Category: বাংলাদেশ

  • বিরোধী দল কারা হবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে: আইনমন্ত্রী

    বিরোধী দল কারা হবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে: আইনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: বিরোধী দল কারা হবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে, বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় আপনাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার হওয়ার জন্য। বুধবার শপথ নেওয়ার পর স্বতন্ত্রদের অবস্থান কী হবে, তারা নিশ্চয়ই জানাবেন। তাদের অবস্থান ঘোষণা হওয়ার পরই বিরোধী দল কারা হবে, তা বুঝতে পারবেন।

    আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

    আইনমন্ত্রী বলেন, “সংসদ সদস্যরা বুধবার শপথ নেবেন। আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংসদ নেতা ও পার্লামেন্টারি পার্টির নেতা হিসেবে নির্বাচিত করার পর রাষ্ট্রপতি তাকে নতুন সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। তারপর নতুন সরকার গঠন হয়ে যাবে। নতুন সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত গঠিত না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বর্তমান সরকার দায়িত্ব পালন করবে।”

    আনিসুল হক বলেন, “সরকার গঠনের জন্য কোনো সময়সীমা নেই। কিন্তু রীতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পাঁচ-সাতদিনের মধ্যে নতুন সরকার ঘোষিত হয় ও শপথ নেয়। আমার মনে হয় এবারো তাই হবে।”

    তিনি বলেন, “কেন হতে পারবে না। স্বতন্ত্ররা যদি মনে করেন, তারা সরকারের সঙ্গে না থেকে নিজেরা একটা মোর্চা করবেন, অবশ্যই তারা সেটা করতে পারবেন। তখন বিরোধী দল হিসেবে কাকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, তা জানা যাবে। কিন্তু, আমার মনে হয় বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন প্রয়োজন। স্বতন্ত্রদের যথেষ্ট আসন আছে। ৬২টি আসনে তারা জয়ী হয়েছেন।”

    আনিসুল হক আরও বলেন, “যারা স্বতন্ত্র নির্বাচিত হয়েছেন, তারা আওয়ামী লীগ হিসেবে নির্বাচিত হননি, তাদের প্রতীক ছিল ভিন্ন। নৌকা মার্কায় কেবল আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। কাজেই স্বতন্ত্ররা আওয়ামী লীগার, এটি মুখের কথা হতে পারে, কিন্তু আইনের কথা বা বাস্তবতার কথা তা নয়। তারা যদি মনে করেন একটি মোর্চা করেন, তখন বিরোধী দল কারা হবে, তখন নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

  • বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানালেন

    বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানালেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ৭ জানুয়ারি (রবিবার)। উক্ত নির্বাচনে টানা চতুর্থবার নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের ২০ জন রাষ্ট্রদূত।

    আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়,  গণভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, আর্জেন্টিনা,  ইন্দোনেশিয়া, রিপাবলিক অব কোরিয়া, ব্রুনেই দারুসসালাম, মালয়েশিয়া, মিশর, আলজেরিয়া, কুয়েত, লিবিয়া, ইরান, ইরাক, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতরা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে স্ব স্ব দেশের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান তারা।

    এ সময় রাষ্ট্রদূতরা তাদের দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের অভিনন্দন বার্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পৌঁছে দেন।

    তারা পারস্পরিক স্বার্থ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূতরা। বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ নিজ দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

    গণভবনে আগত রাষ্ট্রদূতদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে অব্যাহতভাবে সহযোগিতা করার জন্য এসব বন্ধু দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

  • মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য: শেখ হাসিনা

    মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য: শেখ হাসিনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ জানুয়ারি, ২০২৪: মানু্ষের ভাটাধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনে বলেন, “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন, এই বিজয় জনগণের বিজয়।

    আজ সোমবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে গণভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আটবার নির্বাচন করেছি।, এবার আবার। এবার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষ উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। বাবা যে আদর্শ নিয়ে কাজ করেছেন, আমাকে সেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। আমার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছোট বোন শেখ রেহানা আর আমি বেঁচে যাই। ছয় বছর আমরা রিফিউজি ছিলাম। খুব কষ্টকর জীবন। ১৯৮১ সালে দেশের মানুষ আমাকে দেশে আনে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মিলিটারি ডিক্টেটররা আমার দলকে রাজনীতি করতে দেয়নি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে তাদের ক্ষমতায় বসায়। ওই অবস্থায় আমি দেশে ফিরি। আমার লক্ষ্য ছিল, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। আমার চলার পথ সহজ ছিল না। মৃত্যুকে বারবার কাছ থেকে দেখেছি। বাবার আদর্শ নিয়ে কাজ করছি। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। ২১ বছর পর সরকার গঠন করে মানুষের জন্য কাজ শুরু করি।”

    তিনি বলেন, “একটি দল নির্বাচন বর্জন করেছে। মিলিটারি ডিক্টেটর থেকে যে দল সৃষ্টি তারা নির্বাচন ভয় পায়, কারণ তাদের জনসমর্থন থাকে না।”

    বিদেশি বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের বাংলাদেশে আসার জন্য তিনি নিজের, পরিবার ও দেশের মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “আপনারা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন, আমাদের দেশের কথা বলবেন। আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর।”

    এসময় দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, সাংবাদিক, বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে পুতুলসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • সংসদ নির্বাচনে ২২৩ আসনে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ

    সংসদ নির্বাচনে ২২৩ আসনে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ জানুয়ারি, ২০২৪: গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে ২২৩ আসনে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ফলে এ নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। পাশাপাশি ৬২ আসনে বিজয়ী হয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। জাতীয় পার্টি পেয়েছে ১১টি আসন।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও ২৩ দলকে খালি হাতে ফিরতে হলো। আসন পেয়েছে মাত্র পাঁচটি দল। হাঁকডাক করে তৃণমূল বিএনপির সোনালী আঁশ প্রতীকের ১৩৫ জন প্রার্থী থাকলেও সবারই শোচনীয় পরাজয় হয়েছে।

    গতকাল রবিবার (৭ জানুয়ারি) দিনভর ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ হয়। এরমধ্যে ময়মনসিংহ-৩ আসনে ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলে ২৯৮টি আসনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে। এতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের বিপুল জয় দেখা গেছে।

    ইসি সচিব মো. আলমগীর আলম রবিবার দিবাগত রাত ৩টার পর আর ফলাফল ঘোষণা করেননি। তবে ফলাফলের সার্বিক চিত্র বের করতে নির্ঘুম রাত কাটান অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    এতে দেখা গেছে, তৃতীয় সর্বোচ্চ জাতীয় পার্টি ১১টি আসনে জয়ী হয়েছে। জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টিসহ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিকরা এবার জিতেছেন মাত্র দুটি আসনে। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবার বরিশাল-২ আসন থেকে ও জাসদের রেজাউল করিম তানসেন বগুড়া-৪ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।

    হেরেছেন টানা ৩৭ বছরের সংসদ সদস্য জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশার মতো নেতা। এছাড়া লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে হেরেছেন জাসদ নেতা মোশাররফ হোসেন।

    নির্বাচনে আসন জয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিক থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও দলগতভাবে বিজয়ী আওয়ামী লীগের পরে আছে জাতীয় পার্টি, সেক্ষেত্রে এবারও সংসদের বিরোধীদলের ভূমিকা নিতে যাচ্ছে তারা।

    নির্বাচনে মোট এক হাজার ৯৬৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে ২৮টি রাজনৈতিক দল এক হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী দিয়েছে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৩৭ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ঈগল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৮০ জন, আর ট্রাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৩৩ জন, যাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতা।

    নির্বাচনে ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, গণফোরাম, গণফ্রন্ট, জাকের পার্টি, জাতীয় পার্টি, জাতীয় পার্টি-জেপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, তৃণমূল বিএনপি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম.এল) ও গণতন্ত্রী পার্টি; এই ২৮টি দল প্রার্থী দেয়।

    অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের। তাদের প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২৬৫। জাতীয় পাটির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন ২৬৪ জন। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের ১২২ জন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের ৯৬ জন ও বাংলাদেশ জাতীয়বাদী আন্দোলনের (বিএনএম) নোঙ্গর প্রতীকের ৫৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, তৃণমূল বিএনপি, বিএনএমসহ ২৩ দলের কোনো প্রার্থী জয়ী হতে পারেননি। তবে বিএনপি থেকে ছেড়ে এসে জয়ী হয়েছেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহজাহান ওমর। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকের পার্টির আবু বকর সিদ্দিক পেয়েছেন ১ হাজার ৬২৪ ভোট।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অন্যান্য তথ্য: মোট আসন-২৯৯, দল-২৮, মোট প্রার্থী-১,৯৭০, স্বতন্ত্র প্রার্থী-৪৩৬, মোট কেন্দ্র-৪২,১০৩, মোট ভোটার-১১,৯৬,৯১,৬৩৩, পুরুষ ভোটার-৬,০৭,৭১,৫৭৯, নারী ভোটার-৫,৮৯,১৯,২০২, তৃতীয়-লিঙ্গের ভোটার-৮৫২ জন।

  • নির্বাচন নিয়ে ৭ দেশের পর্যবেক্ষকদের ইতিবাচক মতামত

    নির্বাচন নিয়ে ৭ দেশের পর্যবেক্ষকদের ইতিবাচক মতামত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ জানুয়ারি, ২০২৪: গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন ৭ দেশের প্রতিনিধি দল। তাপর আজ তারা এই নির্বাচনর বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দিয়ে জানিয়েছেন, ভোটারদের ভয়ভীতির কোনো হুমকি দেখতে পাননি তারা এবং এটা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য ভালো ইঙ্গিত।

    আজ সোমবার (০৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ৭ দেশের পর্যবেক্ষকরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সাতটি দেশের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সাবেক কংগ্রেসম্যান এবং সাংবাদিকদের একটি প্রতিনিধিদল।

    সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইট হাউস ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও চিফ অফ স্টাফের সাবেক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং আমেরিকান গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিসের সিইও আলেকজান্ডার বার্টন গ্রে বলেন, “৭ জানুয়ারি নির্বাচনে আমরা তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় মোট ২০টি ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছি।”

    তিনি বলেন, “আমরা ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে এসেছি এবং গতকাল পর্যন্ত আমরা দেখেছি বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকারের ব্যাপারে খুবই আন্তরিক যা বিশ্বের অন্য দেশে খুব কমই পাওয়া যায়। বিশ্বের অনেক দেশ আছে যারা ভোট না দেওয়ার জন্য জরিমানা আরোপ করে এবং অনেক দেশ ভোটকে উৎসাহিত করার জন্য অতিরিক্ত নাগরিক সুবিধা দেয়। কিন্তু বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার আগ্রহ ও উৎসাহ রয়েছে যা আমরা খুবই উৎসাহব্যঞ্জক বলে মনে করি।”

    আলেকজান্ডার বার্টন গ্রে বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি যে গতকাল সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় শেষ হয়েছে। আমরা যা দেখেছি তা হলো, বাংলাদেশের ভোট প্রক্রিয়া বিশ্বের অনেক দেশের মতোই। কিছু রাজনৈতিক দল থেকে বিরত থাকা প্রচারণা এবং একটি বড় রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ না করা নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে বলে মনে হয়। সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিলে পরিবেশ আরও সুন্দর ও আনন্দময় হতো।”

    আমরা যেসব কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছি সেখানে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে আমরা দেখতে পেয়েছি, ভোট দেওয়ার পথে তাদের কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী বা দল দ্বারা ভোটারদের ভয়ভীতির কোনো হুমকি দেখা যায়নি। এটা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য ভালো ইঙ্গিত দেয়। আমরা কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা শুনেছি। সরকারি প্রার্থী, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের মতো, যা অপ্রত্যাশিত। কিন্তু সার্বিক নির্বাচনী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে সেসব ঘটনা খুবই নগণ্য।

    সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এখানে উপস্থিত সব পর্যবেক্ষক একমত যে বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে পর্যবেক্ষকদল।

    সংবাদ সম্মেলনে সাবেক মার্কিন কংগ্রেসম্যান জিম বেটস, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য শাওকেট মুসেলমানে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ওএসসিইর সার্টিফাইড নির্বাচন পর্যবেক্ষক টেরি এল. ইজলি, ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামের কমিউনিকেশন ডিরেক্টর ক্রিস্টোফার জন ব্ল্যাকবার্ন।

    এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে আয়ারল্যান্ড, জার্মানি, নরওয়ে জাপানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচনে ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পড়েছে: সিইসি

    নির্বাচনে ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পড়েছে: সিইসি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ জানুয়ারি, ২০২৪: নির্বাচনে ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পড়েছে, বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, “রেজাল্টগুলো আসছে যদি মনে করেন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তাহলে ইউ আর মোস্ট ওয়েলকাম; ওটাকে চ্যালেঞ্জ করে আমাদের অসততা আপনারা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। এখন ফাইনাল যে পারসেন্টেজটা হচ্ছে ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ।”

    আজ সোমবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে এ কথা বলেন সিইসি।

    গতকাল রবিবার (৭ জানুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার ব্রিফিংয়ে সিইসি বলেছিলেন, নির্বাচনে ৪০ শতাংশেরে মতো ভোট পড়েছে। তবে এটা নিশ্চিত নয়, প্রকৃত হিসাব এখন বলা যাবে না। ভোটের হারের এই হিসাবে কিছুটা ব্যত্যয় হতে পারে, সব গণণার পর ভোটের হার বাড়তে পারে, বাড়তে নাও পারে। তার আগে বিকেল ৩টায় ইসি সচিব জানান, ভোট পড়েছে ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

    এক ঘণ্টায় ভোটের ব্যবধান বাড়লো কীভাবে- এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, বিকেল ৩টা না। সেটা ২টা পর্যন্ত রেজাল্ট ছিল।

    তিনি বলেন, “যখন আমি ২টার সময় বলি তখন কোনোভাবেই এটা সঠিক পুরোপুরি সঠিক হওয়ার কথা নয়। যখন ৪টার সময় বলি এটা কোনোভাবেই সঠিক হওয়ার কথা নয়। যখন রাতের ১০টায় বলি যদি সব চলে আসে। এখন যদি বলি সব চলে আসছে তাহলে দেখা যাবে। এখন যে রেজাল্টটা দাঁড়িয়েছে ৪১.৮ শতাংশ।”

    সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদল আমাদের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেছেন। তাদের মূল উদ্দেশ্য আমাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা, তারা ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন। একটা রিপোর্ট দেবেন। তাদের ভাষ্য তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট।”

    তিনি আরও বলেন, “তাদের একজন ১৫-১৬টা কেন্দ্রে গিয়েছেন। আরেকজন ৪-৫টা কেন্দ্রে গিয়েছেন। সব জায়গায় আমাদের যে পোলিংয়ের দায়িত্ব ছিলেন তাদের সুনাম করেছেন, সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে যে নির্বাচন হয়েছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তারা সুশৃঙ্খল দেখতে পেয়েছেন এবং জানান এই নির্বাচনটা বাংলাদেশের জন্য দৃষ্টান্তস্বরূপ।”

    সিইসি আরও বলেন, “বাংলাদেশের ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য যদি অধিকতর কোনো সহযোগিতা কামনা করি তাহলে তারা আমাদের সহযোগিতা করতেও রাজি, টেকনিক্যালি কোনো কিছু লাগলে সেটা আমরা বসে সিদ্ধান্ত নেবো। প্রয়োজন হলে আমরা তাদের সহযোগিতা নেবো। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে তারা উদারভাবে মন্তব্য করেছেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা করার যে প্রত্যাশা করেছেন এটা তাদের উদারতার বহিঃপ্রকাশ।”

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় শতভাগ আসনের ফলাফল ঘোষণা শেষে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এর মাধ্যমে দলটি টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে।

    রবিবার দিনগত রাত ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন থেকে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ২৯৮টি আসনের ফলাফলে আওয়ামী লীগ পেয়েছে ২২৩টি আসন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, যাদের প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। এ পর্যন্ত ৬১টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

  • শেখ হাসিনাকে চীন- ভারত-রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের অভিনন্দন

    শেখ হাসিনাকে চীন- ভারত-রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের অভিনন্দন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ জানুয়ারি, ২০২৪: গতকাল অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    একইসঙ্গে রাষ্ট্রদূত চীনা নেতাদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়েছেন।

    এছাড়াও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারত, রাশিয়া, ভুটান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, পাকিস্তান ও ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত এবং মরক্কোর রাষ্ট্রদূত ও ডিন অব দ্য ডিপ্লোমেটিক কোর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

    আজ সোমবার (৮ জানুয়ারি) গণভবনে এই সাক্ষাৎ হয়।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয়ী হওয়ায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্ব স্ব দেশের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান তারা। রাষ্ট্রদূতরা এসময় বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ নিজ দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৯৯টিতে। নওগাঁ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মারা যাওয়ায় ওই আসনে নির্বাচন আগেই স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর গতকাল রবিবার (৭ জানুয়ারি) ভোটগ্রহণের দিন ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনের একটি কেন্দ্রে অনিয়মের ঘটনায় আটকে দেওয়া হয়েছে ময়মনসিংহ-৩ পুরো আসনের ফল।

    নির্বাচনে ২৯৮টি আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলে নৌকা প্রতীকে ২২৪টি আসনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের এমপি প্রার্থীরা। ৬২টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। আর জাতীয় পার্টি জয় পেয়েছে ১১টি আসনে। অন্যান্য দল থেকে জয়ের মুখ দেখেছেন এক প্রার্থী।

    বিদেশি পর্যবেক্ষকদের কাছে নির্বাচনটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে।

  • বিরোধী দল করা তা বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত হবে: সেতুমন্ত্রী

    বিরোধী দল করা তা বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ জানুয়ারি, ২০২৪: বিরোধী দল করা তা বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “পদ্ধতিটা আমি কেন আপনাকে বলবো? এটা নতুন সরকার বসুক। সংশ্লিষ্ট যারা আছে তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন। বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত নেবেন।”

    আজ সোমবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে তেজগাঁও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ বিরোধী দল কারা প্রশ্ন করা হয় দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উক্ত মন্তব্য করেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনের রেজাল্ট অফিসিয়ালি ঘোষণা হওয়ার পর বিরোধী দল কারা? অলরেডি বিরোধী দল জাতীয় পার্টির অনেকেই জিতেছেন, চৌদ্দ দলেরও দুজনের মতো জিতেছে। এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তো দূরে নয়। যিনি হাউজ অব দ্যা লিডার হবেন তিনি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। নতুন প্রধানমন্ত্রী, নতুন লিডার অব দ্যা হাউজ পরিস্থিতি বাস্তবতা, করণীয়… অবশ্যই সিদ্ধান্ত নেবেন।”

    স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, “আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জনগণের প্রতিনিধি। তারা নির্বাচিত। এই নির্বাচিত সদস্য হিসেবেই সংসদে বসবেন, তাদের ভূমিকা পালন করবেন। এছাড়া অন্য কিছু এই মুহূর্তে ভাববার অবকাশ নেই।”

    তিন আরও বলেন, “২৯৯ আসনের মধ্যে ২২৩টি একা একটা রাজনৈতিক দল জিতেছে। সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী কত? অনেকেই মন্তব্য করেছিলেন, আওয়ামী লীগের চেয়ে স্বতন্ত্রই জিতবে বেশি। আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগই। ২২৩ জন রুলিং পার্টি থেকে জেতা এটা তো একটা পজিটিভ বাস্তবতা।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক সবাই নির্বাচন দেখেছেন, প্রত্যক্ষ করেছেন এবং আপনাদের বিবেক আছে। পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা আছে। নির্বাচনটা কেমন হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের তীব্র বিরোধিতা ও নির্বাচন বিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এর মধ্যেও কতটা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অবাধ হয়েছে সেটা আপনারা নিজেরাই প্রত্যক্ষ করেছেন। যা সত্য তা সব কিছুই আপনারা জানেন। আর যা কিছু মিথ্যাচার আপনারা দেখছেন। এখনো তার মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছেন। জনগণের রায়কে অস্বীকার করে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার হুমকি ধমকি দিচ্ছে। আমরা যে কোনো মূল্যে সব ধরনের সহিংসতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে, পরাজিত করতে বদ্ধ পরিকর।”

    বিএনপির আন্দোলন নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি কি বলেছে সেটার ওপর তো দেশ চলে না। বিএনপি যেটা বলেছে সে অনুযায়ী তাদের আন্দোলন করে সরকার হটানো, এটা তো তারা পারেনি করতে। এই নির্বাচনকে হতে দেওয়া যাবে না, এই কথাও তারা বলেছে। নির্বাচন শুধু হতে দেওয়া নয়, নির্বাচন হতে দেবে না, প্রতিহত করবে; সবই তো বলেছে। কোনটা সত্য হলো, বলুন?”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “যথারীতি ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ।”

    নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন দেশ ও সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে তাদের প্রতিনিধিরা আওয়ামী লীগ সভাপতিকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।

  • ভোটকেন্দ্রে কোনো ত্রুটি চোখে পড়েনি: বিদেশি পর্যবেক্ষক

    ভোটকেন্দ্রে কোনো ত্রুটি চোখে পড়েনি: বিদেশি পর্যবেক্ষক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ জানুয়ারি, ২০২৪: ভোটের পরিবেশে কোনো ত্রুটি চোখে পড়েনি, বলে জানিয়েছেন কিদেশি পর্যবেক্ষক দলের সদস্য ডেপুটি হেড অব মিশন ইউএস এসটিও টেরি এল. ইসলে। তিনি বলেন, “ভোটের পরিবেশ ভালো।মানুষ ভোট দিতে আসছে। সবকিছু ভালো মনে হয়েছে। আশা করছি, শতকরা ৫০ ভাগ ভোট পড়বে। আর সেই অর্থে আমরা যে কেন্দ্রগুলো পর্যবেক্ষণ করেছি, সেগুলোতে কোনো ক্রুটি চোখে পড়েনি।”

    আজ রবিবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর দারুস সালাম বাংলাদেশ কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ভোট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভোটের পরিস্থিতি এভাবে মূল্যায়ন করেন তিন বিদেশি পর্যবেক্ষক।

    পলিটিকাল এডিটর আয়ারল্যান্ড নিকোলাস হুপাওয়াল বলেন, “ভোটের পরিবেশ যতটা দেখেছি, শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ। রাজনৈতিক অফিসের তুলনায় পোলিং স্টেশনের সংখ্যা কম মনে হয়েছে। পোলিং স্টেশন মাত্র ৪ হাজার, যেটা খুব নগণ্য মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে আমার মনে হচ্ছে, সবকিছু শান্তিপূর্ণ।”

    অন্য এক পর্যবেক্ষক বলেন, “অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি মাইলস্টোন হবে। আমাদের ম্যান্ডেট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদে ভোট হচ্ছে কি না সেটা পর্যবেক্ষণ করা। আমরা যেটা দেখেছি সেটা ভালো লেগেছে। তবে এখনো সময় বাকি রয়েছে। আমরা দেখব।”

    নিকোলাস বলেন, “নারীরা ভোট দিচ্ছে। খুব বড় একটা সংখ্যা দেখেছি। নারীরা তাদের ভোট প্রয়োগ করছে।”

    জার্মান সমাজকর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ভলকার ইউ ফ্রেডরিক বলেন, “স্বচ্ছ নিয়ম মেনে ভোট হচ্ছে। ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখিনি। আমরা এখানে ভোট দেখতে এসে খুশি। আমরা আরও অনেক ভোট কেন্দ্র ঘুরে দেখার বিষয়ে উদগ্রীব। ভোটের ফলাফল নিয়েও আমাদের আগ্রহ থাকবে।”

    এর আগে এ বিদেশি পর্যবেক্ষক দলটি বনানী বিদ্যানিকেতন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

  • শেখ হাসিনা সকালে ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন

    শেখ হাসিনা সকালে ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু করার পরই তিনি তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্র ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট ও কলাবাগান থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১০ আসনের অন্তর্গত।

    আজ রবিবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছান শেখ হাসিনা। এ সময় বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ঢাকা-১০ আসনের নৌকার প্রার্থী নায়ক ফেরদৌস আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    ভোট দেওয়া পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনা বলেন, “নির্বাচন আমরা সুষ্ঠুভাবে করতে পারছি এজন্য আমি আমার দেশের মানুষের প্রতি, জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। অনেক বাধা-বিপত্তি ছিল, কিন্তু দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকারের বিষয় সচেতন হয়েছে। পাঁচ বছর পর নির্বাচন আসে জনগণ ভোট দেবে, সে নির্বাচনের ভোট দেওয়ার পরিবেশ আমরা তৈরি করতে পেরেছি । যদিও এখানে বিএনপি-জামায়াত জোট জ্বালাও-পোড়াও অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “ট্রেনে আগুন দেওয়ার থেকে শুরু করে মানুষ পুড়িয়ে মারা, বোমা হামলা, ককটেল মারা, এসব জঘন্য কাজগুলো তারা (বিএনপি-জামায়াত) করেছে। বিএনপি গণতন্ত্রের বিশ্বাস করে না। দেশপ্রেম নাই, মানুষের কল্যাণও চায় না। তারা গণতন্ত্রের ভালো চায় না। ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে বলেই উন্নতি হয়েছে। আমাদের সামনে আরো কাজ আছে, আমরা সম্পন্ন করতে চাই।”

    তিনি বলেন, “আশা করি নৌকা মার্কা জয় লাভ হবে। আবার আমরা জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে, আমরা যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি তা বাস্তবায়ন করতে পারব। জনগণের ওপর আমার এ বিশ্বাস আছে।”

    আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, “আমি আবারও বলবো, আজকে সুষ্ঠুভাবে ভোটকেন্দ্রে আসবেন, আপনার ভোটটা অনেক মূল্যবান। এ ভোটের অধিকারের জন্য অনেক সংগ্রাম করেছি। জেল, জুলুম, অত্যাচার, গ্রেনেড, অনেক কিছু আমাকে মোকাবিলা করতে হয়েছে। আজকে ভোটের অধিকার মানুষের হাতে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি, আজকে সেই ভোটের অধিকার পেয়েছে। সেটা তারা সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করতে পারবে। নির্বাচনটা অবাধ নিরপেক্ষ হবে। জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দিক, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে হয় তার জন্য আমরা জনগণের সব ধরনের সহযোগিতা চাই।”

    বিএনপি একটা সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “তারা (বিএনপি) নির্বাচনে বিশ্বাস করে না। কাজেই এরা তো ভোট কারচুপি আর মানুষের ভোট কেড়ে নেওয়া; এটাই তাদের চরিত্র। ২০০৮ সালে নির্বাচনে ৩০০ সিটের মধ্যে মাত্র ৩০ সিট পেয়েছিল বিএনপি, আর আওয়ামী লীগ এককভাবে পেয়েছিল ২৩৩ সিট। এরপর থেকে বিএনপি নির্বাচনের বিরুদ্ধে। মানুষের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা; এটাই তাদের চরিত্র।”

    তিনি বলেন, “তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে চায়, তারা মানুষ হত্যা করে, গাড়িতে আগুন দিয়ে, বাসে আগুন দিয়ে, তারা ভোট কেন্দ্র পুড়িয়ে, তারা মনে করে ওটাই তাদের রাজনীতি। এটা করার কারণে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আজকের যে ভোটের পরিবেশ সুন্দরভাবে হয়েছে, আমি আশা করি, দেশে সব মানুষ তারা ভোট দিতে আসবেন, ভোট দেবেন। আপনার অধিকার আপনি প্রতিষ্ঠিত করবেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখবেন। বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এগিয়ে নেবেন, এটাই আমি চাই।”