শোকের মাসের প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা

শোকের মাসের প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা - বাংলাদেশ - ০১ আগস্ট ২০২৩
শোকের মাসের প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা - বাংলাদেশ - ০১ আগস্ট ২০২৩

www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০১ আগস্ট ২০২৩: আজ শোকের মাস আগস্টের শুরু। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে এক কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছিল। সেই কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিণী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর বোন শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় বেঁচে যান।

এই শোকের মাসের প্রথম প্রহরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে আলোর মিছিল ও মোমবাতি প্রজ্বলন করেছে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সোমবার (৩১ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ১মিনিটে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমানের নেতৃত্বে আলোর মিছিল বের করা হয়। স্বেচ্ছাসেবক লীগের হাজারো নেতাকর্মী হাতে মোমবাতি নিয়ে জড়ো হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ৩২ নাম্বারের বাড়িটির সামনে। সেখানে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সংগঠনের নেতারা। পরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।

এ সময় ঢাকা মহনগর দক্ষিণ সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন, সাধারণ সম্পাদক তারিক সাইদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে শোকের মাসের প্রথম প্রহরে সারাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব স্মরণে আলোক প্রজ্জ্বালন করেছে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপিত সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হলের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার শীর্ষ নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৭৫-এর ১৫ আগস্ট নরপিশাচ রুপি খুনিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি – বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি আইন জারি করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্ককের বোঝা বহন করতে বাধ্য হয়।

১৯৯৬ সালে জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে ২১ বছরের কলঙ্ক মুছে বিচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিয়মতান্ত্রিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১০ সালে ঘাতকদের কয়েকজনের ফাঁসির রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সূত্র : বাসস

পূর্ববর্তী শোকের মাস আগস্টে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপী কর্মসূচি
পরবর্তী শিল্পকলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত