www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ জানুয়ারি, ২০২৪: আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পর শুরু হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আগামীকাল রবিবার (৭ জানুয়ারি) এই নির্বাচন উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এআইজিপি) এম খুরশীদ হোসেন ভোটের দিন যৌক্তিক কারণ ছাড়া কোথাও না যেতে আহ্বান জানানিয়েছেন দেশবাসীকে।
আজ শনিবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বিভিন্ন নির্বাচন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে মিরপুর-২ নম্বর এলাকায় মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এ আহ্বান জাননা তিনি।
এম খুরশীদ হোসেন বলেন, “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক এলাকার মানুষ অন্য এলাকায় গেলে তাকে নাশকতাকারী হিসেবে আমরা সনাক্ত করবো না। তবে জানতে চাইবো, আমরা তাকে ওয়াচ করবো। আপনি কেন এসেছেন, কি প্রয়োজন আপনার। আপনি অন্য কোনো কাজে ইনভলভ আছেন কিনা। যৌক্তিক কোনো কারণ ছাড়া কেউ কোথাও যাবেন না। নিজ নিজ এলাকায় থাকবেন।”
র্যাব ডিজি আরও বলেন, “নাশকতার ব্যাপারে আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল- এ ধরনের নাশকতা ঘটনা ঘটতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই ভোট যারা বয়কট করেছেন বিশেষ করে জামায়াত-বিএনপির কথা আমরা জানি। আমরা গতকাল তিনজনকে পিকআপ করেছি। তাদের কাছে পেট্রোল বোমা পাওয়া গেছে ২৮টি, ককটেল পাওয়া গেছে ৩০টি। তাদেরকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি।”
র্যাব মহাপরিচালক বলেন, “যেকোনো ঘটনা যখন ঘটে আমরা অবশ্যই তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে পারব না। কারণ, বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনের ঘটনা আন্ডার ইনভেস্টিগেশন। তথ্য পেলে আমরা অবশ্যই আপনাদের জানাবো। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে এমন কোনো থ্রেট বা হুমকি তৈরি হয়নি, এমন কোনো আশঙ্কা নেই যে মানুষ নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারবে না। শুধু র্যাব ফোর্সেস না সব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। এখন পর্যন্ত সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চমৎকার স্বাভাবিক। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারবেন।”
খুরশীদ আরও বলেন, “আমরা নির্বাচন উপলক্ষে তিনটি ফেজে কাজ করছি। নির্বাচনী পূর্ববর্তী অবস্থা আজকে থেকে শেষ। আগামীকাল হবে নির্বাচন। এই নির্বাচনে যারা ভোট দিতে আসবেন আমাদের কাজ তাদের নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে আসা নিশ্চিত করা। ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন সেটি নিশ্চিত করা। যারা নির্বাচনী কাজে সংশ্লিষ্ট এবং ভোটকেন্দ্র রয়েছে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”
নির্বাচন পরবর্তী পর্যায়ে যারা জয়ী হবেন বা পরাজিত হবেন তাদের মধ্যেও পরস্পর ঝামেলা হয়, সংঘর্ষ হয়। নির্বাচন পরবর্তী পর্যায়ে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে সেজন্য আমাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে। সুতরাং ভয় পাওয়ার বা আতঙ্কগ্রস্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
এক এলাকার মানুষ অন্য এলাকায় গেলে তাকে নাশকতাকারী হিসেবে আমরা সনাক্ত করবো না। তবে জানতে চাইবো, আমরা তাকে ওয়াচ করবো। আপনি কেন এসেছেন, কি প্রয়োজন আপনার। আপনি অন্য কোনো কাজে ইনভলভ আছেন কিনা। যৌক্তিক কোনো কারণ ছাড়া কেউ কোথাও যাবেন না। নিজ নিজ এলাকায় থাকবেন।










