www.HelloBangla.News – আন্তর্জতিক – ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪: ইরানে বেশ কয়েক বছর ধরে চলছে অনাবৃষ্টি ও খরা। আর এই বৃষ্টি না হওয়ার কারণকে ইরান বলছে তাদের মেঘ চুরি করেছে তুরস্ক। বৃষ্টির প্রধান উপাদান হচ্ছে মেঘ। আর সেই মেঘ যদি চুরি হয় তাহলে বৃষ্টি হবে কোথাথেকে। এর আগে, ২০১৮ সালে জলবায়ুতে প্রভাব খাটিয়ে মেঘ ও তুষার চুরির জন্য ইসরায়েলকে দোষারোপ করেছিল ইরান।
ইরানের আকাশে মেঘের ছিটেফোঁটাও নেই, দেশজুড়ে চলছে খরা আর অনাবৃষ্টি। কিন্তু সীমান্তের ঠিক ওপারে তুরস্কের আকাশে মেঘের ঘনঘটা আর পর্বতশৃঙ্গ তুষার আবৃত। সীমান্ত লাগোয়া দুই দেশের মধ্যে জলবায়ুর ধরনে এত পার্থক্য কেন হবে তা নিয়ে ইরানিদের নাগরিকদের কেউ কেউ বলছেন, তুর্কিরা কোনো ভাবে ইরানের মেঘ আকাশ থেকে সরিয়ে নিজেদের অংশে নিয়ে যাচ্ছে!
মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র খরা ও কম বৃষ্টিপাতের কারণে দেশগুলো আকাশের মেঘ থেকে যত বেশি সম্ভব কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি নামানোর জন্য ক্লাউড সিডিংসহ বিকল্প সব ব্যবস্থা প্রয়োগ করে দেখছে। ইরান, তুরস্ক, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো আবহাওয়া পরিবর্তন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ কারণে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে পরিবেশগত শত্রুতার দুয়ার আরও উন্মোচিত হতে পারে ধারণা করা হচ্ছে।










