শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের মূল সমস্যা হলো ভূমি: সেতুমন্ত্রী

The main problem of the peace treaty is Land Bridges Minister - National - 6 July 2024

www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ জুলাই, ২০২৪: শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের মূল সমস্যা হলো ভূমি, বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “কয়েকদিন আগে জনসংহতির সভাপতির প্রধান নেতা সন্তু লারমার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমি মিলিত হয়েছিলাম এক বৈঠকে। তাকে আমি বলেছি শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন সম্পন্ন হতে সময় লাগবে, কারণ মূল সমস্যা হলো ভূমি।”

আজ শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সাত দিনব্যাপী পাহাড়ি ফলমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর বেইলি রোডের শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রে এ ফলমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, “গত ১৬ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বদলে গেছে। যেদিকে যাই শুধু উন্নয়ন চোখে পড়ে।”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমাদের ফরেন ফলিসি হলো সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে শত্রুতা নয়। বঙ্গবন্ধুর এই পলিসি শেখ হাসিনা ফলো করেন। ৭১-এর পর থেকে ভারত আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু। ভারতীয় সৈন্যরা তখন আমাদের জন্য রক্ত দিয়েছে। তাদের জনগণ আমাদের আশ্রয় দিয়েছে। ওই দুঃসময়ের সাহায্য আমরা ভুলে যেতে পারি না।”

তিনি বলেন, “৭৫-এর পর থেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বৈরিতা রেখে ২১ বছর অন্যরা কী অর্জন করেছে? আমরা সীমান্ত সমস্যা সমাধান করেছি। ভালো সম্পর্ক আছে বলে, আরেকটা সমুদ্রসীমা ভারতের কাছ থেকে পেয়েছি। সম্পর্ক ভালো বলেই ছিটমহল সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছি। গঙ্গা পানির চুক্তিও করেছি। সম্পর্ক ভালো থাকলে আলাপ আলোচনা করে সব সমাধান করা যায়। আমরা কখনো খালি হাতে ফিরিনি। আগেও ফিরিনি, এখনো না।”

সেতুমন্ত্রী বলেন, “যারা বড় বড় কথা বলে, তারা দিল্লি থেকে এসে বলতো, আমরা গঙ্গা চুক্তির কথা ভুলেই গেছি। আমাদের উন্নয়নের জন্য যেখানে সুবিধা পাবো, আমরা সেটা কেন নেবো না? এখন কারো অন্তরে জ্বালা হচ্ছে।”

খালেদা জিয়ার মুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টা আইনের উপর নির্ভর করছে।”

এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এবং সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজহার খান উপস্থিত ছিলেন।

পাহাড়ি ফলমেলা ১২ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০ থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত একটানা সাত দিন চলবে। মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

পূর্ববর্তী আমরা সন্ত্রাসের নয়, শান্তির রাজনীতি করি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
পরবর্তী আগামীকে আলোকিত করতে পিজিআরকে কাজ করে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি