Tag: বিনোদন

  • শিল্পকলায় শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    শিল্পকলায় শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গানকে নান্দনিক বোধের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারলে এর আবেদন মানুষের হৃদয়কে প্রবল ভাবে নাড়া দেয়। গানের সব বিষয়গুলো জানতে হলে এর মুদ্ধতার বিষয়গুলো আরও ভালো ভাবে আয়ত্বে আনা জরুরি। তাই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় গতকাল ১৪ জুন ২০২৩ থেকে শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স- ২০২৩। একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায় সংগীত, সংগীত পরিভাষা, নান্দনিকবোধ, পাঠ ও চর্চার মাধ্যমে সংগীত উপস্থাপন, চিন্তা ও লেখার উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে এ কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।

    গতকাল উদ্বোধনী দিনের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    ১ম দিনের আলোচনায় ভারতীয় সংগীতের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বিষয়ে আলোচনা করেন ড. প্রদীপ নন্দী। পরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত এর গায়ন শৈলী আলোচনা করেন কানিজ সিম্পী। আলোচনায় শাস্ত্রীয় সংগীতের নানান দিক, রাগ নির্ভর গান, ও শাস্ত্রীয় বিভিন্ন ঘরানার বিষয়ে আলোচনা করেন আলোচকরা।

    আজ ১৫ জুন বৃহস্পতিবার, বিকাল ৫.০০ টায় নন্দনতত্ত্ব, সংগীত ও নন্দনতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করবেন আজিজুর রহমান তুহিন এবং ভারতীয় সংগীত ও পাশ্চাত্য সংগীতের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিয়ে আলোচনায় থাকবেন বিপ্লব সরকার।

    শিল্পকলায় শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    ১৬ জুন শুক্রবার, বিকাল ৫.০০ টায় রবীন্দ্রসংগীতের সুর-বাণী ও নান্দনিকতা নিয়ে আলোচনা করবেন প্রফেসর কৃষ্টি হেফাজ এবং রবীন্দ্রনাথের গান ও গায়নশৈলী নিয়ে কথা বলবেন ড. সাবরিনা আক্তার।

    ১৭ জুন শনিবার, বিকাল ৫.০০টায় নজরুল সংগীত ও গায়নশৈলী নিয়ে আলোচনা করবেন খায়রুল আনাম শাকিল এবং নজরুল সংগীতের সুর-বাণী ও নান্দনিকতা নিয়ে থাকবেন ড. ইদরিস আলী।

    ১৮ জুন রবিবার,কোর্সের শেষ দিন বিকাল ৫.০০ টায় বাংলা লোকসংগীত ও লোকসংগীতের পরিবেশন রীতি নিয়ে আলোচনা করবেন ড. জাহিদুল কবির এবং সংগীত লোক সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলবেন ড. কমল খালিদ।

    ভারতীয় ও বাংলা সংগীতের ইতিহাস, সংগীতচর্চা, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সংগীত, নন্দনতত্ত্ব, উচ্চাঙ্গসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, লোকসংগীত এবং গণসংগীত এর পরিবেশন রীতি, প্রেক্ষাপট ও নান্দনিকবোধ এর আলোচনা ও অংশগ্রহণকারীদের অনুশীলনের সুযোগ রয়েছে এই কোর্সে। কোর্স পরিচালনায় রয়েছেন শিক্ষক ও গবেষক ড. কমল খালিদ এবং সমন্বয়কারী হিসেবে রয়েছেন একাডেমির ইন্সট্রাক্টর জনাব মুহাম্মদ আনিসুর রহমান। প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন দেশবরেণ্য প্রশিক্ষকবৃন্দ।

    মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সে সংগীত শিল্পী ও সংগীতের সাথে সংশ্লিষ্টরা ছাড়াও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিবেদকদের জন্যও করা হয়েছে। ৫ দিনের কোর্স শেষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

  • শিল্পকলায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ও যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণে অনুষ্ঠান

    শিল্পকলায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ও যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণে অনুষ্ঠান

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: মুনীর চৌধুরী শুধু নাট্যকারই নন, ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গবেষক, ভাষাতত্ত্ববিদ, প্রবন্ধকার, অনুবাদক, ছোট গল্পকার, শিল্প ও সাহিত্য সমালোচক, অভিনেতা, নাট্য-নির্দেশক এবং বাংলা কিবোর্ডের প্রবর্তক। মুনীর চৌধুরী তার সময়কার বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি। নানা প্রতিভায় বিকশিত এই ব্যক্তির জীবন ও কর্মের আলোকে গতকাল ১৩ জুন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় সমাপ্তি ঘটে স্মরণ অনুষ্ঠানের। এর আগে ১১- ১৩ জুন ২০২৩ পর্যন্ত ৩ দিন ব্যাপী বাংলাদেশের প্রয়াত চলচ্চিত্র, নাট্য ও যাত্রা শিল্পের গুণীজন স্মরণে ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত’শিরোনামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শেষ দিনে নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ও যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের এ আয়োজন। অনুষ্ঠানের প্রথম ১ম পর্যায়ে মুনির চৌধুরীর জীবন ও কর্মের উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন সৈয়দ মুহাম্মদ জুবায়ের এবং সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আব্দুস সেলিম। আলোচক হিসেবে ছিলেন ড. আহমেদুল কবির ইয়াং এবং সাইদুর রহমান লিপন।

    আলোচনায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরী স্মরণে বক্তারা বলেন- ইতিহাসের জন্য নাটক নয়, নাটকের জন্যই ইতিহাস। তাইতো ইতিহাসকে উপজীব্য করে তিনি নাটক লিখেছেন ঠিকই কিন্তু ইতিহাসকে পুঙ্খানুপুঙ্খ রাখার প্রয়োজন বোধ করেননি। অন্যদিকে জীবনদর্শনে অনেক পরিবর্তন আসলেও বাংলা ভাষার বিষয়ে সবসমই ছিলেন অনড়। সেটা হোক বিদেশি শক্তিদের হাত থেকে রক্ষায় অথবা বিশুদ্ধতা রক্ষায় কিংবা ভাষাকে সহজরুপে ব্যবহারের পন্থা আবিষ্কারে’।

    অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে, যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণ অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তাপস সরকার আলোচক হিসেবে ছিলেন জ্যোৎস্না বিশ্বাস এবং গোলাম সারওয়ার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লাকি ইনাম।

    পাকিস্তান আমলে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে তার ভুমিকা তুলে ধরেন বক্তারা। সেসময় আন্দোলনে যোগ দেয়ার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয়।

    এক সময় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রায় অভিনয় ও যাত্রা দল পরিচালনা ও যাত্রাশিল্প বিকাশে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা তুলে ধরেন আলোচকরা ।

    পরে শিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণে পরিবেশিত হয় যাত্রা: মিলন কান্তি দে’র যাত্রার অংশবিশেষ ।

  • শিল্পকলায় চলছে ৩ দিনব্যাপী থিয়েটার অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    শিল্পকলায় চলছে ৩ দিনব্যাপী থিয়েটার অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় চলছে ৩ দিনব্যাপী থিয়েটার অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স । কোর্সে প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন অভিনেতা তারিক আনাম খান। কোর্সটি চলবে ১১ জুন থেকে ১৩ জুন ২০২৩ পর্যন্ত ।

    কোর্সের ২য় দিন গতকাল সোমবার আলোচনায় ওঠে আসে নাট্য সমালোচনা ও নাটক মুল্যায়নের বিভিন্ন দিক। সেট, লাইট, কস্টিউম, প্রপস- এর যথাযথ ব্যবহার খুব জরুরি। পাশাপশি নাটকের বক্তব্য এসবের বাহুল্যতার কারনে যেন হারিয়ে না যায় কিংবা মনযোগ বিষয়বস্তু থেকে যেন সরে না যায় সেদিকে দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেন প্রশিক্ষক।

    কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষক তারিক আনাম খান বলেন, নাট্য সমালোচনার ক্ষেত্রে নাটকের লক্ষ্য হবে একটি গল্পের সাবলীল অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের সামনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করা। দর্শক কোনভাবে যদি নাটকের বার্তার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে না পারে নাট্য প্রযোজনার ক্ষেত্রে সেগুলোও চিহ্নিত করার বিষয়গুলোও আলোচনায় ওঠে আসে। অথ্যাৎ ঘটনা ও গল্পের সাথে লাইট ও সাউন্ডের সমন্বয়ে যেন একই ধরনের বার্তা নাটকে প্রকাশ পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে ।

    থিয়েটার কর্মী, মঞ্চঅভিনেতা, সাংবাদিকসহ অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সে অংশ নেন প্রায় ৪০ জন।

  • ‘থালাভিয়ার ১৭০’ ছবিতে ৩২ বছর পর আবার একসঙ্গে অমিতাভ ও রজনীকান্ত

    ‘থালাভিয়ার ১৭০’ ছবিতে ৩২ বছর পর আবার একসঙ্গে অমিতাভ ও রজনীকান্ত

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ থেকে ৩২ বছর আগে অমিতাভ বচ্চন ও রজনীকান্তকে একসঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যাবে। সেই সময় তাঁরা অভিনয় করেছিলেন ‘হম’, ‘অন্ধা কানুন’ এবং ‘গ্রেফতার’ ছবিতে। এখন ব্যস্ততার তু্ঙ্গে এই দুই অভিনেতা। তার পরেও হাতের কাজ শেষ করে একসঙ্গে অভিনয় শুরু করবেন। যে ছবিতে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাবে তার নাম ‘থালাভিয়ার ১৭০’।

    ভারতের চিত্রজগের আকাশে দুই সফল তারাকা বলিউডের অমিতাভ ও দক্ষিণের রজনীকান্ত। আবারও বড় পর্দায় দর্শকের হৃদয়ে জোয়ার আনবেন দুই ইন্ডাস্ট্রিরির এই দুই তারকা। বয়স হয়েছে, তবু ক্লান্তি নেই অমিতাভ কিংবা রজনীর। অপর দিকে এই সুপারস্টার একসঙ্গে হওয়াতে ইতিমধ্যে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে বলিউড চলচ্চিত্র মহলে।

    সদ্য ‘জেলার’ ছবির কাজ শেষ করেছেন রজনীকান্ত। এখন মনোনিবেশ করেছেন ‘লাল সালাম’ ছবির কাজে। এর পরই দক্ষিণের তারকা কাজ শুরু করবেন অমিতাভের সঙ্গে। ছবিটি পরিচালনা করবেন ‘জয় ভীম’-এর পরিচালক টিজে জ্ঞানাভেল। বিভিন্ন ভাষায় ছবিটি ডাব করা হবে। এটি হতে চলেছে রজনীকান্তের ১৭০তম ছবি, তাই তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়েই ছবির এমন নামকরণ।

    শোনা যাচ্ছে, অমিতাভের চরিত্রটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে ‘থালাভিয়ার ১৭০’-তে। ছবিটির কাজ কবে থেকে শুরু হবে, সে কথা অবশ্য নির্দিষ্ট করে জানাননি নির্মাতারা। শোনা যাচ্ছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ছবির শুটিং আরম্ভ হবে।

    নায়ক অমিতাভকে শীঘ্রই আবার দেখা যাবে দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে, ‘প্রোজেক্ট কে’ নামের তেলুগু ছবিতে। এ ছাড়াও অমিতাভ কাজ করছেন ঋভু দাশগুপ্তের পরবর্তী ছবি ‘সেকশন ৮৪’-তে। আশা করা যাচ্ছে তার পরই যোগ দেবেন ‘থালাভিয়ার ১৭০’-এর সেটে।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • শেষ হলো শিল্পকলার ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব

    শেষ হলো শিল্পকলার ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ভাওয়াইয়া গানের অনুষ্ঠান ‘মাটি সুর’ এর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব। বাংলাদেশের সাংস্কৃতির ধারাকে বিকশিত রাখতে শিল্পকলা একাডেমি ‘১লা জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত’ ১০ দিনব্যপী   আয়োজন করে ‘সাংস্কৃতিক উৎসব২০২৩’ ।

    গতকাল রবিবার বিকেল সংগীত আবৃত্তি ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত ‘মাটি সুর’ অনুষ্ঠানের শেষ দিনের পরিবেশনায় অংশ নেন প্রবীণ শিল্পীরা।

    এর আগে ১লা জুন প্রথম দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয় পঞ্চকবির গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। বাংলা সাহিত্যে পঞ্চকবি হলেন পাঁচজন কবি যাঁরা কবিতা লেখার পাশাপাশি একইসাথে গীতিকার, সুরকার এবং গায়ক- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, রজনীকান্ত সেন ও অতুলপ্রসাদ সেন।

    শেষ হলো শিল্পকলার ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব

    ২য় দিন পরিবেশিত হয় দেশের গানের অনুষ্ঠান; প্রিয় দেশমাতৃকা।

    ৩য় দিনের পরিবেশনায় ছিলো বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বাউল শিল্পীদের নিয়ে পরিশেনা বাউল গানের অনুষ্ঠান; অচিনপাখি।

    ৪র্থ দিন পরিবেশিত হয় বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গান নিয়ে অনুষ্ঠান; সিনেমার গান।

    ৫ম দিন, প্রবীণ ও গুণী শিল্পীদের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় ‘ধ্রুবতার ‘ এতে অংশ নেন বুলবুল মহলানবীশ, আকরামুল ইসলাম, সাইদুর রহমান বয়াতি, তিমির নন্দী, ফাতেমা তুজ জোহরা এবং জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়ের মতো গুণী শিল্পীরা।

    ৬ষ্ঠ দিন পরিবেশিত হয় পালাগানের অনুষ্ঠান: ‘লোকগাঁথা’

    গ্রাম বাংলার বহুল জনপ্রিয় লোক ঐতিহ্য পালাগানে অংশ নেন লতিফ সরকার ও রুমা সরকার, ১ম পর্বের আয়োজনে পালার নাম ছিলো ‘শরীয়ত এবং মারফত’।

    দ্বিতীয় পর্ব অংশ নেন মহারাজ আবুল সরকার বনাম আকলিমা বেগম। পালার নাম: ‘নবুয়াত বেলায়েত’

    ৭ম দিনেও পরিবেশিত হয় পালাগানের অনুষ্ঠান: ‘লোকগাঁথা’

    প্রথম পর্বে পালাগান পরিবেশন করেন বাউল মাতা আলেয়া বেগম ও দেলোয়ার হোসেন বয়াতি, পালার নাম: ‘গুরু- শিষ্য’।

    দ্বিতীয় পর্বের পরিবেশনায় অংশ নেন শাহ আলম ও মুক্তা সরকার, পালার নাম: ‘নারী -পুরুষ’।

    ৮ম ও ৯ম দিন পরিবেশনায় ছিলো শিশু-কিশোরদের নিয়ে অনুষ্ঠান: “নতুন যৌবনের দূত”

    শেষ হলো শিল্পকলার ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব

    এই দিন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন- “শিশুদের মনন বিকাশে গুরুত্ব দিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠতে তাদের সহায়তা করতে হবে। প্রকৃতি থেকে তাদের জ্ঞান আহরণের সুযোগ দিতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল মেধা মুল্যায়নের অনুষঙ্গ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিশুদের কেবল অনুশাসনের মধ্যে রাখলে চলবে না। তাদের সুস্থ মনোজগতের বিকাশে প্রকৃতির সাথে বেড়ে ওঠার স্বাধীনতা দিতে হবে।

    প্রতিশ্রুতিশীল, বরেণ্য ও প্রবীণ শিল্পীদের অংশগ্রহণে ১০ দিন ব্যাপী চলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালার ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এবং অনুষ্ঠান আয়োজনে সমন্বয়ক ছিলেন একাডেমির কর্মকর্তা সাদিয়া বিনতে আফজাল।

  • বাবা সুনীলের সঙ্গে প্রায়ই রাজনীতি নিয়ে কথা কাটাকাটি হত সঞ্জয়ের

    বাবা সুনীলের সঙ্গে প্রায়ই রাজনীতি নিয়ে কথা কাটাকাটি হত সঞ্জয়ের

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সুনীল দত্ত ষাটের দশকে ফিল্মে অভিনয় শুরু করার পর বেশ দাপটের সঙ্গে কাজ করেন এবং বলিপাড়ার প্রথম সারির অভিনেতাদের তালিকায় নাম লিখিয়ে ফেলেছিলেন । পরে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা এবং পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ১৯৮১ সালে ফিল্মজগতে পা রাখেন সুনীলের পুত্র সঞ্জয় দত্তও। ‘রকি’ ছবির মাধ্যমে বলিপাড়ায় আগমন সুদর্শন সঞ্জয়ের। রোমান্টিক ধরার অভিনেতা হিসাবে এক দিকে তিনি যেমন প্রশংসা কুড়িছিলেন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঠিক তেমনই বার বার বিতর্কে জড়িয়ে পড়তেন তিনি। মাদক ও সন্ত্রাস তাঁকে পিছনে নিয়ে যায়।

    সেই সময় সঞ্জয় এক সাক্ষাৎকারে জানান,  মায়ের মৃত্যুর পর আরও বেশি পরিমাণে মাদকের প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেয়েছিল তাঁর। জানা জায় সঞ্জয় নাকি তাঁর মাকে ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারতেন না। বাবা সুনীলের সঙ্গে প্রায়ই তাই কথা কাটাকাটি হত।

    নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে এক জনপ্রিয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যান সঞ্জয়। সেখানকার মঞ্চে উঠে সঞ্জয় তাঁর বাবার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করতে থাকেন। দর্শক সারিতে তখন ছিলো তারকাভরা ।

    সঞ্জয় দাবি করেন, তাঁর বাবা জীবনে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আশির দশকে সঞ্জয় যখন তাঁর কেরিয়ার শুরু করেন, তার কয়েক বছরের মধ্যেই সুনীল রাজনীতিতে যুক্ত হন। রাজনীতির পাশাপাশি যদিও সিনেমাজগতের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

    কিন্তু রাজনীতিক হওয়ার ক্ষমতা ছিল না সুনীলের, এমনটাই দাবি করেন সঞ্জয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলিপাড়ার নামী তারকারা। সকলের সামনেই বাবার সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেন সঞ্জয়।

    সঞ্জয় বলেন, ‘‘আমার বাবার উচিত রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া। অভিনয় নিয়েই তাঁর ব্যস্ত থাকা প্রয়োজন। উনি বড় ভাল মনের মানুষ। জনগণের উন্নতির জন্য তিনি কাজও করতে চান। কিন্তু তাঁকেও বুঝতে হবে যে এটি শুধুমাত্র এক জনের দায়িত্ব নয়।’’

    বিনোদন

    সঞ্জয় আরও বলেন, ‘‘বাবা সহজ-সরল মানুষ। তাই লোকজন বাবাকে যা বোঝান, বাবা সেটাই বোঝেন। অনেকে এমন রয়েছেন যাঁরা নিজেদের কার্যসিদ্ধির জন্য বাবাকে দিয়ে ইচ্ছামতো কাজ করিয়ে নেন। বাবাও ভাল মনে সেই কাজ করে ফেলেন। এ ভাবে তাঁর ভালমানুষির সুযোগ নেওয়া হচ্ছে।’’

    সঞ্জয়ের সঙ্গে তাঁর বাবার যে বার বার অশান্তি হয় সে কথাও জানান অভিনেতা। মঞ্চে দাঁড়িয়ে সঞ্জয় বলেন, ‘‘আমার আর বাবার মধ্যে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া হয়। প্রতি বার ঝগড়ার বিষয়বস্তু একই হয়। তা হল রাজনীতি।’’

    সুনীলকে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ারও পরামর্শ দেন সঞ্জয়। অভিনেতা বলেন, ‘‘বাবা খুবই সৎ এবং ভাল। দেশের জন্য তিনি ভালই করতে চান। কিন্তু তিনি যে একা দেশবাসীদের জন্য কিছু করতে পারবেন না তা বুঝতে পারছেন না।’’

    সঞ্জয়ের বক্তব্য, ‘‘যে দিন থেকে বাবা রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন, সে দিন থেকে তাঁর চিন্তা বেড়ে গিয়েছে। আমার মনে হয় তিনি বহু বছর যে কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, সেই কাজেই ফিরে যাওয়া উচিত। রাজনীতি ছেড়ে যাওয়া প্রয়োজন বাবার।’’

    ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’ ছবিতে সুনীল এবং সঞ্জয়কে একসঙ্গে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। ক্যামেরার সামনে পিতা-পুত্রের জুটি দর্শকের মনে ধরেছিল।

    সঞ্জয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘‘সকলে মনে করেন যে মা আমার সবচেয়ে প্রিয়। কিন্তু বাবা যে আমার জীবনে কতটা, তা কেবল আমি জানি। বাবা প্রতি মুহূর্তে আমাকে অনুপ্রেরণা দেন।’’

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • বেঙ্গল শিল্পালয়ে বরকত হোসেন ও অসিত কুমারকে সুর সংগীতে স্মরণ

    বেঙ্গল শিল্পালয়ে বরকত হোসেন ও অসিত কুমারকে সুর সংগীতে স্মরণ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সদ্য প্রয়াত দুই শাস্ত্রীয় সংগীত শিক্ষক বরকত হোসেন ও অসিত কুমারকে শ্রদ্ধা জানাতে বেঙ্গল শিল্পালয় গতকাল সন্ধ্যায় আয়োজন করে সুর-সংগীতে স্মরণ অনুষ্ঠান । এই দুই ব্যক্তি শুধু সংগীত শিক্ষক ছিলেন না, ছিলেন বেঙ্গলের স্বজন। সংগীত শিক্ষক বরকর হোসেনে জন্ম ১৯৫৮ সালে এবং অসিত কুমারের জন্ম ১৯৬৭ সালে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এই সংগীত জনের মৃত্যু ২০২৩ সালের মে মাসে। একজন চিরবিদান নিলেন ৯মে ও অপরজন ১২মে। স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও তাঁদের চলে যাওয়াটা খুব মর্মস্পর্শী। বিশেষ ভাবে তাদের কাছে যারা এই দুই ব্যক্তির স্বানির্ধে ছিলেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে চলে যাওয়া দুই ব্যক্তির নিয়ে বেঙ্গেলের এই আয়োজনের নাম দেওয়া হয় ‘সুর সংগীতে স্মরণ’।

    বেঙ্গল শিল্পালয়ে বরকত হোসেন ও অসিত কুমারকে সুর সংগীতে স্মরণ

    বেঙ্গল শিল্পালয়ের তৃতীয় তলার অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী। তার পরে অসিত কুমারকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন শাশ্বতী পাল। সবশেষে দুই সংগীত জন ও শাস্ত্রীয় সংগীতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ এফ এম রেজোয়ান ।

    এর পর দুই শিল্পীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে সংগীত পরিবেশনা শুরু হয়। প্রথমে সারেঙ্গীতে ‘রাগ পটদীপ’ বাদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। পরিবেশন করেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের এসরাজ বিভাগের শিক্ষার্থী শৌণক দেবনাথ ঋক।

    এর পরে খেয়াল ‘রাগ ভীমপলশ্রী’ পরিবেশনা করেন লক্ষ্যাপার পরম্পরার খেয়াল বিভাগের শিক্ষার্থী তান্দ্রিতা সরকার। তাঁর সাথে তবলয় সংগত করেছেন কৃষ্ণ দাস, হারমোনিয়ামে আওলাদ হোসেন এবং তানপুরায় প্রিয়াংকা মোদক। সর্বশেষে সুর সংগীতে স্মরণ অনুষ্ঠানে সেতারে ‘রাগ চারুকেশী’ পরিবেশন করেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের প্রক্তন শিক্ষার্থী এবং লক্ষ্যাপার পরম্পরার শিক্ষক নিশিত দে। তাঁকে তবলায় সংগত করেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের তবলা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং সহকারী শিক্ষক প্রশান্ত ভৌমিক।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন, ডঃ খন্দকার তাজমী নূর।

    বিপুল সংখ্যক দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করে। এবং পরে বেঙ্গল আয়োজিত চা চক্রে অংশ নেয়।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের গ্রীষ্ম বৈঠকে পরিবেশন করা হবে শাস্ত্রীয়সংগীত-ধ্রুপদ সেতার খেয়াল।

  • বলিউড বাদশা শাহরুখ খান ৬ হাজার কোটি টাকা সম্পত্তির মালিক

    বলিউড বাদশা শাহরুখ খান ৬ হাজার কোটি টাকা সম্পত্তির মালিক

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বলিউড বাদশা শাহরুখ খান বর্তামানে ৬ হাজার কোটি টাকা সম্পত্তির মালিক। শাহরুখের অভিনয় জীবনের দ্বিতীয় ছবি ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় ‘রাজু বন গিয়া জেন্টেলম্যান’। সেই ছবিতে এই তারকা পেয়েছিলেন ২৫ হাজার টাকা। অথচ চলতি বছর মুক্তি পাওয়া ‘পাঠান’ সিনেমা থেতে শাহরুখ পেয়েছেন ২০০ কোটি টাকা। শুধু অভিনয় নয় বিভিন্ন ধরণের রিয়্যালিটি শো ও নিজের অন্যান্য ব্যবসা থেকে তিনি অর্থ উপার্জন করে থাকেন। তার পরেও তাঁর জীবনের আছে সাফল্য-ব্যর্থতা। অবশ্য তারকাদের জীবনে এমনটাই। চলতি বছরে শাহরুখ খানের জীবনেও এসেছে সাফল্য, রয়েছে ব্যর্থতা। এক দিকে তাঁর অভিনীত ‘পাঠান’ বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাবে ‘জওয়ান’। এদিকে আইপিএলে তাঁর দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্যর্থ। কিন্তু তা সত্ত্বেও শাহরুখের উপার্জন ঊর্ধ্বমুখী। কী ভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি তৈরি করলেন শাহরুখ। এটাই জানা যাবে এই প্রতিবেদনে।

    সিনেমা থেকে আয়:

    তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছেন শাহরুখ। শুরু থেকে তাঁর অভিনীত কয়েকটি ছবির দিকে তাকালে বোঝা যাবে, কী ভাবে সময়ের সঙ্গে শাহরুখ তাঁর পারিশ্রমিক বাড়িয়েছেন। ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় অভিনেতার প্রথম ছবি ‘দিওয়ানা’। ওই একই বছরে মুক্তি পেয়েছিল ‘রাজু বন গিয়া জেন্টেলম্যান’। এই ছবির জন্য শাহরুখের পারিশ্রমিক জানলে অনেকেই বিস্মিত হতে পারেন। ‘রাজু…’র জন্য শাহরুখ পেয়েছিলেন ২৫ হাজার টাকা। এর পর শাহরুখের সব থেকে বড় ব্লকবাস্টার ছিল ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’। সূত্র বলছে, এই ছবিতে শাহরুখের পারিশ্রমিক ছিল ৩০ লক্ষ টাকা। শাহরুখের সাম্প্রতিক ছবি ‘পাঠান’-এ পারিশ্রমিক এবং ছবি থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের নিরিখে প্রযোজক যশরাজ ফিল্মসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। এই ছবির জন্য বাদশার পারিশ্রমিক ধার্য হয়েছে ২০০ কোটি টাকা!

    ব্যবসা থেকে আয়:

    অভিনয়ের জগতে শাহরুখ যেমন সফল ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রেও তিনি অতটাই দক্ষ।  নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা এবং ভিএফএক্স কোম্পানি রয়েছে, যার নাম রেড চিলিজ় এন্টারটেনমেন্ট। ২০২২ সালের একটি সমীক্ষা বলছে, এই সংস্থার বর্তমান বাজার মূল্য ১০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে। এ ছাড়াও একটি জনপ্রিয় ছাত্র প্রশিক্ষণ অ্যাপেও বিনিয়োগ করেছেন শাহরুখ। একটি অ্যামিউজ়মেন্ট পার্কেরও তিনি অংশীদার। এ বারে আসা যাক তাঁর সব থেকে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ প্রসঙ্গে। আইপিএল-এ কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিক শাহরুখ। এ ছাড়াও অভিনেতা দক্ষিণ আফ্রিকার টি টোয়েন্টি লিগের অন্তর্গত ‘কেট টাউন নাইট রাইডার্স’-এর মালিক। প্রত্যেক বছর, টি টোয়েন্টি লিগ থেকে এক বড় অংশের মুনাফা অর্জন করেন শাহরুখ। এখানেই শেষ নয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিশেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করেন শাহরুখ। ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর, কোনও অনুষ্ঠানের অংশ হতে বা সেখানে পারফর্ম করার জন্য শাহরুখ ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন।

    বিজ্ঞাপন থেকে আয়:

    কেরিয়ারের শুরু থেকেই দেশের বিজ্ঞাপনে অন্যতম পছন্দের মুখ শাহরুখ খান। বছরে প্রায় ১০ থেকে ১২টি দেশের প্রথম সারির পণ্য এবং পরিষেবার হয়ে প্রচার করেন শাহরুখ। প্রতি বিজ্ঞাপনে বাদশার পারিশ্রমিক ৫ থেকে ১০ কোটি টাকার মধ্যে সিমাবদ্ধ থাকে।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা থেকে আয়:

    শাহরুখকে বিভিন্ন সময়ে ছোট পর্দায় বিভিন্ন শোয়ের সঞ্চালকের আসনে বসেছেন। জনপ্রিয় গেম শো ‘কোন বনেগা ক্রোড়পতি’র তৃতীয় সিজ়নের সঞ্চালক ছিলেন শাহরুখ। এ ছাড়াও তাঁর ঝুলিতে ছিল ‘কেয়া আপ পাঁচয়ি পাস সে তেজ় হ্যায়’ এবং ‘জোর কা ঝটকা’ রিয়্যালিটি শো। বিভিন্ন সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, এই মুহূর্তে কোনও শোয়ের অংশ হতে প্রতি এপিসোডে বাদশা আড়াই কোটি টাকা নিয়ে থাকেন।

    বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেতে আয়:

    সময়ের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিভির সঙ্গেই প্রথম সারিতে জায়গা করে নিয়েছে। শাহরুখও সেখানে পিছিয়ে নেই। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি প্রচার করে থাকেন। ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারে শাহরুখের ঈর্ষণীয় অনুসরণকারী যে কোনও বড় ব্র্যান্ডের কাছে পাখির চোখ। সূত্রের দাবি, কোনও ব্র্যান্ডের হয়ে শাহরুখ তাঁর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা জন্য ৮০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

    প্রাসাদসম বাড়ি ও বাগানবাড়ির মূল্য:

    যে কোনও পর্যটকের কাছে প্রথম মুম্বই ভ্রমণ মানেই অন্যতম আকর্ষণ শাহরুখের বাড়ি ‘মন্নত’। ২০২৩ সালের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, বান্দ্রার এই প্রাসাদোপম বাড়িটির বাজারদর ২০০ কোটি টাকা। মহারাষ্ট্রের আলিবাগে শাহরুখের নিজস্ব বাগানবাড়ি রয়েছে। এই বাড়িটির দাম প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার মধ্যে। দেশের বাইরেও অভিনেতার একাধিক বাড়ি রয়েছে। যেমন দুবাইয়ের পাম জুমেইরাতে শাহরুখের একটি নিজস্ব বাড়ি রয়েছে, ভারতীয় মুদ্রায় যার দাম ১০০ কোটি টাকা। এ ছাড়াও লন্ডনে শাহরুখের একটি বাড়ি রয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় এই বাড়িটির বর্তমান বাজারদর ১৮৫ কোটি টাকা!

    সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

  • সাহিত্যে বুকার পেলেন জর্জি গোসপোদিনভ এবং অ্যাঞ্জেলা রোডেল

    সাহিত্যে বুকার পেলেন জর্জি গোসপোদিনভ এবং অ্যাঞ্জেলা রোডেল

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বিশ্ব সাহিত্যে মর্যাদাপূর্ণ একটি অর্জন হচ্ছে বুকার পুরস্কার। এবারে বুলগেরিয়ান লেখক জর্জি গোসপোদিনভ এবং অনুবাদক অ্যাঞ্জেলা রোডেল ‘টাইম শেল্টার’ উপন্যাসের জন্য আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার লাভ করেছেন। এটি বুলগেরিয়ান ভাষায় প্রথম এই উপন্যাস বুকার পেল। মঙ্গলবার ২৩ মে বুকার পুস্কার প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।

    মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি সারা বিশ্বের কথাসাহিত্যের কাজকে স্বীকৃতি দেয়। বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়েছে। পুরস্কারের ৫০,০০০ পাউন্ড (৬২,০০০ ডলার) লেখক এবং অনুবাদক সমানভাবে পাবেন।

    উপন্যাসটি একটি ক্লিনিককে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে। যেখানে পরীক্ষামূলক আলঝেইমারের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

    রোগীদের স্মৃতিকে জাগিয়ে তুলতে এবং বিগত কয়েক দশকের স্মৃতির জগতকে ক্ষুদ্রতম বিবরণে পুননির্মাণ করার প্রক্রিয়া নিয়ে উপন্যাসটি আবর্তিত হয়েছে।

    ঔপন্যাসিক এবং কবি জর্জি গোসপোদিনভ ১৯৬৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। গোসপোদিনভ হলেন সবচেয়ে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত আধুনিক বুলগেরিয়ান লেখক। তার লেখা ২৫টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

    অ্যাঞ্জেলা রোডেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা তবে বুলগেরিয়াতে থাকেন এবং কাজ করেন। তার কবিতা এবং গদ্য অনুবাদ সাহিত্য পত্রিকা এবং সংকলন জুড়ে প্রকাশিত হয়েছে।

    বুলগেরিয়ান সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য তাকে ২০১৪ সালে বুলগেরিয়ান নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • বেঙ্গলে আমিনুল ইসলামের শিল্প প্রদর্শনী চলছে

    বেঙ্গলে আমিনুল ইসলামের শিল্প প্রদর্শনী চলছে

    দেশের আধুনিক চিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ আমিনুল ইসলামের ৯৭ টি চিত্রকর্ম নিয়ে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছে এক চিত্র প্রদর্শনীর । শিল্পসংগ্রাহক আবুল খায়েরের সংগ্রহে থাকা ১৯৭০ সাল থেকে ২০০০ সাল সময়কালে ড্রইং নিয়েই এই প্রদর্শনী। বেঙ্গল শিল্পলয়ের কামরুল হাসান আর্ট গ্যালারিতে গত ১৬ মে থেকে শুরু হয়েছে অর্গানিসিটি নামের প্রদর্শনী। প্রদর্শনী চলবে ৮ জুলাই পর্যন্ত । প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক ও শিল্প সামালোচক হাসনাত আবদুল হাই। প্রদর্শনীর কিউরেটরের দায়িত্বে ছিলেন শিল্পী ওয়াকিলুর রহমান।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী আর্ট গ্যালারি পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনী খোলা থাকবে প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ।

    বেঙ্গলে আমিনুল ইসলামের শিল্প প্রদর্শনীর চলছে

    এর আগে গত ১৬ মে উদ্বোধনী দিনে সন্ধ্যায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহা পরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরি। তিনি বলেন, ‘শিল্পী আমিনুল ইসলাম নিরীক্ষামূলক কাজের জন্য প্রথা ভেঙ্গে নতুন ভাষা নির্মাণে সচেষ্ট ছিলেন। নতুন প্রজন্মের কাছে পথিকৃৎ এই শিল্পীকে তুলে ধারা শিল্প-পরিচর্যাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব বলে মনে করে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন।‘

    উদ্বোধনী বক্তবে হাসনাত আবদুল হাই বলেন, ‘শিল্পী আমিনুল ইসলাম ছবিতে বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করেছেন। তাঁর কাজ মুলত নিরিক্ষাধর্মী। বিশেষ ভাবে তেলরং ও জলরং ছাড়াও মোজাইক, ম্যুরাল, কোলাজ ও অন্যান্য মাধ্যমেও তিনি কাজ করেছেন। তাছাড়া  কলম, কালি, ব্রাশ দিয়ে তিনি বেশ দক্ষতার সঙ্গে রেখাচিত্রের কাজ করেছেন। সবেচেয়ে বড় কথা শিল্পী আমিনুল ইসলাম শিল্পকর্মের মাধ্যমে সব সময় একটি দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন বর্তমান প্রজন্মের জন্য একটি বিরাট শিল্প সম্ভার তুলে ধরেছে। আমি প্রতিষ্ঠানটিকে সাধুবাদ জানাই।’

    কিউরেটর ওয়াকিলুর রহমান বলেন, ‘আমিনুল ইসলামের শিল্পকর্ম নিয়ে প্রদর্শনীর মূল উদেশ্য- নতুন শিক্ষার্থীদের কাছে পথিকৃৎ শিল্পীদের কাজের পারিচয় করিয়ে দেওয়া।’

    শিল্পী আমিনুল ইসলাম ১৯৩১ সালের ৭ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজে (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ) তিনি প্রথম ব্যাচে ভর্তি হন। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, শিল্পচার্য জয়নুল আবেদিন। পরে তিনি ফ্লোরেন্স থেকে উচ্চা শিক্ষা শেষে দেশে ফিরে আসেন। দীর্ঘ তিন দশক তিনি চারুকলা ইনিষ্টিটিউটে শিক্ষকতা করেছেন।

    আমিনুল ইসলাম  একুশে পদক (১৯৮১), স্বাধীনতা পদক (১৯৮৮), পঞ্চম তেহরান বিয়েনালে গ্র্যান্ড পুরস্কার (১৯৬৬) সহ নানা মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভুষিত হয়েছেন। এই শিল্পী ২০১১ সালের ৮ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।