www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: মানবাধিকার দিবসে সারাদেশে বিশৃঙ্খলা করার ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি-জামায়াত, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি এমন একটা দল যারা ভুলের রাজনীতি করছে এবং জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সূত্রে যেভাবে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে তাতে এক পর্যায়ে দেখা যাবে জামায়াতই বিএনপিতে মূল নেতৃত্ব দেবে। বিএনপি হবে জামায়াতের বি-টিম।’
আজ বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের একথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজ মানবাধিকারের নামে নির্বাচনবিরোধী সবগুলো দল ঐক্যবদ্ধ। বিএনপি জনসম্পৃক্ততার অভাবে যে আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে, এখন অগ্নিসন্ত্রাস, নাশকতা দিয়ে সেই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। মানবাধিকার দিবসে সারা দেশে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরির প্ল্যান নিয়ে তারা এগোচ্ছে। এজন্য জামায়াতকে তারা একান্ত পাশে চায়।’
নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এখন নির্বাচন কমিশনের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যাপারে ভূমিকা থাকবে। এখানে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। এখন সরকার শুধু একটি রুটিন দায়িত্ব পালন করবে। সরকারের কাজ হচ্ছে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করা। আমরা সেটা করে যাচ্ছি।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যেহেতু নির্বাচন কমিশন মানবাধিকার দিবসে সমাবেশ করার অনুমতি দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে, সেহেতু আমরা সমাবেশ করব না। তবে দিবসটি ঘিরে আওয়ামী লীগের ঘরোয়া কর্মসূচি থাকবে বলে জানান তিনি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের এখানে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা নিয়ে আমরা বিভ্রান্তিতে পড়ি। মিলিটারি ডেকটেটররা অনেক সময় নিজেদের গণতান্ত্রিক দাবি করে। পৃথিবীতে বিশুদ্ধ গণতন্ত্র বিরল।’
তিনি বলেন, ‘আমরা শত বাধা-বিপত্তি, প্রতিবন্ধকতার মুখেও এখনো গণতন্ত্রের পতাকা ধরে রেখেছি, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী যে ধারা শুরু করেছেন, ’৭৫ এরপর যে ধারা নষ্ট হয়েছে।’
এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।










