Tag: বাইডেন

  • আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি না: বাইডেন

    আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি না: বাইডেন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৩ জুলাই, ২০২৪: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শুক্রবার মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েটের অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী প্রচারসভায় এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, ‘আমিই (ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট) প্রার্থী। এ সময় উপস্থিত সমর্থকদের ‘হাল ছেড়ো না’ বলে তাকে সমর্থন দিতে দেখা যায়।

    জনসভায় উপস্থিত সবার উদ্দেশে বাইডেন বলেন, আপনাদের মতো ১ কোটি ৪০ লাখ ডেমোক্রেট প্রাইমারিতে আমাকে ভোট দিয়েছেন। আপনারাই আমাকে মনোনীত করেছেন, অন্য কেউ না। প্রেস নয়, পন্ডিত নয়, অভ্যন্তরীণ কোনো শক্তি নয়, দাতারা নয়… আপনারা ভোটাররা সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, অন্য কেউ নয়, আর আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি না।

    বাইডেনকে নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য ডেমোক্র্যাট আইন প্রণেতা এবং দাতাদের দিক থেকে চাপ বাড়ছিল। তবে এই জনসভায় দেখা গেল বাইডেনকে নির্বাচনী দৌড়ে চেয়ে মানুষকে স্লোগান দিতে।

    প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আক্রমণ করে বেশ কিছু কথা বলেন বাইডেন। নানা প্রসঙ্গে ট্রাম্পকে নিয়ে কথা বলেন তিনি। বাইডেন ট্রাম্পকে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী বলেও আখ্যায়িত করেন।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প দেউলিয়া হওয়ার জন্য ৬ বার ফাইল করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন বাইডেন।

    আগের দিন বৃহস্পতিবার বাইডেন প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা হাকিম জেফরিসের সঙ্গের বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এক চিঠিতে তিনি বাইডেনকে সমর্থন দিয়েছেন বলে রয়টার্স জানায়। তবে সিএনএন জানায়, হাকিম  সরাসরি বাইডেনকে সমর্থন দেননি।

    এদিন সকালের দিকে নিজ দলের প্রতিনিধি পরিষদের প্রভাবশালী সদস্য জেমস ক্লাইবার্ন ও ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজমও বাইডেন সমর্থন দিয়েছেন। ইউনাইটেড অটো ওয়ার্কার্সের সভাপতি শন ফেইনও বাইডেন সমর্থন দিয়েছেন। ইতিপূর্বে তিনি বাইডেনের বিজয়ের বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।

    গত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ন্যাটোর ৭৫তম শীর্ষ সম্মেলন শেষ এক ঘণ্টার একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন বাইডেন। সেখানে তিনি ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের জায়গায় ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির জায়গায় পুতিনের নাম বলে আরও চাপে পড়েন।

  • এ যুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় এসেছে: বাইডেন

    এ যুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় এসেছে: বাইডেন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১ জুন, ২০২৪: স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ বন্ধে ইসরায়েলের নতুন প্রস্তাব মেনে নিতে হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এ যুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় এসেছে।”

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “তিন পর্যায়ের নতুন এই প্রস্তাবে গাজায় পুরোপুরি যুদ্ধবিরতি কার্যকরের সুযোগ রয়েছে। হামাসের উদ্দেশ্যে বাইডেন বলেন, ‘হামাস সবসময় বলে থাকে, তারা যুদ্ধবিরতি চায়। আসলেই তারা এটা চায় কিনা তা প্রমাণ করার সুযোগ এসেছে।”

    তিন ধাপের প্রস্তাবটিতে প্রথমেই রয়েছে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি। এই ধাপে গাজার জনবহুল এলাকা থেকে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) প্রত্যাহার করা হবে। গাজায় ব্যাপক মাত্রায় মানবিক সাহায্য বা ত্রাণ পৌঁছানো হবে, সেইসঙ্গে ফিলিস্তিনি বন্দিদের সঙ্গে কিছু জিম্মি বিনিময় করা হবে।

    চুক্তিটির শেষ ধাপে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং গাজার জন্য একটি বড় আকারের পুনর্গঠন পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। হামাস জানিয়েছে তারা নতুন প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে।

    শুক্রবার হোয়াইট হাউসে বাইডেন বলেন, হামাস বলে তারা যুদ্ধবিরতি চায়, এই প্রস্তাবটি তাদের সামনে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ। তিনি বলেন, এই চুক্তি গাজায় প্রতিদিন ৬শ ট্রাক সাহায্য নিয়ে যাওয়াসহ বিপর্যস্ত অঞ্চলে আরও মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি দেবে। দ্বিতীয় ধাপে পুরুষ সৈন্যসহ অবশিষ্ট জীবিত জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা হবে। তখন এই যুদ্ধবিরতি স্থায়ীভাবে শত্রুতার অবসান ঘটাবে।

    যদিও এই পরিকল্পনায় পূর্বে ব্যর্থ হওয়া আলোচনার অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তবে হামাসের মূল দাবি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির বিষয়টি সামনে আনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র হামাসকে আলোচনায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রস্তাবের তৃতীয় ধাপে মৃত ইসরায়েলি জিম্মিদের দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনার কথাও বলা হয়েছে, সেইসঙ্গে মার্কিন এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় গাজায় বাড়ি, স্কুল এবং হাসপাতাল পুনর্নির্মাণের জন্য একটি ব্যাপক পুনর্গঠন পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

    বাইডেন মনে করেন কিছু ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করতে পারেন। তিনি বলেন, যতই চাপ আসুক না কেন আমি ইসরায়েলি নেতাদের এই চুক্তির পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

    এই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলি জনগণকে সম্বোধন করে বলেন, আমরা এই মুহূর্তটি(সুযোগটি) হারাতে পারি না।

  • বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলে গোলাবারুদের একটি চালান থামিয়ে দিয়েছে

    বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলে গোলাবারুদের একটি চালান থামিয়ে দিয়েছে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৬ মে, ২০২৪: হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিয়ে যখন মিশর আলোচনা করছে তখন আবার সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। হামাসের রকেট হামলায় তিনজন ইসরায়েলি সেনা নিহত ও বেশকয়েকজন আহত হয়েছেন। জবাবে পাল্টা রাফাহ শহরে ইসরায়েল হামলা চালালে ১৯ জন নিহত হয়েছেন।

    এমন পরিস্থিতিতে বাইডেন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ইসরায়েলে গোলাবারুদের একটি চালান থামিয়ে দিয়েছে ।

    একটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন। যদিও গোলাবারুদের চালান থামিয়ে দেওয়ার কারণ খবরে প্রকাশ করা হয়নি।

    খবরটি প্রথম প্রকাশ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন নীতিতে কোনো সম্পর্ক নেই, তথা নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

    এ বিষয়ে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের এক মুখপাত্র বলেন, গত ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে ইসরায়েলের জন্য নিরাপত্তা সহায়তা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলকে জরুরি সহায়তা দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সর্ববৃহৎ সম্পূরক বরাদ্দ পাস করেছে। ইরানের হামলা থেকে ইসরায়েলকে রক্ষা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র একটি অভূতপূর্ব জোটের নেতৃত্ব দিয়েছে। ইসরায়েল যেসব হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে, তা থেকে তারা যাতে নিজেদের রক্ষা করতে পারে, সেটি নিশ্চিতের জন্য যা যা করা দরকার, তা করতে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।

    গত মাসে বাইডেন একটি বৈদেশিক সহায়তা বিলে স্বাক্ষর করেন যেখানে ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের জন্য ২৬ বিলিয়ন বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যার মধ্যে ১৫ বিলিয়ন ইসরায়েলি সামরিক সহায়তা, ৯ বিলিয়ন গাজার জন্য মানবিক সহায়তা এবং ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার আঞ্চলিক মার্কিন সামরিক অভিযানের জন্য রয়েছে।

    যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা রাফাহতে ইসরায়েলের একটি একটি সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে উদ্বিগ্ন। কারণ ওই অঞ্চলে ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছেন। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি চুক্তি নিয়ে নিবিড় আলোচনায় এগিয়ে যেতে যাচ্ছে।

    এদিকে রবিবার হামাসের রকেট হামলার পর কেরাম শালোম ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েল ও গাজার মধ্যবর্তী কেরেম শালোম সীমান্ত ক্রসিং দিয়ে ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করতো।

    গাজায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপের পর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ক্রসিং খুলে দেয়।

    তবে বাইডেন প্রশাসনের গোলাবারুদের চালান বন্ধ করে দেওয়া বিষয়টি ইতিবাচক। এর ফলে হামাস ও ইসরায়েলের ‍যুদ্ধ বিরতির খুব দ্রুত হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা ।

     

    সাত মাস ধরে গাজায় হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এই হামলার মুখে গাজার বেশির ভাগ মানুষ উপত্যকাটির রাফায় আশ্রয় নিয়েছে। সেখানে ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি আছে।

    এদিকে হামাসের হামলার পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, গতকাল রোববার ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন।

    ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তির লক্ষ্যে বর্তমানে আলোচনায় যুক্ত আছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই আলোচনায় কোনো অগ্রগতি নেই। ইসরায়েল ও হামাসের অনড় অবস্থানের কারণে গাজায় যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

  • ইসরায়েলি হামলায় অনেক নিরীহ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে: বাইডেন

    ইসরায়েলি হামলায় অনেক নিরীহ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে: বাইডেন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: চার মাসেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। হামাস বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাতে গিয়ে ইসরায়েলী বাহিনী গাজায় যেসব হামলা চালাচ্ছে তাতে ‘অনেক বেশি’ নিরীহ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

    গতকাল সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন বাইডেন। সেখানেই এ স্বীকারোক্তি দেন মর্কিন প্রেসিডিন্ট।

    আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্বে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম । এতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে নির্মূল করতে টানা চার মাসের বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। দেশটির এমন নির্বিচার হামলায় ২৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, এ সংঘাতে নিহত ২৭ হাজার ফিলিস্তিনির মধ্যে হাজার হাজার শিশু রয়েছে। তাদের সংখ্যাই বেশি। অনেক নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন নিহতের এ তালিকায়।

    গাজার মানুষ নিজেদের মৌলিক অধিকারটুকুও পাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, গাজায় হারিয়ে যাওয়া প্রতিটি নিরপরাধ জীবন এক একটি ট্র্যাজেডি।

    লাখ লাখ মানুষ খাদ্য, পানীয় বা অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজনগুলো পূরণ করতে পারছে না। এটি হৃদয়বিদারক যে, অনেক পরিবার কেবল তাদের বহু আত্মীয়-স্বজনকে হারিয়েছে।

    ইসরায়েলে নিহতদের জীবনকেও ট্র্যাজেডি বলে উল্লেখ করেন বাইডেন। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত নিরপরাধ ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের জন্য প্রার্থনা করেন বলেও জানান তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন আরও বলেন, তার দেশ হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তির বিষয়ে কাজ করছে। এ চুক্তি আগামী ছয় সপ্তাহ সময়ের জন্য গাজায় ‘টেকসই ও সবার জন্য ভালো সময়’ নিয়ে আসবে বলেও তিনি মনে করেন। এ চুক্তি পরবর্তীতে আরও বেশি সময় ধরে স্থায়ী করা হতে পারে বলেও তিনি জানান।

    রাফাহ শহরের অবস্থা নিয়ে বাইডেন বলেন, সেখানে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখেরও বেশি লোকের নিরাপত্তা ও সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বাসযোগ্য কোনো পরিকল্পনা ছাড়া সেখানে বড় সামরিক অভিযান চালানো উচিত নয়। সহিংসতা থেকে বাঁচতে ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া বাস্তুচ্যুতদের ‘রক্ষা করা দরকার’ বলেও উল্লেখ করেন বাইডেন।

    একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, শুরু থেকেই আমরা আমাদের অবস্থানে স্পষ্ট। আমরা গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের যেকোনো জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির বিরোধিতা করি।