Author: Hello Bangla News

  • ৫৩তম বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিকে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    ৫৩তম বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিকে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: ৫৩তম বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তিনি আজ (১৬ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মহান নেতা ও স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    পরে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    সূত্র: বাসস

  • কুয়েতের আমির শেখ নওয়াফ মারা গেছেন

    কুয়েতের আমির শেখ নওয়াফ মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ আল–আহমাদ আল–জাবের আল–সাবাহ মারা গেছেন। শনিবার কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কুনার এক প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

    খালিজ টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, কুয়েতের আমির-ই দেওয়ান তাদের শাসকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

    কুয়েতের আমির-ই দেওয়ান একটি বিশেষ মন্ত্রণালয়। যার দায়িত্ব পালন করছেন শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুবারক আল সাবাহ। আমির শেখ নওয়াফ আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এক বিবৃতিতে বলেছেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ২৯ নভেম্বর কুয়েতের আমিরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    কুয়েতের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও এক বিবৃতিতে আমিরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। গণমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে কুয়েত রাজ্যের আমির শেখ নাওয়াফ আল-আহমাদ আল-সাবাহ-এর মৃত্যুতে আমরা শোক প্রকাশ করছি।

    শেখ নওয়াফ আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহর মৃত্যুর পর কুয়েতের মসনদে কে বসবেন, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে শেখ মেশাল আল আহমাদ আল জাবেরের নাম। ৮৩ বছর বয়সী শেখ মেশাল বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ক্রাউন প্রিন্স হিসেবে পরিচিত। কুয়েতের শাসক হিসেবে দায়িত্ব নিতে তিনি প্রস্তুত।

    ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে কুয়েতের আমির হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন শেখ নওয়াফ। এর আগে দেশটির শাসক ছিলেন শেখ সাবাহ আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ (৯১)। তিনি ছিলেন শেখ নওয়াফের সৎ ভাই।

    উল্লেখ্য, কুয়েতের সার্বভৌম ক্ষমতা শাসক আল সাবাহ পরিবারের হাতেই থাকে। ফলে তাদের স্বাস্থ্য দেশের জন্য সংবেদনশীল বিষয়। বিষয়গুলো নিয়ে সচরাচর আলোচনা হয় না।

  • শিল্পকলার আয়োজনে বিজয় উৎসব পালিত

    শিল্পকলার আয়োজনে বিজয় উৎসব পালিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: আজ ৫৩তম মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। লাল সবুজের সেই রক্ত পতাকাকে চিরঅম্লান রাখতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশব্যাপী বিজয় উৎসব পালিত হয়েছে।

    বিজয় উৎসবের শুরুতে একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকীর নেতৃত্বে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিল্পীবৃন্দ সকালে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একইসাথে একাডেমির আয়োজনে দর্শক মুখরিত বেলতলায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সকাল ৯.৩০ টা থেকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে এ সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় ছিলো- স্বরচিত কবিতাপাঠ, আবৃত্তি, দেশের গান ও মনোজ্ঞ অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী।

    শিল্পকলার আয়োজনে বিজয় উৎসব পালিত - বিনোদন - ১৬ - ডিসেম্বর ২০২৩ (২)  (2)
    শিল্পকলার আয়োজনে বিজয় উৎসব পালিত – বিনোদন – ১৬ – ডিসেম্বর ২০২৩ (২) (2)

    অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে একাডেমির মহাপরিচালক বলেন – “সারাবিশ্বেই বাংলাদেশকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।” বিজয় উৎসবের এ আয়োজনে ফিলিস্তিনে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানান তিনি। পরে দর্শকদের সাথে গলা মিলিয়ে গান পরিবেশন করেন ।  “মানুষ মানুষের জন্য, মঙ্গল হোক এই শতকে মঙ্গল সবার” সঙ্গীত পরিবেশন করেন একাডেমির মহাপরিচালক।

    এরপর ধারাবাহিকভাবে কবি মিনার মনসুর, সালাহউদ্দিন আহাম্মদ, সৈকত হাবিব, আদিত্য নজরুল, কবি আসাদুল্লাহ পাঠ করেন স্বরচিত কবিতা। শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, রাজা বশির, রাজিয়া মুন্নী, গোলাপী, সজীব, শিল্পী বিশ্বাস, জাকির হোসেন এবং হোমায়েরা বশির সংগীত পরিবেশন করেন। আবৃত্তি করেন অনন্যা লাবণী পুতুল, আহসান উল্লাহ তমাল, সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুল কাদের তালুকদার, শামিমা চৌধুরী এলিস এবং মাহমুদা আক্তার।

    সবশেষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দলের পরিবেশনায় প্রদর্শিত হয় বিশেষ অ্যাক্রোবেটিক। এছাড়া সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শিত হয় ভ্রাম্যমান অ্যাক্রোবেটিক।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দিনব্যাপী বিজয় উৎসবের ২য় পর্ব শুরু হয় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়নে সন্ধ্যা ৫.৩০ মিনিট থেকে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব কে. এম খালিদ এমপি। সভাপতি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি এবং আলোচক হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। আলোচনা পর্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহ উদ্দিন আহাম্মদ।

    আলোচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় সমবেত নৃত্য ‘স্বাধীনতা শব্দটি কি করে আমাদের হলো’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল। এরপর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী রন্টি দাস। সমবেত সংগীত পরিবেশন করে সংগীত কলেজ “ইতিহাস জানো তুমি আমরা, আমরা পরাজিত হই নি” এবং “কারার ওই লৌহ কপাট”। এরপর কবি কন্ঠে কবিতা পাঠ করেন স্বনামধন্য কবি নির্মলেন্দু গুণ।

    আবারো সমবেত নৃত্য, পরিবেশন করে নৃত্যদল কালারস অফ হিল “হরেক রঙ্গের মানুষ”। এরপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল পরিবেশন করে । একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ইউসুফ আহমেদ খান “সূর্যোদয়ে তুমি’ এবং “প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যের আগে”। এরপর সমবেত সংগীত পরিবেশন করে ঢাকা সাংস্কৃতিক দল। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ পরিবেশন করে সমবেত সংগীত “নোঙ্গর তোল তোল ও পূর্ব দিগন্তে সূর্য ওঠেছে”। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ পরিবেশন করে সমবেত সঙ্গীত “সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য, ও আমার দেশের মাটি”। প্রিয়াংকা গোপ পরিবেশন করেন একক সংগীত “সব কটা জানালা” এবং “প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যের আগে” । এছাড়াও একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুজিত মোস্তফা।

    কবিকন্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি ওয়াজেদ । একক সংগীত পরিবেশন করেন অনিমা মুক্তি গোমেজ “তোমরা নি কেউ জানো এবং বঙ্গবন্ধু মানেই” । এছাড়াও “আগামীর বাংলাদেশ” সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ম্যাশ মাহাবুব কোরিওগ্রাফি টিম, “মারমা ময়ুর নৃত্য” পরিবেশন করে কালারস অফ হিল, “অন্তহীন” শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করে কাথ্যাকিয়া এবং “দেশাচার্য” সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে দীক্ষা নৃত্যদল।

    এছাড়াও সারাদেশে জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় বিজয় উৎসব পালিত হয়েছে।

  • বিএনপি-জামায়াত দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায়: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপি-জামায়াত দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায়: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায়, বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ।

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশে যে অপশক্তি নির্বাচনের বিরোধিতা করছে, গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরা এই দেশে শুধু সাম্প্রদায়িকতা কায়েম করতে চায় না, এদের আসল উদ্দেশ্য এদেশের রাজনীতির অগ্রযাত্রা, রাজনীতিকে ধ্বংস করা।’

    তিনি বলেন, ‘আজকের দিনের অঙ্গীকার এই অপশক্তিকে আমরা রুখব। অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধ শক্তিকে প্রতিহত করব, পরাজিত করব। যেকোনো মূল্যেই দেশের অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতে যারা চেষ্টা করে তাদের প্রতিরোধ করা হবে।’

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা যে বাংলাদেশ পেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তা এগিয়ে যাচ্ছে। আজ আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের পর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে কাজ করছি। আগামী দিনে এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’

    তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের এত সমৃদ্ধি, এত অর্জন, এত উন্নয়ন, এর মধ্যেও আমাদের অগ্রগতির পথে, সমৃদ্ধির পথে এখনো অন্তরায় এখনো সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ, বিএনপির নেতৃত্বে আজকে সাম্প্রদায়িকতা ডালপালা বিস্তার করছে। আমাদের উন্নয়ন-অর্জনের পথে অস্তরায় সৃষ্টি করছে।

    সূত্র: বাসস

  • ৫৩তম বিজয় দিবসের স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ৫৩তম বিজয় দিবসের স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: ৫৩তম বিজয় দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট, একটি উদ্বোধনী খাম ও একটি ডাটাকার্ড অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে গণভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন।

    অনুষ্ঠানে একটি বিশেষ সিলমোহর ও ব্যবহার করা হয়।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

    এই ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটা কার্ড ঢাকা জিপিওর ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হবে এবং পরবর্তীতে সারা দেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান পোস্ট অফিসগুলোতেও পাওয়া যাবে।

  • শরিকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই বিজয়ী হতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    শরিকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই বিজয়ী হতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: শরিকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই বিজয়ী হতে হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে বিজয়ের গ্যারান্টি দিতে পারবো না। আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আমারও বিজয়ের গ্যারান্টি নেই। আমাকেও চার জনের সঙ্গে লড়াই করতে হবে।  যদি তাদের মধ্যে কেউ জিতে যায়, আমাকে মানতে হবে। এখানে হার-জিতের প্রশ্ন হবে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।’

    আজ শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন,  ‘এখন শরিক দলের যত নেতা আছেন, তাদের সন্তুষ্ট-অসন্তষ্ট হওয়ার কিছু নেই। যার যার প্রতীকেই নির্বাচন করতে পারবে সবাই। তাদের কেউ বাধা দেয়নি, দেবেও না। তাদের সবার এবার নির্বাচন করার সুযোগ আছে। তারা যার যার প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে। কারও ব্যাপারে কোনও বাধা নেই।

    জাতীয় পার্টি ইস্যুতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জাতীয় পার্টি তাদের নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করবে। ১৪ দলে কয়েকটি নৌকা দেবো। এরই মধ্যে আমি ১৪ দলের সমন্বয়ককে আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি। নির্বাচন তারা সবাই করুক, তাদের দলের প্রতীক নিয়ে, সাতটা নির্বাচনি এলাকায় আমরা নৌকার ছাড় দিতে পারব। এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

    সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলছে। সবাই শুধু বিভিন্ন দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে কথা বলেন। এই সময়টাকে, আমাদের এই অ্যালায়েন্সটাকে আমরা যতটা রাজনৈতিক মূল্য দিচ্ছি, আসনের ব্যাপারটা কম।’

    টিআইবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এবার ২৮টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি সহ কয়েকটি দল নির্বাচন থেকে দূরে রয়েছে। টিআইবি বলছে এখন বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না। টিআইবির কাছে জানতে চাই, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে কী বুঝায়?। টিআইবি আর বিএনপি একই সুরে কথা বলছে।’

    তিনি বলেন, নির্বাচন গণতন্ত্রের প্রাণ। সরকারি দল হিসেবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক করাই আওয়ামী লীগের দায়িত্ব। যে  কোনো মূল্যে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করে রেকর্ড করতে চায় আওয়ামী লীগ।

    আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া ব্যবস্থাকে স্বাগত জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া ব্যবস্থাকে স্বাগত জানাচ্ছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করার ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ সমর্থন করেছে। নির্বাচন কমিশনকে কোনোভাবে প্রভাবিত করছে না আওয়ামী লীগ।

    তিনি বলেন, এবার যে কোন মূল্যে আমরা সুষ্ঠু অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন হিসাবে একটা রেকর্ড রাখতে চাই। নির্বাচনের আচরণ বিধি লঙ্ঘন হলে নির্বাচন কমিশন যে ব্যবস্থা নিচ্ছে আমরা তা মেনে নিচ্ছি। নির্বাচনে জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দিবে। নির্বাচন কেমন হয় তা দেখে লজ্জা পাবে বিএনপি। বিএনপির হ্যাঁ-না ভোটের পুনরাবৃত্তি এই নির্বাচনে হবেনা।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন এবার একটা ভালো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এমন একটি নির্বাচন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অঙ্গীকার। তিনি পরিস্কার করে বলেছেন দেশ-বিদেশে একটি ভালো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এমন একটি নির্বাচন করবেন। যাতে জনগণ খুশি থাকে। অতীতে বিএনপি নির্বাচনের নামে জনগণকে প্রতারিত করেছে। এখন তা হবে না।

    বিজয় দিবসের কর্মসূচির বিষয়ে কাদের বলেন, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে আমাদের কর্মসূচি শুরু হবে। ১৭ ডিসেম্বর আলোচনা সভা হবে। ১৮ ডিসেম্বর বিজয় শোভাযাত্রা করা হবে। সেদিন একযোগে সারা দেশে বিজয় শোভাযাত্রা করা হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • জাতিসংঘের স্টেটমেন্টকে আমরা স্বাগত জানাই: তথ্যমন্ত্রী

    জাতিসংঘের স্টেটমেন্টকে আমরা স্বাগত জানাই: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: জাতিসংঘের স্টেটমেন্টকে আমরা স্বাগত জানাই, বলে উল্লেখ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘নির্ভয়ে ভোটদানে জাতিসংঘের আহবান একটি ভালো স্টেটমেন্ট। এ স্টেটমেন্টকে আমরা স্বাগত জানাই। কারা ভোটদানে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে, ভোট প্রতিহত করার চেষ্টা করছে, আপনারা জানেন। বিএনপি-জামায়াত ঘোষণা দিয়েছে তারা ভোট প্রতিহত করবে। ভোটকেন্দ্রে যাতে মানুষ না যায়, সেজন্য তারা ভীতিসঞ্চার করছে, গাড়ি পোড়াচ্ছে, রেললাইন খুলে ফেলছে। আমি মনে করি এই বিবৃতি তাদের বিরুদ্ধে গেছে। কারণ এই বিবৃতি যারা ভোটকে প্রতিহত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে।’

    আজ শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটির (ডিআরইউ) নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে জাতিসংঘের সাম্প্রতিক বিবৃতি নিয়ে সাংবাদিকেদের এক প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ওরা(বিএনপি জামাত) ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে যেভাবে জ্বালাও-পোড়াও করেছিল, সেটি এখন পারছে না। এটিকে শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনা আমাদের দায়িত্ব। সেই লক্ষ্যে সরকার ও প্রশাসন কাজ করছে।’

    আওয়ামী লীগের সাথে জাতীয় পার্টির আলোচনা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আলোচনা চলছে। যে কারো সঙ্গেই ‘স্ট্র্যাটেজিক এলায়েন্স’ হতে পারে।’

    এর আগে ডিআরইউ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘ডিআরইউ সংগঠনটি চমৎকারভাবে কাজ করছে। আমি অনেক আগে থেকে তাদের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত, ভবিষ্যতেও থাকবো।’

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে গঠিত সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আজ সাংবাদিকদের জন্য একটি ভরসাস্থল উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী সংগঠনগুলোর সাংবাদিকদের জন্য গ্রুপ ইনস্যুরেন্স করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, এতে করে কেউ অসুস্থ হলে ও মৃত্যুবরণ করলে টাকা পাবে। এই সুবিধা দেশে কম।

    ডিআরইউ সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভর নেতৃত্বে নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদ সদস্যরা এ সময় মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।  সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শামীম, সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান (মিজান রহমান), সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক রফিক রাফি, নারী বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদা ডলি,  তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. রাশিম (রাশিম মোল্লা), ক্রীড়া সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ ছলিম উল্লাহ (মেজবাহ), কল্যাণ সম্পাদক মো. তানভীর আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য সাঈদ শিপন, মুহিববুল্লাহ মুহিব ও মো. শরীফুল ইসলাম সাক্ষাতে অংশ নেন।

    সূত্র: বাসস

  • আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী ২২৬০ জন

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী ২২৬০ জন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৈধ প্রার্থীর সংখা দুই হাজার ২৬০ জন।নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আপিল কার্যক্রম শেষে এই প্রার্থীদের বৈধ ঘোষনা করা হয়।

    ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল দুই হাজার ৭১৬টি। এর মধ্যে বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছেন ৭৩১টি। আর রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ে বৈধ প্রার্থী ছিল এক হাজার ৯৮৫ জন।

    শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেছেন, ৩৫টি আপিল দায়ের হয়েছিল রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে। আর বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল হয়েছিল ৫২৫টি, এ মোট ৫৬০টি আপিল দায়ের হয়েছিল।

    তিনি বলেন, ছয়দিনে (১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর) আপিল শুনানিতে বাতিল আপিলের বিরুদ্ধে ২৮০টি আপিল আবেদন কমিশন মঞ্জুর করেছেন। অর্থাৎ ২৮০ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আর  ৩৫টি গ্রহণ আপিল আবেদনের মধ্যে পাঁচটি মঞ্জুর বা পাঁচজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, দু’টি আপিল আবেদন খারিজ করা হয়েছে, ২৮টি নামঞ্জুর করা হয়েছে।

    অর্থাৎ ইসিতে আপিল শুনানি শেষে মোট বৈধ প্রার্থী দাঁড়াল দুই হাজার ২৬০জন। তবে এটিই চুড়ান্ত সংখ্যা নয়।

    ইসি কর্মকর্তারা জানান, এরই মধ্যে হাইকোর্টে দু’টি বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সেখানে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। এতে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা কমতে বা বাড়তে পারে।

    তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৭ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। এদিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলেও মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা কমবে। ১৮ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আর আগামী ৭ জানুয়ারী (২০২৩) অনুষ্ঠিত হবে সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

  • ভারতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

    ভারতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। এদিকে আগামী ১৭ ডিসেম্বর ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত। আজ প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে অঘটনের জন্ম দেয় তারা।

    অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে প্রথমে ব্যাটিং করে ভারত ৪২ দশমিক ৪ ওভারে ১৮৮ রানে অলআউট হয়ে যায়।বল হাতে ১০ ওভারে ৪১ রানে ৪ উইকেট নেন মারুফ। বর্ষন ও জীবন ২টি করে উইকেট শিকার করেন।

    ১৮৯ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে দশম ওভারে ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশের যুবারা। এ অবস্থায় দলকে লড়াইয়ে ফেরাতে শক্ত হাতে জুটি বাঁধেন আরিফুল ও আহরার আমিন। চতুর্থ উইকেটে ১৩৮ রান তুলে বাংলাদেশের জয়ের পথ সহজ করেন তারা।লক্ষ্য খুব একটা বেশি ছিল না। কিন্তু ৩৪ রানের ভেতরই প্রথম তিন ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এরপর হাল ধরেন আরিফুল ইসলাম। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে আর পেছন ফেরে তাকাতে দেননি তিনি। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন আহরার আমিন। দুজনের জুটিতে ভর করে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে পা রাখে যুবা টাইগাররা। আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৪ উইকেটে হারায় তারা।

    দুবাইয়ে আইসিসি ক্রিকেট একাডেমিতে টস জিতে ব্যাট করতে পাঠিয়ে দারুণ বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে বাংলাদেশ। দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমিতে বল হাতে ইনিংসের শুরুটা দারুণ করেন বোলাররা। দ্বিতীয় বলেই ওপেনার আদর্শ সিংকে ফেরান মারুফ। বাঁহাতি এই পেসার দলীয় ১৩ রানের মধ্যে ফেরান আরশিন কুলকারনি ও অধিনায়ক উদয় সাহারানকেও। মারুফের বেধে দেয়া ছন্দে তাল মিলিয়ে উইকেট তুলে নেন রোহানাত।

    এক পর্যায়ে ৬১ রানে ৬ উইকেট হারায় ভারত। এরপর মুশীরের সঙ্গে অভিষেকের ৮৪ রানের জুটিতে বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠে ভারত। দুই জনই অর্ধশতক তুলে নেন। সমান ৫০ রান করে মুশীর আউট হলে ভাঙে এই জুটি।

    ইনিংস সর্বোচ্চ ৬২ রান করেন অভিষেক। ৪২ ওভার ৪ বল খেলে অল আউট হওয়ার আগে ১৮৮ রান করে ভারত। বাংলাদেশের হয়ে মারুফ ৪১ রানে ৪ এবং শেখ পারভেজ জীবন, রোহানাত ২টি করে উইকেট নেন।

    জবাব দিতে নেমে প্রথম ওভারেই ওপেনার জিশান আলমকে হারায় বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের ভেতরই ফিরে যান চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (১৩) ও আরেক ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলী (৭)। দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যুবারা।

    এই দলের অন্যতম অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আরিফুল। গত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপও খেলেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে চাপের মুহূর্তে দলের হাল ধরেন ডানহাতি এই ব্যাটার। চতুর্থ উইকেটে আহরার আমিনকে নিয়ে গড়েন ১৩৮ রানের জুটি। তাতে চাপ তো দূর হয়ই, একইসঙ্গে জয়ের খুব কাছে চলে যায়।

    যদিও এই জয়ে কিছুটা আক্ষেপ লুকিয়ে রেখেছেন আরিফুল। সেঞ্চুরি থেকে ৬ রান দূরে থাকতেই সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। রাজ লিম্বানির বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ৯০ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৯৪ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন তিনি।

    জয় থেকে তখন ১৭ রান দূরে বাংলাদেশ। এরপর মোহাম্মদ শিহাব জেমস ও আহরারের উইকেটও হারায় বাংলাদেশ। ১০১ বলে ৩ চারে ৪৪ রান করেন আহরার। তবে অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাব্বীকে নিয়ে ৪৩ বল হাতে রেখেই ম্যাচ শেষ করেন শেখ পারভেজ জীবন। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন নামান তিওয়ারি।

  • ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ দ্রুত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

    ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ দ্রুত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কর্মকর্তা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে দ্রুত ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধের কথা বলেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ১৪ ডিসেম্বর হোয়াইট হাউস এ কথা জানিয়েছে।

    হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, ‘মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান তেল আবিব সফরকালে ‘অদূর ভবিষ্যতে’ গাজার বিরুদ্ধে হামলার তীব্রতা হ্রাস করার পদক্ষেপ নিয়েও তিনি আলোচনা করেছিলেন। ৭ অক্টোবরে চালানো হামাসের হামলার জবাবে গাজায় ইসরায়েলে পাল্টা হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মতবিরোধ দেখা দেয়।’

    কিরবি এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি মনে করি আমরা সবাই চাই যুদ্ধ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ হোক।’

    তিনি আরো বলেন, ‘হামাস পিছিয়ে গেলে এ যুদ্ধ ‘আজই সমাপ্ত হতে পারে। কিন্তু ‘এখন সেটির কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।’

    এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলকে জোরালোভাবে সমর্থন করলেও মঙ্গলবার তিনি এ যুদ্ধের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি জানিয়েছেন ইসরায়েল গাজায় নির্বিচারে বোমা হামলা চালিয়ে দেশটি বিশ্বব্যাপী তাদের সমর্থন হারানোর ঝুঁকি নিচ্ছে।

    ইসরাইয়েল ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলায় প্রায় ১,২০০ জন নিহত হয়। এদের বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক।

    হামাসের এমন হামলার জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় ব্যাপক হামলা শুরু করে।

    সেখানে হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গাজা উপত্যকায় এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ১৮,৭৮৭ জন নিহত হয়েছে। এদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

    সূত্র: বাসস