Tag: সহায়তা

  • রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য বিশ্বব্যাংকের ৭০ কোটি ডলার সহায়তা

    রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য বিশ্বব্যাংকের ৭০ কোটি ডলার সহায়তা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩০ মে, ২০২৪: বাংলাদেশে আশ্রিত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ৭০ কোটি ডলার সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের পর্ষদ।

    মৌলিক সেবা প্রদান এবং দুর্যোগ ও সামাজিক সহিষ্ণুতা তৈরিতে দু’টি প্রকল্পের আওতায় গতকাল বুধবার এ অনুদান অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

    ২০১৭ সাল থেকে সহিংসতার কবলে পড়ে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির সংকটগুলোর মধ্যে অন্যতম।

    বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক বলেন, আমরা প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের উদারতাকে বিশেষভাবে প্রশংসা করি। আমরা স্থানীয় আশ্রয়দাতা গোষ্ঠীর বিষয়টিও উপলব্ধি করি। এই সংকট এরই মধ্যে ৭ বছরে পদার্পণ করেছে এবং তাদের স্বল্পমেয়াদী ও জরুরি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও টেকসই সমাধান অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে। আমরা এই জটিল সংকট মোকাবিলায় এবং রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বাংলাদেশ সরকারকে সাহায্য করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

    সংকটের ৭ বছরে পদার্পণের এই সময়ে ৩৫ কোটি ডলারের ‘ইনক্লুসিভ সার্ভিসেস অ্যান্ড অপরচুনিটিজ ফর হোস্ট কমিউনিটি অ্যান্ড ডিসপ্লেসড রোহিঙ্গা পপুলেশন (আইএসও)’  প্রকল্প এবং ৩৫ কোটি ডলারের ‘হোস্ট অ্যান্ড রোহিঙ্গা এনহান্সমেন্ট অফ লাইভস (হেল্প)’ প্রকল্প দুটি বাংলাদেশি আশ্রয়দাতা ও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করবে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সহায়তায় বিশ্বব্যাংকের ‘আইডিএ২০ উইন্ডো ফর হোস্ট কমিউনিটিজ অ্যান্ড রিফিউজিস’ এর আওতায় এই অর্থায়ন করা হবে। এ ৭০ কোটি ডলারের পুরোটাই অনুদান।

    ‘ইনক্লুসিভ সার্ভিসেস অ্যান্ড অপরচুনিটিজ ফর হোস্ট কমিউনিটি অ্যান্ড ডিসপ্লেসড রোহিঙ্গা পপুলেশন’ প্রকল্পটি রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অন্তত: ৯ লাখ ৮০ হাজার মানুষের জীবিকা ও অপরিহার্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা, জেন্ডার সহিংসতা মোকাবিলা ও  প্রতিরোধ সেবার জন্য বিনিয়োগ করবে। প্রকল্পটি ১২ বছরের কম বয়সী ৩ লাখ রোহিঙ্গা শিশুকে শিক্ষাসহ মানব পুঁজি উন্নয়নে বিনিয়োগ করবে।

    আইএসও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার এস. আমের আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিন ধরে এ বাস্তুচ্যুতির যে সংকট মোকাবিলা করছে- সেটি আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠী হোক আর বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীই হোক, শেষ পর্যন্ত মানুষকে সহায়তার চ্যালেঞ্জ। আইএসও  প্রকল্প অস্থায়ী কাজ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, শিশু সুরক্ষা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা এবং জেন্ডার–ভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলা ও  প্রতিরোধ সেবা প্রদানে বিনিয়োগ করতে, সুরক্ষা দিতে ও মানব পুঁজি ব্যবহার করতে উভয় জনগোষ্ঠীর ঝুঁকিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সাহায্য করবে।

    সূত্র: বাসস

  • সরকারি খরচে ৩০৪৮টি মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান

    সরকারি খরচে ৩০৪৮টি মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ এপ্রিল, ২০২৪: বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে সরকারি খরচে ৩০৪৮টি মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে আইনি সহায়তা দেয়া ৩০৪৮টি মামলার এর মধ্যে নিস্পত্তি হয়েছে ২২১৫টি। এসব মামলায় উপকারভোগী ২৬ হাজার ৯৩৮ জন। আইনি পরামর্শ সেবা পেয়েছেন ২৩ হাজার ৮৯০ জন।

    জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে সরকারি খরচে ২০০৯ সাল থেকে নভেম্বর-২০২৩ পর্যন্ত আইনি সেবার তথ্য সংস্থাটি প্রকাশ করেছে।

    দেশে আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগনকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০’ প্রনয়ন করা হয়।  ২০০০ সালে তৎকালীন শাসন আমলে আইনটি প্রনয়ন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। তারপরের সরকার গুলো আইনটি কার্যকরে উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ নেয়নি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্টিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আওয়ামীলীগ দরিদ্র ও অসচ্ছল জনগণের বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে আইনটি কার্যকরে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। দেশের সকল আদালত, সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে ’লিগ্যাল এইড’এখন দরিদ্র ও অসহায় বিচারপ্রার্থীদের নিকট ভরসাস্থল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। ২০০৯ সাল থেকে সংস্থাটি জেলা পর্যায়ে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট, শ্রম আদালতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যাপ্তি বৃদ্ধি পায়। সুপ্রিম কোর্টে ২০১৫ সালে ‘লিগ্যাল এইড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার বর্তমানে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে ‘সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস’ স্থাপিত হয়েছে। এর কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন। বিচারপ্রার্থীদের আইনগত সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের জন্য সুনির্দিষ্ট আইনজীবী প্যানেল রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি বিভিন্ন সভা, সেমিনার, মতবিনিময় ও কমিটির নিয়মিত সভা করছেন।

    সূত্র: বাসস

  • বাংলাদেশকে সহায়তায় আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ: বিশ্বব্যাংক

    বাংলাদেশকে সহায়তায় আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ: বিশ্বব্যাংক

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশকে সহায়তায় আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ, বলে জানিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুলাই শেখ। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের নতুন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের একটা ভালো বৈঠক হয়েছে। আমরা বাংলাদেশকে সহায়তার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছি। আপনারা জানেন, এই সহায়তা অনেক বড় ও জোরালো। আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশকে সহায়তায় আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।”

    আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে নতুন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, “আমরা আলোচনা করেছি এই সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়ে। আলোচনার মধ্যে অর্থায়ন যেমন ছিল, তেমনই সংস্কারের বিষয়টিও ছিল। কারণ সংস্কার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক সংস্কার এজেন্ডা নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে।

    আব্দুলাই শেখ আরও বলেন, “এক্সচেঞ্জ রেট, মুদ্রানীতি, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য সুরক্ষা নীতি ও রাজস্ব নীতিতে সংস্কার বিষয়ে আমরা কথা বলেছি।”

    বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আরও বলেন, “বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে আমরা সহায়তা করে আসছি।”

    বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এসেছিলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। আমিই তাকে নিয়ে গিয়েছিলাম। রোহিঙ্গারা তো এখনো যায়নি, যে কারণে সেই সম্পর্ক আছে। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের জন্য কাজ করে। তারা বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চান।”

    বিশ্বব্যাংক যে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সংস্কার চাচ্ছে, এ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সংস্কার তারা চাচ্ছেন। সংস্কারতো অবশ্যই দরকার। তারা বলেছেন, সহায়তা করতে প্রস্তুত।”

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেখি আমরা, কাজ শুরু করি। আমাদের মধ্যে ব্যাপক একটা সম্পর্ক রয়েছে। তারা সেটা অব্যাহত রাখবেন।”

  • গাজায় ওষুধ ও মানবিক সহায়তা পৌঁছেছে

    গাজায় ওষুধ ও মানবিক সহায়তা পৌঁছেছে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪: হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যকার চুক্তির অংশ হিসেবে গাজায় মানবিক সহায়তা এবং ওষুধ পৌঁছেছে। এর আগে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়।

    কাতার সরকার এ বিষয়ে একটি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করে। যা ফরাসি সরকারের সমর্থন ছিলো। ফলে গাজার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বেসামরিক নাগরিকদের কাছে ওষুধ এবং অন্যান্য মানবিক ত্রাণ সরবরাহের অনুমতি মিলেছে।

    অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ৪৫ ইসরায়েলি বন্দিকে ওষুধ সরবরাহের বিনিময়ে এই চুক্তির ব্যাপারে একমত হয়েছে ইসরায়েল। কাতারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গতকাল বুধবার (১৭ জানুয়ারি) ওষুধ এবং মানবিক সহায়তা দোহা থেকে মিশরে গেছে। পরে সেখান থেকে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এগুলো গাজায় পৌঁছে দিয়েছে।

    বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতার ও ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় মঙ্গলবার দুপক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে। নতুন এই চুক্তি অনুযায়ী, নিজেদের হাতে আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের শারীরিক ও স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে হামাস। তার বিনিময়ে গাজা উপত্যকায় আরও বেশি ত্রাণ সামগ্রী ঢুকতে দেবে ইসরায়েল।

    কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এক বিবৃতিতে জানান, এ চুক্তি অনুযায়ী গাজায় বন্দি ইসরায়েলি জিম্মিদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সুরক্ষা দেবে হামাস। আর গাজার সবচেয়ে বিধ্বস্ত এলাকায় মানবিক সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ বেসামরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, গাজার ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণসামগ্রী ও হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের জন্য ওষুধের প্রথম চালানটি বুধবার কাতারের রাজধানী দোহা থেকে মিশরের উদ্দেশে পাঠানো হবে। তারপর সেখান থেকে ত্রাণ ও জিম্মিদের জন্য ওষুধ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস যাবে গাজায়।