Tag: বাংলাদেশ

  • অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ

    অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ

    অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক। শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানিয়েছেন। সংস্থাটির মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহারের উদ্বেগ জানিয়ে ভলকার টার্ক বলেন, এই আইন বাংলাদেশের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি, ভয় দেখানো এবং অনলাইনে সমালোচনার মুখ বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই আমি আবারও কর্তৃপক্ষকে এই আইন ব্যবহারে অবিলম্বে স্থগিতাদেশ আরোপের আহ্বান জানাচ্ছি।

    বাংলাদেশে এ আইনের প্রয়োগ উদ্বেগ জানান তিনি। অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি এবং অনলাইন প্লাটফরমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করতে, ব্যবহার হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন।

    একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে এই আইনের বিধানগুলোতে ব্যাপকভাবে সংস্কারের আহ্বান জানান ভলকার টার্ক।

    তুর্ক আরও বলেন, কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে এর প্রয়োগ স্থগিত এবং এই আইনকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এর ধারাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার আহ্বান জানাচ্ছি।

    এই সংশোধনী আনতে সহযোগিতার লক্ষ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর থেকে বাংলাদেশকে ইতিমধ্যে বিস্তারিত পরামর্শ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    ফলকার তুর্কের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে এই আইনে দুই হাজারের বেশি মামলা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে তার দপ্তর থেকে ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ জানানো হচ্ছে। এসব ধারা অস্পষ্ট এবং বিস্তৃত পরিসরে সেগুলোর প্রয়োগ করা যায়। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার এই আইনের যথেচ্ছ ও মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ বন্ধে সুরক্ষাকবচ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু যখন গ্রেপ্তার করা অব্যাহত রয়েছে, তখন তাদের এই প্রতিশ্রুতি যথেষ্ট নয়। খোদ এই আইনেরই যথাযথ সংস্কার দরকার।

    বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যেসব মামলা রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করতে একটি স্বাধীন বিচারিক প্যানেল গঠনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার। তার ভাষ্যমতে, এই পর্যালোচনা করা হবে যেন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মুক্তি পান।

  • নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

    নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে প্রস্তুতি নিতে বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সময়ে যেন নির্বাচন করতে পারি, সে বিষয়ে আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখবো। ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির প্রথম দিকে ভোট অনুষ্ঠানের সম্ভাবনার কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, সংবিধানে নির্দিষ্ট সময়ের আগেও নির্বাচন হতে পারে এমন প্রভিশন আছে। নির্দিষ্ট সময়ের দু’এক মাস আগে ভোট হলেও নির্বাচন করার প্রস্তুতি যেন ইসির থাকে।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সব ধরনের কার্যক্রম কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী শেষ করতে নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রেক্ষাপটে নির্বাচনি সামগ্রী কেনার প্রক্রিয়ায় অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা হতে পারে এমন শঙ্কার কথা উল্লেখ করে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন।

    বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

    সূত্র জানায়, সভায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজনে কেমন প্রতিবন্ধকতা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান সিইসি। একইসঙ্গে ভোট সুষ্ঠু করার ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ে পরামর্শও নেন। সভায় ইসি সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের বক্তব্যে আচরণ বিধি লঙ্ঘন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানান। আচরণ বিধি লঙ্ঘন বা নির্বাচনি অভিযোগ জানাতে ৯৯৯ এর মতো হটলাইন চালুর পরামর্শ দেন তিনি। সভায় ভারতের ভোটগ্রহণের উদাহরণ নিয়েও আলোচনা হয়।

    জানা গেছে, এটি নির্বাচন কমিশনের মার্চ মাসের নিয়মিত মাসিক সমন্বয় সভা ছিল। এতে সভাপতিত্ব করেন, ইসি সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম। রুদ্ধদ্বার সভায় প্রথা ভেঙ্গে এই প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার নির্বাচন কমিশনার নিজেদের আগ্রহ থেকেই অংশ নেন। সভায় ইসির মাঠ পর্যায়ের ১০ অঞ্চলিক কর্মকর্তা, ইসি সচিবালয়, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ ও নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভাশেষে সিদ্ধান্তের বিষয়ে ব্রিফিং করে ইসি সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নির্বাচন কমিশন আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে সচিবলায়কে নির্দেশনা দিয়েছেন, যেন তাদের ঘোষিত রোডম্যাপ থেকে প্রস্তুতি পিছিয়ে না থাকি। নির্বাচনের টপ টু বটম, যেমন মালামাল ক্রয় থেকে শুরু করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন পর্যন্ত সকল বিষয়ের ওপর তারা রোডম্যাপ অনুযায়ী নির্দেশনা দেন। আমাদেরও বলেছেন কোন বিষয়ে আমরা পিছিয়ে আছি।

    বৈঠকের আলোচনার বিষযে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায় থেকে আমরা জানতে চেয়েছি ব্যালট বক্সগুলো কোথায় আছে, কিভাবে আছে, সেগুলোকে কিভাবে যাচাই করে তারা আমাদের রিপোর্ট দেবে- এই সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো বাস্তবিক অর্থেই ইসির অভ্যন্তরীণ কাজ।

    বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, সংবিধান অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরের শেষ দিকে বা জানুয়ারির শুরুতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আবার সংবিধানে ওই সময়ের আগেও ভোট হতে তার প্রভিশন রয়েছে। সংবিধানকে সামনে রেখেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি সামগ্রীর যেগুলো বিদেশ আমদানি করতে হয়, অনেক সময়ে নানা জটিলতায় শিপমেন্ট ফেল করে, মালামাল ক্রয়ের টেন্ডার বাতিল হয়। তবে এসব অজুহাতে নির্বাচন আয়োজনে ফেল করার সুযোগ নেই। প্রয়োজনে আগেই প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো শেষ করতে হবে।

    সভায় আগামী সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার ওপর জোর দেন সিইসি। আলোচনার এক পর্যায়ে বিগত নির্বাচনগুলোতে ম্যাজিস্ট্রেট, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ভূমিকার বিষয়টি ওঠে আসে। সভার এক পর্যায়ের সিইসি কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান, ব্যালট বক্সে ইসির সরবরাহ করেনি এমন ব্যালট পেপার ঢুকিয়ে রাখার সুযোগ আছে কিনা?

    জবাবে ইসি কর্মকর্তারা বলেন, ব্যালটের মুড়ির সঙ্গে হিসাব মেলালে বাড়তি ব্যালট পেপার ঢুকানো হলে তা ধরা পড়ে। এ ধরনের কাজ যাতে না হয়, সেই প্রস্তুতি রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন সিইসি।

    সভায় নির্বাচন একদিনে ভোট হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট সংকটের বিষয়টি সামনে আসলে সিইসি বলেন, প্রশাসনের বাইরে নির্বাচন কমিশনসহ অন্য যেসব বিভাগ রয়েছে তাদের কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সীমিত আকারে দেওয়া যায় কী না- তা দেখা দরকার। নির্বাচনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারি প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগে সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তার নিজ দক্ষতা ও সাহসিকতায় ভোট তুলতে পারবেন- এমন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিতে হবে। সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিশ্চিতে জোর দেন সিইসি।

    সভায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা আধুনিকায়নের নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে নির্ধারণে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের সহায়তা নেওয়া। এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ওসি জানেন কোথায় ভোটকেন্দ্র হলে ভোটারদের নিরাপত্তা দেওয়া সহজ হবে। আর শিক্ষা কর্মকর্তা জানেন, কোন প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ভালো রয়েছে।

    সমন্বয় সভায় মাঠ কার্যালয় নিয়েও আলোচনা হয়, দেশের ৩টি জেলা ও ৪৫টি উপজেলায় পৃথক নির্বাচন অফিসের ভবন নেই। সেখানে সরকারি ভবনে নির্বাচন অফিস রয়েছে। এসব ভবন নির্মাণে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার জন্য সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ইসির শূন্য পদের বিষয়ে পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের মঞ্জুরিকৃত পদের সংখ্যা ৪ হাজার ৮৬১টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন ২ হাজার ২৫৭জন। বাকি ২ হাজার ৬০৪ পদ খালি আছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির শূন্য পদের সংখ্যা ১৬৬টি।

  • প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোরদাবি ঢাবি শিক্ষক সমিতির

    প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোরদাবি ঢাবি শিক্ষক সমিতির

    স্বাধীনতা দিবসে প্রথম আলোয় প্রকাশিত আলোচিত খবরটির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষক সমিতি। সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, সংবাদ প্রকাশের নামে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা চালানো হয়েছে। ‘প্রথম আলো’ সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

    শুক্রবার বিকেলে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা সাক্ষরিত ‘একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশের নামে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নিন্দা ও প্রতিবাদ’ শিরোনামের এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

    তবে তারা বিবৃতিতে প্রথম আলোর নাম উল্লেখ করেননি।

    বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা এবং ইউক্রেন যুদ্ধের সংকট মোকাবেলা করে যে মুহূর্তে বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর সংবাদ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, সেই মুহূর্তে দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে সরকারের বিরোধিতার নামে রাষ্ট্রকে অকার্যকর করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি এবং সেই সঙ্গে উক্ত সংবাদপত্রসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

    বিবৃতিতে প্রথম আলোর প্রতিবেদনটিকে সংবাদপত্রের নীতিমালা পরিপন্থী উল্লেখ করা বলা হয়, প্রতিবেদনটিতে মূলত একজন শিশুর ছবির নিচে ক্যাপশনের পরিবর্তে একজন দিনমজুরের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। যে বক্তব্যে দেশের স্বাধীনতাকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। এ ছাড়া, ক্যাপশনে একজন দিনমজুরের বক্তব্য হিসেবে উক্ত মন্তব্য প্রকাশ করা হলেও ছবিতে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে দেখা যাচ্ছে না। অন্য একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ওই শিশুকে তার দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে উৎকোচের বিনিময়ে প্রলুব্ধ করে ছবিটি তোলা হয়েছে।

    এতে আরো বলা হয়, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে একাধিক পক্ষ থাকলে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের বক্তব্য না নেওয়া, অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া এবং অভিভাবকের অনুপস্থিতিতে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির ছবি তোলা কিংবা তার বক্তব্য ধারণ করা সংবাদপত্রের নীতিমালা পরিপন্থী। একজনের ছবির সঙ্গে আরেকজনের উদ্ধৃতি প্রকাশ, ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর ছবি ও বক্তব্য প্রকাশ পাঠকের সাথে প্রতারণার শামিল। অথচ আলোচিত সংবাদটি প্রকাশের ক্ষেত্রে এ সকল রীতি-নীতি ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয় ।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করায় নির্দিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমসহ কোনো কোনো মহল প্রচার করছে যে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ করায় সরকার গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। যদিও বাস্তবতা হলো, প্রকৃতপক্ষে অসৎ উদ্দেশে উৎকোচ প্রদানের মাধ্যমে একজন শিশুকে সংবাদের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

    বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনা মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনকালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে বাসন্তী নামের একজনকে জাল পরিয়ে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। উক্ত বাসন্তীকাণ্ড যে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সাজানো হয়েছিল তা পরবর্তীকালে প্রমাণিত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, উক্ত সংবাদপত্র ইতোপূর্বে ২০০৭ সালে সামরিক স্বৈরাচারের পক্ষ নিয়ে দেশকে রাজনীতিশূন্য করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোরদাবি ঢাবি শিক্ষক সমিতির

  • শেখ হাসিনা টানা চতুর্থ মেয়াদে জয়ী হবেনঃ ব্লুমবার্গ

    শেখ হাসিনা টানা চতুর্থ মেয়াদে জয়ী হবেনঃ ব্লুমবার্গ

    বিশ্বখ্যাত সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ বাংলাদেশে আগামী সাধারণ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।

    বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যেও ‘সময়োচিত সংস্কার পদক্ষেপ’ গ্রহণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বিশ্বখ্যাত সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ বাংলাদেশে আগামী সাধারণ নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।

    আন্তর্জাতিক অর্থ বিষয়ক সংবাদ সংস্থাটি এক নিবন্ধে লিখেছে, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) টানা চতুর্থ মেয়াদে জয়ী হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’ একই সঙ্গে শেখ হাসিনাকে পুরো তহবিল পেতে আরও সংস্কার করতে হবে বলেও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

    এতে বলা হয়, শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে টানা চতুর্থ মেয়াদে সম্ভাব্য জয়ী হওয়ার কারণ এটা নয় যে, যে তাঁর অনেক প্রতিপক্ষ কারাগারে আছেন বা আইনি ফাঁদে পড়েছেন।

    নিবন্ধে বলা হয়েছে যে শেখ হাসিনার বিজয়ের কারণ ‘কেবলমাত্র তার অনেক প্রতিপক্ষ কারাগারে আছে বা আইনী ফাঁদে পড়েছেন-এটা নয় বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার সাফল্যের কারণেই এটা ব্যাপকভাবে প্রত্যাশিত।’

    আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির সময়োপযোগী সংস্কারের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ প্রাপ্তির পটভূমিতে ব্লুমবার্গ দু’টি উপ-শিরোনামসহ ‘বাংলাদেশ লিডার বেটস আইএমএফ-ম্যান্ডেটেড রিগর উইল পে অফ ইন পোলস’ শিরোনামের এই নিবন্ধটি প্রকাশ করে।

    এতে বলা হয়, পুরো তহবিল পেতে শেখ হাসিনাকে আরও সংস্কার করতে হবে নির্বাচনে তিনি টানা চতুর্থবারের মতো জয়ী হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ব্যালট বাক্সে পরাজিত হওয়ার ভয়ে বিশ্বজুড়ে সরকারি দলের নেতারা প্রায়শই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাথে সম্মত সংস্কার বাস্তবায়নে পিছিয়ে পড়ছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের মত নন। তার দ্রুত আইএমএফ ম্যান্ডেটের বাস্তবায়ন দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে যেখানে পাকিস্তান এখনও জ্বালানি ভর্তুকি নিয়ে দুরাবস্থার মধ্যে রয়েছে। শ্রীলঙ্কা স্থানীয় পৌরসভা নির্বাচন বিলম্বিত করেছে, কারণ, তারা গত সপ্তাহে আইএমএফ তহবিল পেতে কর এবং সুদের হার বাড়িয়েছে।

    গত জুলাই মাসে আইএমএফের সহায়তা চাওয়া দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি দেশের মধ্যে সর্বশেষ ছিল বাংলাদেশ। দেশটি দ্রুত জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির পর প্রথম ঋণ অনুমোদন পেয়েছে। ৭৫ বছর বয়সী শেখ হাসিনা এই পদক্ষেপ নিতে কোন কুন্ঠা বোধ করেননি।-বাসস

  • ভূমি উন্নয়ন কর শতভাগ অনলাইনে হবে পহেলা বৈশাখ থেকে: প্রধানমন্ত্রী

    ভূমি উন্নয়ন কর শতভাগ অনলাইনে হবে পহেলা বৈশাখ থেকে: প্রধানমন্ত্রী

    বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় ভূমি সম্মেলন-২০২৩ ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাতটি প্রকল্পের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে ভূমি উন্নয়ন কর শতভাগ অনলাইনে আদায় করা হবে’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূমি সেবা ডিজিটালাইজেশনের পাশাপাশি ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত অপরাধ ঠেকাতেও নেওয়া হয়েছে ব্যবস্থা। ভূমিতে নতুন নিয়োগ বিধিমালার মাধ্যমে নিয়োগের সমস্যারও সমাধান করা হয়েছে। সামনে আর জনবল সংকট থাকবে না। সব উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের যানবাহনও দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে গিয়ে অনেক মানুষকে অনেক হয়রানি হতে হয়েছে। আমরা যে ডিজিটাল বাংলাদেশ, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলছি, তাতে আর সেই হয়রানিটা মানুষকে পেতে হবে না। দেশে থাকেন, প্রবাসে থাকেন; আপনার সম্পদ আপনারই থাকবে। আপনার অধিকার যেভাবে সুনিশ্চিত হয় সেই ব্যবস্থাটাই আমরা নিয়েছি। আমরা চাই বাংলাদেশ থেকে সব ধরনের অনিয়ম দূর হোক।

    ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মকবুল হোসেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

  • সৌদিতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৩

    সৌদিতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৩

    সৌদি আরবের ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রী নিহত হওয়ার খবর জানা গেছে। এ ঘটনায় ১৭ বাংলাদেশিকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।

    গত সোমবার (২৭ মার্চ)  ওমরাহ পালন করতে পবিত্র মক্কা নগরী যাওয়ার পথে ওমরাহ যাত্রী বহনকারী বাসটি ব্রিজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে আগুন ধরে যায়। সোমবার আসির প্রদেশ ও আভা শহরের সঙ্গে সংযোগকারী সড়কে বাসটির ব্রেক ফেল হওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    সৌদি আরবে আসির প্রদেশে বাস উল্টে নিহত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জন। বুধবার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। নিহত ১৩ বাংলাদেশির পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন-

    ১। শহিদুল ইসলাম পিতাঃ মোঃ শরিয়ত উল্লাহ, সেনবাগ, নোয়াখালী।

    ২। মামুন মিয়া পিতাঃ আব্দুল আওয়াল, মুরাদনগর, কুমিল্লা।

    ৩। মোহাম্মদ হেলাল, নোয়াখালী।

    ৪। সবুজ হোসাইন, লক্ষ্মীপুর।

    ৫। রাসেল মোল্লা, মুরাদনগর কুমিল্লা।

    ৬। মোঃ আসিফ, মহেশখালী কক্সবাজার।

    ৭। মোঃ ইমাম হোসাইন রনি পিতাঃ আব্দুল লতিফ, টঙ্গী, গাজীপুর।

    ৮। রুক মিয়া পিতাঃ কালু মিয়া, চাঁদপুর।

    ৯। সিফাত উল্লাহ, মহেশখালী, কক্সবাজার।

    ১০। গিয়াস হামিদ, দেবীদ্দার, কুমিল্লা।

    ১১। মোহাম্মদ নাজমুল পিতাঃ কাওসার মিয়া, কোতোয়ালি যশোর।

    ১২। রনি, পিতাঃ ইস্কান্দার, যশোর।

    ১৩। মোহাম্মদ হোসেন, কক্সবাজার।

    নিহত ১৩ জন ছাড়াও এখনও পর্যন্ত আরও ৫ জন বাংলাদেশী নিখোঁজ রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে তারা সবাই মৃত কিন্তু তাদের লাশ পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা যাচ্ছে না।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন জানিয়েছেন, সৌদি আরবে যে বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই বাসে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩৫ জন। বাস দুর্ঘটনায় ১৮ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এছাড়া বাসে ভিন্নদেশি ১২ জন যাত্রীদের মধ্যে ৫ জনকে মৃত এবং ৭ জনকে আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

  • ক্যাবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল হলে সব পক্ষ উপকৃত হবে : তথ্যমন্ত্রী

    ক্যাবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল হলে সব পক্ষ উপকৃত হবে : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ক্যাবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল হলে দর্শক, অপারেটর, সরকার সবাই উপকৃত হবে। দর্শক বেশি চ্যানেল ও স্বচ্ছতর ছবি পাবে, অপারেটররা ব্যবসার ঠিক হিসাব এবং সরকার ঠিক রাজস্ব পাবে।

    একইসাথে এ জন্য প্রয়োজনীয় সেট টপ বক্সগুলো যেন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সবার সামর্থ্য অনুযায়ী কেনার সুযোগ থাকে সে বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ক্যাবল অপারেটরস এসোসিয়েশন অভ বাংলাদেশ (কোয়াব) আয়োজিত ইফতার সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

    দেশের ক্যাবল নেটওয়ার্ককে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরের পথিকৃৎ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা এক একটি এলাকা ব্লক করে নেটওয়ার্ক ডিজিটাল করাতে চাই না। ডিজিটাল করার প্রক্রিয়ার শুরুতে এনালগ পদ্ধতিও পাশাপাশি থাকতে পারে। তবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেশি-বিদেশি সকল চ্যানেল আর এনালগ পদ্ধতিতে শুধু দেশি চ্যানেল দেখা যাবে।

    সম্প্রচারমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই দেশে বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রা শুরু। এখন প্রায় ৩৬টির মতো টিভি চ্যানেল সম্প্রচারে আছে, আরো আসছে। এটি না হলে আজ কেউ টিভি চ্যানেল মালিক বা ক্যাবল অপারেটর থাকতেন না। সুতরাং যার নেতৃত্বে দেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে, যার কারণে এই শিল্পের বিকাশ, তার নেতৃত্বে এই অগ্রযাত্রা বজায় রাখার বিষয়টি ভাবনায় রাখার অনুরোধ জানাই।’

    হাছান মাহমুদ এ সময় কয়েক দশক ধরে টিভি চ্যানেলগুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সারাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় ক্যাবল অপারেটরদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। আইনানুসারে বিদেশি চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপনমুক্ত বা ক্লিনফিড সম্প্রচার ও টিভি চ্যানেলগুলোর ক্রম ঠিক রাখার বিষয়ে সহযোগিতার জন্য তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান।

    কোয়াব নেতৃবৃন্দের উত্থাপিত দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ক্যাবল অপারেটররা ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া শুরু করলে যেমন এক ব্যবসা অঙ্গনে অন্যের ঢুকে পড়া হবে, সেটি ওটিটি প্লাটফর্ম এবং অন্য সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ওটিটি নীতিমালার চূড়ান্ত খসড়াটি হাইকোর্টের অনুমোদন হয়ে এলে এ সব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।

    কোয়াব সভাপতি এবিএম সাইফুল হোসেনের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোশাররফ আলী, সহসভাপতি রাশেদুর রহমান মালিক ও সৈয়দ হাবিব আলী, সাবেক সভাপতি আনোয়ার পারভেজ প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন। একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বাবু, এশিয়ান টিভির চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদসহ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ইফতারে উপস্থিত ছিলেন।

  • ২-৭ বছরের জেল হবে নির্বাচনে সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকদের বাধা দিলে

    ২-৭ বছরের জেল হবে নির্বাচনে সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকদের বাধা দিলে

    নির্বাচনের সময় গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের কাজে বাধা দিলে ২ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন, ২০২৩’ নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এসে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

    মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, ‘প্রস্তাবিত এ আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার সময় আরও কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।’

  • অফিস-ব্যাংক–প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ থেকে নতুন সময়সূচি

    অফিস-ব্যাংক–প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ থেকে নতুন সময়সূচি

    পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের আলাদা অফিস সময় নির্ধারণ করেছে সরকার। রোজার প্রথম দিন থেকে এ সময়সূচি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রথম তিন দিন ছুটি থাকায় আজ সোমবার থেকে তা কার্যকর হচ্ছে।

    সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমজান মাসের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রমজান মাসে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। আর জোহরের নামাজের জন্য বেলা সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।

    এদিকে গত বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ১৫ পনের রমজান পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে। এই সময়ে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ক্লাস চলবে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে রমজানের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। রমজান মাসে ব্যাংকিং লেনদেন চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত। তবে ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

  • স্বাধীনতা দিবসে ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতা দিবসে ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    রোববার গণভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করেন তিনি। 

    পরে শেখ হাসিনা বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘মুজিবের বাংলাদেশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী