www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ এপ্রিল, ২০২৪: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এসইজেড) কাতারের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন ।
রাষ্ট্রপ্রধান খাদ্য সরবরাহের চেইনগুলো-উৎপাদন থেকে ব্যবহার পর্যন্ত-কৃষি-উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ, খাদ্য প্যাকেজিং, স্মার্ট এগ্রিকালচার, সার উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে ও বিনিয়োগকে স্বাগত জানাবে বাংলাদেশ।
ঢাকায় সফররত কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির সাথে আজ মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গভবনে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি বৈঠকে বলেছেন, আমিরের সফর এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত ১০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও সম্প্রসারিত করবে।
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগের জন্য ১০০ অর্থনৈতিক বিশেষ অঞ্চল স্থাপন করেছে। কাতারের বিনিয়োগকারীরা পেট্রো-কেমিকেল, জ্বালানি, মেশিনারিজ, তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স, সিরামিক, কৃষি-ব্যবসা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের মতো কিছু ক্ষেত্রে প্রণোদনা পেতে এবং সহায়তা করতে পারে।”
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন প্রায় ৩.৭৫ লাখ বাংলাদেশিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার জন্য কাতার সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “এই জনবল কাতার এবং বাংলাদেশ উভয় দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রতিনিয়তই অবদান রাখছেন।”
কাতারের আমিরকে আরও তরুণ, দক্ষ ও আধা দক্ষ জনশক্তি, আইটি বিশেষজ্ঞ, পেশাদার প্রযুক্তিবিদ নিয়োগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, “বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উভয়পক্ষকে আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
রাষ্ট্রপিতি বাংলাদেশকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) দেওয়ার জন্য কাতার সরকারকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে কাতারকে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি চলমান ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে আলোচনার সুবিধার্থে কাতারের (মিশর ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে) প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
এদিকে কাতারের আমির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর দুই দিনের সফর শেষে ঢাকা ছেড়েছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। আজ বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিশেষ ফ্লাইটযোগে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।










