Tag: রাজনীতি

  • বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই দেশকে তলিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেছে: নৌপ্রতিমন্ত্রী

    বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই দেশকে তলিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেছে: নৌপ্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২১ মে, ২০২৪: বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই দেশকে তলিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেছে, বলে জানিয়েছেন নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি বিএনপির জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা, দেশকে তলিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেছে। কারণ তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশ্বাস করো না, তারা মুক্তিযুদ্ধকে মানে না। আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াক, তারা চায় না। এজন্য তাদের অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন যে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দরকার নেই। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে সাহায্য পাওয়া যায় না। বিএনপি একটি সাহায্য নির্ভর রাজনীতিক দল।”

    আজ মঙ্গলবার (২১ মে) সকালে দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলা ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি বুঝতে পারছে ভোটে এলে তাদের সম্মান থাকবে না। কাজেই তারা এখন ভোট বর্জন শুধু না, দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত। সমগ্র পৃথিবী আজ যুদ্ধের মধ্যে জড়িয়ে গিয়েছে। এরকম একটি অর্থনৈতিক বিরাজমান পরিস্থিতিতে কোথায় তারা দেশের জন্য কথা বলবে, তা না করে তারা দেশকে কীভাবে নিচে নামানো যায় সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। এটা খুবই দুঃখজনক।”

    তিনি আরও বলেন, “এখন আর জাল ভোট দেওয়ার প্রচলন নেই। ভোটে মানুষের আগ্রহ আছে, প্রচারণায় দেখা গেছে। এখন কাজের মৌসুম এবং প্রচণ্ড গরম, বৃষ্টি হচ্ছে। প্রচারণা ভালো হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে। ভোটকেন্দ্র দখল করা, ভোটের যে কারচুপি, অনৈতিক কাজকর্ম ভোটের মধ্যে ছিল তা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। চলমান যে ভোটগুলো হচ্ছে তার বড় অর্জন মানুষ অনৈতিক জায়গাগুলো পছন্দ করছে না। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও এসবের মধ্যে নেই। প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে যাচ্ছে, ভোটাররা যাকে ভালো মনে করবে তাকে নির্বাচন করবে। আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দিব।”

    আজ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

  • সোনাক্ষীর রাজনীতির প্রতি আগ্রহ নেই

    সোনাক্ষীর রাজনীতির প্রতি আগ্রহ নেই

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৫ মে, ২০২৪: সোনাক্ষী সিনহা বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা। ইতিমধ্যে মুম্বাই ফিল্ম জগতের নিজের যোগ্যতা প্রমান করে নিদের অভিনয় দক্ষতার প্রমান রেখেছেন। বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতি শুরু করেন। তিনি বর্তমানে লোকসভার সংসদ সদস্য। শত্রুঘ্ন সিনহার পরিবারে শুধু তিনি একাই নন, তার দুই যমজ ছেলের মধ্যে এক ছেলে রাজনীতিতে পা রেখেছেন। স্ত্রী পুনমও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এমনকী লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণার আগে সোনাক্ষীরও রাজনীতিতে আসার খবর রটেছিল। যদিও তেমন কিছুই হয়নি। তবে ভবিষ্যতে অভিনেত্রীর রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনা নিয়ে সোনাক্ষী সাফ জানিয়েছেন, তিনি বাবার মতো নন। রাজনীতির প্রতি আগ্রহ নেই তার।

    সোনাক্ষী ২০১০ সালে সালমান খানের বিপরীতে দাবাং ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পে আত্মপ্রকাশ করেন, যেটি ২০১০ সালের বলিউডের সর্বোচ্চ ব্যবসা সফল ছবির মর্যাদা লাভ করে। সোনাক্ষী তার অভিনয়ের জন্য ইতিবাচক মন্তব্য লাভ করেন; এছাড়াও শ্রেষ্ঠ নারী চরিত্রে অভিষেকের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। সিনহার বেশকিছু ব্যবসা সফল ছবির মধ্যে রাউডি রাঠোর (২০১২) এবং দাবাং ২ (২০১২) অন্যতম। সিনহা এরপর লুটেরা (২০১৩) সিনেমায় অভিনয়ের দক্ষতার জন্য সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিলেন। তাই অভিনয় জগতে নিজের স্থান পাকা করে নিয়েছেন। তাই তিনি বাবারে মতো রাজনীতিতে যেতে চননা।

    এমনিতেই তারকার সন্তানেরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিনয়কে পেশা হিসাবে বেছে নেন। তাতে অবশ্য প্রতিনিয়ত তাদের বাবা বা মা’কে স্বজনপোষণের বিতর্ক তাড়া করে। অভিনয় জগতে এসে সোনাক্ষীকে বিভিন্ন সময় এমন নানা কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে।

    তবে সোনাক্ষী জানান, তার বাবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালবাসেন। আর সোনাক্ষী সব কিছু ব্যক্তিগত রাখতে পছন্দ করেন। অভিনেত্রীর কথায়, ‘‘রাজনীতিতে এলে গোটা দেশের জনগণের জন্য ভাবতে হয়। সেই ক্ষমতা আমার মধ্যে নেই।’’

    অভিনেত্রীর ধারণা, রাজনীতির জন্য যে ধরনের জীবনবোধের প্রয়োজন, সেটা একেবারে ভিন্ন তার ভাবনাচিন্তার থেকে। পরিশেষে সোনাক্ষী বলেন, ‘‘ কোনও কিছু করতে গেলে ‘বুড়ি ছোঁয়ার’ মতো করে লাভ নেই।’

    তাই ধরেই নেওয়া যায় রাজনীতিতে সোনাক্ষীর খুব একটা আগ্রহ নেই।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনকল্যাণ: রাষ্ট্রপতি

    রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনকল্যাণ: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ এপ্রিল, ২০২৪: রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনকল্যাণ, বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনকল্যাণ। সরকার ও রাজনীতিবিদদের সকল সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেই জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।

    আজ মঙ্গলবার (এপ্রিল ৩০) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কমিউনিটি ক্লিনিকের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয় এবং জনগণের ভোগান্তি বাড়ে এ ধরণের কর্মসূচি পরিহারের অনুরোধ জানান।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “জনস্বার্থে গৃহীত সরকারের সকল উদ্যোগকে সফল করতে দলমত নির্বিশেষে একযোগে কাজ করুন।”

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কমিউনিটি ক্লিনিকের টেকসই অগ্রযাত্রায় সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

    কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্যোক্তাদের সার্বিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন বাঙালির স্বাধীনতার জন্য কাজ করে গেছেন এবং বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন।”

    সরকারের কার্যক্রমের প্রতিটি ক্ষেত্রে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে চিকিৎসা সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়।”

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ২০০০ সালের ২৬ এপ্রিল গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গায় প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু করেন। কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বর্তমানে সারা বিশ্বে স্বাস্থ্যসেবার ‘অনন্য মডেল’ হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “কিন্ত ২০০১ সালের নির্বাচনে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর তৎকালীন সরকারের একটি প্রতিহিংসামূলক জনস্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্তে বন্ধ করে দেওয়া হয় প্রান্তিক মানুষের জন্য এই জননন্দিত স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগটি।”

    তিনি বলেন, “আজ প্রান্তিক মানুষের, বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে কমিউনিটি ক্লিনিক জনগণের ভরসার স্থলে পরিণত হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের উপযোগিতা ও সুনাম গ্রাম-শহর ছেড়ে জাতীয় পর্যায়ে, এমনকি বিশ্ব-পরিমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি আশ্রয়ণ, সবার জন্য বিদ্যুৎ, আমার বাড়ি আমার খামার, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ মোট দশটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।”

    ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ জাতি গঠনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত এই দশটি বিশেষ উদ্যোগ ইতোমধ্যে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “জাতিসংঘ কমিউনিটি ক্লিনিককে ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এটি সরকারি, বেসরকারি অংশীদারত্বে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় আমাদের সরকারের উদ্ভাবনী নেতৃত্বের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।”

    রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর অনন্য উদ্যোগ ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ ছড়িয়ে পড়বে পুরো বিশ্বে এবং মানবকল্যাণে ভূমিকা রাখবে।

    কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা ট্রাস্টের সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের  মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অতিরিক্ত সচিব এ কে এম নুরুন্নবি কবীর এবং কমিউনিটি বেইসড হেলথ কেয়ারের (সিবিএইচসি) লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. কাইয়ুম তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা ও অধিকতর উন্নয়নের জন্য বিশেষ অবদান রাখায় তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। পদকপ্রাপ্তরা হলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এমিরিটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ, জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির গেস্ট লেকচারার বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আহমদ আল কবির, গোপালগঞ্জের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ফেরদৌস।

    অনুষ্ঠানে ‘স্মার্ট কমিউনিটি ক্লিনিক: কমিউনিটি ক্লিনিকের বিশ্বায়ন’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

  • বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি চলবে

    বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি চলবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে ওই সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

    বুয়েটের হল থেকে সম্প্রতি বের করে দেয়া শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা ইমতিয়াজ রাব্বির করা এক রিটের শুনানি শেষে আজ সোমবার (১ এপ্রিল) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন।

    আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। তিনি জানান, বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের নোটিশ দেওয়ার কোনো ভিত্তি নেই। সমাবেশ, রাজনৈতিক দল করার এবং বাক স্বাধীনতার অধিকার মৌলিক অধিকার হিসেবে দেওয়া আছে। বুয়েট অর্ডিন্যান্স,  ১৯৬১ অনুসারে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলা আছে। নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা নেই। তারপরেও ওই নোটিশকে সম্মান করে আসছিলো ছাত্রলীগ। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফূল দিতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এরপর রাজনীতি নিষিদ্ধের নোটিশ যখন আমাকে দেখালো আমি বললাম, এটা মৌলিক অধিকার ও বুয়েট অর্ডিন্যান্স পরিপন্থী। গতকাল রিট প্রস্তুত করে আজকে ফাইল করে শুনানি করেছি। আদালত রুল জারি করে বিজ্ঞপ্তিটা স্টে করেছেন। যার ফলে বুয়েটে রাজনৈতিক কার্যক্রমে আর কোনো বাধা থাকলো না।

    আদালতে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

    রিটটি করেন বুয়েটের ২১ ব্যাচের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ হোসেন রাহিম। তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।

    ২০১৯ সালে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে আবরার ফাহাদ নামে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তখন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ২০১৯ সালের ১১ অক্টোবর একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বুয়েটের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যক্রম কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে নিষিদ্ধ করা হলো। ’

    এরপর থেকে বুয়েটে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।

    গত ২৭ মার্চ বৃহস্পতিবার গভীররাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি, দপ্তর সম্পাদকসহ অনেকেই বুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। পুরকৌশল বিভাগের ২১তম ব্যাচের ছাত্র ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইমতিয়াজ হোসেন রাহিম এ সমাগম ঘটান বলে অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন।

    এরপর শুক্রবার রাতে বুয়েটের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ফোরকান উদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৮ মার্চ মধ্যরাতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংঘটিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ১. বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ ব্যাচের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ হোসেন রাহিমের (স্টুডেন্ট নম্বর ২১০৪১৪১) হলের সিট বাতিল করা হলো। ২. এছাড়া সার্বিক বিষয়ে তদন্তপূর্বক সুপারিশ প্রদান করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর টার্মসেমিস্টার ফাইনালসহ সকল অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    এদিকে বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি চালু চেয়ে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রলীগ। এর মধ্যে বুয়েট ছাত্র ও ছাত্রলীগ নেতা ইমতিয়াজ রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধে ২০১৯ সালের ১১ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন।

  • আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে: হাছান মাহমুদ

    আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে: হাছান মাহমুদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী  এবং  আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে।

    তিনি গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এর আগে রাজশাহী বিএনপির আহ্বায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন এরপর সিরাজগঞ্জে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল হাসান রঞ্জন জননেত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে যে ষড়যন্ত্রটা করছে, সেটিরই বহি:প্রকাশ হচ্ছে তাদের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের এই সমস্ত বক্তব্য।’

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর স্বাধীনতাবিরোধী দেশি ও আন্তর্জাতিক অপশক্তি মিলে বঙ্গবন্ধুকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে হত্যার পথ বেছে নিয়েছিলো। আজকেও বিএনপিসহ যে রাজনৈতিক অপশক্তি বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তারা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে, পরপর তিনবার জনগণের রায় নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিলো  আজকে বিএনপি  যে সেই একই পথে হাঁটছে, একই পরিকল্পনা করছে, বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাদের এ সমস্ত বক্তব্য তারই বহি:প্রকাশ।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি দুটি ষড়যন্ত্র নিয়ে এগুচ্ছে। একটি হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এলিমিনেট’ করা, আরেকটি হচ্ছে দেশে একটি অস্বাভাবিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে দেশটাকে অপশক্তির হাতে তুলে দেওয়া। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ সেটি হতে দেবে না।  সিরাজগঞ্জে যে ঘটনা ঘটেছে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। বিএনপিরই উচিত ছিলো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সেটি না করে বরং তার পক্ষ অবলম্বন করে বিএনপি স্বীকার করে নিয়েছে এটি তাদেরই বক্তব্য।’

    বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেবকে ‘তত্ত্বাবধায়ক রোগে’ পেয়ে বসেছে। এটি মির্জা ফখরুল সাহেবের গতানুগতিক প্রতিদিনের বক্তব্য। তাদের তত্ত্বাবধায়ক  সরকারের এই দাবিটা আন্তর্জাতিকভাবে কারো সমর্থন পায়নি। এমন কি যুক্তরাষ্ট্রও তাদের এই দাবিকে সমর্থন করেনি। এটা শুধু মির্জা ফখরুল সাহেবের মুখের মধ্যেই আছে। আশা করি তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার রোগ থেকে মুক্তি লাভ করবেন।’

    মার্কিন ভিসা নীতি নিয়ে চীনের মন্তব্যের বিষয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র নীতি হচ্ছে সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের দ্বিমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিকভাবে আমরা বিভিন্ন সময় দেখি। এই ক্ষেত্রেও চীন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে মন্তব্য করেছে, আমরা সেটা পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের সাথে দু’দেশেরই অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের উন্নয়ন সহযোগী, গত ৫১ বছরে আমাদের পথচলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। তাদের সাথে সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। একইসাথে চীনও আমাদের উন্নয়ন সহযোগী এবং এ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। সুতরাং সব দেশের সাথেই আমাদের অত্যন্তভালো সম্পর্ক।’

    সূত্র: বাসস

  • পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের বাজেটেই ঘাটতি থাকে: হাছান মাহমুদ

    পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের বাজেটেই ঘাটতি থাকে: হাছান মাহমুদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে বলেন, ‘বাজেট নিয়ে যে ‘পেশাদার সমালোচক’রা বলেন তারা অনেক গবেষণা করেন, বাজেটের ঘাটতিকে বড় করে দেখান, তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি  আমাদের দেশে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপির অনুপাতে ঘাটতি ৫ দশমিক ২ শতাংশ আর ভারতের ক্ষেত্রে এ ঘাটতি ৫ দশমিক ৯ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। শুধু তাই নয় পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের বাজেটেই ঘাটতি থাকে। ’

    গতকাল রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ‘রাজনৈতিক সমালোচক’রা তো বাজেট না পড়েই বক্তব্য দিয়েছেন। আসলে এ বাজেট জনবান্ধব, গরিববান্ধব। কারণ বাজেটে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি উপকারভোগী, ভাতাভোগীর সংখ্যা এবং ভাতার পরিমান বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে এবং সরাসরি ২ কোটি মানুষ সরকারের কাছ থেকে নানাভাবে অর্থসহ বিভিন্ন সহায়তা পাবে। যারা পাবে তারা সবাই দরিদ্র। তাহলে কি এটি গরিববান্ধব বাজেট নয়!’

    সাংবাদিকরা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, আমেরিকা না গেলে কিছু আসে যায় না, পৃথিবীতে অনেক মহাদেশ আছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন ভিসা নীতি ঘোষণার পর যারা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে টেনশনে আছে, তাদের টেনশন কমানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেছেন। আমাদের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা সেই সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করতে চাই এবং সে কারণে আপনারা দেখেছেন যে, সরকার পররাষ্ট্র এবং আরো অন্যান্য বিষয়ে অনেক ইতিবাচক সিদ্ধান্ত  গ্রহণ করেছে। একই সাথে অন্যান্য দেশ-মহাদেশ যেমন, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দূরপ্রাচ্যের আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে এবং ওশানিয়া অঞ্চলে বাণিজ্যের প্রচুর সম্ভাবনাময় এলাকায় আমরা বাণিজ্য বাড়াতে চাই। প্রধানমন্ত্রী সে কথাই বলেছেন।’

    কর আরোপ প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, ‘বাধ্যতামূলক কর দিতে হবে এটা সঠিক নয়। যাদের টিন (ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) সার্টিফিকেট আছে কিন্তু ট্যাক্স ফাইল করে না, তাদের ২ হাজার টাকা ফি দিয়ে ট্যাক্স ফাইল করার কথা বলা হয়েছে।’

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য ‘সরকারের পেছনে আজরাইল দাঁড়িয়ে আছে’ এর সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আজরাইল উনাদের পেছনেও আছে, আজরাইলের সাথে শয়তানও আছে। ফখরুল সাহেব যে বিষয়কে ইঙ্গিত করে বলেছেন, সেটি যদি আজরাইল হয় তাহলে সেই আজরাইল উনাদের অনেক বেশি কাছাকাছি কারণ যার সাথে শয়তান থাকে, আজরাইল তার কাছে আগে পৌঁছায়। মির্জা ফখরুল সাহেবকে এ জন্য বলবো, এ ধরণের বক্তব্য রেখে আত্মতুষ্টির চেষ্টা করে কোনো লাভ হবে না। আপনাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মাঠে মারা গেছে এবং সারা দুনিয়ার কোনো জায়গা থেকে সমর্থন পায় নাই। সুতরাং আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।’

    বিএনপি তাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলাকারী ও সংশ্লিষ্ট পুলিশের তালিকা করছে এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও তালিকা করছি। যারা আগুন সন্ত্রাস চালিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ওপর হামলা পরিচালনা করেছে, গাড়িঘোড়া ভাংচুর করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে, ভোটে বাধা দিয়েছে, তাদের এবং তাদের হুকুমদাতা, অর্থদাতাদেরও তালিকা আমরা করছি। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে, সেগুলো এক জায়গায় করছি। আমাদের কাছ থেকে অনেকে তালিকা চেয়েছে। খুব সহসা যে সমস্ত জায়গায় দেওয়া প্রয়োজন, পৌঁছানো প্রয়োজন সে সবখানে আমরা তালিকা দেবো।’

    সূত্র : বাসস

  • দেশে আওয়ামী লীগের সমর্থন আছে কিনা দেখার জন্য বিএনপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবেঃ তথ্যমন্ত্রী

    দেশে আওয়ামী লীগের সমর্থন আছে কিনা দেখার জন্য বিএনপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবেঃ তথ্যমন্ত্রী

    দেশে আওয়ামী লীগের সমর্থন আছে কিনা তা দেখার জন্য বিএনপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    শনিবার ছাত্রলীগ আয়োজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন।

    হাসান মাহমুদ বলেন, ‘ফখরুল সাহেব বলেছেন আমাদের আওয়ামী লীগের সরকার নাকি দেশ-বিদেশে সমর্থন হারিয়েছে। দেশে আমাদের সমর্থন দেখার জন্য তাদের আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানাই। আসুন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন।’

    আন্তর্জাতিক সমর্থনের বিষয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তিন দেশে সফর করেছেন। যারা সফরসঙ্গী হয়েছেন, তাদের মুখে শুনলে ভালো হয় কিভাবে জাপান প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান করেছে এবং ৩০ বিলিয়ন ইয়েন নানা প্রকল্পে সহায়তার চুক্তি করেছে। বিশ্বব্যাংক তাদের ভুল অনুধাবন করে শনিবার বন্ধের দিন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী সময় দিতে পারছিলেন না। তিনি বলেছেন শনিবার ছাড়া সময় নেই। বিশ্বব্যাংক ২.২৫ বিলিয়ন অর্থ সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, “যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বলেছেন, ‘আপনি আমার আইডল এবং আমার স্ত্রী-মেয়েদেরও আইডল।’ ফখরুল সাহেব এগুলো বুঝতে না পারলে কানের পরীক্ষা, দেখতে না পারলে চোখের পরীক্ষা করা দরকার।”

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার সার্থকতা সেখানেই, আজকে পাকিস্তান আমাদের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। আজকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেন বাংলাদেশ পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমরা সব সূচকে, ইকোনমিক ইনডেক্স, সোশ্যাল ইনডেক্স, হিউম্যান ইনডেক্স, হেলথ ইনডেক্স সব সূচকে আমরা অনেক আগে পাকিস্তানকে অতিক্রম করেছি।’

    ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরো বক্তব্য দেন সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুল, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

  • সরকার পতনের দিনক্ষণ জানা থাকলে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা যেত : ওবায়দুল কাদের

    সরকার পতনের দিনক্ষণ জানা থাকলে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা যেত : ওবায়দুল কাদের

    বিএনপির সরকার পতনের ঝড় লন্ডন থেকে না ঠাকুরগাঁওথেকে আসবে তার দিনক্ষণ প্রকাশ করতে মির্জা ফখরুল ইসলামের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও  সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
    তিনি বলেন, ‘সরকারকে কবে বিদায় নিতে হবে- তার দিনক্ষণ জানা থাকলে বিদায় নিতে একটি প্রস্তুতিও নিতে পারবে সরকার। বিএনপি’র পক্ষ থেকে প্রতিদিনই বলা হচ্ছে যে- সরকারের সময় শেষ। তাই, দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমি মির্জা ফখরুলের কাছে জানতে চাই দিনটা কখন। গত ১০ বছর ধরেই এই কথা শুনে আসছি।’
    ওবায়দুল কাদের আজ দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী ওলামা লীগের প্রথম ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে এ কথা বলেন।
    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই সরকারের সময় কখন শেষ হবে তা নির্ধারণ করবে এ দেশের জনগণ। এ দেশের নেতৃত্ব আগামী দিনে কারা দেবে, তাও এ দেশের জনগণ ঠিক করবে। আওয়ামী লীগকে কচুপাতার ওপর ভোরের শিশির বিন্দু মনে করলে বিএনপি ভুল করবে।
    তিনি বলেন, বিএনপি আছে সরকার পতনের আন্দোলন নিয়ে, আর আওয়ামী লীগ আছে জনগণের জানমাল রক্ষার আন্দোলনে। দেশের মানুষ মনে করে, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ।
    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আছে সরকার পতনের আন্দোলন নিয়ে, আর আমরা আছি জানমাল রক্ষার আন্দোলন নিয়ে। আমাদের তার জন্য শান্তি সমাবেশ করতে হচ্ছে।
    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছেন। আমরা এখন একটি সংকটের মধ্যে আছি। যেটা আমাদের সৃষ্টি নয়। করোনা মহামারি সামলানোর পর যুদ্ধ শুরু হয়। ফলে জ্বালানি ও ডলারের দাম বেড়ে যায়। বেড়ে যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও। অনেক পণ্যই বাইরে থেকে আমদানি করে আনতে হয়। কিছু পণ্য আনা কমিয়ে দিলে মানুষের কষ্ট বাড়বে।
    তিনি বলেন, শেখ হাসিনার মতো নেত্রী আছে বলেই, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ ভালো আছে। একটি দল তাকে নিয়ে অপপ্রচার করে যাচ্ছে। অথচ সারা দুনিয়া তাকে নিয়ে প্রশংসা করছে। তিনি থাকলে দেশ পথ হারাবে না।
    বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের আহ্বায়ক ড. কে এম মোমেন সিরাজীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।

    সূত্র : বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিশ্বনেতা : তথ্যমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিশ্বনেতা : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, বিশ্বনেতায় রূপান্তরিত হয়েছেন।
    তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় বিএনপি’র মহাসচিবসহ অন্যান্য নেতারা বিশ্বময় বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে গ্রহণযোগ্যতা, তার প্রতি বিশ্বনেতৃবৃন্দের এবং বিশ্বঅঙ্গনের যে আস্থা, সেটি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন।’
    আজ দুপুরে চট্টগ্রামে বেসরকারি ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সেশন প্রারম্ভ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে অত্যন্ত সফল সফর করে এসেছেন। পদ্মা সেতু থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া বিশ্বব্যাংক নিজেরাই বাংলাদেশকে ২.২৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রস্তাব করেছে। জাপান বিভিন্ন প্রকল্পে ৩০ বিলিয়ন ইয়েন সাহায্য করবে। আর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে বলেছেন যে, আপনি আমাদের আইডল, আমার মেয়েদেরও আইডল। আর বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়ে ১৬ মে জাতিসংঘ ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’  প্রস্তাব এনে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে, সেই প্রস্তাব বাংলাদেশের সাথে ৭১টি দেশ কো-স্পন্সর করেছে যা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।’
    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এরপর জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বময় আছে কি না তা বলার কোনো প্রয়োজন নেই। যাদের বুদ্ধি, বোধশক্তি আছে, তারা এগুলো বুঝতে পারে, শুধু বিএনপি নেতারাই তা বোঝেন না। দৃষ্টিহীনতা ও শ্রবণহীনতার সাথে তারা বোধশক্তিহীনও হয়ে গেলেন কি না সেটি আমার বোধগম্য নয়।’
    বিএনপির আন্দোলন প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, গাড়ি বসে গেলে সেটিকে মাঝে মধ্যে যেমন স্টার্ট দিতে হয়, বিএনপির আন্দোলনের কর্মসূচিও সেরকম। কারণ বিএনপি দলটাইতো বসে গেছে। যাতে জং ধরে না যায়, সেজন্য মাঝে মধ্যে স্টার্ট দেয়ার মতো তারা আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়। এছাড়া অন্য কোন কিছু নয়।
    এর আগে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সেশন শুরু অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হাছান বলেন, ‘শুধু পাঠদান আর সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক মেধার বিকাশ ঘটানো, জীবন গড়া, জীবন সংগ্রামে উজান ঠেলে সামনের দিকে এগিয়ে জয়ী হওয়া শেখাতে হবে। আশা করি, এই বিশ্ববিদ্যালয় সেটি পারবে।’
    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সাঈদ আল নোমান। রেজিস্ট্রার সজল কান্তি বড়ুয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সূত্র : বাসস

  • শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার স্বীকৃতি জাতিসংঘেও : তথ্যমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার স্বীকৃতি জাতিসংঘেও : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতিসংঘ শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছে এবং তাঁর সরকার পরিচালনার ধরণ এবং জনগণের জন্য তাঁর যে কাজ এটিকে জাতিসংঘও স্বীকৃতি দিয়েছে।
    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিন্তাপ্রসূত কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা জাতিসংঘে ‘দি শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ শিরোনামে প্রস্তাব হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় আজকে জাতিসংঘ  শেখ হাসিনার প্রশংসা করে এবং তাঁর সরকার পরিচালনার ধরণ এবং জনগণের জন্য তাঁর যে কাজ এটিকে জাতিসংঘও স্বীকৃতি দেয়।’
    মন্ত্রী আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তারা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে এ কথা বলেন।
    তিনি বলেন, জাতিসংঘে ১৬ তারিখে যখন ‘শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ প্রস্তাবটি পাস হয়েছে, তখন আমাদের এখানে ১৭ তারিখ অর্থাৎ কাকতালীয়ভাবে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন। বিশ্বের ৭১টি দেশ বাংলাদেশের সাথে এই প্রস্তাব কো-স্পন্সর করেছে যা জাতিসংঘে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।
    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য ‘মোখা’র মতো রাজনৈতিক অঙ্গণে একটা ঝড় আসছে -এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আশ্চর্যের  বিষয়, একটি প্রাকৃতিক ঘূর্ণিঝড় আমাদের দেশের উপকূলে আঘাত হানার পূর্বক্ষণে মানুষ যখন আতংকিত-শংকিত, মানুষ যখন জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত, সে সময় কোথায় ‘মোখা’ যাতে আমাদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে সে জন্য মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা, সেটি না করে বরং সেটিকে নিয়ে রাজনীতির সাথে মেলানো এবং উপহাস করা একজন রাজনীতিবিদের সাজে না।’
    ‘আর এখন তো ‘মোখা’ পাশ কাটিয়ে চলে গেছে, ‘মোখা’র মতোই বিএনপির আন্দোলনও পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি হাঁটা শুরু করছে, হাঁটুক। উনারা কিছুদিন আগে হেঁটেছেন এখন আবার সমাবেশ করবেন বলছেন, আবার পদযাত্রা কর্মসূচিও না কি দেবেন। উনারা হাঁটাহাঁটি করলে ভালো।’
    বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘সকল কূটনীতিককে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। কিন্তু দেশে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার পর কয়েকজন কূটনীতিককে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিলো। আমাদের সরকার অত্যন্ত সফলভাবে জঙ্গিদের দমন করতে সক্ষম হয়েছে। জঙ্গি দমনে সক্ষমতায় আমরা অনেক উন্নত বড় দেশের চেয়েও বেশি সক্ষমতা দেখাতে পেরেছি। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর থেকে এ রকম বাড়তি নিরাপত্তা কূটনীতিকদের দেওয়া হতো না। কয়েকজন কূটনীতিককে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার পর বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিলো। সেটি এখন যেহেতু প্রয়োজন নাই সে জন্য প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু তাদের নিরাপত্তা অব্যাহত আছে।’
    হাছান মাহমুদ  বলেন, ‘তদুপরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটাও সুস্পষ্ট করেছেন, কেউ যদি বাড়তি নিরাপত্তা সরকারের কাছে চায় এবং সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করে, তাদের সেটি দেওয়া যেতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে কোনো দেশের সাথে সম্পর্কের কোনো বিষয় নাই, এটি রুটিন ওয়ার্ক।’ সূত্র : বাসস