Author: Hello Bangla News

  • বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ: সেনাপ্রধান

    বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ: সেনাপ্রধান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ আগস্ট, ২০২৪: আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টায় অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

    আজ বুধবার (৭ আগস্ট) বিকেলে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কথা জানান।

    সেনাপ্রধান বলেন, “আগামীকাল শপথ গ্রহণের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। একটা প্রস্তাব ছিল বিকেলে করার। সেটা অত্যন্ত টাইট শিডিউল হয়ে যায়। কারণ, ড. মোহাম্মদ ইউনুস ২টা ১০ মিনিটের দিকে দেশে আসবেন। এরপর আয়োজন করা কঠিন। এজন্য ওইদিন রাত ৮টার দিকে আয়োজন করতে পারি। মোট ৪০০ জন লোকের আয়োজন থাকবে।”

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আকার কেমন হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমার ধারণা আপাতত ১৫ জনের মতো হতে পারে। তারপরও দুই-একজন যোগ হতে পারে।”

    গতকাল মঙ্গলবার রাতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে ঢাকায় হাজারো ছাত্রজনতার ঢল নামে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এরপরই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনা করার দাবি ওঠে।

  • মেধা, যোগ্যতা ও জ্ঞানভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে: খালেদা জিয়া

    মেধা, যোগ্যতা ও জ্ঞানভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে: খালেদা জিয়া

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৭ আগস্ট, ২০২৪: মেধা, যোগ্যতা ও জ্ঞানভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে বলে জানিয়েছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, “ছাত্র-তরুণরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তরুণরা যে স্বপ্ন নিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে মেধা, যোগ্যতা ও জ্ঞানভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায় বিচার ও সাম্যের ভিত্তিতে নির্মাণ করতে হবে শোষণহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।”

    আজ বুধবার (৭ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশে বেগম জিয়ার বক্তব্য সম্প্রচার করা হয়। নিজ বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    খালেদা জিয়া বলেন, “এ বিজয় আমাদের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে। দীর্ঘদিনের নজিরবিহীন দুর্নীতি, গণতন্ত্রের ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে আমাদের নির্মাণ করতে হবে এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিবাদী অবৈধ সরকারের কাছ থেকে মুক্তি পেয়েছি। আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই। বীর সন্তানদের মরণপণ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। শত-শত শহীদের জানাই শ্রদ্ধা।”

    তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আপনাদের সামনে কথা বলতে পারার জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমার কারাবন্দি অবস্থায়, আপনারা আমার কারামুক্তি ও রোগ মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন, দোয়া করেছেন। সে জন্য আমি আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

    বিএনপির চেয়ারপরসন বলেন, “সব ধর্মের, গোত্রের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শান্তি, প্রগতি আর সাম্যের ভিত্তিতে আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণে আসুন আমরা তরুণদের হাত শক্তিশালী করি। ধ্বংস নয়, প্রতিশোধ নয়, প্রতিহিংসা নয়, ভালোবাসা, শান্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলি।”

    বিএনপির এ সমাবেশে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির নেতারা বক্তব্য দেন।

  • সেনাবাহিনীর ক্যাম্প সমূহের সাথে যোগাযোগের নম্বর

    সেনাবাহিনীর ক্যাম্প সমূহের সাথে যোগাযোগের নম্বর

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ আগস্ট, ২০২৪: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বর্তমানে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, হানাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকির সম্মুখীন হলে নিকটস্থ সেনাবাহিনী ক্যাম্পে জানানোর জন্য জনসাধারণকে আহ্বান জানিয়েছে।

    আজ বুধবার আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)-এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়। তবে, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও গুজবে আতঙ্কিত হয়ে সেনাবাহিনীকে বিভ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকতেও এতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    ঢাকা মহানগর:

    ১। ঢাকার লালবাগ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, মহাখালী, তেজগাঁও, এ্যালিফেন্ট রোড এবং কাঁটাবন ০১৭৬৯০৫১৮৩৮, ০১৭৬৯০৫১৮৩৯; ২। ঢাকার গুলশান, বারিধারা, বনানী, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, শাহজাহানপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান এবং বনশ্রী ০১৭৬৯০১৩১০২, ০১৭৬৯০৫৩১৫৪; ৩। ঢাকার মিরপুর-১ হতে মিরপুর-১৪, খিলক্ষেত, উত্তরা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ০১৭৬৯০২৪২১০, ০১৭৬৯০২৪২১১; ৪। ঢাকার মতিঝিল, সেগুনবাগিচা, কাকরাইল, শান্তিনগর, ইস্কাটন, রাজারবাগ, পল্টন, গুলিস্তান এবং পুরান ঢাকা ০১৭৬৯০৯২৪২৮, ০১৭৬৯০৯৫৪১৯।

    ঢাকা বিভাগ:

    ১। মাদারীপুর ০১৭৬৯০৭২১০২, ০১৭৬৯০৭২১০৩; ২। কিশোরগঞ্জ ০১৭৬৯১৯২৩৮২, ০১৭৬৯২০২৩৬৬; ৩। টাঙ্গাইল ০১৭৬৯২১২৬৫১, ০১৭৬৯২১০৮৭০; ৪। গোপালগঞ্জ ০১৭৬৯-৫৫২৪৩৬, ০১৭৬৯-৫৫২৪৪৮; ৫। রাজবাড়ী ০১৭৬৯-৫৫২৫১৪, ০১৭৬৯-৫৫২৫২৮; ৬। গাজীপুর ০১৭৮৫৩৪৯৮৪২, ০১৭৬৯০৯২১০৬; ৭। মুন্সিগঞ্জ ০১৭৬৯০৮২৭৯৮, ০১৭৬৯০৮২৭৮৪; ৮। মানিকগঞ্জ ০১৭৬৯০৯২৫৪০, ০১৭৬৯০৯২৫৪২; ৯। নারায়ণগঞ্জ ০১৭৩২০৫১৮৫৮; ১০। নরসিংদী ০১৭৬৯০৮২৭৬৬, ০১৭৬৯০৮২৭৭৮; ১১। শরিয়তপুর ০১৭৬৯০৯৭৬৬০, ০১৭৬৯০৯৭৬৫৫; ১২। ফরিদপুর ০১৭৬৯০৯২১০২, ০১৭৪২৯৬৬১৬২।

    চট্টগ্রাম বিভাগ:

    ১। নোয়াখালী ০১৬৪৪-৪৬৬০৫১, ০১৭২৫-০৩৮৬৭৭; ২। চাঁদপুর ০১৮১৫-৪৪০৫৪৩, ০১৫৬৮-৭৩৪৯৭৬; ৩। ফেনী ০১৭৬৯-৩৩৫৪৬১, ০১৭৬৯-৩৩৫৪৩৪; ৪। লক্ষীপুর ০১৭২১-৮২১০৯৬, ০১৭০৮৭৬২১১০; ৫। কুমিল্লা ০১৩৩৪-৬১৬১৫৯, ০১৩৩৪-৬১৬১৬০; ৬। ব্রাক্ষণবাড়ীয়া ০১৭৬৯-৩২২৪৯১, ০১৭৬৯-৩৩২৬০৯; ৭। কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা ০১৭৬৯১০৭২৩১, ০১৭৬৯১০৭২৩২; ৮। চট্টগ্রাম (লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা ব্যতিত) ০১৭৬৯২৪২০১২, ০১৭৬৯২৪২০১৪।

    বরিশাল বিভাগ:

    ১। বরিশাল: ০১৭৬৯০৭২৫৫৬, ০১৭৬৯০৭২৪৫৬; ২। পটুয়াখালী ০১৭৬৯০৭৩১২০, ০১৭৬৯০৭৩১২২; ৩। ঝালকাঠি ০১৭৬৯০৭২১০৮, ০১৭৬৯০৭২১২২; ৪। পিরোজপুর ০১৭৬৯০৭৮২৯৮, ০১৭৬৯০৭৮৩০৮।

    ময়মনসিংহ বিভাগ:

    ১। শেরপুর ০১৭৬৯২০২৫১৬, ০১৭৬৯২০২৫২৪; ২। নেত্রকোণা ০১৭৬৯২০২৪৭৮, ০১৭৬৯২০২৪৪৮; ৩। জামালপুর ০১৭৬৯১৯২৫৪৫, ০১৭৬৯১৯২৫৫০; ৪। ময়মনসিংহ ০১৭৬৯২০৮১৫১, ০১৭৬৯২০৮১৬৫।

    খুলনা বিভাগ:

    ১। বাগেরহাট ০১৭৬৯০৭২৫১৪, ০১৭৬৯০৭২৫৩৬; ২। কুষ্টিয়া ০১৭৬৯-৫৫২৩৬২, ০১৭৬৯-৫৫২৩৬৬; ৩। চুয়াডাঙ্গা ০১৭৬৯-৫৫২৩৮০, ০১৭৬৯-৫৫২৩৮২; ৪। মেহেরপুর ০১৭৬৯-৫৫২৩৯৮, ০২৪৭৯৯২১১৫৩; ৫। নড়াইল ০১৭৬৯-৫৫২৪৫৬, ০১৭৬৯-৫৫২৪৫৭; ৬। মাগুরা ০১৭৬৯-৫৫৪৫০৫, ০১৭৬৯-৫৫৪৫০৬; ৭। ঝিনাইদহ ০১৭৬৯-৫৫২১৫৮, ০১৭৬৯-৫৫২১৭২; ৮। যশোর ০১৭৬৯-৫৫২৬১০, ০১৭৬৯-০০৯২৪৫; ৯। খুলনা ০১৭৬৯-৫৫২৬১৬, ০১৭৬৯-৫৫২৬১৮; ১০। সাতক্ষীরা ০১৭৬৯-৫৫২৫৩৬, ০১৭৬৯-৫৫২৫৪৮।

    রাজশাহী বিভাগ:

    ১। রাজশাহী ০১৭৬৯১১২৩৮৬, ০১৭৬৯১১২৩৮৮; ২। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ০১৭৬৯১১২০৭০, ০১৭৬৯১১২৩৭২; ৩। পাবনা ০১৭৬৯১২২৪৭৮, ০১৭৬৯১১২৪৮০; ৪। সিরাজগঞ্জ ০১৭৬৯১২২৪৬২, ০১৭৬৯১২২২৬৪; ৫। নাটোর ০১৭৬৯১১২৪৪৬, ০১৭৬৯১১২৪৪৮; ৬। নওগাঁ ০১৭৬৯১২২১১৫, ০১৭৬৯১২২১০৮; ৭। জয়পুরহাট ০১৭৬৯১১২৬৩৪; ৮। বগুড়া ০১৭৬৯১১২৫৯৪, ০১৭৬৯১১২১৭০।

    রংপুর বিভাগ:

    ১। রংপুর ০১৭৬৯৬৬২৫৫৪, ০১৭৬৯৬৬২৫১৬; ২। দিনাজপুর ০২৫৮৯৯২১৪০০, ০২৫৮৯৬৮২৪১৪; ৩। নীলফামারী ০১৭৬৯৬৮২৫০২, ০১৭৬৯৬৮২৫১২; ৪। লালমনিরহাট ০১৭৬৯৬৮২৩৬৬, ০১৭৬৯৬৮২৩৬২; ৫। কুড়িগ্রাম ০১৭৬৯৬৬২৫৩৪, ০১৭৬৯৬৬২৫৩৬; ৬। ঠাকুরগাঁও ০১৭৬৯৬৬৬০৬২, ০১৭৬৯৬৭২৬১৬; ৭। পঞ্চগড় ০১৯৭৩০০০৬৬২, ০১৭৬৯৬৬২৬৬১; ৮। গাইবান্ধা ০১৬১০৬৫২৫২৫, ০১৭৫৪৫৮৫৪৮৬।

    সিলেট বিভাগ:

    ১। সিলেট ০১৭৬৯১৭৭২৬৮, ০১৯৮৭৮৩৩৩০১; ২। হবিগঞ্জ ০১৭৬৯১৭২৫৯৬, ০১৭৬৯১৭২৬১৬; ৩। সুনামগঞ্জ ০১৭৬৯১৭২৪২০, ০১৭৬৯১৭২৪৩০; ৪। মৌলভীবাজার ০১৭৬৯১৭৫৬৮০, ০১৭৬৯১৭২৪০০।

  • রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা

    রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ আগস্ট, ২০২৪: দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশের অনুপস্থিতিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল অনেকটাই গতি ও স্বস্তি ফেরে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

    আজ বুধবার (৭ আগস্ট) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শিক্ষার্থীদের এমন কার্যক্রম দেখা গেছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, শান্তিনগর এলাকায় ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছে কয়েকজন শিক্ষার্থী। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছে  এমন একজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, যেহেতু এই মুহূর্তে পুলিশ বা ট্রাফিক পুলিশও নেই। তাই আমরা রাস্তায় যাতে যান চলাচলে সমস্যা না হয় তাই আমরা শিক্ষার্থীরা ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের আশ-পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আমরা সবাইকে অনুরোধ করব সবাই যেন ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলে।

    রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা Hello Bangla News
    রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা | Hello Bangla News

    শিক্ষার্থীরা সড়কের সিগন্যালে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। কেউ ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করলেই তারা চালকদের বাধা দিচ্ছেন। এতে করে রাস্তায় বড় ধরনের কোনো যানজট হচ্ছে না। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা সাধারণ মানুষকে রাস্তা পারাপারে সহায়তা করতেও দেখা যায়। শিক্ষার্থীদের এই চেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রাস্তায় চলাচলকারী সাধারণ মানুষ।

    পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা সড়ক ও আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলো পরিষ্কার করছেন। দেশের অন্যান্য কয়েকটি জেলারা শিক্ষার্থীরা এই ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।  শিক্ষার্থীদের এই ভূমিকায় সাধারণ মানুষ প্রশংসা করছেন। পথচারীরা তাদের বাহবা দিচ্ছেন। অনেক তরুণ-তরুণীকে তাদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায়।

  • সারাদেশে সহিংসতায় অন্তত ৮৩ জন নিহত

    সারাদেশে সহিংসতায় অন্তত ৮৩ জন নিহত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ আগস্ট, ২০২৪: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন’ চলাকালে সহিংসতায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৮৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৩ জনই পুলিশ সদস্য বলে বাহিনীটি নিশ্চিত করেছে। কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জে পৃথক হামলায় হাইওয়ে থানার এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। অনেক স্থানে সরকারি স্থাপনা ও গাড়িতে আগুন দেয়া ও ভাঙচুর করা হয়েছে।

    আজ রবিবার (৪ আগস্ট) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার সমর্থক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে তারা মারা গেছেন । (সূত্র বিবিসির খবর) ।

    রাত ৮টা ৪০ মিনিটের পর পাওয়া তথ্যে জানা গেছে ঢাকায় মারা গেছেন কমপক্ষে ছয় জন, যাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের একজন নেতা রয়েছেন। এছাড়া ফেনীতে আটজন, নরসিংদীতে ছয়জন, রংপুরে দুইজন, মুন্সিগঞ্জে তিনজন, মাগুরায় দুইজন, বগুড়ায় তিনজন, পাবনায় তিনজন, সিলেটে দুইজন, কিশোরগঞ্জে তিনজন, কুমিল্লায় দুইজন এবং বরিশালে একজন নিহত হয়েছেন ।

    ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘাত-সহিংসতা বাড়তে শুরু করলে রবিবার দুপুর থেকে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে এ সময় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু রয়েছে। তবে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটকসহ বন্ধ রয়েছে বেশ কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

    রবিকার দুপুরে আন্দোলনকারীদের উপর সরাসরি গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

  • শাহবাগে এখন সাধারণ ছাত্ররা অবস্থান নিয়েছে

    শাহবাগে এখন সাধারণ ছাত্ররা অবস্থান নিয়েছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ আগস্ট, ২০২৪: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একদফা দাবিতে আজ রবিবার (৪ আগস্ট) সারাদেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে । কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেলা ১১টায় রাজধানীসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ পালিত হবে। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

    সরেজমিন দেখা যায়, আজ (৪ আগস্ট) সকালে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা এলে সেখানে ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকার্মীরা প্রথমে ধাওয়া দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে শিক্ষার্থীরা তাদের পাল্টা ধাওয়া দিলে তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢুকে অন্যদিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা শাহবাগে অবস্থান করছেন। শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিলে ওই এলাকার সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    একদফা দাবিতে আজ রবিবার সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে ফেসবুকে এক পোস্টে এ তথ্য জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। তিনি জানান, এদিন বেলা ১১টায় রাজধানীসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ পালিত হবে।

    এদিকে, অবরোধ কর্মসূচির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সড়কে, চলছে শুধু রিকশা-সিএনজি। সড়কে মাঝে মাঝে বাসের দেখা মিললে তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়তে দেখা গেছে যাত্রীদের। গণপরিবহন সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী যাত্রী, জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষ, হাসপাতালগামী রোগী ও স্বজনরা।

    শনিবার দুপুরের পর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও এর আশপাশের অবস্থান নেওয়া শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কোটা আন্দোলনের সমর্থনে অভিভাবক ও অনেক শ্রেণি-পেশার মানুষও এতে অংশ নেন। এসময় অনেকের হাতে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

  • সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

    সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ আগস্ট, ২০২৪: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেছে।

    আজ শনিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার সমাবেশে এই দাবি তুলে ধরেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা আর তাদের কাছে কী বিচার চাইব? তারাই তো খুনি। আমাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আপনাদের আন্দোলনের কারণে আমরা ছাড়া পেয়েছি। আজকেও গুলি চলেছে। এই পরিস্থিতিতে এক দফা ঘোষণা করছি। শেখ হাসিনা বলেছেন, আলোচনার দরজা খোলা রয়েছে। তিনি আগেই বুঝেছেন, দরজা খোলা রাখার সময় হয়েছে। আমরা আসছি। এই যে খুন-হত্যা হয়েছে, এজন্য তাকে পদত্যাগ করতে হবে এবং বিচারের আওতায় আনতে হবে। শুধু শেখ হাসিনা নন, সব মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে “

    তিনি বলেন, “আমাদের এক দফা হলো শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং এই সরকারের লুটপাট-দুর্নীতির বিচার। আমরা জেলের তালা ভেঙে আমাদের ভাইদের আনব। যে অভ্যুত্থান শুরু হয়েছে এতে সব জনতা যোগ দিন। আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে সম্মিলিত মোর্চা গঠন করব। আমরা আমাদের দেশের রূপরেখা ঘোষণা করব। আগামীকাল থেকে সর্বত্র অসহযোগ আন্দোলন হবে।”

    এই সমন্বয়ক বলেন, “যদি ইন্টারনেট বন্ধ, কারফিউ জারি হয় আমরা মেনে নেব না। এখন ছাত্র-জনতার এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে অসহযোগ আন্দোলন পালন করবেন। সরকার যদি জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, এটা জনগণ মানবে না। আপনারা যদি অস্ত্র চালান তাহলে প্রতিরোধ হবে। আমরা সব গণহত্যার বিচার করব বাংলার মাটিতে।”

    বাংলাদেশের জনগণ অসহযোগের নেতৃত্ব দেবে জানিয়ে তিনি দেশের সর্বস্তরের মানুষকে ছাত্রদের ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলন সফল করার আহ্বান জানান।

    ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে:

    এসময় নাহিদ ইসলাম ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। তিনি বলেন, যেহেতু বর্তমান সরকারের নির্দেশে নির্বিচারে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে। নারী-শিশু-ছাত্র-শিক্ষক-শ্রমিক কেউ এই গণহত্যা থেকে রেহাই পাননি।

    যেহেতু, সরকার এই হত্যাযজ্ঞের বিচার করার পরিবর্তে নির্বিচারে ছাত্র-জনতাকে গ্রেফতার ও নির্যাতন করছে।

    যেহেতু, সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রাণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হত্যাযজ্ঞ সংঘটন করেছে।

    যেহেতু, ছাত্র-শিক্ষক-শ্রমিক-মজুরসহ আপামর জনগণ মনে করছে এই সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ বিচার এবং তদন্ত সম্ভব নয়।

    সেহেতু, আমরা বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করছি।

    একই সঙ্গে সবার নিকট গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি গ্রহণযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় সরকার গঠনের দাবি জানাচ্ছি।

    এর আগে দুপুর দেড়টার থেকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ শহীদ মিনারে জড়ো হতে শুরু করেন। ক্ষণে ক্ষণে বাড়তে থাকে সেই জনস্রোত। এক পর্যায়ে শহীদ মিনার এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

    বিকেল ৪টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পায়ে হাঁটার পাশপাশি রিকশা, সিএনজিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শহীদ মিনারে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে দেখা গেছে অভিভাবকদেরও। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষক এমনকি রিকশাচালকদেরও এই কর্মসূচিতে দেখা যায়। যেন জনতার ঢল নামে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সমাবেশে যোগ দেওয়া জনমানুষের ভিড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রাঙ্গণ থেকে ছড়িয়ে যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জগন্নাথ হলসহ অন্যান্য রাস্তায়।

  • কোটা আন্দোলন নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে চিঠি দিয়েছে ২২ জন সেনেটর ও কংগ্রেসম্যান

    কোটা আন্দোলন নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে চিঠি দিয়েছে ২২ জন সেনেটর ও কংগ্রেসম্যান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ আগস্ট, ২০২৪: কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বাংলাদেশে সহিংসতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এ উদ্যোগ নিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২২ জন সিনেটর ও কংগ্রেসম্যান। এদের মধ্যে ৭ জন সিনেটর ও ১৫ জন হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের (প্রতিনিধি পরিষদ) সদস্য।

    চিঠিতে তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ছাত্রদের বিক্ষোভ দমনে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে ব্যবহার করেছে। সহিংসতা ও সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

    চিঠিতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা লিখেছেন, বাংলাদেশের গত সাতই জানুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে গত জানুয়ারিতে একটি ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন করেছে।

    এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের সাতই জানুয়ারি নির্বাচন বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন বয়কট করেছিল। এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ শে অক্টোবর বিরোধী দলের বিক্ষোভের পর ঢালাওভাবে গ্রেফতার অব্যাহত রাখে সরকার।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে ছাত্র বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জোরালো সহিংসতা করেছে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরে পুলিশ, বিক্ষোভকারী, বিরোধী কর্মী ও সরকার-পন্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘাত হয়েছে। এতে ১৭০ জন নিহত ও কয়েক হাজার আহত হয়েছে।

    ছাত্র বিক্ষোভের জবাব দিতে গিয়ে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞায় থাকা র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে ব্যবহার করেছে। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে দাঙ্গা পুলিশ। এছাড়া সেনাবাহিনীর মাধ্যমে কঠোর কারফিউ ও ‘দেখামাত্র গুলি করার’ নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। বিক্ষোভ দমনের জন্য ইন্টারনেটও বন্ধ করা হয়েছে।

    এসব ঘটনার কথা উল্লেখ করে তারা চিঠিতে লিখেছেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই সকল সহিংসতার নিন্দা করতে হবে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মতো কর্মসূচি পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে”।

    একই সাথে বাংলাদেশের বিক্ষোভ দমনে যে সব সরকারি কর্মকর্তারা জড়িত ছিলেন তাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

    বাংলাদেশের এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দেয়া হয় ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে অংশীদার হতে হবে। যারা বাংলাদেশি জনগণের একটি প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক সরকারের অধিকারের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে’।

    চিঠিতে আরও উল্লেখ আছে:

    বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের বিষয়টি উল্লেখ করে মার্কিন সিনেটর ও কংগ্রেস-ম্যানরা বলেছেন, আটককৃতদের মধ্যে কেউ কেউ মুক্ত হলেও এখনো অনেকেই কারাগারে রয়েছেন।

    এছাড়াও গণমাধ্যমকর্মী এবং সরকার বিরোধী সমালোচকরা অনলাইনে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

    বর্তমানে বাংলাদেশে হয়রানি, নজরদারি কিংবা শারীরিক আক্রমণ চালানোর পাশাপাশি কঠোর ডিজিটাল সেন্সরশিপ অব্যাহত রয়েছে বলেও বলা হয় ওই চিঠিতে।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশে শ্রম আইন ব্যবস্থার উন্নতি করতে ব্যর্থ হওয়া না পারার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ২০২১ সালের বাংলাদেশের র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান বা র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও তুলে ধরা হয় এই চিঠিতে।

    চিঠিতে যে সব মার্কিন সিনেটর স্বাক্ষর করেছেন তারা হলেন- অ্যাডওয়ার্ড জে. মার্কি, ক্রিস ভ্যান হোলান, টাম্মি বাল্ডিন, জেফরি এ মার্কলি, ক্রিস্টোফার এস মারফি, টিম কাইন, রিচার্ড জে ডারবিন।

    এছাড়া মেম্বার অব কনগ্রেসম্যানদের মধ্যে এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন জেমস পি. ম্যাক গভার্ন, উইলিয়াম আর কিয়েটিং, গ্রেস মেঞ্জ, সেথ মল্টান, লরি ট্রাহান, জো উইলসন, জেমস সি. মোলান, ডিনা টিটাস, জিরাল্ড ই কনলি, গাবে আমো, আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ, ইলহান ওমর, নাইডিয়া ভেলাজকুয়েজ, ডেনিয়েল টি কিলডি ও বারবারা লি।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • ইউনিসেফ জানিয়েছে কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতায় ৩২ শিশু নিহত হয়েছে

    ইউনিসেফ জানিয়েছে কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতায় ৩২ শিশু নিহত হয়েছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ আগস্ট, ২০২৪: জাতিসংঘের শিশু ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে বাংলাদেশে কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় অন্তত ৩২ শিশু নিহত হয়েছে । এই শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সংস্থাটি উদ্বেগ জানিয়েছে।

    আজ শুক্রবার (২ আগস্ট) সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রধান সঞ্জয় উইজেসেকেরা এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউনিসেফ নিশ্চিত হয়েছে জুলাই মাসের আন্দোলনে সংঘটিত সহিংসতায় অন্তত ৩২ শিশু নিহত এবং আরও অনেক শিশু আহত ও আটক হয়েছে। সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে নিহত শিশুদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে সংস্থাটি।

    শিশুদের সর্বদা রক্ষা করতে হবে এবং এটা সবার দায়িত্ব উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমি এই প্রতিবেদন সম্পর্কে সচেতন যে শিশুদের আটক করা হচ্ছে এবং কর্তৃপক্ষকে মনে করিয়ে দিচ্ছি যে একটি শিশুর জন্য, আইনের সংস্পর্শে আসা বা সংঘাতে আসা খুবই ভীতিকর হতে পারে।

    মি. উইজেসেকেরা বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং জাতিসংঘের শিশু অধিকার কনভেনশনে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে। এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে শিশুদের আটকের প্রভাব নিয়ে গবেষণার ভিত্তিতে, ইউনিসেফ সব ধরনের শিশুদের আটক বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছে। নিছক উপস্থিতির ভিত্তিতে বা তাদের ধর্ম, পরিবারের সদস্যদের কাজ বা বিশ্বাসের কারণে শিশুদের গ্রেফতার বা আটক করা উচিত নয়।

    সহিংসতায় শিশুরা নানা ধরনের সমস্যায় পড়ছেন উল্লেখ করে বিবৃতিতে মি. উইজেসেকেরা বলেন আমি ইউনিসেফ-সমর্থিত চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ পরিদর্শন করেছি যেখানে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে চাহিদা ২৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    “শিশুদের সহিংসতা থেকে পুনরুদ্ধারে এবং সুরক্ষিত রাখতে একটি সর্বোত্তম উপায় হলো সবগুলো স্কুল পুনরায় চালু করা, আবার শেখানো শুরু করা এবং শিশুদের তাদের বন্ধু এবং শিক্ষকদের সাথে পুনরায় একত্রিত করা। প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত ৩০ মিলিয়ন শিক্ষার্থী ১০ দিনের স্কুল মিস করেছে। এই বছরের শুরুতে তাপ, ঘূর্ণিঝড় এবং বন্যার কারণে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে এই শিক্ষার ক্ষতি আরও বেড়ে যায়,” এতে যোগ করা হয়েছে।

    ইউনিসেফ ৪ঠা আগস্ট থেকে বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনরায় চালু করাকে স্বাগত জানালেও, এখনও প্রায় ১৫.৫ মিলিয়ন স্কুল শিশু থাকবে যারা স্কুলে ফিরতে পারছে না বলে বিবৃতিতে মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে। মি. উইজেসেকেরা বলছেন, “শিশুরা যত বেশি সময় স্কুলের বাইরে থাকে, বিশেষ করে মেয়েরা, তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা তত কম হয়, তাদের ভবিষ্যত হুমকির মুখে পড়ে।”

  • ডিবিসহ প্রতিটি ফোর্সই জনগণকে মূর্খ মনে করছে: ড. ইফতেখারুজ্জামান

    ডিবিসহ প্রতিটি ফোর্সই জনগণকে মূর্খ মনে করছে: ড. ইফতেখারুজ্জামান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ আগস্ট, ২০২৪: ডিবিসহ প্রতিটি ফোর্সই জনগণকে মূর্খ মনে করছে, বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, “ডিবিসহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সকল প্রতিষ্ঠান মিথ্যাচার, প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিটি ফোর্সই প্রতিটি বিষয়ে জনগণকে মূর্খ মনে করেছে। প্রতিটি কথায় তারা নিজেরাই মূর্খের পরিচয় দিয়েছে, সেটা তারা ভুলে গেছে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৩টায় রাজধানীর মিন্টু রোডের ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানবন্ধন কর্মসূচিতে তিনি একথা বলেন।

    ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “জবাবদিহিবিহীন ক্ষমতার ঊর্ধ্বে অবস্থান করে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নামে যে সংস্থাগুলো কাজ করছে, এমনই একটি প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা আজ কথা বলছি। সেই সংস্থাসহ তারা স্বাধীন দেশে বাস করে ছাত্রসমাজ ও জনতার শক্তি এবং তাদের মতো অজেয় শক্তির বিরুদ্ধে গিয়ে দমন নিপীড়ন চালিয়েছে। এমনকি এই সকল প্রতিষ্ঠান মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছে, প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিটি ফোর্সই প্রতিটি বিষয়ে জনগণকে মূর্খ মনে করেছে। এরমধ্য দিয়ে প্রতিটি কথায় যে নিজেদের মূর্খের পরিচয় দিয়েছে, সেটা তারা ভুলে গেছে। মূর্খতা ও মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে যে কাজগুলো করেছে, সংবিধান লঙ্ঘন করেছে, আইনের লঙ্ঘন করেছে।”

    টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পেশাগত উৎকর্ষতার কথা তারা বলে থাকেন। পেশাগত প্রশিক্ষণের বাইরে গিয়ে তারা আমাদের প্রতারিত করার চেষ্টা করেছেন। তাদের মানদণ্ডে দেশবাসীকে বিচার করার কোনো সুযোগ নেই। আমি বলব, তারা এটা করতে পেরেছে এই কারণে তাদের মধ্যে একটি ধারণার সৃষ্টি হয়েছে, শুধুমাত্র এই ছয়জনকে (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ক) আটকের বিষয়টা না। সার্বিকভাবে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে, এর মূল বিষয়টা হলো দীর্ঘ একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে তারা নিজেরা ধারণা সৃষ্টি করেছে যে, তারা বিচারহীনতা চিরদিন উপভোগ করতে পারবে।”

    তিনি আরও বলেন, “যদি তাই হয়, তাহলে আপনি কেন মিথ্যাচার করছেন। বন্ধ করুন। আপনি বলেন, আমি নির্বিচারে ছাত্রদের গুলি করেছি, নির্বিচারে আটক করে রেখেছি। নির্বিচারে সারা দেশে অসংখ্য মানুষ, শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকদের সঙ্গে অন্যায় করেছি, অধিকার হরণ করেছি। ছাত্রদের সম্পূর্ণ যৌক্তিক ও নৈতিকতায় বলিয়ান যে দাবি যেটি সরকারও ঘোষণা করেছে। সেই আন্দোলনে নির্বিচারে অত্যাচার করেছে। সেটার জন্য তারা লেলিয়ে দিয়েছে তাদের মদদপুষ্ট সংস্থাগুলো ও ছাত্র সংগঠনকে।

    অর্থনীতিবিদ ও জননীতি বিশ্লেষক সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, “বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিনাবিচারে ছেড়ে দেওয়ার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। তাদের বিনাবিচারে আটকে রাখা হয়েছিল। বলা হয়েছিল আদালত বললে পরে ছাড়া হবে, এটা একটা অপপরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। আমরা শুনেছি, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কদের ছেড়ে দিয়েছে। তাদের মুক্তি হয়েছে, এতে আমরা খুশি। কিন্তু এখনও অনেক ছাত্র, শিক্ষক ও সাধারণ জনগণ বিনাবিচারে আটকে আছে, সে জন্য আমরা সন্তুষ্ট নই। আমরা খুশি হলেও সন্তুষ্ট নই।”

    তিনি বলেন, “আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে যে যেখানে আটক আছে বিনাবিচারে, কোনো ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা ছাড়া তাদের সবাইকে অনতিবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। এটা আমাদের প্রধান দাবি। দ্বিতীয় দাবি, এই আন্দোলনে এ পর্যন্ত যেভাবে দেশের নিরপরাধ মানুষ মারা গেছেন, তাদের সকলের বিচার করতে হবে। এই বিচারের জন্য জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করতে হবে। স্কুল-কলেজ খুলে দিতে হবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে হবে। দেশে ইন্টারনেটের অবাধ ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে আইন সুরক্ষার পরিবেশ দ্রুত সৃষ্টি করা না হলে, এটা বাংলাদেশের জন্য বড় সমস্যা।”

    দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, “আপনারা বলেছেন, এই ঘটনার ফলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়নি। ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে সরকারের। আমার ট্যাক্সের টাকায় বন্দুক কেনা হয়েছে। আমার ট্যাক্সের টাকায় গুলি কেনা হয়েছে। আমার ট্যাক্সের টাকায় কেনা গুলি ও বন্দুক দিয়ে মানুষ মারার জন্য বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি। এটা কোনো অবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়।”

    বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “ডিবির কাছে থাকলে নাকি নিরাপত্তাবোধ করে। আসলে আমাদের নিরাপত্তার সংজ্ঞাটা দিবেন? আমরা সংবিধানে তুলে দেব! শিক্ষার্থীদের হেফাজতে রাখার আইনি সংজ্ঞাটা কী? শিক্ষার্থীদের আটকে রাখার ক্ষমতা কোথায় দেওয়া হয়েছে? সংবিধানের কোন আইনে আটকে রাখার কথা হয়েছে?”

    তিনি বলেন, “আমরা এখানে আসার আগে ছয়জন সমন্বয়ককে ছেড়ে দিয়েছেন বলে শুনেছি। আমরা এখনো জানি না তারা পরিবারের কাছে গিয়েছেন কিনা। যে ছয় সমন্বয়ককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তারা যেন মুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারেন, তাদের বাসায় প্রহরায় কাউকে রাখবেন না।”

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “আমাদের যখন ইচ্ছা তুলে আনবেন, যতদিন ইচ্ছা আটকে রাখবেন, নুডুলস খাওয়াবেন, পোলাও, রুটি খাইয়ে আবার পত্র-পত্রিকায় দেবেন। এগুলো কাদের টাকায় খাওয়ান? আমরা জনগণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনদিন মুখোমুখি হতে চাই না। আমাদের নিরাপত্তার প্রয়োজন হলে আমরা আপনাদের কাছে যাব। গায়েবিভাবে আমাদের বাসা থেকে তুলে আনবেন, সেই আইন-ক্ষমতা আপনাদের দেওয়া হয়নি।”

    মানববন্ধন কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্ত্রী শিরীন হক, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম ইন বাংলাদেশের (এএলআরডি) নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মির্জা তাসলিমা সুলতানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক রুশাদ ফরিদী, সরকারি সংস্থা উবিনীগ (উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা) এর নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ নূর, সদস্য রুমি প্রভা প্রমুখ।