www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ মে, ২০২৪: ভোট বর্জনের আহ্বান যেন শান্তিপূর্ণভাবে হয়, বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি বলেন, “এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রক্রিয়ার অংশ। যেকোনো দল ভোটে অংশ নিতে পারে, বিরত থাকতে পারে, ভোটারদেরও আহ্বান করতে পারে। তবে সেটা যেন শান্তিপূর্ণভাবে হয়।”
আজ সোমবার (২০ মে) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
উপজেলা নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়া প্রসঙ্গে ইসি আলমগীর বলেন, “ভোটাররা ভোট দিতে ইচ্ছুক। তারা কেন্দ্রে আসবেন। ধান কাটার মৌসুম, বৈরি আবহাওয়া, বড় রাজনৈতিক দল নির্বাচনে আসছে না, এসব কারণে ভোটার উপস্থিতি কম।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা-অনাস্থার বিষয় নয়, পছন্দের প্রার্থী না পাওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভোটের উপস্থিতি কম। তবে কত শতাংশ ভোটার উপস্থিত হলে সন্তোষজনক হবে এ বিষয়ে দায়বদ্ধতা নেই।
ইসি আলমগীর বলেন, “দ্বিতীয় ধাপের ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে হতে পারে এজন্য ব্যাপক সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। প্রথম ধাপের নির্বাচনেও তাই করেছি। আগামীকালের নির্বাচনও তেমন হবে। কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন শান্তিপূর্ণ রাখা। নির্বাচন কমিশনের আন্তরিকতার কোনো কমতি নেই। সারাবিশ্বে ভোটারদের ভোটের প্রতি আগ্রহ কমছে। বিভিন্ন কারণে ভোটাররা অংশ নিতে চান না। ভালো প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ না নিলেও অনেক সময় ভোটাররা ভোট দিতে যান না।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি ভোট বর্জনের জন্য লিফলেট বিতরণ করছে, এটা তাদের রাজনৈতিক অধিকার। তবে কোনো সহিংসতা করলে সেক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেবেন। কমিশনের প্রতি আস্থা নাই এটা ঠিক নয়, কমিশন সবসময় শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করে। কারো প্রতি কমিশনের আলাদা কোনো পক্ষপাতিত্ব নাই।”
গত ৮ মে প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচন হয়েছে। ২১ মে দ্বিতীয়, ২৯ মে তৃতীয় ও ৫ জুন চতুর্থ ধাপে ভোটগ্রহণ হবে।
প্রথম ধাপের নির্বাচনে ৩৬ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পড়েছে। এজন্য বিএনপির ভোট বর্জননীতিকেও দায়ী মনে করছে কমিশন।
বিএনপি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় থেকে ভোট বর্জনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যার অংশ হিসেবে চলমান উপজেলা নির্বাচনও বর্জন করেছে।










