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, “বুয়েটে আবরার হত্যাকাণ্ডে যাদের দণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা সবাই ছাত্রলীগ। সরকার তাদের প্রটেকশন দিতে যায়নি। বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রেও সরকার কাউকে প্রটেকশন দেয়নি। ব্যক্তি অপরাধ করতে পারে। কিন্তু সরকার তাকে প্রটেকশন কেন দেবে? আমরা অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখি। সে যতই প্রভাবশালী হোক অপরাধ করলে শাস্তি তাকে পেতেই হবে।”

    মতবিনিময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

  • বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মে, ২০২৪: বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি। ইসরায়েলি বাহিনী নির্বিচারে গুলি করছে। মানুষ হত্যা করছে। বিশ্বের সবখানের জনগণ এখন ফিলিস্তিনের পক্ষে। তবে জাতিসংঘে যখন এ ইস্যু তোলা হয়, তখন কোনো কোনো দেশ ভেটো দেয়।”

    শুক্রবার (২৪ মে) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বিশ্বশান্তি ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি স্বীকৃতি’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে সাপ্তাহিক গণবাংলা-বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) চিফ প্রসিকিউটর নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির যে দাবি জানিয়েছেন, তা আমরা সমর্থন করি।”

    তিনি বলেন, “ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় সোচ্চার। তিনি ফিলিস্তিনের জন্য সাহায্য পাঠিয়েছেন। সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলছেন।”

    হাছান মাহমুদ বলেন, “বিএনপি-জামায়াত ইসলামের জন্য মায়াকান্না করলেও ফিলিস্তিনের পক্ষে কখনো একটি শব্দও বলে না। তাহলে মানুষের পাশে তারা কীভাবে দাঁড়াবে? বিএনপি-জামায়াত ইসরায়েলের দোসরে পরিণত হয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগ ও সরকার সবসময়ই ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।”

    আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন, “বাংলাদেশের অবস্থান ফিলিস্তিনের পক্ষে। বাংলাদেশ ইসরায়েলের নৃশংসতার জন্য সবসময় নিন্দা জানিয়ে আসছে। ইসরায়েল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও বাংলাদেশ তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।

    তিনি বলেন, “ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট। আমরা দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান চাই। আল আকসার সঙ্গে মুসলমানদের আবেগ জড়িত। আমরা সেখানে মুসলমানদের আলাদা ভূখণ্ড, দেশ ও পতাকা চাই। এ বিষয়ে আমাদের সব সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে।”

    সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আওলাদ হোসেন বলেন, “ফিলিস্তিনে মানবতা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। সেখানে শিশু, নারী ও পুরুষদের হত্যা করা হচ্ছে। সারা বিশ্বে এ নৃশংস হত্যাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার মা বলেই ইসরায়েলের নৃশংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছেন।”

    মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু বলেন, “ফিলিস্তিনের ওপর কী অন্যায় হয়, আপনারা জানেন। বিশ্বে যারা মানবতার কথা বলে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাদের মুখ বন্ধ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলে আসছেন। রোহিঙ্গাদের পক্ষেও প্রধানমন্ত্রী কথা বলে আসছেন। আমরাও সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে আছি।”

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, মিনহাজ উদ্দিন মিন্টু, এম এ করিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির সদস্য লায়ন মশিউর রহমান।

  • এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের মামলায় ৩ আসামি ৮ দিনের রিমান্ডে

    এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের মামলায় ৩ আসামি ৮ দিনের রিমান্ডে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মে, ২০২৪: চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে নিহত ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    আজ শুক্রবার (২৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

    রিমান্ডে যাওয়া তিনজন হলেন সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাজী ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও সিলিস্তি রহমান।

    শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটে হাজির করা হয়। এ সময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। শুনানি শেষে বিচারক তাদের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

    গত ২২ মে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

    মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের বাসায় আমরা সপরিবারে বসবাস করি। গত ৯ মে রাত ৮টার দিকে আমার বাবা আনোয়ারুল আজীম আনার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ যাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন। গত ১১ মে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বাবার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললে বাবার কথাবার্তা কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়। এরপর বাবার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাই।

    গত ১৩ মে বাবার ভারতীয় নম্বর থেকে উজির মামার হোয়াটসঅ্যাপে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। এতে লেখা ছিল, ‘আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সঙ্গে ভিআইপি রয়েছে। আমি অমিত সাহার কাজে নিউটাউন যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নেই। আমি পরে ফোন দেব। ’

    এছাড়া আরও কয়েকটি বার্তা আসে। ক্ষুদে বার্তাগুলো আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন জায়গায় বাবার খোঁজ করতে থাকি। কোনো সন্ধান না পেয়ে তার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস বাদী হয়ে ভারতীয় বারানগর পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপরও আমরা খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রাখি।

    পরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে বাবাকে অপহরণ করেছে।

  • রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেয়েছে ২০টি প্রতিষ্ঠান

    রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেয়েছে ২০টি প্রতিষ্ঠান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২১’ পেল ছয় ক্যাটাগরির ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের মালিক/প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

    শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ ও এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী পরিকল্পনা ও নীতি এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে শিল্পখাতে উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগের অংশ হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয় নিয়মিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার’, ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’, ‘সিআইপি (শিল্প) কার্ড’, ‘প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রভৃতি পুরস্কার দিয়ে আসছে।

    শিল্পমন্ত্রী বলেন, “এ ধরনের স্বীকৃতি শিল্প উদ্যোক্তাদের নিজ নিজ কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করবে। এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে নবীন শিল্প উদ্যোক্তারাও নিজেদের পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন এবং বিশ্বমানের শিল্প স্থাপনে উজ্জীবিত হবেন। ফলে দেশে গুণগত মানসম্পন্ন শিল্পায়নের ধারা বেগবান হবে।”

    তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম শর্ত। বিগত ১৫ বছরে এটি বহাল ছিল বলে শিল্পায়ন বেগবানসহ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে। বাংলাদেশ নিজেই একটি বড় বাজার। অভ্যন্তরীণ বাজারসহ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা বাড়াতে আমাদের গুণগতমানের পণ্য উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে।”

    এ সময় বিশ্বমানের গুণগত পণ্য উৎপাদনে শিল্পোদ্যোক্তাদের সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

    নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ৩১টি পণ্যকে জিআই সনদ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ১০ বছর মেয়াদি ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, “আধুনিক ও যুগোপযোগী শিল্প কারখানা স্থাপনসহ শিল্পায়নের ধারাকে বেগবান করতে ‘জাতীয় শিল্পনীতি-২০২২’ ও ‘এসএমই নীতিমালা-২০১৯’ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় শ্রমঘন শিল্পায়নে মনোনিবেশসহ শিল্পখাতে গতিশীলতা অব্যাহত রাখতে শিল্প মন্ত্রণালয় নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন, পুরাতন কারখানার আধুনিকায়ন এবং যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপনের কাজ করছে। শিল্পখাতে উন্নয়নের চলমান অভিযাত্রা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ের আগেই শিল্প সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।”

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেন, “কৃষি উৎপাদনে ঈর্ষণীয় সাফল্য থাকা সত্ত্বেও আমরা কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও রপ্তানিতে অনেকটা পিছিয়ে আছি। প্রক্রিয়াজাতকরণের কম সুযোগ ও সংরক্ষণাগারের অভাবে আমাদের উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলের প্রায় ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, ভোক্তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হন।”

    শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ০৬ (ছয়) ক্যাটাগরির মোট ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোক্তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৬টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৩টি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৪টি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৩টি, কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৩টি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে ০১টি।

    বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে সম্মিলিতভাবে প্রথম হয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে- ইকোটেক্স লি., প্রাণ ডেইরি লি. ও মীর আক্তার হোসেন লি.। দ্বিতীয় হয়েছে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি., যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে স্নোটেক্স আউটারওয়্যার লি. ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লি.।

    মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাক লি., দ্বিতীয় হয়েছে বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লি. এবং তৃতীয় হয়েছে এপিএস অ্যাপারেলস লি.।

    ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে দ্য রিলায়েবল বিল্ডার্স ও কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লি., দ্বিতীয় হয়েছে রংপুর ফাউন্ড্রি লি. এবং তৃতীয় হয়েছে গুনজে ইউনাইটেড লি.।

    মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ফারিহা গ্রিন মুড লেদারস লি., দ্বিতীয় হয়েছে এ.বি.এম ওয়াটার কোম্পানি এবং তৃতীয় হয়েছে ডিপলেড ল্যাবরেটরিজ লি.।

    কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ব্লু-স্টার এগ্রো প্রোডাক্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, দ্বিতীয় হয়েছে প্রীতি বিউটি পার্লার এবং তৃতীয় হয়েছে লেহাজ সালমা যুব মহিলা কল্যাণ সংস্থা।

    হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে বিজ সল্যুশনস লি.।

    জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, প্রণোদনা সৃষ্টি, সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রত্যয় হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী ২০১৩’ অনুযায়ী ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ দেওয়া শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এই বছর সপ্তমবারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২১’ দেওয়া হয়েছে।

  • শহর অঞ্চলের যে নদী সেগুলো ক্ষমতাসীনরা দখল করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    শহর অঞ্চলের যে নদী সেগুলো ক্ষমতাসীনরা দখল করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: শহর অঞ্চলের যে নদী সেগুলো ক্ষমতাসীনরা দখল করেছে, বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলায় যে নদীর পাড়ে খেলা করতাম, সেই নদী আর এখন নেই, বালুচরও নেই। কারণ নদী শুকিয়ে গেছে। আর এর পেছনের কারণ হচ্ছে নদীতে বিভিন্ন রাবার ড্যাম তৈরি হয়েছে, তাই নদীর উজানে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এটি সারা দেশের চিত্র। আর শহর অঞ্চলের যে নদী সেগুলো ক্ষমতাসীনরা দখল করেছে। এখন নদী শুকানোর পাশাপাশি আবার সরু হয়ে যাচ্ছে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নোঙর ট্রাস্ট আয়োজিত ‘২৩ মে, জাতীয় নদী দিবস ঘোষণার দাবিতে’ ঢাকা নদী সম্মেলন প্রস্তুতি সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের মানুষ এখন উন্নয়ন মানেই বোঝে রাস্তা, ব্রিজ ও বিল্ডিং বানানো। এটাকেই মানুষ উন্নয়ন মনে করে। এই উন্নয়নের সঙ্গে আমি দ্বিমত পোষণ করি। রাস্তা বানাতে গিয়ে যেটা হচ্ছে খাল-বিল-নদী-নালার ওপরে ব্রিজ বানানো হচ্ছে, কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে। আমরা যদি শুরু থেকে নদীর নাব্যতা রক্ষা করে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতাম তাহলে কিন্তু আজকে নদীর এই অবস্থা দাঁড়াতো না।”

    নগরায়নের প্রভাব পরিবেশে পড়েছে জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, “গত ৫০ বছরে পৃথিবীতে মানুষ ৩০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় তিনগুণের কাছাকাছি। মানুষ বাড়ছে, আগে মানুষ দুই এক বালতি পানি দিয়ে গোসল করত। কিন্তু এখন সেটা করে না। এখন আবার অনেকে বাথটাব ব্যবহার করে। তাই মানুষ বাড়ার কারণে পানির ব্যবহার বেড়েছে। আবার ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের কারণে, নগরায়নের কারণে পানির ব্যবহার বাড়ছে। এগুলোর একটা ইফেক্ট পরিবেশের ওপর, নদীর ওপরে পড়েছে। আবার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার, সারফেস ওয়াটার এবং নদীর ওপর প্রভাব পড়েছে। কিন্তু সেটাকে প্রোপারলি ম্যানেজ করার জন্য সবাইকে সমন্বয় করে যে রিজিওনাল কো-অপারেশন দরকার ছিল, সেটা নাই।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি মনে করি সবার জন্য নদীর পানির ন্যায্যতা নিশ্চিত করার জন্য অর্থাৎ নদীর অববাহিকায় যারা বসবাস করে সবার জন্য সুষমভাবে পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা দরকার। আমাদের যৌথ নদী কমিশন আছে, কিন্তু আমি মনে করি এটাকে আরও ইফেক্টিভ করা দরকার। আমাদের একটি আঞ্চলিক সহযোগিতার ফোরাম গঠন করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। কারণ নদীর উৎপত্তি নেপালে, তারপর ভারতের ওপর দিয়ে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে সাগরে গিয়ে মিশে। এখানে কয়েকটি দেশ জড়িত। অতএব সবাই মিলে যদি আমরা একটা আঞ্চলিক ব্যবস্থাপনা দাঁড় করাতে পারি তাহলে সবার জন্যই এটি সুবিধা হবে।”

    ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আওলাদ হোসেন বলেন, “এক সময় এই ঢাকার মধ্যেই অনেক পালতোলা নৌকা চলাচল করত। এক সময় ঢাকা গড়েই উঠেছিল নদীকে কেন্দ্র করেই। নদী পথে পণ্য পরিবহন করা যায় কম খরচে। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আমাদের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় নদীকে রক্ষা করতে হবে।”

    নোঙর ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সুমন শামসের সভাপতিত্বে দৈনিক সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খান ও সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

  • আনারের মৃতদেহ উদ্ধারে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আনারের মৃতদেহ উদ্ধারে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: আনারের মৃতদেহ উদ্ধারে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, “আমরা মৃতদেহটা এখন উদ্ধার করতে পারিনি। আপনারা যা শুনেছেন, আমরা সেগুলোই শুনেছি। যে পর্যন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করতে না পারব, সে পর্যন্ত অফিসিয়ালি আপনাদের কিছু বলতে পারছি না। এ বিষয়ে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। আনোয়ারুল আজীম আমাদের ঝিনাইদহ-৪ আসনের তিনবারের এমপি, ওই বর্ডার এলাকাটা সন্ত্রাস কবলিত। সে এলাকারই তিনি এমপি। কী কারণে হত্যাকাণ্ড হয়েছে সে বিষয়ে আমরা সুনিশ্চিত না হয়ে কিছুই বলা ঠিক হবে না। আমরা আগে সুনিশ্চিত হই, তারপর আপনাদের বিস্তারিত জানাব।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এখন পর্যন্ত নতুন কিছু আমাদের কাছে আসেনি। আমাদের পুলিশ, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা, ভারতের পুলিশ এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা মিলে আমরা কাজ করছি; যাতে আরও কিছু তথ্য বেরিয়ে আসে। আমরা সুনিশ্চিত হয়েছি তাকে হত্যা করা হয়েছে। যারা হত্যা করেছে, তাদের মুখ থেকে আমরা এগুলো শুনেছি। তবে, মৃতদেহ এখনো উদ্ধার করতে পারেনি। আমরা মৃতদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করা যাচ্ছি।”

    তিনি আরও বলেন, “তদন্তের খাতিরে আমরা আপনাদেরকে বলেছিলাম, তদন্তটা মোটামুটি গুছিয়ে এনে আপনাদেরকে জানাব। আমরা এখন নতুন কিছু আপডেট এই মুহূর্তে দিতে পারছি। এই মুহূর্তে আর কোনও সংবাদ আমরা পাইনি। এটুকু বলতে পারি, প্রায় আমরা চিহ্নিত করেছি।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  “একজন মাননীয় সংসদ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে এ বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বিষয়টি। আশা করছি খুব অল্প সময়ে আমরা আপনাদের কিছু জানাতে পারব।”