www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৩১ মে, ২০২৪: মানসিক অস্থিরতার মধ্যে থেকে বিএনপি সত্য কথা বলতে ভুলে গেছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বিএনপি একরাশ ব্যর্থতার স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে। তারা মানসিক অশান্তিতে ভুগছে। মানসিক অস্থিরতার মধ্যে সত্য কথা বলতে তারা ভুলে গেছে।”
আজ শুক্রবার (৩১ মে) সকালে ধানমন্ডিকে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, “বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা যারা বলে তাদের গণতন্ত্র ছিল হ্যাঁ/না ভোট। গণতন্ত্রকে তারা ধ্বংসের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। তাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি ভুতের মুখে রাম রাম।”
ওবায়দুল কাদের বলেন, “দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার নির্বিকার নয়। আমি মন্ত্রী, আমি যদি কোনো দুর্নীতি করি সেটা কি বিনা বিচারে শেষ হয়ে যাবে? প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব খবর আছে। প্রধানমন্ত্রী অফিসের কিছু লোককেও শাস্তি দিয়েছেন। খালেদা জিয়ার আমলে তারা কি কাউকে শাস্তি দিয়েছিল? তখন প্রধানমন্ত্রীর অফিস ছিল দুর্নীতি আখড়া।”
সাবেক সেনা প্রধান আজিজ আহমেদ ও সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজির আহমেদের মতো যারা দুর্নীতি করেছেন বিএনপি তাদের তালিকা করবে, এটি তারা করতে পারে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, “লিস্ট করলে তো প্রথমে বিএনপি নেতাদের নাম লিখতে হবে। কারণ দুর্নীতি-লুটপাটের শিরোমণি তারা। বিএনপি নেতাদের নাম আগে আসবে। তারপরে অন্য লিস্ট দেখা যাবে।”
আজিজ-বেনজিরের দায় আওয়ামী লীগ এড়াতে পারে না— বিএনপির এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপির গঠনতন্ত্র পড়েছেন? মির্জা ফখরুল কত বছর থাকতে পারেন? আগামী বছর, এই ডিসেম্বরের পরের ডিসেম্বরে আমার টার্ম শেষ। সম্মেলন হবে যথাসময়ে। মির্জা ফখরুল কত বছর ধরে তার গঠনতন্ত্রকে লঙ্ঘন করে বিএনপির মহাসচিব? একটা দল, তারা নিজেদের ঘরেই গণতন্ত্রের চর্চা করে না। তারা দেশে গণতন্ত্র কীভাবে প্রতিষ্ঠা করবে?”
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনিসুল ইসলাম প্রমুখ।










