www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মিয়ানমার বর্ডার এলাকার শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করা হবে, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন, “মিয়ানমারের বর্ডার এলাকার সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ চলছে। সংঘর্ষের কারণে সেখানে কোনো শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে আমরা তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে পারবো। চট্টগ্রাম বোর্ড তাদের জন্য সে ব্যবস্থা নেবে।”
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর দিন বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আজ সারাদেশে এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৈশ্বিক অতিমারি কোভিড-১৯ এর কারণে গত ৩ বছর যথাসময়ে এবং পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এ বছরের পরীক্ষা পূর্ণ সিলেবাস, পূর্ণ নম্বর এবং পূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে “
তিনি আরও বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সবার জন্যই গৃহীত ব্যবস্থাগুলো অত্যন্ত সন্তোষজনক। সম্পূর্ণ নকলমুক্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে এবারের পরীক্ষা সফলভাবে অনুষ্ঠানে আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “অনেক সময় দেখা যায় উচ্চশব্দে মাইক বাজিয়ে শুধু গানের অনুষ্ঠানই নয়, ধর্মীয় অনুষ্ঠানও করা হচ্ছে। অনেক সময় সারারাত মাইক বাজিয়ে অনুষ্ঠান হয়। এসএসসি পরীক্ষার সময় এ ধরনের অনুষ্ঠান অমানবিক। অন্য যে কোনো সময়ও সারারাত মাইক বাজানো উচিত নয়। রাতভর মাইক বাজানো রোগী ও পরীক্ষার্থী সবার জন্যই খুব অসুবিধার।”
তিনি বলেন, “আলেম-ওলামা এবং অন্য সব ধর্মের নেতাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ, এ সংস্কৃতি থেকে অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জীবনের অংশ। কিন্তু পরীক্ষার সময় একটি নির্দিষ্ট সময়ের পরে যেন তা না করা হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।”
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমদিনে বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষা চলাকালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
প্রতি বছরই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তবে নতুন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী পূর্বঘোষণা অনুযায়ী পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে যাননি। তিনি মনে করেন, পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনের কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর এক ধরনের হয়রানিমূলক পরিস্থিতি, মানসিক যন্ত্রণা ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।










