www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২০ মার্চ, ২০২৪: আবারও সুখী দেশের তালিকায় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ফিনল্যান্ড। এই নিয়ে টানা সাত বছর ধরে শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখলো দেশটি। এরপর ২০টি সুখীদেশের তালিকায় রয়েছে ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, সুইডেন, ইসরায়েল, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে, লুক্সেমবার্গ, সুইজ্যারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড, কোস্টারিকা, কুয়েত, অস্ট্রিয়া, কানাডা, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, চেক রিপাবলিক, লিথুনিয়া, ও ব্রিটেন।
সুখী দেশের তালিকার সবচেয়ে নিচে রয়েছে আফগানিস্তান। গতবারের মতো এ বছরও সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান পিছিয়েছে। জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত জরিপ প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ১৪৩টি দেশকে।
২০২৪ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ রয়েছে ১২৯তম অবস্থানে। গত বছর এ অবস্থান ছিল ১১৮। সে হিসাবে এ বছর বাংলাদেশের অবস্থান ১১ ধাপ পিছিয়েছে। গতবারের আগের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে বাংলাদেশ ছিল তালিকার ৯৪ নম্বরে।
বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর মধ্যে নেপাল রয়েছে ৯৩তম, পাকিস্তান ১০৮তম, মিয়ানমার ১১৮তম, ভারত ১২৬তম ও শ্রীলঙ্কা ১২৮তম ।
এদিকে তালিকায় এশিয়ার দেশগুলোর মাঝে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে কুয়েত। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি সবচেয়ে সুখী দেশের তালিকায় ১৩তম অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ২২তম অবস্থানে, সৌদি আরব ২৮তম অবস্থানে, সিঙ্গাপুর ৩০তম অবস্থানে রয়েছে।
এছাড়া তাইওয়ান ৩১, স্পেন ৩৬, ইতালি ৪১, ব্রাজিল ৪৪, উজবেকিস্তান ৪৭, আর্জেন্টিনা ৪৮, কাজাখস্তান ৪৯, জাপান ৫১, দক্ষিণ কোরিয়া ৫২, থাইল্যান্ড ৫৮, মালয়েশিয়া ৫৯, চীন ৬০ ও লিবিয়া আছে ৬৬তম অবস্থানে।
হেলসিংকি ইউনিভার্সিটির গবেষক জেনিফার ডি পাওলা বলেন, ফিনল্যান্ডের মানুষের এতটা সুখী হওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রকৃতির সঙ্গে তাদের নিবিড় সান্নিধ্য, সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যসম্মত কর্মজীবন।
সুখ ও ভালো থাকার বিষয়টিতে একটি সর্বজনীন লক্ষ্য ও প্রত্যাশার সূচক নিয়ে প্রতিবছর ২০ মার্চ আন্তর্জাতিক সুখ দিবস পালিত হয়।
এক দশকের বেশি আগে থেকে সুখী দেশ নিয়ে এমন তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। এবারই প্রথম বিশ্বের অন্যতম ধনী ও সমৃদ্ধ দেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানি প্রথম ২০টি সুখী দেশের তালিকায় স্থান পায়নি। এ বছর দেশ দুটির অবস্থান যথাক্রমে ২৩তম ও ২৪তম।
সুখী দেশের তালিকার ক্ষেত্রে মানুষের সুখের নিজস্ব মূল্যায়ন, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে শূন্য থেকে ১০ সূচকে নম্বর পরিমাপ করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি দেশের মানুষের ব্যক্তিগত সুস্থতার অনুভূতি, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, উদারতা, জিডিপি ও দুর্নীতির মাত্রা বিবেচনা করা হয়। বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলেই বয়স্কদের তুলনায় তরুণেরা বেশি সুখী। আবার ইউরোপ ছাড়া সব অঞ্চলে সুখ নিয়ে অসমতা বেড়েছে।










