হতাশা মোকাবেলায় এই ৫টি নিয়ম মানুন

হতাশা মোকাবেলায় এই ৫টি নিয়ম মানুন

সারাদিন কাজের চাপ, কখনো পারিবারিক সমস্যা, কখনোবা ব্যক্তিগত সমস্যা। নানা জটিলতায় জীবন হাঁপিয়ে ওঠে। এবং মানসিক অবসাদে পরিণত হতে হয়।

সুস্থ জীবন পেতে, সুস্থ থাকতে শরীরের পাশাপাশি মনের সুস্থতাতেও মনোযোগ দিতে হবে। নয়তো দীর্ঘদিন ডিপ্রেশনে ভুগে মারাত্মক অসুস্থতার সম্মুখীন হতে পারে যে কেউ। কিছু উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে অবসাদ কাটিয়ে তোলা যায়। এমন কিছু ঘরোয়া উপায় চলুন জেনে নিই-

ঘুমের নির্দিষ্ট সময় বাছাই করুন

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে উঠুন। আবার নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমান। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমালে এবং ঘুম থেকে উঠলে শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লক সঠিকভাবে চলে। এটি ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে। অবসাদ কমাতেও উপকারি ভূমিকা রাখে।

সূর্যের আলোয় মন ভরান

আমাদের শরীরে সুখী হরমোনের (happy hormones) উৎপাদন বাড়ায় সূর্যের আলো। ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। মানসিক অবসাদে ভুগলে সূর্যের আলোতে দাঁড়ান। শরীরের জন্য এটি বেশ ভালো কাজ করবে। সূর্যাস্তের পরে অন্ধকার নামার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কে মেলাটোনিন হরমোন ক্ষরণ বাড়তে থাকে। আবার, দিনের বেলায় সূর্যের আলোয় মেলাটোনিন ক্ষরণ কমে যায়। ফলে ঘুমের ঘোর কাটে। তাই, মেলাটোনিনের মাত্রা কমাতে কিছুক্ষণের জন্য সূর্যের আলোয় দাঁড়ান। এতে মেজাজ ঠান্ডা হবে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম

প্রতিদিন সকালে কিছুক্ষণ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। এটি উদ্বেগ ও স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। বড় করে শ্বাস নিয়ে কিছু সময় দম বন্ধ করে রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।

দৈনন্দিন প্রার্থণা ও ব্যায়াম করুন

দৈনন্দিন প্রার্থণায় মানুষের মনে ইতিবাচকতা তৈরি হয়। পাশাপাশি ভালো কাজের আসক্তি তৈরি হয়। মন হয় শান্ত ও প্রফুল্ল। পাশাপাশি, শরীরচর্চা বা ব্যায়াম বিষণ্ণতার চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। কারণ শরীরচর্চা করলে এন্ডোরফিন হরমোন ক্ষরণ হয়, যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। তাই রোজ অন্তত কিছুটা সময় ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন।

স্বাস্থ্যকর সকালের নাশতা

শরীরে প্রয়োজনীয় এনার্জি পেতে সকালের নাশতা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর হতে হবে। নয়তো শরীর ও মন উভয়েরই ক্ষতি হতে পারে। সকালে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। প্রতিদিন সকালে সুষম খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ডিপ্রেশন বা অবসাদ কমাতে কোনো নেশায় আসক্ত এবং ওষুধ না খেয়ে, ঘরোয়া এই উপায়গুলো কাজে লাগান। ভালো থাকবেন আপনি।

তথ্যসূত্রঃ ভেরিওয়েলমাইন্ড

পূর্ববর্তী সম্ভবত ইংল্যান্ডে এটাই আমার শেষ ম্যাচ: তামিম
পরবর্তী দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর