স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারির উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী

স্কুলে ভর্তির লটারির উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী - জাতীয় - ২৮ নভেম্বর ২০২৩
স্কুলে ভর্তির লটারির উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী - জাতীয় - ২৮ নভেম্বর ২০২৩

www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ নভেম্বর, ২০২৩: দেশের সব সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ডিজিটাল লটারি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। দ্বৈবচয়ন পদ্ধতিতে লটারির মাধ্যমে কে, কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে, তা নির্ধারণ করে আজ, মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর ২টায় ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনায় এ লটারির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

লটারির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল ইসলাম চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান। সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘বই উৎসব নিয়ে এখন আমাদের ভাবতে হচ্ছে। যেহেতু ৭ জানুয়ারি নির্বাচন। নির্বাচনের পরের সময়টা আসলে কেমন থাকবে, সেটাও আমাদের একটু বিবেচনায় নিতে হবে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হয়। সে কারণে এবার বই উৎসবটা ঠিক ১ তারিখে করবো নাকি নির্বাচনের পরে ১০ থেকে ১১ তারিখ করবো, সেটা নিয়ে একটু সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি। সার্বিক অবস্থাটা বিবেচনায় নিয়ে খুব শিগগির সেটা জানাতে পারবো।’

তিনি বলেন, ‘আজকে যে লটারিটা হচ্ছে, সেটাও আরও পরে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা নভেম্বরের মধ্যেই এটা শেষ করছি আজকে। আবার বার্ষিক পরীক্ষা, বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়নও এগিয়ে এনে দ্রুত শেষ করছি। নির্বাচনের আগের যে পরিবেশ-পরিস্থিতি সেটা আমাদের অবশ্যই মাথায় নিতে হবে, বিবেচনা করতে হবে।’

এ সময় জানানো হয়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মধ্যে ফল জানতে পারবেন। ওয়েবসাইটে httpsgsa.teletalk.com.bd-এ প্রবেশ করে এই ফলাফল দেখা যাবে।

এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে GSA লিখে স্পেস দিয়ে Result লিখে স্পেস দিয়ে User ID লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। ফিরতি এসএমএসে শিক্ষার্থী জেনে যাবে, সে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ২৪ অক্টোবর আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রথমে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কেন্দ্রীয় লটারির অধীনে রয়েছে সরকারি-বেসরকারি ৩ হাজার ৮৪৬ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়গুলোতে শূন্য আসন ১১ লাখ ২২ হাজার ৯৪টি। বিপরীতে ভর্তির জন্য আবেদন জমা পড়ে ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৭৯২টি।

দেশের ৬৫৮টি সরকারি বিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা ১ লাখ ১৮ হাজার ১০১টি। এর বিপরীতে আবেদন করেছে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১৩ জন শিক্ষার্থী। প্রতি আসনে ৫ জন করে শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

অন্যদিকে, তিন হাজার ১৮৮টি বেসরকারি বিদ্যালয়ে শূন্য আসন ১০ লাখ তিন হাজার ৯৯৩টি। এর বিপরীতে আবেদন করেছে তিন লাখ ১০ হাজার ৭৭৯ জন।

পূর্ববর্তী বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা দেশেই করা হচ্ছে: স্পিকার
পরবর্তী সমঝোতা হলে জোটকে কিছু আসন ছেড়ে দেওয়া হবে: সেতুমন্ত্রী