গ্রহণের সময় সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসবে পৃথিবী, যার কারণে চাঁদের পৃষ্ঠে বড় ছায়া পড়বে। ক্রমশ অদৃশ্য যাবে চাঁদ। সুতরাং পূর্ণিমার রাতও অন্ধকার হয়ে যাবে।
গ্রহণটি শুরু হবে রাত ৯টা ১২ মিনিট ১৮ সেকেন্ডে। আর শেষ হবে রাত ১টা ৩৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে। এরমধ্যে মধ্যবর্তী গ্রহণ হবে রাতে ১১টা ২৩ মিনিটে।
আজ সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় থাকবে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্যের কক্ষপথের আকৃতির জন্যই এই গ্ৰহণ অন্যরকম হতে চলেছে। গ্রহণের সময় সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসবে পৃথিবী, যার কারণে চাঁদের পৃষ্ঠে বড় ছায়া পড়বে। ক্রমশ অদৃশ্য যাবে চাঁদ। সুতরাং পূর্ণিমার রাতও অন্ধকার হয়ে যাবে। পৃথিবীর বেশিরভাগ অংশেই দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ। ঠিক সেই সময় চাঁদ দিগন্তের উপরে থাকবে। ইন দ্য স্কাই-এর রিপোর্ট অনুসারে, এর মধ্যে অ্যান্টার্কটিকা, এশিয়া, রাশিয়া, আফ্রিকা এবং ওশিয়ানিয়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাতের আকাশে এক অন্য অবতারে দেখা যাবে চাঁদকে। বুদ্ধপূর্ণিমার মতো দিনে চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে গোটা দেশ। তাহলে আর দেরি কেন, জেনে নিন আরও বিশদে।
আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী জানান, বাংলাদেশের আকাশে গ্রহণটি দেখা যাবে না।
অস্ট্রেলিয়ার কিম্বলটন শহর হতে দক্ষিণ পশ্চিম দিকে উপচ্ছায়ায় চাঁদের প্রবেশ হবে শুক্রবার (০৫ মে) স্থানীয় সময় রাত ১১টা ২৭ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে। অস্ট্রেলিয়ার কোকাস আইল্যান্ড হতে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ভারত মহাসাগরে রাত ১১টা ৫৬ মিনিট ১৮ সেকেন্ডে হবে মধ্যবর্তী গ্রহণ।
উপচ্ছায়া হতে চাঁদের নির্গমন হবে মরিশাসের মাথুরিন বন্দর হতে উত্তর-পশ্চিম দিকে ভারত মহাসাগরে স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৪২ সেকেন্ড।
