www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ নভেম্বর, ২০২৩: কল্যাণ পার্টিসহ যুক্তফ্রন্ট নামের নতুন এক জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। ত্মপ্রকাশের দিনে দলীয় সরকারের অধীনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছাপোষণ করেছে সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বাধীন ‘যুক্তফ্রন্ট’।
আজ বুধবার (২২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বীর প্রতীক নতুন জোটের আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দিয়ে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশ নেয়ার কথা জানান।
সৈয়দ ইবরাহিম আরও বলেন, ‘গত ১৬ বছরে যোগ্যতা, সাহস ও আগ্রহ থাকার পরও অনুকূল পরিবেশ না থাকায় সংসদে যেতে পারিনি। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমাদের সিদ্ধান্ত কারও পছন্দ হবে, কারও পছন্দ হবে না। সমালোচনা থাকবে। দালাল, বিশ্বাসঘাতক, মীর জাফর হয়ে গেছি বলে সমালোচনা হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে সমালোচনা করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংকটময়।’
কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিএনপি তাদের অবস্থানে আছে। বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানানোর পরিবর্তে সংলাপের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতি আহ্বান জানাব, গ্রহণযোগ্য পরিবেশে সংলাপে বসুন। জাতির মঙ্গলের জন্য সিদ্ধান্ত নিন।’
সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার রাজনৈতিক অক্ষমতা এই যে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে পেরে উঠছি না। ২৮ অক্টোবরের পরে সুনির্দিষ্ট একটা অবস্থা এসে দাঁড়িয়েছে। যেখানে পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। চুপ থাকব নাকি বিকল্প ব্যবস্থা নেব। আমি বিকল্প অবস্থান নিয়েছি, নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পর বিরোধী দলের বেঞ্চে বসাই আমাদের আগ্রহ।’
কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘যুক্তফ্রন্ট আগামী নির্বাচনে ১০০ আসনে প্রার্থী দেবে।’
নতুন যুক্তফ্রন্ট জোটের মধ্যে রয়েছে -বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, মুসলীম লীগ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মহাসচিব জাফর আহমেদ জয়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের চেয়ারম্যান শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী প্রমুখ।
গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তফসিল অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর এবং নির্বাচনী প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির ৫ তারিখ পর্যন্ত চলবে।
সৈয়দ ইবরাহিম জানান, ‘নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার তারিখ ৩০ নভেম্বর থেকে পেছানো হতে পারে। নির্বাচনের ভোটগ্রহণসহ অন্যান্য তারিখও পেছানো হতে পারে বলে।’










