www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৩ আগস্ট, ২০২৩ : জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) হচ্ছে ক্রিকেট খেলোয়াড়দের শারীরিক দক্ষতার তথ্য প্রদানকারী একটি আধুনিক প্রযুক্তি। বিশ্বে অন্যান্য দেশে এই প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক আগে শুরু হলেও বাংলাদেশ সদ্য এই জিপিএস প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করলো। গতকাল শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দলের অনুশীলন সেশনে প্রথমবারের মতো জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
এই প্রযুক্তি থেকে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের সব ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে। একজন ক্রিকেটার অনুশীলনের সময় কতটা দৌঁড়াচ্ছেন, তার হৃদস্পন্দনের গতি কত ছিলো, কতটুকু হেঁটেছেন, সব তথ্য জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে ড্রেসিং রুমে থাকা ল্যাপটপে স্থানান্তরিত হবে।
ক্রিকেট অপারেশন্স কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সিস্টেমে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য ভিন্ন ‘অ্যাকাউন্ট’ থাকবে। এটির মাধ্যমে সকল কোচ এবং খেলোয়াড়রা খুব সহজেই সব তথ্য পেয়ে যাবে। একজন খেলোয়াড় ম্যাচ খেলার জন্য ফিট কিনা, সেটি তার নামের পাশে সবুজ-হলুদ বা লাল চিহ্ন দ্বারা বুঝা যাবে। সবুজ মানে ফিট, লাল মানে ফিট নয় এবং হলুদ মানে তার ফিটনেস নিয়ে সন্দেহ আছে।
শনিবার সকালে এশিয়া কাপের স্কোয়াড ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর দুপুরে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের মূল মাঠে ম্যাচ আবহে অনুশীলন শুরু করেন দলের ক্রিকেটাররা। অনুশীলন চলাকালে সেসময় দুই পেসার তাসকিন-হাসানের গায়ে দেখা যায় অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা ক্যাটাপল্ট কোম্পানির কালো রঙের জিপিএস ভেস্ট। অনুশীলন জার্সির ওপরে এটি পড়েছিলেন তারা, যা তাদের কাঁধ থেকে বুকের নিচ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। মাঠে একজন টেকনিশিয়ানও ছিলেন। তার কাজ ছিল জিপিএসের ব্যবহার বুঝিয়ে দেওয়া।
গত জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ডেভিড মুরকে হেড অব প্রোগ্রাম হিসেবে নিয়োগ দেয় বিসিবি। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটে জিপিএস চালু করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। তার পরামর্শ মেনে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের পূর্ণ চিত্র পেতে ও মানোন্নয়নের জন্য এবার এই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মতো ক্রিকেট পরাশক্তিরা বেশ কয়েক বছর ধরে জিপিএস ব্যবহার করছে।
বাংলাদেশে এই প্রযুক্তিটি নতুন হলেও আন্তর্জাতিক দল এবং খেলোয়াড়রা এই বিশেষ জিপিএস ভেস্ট ব্যবহার করে থাকে।
সূত্র : বাসস










